Brindavan TV

Brindavan TV ওঁ নমোঃ ভগবতে বাসুদেবায়ঃ 🙏🙏

❝ আমরা সনাতনী ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির
কথা বলি ❞ - বৃন্দাবন টিভি ❤️

01/09/2026

গরুর চর্বি ও ডালডার মিশ্রণে তৈরি হয় লাচ্ছা সেমাই। তাই সনাতনী বন্ধুরা এই খাবার গ্রহণ হতে বিরত থাকুন এবং সবাইকে সচেতন করুন 🙏

চা-বাগানের ভেতর থেকে শুরু হয়েছিল পথচলা। অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে সেই পথচলা আজ এসে পৌঁছেছে ভারতের অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পি...
30/08/2026

চা-বাগানের ভেতর থেকে শুরু হয়েছিল পথচলা। অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে সেই পথচলা আজ এসে পৌঁছেছে ভারতের অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষণায়। তিনি চম্পা নাইডু।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার লংলা চা-বাগানে বেড়ে ওঠা চম্পার গল্প শুধু একজন তরুণীর সাফল্যের গল্প নয়। এটি চা-বাগান থেকে উঠে আসা সেইসব মেয়েদের গল্পও, যাদের সামনে সুযোগ সীমিত হলেও স্বপ্নের কোনো সীমা নেই।

২০১০ সালে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে চম্পা ভর্তি হন ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন স্কুলে। চা-বাগানের শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য পরিচালিত এই আবাসিক প্রতিষ্ঠানে বিনা খরচে পড়াশোনা ও আবাসনের সুযোগ পান তিনি। সেখান থেকেই তাঁর শিক্ষাজীবনের বড় পরিবর্তন শুরু।

২০১৫ সালে এসএসসি এবং ২০১৭ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন চম্পা। পড়াশোনার পাশাপাশি পেয়েছেন ডাচ্‌–বাংলা ফাউন্ডেশনের বৃত্তিও।

এরপর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনেও নিজের শেকড়ের মানুষদের থেকে দূরে সরে যাননি। চা-বাগানের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিয়মিত চা-শ্রমিক ও তাঁদের সন্তানদের শিক্ষা, অধিকার ও জীবনযাত্রার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন।

চা-বাগানের শিক্ষা, শ্রমিকদের জীবন, মানবাধিকার ও সামাজিক বৈষম্যের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে করতেই তাঁর আগ্রহ আরও বিস্তৃত হয়। পরবর্তীতে পাবলিক পলিসি ও হিউম্যান রাইটস নিয়েও কাজ শুরু করেন তিনি।

তবে এই পথচলা সহজ ছিল না। নানা প্রতিকূলতা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই এক ধাপ করে এগিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে।

উচ্চশিক্ষার জন্য ২০২৩ সালে ICCR Scholarship নিয়ে ভারতে যান চম্পা। ভর্তি হন অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে।

ভারতের অন্যতম পুরোনো ও প্রতিষ্ঠিত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর জন্য শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। চম্পা তেলুগু সম্প্রদায়ের সদস্য এবং তাঁর পারিবারিক শেকড় অন্ধ্র প্রদেশে। পূর্বপুরুষদের সঙ্গে যুক্ত সেই অঞ্চলে থেকেই নিজের একাডেমিক ও গবেষণার পথ তৈরি করতে চেয়েছিলেন তিনি। তাই অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নেওয়ার পেছনে নিজের শেকড়ের প্রতি তাঁর টানও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

২০২৫ সালে দ্বিতীয়বারের মতো ICCR Scholarship পেয়ে অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি শুরু করেন তিনি।

পিএইচডির জন্য দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও সুযোগ পেয়েছিলেন চম্পা। কিন্তু নিজের পারিবারিক শেকড় এবং অন্ধ্র প্রদেশের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কারণে শেষ পর্যন্ত অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়েই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বর্তমানে ২০২৫ থেকে ২০২৮ সময়কালে অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি করছেন চম্পা। তাঁর গবেষণার কেন্দ্রে রয়েছে বাংলাদেশের চা-বাগানের শ্রমজীবী মানুষের জীবন, মানবাধিকার ও সামাজিক বাস্তবতা। পাশাপাশি চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাঁদের জন্য কার্যকর নীতিমালা ও পলিসি প্রণয়নের সম্ভাবনা নিয়েও কাজ করছেন তিনি।

অর্থাৎ যে চা-বাগানের জীবন তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন, আজ সেই মানুষদের জীবন ও অধিকারই তাঁর গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁর কাজের লক্ষ্য শুধু সমস্যাগুলো তুলে ধরা নয়, বরং চা-শ্রমিকদের জীবনমান ও সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে কী ধরনের নীতিগত পরিবর্তন প্রয়োজন, সেটিও খুঁজে দেখা।

