Jhargram Stories

Jhargram Stories অরণ্যসুন্দরী ঝাড়গ্রামের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, খাদ্যাভ্যাস, ভাষা, পর্যটন, জীবন-জীবিকা উপস্থাপন করায় আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য।

“ভালো হবে তো? বিয়ে করবে তো আমায়? , ও মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল । হয়তো ওপর থেকে কেউ হেসেছিল সেদিন!" তারপর....গল্পটা শুরু হয় ...
31/05/2026

“ভালো হবে তো? বিয়ে করবে তো আমায়? , ও মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল । হয়তো ওপর থেকে কেউ হেসেছিল সেদিন!" তারপর....

গল্পটা শুরু হয় ২০১২ সালে, গল্পটা কোনো দিক দিয়েই রূপকথার গল্প নয়, বলাবাহুল্য দুটো প্রায় সমবয়সী মানুষের স্বপ্ন পূরণের মাঝে এক নিখাদ, নিঃস্বার্থ ভালোবাসার গল্প।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পাপিয়া দি লিখেছেন,
“ আজ দু’মাস হলো আমার সত্যর চলে যাওয়ার। ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ এর বাইক এক্সিডেন্ট এর পর থেকে ২২ এ মার্চ ২০২৬ অবধি আমাদের ছেলেটা কি অসীম ধৈর্য্য আর সাহস নিয়ে লড়েছে সেই নিয়ে কোনও দিন কিছু লিখিনি। আজ মনে হলো, যে ছেলে টা সারা জীবন কোনও দিনই ভাগ্যের সাথে আপস করেনি, শুধু সে বলতে পারল না বলে তার গল্পটা এমন অসম্পূর্ণ থাকতে যাবেই বা কেন! আমাদের গল্পটা শুরু হয় ২০১২ তেই। কাপগাড়ি সেবাভারতী মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ।

দুটো প্রায় সমবয়সী মানুষের স্বপ্ন পূরণের রাস্তাটা রূপকথার গল্পের মতো যে ছিল না সে কথা বলাই বাহুল্য। আর স্বপ্ন যে শুধু বিয়ে বা সংসার কেন্দ্রিক ছিল না সে কথাও যারা আমাদেরকে চেনেন তাঁদের সবারই মোটামুটি জানা। দুজনেই চেয়েছিলাম নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে পরিবারের অবলম্বন হতে। কিন্তু কপাল! পশ্চিমবঙ্গে ২০১৬ পরবর্তী চাকরির আকালে দুজনকেই কেন্দ্র সরকারের চাকরির প্রস্তুতিতে যেতে হলো। আমি পড়াশুনো আগে শেষ করাতে চাকরি আগে পেলাম। সত্যর লড়াইটা আরও কঠিন হলো, কারণ আজও সমাজে ছেলেরা চাকরি পাওয়ার আগে বিয়ে করলে “বউয়ের টাকায় খাওয়ার” তকমা পেতে হয়! তাছাড়াও বিয়ের পর দায়িত্বও বাড়ে বই কি!

আমি ভাবলাম, আমার যদি ইচ্ছে বা অধিকার থাকে বিয়ের আগে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর, তবে ওর ই বা থাকবে না কেন? পড়ুক ওর যত ইচ্ছে, তবেই না জেন্ডার ইকুয়ালিটির সার্থকতা! ওর বাড়ির থেকেই শোনা, কিভাবে বই তে মুখ গুঁজে প্রস্তুতি নিয়েছে ৩ টে বছর! ঘর থেকে বেরোত অবধি না! অন্য প্রেমিক প্রেমিকাদের মতো একান্ত সময় কাটাতে ঘুরতে যাওয়া হয়নি কখনও (কাউকে ছোট করছি না, বরং বলছি যত বেশি পারেন সময় কাটান, কারণ শেষের দিনটা না জানিয়েই আসে)! দেখা হত বলতে ওই দুর্গাপুজোর অষ্টমীতে বা কোনও রেস্তরাঁ তে বড় জোর একটা লাঞ্চ ডেট! আর এছাড়া মাঝের দিনগুলো অনেক ডেডিকেশন, ফ্রাস্ট্রেশন, ঝগড়া, ভুল বোঝা, প্রেম, অপ্রেম মিলিয়ে মিশিয়ে একদমই বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে আমাদের দুই কিশোর কিশোরীর যুবক যুবতী হয়ে ওঠার গল্প! যা একদমই রোমান্টিক বা সিনেম্যাটিক নয়। তবু এই সব কিছুর শেষে স্বপ্ন পূরণ হয়েছিল! আমরা দুজনেই ইউজিসি নেট পাস করলাম ইংরাজি সাহিত্যে। সত্য একই সাথে কেন্দ্রীয় সরকারের ৫ টি লিখিত পরীক্ষায় পাস করল: নবোদয়ের ডাইরেক্ট ও নর্থ ইস্টার্ন রিক্রুটমেন্ট ড্রাইভ, ইএমআরএস টিজিটি ও পিজিটি, এবং অ্যাটমিক এনার্জি সেন্ট্রাল স্কুলে পুরো ভারতবর্ষে পঞ্চম স্থান। এর মধ্যে ইএমআরএস এর টিজিটি ও পিজিটি দুটোতেই চাকরি হলো, জয়েন করল পিজিটি তে। প্রতাপপুর, ছত্তিশগড়ে পোস্টিং পেল। তিন মাস কাজ করল।

