Travel Blogger

Travel Blogger ঘুরতে খুব ভালোবাসি

05/06/2026
03/06/2026

সবাই কিন্তু গলায় দড়ি দিয়েই আত্মহ*ত্যা করে না। আত্মহ*ত্যার করার উপায় সবার আলাদা। কেউ পছন্দের খাবার খাওয়া ছেড়ে দেয়, কেউ কথা বলা ছেড়ে দেয়, কেউ বিশ্বাস করা ছেড়ে দেয়, কেউ গান গাওয়া ছেড়ে দেয়, কেউ ছবি তোলা, কেউ ছবি আঁকা, কেউ লেখা, কেউ স্বপ্ন দেখা,

কেউ ভালোবাসা,
কেউ ভালোবাসা স্বীকার করা ছেড়ে দেয়।

(সংগৃহিত)

29/05/2026

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে কোন বিভ্রান্তি নয়

১লা জুন থেকে টাকা পাওয়ার আগে জেনে নিন আসল সত্য, পাড়ার চায়ের দোকানের আলোচনা বা হোয়াটসঅ্যাপের ভুলভাল মেসেজে কান দিয়ে প্যানিক করবেন না,কোনো যোগ্য মানুষ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন।

নিচের নিয়মগুলো ভালো করে মিলিয়ে নিন:

কারা এই টাকা পাবেন না (বয়সের শর্ত):
যাদের বয়স ২৫ বছরের কম কিংবা ৬০ বছরের বেশি, তারা এই সুবিধা পাবেন না। শুধুমাত্র ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারাই এই টাকা পাওয়ার যোগ্য।

স্বামীর বা পরিবারের অন্য কারো চাকরি/উপার্জন কি বাধা হবে?
একেবারেই নয়! আপনার স্বামী সরকারি বা বেসরকারি যত বড় অফিসারই হোন না কেন, কিংবা পরিবারের অন্য কেউ (বাবা, দাদা, ভাই, মা, বোন) যত ইচ্ছাই উপার্জন করুক বা ইনকাম ট্যাক্স দিক—তাতে আপনার টাকা পেতে কোনো অসুবিধা হবে না। শর্ত শুধু একটাই, আপনার নিজের যেন কোনো সরকারি ফিক্সড বেতনের চাকরি বা নিজস্ব ট্যাক্স দেওয়ার মতো আয় না থাকে।

কারা এই অনুদান পাবেন না (চাকরি ও করের শর্ত):
কোনো মহিলা যদি এই মুহূর্তে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার, সরকারি স্কুল, পঞ্চায়েত বা মিউনিসিপালিটির অধীনে কোনো ফিক্সড বেতনে চাকরি করেন, তবে তিনি টাকা পাবেন না।
যারা সরকারি চাকরি থেকে নিজে সরাসরি পেনশন পান, তারাও পাবেন না।

যারা বেসরকারি চাকরি বা নিজস্ব ব্যবসা (দোকান, বুটিক ইত্যাদি) করেন এবং বছরে ১২ লক্ষ টাকার ওপর আয় করে ইনকাম ট্যাক্স (Income Tax) দেন, তারা এই ৩০০০ টাকা পাবেন না। (তবে ব্যবসা/চাকরি থাকা সত্ত্বেও যদি আপনি ট্যাক্স স্ল্যাবের নিচে থাকেন এবং ইনকাম ট্যাক্স না দেন, তবে আপনি অবশ্যই টাকা পাবেন)।

পেনশন ও ফ্যামিলি পেনশনের নিয়ম:
স্বামী জীবিত আছেন এবং পেনশন পান, কিন্তু স্ত্রী গৃহবধূ—সেক্ষেত্রে স্ত্রী অবশ্যই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাবেন।
কিন্তু, স্বামীর অবর্তমানে স্ত্রী যদি তাঁর জায়গায় 'ফ্যামিলি পেনশন' সরাসরি নিজের নামে পান, তবে তিনি আর এই যোজনার জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

