Kalimati Patrika

Kalimati Patrika Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kalimati Patrika, Media/News Company, Kajal Sen, Editor : Kalimati, Flat 301, Parvati Condominium, Phase 2, 50 Pramathanagar Main Road, Jamshedpur.

প্রকাশিত হলো কালিমাটি অনলাইন / ১৪৩ / চতুর্দশ বর্ষ : চতুর্থ সংখ্যা     কথনবিশ্বশুক্তি ঘোষ : ভাষা, লিপি, বর্ণ, হরফ... ইত্য...
13/06/2026

প্রকাশিত হলো

কালিমাটি অনলাইন / ১৪৩ / চতুর্দশ বর্ষ : চতুর্থ সংখ্যা

কথনবিশ্ব

শুক্তি ঘোষ : ভাষা, লিপি, বর্ণ, হরফ... ইত্যাদি
শ্রেষ্ঠা সিনহা : ক্যালিডোস্কোপের ভেতর যে মানুষ : মণীন্দ্র গুপ্তের জীবন, কবিতা ও অক্ষয় মালবেরি
মধুবন চক্রবর্তী : রবীন্দ্রনাথের বর্ষা, নিঃসঙ্গতা শ্রাবণ সঙ্গীত
মৌমিতা ঘোষ : সুবর্ণরেখা: মিথের বিমিশ্রণের আড়ালে আত্মধবংসী ঋত্বিক
প্রদোষ ভট্টাচার্য : বড় পর্দায় হিন্দী ছবি (১৯শ পর্বঃ সেরা তিনটি ছবির দ্বিতীয় ছবি) বজরঙ্গী ভাইজান (২০১৫)
স্মৃতিকণা সামন্ত : হর_কি_পৌড়ি
রোমেনা আফরোজ : আমি এবং শূন্যতা
রাজীব শ্রাবণ : বাছাই করা গল্পের ভূতেরা
পি.শাশ্বতী : রাঢ়বাংলার গাজন
জয়িতা ভট্টাচার্য : বর্ণমালার সাতকাহন (পর্ব ৩৮)

প্রতিবেশী সাহিত্য

ড.মারী লুই ফন ফ্রানৎস-এর ড্যানিশ রূপকথা (অনুবাদ: অর্ঘ্য দত্ত বক্সী)
কানাডীয় কবি জর্জ এলিয়ট ক্লার্কের কবিতা (ভাষান্তর ও ভূমিকা : গৌরাঙ্গ মোহান্ত)
নিউজিল্যান্ডের কবি জেমস কে বাক্সটার-এর কবিতা (অনুবাদ : বাণী চক্রবর্তী)
ঊষা রায়-এর কবিতা (অনুবাদ : মিতা দাশ)

ধারাবাহিক উপন্যাস:

শ্রাবণী দাশগুপ্ত : ছেঁড়া শেকড়ের অন্তরাখ্যান (১৫)
শর্মিষ্ঠা বিশ্বাস : দ্য ক্লাউড (২২)
শান্তিরঞ্জন চক্রবর্তী : স্বর্গ এসেছে নেমে (১৯-২০)
শুদ্ধেন্দু চক্রবর্তী : ইন্দ্রপুরী রহস্য (৯)

সমকালীন ছোটগল্প:

অম্লান বোস, আলী আফজাল খান, চঞ্চল বোস, তপনকর ভট্টাচার্য, দীপক সেনগুপ্ত, দেবাশিস ঘোষ, নীতা বিশ্বাস, বিমল গঙ্গোপাধ্যায়, রঞ্জন রায়, শৌভিক দে

কালিমাটির ঝুরোগল্প:

অচিন্ত্য দাস, অভিজিৎ বসু, অর্ক চট্টোপাধ্যায়, কাজল সেন, তথাগত চট্টোপাধ্যায়, বিমান মৈত্র, সুকান্ত পাল, সুপর্ণা বোস

কবিতার কালিমাটি:

অভিজিৎ মিত্র, ইন্দ্রাণী দত্ত পান্না, ইন্দ্রাণী সরকার, উদয় চট্টোপাধ্যায়, গোলাম কিবরিয়া পিনু, গৌরাঙ্গ মোহান্ত, চিত্তরঞ্জন হীরা, দেবাশিস মুখোপাধ্যায়, প্রশান্ত গুহমজুমদার, বিকাশ দাশ, মেহনাজ মুস্তারিন, রীণা ভৌমিক, শিশির আজম, সঞ্জয় রায়, সন্দীপন দাশ, সাজ্জাদ বিপ্লব, সুদীপ দাস, স্বপন রায়

ছবিঘর:

অভিজিৎ মিত্র, অম্লান বোস, কাজল সেন, তানিয়া গুহ মজুমদার, প্রশান্ত গুহ মজুমদার, রবীন ব্যানার্জি

সম্পাদক: কাজল সেন

লগ ইন করুন:
https://kalimationline.blogspot.com/
https://kalimationline.blogspot.com/?zx=8fa703c78db62e25

(আলোকচিত্র শিল্পী : রবীন ব্যানার্জি) See less

প্রকাশিত হলো কালিমাটি অনলাইন / ১৪২ / চতুর্দশ বর্ষ : তৃতীয় সংখ্যা    কথনবিশ্বসাইদুর রহমান : ভারতের গণতন্ত্রে ধর্মীয় রাজন...
14/05/2026

প্রকাশিত হলো

কালিমাটি অনলাইন / ১৪২ / চতুর্দশ বর্ষ : তৃতীয় সংখ্যা

কথনবিশ্ব

সাইদুর রহমান : ভারতের গণতন্ত্রে ধর্মীয় রাজনীতি: সংকট ও উত্তরণের পথ
রামতনু দত্ত : সব মানুষই সেকুলার (ধর্মনিরপেক্ষ) যদি না অস্বীকার করে
শান্তনু গঙ্গারিডি : শিবোলেথ
অরিজিৎ হাজরা : অসত্যের ইতিহাসে চাপা পড়ে যাওয়া সত্যের সুভাষ
গোলাম কিবরিয়া পিনু : কবিতা : বাস্তবতা, স্বভাব কবি ও আধুনিক কবি
ড. শিবশঙ্কর পাল : জীবনানন্দের কবিতায় গল্প-সংলাপ-নাট্যধর্মিতা
মধুবন চক্রবর্তী : কবি নির্মলেন্দু গুণের সাক্ষাৎকার
মৌ চক্রবর্তী : মিডিয়া, সমাজ সংস্কৃতি মঞ্চাভিনেত্রীদের অনুষঙ্গ # লেখা
প্রদোষ ভট্টাচার্য : বড় পর্দায় হিন্দী ছবি ১৫শ পর্বঃ সেরা তিনটি ছবি
পি.শাশ্বতী : রাঢ়বাংলার গাজন
জয়িতা ভট্টাচার্য : বর্ণমালার সাতকাহন (পর্ব ৩৭)
চঞ্চল বোস : পলাশের দেশ কালিমাটি

