juri dutta

juri dutta Hii.I am juri.welcome to my page
50k target please follow me everyone

বাবা দিবসের সকালে বৃদ্ধাশ্রমের অফিস কক্ষে বসে ছিলেন আশি ছুঁইছুঁই আব্দুল করিম। বাইরে সবাই নিজেদের সন্তানদের সঙ্গে ছবি তুল...
24/06/2026

বাবা দিবসের সকালে বৃদ্ধাশ্রমের অফিস কক্ষে বসে ছিলেন আশি ছুঁইছুঁই আব্দুল করিম। বাইরে সবাই নিজেদের সন্তানদের সঙ্গে ছবি তুলছে, কেউ ফুল পাচ্ছে, কেউ উপহার। কিন্তু করিম সাহেবের সামনে ছিল শুধু একটি পুরোনো কাঠের বাক্স আর একটি হলদেটে ডায়েরি। বৃদ্ধাশ্রমের কর্মচারীরা জানত, প্রতি বছর এই দিনটিতে তিনি অদ্ভুত আচরণ করেন। সারাদিন কারও সঙ্গে কথা বলেন না, শুধু ডায়েরির একটি নির্দিষ্ট পাতায় তাকিয়ে থাকেন। হঠাৎ সেদিন তিনি কাঁপা গলায় বললেন, "আমার ছেলে-মেয়ে যেন আমার লাশও না ছোঁয়।" কথাটা শুনে সবাই অবাক হয়ে গেল। কারণ সাধারণত বাবা-মা মৃত্যুর পরও সন্তানদের আশীর্বাদ করেন, কিন্তু তিনি কেন এমন ভয়ংকর কথা বলছেন? তার চোখে তখন শুধু রাগ নয়, ছিল গভীর আতঙ্কও। মনে হচ্ছিল তিনি এমন কোনো সত্য জানেন, যা পৃথিবীর আর কেউ জানে না।

সেদিন রাতেই বৃদ্ধাশ্রমের নতুন কর্মী মেহজাবিন কৌতূহল সামলাতে না পেরে করিম সাহেবের ঘরে ঢুকে পড়ল। ঘরে ঢুকেই সে দেখতে পেল সেই পুরোনো বাক্সটা খোলা। ভেতরে কিছু বিবর্ণ ছবি, একটি শিশুর রুপার চুড়ি আর একটি চিঠি। চিঠির ওপর লাল কালি দিয়ে লেখা—"সত্য প্রকাশ পেলে সবাই ধ্বংস হবে।" মেহজাবিনের বুকের ভেতর কেমন যেন কেঁপে উঠল। সে চিঠিটা হাতে নেওয়ার আগেই করিম সাহেব হঠাৎ পিছন থেকে বললেন, "ওটা পড়ো না মা, ওটা পড়লে তুমি আর আগের মতো থাকতে পারবে না।" বৃদ্ধের চোখে তখন এমন এক ভয় ছিল, যেন বহু বছর ধরে কোনো অন্ধকার ছায়া তাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘরের বাতি নিভে গেল, আর বাক্সের ভেতর থেকে একটি পুরোনো ছবির কোণ মেঝেতে পড়ে গেল। ছবিটা তুলে মেহজাবিন যা দেখল, তাতে তার রক্ত হিম হয়ে গেল—ছবিতে করিম সাহেবের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট্ট মেয়েটির মুখ হুবহু তার নিজের মুখের মতো!

পরদিন সকাল থেকে মেহজাবিনের মাথায় শুধু একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে লাগল—ছবির সেই মেয়েটি কে? আর কেন তার চেহারা নিজের সঙ্গে এতটা মিলে যায়? সে গোপনে করিম সাহেবের ডায়েরি পড়তে শুরু করল। ডায়েরির পাতাগুলোতে লেখা ছিল ত্রিশ বছর আগের এক ভয়ংকর কাহিনি। করিম সাহেবের একটি মেয়ে ছিল, নাম সায়রা। এক ঝড়ের রাতে হঠাৎ করেই মেয়েটি নিখোঁজ হয়ে যায়। পুলিশ, আত্মীয়স্বজন, সবাই খুঁজেছিল; কিন্তু কোনো সন্ধান মেলেনি। সেই ঘটনার পর থেকেই তার স্ত্রী মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন এবং কয়েক বছরের মধ্যে মারা যান। কিন্তু ডায়েরির শেষ অংশে এমন একটি কথা লেখা ছিল যা পুরো ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছিল—"সায়রা হারায়নি, তাকে আমার কাছ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।"

চলবে....