তারপর একদিন বাড়ি এলো। আমারই সাথে দেখা করতে। সেদিন সোমবার। সে মহাদেবের ভক্ত খুব। উপোস করে পুজো সেরে বেরিয়েছিল। খুব বৃষ্টি হচ্ছিল, তাই আমরা সবাই বলেছিলাম বাইক নিয়ে না বেরোতে। কিন্তু একগুঁয়ে ছেলেটা সবেতেই নিজের জেদে কাজ করে! তাই দেখা হলো, অনেক ভুল বোঝাবুঝির অবসান, “রেজিস্ট্রি বিয়ে টা তাহলে সামনের পুজোতেই…বাড়িতে এবার বলতে হবে!” “পুজোর আগে একটা বাইক কিনব, তোমাকে নিয়ে মেদিনীপুরে পুজো দেখতে যাব!” এইসব আরও কত কি! আমাকে ঝাড়গ্রামে নামিয়ে দিয়ে বলল, “আরও একবার দেখবেনা আমাকে? কি জানি! আবার কবে দেখা হয়!” কপট রাগ দেখিয়ে বললাম, “বাজে কথা বল না তো! পুজোতেই তো আসছো!” বাড়ি ফেরার পথেই একঘন্টার মধ্যে আমাদের আবার দেখা হলো, হাসপাতালে… তারপর সেদিন কত যুদ্ধ কত লড়াই!

ঝাড়গ্রাম হাসপাতালে চিকিৎসার যে কি দুরবস্থা, ওই অবস্থায় পড়ে বুঝলাম। ছেলেটার ওই অবস্থার মধ্যে ওর হঠাৎ করে এক রাতে বড় হয়ে যাওয়া ভাইটা দৌড়াদৌড়ি করে কাগজ পত্র তৈরি করল! ওর বাবা মা আর কাকু যেন পাথরের মতো হয়ে গেছেন। আমার মা নিজের আঁচল দিয়ে চেপে ধরে প্রাণপণে চেষ্টা করছে ওর রক্ত আটকানোর! আর আমি? সে আর নাই বা বললাম। যেটা আসলে বলার সেটা হলো রাত ১২ টার মধ্যে সত্যকে যখন অ্যাম্বুলেন্স এ তোলা হলো তখন পালস রেট দুই। রাত ৩ টে যখন নিউরোসায়েন্সেস এ ভর্তি হলো, তখন সেটা ১০০ ছুঁয়েছে। হ্যাঁ, আমার সত্য টা এমনই লড়াকু, চিরকালই। craineotomy হলো। খুবই মেজর ব্রেন সার্জারি এটা। ডক্টর বললেন যদি কোমা থেকে বেরোয় খুব চান্স আছে ভালো হয়ে যাওয়ার, এত কম বয়স তো! কোমা থেকে বেরনো? আরও ৩ মাস। ঘুমন্ত একটা মানুষের সাথে এমনভাবে কথা বলা যেন সব কিছু একদম নরমাল।

