Pappu Roy cyclist

Call Directions Contact the business

Pappu Roy cyclist ফেসবুকে ভালো কিছু শেয়ার করি। বই পড়ি, পড়াই। মাঝেমধ্যে লেখালেখি করি।
I travelled throughout India, Nepal and Bangladesh with a single speed bicycle.
(58)

Wrote many travel articles and stories in Bengali language.I'm a content creator and traveler from Bengal.

বাস্তবতা ✔️
29/09/2026

বাস্তবতা ✔️

বাংলা থিয়েটারের ইতিহাসে উৎপল দত্ত শুধু একজন অভিনেতা বা নাট্যকার নন—তিনি ছিলেন এমন এক শিল্পী, যাঁর কাছে মঞ্চ ছিল সমাজ ও র...
29/09/2026

বাংলা থিয়েটারের ইতিহাসে উৎপল দত্ত শুধু একজন অভিনেতা বা নাট্যকার নন—তিনি ছিলেন এমন এক শিল্পী, যাঁর কাছে মঞ্চ ছিল সমাজ ও রাজনীতির প্রশ্ন তোলারও একটি শক্তিশালী মাধ্যম।

নকশাল আন্দোলন তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ১৯৬৭ সালে তাঁর লেখা ‘তীর’ নাটকে সেই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নাটকটির পর তাঁর উপর সরকারি নজরদারি বাড়ে এবং তাঁর নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।

১৯৬৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুম্বইয়ের তাজ হোটেলে ‘গুরু’ ছবির শুটিং চলাকালীন উৎপল দত্ত গ্রেফতার হন। নিজের লেখায় তিনি দাবি করেছিলেন, ছবির শুটিংয়ের পাশাপাশি বিপ্লবের জন্য অস্ত্র সংগ্রহের উদ্দেশ্যেও তিনি মুম্বইয়ে গিয়েছিলেন। পরে তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। ছবির শুটিং শেষ করার স্বার্থে প্রযোজনা সংস্থার হস্তক্ষেপে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

তবে এই ঘটনা তাঁর রাজনৈতিক নাট্যচর্চাকে থামিয়ে দিতে পারেনি।

নকশাল রাজনীতি থেকে পরে নিজেকে সরিয়ে নিলেও সেই সময় উৎপল দত্ত রাজনৈতিকভাবে কঠিন এক সংকটের মধ্যে পড়েন। তাঁর দল লিটল থিয়েটার গ্রুপ (LTG)-এর সঙ্গেও বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর তিনি গড়ে তোলেন বিবেক নাট্যসমাজ, যা পরে People’s Little Theatre (PLT) নামে পরিচিত হয়।

১৯৭১ সালের ১২ অক্টোবর রবীন্দ্র সদনে মঞ্চস্থ হয় PLT-এর অন্যতম স্মরণীয় নাটক ‘টিনের তলোয়ার’। উনিশ শতকের বাংলা থিয়েটারের ইতিহাসকে নাটকের মধ্যে তুলে ধরেছিল এই সৃষ্টি। পরবর্তীকালে তাঁর রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক নাটকের তালিকায় একে একে আসে ‘সূর্যশিকার’, ‘ব্যারিকেড’, ‘টোটা’, ‘দুঃস্বপ্নের নগরী’, ‘তিতুমীর’, ‘লালদুর্গ’, ‘জনতার আফিম’-সহ আরও বহু নাটক।

উৎপল দত্তের নাট্যজীবন বারবার দেখিয়েছে—শিল্পীর মঞ্চ কখনও শুধু বিনোদনের জায়গা নয়; সময়, সমাজ, ইতিহাস এবং মানুষের অধিকারের প্রশ্নও সেখানে উঠে আসতে পারে।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য, দলীয় বিরোধ, সরকারি চাপ কিংবা নিষেধাজ্ঞা—কোনও কিছুই তাঁকে তাঁর নাট্যচর্চা থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দিতে পারেনি।

বাংলা মঞ্চে তাই উৎপল দত্ত আজও এক অনন্য নাম—অভিনেতা, নাট্যকার, পরিচালক এবং রাজনৈতিক থিয়েটারের এক গুরুত্বপূর্ণ নির্মাতা।

#উৎপলদত্ত #বাংলাথিয়েটার #বাংলানাটক #পিপলসলিটলথিয়েটার #টিনেরতলোয়ার #রাজনৈতিকনাটক #থিয়েটার #বাংলারসংস্কৃতি #নাট্যইতিহাস #ইতিহাস

আজও খুঁজে পাইনি সঠিক উত্তর 😥😥
29/09/2026

আজও খুঁজে পাইনি সঠিক উত্তর 😥😥

দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে পরিবেশ বান্ধব সাইকেলের কোনো বিকল্প নেই ❤️❤️
29/09/2026

দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে পরিবেশ বান্ধব সাইকেলের কোনো বিকল্প নেই ❤️❤️

29/09/2026

খুব চেনা একটা রেল স্টেশন

ঠিক কি না বলুন 🙏🙏
29/09/2026

ঠিক কি না বলুন 🙏🙏

গাইসাল: ভুল সিগন্যালিং এবং একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনার সেই রাত, যে রাত আজও ভুলতে পারেনি উত্তর দিনাজপুর। উত্তর দিনাজপুর জেলার ইস...
29/09/2026

গাইসাল: ভুল সিগন্যালিং এবং একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনার সেই রাত, যে রাত আজও ভুলতে পারেনি উত্তর দিনাজপুর।

উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের গঞ্জ গাইসাল। ছবির মতো ছিমছাম একটি ছোট রেলস্টেশন। একসময় এই প্রত্যন্ত গঞ্জের নাম হয়তো দেশের অধিকাংশ মানুষই জানত না। কিন্তু ১৯৯৯ সালের ২ আগস্টের সেই রাত গাইসালের নামকে চিরদিনের জন্য লিখে দিয়েছিল ভারতীয় রেলের ইতিহাসের এক ভয়াবহ অধ্যায়ে।

প্রায় রাত পৌনে দুটো। গোটা গঞ্জ তখন গভীর ঘুমে। হঠাৎ বিস্ফোরণের মতো এক বিকট শব্দে কেঁপে উঠল চারদিক। ঘুম ভেঙে ছুটে বেরিয়ে এলেন স্থানীয় মানুষ। স্টেশনের দিক থেকে ধোঁয়া আর আগুনের আভা দেখা যাচ্ছিল।

প্রথমে অনেকেই বুঝতেই পারেননি কী হয়েছে। এমনকি ঘটনাস্থলে ছুটে যাওয়া স্থানীয়দের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল—কেউ কেউ ভেবেছিলেন, হয়তো বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। পরে পরিষ্কার হল, কোনও বিস্ফোরণ নয়—দুটি যাত্রীবাহী ট্রেন ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে।

একদিকে ছিল ৫৬১০ আপ অবধ-অসম এক্সপ্রেস, অন্যদিকে দিল্লিগামী ব্রহ্মপুত্র মেল। গভীর রাতে দুটি ট্রেন একই লাইনে এসে পড়ে। তারপর গাইসালের কাছে ঘটে যায় সেই ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষ। সমসাময়িক সংবাদ প্রতিবেদনে জানা যায়, দুটি ট্রেনেই বিপুল সংখ্যক যাত্রী ছিলেন এবং সংঘর্ষের অভিঘাতে একাধিক কামরা ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কীভাবে একই লাইনে এল দুই ট্রেন?

দুর্ঘটনার পর তদন্তে এই প্রশ্নটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

প্রাথমিকভাবে ভুল সিগন্যাল ও রেল পরিচালনায় ত্রুটির কথা সামনে আসে। পরে বিষয়টি তদন্ত করে বিচারপতি জি. এন. রায়ের নেতৃত্বাধীন কমিশন। ২০০১ সালে জমা দেওয়া কমিশনের রিপোর্টে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে স্পষ্টভাবে বলা হয়—“Failure of Railway Staff”, অর্থাৎ রেলকর্মীদের ব্যর্থতা।

পরবর্তী সরকারি নথিতে আরও বিস্তারিতভাবে জানানো হয়, কমিশন ৩৫ জন রেলকর্মীর উপর দায়িত্ব নির্ধারণ করেছিল। রেল মন্ত্রক নিজস্ব পর্যালোচনায় আরও ১৫ জন কর্মকর্তাকে দায়ী বলে চিহ্নিত করে এবং দায়িত্বের মাত্রা অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

দুর্ঘটনার সময় রেললাইনের একটি অংশে রক্ষণাবেক্ষণের কাজও চলছিল এবং লাইনের স্বাভাবিক পরিচালন ব্যবস্থায় পরিবর্তন ছিল। বিভিন্ন তদন্তভিত্তিক বিবরণে ভুল লাইনে অবধ-অসম এক্সপ্রেস চলে যাওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। কিন্তু সেই ভুলটি সময়মতো শনাক্ত করে বিপরীতমুখী ট্রেনকে থামানোর ব্যবস্থা করা যায়নি। ফলে গাইসালের কাছে দুই ট্রেন একই লাইনে এসে পড়ে।

তারপর?