গল্পটি কেমন লাগছে অবশ্যই জানাবেন, পরের পর্বটি পড়তে চাইলে কমেন্টে লিখুন next, আপনারা বেশি করে কমেন্ট করলে পরের পর্বটি আজকেই পোস্ট করা হবে।

"একটি ভুল মেসেজ কখনও কখনও মানুষের পুরো জীবন বদলে দিতে পারে। কিন্তু সেই রাতের দরজার কড়া নাড়ার শব্দ যে এত বড় এক সত্যকে ...
23/06/2026

"একটি ভুল মেসেজ কখনও কখনও মানুষের পুরো জীবন বদলে দিতে পারে। কিন্তু সেই রাতের দরজার কড়া নাড়ার শব্দ যে এত বড় এক সত্যকে সামনে নিয়ে আসবে, তা কল্পনাও করেনি তৃষা…"

শিশুখাদ্যের ডিব্বাটা উল্টে-পাল্টে শেষবারের মতো দেখল তৃষা। যদি সামান্য একটু গুঁড়োও থেকে যায়! কিন্তু না, ভেতরে আর কিছুই নেই। রান্নাঘরের ক্ষীণ আলোয় দাঁড়িয়ে থাকা তরুণী মায়েটার বুকটা হুহু করে উঠল। পাশে ঘরের খাটে তার সাত মাসের মেয়ে মিহি ক্ষুধায় কেঁদে চলেছে। কান্নার সেই শব্দ যেন প্রতিটি মুহূর্তে তৃষার অসহায়তাকে আরও গভীর করে তুলছিল।

তৃষা মেয়েকে কোলে তুলে বুকে জড়িয়ে ধরল। "আর একটু অপেক্ষা কর মা, আমি কিছু একটা করব," ফিসফিস করে বলল সে। কিন্তু নিজের কণ্ঠস্বরই যেন তাকে বিশ্বাস করাতে পারছিল না। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একের পর এক বিপদ তার জীবনের দরজায় এসে দাঁড়িয়েছে। সংসারের শেষ সঞ্চয়টুকুও ফুরিয়ে গেছে অনেক আগেই।

পুরনো ব্যাগ থেকে মানিব্যাগ বের করে হিসাব করল সে। সব মিলিয়ে আছে মাত্র একশো টাকারও কম। অথচ শিশুখাদ্য কিনতে দরকার তার দশগুণেরও বেশি টাকা। বাড়িওয়ালা প্রতিদিন ভাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। নতুন চাকরি পেলেও প্রথম বেতন হাতে আসতে এখনো অনেক দিন বাকি।

কিন্তু মাত্র কয়েক মাস আগেও তৃষার জীবন এমন ছিল না। শহরের একটি নামী প্রতিষ্ঠানে ভালো পদে চাকরি করত সে। সম্মান, স্থায়িত্ব, সুন্দর ভবিষ্যৎ— সবই ছিল। তারপর একদিন অফিসের কিছু আর্থিক অনিয়ম তার চোখে পড়ে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানোই যেন তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল হয়ে দাঁড়ায়। কয়েক দিনের মধ্যেই তাকে চাকরি হারাতে হয়, আর তারপর থেকে যেন দুর্ভাগ্য তার পিছু ছাড়েনি।

চরম অসহায় অবস্থায় মোবাইল ফোনটা হাতে নিল তৃষা। অনেক খোঁজাখুঁজির পর পুরনো পরিচিত এক সহৃদয় মহিলার নম্বর বের করল। বহু বছর আগে সেই মানুষটি তার বিপদের সময় সাহায্য করেছিলেন। শেষ ভরসা হিসেবে ছোট্ট একটি বার্তা লিখল সে— মেয়ের জন্য কিছু টাকা ধার চেয়ে।

মেসেজ পাঠিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করল তৃষা। মিনিটের পর মিনিট কেটে গেল, কিন্তু কোনো উত্তর এল না। সে জানত না, নম্বরটির আগের মালিক অনেক আগেই সেটি ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছেন। আর এখন সেই নম্বর অন্য কারও হাতে।

