Tapash Kumar Dutta's Photography

Tapash Kumar Dutta's Photography Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tapash Kumar Dutta's Photography, Digital creator, Kanchrapara.

আমার এই পেজটি হলো NATURE , TRAVEL, CULTURE , BIRD WATCHING নিয়ে ।
সময় পেলে ভ্রমন , বন্যপ্রান ও পাখি নিয়ে কিছু ম্যাগাজিন ও সংবাদ পত্রে লেখালেখি করি । ভালোবাসি ছবি তুলতে । সময় পেলে আমার ক্যামেরাতে তোলা ছবি ও ভিডিও আমার এই ফেসবুক পেজে পোষ্ট করি ।

Asian Paradise Flycatcher - বাংলাতে আমরা এই পাখিকে দুধরাজ বলে থাকি । এই পাখি আমাদের কোন রাজ্যের জাতীয় পাখি জানা থাকলে সব...
19/06/2026

Asian Paradise Flycatcher - বাংলাতে আমরা এই পাখিকে দুধরাজ বলে থাকি । এই পাখি আমাদের কোন রাজ্যের জাতীয় পাখি জানা থাকলে সবাই বলবেন ।

Oriental magpie-robin - বাংলায় এই পাখিকে আমরা দোয়েল পাখি বলে থাকি । এই পাখিটি কোন দেশের জাতীয় পাখি জানা থাকলে সবাই বলবেন...
19/06/2026

Oriental magpie-robin - বাংলায় এই পাখিকে আমরা দোয়েল পাখি বলে থাকি । এই পাখিটি কোন দেশের জাতীয় পাখি জানা থাকলে সবাই বলবেন ।

Good morning everyone
19/06/2026

Good morning everyone

18/06/2026

Dragon fruit flower

Beauty of Dragon fruit flower
18/06/2026

Beauty of Dragon fruit flower

Streak Throated Swallow পাখি আকারে খুব একটা বড় হয় না, লম্বায় সাধারনত ১১ – ১২ সেমি এবং ওজনে এরা ৮ – ১০ গ্রাম হয়ে থাকে ।এদ...
18/06/2026

Streak Throated Swallow পাখি আকারে খুব একটা বড় হয় না, লম্বায় সাধারনত ১১ – ১২ সেমি এবং ওজনে এরা ৮ – ১০ গ্রাম হয়ে থাকে ।এদের মাথার দিকের অংশের রঙ গাঢ় বাদামী রঙের, পিঠের দিকের অংশের রঙ উজ্জ্বল Steel – Blue হয়ে থাকে , বুকের দিকের অংশটি সাদা রঙের ও তাতে ঠোঁটের পরের থেকে বুকের অনেকটা অংশ পর্যন্ত ছোটো ছোটো বাদামী রঙের লম্বা ছিট ছিট তাতে দাগ থাকে , এই কারনই হয়তো এদেরকে Streak Throated Swallow পাখি বলে । লেজের অংশটি খুব বড় হয় না । ঠোঁট আকারে ছোটো হয় । এদের স্ত্রী ও পুরুষের মধ্যে খুব একটা ফারাক লক্ষ্য করা যায় না মোটামুটি একই রকম দেখতে হয় ।
এই Streak Throated পাখির বৈজ্ঞানিক নাম হলো Hirundo fluvicola এবং এদের হিন্দি ভাষাতে লোকাল নাম হলো Nahar ababil এবং গুজরাঠীরা এদেরকে Bhekhad ababil বলে থাকে । সাধারনত ডিসেম্বর – এপ্রিল এবং জলাই – অক্টোবর এরা এদের বাসা বাধেঁ । বাসাটা অনেকটা মৌমাছি বাসার মতন হয় থাকে এবং এই বাসা বানাতে মাটি ব্যবহার করে । বাসার ভিতর সুরঙ্গর মতো থাকে । কোনো জলাশয় বা লোকালয় অংশে এরা বাসা বাধেঁ এবং এই বাসাতে এরা ৩ – ৪ টি ডিম পাড়ে, ডিমগুলো সাদা রঙের হয় আবার কোনো কনো সময় কিছুটা বাদামী রঙের হয় থাকে ।
উভয় পাখি উড়ন্ত অবস্থাতে পোকামাকড়, প্রজাপতি ইত্যাদি শিকার করে এবং তা খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে । শীতকালের সকাল থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এরা অবিরাম উড়তে থাকে, এদের উড়ার যেন কোনো বিরাম নেই । কখনও আবার কোনো তারে, দড়িঁ বা ডালে বসে থাকতে দেখা যায় ।
পরিবেশ বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার । সময় এসে গেছে এই বিষয়ে সচেতন হওয়ার, না হলে অদূর ভবিষ্যতে এদেরকে বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হয় পড়বে । হয়তো একদিন এরা পৃথিবী থেকে অবলুপ্ত হয়ে যাবে । আসুন আমরা সবাই এক সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই ব্যাপারে নেমে পড়ি পরিবেশকে আমরা নষ্ট হতে দেবো না এই অঙ্গীকার নিয়ে । আমাদের সাথে আমাদের এই পরিবেশে আবাবিল ও Nahar আবাবিল বেঁচে থাকুক , তবেই আমাদের পরিবেশকে রক্ষা করা সার্থক হবে ।