চম্পার নিজের ভাবনায়ও এই জায়গাটি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কাছে এই পথচলা শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়; চা-বাগান থেকে উঠে আসা আরও অনেক মেয়ের সামনে সম্ভাবনার দরজা খুলে দেওয়ার একটি উদাহরণ। আজ চা-বাগানের অনেক তরুণ-তরুণীই পড়াশোনা করে বিভিন্ন ভালো জায়গায় যাচ্ছে, নিজেদের অবস্থান তৈরি করছে—চম্পার গল্প সেই পরিবর্তনেরই একটি অংশ।

লংলা চা-বাগান থেকে শুরু হওয়া এই পথচলায় তাই শুধু একটি পিএইচডি ডিগ্রি নেই। আছে দীর্ঘ সংগ্রাম, শিক্ষার জন্য লড়াই, নিজের শেকড়ের প্রতি টান এবং সেই মানুষগুলোর জন্য কাজ করার চেষ্টা, যাদের জীবনকে তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন।

চম্পা চা-বাগান থেকে বেরিয়ে এসেছেন, কিন্তু চা-বাগানকে পেছনে ফেলে আসেননি। বরং নিজের শেকড়ের মানুষদের জীবন, অধিকার ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কাজ করেই এগিয়ে চলেছেন।

আর হয়তো এখানেই চম্পার গল্পের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য—তিনি শুধু নিজের জীবনের সীমানা বদলাননি; তাঁর পথচলা চা-বাগানের আরও অনেক মেয়ের স্বপ্নের সীমানাটাও বড় করে দিয়েছে।

তথ্য ও লেখাঃ পাবলিকিয়ান

❝ আজ বাঁধবো রাখি সবার হাতে পুণ্যপ্রভাতে, উচ্চ নিচের বিভেদ ভুলে চলবো একসাথে।❞◑ শুভ রাখীবন্ধন 🪔এক সূত্র দ্বারা যেমন শত হাজ...
28/08/2026

❝ আজ বাঁধবো রাখি সবার হাতে পুণ্যপ্রভাতে,
উচ্চ নিচের বিভেদ ভুলে চলবো একসাথে।❞

◑ শুভ রাখীবন্ধন 🪔

এক সূত্র দ্বারা যেমন শত হাজার ফুলকে একত্রে বন্ধন করে সুন্দর মালা তৈরি করা যায়; তেমনি সমাজকে সুন্দর করতে বিভিন্ন জাতি, মত, পন্থকে একত্রিত করতে হিন্দু সৌভাতৃত্ববোধ সূত্রের দ্বারা একত্রিত করতে হবে। তবেই সকলের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। এই রক্ষা বন্ধন হল সেই শুভ কার্যের মহাযজ্ঞ।

27/08/2026

আমি অমৃতের সন্তান। আমার জাত আমি হিন্দু। এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের সকল মনুষ্য জাতি আমার আত্মীয়, আমার ভাই, আমার বোন। আমি ঈশ্বরের নিকট হতে এসেছি, পুনরায় ঈশ্বরের নিকট ফিরে যাব। এই দেহজাত আচরণ কিন্তু আমি নই। আমার পরিচয় আমি চিন্ময় আত্মা যা পরমাত্মারই অংশ।

উপরোক্ত বোধটুকু যদি আপনার না জাগে তাহলে আপনি হিন্দু নয়, আপনি কেবল দেহধারী জীব। আজ যেমন মানুষ্য দেহ পেয়েছেন, আগামীতে পশু দেহ পেতে পারেন। আজ উচ্চজাত তো পরের জন্মে নিম্নজাত। কারণ জন্মান্তরবাদের ফলেই তো আমাদের আত্মা বিভিন্ন দেহপ্রাপ্ত হচ্ছে। তাই বিচার স্বয়ং নিজেই করুন।

PRAY FOR NEPAL 💔হে মধুসূদন 🙏
26/08/2026

PRAY FOR NEPAL 💔

হে মধুসূদন 🙏

25/08/2026

এক পলকে দেখুন শ্রীরাম বন্দনা 🙏🪔
শ্রীরাম নবমী মহোৎসব ২০২৬
আয়োজনে- শ্রীরাম নবমী উদযাপন পরিষদ শ্রীহট্ট।

শান্তা যাদব এখন Harvard Medical School এর Master of Medical Science in Global Health Delivery MMSc GHD প্রোগ্রামে মাস্টা...
24/08/2026

শান্তা যাদব এখন Harvard Medical School এর Master of Medical Science in Global Health Delivery MMSc GHD প্রোগ্রামে মাস্টার্স করতে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার লংলা চা বাগানের একটি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছেন শান্তা যাদব। চারপাশে চা বাগানের জীবন, সীমিত সুযোগ সবকিছুকে পেছনে ফেলে তাঁর স্বপ্ন এবার পৌঁছে গেছে সুদূর যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।

শান্তা যাদবের জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা ❤️

Address

Kolkata

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Brindavan TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Brindavan TV:

Shortcuts

Share

Category