শহরের অপর প্রান্তে তখন একা বসে ছিলেন দেশের অন্যতম সফল ব্যবসায়ী আদিত্য সেন। উৎসবের রাত, চারদিকে আনন্দের আমেজ, অথচ তার মন কোথাও স্থির হচ্ছিল না। হঠাৎ ফোনে আসা অচেনা মেসেজটি খুলে পড়লেন তিনি। কয়েকটি সাধারণ বাক্য, কিন্তু সেই কথাগুলো যেন তাকে বহু বছর পেছনে ফিরিয়ে নিয়ে গেল।

ছোটবেলার দারিদ্র্য, মায়ের অসহায় চোখ, না খেয়ে কাটানো রাত— সব স্মৃতি একসঙ্গে ফিরে এল। বহু বছর আগে তিনিও এমন অসহায় অবস্থার মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন। তাই অচেনা এক মায়ের আর্তি উপেক্ষা করতে পারলেন না।

খুব দ্রুত তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারলেন তৃষার বর্তমান অবস্থার কথা। তারপর কোনো দেরি না করে প্রয়োজনীয় খাবার, শিশুখাদ্য, ডায়াপার এবং আরও অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনে রাতেই বেরিয়ে পড়লেন।

গভীর রাতে পুরনো একটি বহুতলের সামনে গাড়ি থামল। সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে তিনি দরজায় কড়া নাড়লেন। ভেতরে আতঙ্কিত তৃষা কাঁপা কণ্ঠে জানতে চাইল, "কে?"

বাইরে থেকে শান্ত স্বরে উত্তর এল, "আপনার পাঠানো একটি ভুল মেসেজ আমার কাছে পৌঁছেছিল।"

দরজা খুলতেই তৃষা অবাক হয়ে গেল। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটিকে সে চিনতে পারল না। কিন্তু তার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকজনকে দেখে তার শরীর যেন জমে গেল।

কারণ সেই মানুষটিই ছিল সেই ব্যক্তি, যার কারণে কয়েক মাস আগে তার চাকরি হারাতে হয়েছিল। যে মানুষটি তার জীবনকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছিল, সে আজ মাঝরাতে তার দরজার সামনে দাঁড়িয়ে।

তাহলে কি নতুন কোনো বিপদ অপেক্ষা করছে? নাকি আজ প্রকাশ পাবে এমন এক সত্য, যা তৃষার জীবনকে চিরদিনের জন্য বদলে দেবে?

চলবে...

পরের পর্বে কী হতে পারে বলে আপনার মনে হয়? কমেন্টে জানান।

🔥 বঙ্গ বাজেট ২০২৬: ডবল ইঞ্জিন সরকারের বাজেটের ১০ বড় ঘোষণা!রাজ্যের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সরকারি কর্মচারী, মহিলা, কৃষক এব...
22/06/2026

🔥 বঙ্গ বাজেট ২০২৬: ডবল ইঞ্জিন সরকারের বাজেটের ১০ বড় ঘোষণা!

রাজ্যের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সরকারি কর্মচারী, মহিলা, কৃষক এবং সাধারণ মানুষের জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করা হয়েছে। এক নজরে দেখে নিন বাজেটের সবচেয়ে আলোচিত ১০টি সিদ্ধান্ত—

💰 ১. ৩৮% ডিএ, মিলবে অক্টোবর থেকে

সরকারি কর্মচারীদের জন্য সবচেয়ে বড় সুখবর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ৩৮% ডিএ। দীর্ঘদিন ধরে ডিএ নিয়ে চলা আন্দোলন ও বিতর্কের পর এই ঘোষণা কর্মচারীদের মধ্যে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির এই সময়ে ডিএ বৃদ্ধি তাঁদের আর্থিক চাপ অনেকটাই কমাতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর অক্টোবর মাসের দিকে, কবে এবং কীভাবে এই ঘোষণা কার্যকর হয়।

👩‍💼 ২. ১ লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ, ৩৩% মহিলা সংরক্ষণ

রাজ্যের যুব সমাজের জন্য এটি অন্যতম বড় ঘোষণা। ১ লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের পাশাপাশি মহিলাদের জন্য ৩৩% সংরক্ষণ চালুর কথা বলা হয়েছে। এর ফলে চাকরির বাজারে নতুন সুযোগ তৈরি হবে এবং নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

