15/05/2025
অদ্ভুত ব্যাপার কাল আমার বন্ধুদের সাথে কথা হচ্ছিল এটা বিষয়ে। সেই সময় আমি ক্লাসের মধ্যে বলে উঠি এই ট্রাম্প একটা আস্ত পাগল তো তখনই স্যার বলেন যে ট্রাম কে নিয়ে আমার কি সমস্যা আছে ?তখন বললাম দেখুন স্যার আমার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কে নিয়ে সমস্যা নেই কিন্তু ট্রাম্পের ভারতকে নিয়ে অনেক সমস্যা আছে। আসলে যেটা আজকের খবর দেখলাম তা মনে হচ্ছে এই ট্রাম্প একটা ক্ষেপা ষাঁড়।ইনি কি সেই যাকে একদল বলেছিলো নাকি আমাদের বন্ধু হয়। আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে বিগত দশকে অনেক সবাই ভেবেছিল।গটাপ কেশটা বুঝতে পারছেন তো পাকিস্তান এর সাথে।ডোলান্ড ট্রাম্প কি ওসামা বিন লাদেন কে ভুলে গেছেন?আমার যা মনে হচ্ছে উনি আবার ওনাকে বলবেন স্বাধীনতা সংগ্ৰামী। যখন আইএমএফ থেকে পাকিস্তান টাকা পেয়ে যায় তখনই সন্দেহ হয় যে এতে আমেরিকা নিযুক্ত আছে। ভাবুন একবার আমেরিকা যদি নাই থাকতো এর মধ্যে তাহলে কি তারা ভেটো প্রয়োগ করে পাকিস্তান কে বাঁধা দিতে পারত না এবং হঠাৎ করে নিজে থেকে আগ বাড়িয়ে যুদ্ধ পরিত্যাগ করার মন্ত্রণা দেয় কিনা ডোনাল্ড ট্রাম যে কিনা একজন সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। দেখুন আসলে সত্যি কথাটা শুনুন পাকিস্তানের সাথে আমেরিকার একটা বড় বিজনেস ডিল হয়েছে, কিসের বিজনেস ?
না অস্ত্রের বিজনেস। যেখানে তারা যেখানে তারা ওই আইএমএফ থেকে যে অর্থ পেয়েছে সেই অর্থ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র কেনার ব্যাপারে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এবার ভাবুন হঠাৎ করে এই ভারতের উপর ক্ষিপ্ত হলো কেন? আসলে ভারত বলেছে যে নিজের ব্যাপারটা নিজে বুঝে নেবে অন্য কারো মত নিতে চায় না এই ব্যাপারটা আসলে আমেরিকার তথার ডোনাল্ড ট্রাম্পের আতে ঘা লেগেছে। কারগিল যুদ্ধের সময় ও আমেরিকার নানা রকম ভাবে ভারতকে আটকাবার চেষ্টা করেছিল কিন্তু তা পেরে উঠতে পারেনি এবং আমরা জানি তারপর পাকিস্তানের কি অবস্থা হয়েছিল। আমি এখনো অবাক হই কিছু কিছু সাম্রাজ্য বিরোধী বামপন্থী দল একপ্রকার সাম্রাজ্যবাদ কে স্বীকার করে নেয়। তারা বামপন্থার সমস্ত চেতনা হারিয়ে তারা আজকে আমেরিকার জয় গান গাইছে। আমি দেখলাম ভারতের বামপন্থা এবং পশ্চিমবঙ্গের বামপন্থার আকাশ পাতাল তফাৎ হয়েছে বর্তমানে। যেখানে ভারতের বামপন্থায় একজন বলেছেন যে ভারতকে পূর্ণ দমে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা করা উচিত। সেখানে কিছু পথে অতি বাম বাম নেমে বলছে আমরা এই অপারেশন সিন্দুরের নিন্দা করি। আসলে এদের কাজ হচ্ছে ছোট ছোট্ট ছেলে মেয়েদের মার্কস অ্যাংগেলস এবং লেনিন এর ভুল তথ্য এবং ব্যাখ্যা শেখানো। আসলে জার্মান ভাষা তে লেখা মার্কসের এর গ্ৰন্থ গুলো। ওগুলো একমাত্র জার্মান অবগত করেছিলেন তাই তাদের মধ্যে অদ্ভুদ সুন্দর লড়াই তাদের রক্তের মধ্যে আছে।সেটা কাজের মধ্যে হোক অথবা ফুটবলের মধ্যে জার্মানরা অভুতপূর্ব। জার্মানরা প্রতিনিয়ত পরিশ্রম করে চলে এবং এদের মধ্যে জেদ আছে কাজ করার। সেগুলো পড়ে ইংরেজি সহ অন্যান্য ভাষায় প্রকাশ করা হয়। আমি এও অবাক হই যে কিছু জন ভারতের প্রধান দলের নেতা কর্মী এবং দলীয় যারা লোক আছেন। তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন যে ট্রাম ভারতের বন্ধু। এবং এটাও মনে করতেন যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে ভালো বন্ধু। কিছুদিন আগেই এক কর্মীর মুখে এরকমই যেখানে তিনি বললেন কেউ থাক না থাক ডোনাল্ড ট্রাম্প পাশে থাকবে। অথচ ইতিহাস বলছে যে আমেরিকা কোনদিন ভারতকে সহায়তা করেনি। কি সহায়তা করেছে না একজন কমিউনিস্ট দেশ রাশিয়া। ভারত এত এত রাফাল কিনেছে ফ্রান্সের থেকে অথচ ফ্রান্স নিরপেক্ষভাবে ভারতের সাপোর্ট করল না কারণ আমেরিকার ভয়। হয়তো আমরা আমেরিকার মতো গোটা বিশ্ব দখল করতে পারব না কিন্তু তাদের মতো করে আমরা চেষ্টা করতেই পারি কিন্তু সেটাতেই বাধা আমেরিকা। ভারতকে মাথাচাড়া দিয়ে আমেরিকা কোনদিনই উঠতে দিতে চায় না। বছরখানেক আগেই যখন ভারত রুপিকে গোটা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চেয়েছিল ঠিক সেই সময় ডোনাল্ড ট্রাম বলেন যে যদি এটা করে খুব খারাপ কাজ করবে ভারত এইরকমই এক হুমকি দিয়েছিল। এতদিন ধরে রাশিয়া ইউক্রেনের ১৪ চলছে তিনি ইউক্রেনকে একবারও বললেন না যে যুদ্ধ পরিস্থিতি থামানোর কথা রাশিয়াকেও বলে উঠতে পারলেন না। তারপর আরো এরকম ঘটনা আছে বলেই যায় ট্রাম যে ভারত বিরোধী বারে বারে বলে দেয়। আর সত্যি বলতে এতদিন ভালো চুপ করে মুখ খুঁজে সহ্য করে এসেছিল। ভারতীয়দের কখনো লোহার বেরি পড়িয়ে নিয়ে আসা ভারতে। আসলে আমেরিকা কখনোই ভারতকে তাদের সমান চোখে দেখেনা। তাই আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব তো নয়ই, যে দেশ কোন দেশের উপর পরমাণু আক্রমণ করতে পারে, সেই দেশ কোনদিনই অন্য দেশকে সম্মান করতে পারে না। আসলে গোপনে গোপনে আমেরিকা পাকিস্তান কে সাহায্য করে।
এই লেখা দেখে কারো খারাপ লাগলে তারা নিজেরাই দায়ী।
যেটা সত্যি সেটাই তুলে ধরলাম।
**g boy Pritam