প্রতিবেশী সাহিত্য

কানাডীয় কবি লিলিয়ান অ্যালেনের কবিতা (ভাষান্তর ও ভূমিকা : গৌরাঙ্গ মোহান্ত)
লীলাধর মন্ডলোই-এর কবিতা (অনুবাদ : মিতা দাশ)

ধারাবাহিক উপন্যাস:

শ্রাবণী দাশগুপ্ত : ছেঁড়া শেকড়ের অন্তরাখ্যান (১৪)
শর্মিষ্ঠা বিশ্বাস : দ্য ক্লাউড (২১)
শুদ্ধেন্দু চক্রবর্তী : ইন্দ্রপুরী রহস্য (৮)
শান্তিরঞ্জন চক্রবর্তী : স্বর্গ এসেছে নেমে (১৭-১৮)

সমকালীন ছোটগল্প:

অচিন্ত্য দাস, অম্লান বোস, দীপক সেনগুপ্ত, দেবাশিস ঘোষ, প্রণব চক্রবর্তী, প্রীতম সেনগুপ্ত, বিমল গঙ্গোপাধ্যায়, রঞ্জন রায়, শৌভিক দে

কালিমাটির ঝুরোগল্প:

অভিজিৎ বসু, অভিজিৎ মিত্র, কাজল সেন, গৌতম দে, জয়িতা ভট্টাচার্য, বিমান মৈত্র, রাজেশ গঙ্গোপাধ্যায়, সমরেন্দ্র বিশ্বাস, সুকান্ত পাল, সুপর্ণা বসু,

কবিতার কালিমাটি:

অনির্বাণ সাধু, আমিনুল ইসলাম, উদয়ন ভট্টাচার্য, উদয় চট্টোপাধ্যায়, গৌরাঙ্গ মোহান্ত, তপজা মিত্র, ধীমান চক্রবর্তী, প্রশান্ত গুহমজুমদার, মেহনাজ মুস্তারিন, শুভ্রজিৎ চক্রবর্তী, সন্দীপন দাশ

ছবিঘর:

অভিজিৎ মিত্র, অম্লান বোস, কাজল সেন, তানিয়া গুহ মজুমদার, রবীন ব্যানার্জি, শিবাংশু দে, স্মৃতিকণা সামন্ত

সম্পাদক: কাজল সেন

লগ ইন করুন:
https://kalimationline.blogspot.com/
https://kalimationline.blogspot.com/?zx=2281fad71339b7c6

(আলোকচিত্র শিল্পী : রবীন ব্যানার্জি)

সম্পাদকীয় কালিমাটি অনলাইন / ১৪১ / চতুর্দশ বর্ষ : দ্বিতীয় সংখ্যা     যাঁরা ভারতের ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন এবং মানবাধিকার আন্...
16/04/2026

সম্পাদকীয়

কালিমাটি অনলাইন / ১৪১ / চতুর্দশ বর্ষ : দ্বিতীয় সংখ্যা

যাঁরা ভারতের ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন এবং মানবাধিকার আন্দোলন সম্পর্কে আগ্রহী, তাঁরা আশাকরি ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী এবং মানবাধিকার আইনজীবী সুধা ভরদ্বাজের নামের সঙ্গে পরিচিত। বিশেষত প্রায় চল্লিশ বছর ধরে তিনি ছত্রিশগড়ের নিপীড়িত মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করছেন। তাঁর জন্ম হয়েছিল ১৯৬১ সালের ১লা নভেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বস্টনে, কেননা তখন তাঁর মা কৃষ্ণা এবং বাবা রঙ্গনাথ ভরদ্বাজ সেখানে অর্থনীতিতে পোস্ট ডক্টরাল ফেলো ছিলেন। অবশ্য সুধা ভরদ্বাজ তাঁর মায়ের সঙ্গে বাবার বিবাহ বিচ্ছেদের পরে একসময় ভারতে ফিরে আসেন এবং পরবর্তী সময়ে কানপুর আই আই টি থেকে অঙ্ক নিয়ে বিজ্ঞানে পাঁচ বছরের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। আর তারপরেই তিনি ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী হিসেবে চলে আসেন ছত্রিশগড়ে। শ্রমিক নেতা শঙ্কর গুহ নিয়োগীর সঙ্গে এখানেই তাঁর পরিচয় হয়, যাঁকে তিনি তাঁর জীবনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব রূপে স্বীকার করেছেন। ২০১৮ সালে মহারাষ্ট্রের ভীমা কোরেগাঁও গ্রামে হিংসায় প্ররোচনা দেওয়ার মিথ্যে অভিযোগে ইউএপিএ আইনের অধীনে তাঁকে কারাবন্দী করা হয়। প্রথমে তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়, তারপর দেড় বছর পুনেতে ইয়েরওয়াড়া জেলে নির্জন কারাবাসে রাখার পর আরও একবছর মুম্বাইয়ের বাইকুলা জেলে রাখা হয়। ২০২১ সালে তাঁকে জামিনে ছাড়া হয়।
২০১৮ সালের নভেম্বর থেকে ২৯২০ সালের ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত সুধা ভরদ্বাজ ছিলেন পুনের ইয়েরওয়াড়া কারাগারে। এই সময়ে জেলবন্দী নারীদের কথা তিনি লিখে রাখতেন টুকরো টুকরো নোটসের মতো। আর তাঁর স্বচক্ষে দেখা এবং অভিজ্ঞতালব্ধ সেইসব নারীদের মধ্যে ছিয়াত্তরজন নারীর জীবন এবং সেইসময়ের আদালত ও জেল ব্যবস্থার সমকালীন চিত্র তুলে ধরেছেন পরবর্তী সময়ে তাঁর ইংরেজিত লেখা ‘ফ্রম ফাঁসি ইয়ার্ড’গ্রন্থে। বিগত ২০২৫ সালে এই গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ প্রকাশিত হয় ‘ফাঁসি ইয়ার্ড থেকে’ (ইয়েরওয়াড়ার মহিলাদের সঙ্গে আমার একটি বছর)। অনুবাদ করেছেন সোমনাথ গুহ। বইয়ের ভূমিকায় বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বইটিকে একটি ব্যতিক্রমী কারাসাহিত্য রূপে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও লিখেছেন, “যে-কোনো আন্দোলনের ইতিহাস বা উত্তরণশীল সময়কে অনুধাবন করার জন্য কারাগার থেকে লেখা আন্দোলনকারীদের চিঠি, বন্দীজীবনের দিনলিপি বা বন্দীশালার চার দেওয়ালের অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা পর্যবেক্ষণ ও উপলব্ধি এক অপরিহার্য উপাদান। ভারতের দীর্ঘ স্বাধীনতা আন্দোলন, ষাট ও সত্তর দশকের উত্তাল বিপ্লবী বামপন্থী আন্দোলন, জরুরি অবস্থার পর্যায়ে স্বৈরতন্ত্র-বিরোধী আন্দোলন এবং বর্তমান পর্বে কর্পোরেট লুন্ঠন ও ফ্যাসিবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন – সব আমলেই কারাগার থেকে উঠে আসা সাহিত্য রাষ্ট্র, সমাজ এবং সময়ের এক নির্মম ছবি পাঠকের সামনে তুলে ধরেছে”।
সাহিত্যিক জয়া মিত্র লিখেছেন, “জীবনমরণ বিপদের মাঝেই নাকি মানুষের স্বরূপ প্রকাশ পায়, লোকে বলে। এই বিশেষত্ব আমাকে আরও বেশি ভাবালো সুধা ভরদ্বাজের এই নাড়া দেওয়া বইটি পড়ে। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র বলে ঘোষিত এই দেশে দুর্বল, আহত এবং অন্যমত পোষণকারীদের কীভাবে দেখে রাষ্ট্র – তার অতি স্পষ্ট প্রমাণ দেশের কারাগার। একথা যে-কোনো শাসনব্যবস্থার ক্ষেত্রেই সত্য”।