নাগরিকত্ব ও স্পেশাল ছাড় (এসআইআর/সিএএ নিয়ম):
২০২৬ সালের এসআইআর (SIR)-এ যাদের নাম বৈধ নাগরিক হিসেবে কাটা গেছে, তারা এই টাকা পাবেন না।
তবে দুটি বিশেষ ছাড় রয়েছে: ১) যারা সিএএ (CAA)-তে আবেদন করেছেন (সার্টিফিকেট এখনো পাননি), তারা টাকা পাবেন। ২) যাদের নাম ভুলবশত এসআইআর-এ ওঠেনি বা কাটা গেছে এবং তারা ট্রাইব্যুনালে অ্যাপিল করেছেন, তারাও টাকা পাবেন।

নতুন করে কি আবেদন করতে হবে?
হ্যাঁ। যারা এতদিন ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর টাকা পাচ্ছিলেন, তারা ‘অন্নপূর্ণা যোজনা ভাণ্ডার’-এর ৩০০০ টাকা পাবেন। কিন্তু নতুন করে আবেদন করতে হবে।

যারা এতদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাননি বা যাদের সবেমাত্র ২৫ বছর বয়স হলো, তারা অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে নিজে বা সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে নতুন রেসিপিয়েন্ট হিসেবে আবেদন করতে পারবেন।

ব্যাংক অ্যাকাউন্টের দুটি জরুরি কাজ (অবশ্যই করুন):
১) আধার লিঙ্ক: আপনার যে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে, সেটির সাথে আধার কার্ড লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক, যাতে কোনো ভুতুড়ে অ্যাকাউন্ট আপনার টাকা না খেতে পারে।

২) ডিবিটি (DBT) অ্যাক্টিভেশন: আপনার যদি একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকে, তবে যে অ্যাকাউন্টে সরকারি সুবিধা পেতে চান, সেটিতে ব্যাংকে গিয়ে ‘ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার’ বা ডিবিটি অপশনটি চালু করে নিন। এটি মাত্র কয়েক মিনিটের কাজ।

আজকের দিনে বিভিন্ন স্বার্থে মানুষকে ভুল বোঝানোর লোক প্রচুর বেড়ে গেছে। তাই কনফিউশন দূর করতে এবং সাধারণ মানুষের উপকার করতে এই তথ্যগুলো ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সবার সাথে শেয়ার করে দিন.....
✍️মানব গুহ

29/05/2026

প্রায় ত্রিশ লক্ষ ভুয়ো “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার” একাউন্ট।
মাসে মাসে যদি হয় ১৫০০ টাকা,
তবে জনপ্রতি বছরে হয় ১৮০০০ টাকা।
ত্রিশ লক্ষ একাউন্টে সেই টাকাটা গেলে মোট হয় ৫৪০০ কোটি টাকা।
আমাদের টাকা ওটা, ট্যাক্সপেয়ারদের টাকা।
ওই টাকা মাগনায় পাওয়ার জন্য বারো পাতা কেন, দরকার পরলে বারোশ পাতার ফর্ম ফিলাপ করবেন।
আমাদের অনেক কষ্টের উপার্জিত টাকায় দেওয়া ট্যাক্সের টাকা ওটা, অমনি অমনি পাবেন না।
তাই নাকে কান্না বন্ধ করুন। বেশি কষ্ট হলে নেবেন না ওই টাকাটা। কিন্তু নিতে হলে আসল ডকুমেন্টস দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করে নিজেকে ওই টাকাটা নেওয়ার যোগ্য প্রমাণ করে তবেই নেবেন।
কথা ক্লিয়ার?

সংগৃহীত 🙏🏻

যে দেশের লোক আজও ব্যাংক এর চেক টা টাকা দিয়ে ফিল আপ করে সেই দেশের অন্নপূর্না ভান্ডারের জন্য ১২ পাতার ফর্ম ফিল আপ! 😂 লক্ষ...
27/05/2026

যে দেশের লোক আজও ব্যাংক এর চেক টা টাকা দিয়ে ফিল আপ করে সেই দেশের অন্নপূর্না ভান্ডারের জন্য ১২ পাতার ফর্ম ফিল আপ! 😂 লক্ষ্মীভান্ডার থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ট্রান্সফার হওয়ার অফলাইন ফর্মটি ১২ পাতার, হুম! ঠিক শুনছেন ১২ পাতার, লিখতে হবে চোদ্দগুষ্টির নাম, মোঘল সাম্রাজ্যের সম্রাট ও তাদের আত্মজীবনী, পলাশীর যুদ্ধ কেন হয়েছিল, মানুষের বিবর্তন কিভাবে হয়, ডাইনোসর কিভাবে বিলুপ্ত হয়েছিল ইত্যাদি

20/05/2026

ABP Ananda সংবাদ অনুযায়ী রোজ প্রবল ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে আর আমরা পুরো ভিজে যাচ্ছি ঘামে!