১৫ দিন এ একবার আমি যেতাম মুকুন্দপুরের ভাড়া বাড়িতে। পাশে বসে ওর হাত টা ধরে আমাদের কলেজ বেলার প্রিয় গান গুলো গাইতাম,একা একাই ওর সাথে গল্প করতাম, ঝগড়া করতাম, হাসতাম, বিয়ের পর কোথায় কোথায় যাব, একসাথে এবার পিএইচডি টা করতে হবে, আরও কত কি! তিন মাস পর এক ভিডিও কল এ একদিন হঠাৎ ই আমি আমাদের এক স্যার এর গলা নকল করছি (প্লিজ ক্ষমা করবেন, একেবারেই অসম্মান করার জন্য নয়!) ও নিষ্প্রাণ চোখে তাকিয়ে ছিল, হঠাৎ মনে হলো ও হাসছে! চিৎকার করে ডাকলাম ভাই কে, ওর সামনে আরও বেশি করে হাসল! সেদিন যেন ওকে ফিরে পেলাম! সবাই আনন্দে কাঁদছি আর আবার ওকে হাসানোর জন্য যা তা বলে যাচ্ছি!

এভাবেই আস্তে আস্তে শরীরের মুভমেন্ট ফিরছিল। বাম দিক টা দুর্বল থাকলেও ডান দিকের হাত পা ভালোই চলছিল। লেখা লেখি শুরু করল, নাম, ফোন নাম্বার, আরও কি কি! এক্সারসাইজ করত! হাঁটার জন্য পা বাড়াত! ভাই বোনেরা সবাই থাকলে এক সাথে চোর পুলিশ খেলতো! আমি যেদিন এর পর প্রথম গেলাম আমাকে দেখে কি আকুল হয়ে পড়ল। মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে, গাল টিপে দিচ্ছে, হাত ধরছে শুধু কথা বলছে না! ডক্টর বললেন tracheostomy tube না খোলা অবধি পারবে না। সব কিছু কি দ্রুত ভালো হচ্ছিল। মনের বিশ্বাস আরও গভীর হচ্ছিল, ও ফিরবেই! ওকে বললাম “ভালো হবে তো? বিয়ে করবে তো আমায়?” ও মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল। হয়তো ওপর থেকে কেউ হেসেছিল সেদিন! চ্যালেঞ্জ করেছিল, “তোরা তবে এটা করে দেখা!” আমাদের পার্থিব ইন্দ্রিয় সেই কথা শুনতে পায়নি। বরং তার কাছেই মাথা নত করে ধৈর্য্য, শক্তি আর সাহস ভিক্ষা করে গেছে প্রতিদিন।

যাইহোক জানুয়ারি ২০২৫ এ ক্রেনিওপ্লাস্টি হলো। প্রথম কয়েকদিন কি ভালো রেসপন্স করল সত্য। সব কিছু যেন এক এক করে ভালো হচ্ছে। আমাদের আশা আরও বাড়ল, আর খুব বেশি হলে এক বছর! তারপরেই সত্য আবার স্কুল জয়েন করবে। এরই মাঝে ও নিজের বন্ধুদের সাথে, স্কুলের কলিগদের সাথে ভিডিও কল এ কথা বলেছে চোখ দিয়ে, হাত বা মাথা নেড়ে!

এর পর এলো একটা ভয়ঙ্কর দিন। অপারেশন করা জায়গাটায় ইনফেকশন ধরা পড়ল। আবার হসপিটালাইজড। খুব সিরিয়াস অবস্থা। কালচার রিপোর্ট আসতে জানা গেল meningitis। ৫২ দিনের হাই ডোস এন্টিবায়োটিক চলল। শরীর ভেঙ্গে গেল, অনেক দুর্বল হয়ে পড়ল। তাও আমি গেলে শক্ত করে হাত টা চেপে ধরত। আমি ভিডিও কল করতে দেরি করলে মুখ ফুলিয়ে বসে থাকত, তাকাতো না। আবার রাগ ভাঙ্গাতে হত। ভাই মায়ের সাথে একটু চেঁচিয়ে কথা বললে ভাই এর উপর রাগ দেখাত! এতটাই conscious ছিল সে।