এবছর আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় এই বইটি আমি সংগ্রহ করেছি। বইটি পড়ে আমি মুগ্ধ। আমার জীবনে এ এক অন্য অভিজ্ঞতা। আমি আমার প্রিয় পাঠক-পাঠিকাদেরও বইটি পড়ার জন্য অনুরোধ জানাই। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ শ্রদ্ধেয় অমর্ত্য সেন বই পড়ে মন্তব্য করেছেন, “অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বই”। আর সাহিত্যিক অরুন্ধতী রায় মন্তব্য করেছেন, “চমৎকার পর্যবেক্ষণ এবং সংবেদনশীল লেখা”।

শুভ নতুন বাংলা বছরের শুরুতে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা।

আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের ই-মেল ঠিকানা :
[email protected]
দূরভাষ যোগাযোগ : 9835544675

প্রকাশিত হলো কালিমাটি অনলাইন / ১৪১ / চতুর্দশ বর্ষ : দ্বিতীয় সংখ্যা    কথনবিশ্ব        রামতনু দত্ত : বই কি পড়তেই হবে?শুক...
13/04/2026

প্রকাশিত হলো

কালিমাটি অনলাইন / ১৪১ / চতুর্দশ বর্ষ : দ্বিতীয় সংখ্যা

কথনবিশ্ব

রামতনু দত্ত : বই কি পড়তেই হবে?
শুক্তি ঘোষ : ভাষা, লিপি, বর্ণ, হরফ... ইত্যাদি
মধুবন চক্রবর্তী : রাগের অন্তরে অনুরাগকে প্রতিস্থাপন করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল
মৌ চক্রবর্তী : অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ক্ষীরের পুতুল’ (দুয়োরানীর গল্প)
অঞ্জন সেনগুপ্ত : যে কথা বলা হয়নি
দেবাশিস ঘোষ : পুলিশের কবলে
শিবাংশু দে : লুংচুর ললিত লাস্য
পি . শাশ্বতী : রাঢ়বাংলার গাজন
স্মৃতিকণা সামন্ত : রামনাম
প্রদোষ ভট্টাচার্য : বড় পর্দায় হিন্দী ছবি (১৭শ পর্ব): শাহরুখ খানঃ ১৯৯৫-২০১৮
জয়িতা ভট্টাচার্য : বর্ণমালার সাতকাহন (পর্ব ৩৫)
শ্রেষ্ঠা সিনহা : গল্পগাথার ভিন্ন সমীকরণ: ‘হনন’

প্রতিবেশী সাহিত্য

অ্যামেরিকার কবি গলওয়ে কিনেলের কবিতা (ভাষান্তর ও ভূমিকা : গৌরাঙ্গ মোহান্ত)

ধারাবাহিক উপন্যাস:

শ্রাবণী দাশগুপ্ত : ছেঁড়া শেকড়ের অন্তরাখ্যান (১৩)
শর্মিষ্ঠা বিশ্বাস : দ্য ক্লাউড (বিংশ পর্ব)
শুদ্ধেন্দু চক্রবর্তী : ইন্দ্রপুরী রহস্য (৭)
শান্তিরঞ্জন চক্রবর্তী : স্বর্গ এসেছে নেমে (১৫-১৬)

সমকালীন ছোটগল্প:

চঞ্চল বোস, অদিতি ফাল্গুনী, অভিজিৎ বসু, অম্লান বোস, তপনকর ভট্টাচার্য, অসিত কর্মকার, দীপক সেনগুপ্ত, প্রীতম সেনগুপ্ত, বিমল গঙ্গোপাধ্যায়, শান্তনু গঙ্গারিডি, শৌভিক দে

কালিমাটির ঝুরোগল্প:

অভিজিৎ মিত্র, কাজল সেন, জয়িতা ভট্টাচার্য, তথাগত চট্টোপাধ্যায়, বিমান মৈত্র, রাজেশ গঙ্গোপাধ্যায়, সমরেন্দ্র বিশ্বাস, সুকান্ত পাল, সুপর্ণা বসু,

কবিতার কালিমাটি:

উদয় চট্টোপাধ্যায়, কানাইলাল জানা, গৌরাঙ্গ মোহান্ত, প্রশান্ত গুহমজুমদার, মেহনাজ মুস্তারিন, রঞ্জন মৈত্র, রীনা ভৌমিক, সন্তর্পণ ভৌমিক, সন্দীপন দাশ, সুদীপ দাস, সুধাংশুরঞ্জন সাহা, স্বপন ভট্টাচার্য, স্বপন রায়

ছবিঘর:

অভিজিৎ মিত্র , অম্লান বোস, কাজল সেন, তানিয়া গুহ মজুমদার, রবীন ব্যানার্জি, শিবাংশু দে, শুভ্রকান্তি দে, স্মৃতিকণা সামন্ত

বই / পত্র-পত্রিকা

সম্পাদক: কাজল সেন

লগ ইন করুন:
https://kalimationline.blogspot.com/
https://kalimationline.blogspot.com/?zx=a90d7c0088f64834

(আলোকচিত্র শিল্পী : অম্লান বোস)