19/05/2026

😡 ঘটনাটি ঘটেছে কাল কলকাতা ধর্মতলায়। যে ঘটেছে
, সেটা শুনলে আপনাদের গা শিউরে উঠবে। তোমরা সবাই জানো, ধর্মতলা থেকে পশ্চিমবঙ্গের সব প্রান্তের ই প্রায় বাস পাওয়া যায়। যারা উত্তরবঙ্গের মানুষ তারা বেশিরভাগটাই এই বাসগুলিতে করে যাতায়াত করে। তবে কালকের ঘটনাটা ছিল একটু অন্যরকম। বাসের একজন যাত্রী হঠাৎই তার বুলেট গাড়িটি নিয়ে হাজির হয় বাসস্ট্যান্ডে। এবং সে বাসের টিকিট কাউন্টার থেকে নিজের একটা টিকিট কাটার পর তার গাড়ির একটা টিকিট কাটে। সবাই অবাক হয়ে যায় তার এই কাণ্ড দেখে। ধীরে ধীরে বুঝতে পারে,যে বেশ কয়েক যাবত বছর সে কলকাতায় যেহেতু চাকরি করতো, তাই সেই সূত্রেই গাড়িটিকে কিনেছিলো। এখন সে চাকরি ছেড়ে দেওয়ায় গাড়িটি নিয়ে সে তার দেশের বাড়ি যেতে চায়। কিন্তু আসল হাড়হিম করা ঘটনাটা তো তারপরেই ঘটলো -

- এই ভারী গাড়িটি কিসে করে নিয়ে যাওয়া হবে তাই নিয়ে কথাবার্তা হতে থাকলো। শেষমেশ ঠিক করল এটি বাসের ছাদে তুলে দেবে। কিন্তু তোলার মাধ্যম হিসেবে হাতের সামনে কিছুই ছিল না। একটি ক্রেন থাকলে হয়তো এই জিনিসটি নিয়ে লিখতাম না। কিন্তু এরপরেই ২৫-২৬ বছরের ছেলে এগিয়ে আসে। এ মূলত বাসের ওপরে মাল ওঠানোর কাজ করে। তার লোকজনেরা ধরাধরি করে ১৮৮ কিলোর বুলেটটি তার মাথায় ধীরে ধীরে তুলে দেয়। এরপর সে ধীরে ধীরে বাসের মই বেয়ে বেয়ে ব্যালেন্স করে উঠতে থাকে বাসের ছাদের ওপর। তারই শক্তি দেখে বাসযাত্রীরা অবাক হয়ে তাকে বলে এই হল আসল বাহুবলি। করেছে এই ভারী জিনিসটা কে একা? কোনরকম হাত হাত দিয়ে না ধরে শুধুমাত্র মাথার উপর ব্যালেন্স করে বাসের উপর তুললো সেটা দেখেই অবাক সকলে। বাহুবলি সিনেমাতে নায়ক মাথায় ভারী শিবলিঙ্গ তুলে নিয়ে গিয়ে তার শক্তির যেমন পরিচয় দিয়েছিল। তেমনি বাস্তব জীবনের বাহুবলি এই মালবাহী ভাইটি।
- আবারো প্রমাণ হয়ে গেল পুরুষ তার পরিবারের দায়িত্ব পালনের জন্য কত জীবন ঝুঁকির কাজ করে থাকে। আমাদের পক্ষ থেকে ভাইটির সুস্বাস্থ্য কামনা রইল।

18/05/2026

বর আমাকে রিলস পাঠায়, আমিও বরকে রিলস পাঠাই। বর আমাকে পাঠায় স্ত্রীর প্রতি স্বামীর অধিকার আমি পাঠাই স্বামীর প্রতি স্ত্রীর অধিকার 🙃 কেউ কারোর টা দেখিনা এভাবেই সংসার চলছে 😑

Address

Kharagpur
721301

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel Blogger posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Travel Blogger:

Share