এরপর আবার এলো এসোফাগাস ফিসচুলা। এটা খাদ্যনালি আর স্বাসনালীর মধ্যে একটা unnatural কানেকশন। যার ফলে aspiration হত খুব বেশি! ডক্টর বললেন অপারেশন করতে হবে। এনেসথেসিয়া ডক্টর বললেন যা শরীরের অবস্থা আমরা রিস্ক নিতে পারব না। সত্য বলল ও পারবে। আমরা ভয় পেলাম, অপারেশন এর বদলে একটা লং tracheostomy টিউব লাগানো হলো। ৩ মাস কাটল, শরীর টা কিছুটা ভালো। আমরা ভাবছিলাম এবার বেঙ্গালুরু যাব ওকে নিয়ে, ওখানেই বাকি দুটো অপারেশন হবে। আবার aspiration শুরু হলো! এবার আবার হসপিটালাইজড হলো। টেস্ট রিপোর্ট দেখে ডক্টর জানালেন ফিসচুলা বড় হয়ে গেছে, আর রিপেয়ার করা পসিবল না। বাড়ি নিয়ে যান ওকে। আমরা নিরুপায়।

হঠাৎ দেবদূতের মতো দেখা মিলল R N Tagore হাসপাতালের একজন কার্ডিও থোরাসিক সার্জেন এর। সত্য কে দেখলেন, বললেন উনি করবেন অপারেশন টা, যদি আমরা মনের জোর রাখি। এনাসথেসিয়া টিম এবারেও বলল “জ্ঞান ফিরবে না”, আমরা ভগবানের উপর আস্থা রাখলাম। সত্য আবার বলল, ও পারবে। অপারেশন দারুণ ভাবে হলো, সত্যর জ্ঞান ফিরল ১৫ মিনিট এ। আবার ছেলেটার কাছে হার মানল মৃত্যু, এই নিয়ে তিন বার। আবার সব কিছু স্থিতিশীল হলো। সব রকমের থেরাপি চলতে লাগল, ওর এক একটা ছোট ছোট অ্যাচিভমেন্ট এ আমাদের আনন্দ, ওকে ভালো রাখার চেষ্টা।

২২ এ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ স্কুল থেকে স্টেশন লিভ নিয়ে ওর কাছে গেলাম। ঠিক কেন জানিনা, সেদিন নিয়ে গেলাম দুটো লাল গোলাপ। দুজন দুজনকে দিলাম, একটা নীরব প্রতিশ্রুতি, পাশে থাকার, একসাথে থাকার। 19 এ মার্চ, সন্ধ্যে বেলা ভিডিও কল এ কথা হলো। খুব রাগ করেছিল, একমাস স্কুল এর চাপে যেতে পারিনি। রাগ ভাঙিয়ে বললাম “টিকিট হয়েছে ২২ তারিখ, আমি আসছি! খুশি তো?” দুচোখের পলক ফেলে বলল “হ্যাঁ”! সেদিন ই রাতে হাসপাতালে ভর্তি। aspiration! কার্বন ভরে যাচ্ছিলো শরীরে। ভেন্টিলেশন এ চলে গেল!

২০ মার্চ কার্ডিয়াক এরেস্ট হলো! ২০ মিনিট সিপিআর দিয়ে হার্টবিট ফিরল! হয়তো আবারও ফিরতে চেয়েছিল, তার টুকুর কাছে, পরিবারের কাছে, রক্ত জল করে পাওয়া চাকরিটা আবার জয়েন করতে! কিন্তু মৃত্যু এবার আর হারতে আসেনি, প্রস্তুতি নিয়েই এসেছিল! বাইশে মার্চ, একটা একটা করে অর্গ্যান ফেল করছিলো, আমরাও কোনও অপসন ছাড়িনি, কিভাবে আবার ফেরানো যায় সেই চেষ্টা চলছিল। কিন্তু ডক্টর ভাই কে ডেকে বললেন, “ও খুব জেদি, অনেক লড়েছে, এবার খুব কষ্ট পাচ্ছে, যেতে দাও!” ভাই ও দাদার মাথায় হাত রেখে বলল, “এবার আয় দাদা! আর কষ্ট পেতে হবে না!” চলে গেল সত্য! আমাদের সত্য! আমাদের লড়াকু ছেলেটা! তার টুকু কে না দেখেই চলে গেল।