প্রকাশিত হলো কালিমাটি অনলাইন / ১৪০ / চতুর্দশ বর্ষ : প্রথম সংখ্যা   কথনবিশ্ব        ড. শিবশঙ্কর পাল : বিশ্বনীতি দেশভাবনা ...
13/03/2026

প্রকাশিত হলো

কালিমাটি অনলাইন / ১৪০ / চতুর্দশ বর্ষ : প্রথম সংখ্যা

কথনবিশ্ব

ড. শিবশঙ্কর পাল : বিশ্বনীতি দেশভাবনা ও জীবনানন্দ
শ্রেষ্ঠা সিনহা : সাহিত্যসেবক জলধর সেনের কলমে বিধৃত শিশুসাহিত্য
অজিত দেবনাথ : শেষের কবিতা: যে কাহিনির কোনও পরিসমাপ্তি নেই
স্মৃতিকণা সামন্ত : তুঙ্গভদ্রার রাজকাহিনী
প্রদোষ ভট্টাচার্য : বড় পর্দায় হিন্দী ছবি (১৬শ পর্ব): উদর সমস্যা নিয়ে ছবি
মধুবন চক্রবর্তী : একা থেকে আত্মচেতনায় উত্তরণ: একাকিত্ব থেকে আত্মশুদ্ধির পথে নিয়ে যায় ‘Keep Breathing’...
মৌ চক্রবর্তী : ফ্ল্যাশব্যাকে থিয়েটারের পাঁচালি / এক প্রশংসাপত্র ও এক আলোকশিল্পী তাপস সেন
পি . শাশ্বতী : বেরঙিন দোল
জয়িতা ভট্টাচার্য : বর্ণমালার সাতকাহন (পর্ব ৩৪)

প্রতিবেশী সাহিত্য

কানাডীয় কবি অ্যালিস মেজরের কবিতা (ভাষান্তর ও ভূমিকা : গৌরাঙ্গ মোহান্ত)

ধারাবাহিক উপন্যাস:

শ্রাবণী দাশগুপ্ত : ছেঁড়া শেকড়ের অন্তরাখ্যান (১২)
শুদ্ধেন্দু চক্রবর্তী : ইন্দ্রপুরী রহস্য (৫)
শান্তিরঞ্জন চক্রবর্তী : স্বর্গ এসেছে নেমে (১৩-১৪)

সমকালীন ছোটগল্প:

অদিতি ফাল্গুনী, অম্লান বোস, চঞ্চল বোস, জয়িতা ভট্টাচার্য, তপনকর ভট্টাচার্য, দেবাশিস ঘোষ, দীপক সেনগুপ্ত, নীতা বিশ্বাস, প্রণব চক্রবর্তী, বাসব দাশগুপ্ত, মৌসুমী মুখোপাধ্যায়, রাজেশ গঙ্গোপাধ্যায়, সুকান্ত পাল

কালিমাটির ঝুরোগল্প:

অচিন্ত্য দাস, অভিজিৎ বসু, কাজল সেন, তথাগত চট্টোপাধ্যায়, বিমান মৈত্র, মন্দিরা গাঙ্গুলী, রিমি দে, শাহনাজ নাসরীন, শুদ্ধেন্দু চক্রবর্তী, শুভশ্রী সাহা, সুপর্ণা বসু, সৈয়দ মাজহারুল পারভেজ

কবিতার কালিমাটি:

অজিত বাইরী, অভিজিৎ মিত্র, আমিনুল ইসলাম, ইন্দ্রাণী সরকার, উদয় চট্টোপাধ্যায়, গোলাম কিবরিয়া পিনু, গৌরাঙ্গ মোহান্ত, তৈমুর খান, ধীমান চক্রবর্তী, প্রশান্ত গুহমজুমদার, মেহনাজ মুস্তারিন, যুবক অনার্য, শুক্তি ঘোষ, শুভ্রজিৎ চক্রবর্তী, সুদীপ দাস, সুধাংশুরঞ্জন সাহা, সুপ্তশ্রী সোম, সুবীর ঘোষ, স্বপন ভট্টাচার্য, স্বপন রায়

ছবিঘর:

অভিজিৎ মিত্র, অম্লান বোস, কাজল সেন, তানিয়া গুহ মজুমদার, রবীন ব্যানার্জি, শিবাংশু দে, স্মৃতিকণা সামন্ত

সম্পাদক: কাজল সেন

লগ ইন করুন:
https://kalimationline.blogspot.com/
https://kalimationline.blogspot.com/?zx=d61b8fe4ca1338ff

প্রকাশিত হলো কালিমাটি অনলাইন / ১৩৮ / ত্রয়োদশ বর্ষ : একাদশ সংখ্যা        কথনবিশ্বরোমেনা আফরোজ : নারী এবং দাসত্বপি শাস্বতী...
11/01/2026

প্রকাশিত হলো

কালিমাটি অনলাইন / ১৩৮ / ত্রয়োদশ বর্ষ : একাদশ সংখ্যা

কথনবিশ্ব

রোমেনা আফরোজ : নারী এবং দাসত্ব
পি শাস্বতী : গঙ্গরিডিই কি দেগঙ্গার চন্দ্রকেতুগড়
শিবাংশু দে : মান্নাম্যানিয়া অথবা অপূর্ব প্রেমের রাগ ভাটিয়ার
শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় : কিস্সা নৌসা কা
মধুবন চক্রবর্তী : রামকৃষ্ণ সঙ্গীত আর বিবেকানন্দ কীর্তন
প্রদোষ ভট্টাচার্য : বড় পর্দায় হিন্দী ছবি নতুন ছবি – ধুরন্ধর (২০২৫)
মৌ চক্রবর্তী : ছোটবেলার থিয়েটার, আমি বৈকুণ্ঠ … ফিরে দেখা
জয়িতা ভট্টাচার্য : বর্ণমালার সাতকাহন (পর্ব ৩২)
শ্রেষ্ঠা সিনহা : ‘তুমি পিতামহ’ : অনন্য বীরের নির্জন জীবনের সার
শাশ্বত সিকদার : অর্ঘ্য দত্ত বকসীর ‘সত্যান্যাস’ প্রসঙ্গে
চঞ্চল বোস : দোমোহনীর মেছুয়া

প্রতিবেশী সাহিত্য
ও হেনরি’র গল্প (অনুবাদ : বাণী চক্রবর্তী)
অঁতোনাঁ আর্তোর কবিতা (ভাষান্তর ও ভূমিকা : গৌরাঙ্গ মোহান্ত)
এলিজাবেথ ব্যারেট ব্রাউনিং-এর কবিতা (অনুবাদ : সুপর্ণা বসু)
নবনীত পান্ডের কবিতা (অনুবাদ : মিতা দাশ)

ধারাবাহিক উপন্যাস:

শ্রাবণী দাশগুপ্ত : ছেঁড়া শেকড়ের অন্তরাখ্যান (১০)
অর্ঘ্য দত্ত বক্সী : সত্যানাস (৯)
শর্মিষ্ঠা বিশ্বাস : দ্য ক্লাউড (১৮)
শান্তিরঞ্জন চক্রবর্তী : স্বর্গ এসেছে নেমে (১০)
সুকান্ত দেবনাথ : অস্তাচল (১০-১১)
শুদ্ধেন্দু চক্রবর্তী : ইন্দ্রপুরী রহস্য (৪)

সমকালীন ছোটগল্প:

অদিতি ফাল্গুনী, অভিজিৎ মিত্র, অম্লান বোস, অর্ঘ্য দত্ত বক্সী, দীপক সেনগুপ্ত, প্রণব চক্রবর্তী, প্রশান্ত গুহমজুমদার, বিমান মৈত্র, মৌসুমী মুখোপাধ্যায়, রাজর্ষি কুন্ডু, রাজেশ গঙ্গোপাধ্যায়, সমরেন্দ্র বিশ্বাস

কালিমাটির ঝুরোগল্প:

অচিন্ত্য দাস, অভিজিৎ বসু, কাজল সেন, জয়িতা ভট্টাচার্য, দেবাশিস ঘোষ, সুকান্ত পাল, সুপর্ণা বসু, সৈয়দ মাজহারুল পারভেজ

কবিতার কালিমাটি:

আমিনুল ইসলাম, আলী আফজাল খান, ইন্দ্রাণী দত্ত পান্না, উদয় চট্টোপাধ্যায়, গোলাম কিবরিয়া পিনু, গৌরাঙ্গ মোহান্ত, চিত্তরঞ্জন হীরা, তৈমুর খান, দেবাশিস মুখোপাধ্যায়, ধীমান চক্রবর্তী, পলাশ দে, মেহনাজ মুস্তারিন, যুবক অনার্য, শিশির আজম, সাজ্জাদ বিপ্লব, সুদীপ দাস, সুধাংশুরঞ্জন সাহা, সুপ্তশ্রী সোম, সুবীর ঘোষ, স্বপন রায়

ছবিঘর:

অভিজিৎ মিত্র, অম্লান বোস, কাজল সেন, তানিয়া গুহ মজুমদার, রবীন ব্যানার্জি, শিবাংশু দে, স্মৃতিকণা সামন্ত

সম্পাদক: কাজল সেন

লগ ইন করুন:

https://kalimationline.blogspot.com/
https://kalimationline.blogspot.com/?zx=b5637a303729704d

(আলোকচিত্রশিল্পী : শিবাংশু দে)

11/01/2026
ভারতের একটি সুপ্রাচীন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নাম শবর। বৈদিক সাহিত্যে শবর উপজাতির উল্লেখ আছে।  রামায়ণেও এই উপজাতির উল্লেখ পাওয়...
28/12/2025

ভারতের একটি সুপ্রাচীন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নাম শবর। বৈদিক সাহিত্যে শবর উপজাতির উল্লেখ আছে। রামায়ণেও এই উপজাতির উল্লেখ পাওয়া যায়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খন্ড, ওড়িশা, ত্রিপুরা অঞ্চলে অর্থাৎ মূলত উত্তর-পূর্ব ভারতের জঙ্গল ও পাহাড়ি অঞ্চলে তাঁদের বসবাস। এছাড়া মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়েও তাঁরা বসবাস করেন। শবর উপজাতিরা সাওরা, লোধা, কিরাত বা ব্যাধ নামেও পরিচিত। সেই প্রাচীনকাল থেকেই তাঁরা জঙ্গলের ওপর নির্ভরশীল এবং শিকার তাঁদের একমাত্র জীবিকা। তবে অবর্ণনীয় দারিদ্র্য আর কষ্টের কারণে তাঁরা চুরি-ডাকাতি জাতীয় অপকর্মে পরবর্তী সময়ে অনুপ্রবেশ করেন। আর এই কারণে, ইংরেজ শাসনকালীন ভারতে অপরাধপ্রবণ উপজাতি রূপে গণ্য হন।

গত ২০২৫ ডিসেম্বর মাসের ১৩ তারিখে ‘রোশনি’ সামাজিক সংস্থার পক্ষ থেকে আমরা পাঁচজন সদস্য – অসীম মৈত্র, বাবুল দাস, কিশোর ভৌমিক, রুণু রাহা এবং আমি এমনই একটা শবর উপজাতির গ্রামে গেছিলাম। ‘রোশনি’র প্রাণপুরুষ অসীম মৈত্র (পুচু), একদা জামশেদপুর তথা বিহারের বিখ্যাত ফুটবল খেলোয়াড়, দীর্ঘদিন এই গ্রামে বিভিন্নরকম উন্নয়নমূলক কর্মসূচি সূত্রে যাতায়াত করছেন। বস্তুত ঝাড়খন্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার বোরাম অঞ্চলের বোটা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কাশীটাঁড় গ্রামে কয়েকঘর শবর উপজাতির বসবাস। গ্রামটি বোরামের পাকা রাস্তা থেকে খুব একটা ভেতরে নয়। তবে চারিদিক পাহাড়ে ঘেরা বিস্তৃত বনাঞ্চল। এই গ্রামে যে অল্পসংখ্যক শবর উপজাতির মানুষ বসবাস করেন, তাঁরা কোনো অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ‘রোশনি’র উদ্যোগে তাঁরা এখন কিছু কিছু কৃষিকাজ করেন। উৎপন্ন ফসল কাছাকাছি গ্রাম্যবাজারে কখনও কখনও বিক্রিও করে্ন। ‘রোশনি’র পক্ষ থেকে বিভিন্ন শস্যের ও তরি-তরকারির বীজ মাঝেমধ্যেই সরবরাহ করা হয়। ‘রোশনি’ ছাড়া আরও কেউ কেউ ব্যক্তিগতভাবেও তাঁদের বিভিন্ন ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র, পোশাক এবং অর্থসাহায্য করে থাকেন – যেমন সুভাষ সংস্কৃতি পরিষদ জামশেদপুর শাখার প্রাণপুরুষ এবং বিখ্যাত ‘শ্রীলেদার্স' পাদুকাশিল্পের কর্ণধার শেখর দে এবং ‘সৌরভ’ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সুজিতকুমার মুখোপাধ্যায়। এছাড়া শুভেন্দু রায়চৌধুরী, বিদ্যুৎ মজুমদার, অশোক ভট্টাচার্যর নামও উল্লেখযোগ্য। আরও উল্লেখ করতে হয় জামশেদপুর মহিলা সমিতি, বিষ্টুপুর, সহযোগিতার কথাও। তবে এই গ্রামের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার কোনো ব্যবস্থা করা এখনও পর্যন্ত সম্ভব হয়ে ওঠেনি। আমরা আশাবাদী, অদূর ভবিষ্যতে তা অবশ্যই সম্ভবপর হবে।