সংঘর্ষের মুহূর্তেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। রাতের অন্ধকারে চারদিকে আগুন, ধোঁয়া, ধ্বংসস্তূপ আর আতঙ্ক। বহু যাত্রী তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। উদ্ধারকারীরা পৌঁছনোর পর শুরু হয় ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকা মানুষদের বের করে আনার চেষ্টা।

দুর্ঘটনার প্রথম কয়েক ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা নিয়ে নানা রকম হিসাব সামনে এসেছিল। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে তখন কয়েকশো মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল এবং উদ্ধারকাজ চলার সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা বাড়ছিল।

শেষ পর্যন্ত সরকারি হিসাবে ২৮৬ জন প্রাণ হারান এবং ৩৫৯ জন আহত হন। অর্থাৎ মোট ৬৪৫ জন হতাহত হয়েছিলেন।

গাইসালের মানুষের কাছে সেই রাত শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়

বাইরের মানুষের কাছে এটি ছিল একটি ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা। কিন্তু গাইসালের মানুষের কাছে সেটি ছিল তাঁদের নিজেদের জীবনের এক রাত—যে রাতে ঘুম ভেঙেছিল বিকট শব্দে, যে রাতে স্থানীয় মানুষ ছুটে গিয়েছিলেন স্টেশনের দিকে, যে রাতে ছোট্ট গঞ্জটি পরিণত হয়েছিল উদ্ধারকাজের কেন্দ্রস্থলে।

আজ বহু বছর কেটে গেছে। স্টেশনটি আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে এসেছে। ট্রেন আসে, ট্রেন যায়। যাত্রীরা ওঠেন-নামেন। কিন্তু ১৯৯৯ সালের ২ আগস্টের রাতটি গাইসালের স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি।

সেই রাত মনে করিয়ে দেয়—রেলপথে একটি ভুল সংকেত, একটি ভুল সিদ্ধান্ত কিংবা দায়িত্ব পালনে সামান্য অবহেলাও কত ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

আর সেই কারণেই গাইসাল শুধু একটি স্টেশনের নাম নয়—এটি ভারতীয় রেলের নিরাপত্তার ইতিহাসে এক গভীর বেদনার অধ্যায়।

#গাইসাল_ট্রেন_দুর্ঘটনা #গাইসাল #রেলদুর্ঘটনা #ভারতীয়রেল #উত্তরদিনাজপুর #রেলইতিহাস #ইতিহাসেরপাতায়

একমত হলে একটা লাইক দেবেন 🙏
29/09/2026

একমত হলে একটা লাইক দেবেন 🙏

শিক্ষার জন্য বাবার লড়াই—উত্তাল নদী পেরিয়েও স্কুলে ছুটত শিশুরা।ভিয়েতনামের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দুর্গম ও দরিদ্র এলাকা দিয়েন...
29/09/2026

শিক্ষার জন্য বাবার লড়াই—উত্তাল নদী পেরিয়েও স্কুলে ছুটত শিশুরা।
ভিয়েতনামের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দুর্গম ও দরিদ্র এলাকা দিয়েন বিয়েন প্রদেশের হুয়ই হা গ্রাম। পাহাড়-জঙ্গল ঘেরা এই গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা বরাবরই কঠিন। বর্ষাকালে সেই কষ্ট আরও বেড়ে যায়।

প্রবল বৃষ্টিতে গ্রামের পাশের নদী ও স্রোতস্বিনী পানিতে ভরে গেলে শিশুদের স্কুলে যাতায়াত প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেক সময় পানির স্রোত এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে যে, সাধারণভাবে নদী পার হওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক।

তখন সন্তানকে স্কুলে পাঠানোর জন্য বাবা কিংবা গ্রামের অন্য কোনো বড় মানুষ শিশুটিকে একটি বড় পলিথিনের বস্তার ভেতরে ঢুকিয়ে নেন। এরপর বস্তাটি শক্ত করে ধরে বা বহন করে তারা স্রোত পার হন।

বস্তার ভেতরে থাকা শিশুটির শরীর ও স্কুলের পোশাক পানিতে ভিজে না যাওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। কারণ নদী পার হওয়ার পরও শিশুটিকে দীর্ঘ পথ হেঁটে স্কুলে যেতে হতো।

নদী পার হওয়াটাই অবশ্য শেষ নয়। দুর্গম পাহাড়ি পথ, কাদা আর জঙ্গলের মধ্য দিয়ে অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে তবেই স্কুলে পৌঁছাতে হতো তাদের। ২০১৮ সালের স্থানীয় প্রতিবেদনে হুয়ই হা গ্রামের ৫০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থীর এমন কঠিন পরিস্থিতিতে স্কুলে যাওয়ার কথা উঠে আসে।

একদিকে ভয়ংকর নদীর স্রোত, অন্যদিকে দীর্ঘ দুর্গম পথ—সবকিছুকে পেছনে ফেলে শিশুরা ছুটত শিক্ষার জন্য।