👮‍♂️ ৩. ২০ হাজার পুলিশ ও 👨‍🏫 ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

আইন-শৃঙ্খলা ও শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে ২০ হাজার পুলিশ এবং ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক ও পুলিশ কর্মীর ঘাটতি নিয়ে যে অভিযোগ ছিল, এই সিদ্ধান্ত তা অনেকটাই দূর করতে পারে।

💵 ৪. বয়স্ক, বিধবা ও বিশেষভাবে সক্ষমদের ভাতা ৫০০ টাকা বৃদ্ধি

সমাজের প্রান্তিক ও অসহায় মানুষদের কথা মাথায় রেখে তাঁদের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির বাজারে এই অতিরিক্ত অর্থ তাঁদের জীবনে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে আসবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

🚔 ৫. সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশসহ অন্যান্য কর্মীদের পারিশ্রমিক ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি

রাজ্যের বিভিন্ন অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্যও বড় ঘোষণা করা হয়েছে। সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশসহ অন্যান্য কর্মীদের মাসিক পারিশ্রমিক ২ হাজার টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা তাঁদের দীর্ঘদিনের দাবির আংশিক বাস্তবায়ন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

🍚 ৬. অন্নপূর্ণা প্রকল্পে ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্নপূর্ণা প্রকল্পে ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এর ফলে আরও বেশি গরিব ও নিম্নবিত্ত পরিবার খাদ্য সহায়তার সুবিধা পাবে এবং কেউ যেন অভুক্ত না থাকে তা নিশ্চিত করা যাবে।

🏛️ ৭. বিধায়ক তহবিল ৭০ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি টাকা

স্থানীয় উন্নয়নের গতি বাড়াতে প্রতিটি বিধায়কের উন্নয়ন তহবিল ৭০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি টাকা করা হয়েছে। এর ফলে রাস্তা, আলো, পানীয় জলসহ বিভিন্ন স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজ আরও দ্রুত বাস্তবায়িত হতে পারে।

👩‍⚕️ ৮. অঙ্গনওয়াড়ি ও আশাকর্মীদের মাসিক ৫ হাজার টাকা বেতন বৃদ্ধি

গ্রাম ও শহরের স্বাস্থ্যব্যবস্থার অন্যতম ভরসা অঙ্গনওয়াড়ি ও আশাকর্মীদের জন্য মাসিক ৫ হাজার টাকা বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও দাবির পর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকেই।

🚇 ৯. দুর্গাপুর, আসানসোল ও শিলিগুড়িতে মেট্রো, মালদহে বিমানবন্দর

যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক করতে একাধিক বড় প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। দুর্গাপুর, আসানসোল ও শিলিগুড়িতে মেট্রো পরিষেবা চালুর পরিকল্পনার পাশাপাশি মালদহে নতুন বিমানবন্দর গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছে। এর ফলে শিল্প, পর্যটন ও ব্যবসার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

🌉 ১০. ১২টি নতুন ভারতমালা সেতু, মুর্শিদাবাদে ৪ লেনের সেতু, উত্তরবঙ্গে আইটি হাব ও এআইএমএস

অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে এটি অন্যতম বড় ঘোষণা। ১২টি নতুন ভারতমালা সেতু, মুর্শিদাবাদে ৪ লেনের সেতু, উত্তরবঙ্গে আইটি হাব এবং এআইএমএস প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

📢 চাকরি, ডিএ, ভাতা বৃদ্ধি নাকি উন্নয়ন—আপনার মতে বাজেটের সবচেয়ে বড় ঘোষণা কোনটি?

💬 কমেন্টে আপনার মতামত জানান এবং পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিন।

#বঙ্গবাজেট২০২৬ #চাকরি #শিক্ষকনিয়োগ #পুলিশনিয়োগ #মহিলাসংরক্ষণ #অন্নপূর্ণা #সিভিকভলান্টিয়ার #আশাকর্মী #মেট্রো #উন্নয়ন #বাংলারখবর

21/06/2026

Bolo

জয় শ্রী রাম 🚩🚩
20/06/2026

জয় শ্রী রাম 🚩🚩

20/06/2026

আমার খুব কষ্ট হচ্ছে 😌😌

Good morning
20/06/2026

Good morning

Address

Habra
Kolkata
743272

Telephone

+918472028548

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when juri dutta posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to juri dutta:

Share

Category