সেদিনের গৃহীত কিছু আলোকচিত্র এই প্রতিবেদনের সঙ্গে সংযোজন করলাম।

গতকাল ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ দৈনিক সংবাদপত্র 'যুগশঙ্খ'র রবিবারের বৈঠকে প্রকাশিত হয়েছে আমার লেখা একটি ছোটগল্প 'ঘটনা দুর্ঘটনা'। ...
15/12/2025

গতকাল ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ দৈনিক সংবাদপত্র 'যুগশঙ্খ'র রবিবারের বৈঠকে প্রকাশিত হয়েছে আমার লেখা একটি ছোটগল্প 'ঘটনা দুর্ঘটনা'। আমার প্রিয় বন্ধুদের পড়ার জন্য গল্পটির একটি আলোকচিত্র পোস্ট করলাম, একইসঙ্গে গল্পের ওয়ার্ড ফাইল সংযোজন করলাম।

কাজল সেন

ঘটনা দুর্ঘটনা

কর্মসূত্রে এই শিল্পাঞ্চলে আমার আগমন এবং বসবাস। যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি, তারাই আমার থাকার ব্যবস্থা করেছে। নির্জন পরিবেশে একটি বহুতলের প্রশস্ত ফ্ল্যাট, যাতে দৈনন্দিন জীবনধারণের যাবতীয় ব্যবস্থা আছে। ইচ্ছে ছিল, আমার অবসরপ্রাপ্ত মা-বাবা আমার কাছেই থাকুন। কিন্তু দাবীটা অনায্য, কেননা আমার অগ্রজ আরও দুজন দাদা ও দিদি আছে।
তা একা থাকতে মন্দ লাগে না। সকাল সকাল রান্না করার দিদি চলে আসে। সকালের জলখাবার, দুপুর ও রাতের খাবার আমার অফিস যাবার আগেই গুছিয়ে রাখে। ন’টার মধ্যে অফিসে পৌঁছে যাই। বেলা সাড়ে বারোটায় ফ্ল্যাটে ফিরে খাওয়া সেরে দুটো নাগাদ আবার অফিসে পৌঁছে যাই। অফিস থেকে ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যে নেমে আসে। ফ্ল্যাট থেকে অফিসের দূরত্ব সামান্যই, নিজস্ব বাইকেই সর্বত্র আসা-যাওয়া করি। অলস সময়ে স্বপ্ন দেখি, অদূর ভবিষ্যতে বিয়ে করে সংসার সাজানোর। সাধারণ মধ্যবিত্ত জীবনে ও মানসিকতায় এটুকুই তো কাম্য!
তবে দৈনন্দিন জীবনে প্রতিনিয়ত ঘটনার পাশাপাশি মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটে। প্রতিদিন বাইকে রাস্তাকে শাসন করা যদি ঘটনা হয়, তাহলে যে কারণেই হোক না কেন, উড়ন্ত শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে রাস্তায় আছাড় খেয়ে পড়া অবশ্যই দুর্ঘটনা। হতে পারে, বাইক যে চালাচ্ছে, তার নিজেরই অসতর্কতায় শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে না পারা, বা খারাপ রাস্তার কারণে বাইকের চাকা পিছলে যাওয়া, অথবা অন্য কোনো গাড়ি বা মানুষ বা জন্তুর সঙ্গে সংঘর্ষ হওয়া। কিন্তু একথা তো অস্বীকার করা যায় না যে, ইচ্ছাকৃতভাবে কেউই দুর্ঘটনায় অংশগ্রহণ করে না। করবেই বা কেন! যেখানে প্রাণ সংশয়!
এই যেমন আমার দুর্ঘটনার কথাই বলি। সেদিন রোববার। বিকেলে বাইকে রওয়ানা হয়েছিলাম আমার এক সহকর্মীবন্ধুর প্রথম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য। মাথায় হেলমেট ছিল। নিজের খেয়ালে গুনগুন আরাধনা ছবির সেই চিরন্তন গান, বিশেষত যা অবিবাহিত যে কোনো যুবকের একান্ত আরাধনাসঙ্গীত, আমার স্বপ্নের রানী কবে আসবি তুই…! উল্লেখ না করলেও চলে, যে নারী এখনও পর্যন্ত আমার অদেখা অচেনা অজানা অধরা, সেই বিমূর্ত নারীর প্রেমে তখন আমি আত্মহারা। আর ঠিক তখনই আচমকা কী যে হলো, কিছুই বুঝতে পারলাম না। একটু পরে যখন বোঝার অবস্থায় ফিরলাম, আবিষ্কার করলাম, আমি বাইক থেকে ছিটকে পড়েছি ফুটপাথে। হেলমেটের কারণে মাথা অবশ্য ফাটেনি, কিন্তু সারা শরীর যেন থেঁতলে গেছে, গলগল করে রক্ত বেরোচ্ছে। মাথা ঘোরাতেই দেখলাম, কিছুটা দূরে আমার বাইকটা কেৎরে পড়ে আছে আর তার পাশেই একটা নীলরঙের গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। না বোঝার কোনো কারণ নেই যে, এই গাড়ির সঙ্গেই আমার বাইকের ঠোকাঠুকি হয়েছে। কীভাবে হয়েছে, তা জানা নেই। আমি তো বাইক ভিড়িয়ে দিইনি ঐ গাড়িতে! বরং গাড়িটাই চড়াও হয়েছিল আমার ওপর। আর তারপরেই ঘটল সেই ভয়ানক কান্ডটা। রাস্তার লোকেরা তখন ছুটে আসছে ঘটনাস্থলে। তারা নিশ্চিত আমাকে উদ্ধার করার জন্যই ছুটে আসছে! কিন্তু তাদের ছুটে আসতে দেখে, সম্ভবত প্রবল নার্ভাস হয়ে, নীল গাড়ির চালক পালাবার চক্করে প্রচন্ডবেগে অ্যাক্সিলেটরে পায়ের চাপ দিল। দেখলাম, প্রথমে গাড়িটা একটা গোত্তা খেল। তারপরই ছিটকে পড়ল ফুটপাথে রীতিমতো একটা ডিগবাজী মেরে।
ব্যস এইটুকুই। আমার আর জানার কোনো অবকাশ ছিল না। আমি জ্ঞান হারালাম। যখন অল্প অল্প জ্ঞান ফিরে এলো, তখন নিজেকে আবিষ্কার করলাম আমাদের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের হাসপাতালের শয্যায়। আধো আধো চোখ মেলে দেখলাম, আমার অফিসের এক সহকর্মীবন্ধু শয্যার পাশে একটা চেয়ারে বসে আছে। কিন্তু তখন কথা বলার অবস্থায় ছিলাম না। আমার জ্ঞান ফিরে আসার খবরটা নার্সকে দেবার জন্য সে দৌড়ল। সামান্য মাথা ঘুরিয়ে মনে হলো, আমার বেডের পাশাপাশি আরও কয়েকটা বেডে আরও পেশেন্ট আছে।