আর সেই পথচলায় বাবাদের এই ভূমিকা যেন এক নীরব বার্তা দেয়—সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য একজন বাবা কতটা কঠিন পথ পাড়ি দিতে পারেন, তার কোনো সীমা নেই।

#শিক্ষা #বাবা #সন্তান #সংগ্রাম #ভিয়েতনাম #অনুপ্রেরণা #মানবিকতা

🇮🇳 বীরাঙ্গনা মাতঙ্গিনী হাজরা: দেশের স্বাধীনতার জন্য যিনি বুক পেতে দিয়েছিলেন পুলিশের গুলির সামনে।ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন...
29/09/2026

🇮🇳 বীরাঙ্গনা মাতঙ্গিনী হাজরা: দেশের স্বাধীনতার জন্য যিনি বুক পেতে দিয়েছিলেন পুলিশের গুলির সামনে।
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে মাতঙ্গিনী হাজরার নাম চিরস্মরণীয়। ‘গান্ধীবুড়ি’ নামে পরিচিত এই সাহসী নারী নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন দেশের স্বাধীনতার জন্য।

১৮৭০ সালের ১৭ নভেম্বর মেদিনীপুর জেলার তমলুক থানার হোগলা গ্রামে মাতঙ্গিনী হাজরার জন্ম। তাঁর পিতা ছিলেন ঠাকুরদাস মাইতি এবং মাতা ভগবতী দেবী। অল্প বয়সেই ত্রিলোচন হাজরার সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি বিধবা হন। তাঁর কোনো সন্তান ছিল না।

১৯০৫ সাল থেকেই তিনি প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। মতাদর্শের দিক থেকে তিনি ছিলেন মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের প্রতি বিশ্বাসী। ১৯৩০ সালের লবণ সত্যাগ্রহ ও আইন অমান্য আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নেওয়ার কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পরে কর মকুবের দাবিতে আন্দোলন করার জন্যও তাঁকে গ্রেফতার হতে হয় এবং এবার টানা ছয় মাস কারাবন্দি থাকতে হয়।
কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী হয়ে ওঠেন। ১৯৩৩ সালে শ্রীরামপুরে মহকুমা কংগ্রেসের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার সময় পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হন। ডান্ডি মার্চ, অসহযোগ আন্দোলন এবং পরবর্তীকালে ভারত ছাড়ো আন্দোলনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯৪২ সালে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় তাঁর বয়স ছিল ৭৩ বছর। সেই বয়সেও তিনি পিছিয়ে থাকেননি। ২৯ সেপ্টেম্বর প্রায় ছয় হাজার মানুষ, যার মধ্যে বহু মহিলা স্বেচ্ছাসেবকও ছিলেন, তাঁর নেতৃত্বে তমলুক থানা দখলের উদ্দেশ্যে মিছিল করেন। পাঁচটি দিক থেকে মিছিল এগিয়ে আসতে থাকে তমলুকের দিকে। হাতে ছিল জাতীয় পতাকা, মুখে ছিল ‘ইংরেজ ভারত ছাড়ো’ ও ‘বন্দে মাতরম্’-এর স্লোগান।

মিছিল তমলুক শহরের উপকণ্ঠে পৌঁছলে পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে এবং সমাবেশ ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু মাতঙ্গিনী হাজরা পিছিয়ে যাননি। তিনি জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে থাকেন।

পুলিশ গুলি চালায়। গুলিতে তিনি আহত হলেও পতাকা নামাননি। বারবার গুলিবিদ্ধ হয়েও তিনি এগিয়ে যেতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় পতাকা শক্ত করে ধরে ‘বন্দে মাতরম্’ ধ্বনি উচ্চারণ করতে করতে তিনি শহিদ হন।

মাতঙ্গিনী হাজরার আত্মত্যাগ স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে সাহস ও দেশপ্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। স্বাধীনতার পর তাঁর স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বিভিন্ন স্কুল, রাস্তা ও জনস্থান তাঁর নামে উৎসর্গ করা হয়। ১৯৭৭ সালে কলকাতার ময়দানে তাঁর মূর্তি স্থাপিত হয়। তমলুকেও তাঁর স্মৃতিতে মূর্তি রয়েছে।
দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করা এই মহীয়সী বীরাঙ্গনার প্রয়াণ দিবসে পাক্ষিক অনন্যার পক্ষ থেকে রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

#মাতঙ্গিনীহাজরা #গান্ধীবুড়ি #স্বাধীনতাসংগ্রাম #ভারতছাড়োআন্দোলন #তমলুক #মেদিনীপুর #স্বাধীনতাসংগ্রামী #বীরাঙ্গনা #ভারতেরইতিহাস #পাক্ষিকঅনন্যা

Address

Piali Road
Kolkata
700140

Telephone

+918981842881

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pappu Roy cyclist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Pappu Roy cyclist:

Shortcuts

Share