ঈশ্বর নামের ভদ্রলোক আবার প্রমাণ করলেন, তাঁর হৃদয় নেই! আর অধরা থেকে গেল একটা মধ্যবিত্ত ছেলের স্বপ্ন। আমি হয়তো আজ না লিখলেই পারতাম, কিন্তু লিখলাম কিছু কারণে। প্রথমত, আমি চাই না, সত্যকে অস্বীকার করতে। ও আমার জীবনের সবচেয়ে বড় একটা সত্যি। দ্বিতীয়ত, ওর এই লড়াই অনেককে হার না মানার শক্তি দেবে। তৃতীয়ত আমি কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই সেই মানুষ গুলো কে যারা সেদিন হসপিটালে ছুটে গিয়ে পরিবারকে সাহস দিয়েছিলো। সুমন কর্মকার সহ সব বন্ধুদের যারা সেদিন একবার বলতেই প্রথম অপারেশন এর টাকা টা প্রায় অনেকখানি জোগাড় করে দিয়েছিল যার যার সাধ্য মতো। Dipaloke Das সহ ওর ঝাড়গ্রাম EMRS এর সহকর্মীদের, যাঁরা পাশে থেকেছেন। ওর EMRS স্কুল অথরিটি ও সহকর্মীদের, যারা ভীষণ কোঅপারেট করেছেন।

আর একজন যে না থাকলে আমরা কবেই হেরে যেতাম, Dr.Samantak Sahu । আমার বন্ধু। কত এমার্জেন্সি situation ও সামলে দিয়েছে ফোনের ওপার থেকেই। কখন কোন থেরাপি লাগবে বলে দিয়েছে। এত ব্যস্ততার পরেও ফোন তুলেছে সময় মতো! এই রকম বন্ধু না থাকলে কি এত বড় লড়াই লড়া যায়! আর কৃতজ্ঞতা আমার বন্ধুদের যারা বাড়ি এসে বা ফোন করে আমাকে সাহস দিয়েছেন। সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ! সবাই ভালো থাকুন। ”

জীবন যুদ্ধ লড়তে লড়তে কখনো হেরে যায়, কখনো ক্লান্ত হয়ে আবার উঠে দাঁড়ায়, কখনো বা সময়ের কাছে বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হই। কিন্তু মধ্যবিত্ত পরিবারের এই সত্য দা দেখিয়ে গেল - কিভাবে লড়াই লড়তে হয়।
জীবন বড়ই অদ্ভুত সুন্দর এই আছি তো এই নেই, আজ আছি তো কাল নেই।
প্রান খুলে হাসুন, প্রাণ ভরে বাঁচুন, উপভোগ করুন জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত। ভালোবাসালে এই রকম উজাড় করে ভালোবাসুন ভালোবাসার মানুষটিকে, যে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পাশে থাকবে।
যেখানে একটা রিলস সম্পূর্ণ হবার আগেই স্ক্রল হয়ে যায়, সেখানে দাঁড়িয়ে বছরের পর বছর পাশে থেকে পাহাড়প্রমাণ অপেক্ষা প্রমাণ করে সত্যিই তোমাদের ভালবাসা কতোটা নিখাদ।
সত্য দা তুমি হয়তো সত্যিই এদিক দিয়ে ভাগ্যবান যে ভালবাসার মানুষ হিসেবে তুমি পাপিয়া দি কে পেয়েছিলে, যে তোমাকে আজও অনুভব করে প্রতিটি ক্ষনে।

10/05/2026

আজ Happy Mother’s Day… আর সেই বিশেষ দিনটিকে ঘিরে ঝাড়গ্রাম Tantamount Public School-এ তৈরি হয়েছে এক আনন্দঘন পরিবেশ।

Tantamount Public School, Jhargram

05/05/2026

সমাজসেবী দেবলীনা দেবী এবং ওনার সুকন্যা দেবদত্তা মহাশয়া ধরা দিলেন জানা, অজানা নানান গল্প আড্ডায়।

25/04/2026

জাতীয় স্তরের বডি বিল্ডিং কম্পিটিশনে (ICN) তিন বারের স্বর্ণপদক জয়ী ঝাড়গ্রামের গর্ব - শুভদীপ সরকার ধরা দিলেন নানা জানা, অজানা গল্প আড্ডায়।

17/04/2026

জানা, অজানা গল্প, আড্ডায় ধরা দিলেন বাংলা সিরিয়ালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী, ঝাড়গ্রামের মেয়ে সুপর্ণা দত্ত।

━━━✿🌼✿━━━শুভ নববর্ষ ১৪৩৩━━━✿🌼✿━━━
15/04/2026

━━━✿🌼✿━━━
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩
━━━✿🌼✿━━━

14/04/2026

একান্ত সাক্ষাৎকারে ধরা দিয়েছেন পায়ে হেঁটে ভারত ভ্রমণকারী ঝাড়গ্রামের গর্ব বিশাল মর্ম্মু!

Address

Jhargram
721507

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jhargram Stories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share