আমি কখনই এটা ভাবিনি যে, সেই নীল গাড়ির চালক আমাকে ইচ্ছে করে ধাক্কা মেরেছে। হয়তো গাড়ি চালাতে সামান্য অসতর্কতার জন্য এই দুর্ঘটনা ঘটেছে! আমার আদৌ জানা নেই সেই চালকের নাম পরিচয়। কিন্তু হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শুয়ে সেই চালকের কী হয়েছে, এখন কেমন আছে, জানার জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়েছিলাম। কেননা সেদিন জ্ঞান হারাবার আগে সেই ভয়ানক কান্ডটা প্রত্যক্ষ করেছিলাম। চালক গাড়ি নিয়ে পালাতে চেয়েছিল। এবং এই পালানোর চেষ্টাটা খুবই স্বাভাবিক। পথে কোনো দুর্ঘটনা হলে, যে ব্যক্তি আহত হয়, তাকে যেমন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাবার দায়িত্ব থাকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত মানুষদের; তেমনি যে ব্যক্তি অক্ষত থাকে, তাকে বেধড়ক প্যাঁদানোর একটা অলিখিত নিয়মও থাকে। হাসপাতালে থাকাকালীন আমি আমার সহকর্মী বন্ধুদের কাছে খোঁজখবর করেছিলাম। তারা সন্ধান করে জানিয়েছিল, সেই গাড়িতে শুধু চালক নয়, সঙ্গে তাঁর স্ত্রীও ছিলেন। দুর্ঘটনায় স্বামীর সেখানেই মৃত্যু হয়েছিল, স্পটডেথ, আর তাঁর স্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছিলেন এবং তিনি এই হাসপাতালেই এখনও চিকিৎসারত। খবরটা জেনে আমি মর্মাহত হয়েছিলাম। একটা তাজা প্রাণ এভাবে শেষ হয়ে গেল! ব্যাপারটা কিছুতেই যেন মেনে নিতে পারছিলাম না। আর তখনই ঠিক করলাম, আমাকে দেখা করতে হবে সেই মৃতব্যক্তির স্ত্রীর সঙ্গে। আমি জানি, আমার কোনো দায় নেই। দুর্ঘটনার প্রথম পর্বে আমি বাইক চালাতে চালাতে আক্রান্ত হয়েছিলাম। তাতে আমার ত্রুটি ছিল না, গাড়ির চালকের ত্রুটি থাকলেও থাকতেও পারে। কিন্তু দুর্ঘটনার দ্বিতীয় পর্বে আমার আদৌ কোনো ভূমিকাই ছিল না। চালকের হঠকারী সিদ্ধান্তই তাকে চরম বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এটা কখনই কাম্য ছিল না।
হাসপাতাল থেকে নিজের ফ্ল্যাটে ফিরে কিছুদিন ছুটিতেই ছিলাম। ইতিমধ্যে মা-বাবা এসে আমার কাছেই ছিলেন কিছুদিন। দাদা দিদিও এসে দেখা করে ফিরে গেছে। প্রথমটা চলাফেরায় খুবই অসুবিধে হতো, যন্ত্রণা হতো। ফ্ল্যাটের বাইরে যেতে পারতাম না। কিন্তু বেশিদিন ঘরে বসে থাকাও যায় না। চাকরির ব্যাপার, অফিসে জয়েন করা জরুরি। তাছাড়া মাথার মধ্যে সমানেই পাক খাচ্ছে, আহত সেই মহিলার সঙ্গে দেখা করার কথা। সহকর্মীবন্ধুরা আমাকে জানিয়েছিল, সেই মহিলা এখনও হাসপাতালেই আছে, ছাড়া পায়নি। অনুমান করতে অসুবিধে হয় না, দুর্ঘটনার দরুন তার আঘাত কতটা সাংঘাতিক ছিল শারীরিক ক্ষেত্রে, তার পাশাপাশি স্বামীকে হারানোর চূড়ান্ত মানসিক আঘাত।
একদিন বিকেলে অফিস থেকে একটু তাড়াতাড়ি বেরিয়ে হাসপাতালে গেলাম। বিকেল পাঁচটা থেকে সন্ধ্যে সাতটা পর্যন্ত ভিজিটিং আওয়ারস। মহিলার হাসপাতালের ওয়ার্ড নম্বর, বেড নম্বর আগেই সংগ্রহ করেছিলাম। মহিলাকে খুঁজে নিতে অসুবিধে হলো না।
মনে মনে ঠিক করে উঠতে পারছিলাম না, মহিলার মুখোমুখি হয়ে কী বলব, দেখতে আসার কী অজুহাত দেখাব! মহিলাই বা কীভাবে আমাকে গ্রহণ করবেন অথবা চরম বিদ্বেষে প্রত্যাখ্যান করবেন কিনা! তার স্বামীর অযাচিত মৃত্যুর জন্য কি আমাকেই দায়ী করবেন!
মহিলা সারাটা শরীর চাদরে ঢেকে শুয়েছিলেন, তবে জেগেই ছিলেন। আমি তার বেডের পাশে দাঁড়িয়ে সম্বোধন করলাম, মিসেস কাপুর!
মহিলা চোখ ফিরিয়ে আমাকে দেখলেন। চেনার কোনো প্রশ্নই নেই। হাঁ করে তাকিয়ে থাকলেন আমার মুখের দিকে। কিছুটা অপ্রস্তুত।
বললাম, আমাকে আপনি চিনবেন না। আপনি আমাকে কখনও দেখেনওনি। যেমন আপনাকেও আজ আমি প্রথম দেখলাম।
মহিলা কিছু বুঝতে পারছিলেন না। বললেন, আমি বসব, নিজের চেষ্টায় বসতে পারি না। একটু হেল্প করবেন?
আমি তাকে বিছানায় উঠে বসতে সাহায্য করলাম।
বললেন, আপনি আমাকে চেনেন না, অথচ দেখা করতে এসেছেন! আশ্চর্য তো!
আমি বললাম, কোনো চাপ নেবেন না। আপনি এখনও অসুস্থ সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর। আমার আরও আগে আপনার কাছে আসা উচিত ছিল, কিন্তু আসতে পারিনি, কেননা আমি নিজেও অসুস্থ ছিলাম। তা এখন আপনি কতটা ভালো আছেন?
মহিলা কিছুটা সন্দিগ্ধ কন্ঠস্বরে বললেন, আপনি সেদিনের দুর্ঘটনার কথা জানেন? কীভাবে? আপনি কি সেদিন সেখানে উপস্থিত ছিলেন?