Barn Swallow পাখি আকারে খুব একটা বড় হয় না, লম্বায় লেজ নিয়ে সাধারনত ১৭ – ১৯ সেমি, তার মধ্যে ২ – ৭ সেমি লেজের দৈর্ঘ্য, ডান...
18/06/2026

Barn Swallow পাখি আকারে খুব একটা বড় হয় না, লম্বায় লেজ নিয়ে সাধারনত ১৭ – ১৯ সেমি, তার মধ্যে ২ – ৭ সেমি লেজের দৈর্ঘ্য, ডানার বিস্তৃতি প্রায় ৩২ – ৩৪ সেমি এবং ওজনে এরা ১৬ – ২২ গ্রাম হয়ে থাকে । মাথা উপরের থেকে পিঠ পর্য্যন্ত রঙ উজ্জ্বল Steel – Blue হয়ে থাকে , পরে লেজের দিকে এই রঙ অনেক হালকা হয়ে যায়, তাতে হালকা বাদামী আভা থাকে । মাথার সামান্য নীচ থেকে ঠোঁটের নীচ পর্য্যন্ত রঙ লালচে বাদামী রঙের হয়ে থাকে, বুকের দিকের অংশটি সাদা রঙের হয়ে থাকে । ঠোঁট আকারে ছোটো হয় । এদের স্ত্রী ও পুরুষের মধ্যে খুব একটা ফাঁরাক লক্ষ্য করা যায় না মোটামুটি একই রকম দেখতে হয় । তবে যদি একটু ভালো করে লক্ষ্য করা যায় তবে দেখা যাবে পুরুষ পাখির তুলনায় স্ত্রী পাখির লেজের দৈর্ঘ্য কম হয় ও এদের গায়ের রঙ কম উজ্জ্বল হয়ে থাকে । এই পাখির বৈজ্ঞানিক নাম হলো Hirundo rustica এবং এদেরকে বাংলাতে অনেকে আবার আবাবিল বলে থাকে ।
বাসাটা অনেকটা মৌমাছি বাসার মতন হয় থাকে, পুরুষ ও স্ত্রী পাখি উভয়ে মিলে ঠোঁটে করে কাদা মাটি সংগ্রহ করে তাতে ঘাসের অংশ মিলিয়ে বাসা বানায় । বাসার ভিতর সুরঙ্গর মতো থাকে । কোনো জলাশয় বা লোকালয় অংশে এরা বাসা বাধেঁ এবং এই বাসাতে এরা ৩ – ৭ টি ডিম পাড়ে, ডিমগুলো ক্রীম রঙের বা হালকা দুধে আলতা রঙের হয় এবং তাতে বাদামী রঙের ছিট ছিট দাগ থাকে । এই ডিম ১২ – ১৭ দিনের মাথায় ফুটে বাচ্ছা Barn Swallow বা আবাবিলের জন্ম হয় ।
যেখানে পুকুর বা জলাশয় আছে, কাদা মাখা জমির কাছাকাছি কোনো তারের উপর ভাঙ্গা ডালপালার উপর এদেরকে বসতে দেখা যাচ্ছে, নাহলে সারাক্ষন সারাদিন জলের উপর এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত ঘুরপাক খাচ্ছে, এদের উড়ার যেন কোনো বিরাম নেই । তবে আর একটা জিনিস লক্ষ্য করেছি সেটা হলো এরা যে একা সব সময়ে থাকে তা নয়, এদের সাথে Streak Throated Swallow কেও একসাথে উড়তে দেখা যায়। উভয় পাখির স্বভাব প্রায় একই রকম বলা যেতে পারে । এরা যখন উড়তে থাকে তখন মুখে একটা সুন্দর আওয়াজ trr – trr করে উড়তে থাকে এবং এই শব্দটা অবিরাম করতে থাকে

ইংরাজীতে এই পাখির নাম হলো COMMON HAWAK CUCKOO , আমরা বাংলাতে এই পাখিকে পাপিয়া বলে জানি । আবার এই পাখিকে Brainfever Bird ...
18/06/2026

ইংরাজীতে এই পাখির নাম হলো COMMON HAWAK CUCKOO , আমরা বাংলাতে এই পাখিকে পাপিয়া বলে জানি । আবার এই পাখিকে Brainfever Bird ও বলে থাকেন । এই পাখির বৈজ্ঞানিক নাম হলো Hierococcyx varius । এদের স্ত্রী ও পুরুষকে আলাদা করে বোঝার কোনো উপায় নেই । এদেরকে কখনও কখনও শিকারা পাখি ভেবে ভুল করে । আমরা একে আর একটি নামে জানি সেটা হলো চোখ গেলো পাখি । গায়ের রঙ ধূসর রঙের ,হলুদ কালো ঠোঁট , হলুদ চোখ ,হলুদ পা তাতে মাংসল বলয় থাকে । গলার অংশের রঙ সাদা হয়ে থাকে । গলার তলার দিকে বুকের অংশের রঙ হালকা লালচে খয়েরি হয়ে থাকে । গ্রীষ্মকালের ভর দুপুর বেলায় এদের ডাক সব থেকে বেশী শোনা যায় । এরা বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় শিকার করে তা খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে ।

Address

Kanchrapara

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tapash Kumar Dutta's Photography posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share