একটু ইতঃস্তত করে বললাম, হ্যাঁ ছিলাম। তবে আপনার কথা আমি জানতাম না, পরে জেনেছিলা ম।
মহিলা একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, আচ্ছা, বুঝেছি। কিন্তু সে তো বেশ কিছুদিন আগের কথা। কেউ তো আর আমার কথা মনে রাখেনি। কেউ দেখতেও আসে না।
বললাম, কেন, আপনার বাড়ির কেউ আসে না? আত্মীস্বজন বন্ধুবান্ধব?
-আমার কেউ নেই। যারা ছিল, তারা সবাই সরে গেছে। শুধু তাই নয়, দুর্ঘটনায় আমার স্বামীর মৃত্যুর জন্য আমাকেই দায়ী বলে মনে করে সবাই।
-সেকী! কেন?
মহিলা একটু নীরব থেকে বললেন, এসব ব্যক্তিগত ব্যাপার, কাউকে বলা যায় না। তবু যখন জানতে চাইছেন, তাই বলছি, আমার সঙ্গে গুরুদয়ালের সম্পর্ক কখনও কেউ মেনে নেয়নি। আমাদের বাড়িতেও নয়, গুরুদয়ালদের বাড়িতেও নয়। আমরা একদিন তাই পালিয়ে বিয়ে করেছিলাম। বিয়ের পরে বাপের বাড়ি বা শ্বশুরবাড়ি কোথাও স্থান পাইনি। গুরুদয়ালের নিজস্ব একটা ব্যবসা ছিল, তাতেই আমাদের সংসার চলত। এখন তো গুরুদয়ালই নেই। ব্যবসা দেখারও কেউ নেই। আমি এখন একা, একদম একা।
কৌতূহলটা হঠাতই মাথায় এলো আমার, তাহলে এই যে আপনি হাসপাতালে এতদিন আছেন, চিকিৎসার খরচ কীভাবে ম্যানেজ করছেন?
মহিলা দুঃখের হাসি হেসে বললেন, আসলে কী জানেন, সেদিন আমরা দুজনে আমাদের গাড়িতে এক পরিচিত বন্ধুর প্রথম বিবাহবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলাম। যাবার আগে কী যে মনে হয়েছিল, আমার যেটুকু সোনার গয়নাগাটি ছিল, সব পরেছিলাম। যদিও জানতাম, সোনার গয়না পরে বাইরে বেরোনো রিস্কের ব্যাপার। যাইহোক, দুর্ঘটনার পর অজ্ঞান অবস্থায় আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। আর তখনই সব অলঙ্কার খুলে হাসপাতালেই জমা রাখা হয়েছিল। আমি হাসপাতালের সুপারকে জানিয়েছি, আমার কাছে হার্ডক্যাশ নেই। আপাতত এইসব গয়নাগুলো বন্ধক রেখে যা করার করুন। প্রয়োজনে বিক্রি করে দিন। আমি কোর্টপেপারে সাইন করে দেব। তারপর যা বাকি থাকবে, তা পরে মিটিয়ে দেব। এছাড়া আমার এখন আর কিছুই করার নেই।
-কিন্তু আমি যতটা জানি, হাসপাতালের পুরো বিল মিটিয়ে না দিলে হাসপাতাল থেকে আপনি ছাড়া পাবেন না!
মিসেস কাপুর হাসলেন। করুণ হাসি।
-জানি না, কী করব! আসলে জানেন তো, আমার দুটো পা এতটাই জখম হয়েছিল যে, তা আর সারানো যায়নি, কেটে বাদ দিতে হয়েছে।
কথাটা শুনে চমকে উঠলাম আমি। দুটো পা’ই কেটে বাদ দিতে হয়েছে? মানে আর কোনোদিন হাঁটতে পারবে না? তাহলে বেঁচে থাকবে কীভাবে? কেউ তো দেখারও নেই!
হাসপাতাল থেকে চলে আসার আগে মহিলা প্রশ্ন করলেন, আমার তো অনেক আপনি জানলেন, কিন্তু আপনার কথা তো কিছুই জানালেন না!
হঠাৎই কেমন যেন একটা ঝোঁক চেপে বসল আমার মাথায়। মনে হলো, এভাবে কাপুরুষের মতো আমি পালিয়ে যেতে পারি না! আমি অবশ্যই এই বর্তমান প্রজন্মের একজন আত্মকেন্দ্রিক স্বার্থপর ক্যারিয়ারিস্ট। পারবারিক বৃত্তের বাইরে কখনও কারো জন্য চিন্তাভাবনা করিনি। কিন্তু আজ এই মুহূর্তে আমি যে এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি, তা এড়িয়ে যেতে আমি পারি না। মনের চেতনে না হোক, অবচেতনে যেটুকু দায়বদ্ধতা আছে, তাকেই অবলম্বন করে আমাকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। মিসেস কাপুরকে বললাম, তাহলে শুনুন, সেদিন দুর্ঘটনা ঘটেছিল আমার বাইকের সঙ্গে আপনাদের গাড়ির সংঘর্ষ হওয়া্র কারণে। আমি বাইক থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছিলাম। কিছুদিন আগে পর্যন্ত এই হাসপাতালেই ছিলাম। আপনাদের গাড়ি উলটে যাওয়াও দেখেছিলাম। তবে জানা ছিল না গাড়িতে আপনারা ছিলেন। সেইসঙ্গে আরও একটা কথা বলে যাচ্ছি, এবার থেকে প্রায় প্রতিদিন বিকেলে য়ামি আপনার কাছে আসব। আপনার চিকিৎসার জন্য যে বিল হবে তা আমি পেমেন্ট করব। আপনাকে দেখে আমার সমবয়সী বলে মনে হচ্ছে। যদি আপনার কোনো আপত্তি না থাকে, তাহলে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে আপনি আমার সঙ্গে আমার ফ্ল্যাটে যেতে পারেন। সেখানেই থাকবেন। আমি আমার অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের রাজী করাব। আর আপনার চলাফেরার ভাবনাটাও মাথায় থাকল। দেখাযাক, কৃত্রিম পায়ের ব্যবস্থা যত তাড়াতাড়ি করা যায়!

Address

Kajal Sen, Editor : Kalimati, Flat 301, Parvati Condominium, Phase 2, 50 Pramathanagar Main Road
Jamshedpur
831002

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kalimati Patrika posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share