Gaming Titan

Gaming Titan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Gaming Titan, KOLKATA.

আজকের জন্য সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা (NIFTY ভিত্তিক)এই ডাটাগুলো একসাথে মিলিয়ে আমার পড়া:NIFTY কয়েকদিন ধরেই ২৫,৮০০ এর আশেপাশ...
19/12/2025

আজকের জন্য সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা (NIFTY ভিত্তিক)

এই ডাটাগুলো একসাথে মিলিয়ে আমার পড়া:

NIFTY কয়েকদিন ধরেই ২৫,৮০০ এর আশেপাশে sideways ঘুরছে, VIX অনেক নিচে – এখন বাজার cool-off / time-correction phase এ।

FII–DII cash buying + স্টক ফিউচারে FII লং + index put-এ big players-এর short দেখে মনে হচ্ছে,
👉 কালকের জন্য bias হালকা পজিটিভ / dip এ buy-on-dip type
👉 খুব বড় crash-এর সম্ভাবনা ডাটায় এখনই নেই, বরং ধীরে ধীরে উপরের দিকে সরে যাওয়া বা range-bound হওয়ার chance বেশি।

NIFTY-এর জরুরি zone (approx):

নিচের গুরুত্বপূর্ণ support zone:
👉 ২৫,৭২০ – ২৫,৬৫০
এই জোনের আশেপাশে নামলে DII + FII stock futures লং এর জন্য dip buying আসার সম্ভাবনা ভাল।

উপরের গুরুত্বপূর্ণ resistance zone:
👉 ২৫,৯৫০ – ২৬,০৫০
এ জোনের ওপরে যদি পরিষ্কারভাবে গিয়ে ধরে রাখতে পারে, তবে পরের দিকে ২৬,১০০–২৬,২০০ পর্যন্ত একটা আপ-মুভ এক্সটেনশন দেখা যেতে পারে।

Base Case View (আগামীকাল)

Opening হওয়ার সম্ভাবনা: ফ্ল্যাট থেকে হালকা gap–up / gap–down, কিন্তু panic tone নয়।

দিনের মধ্যে যদি NIFTY ২৫,৭২০–২৫,৬৫০ রেঞ্জে ডিপ দেয়,
👉 সেখান থেকে একবার bounce করার সম্ভাবনা বেশি।

Closing-এর ক্ষেত্রে, আমার base case
👉 ২৫,৮৫০–২৬,০০০ জোনের ভেতরে sideways to slightly up টাইপ দিন হওয়ার chance বেশি।

ট্রেডিং প্ল্যানের দৃষ্টিকোণ থেকে

Aggressive short carry করা এখন খুব safe দেখাচ্ছে না, কারণ

স্টক ফিউচারে FII–Pro ভালো লং,

index put-এ ওরা net short – নিচে বড় fall এরা এখনও প্রাইসিং করছে না।

Buy-on-dip টাইপ প্ল্যান করা যেতে পারে –

Support zone এর কাছে লং নিলে

২৫,৬৫০-এর নিচে clean break হলে কড়া stoploss মেনে বেরিয়ে আসা ভালো।

Option Traders-এর জন্য:

খুব directional naked call/put কিনে বড় move ধরার চেয়ে,

ছোট রেঞ্জ ধরে credit spread / iron condor / put spread টাইপ range-based strategy (proper hedge দিয়ে) বেশি logical,
কারণ ডাটা বলছে – বড় trend না, বরং কম ভোলাটিলিটিতে ধীরে চলা বাজারের probability এখন বেশি।

সবশেষে, এগুলো পুরোপুরি ডাটা আর probability–র উপর ভিত্তি করে ধারণা, কোনও নিশ্চয়তা বা সুপারিশ (buy/sell call) না।
আগামীকাল প্রি–ওপেন, global market আর প্রথম ১৫–৩০ মিনিটের প্রাইস অ্যাকশন দেখে intraday প্ল্যান ফাইনাল করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ভারতের জনপ্রিয় কুইক কমার্স স্টার্ট-আপ জেপ্টো (Zepto) এবার শেয়ার বাজারে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করার জন্য চূড়ান্ত তোড়জোড় শুর...
18/12/2025

ভারতের জনপ্রিয় কুইক কমার্স স্টার্ট-আপ জেপ্টো (Zepto) এবার শেয়ার বাজারে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করার জন্য চূড়ান্ত তোড়জোড় শুরু করেছে。 আগামী ৭-৮ দিনের মধ্যেই তারা আইপিও (IPO) আনার প্রাথমিক খসড়া পত্র বা ড্রাফট পেপার জমা দিতে পারে。 কোম্পানিটি ৫০০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকার বেশি মূলধনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি গোপনীয় বা কনফিডেনশিয়াল রুটে করার পরিকল্পনা রয়েছে。 আইপিও-র আগে জেপ্টো ইতিমধ্যেই নিজেকে প্রাইভেট থেকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত করেছে এবং নাম বদলে হয়েছে 'জেপ্টো লিমিটেড'。

গত কয়েক মাস ধরে জেপ্টো একের পর এক বিশাল অঙ্কের ফান্ড সংগ্রহ করেছে。 গত বছর জুন থেকে নভেম্বর মাসের মধ্যেই তারা কয়েক দফায় প্রায় ১.৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ পেয়েছে。 চলতি বছরের অক্টোবরেও তারা ৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যায়নে আরও ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের ফান্ড সংগ্রহ করেছে。 অনেকে ভাবছেন যে, কুইক কমার্স সেক্টরে প্রতিযোগিতা যেভাবে বাড়ছে, তাতে এই আইপিও থেকে আসা টাকা জেপ্টোকে তাদের ব্যবসার পরিধি বাড়াতে এবং পরিকাঠামো আরও উন্নত করতে বড়সড় সুবিধা দেবে。

জেপ্টো-র এই আইপিও-র দায়িত্বে রয়েছে এক্সিস ব্যাংক, মতিলাল ওসওয়াল এবং মরগান স্ট্যানলির মতো নামী সংস্থাগুলো。 নতুন শেয়ার ছাড়ার পাশাপাশি এই আইপিও-তে পুরোনো বিনিয়োগকারীরাও তাঁদের কিছু শেয়ার বিক্রি করতে পারেন。 কুইক কমার্স বা ১০ মিনিটে ডেলিভারির বাজারে জেপ্টো যেভাবে নিজেদের জায়গা মজবুত করেছে, তাতে শেয়ার বাজারে তাদের পা রাখা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখন থেকেই ব্যাপক কৌতূহল দেখা যাচ্ছে。

18/12/2025

দেশের ৮০ ট্রিলিয়ন টাকার মিউচুয়াল ফান্ড শিল্পে বড় ধরনের সংস্কারের ঘোষণা দিল বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবি (Sebi)। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগের প্রক্রিয়া আরও সহজ এবং স্বচ্ছ করতে একগুচ্ছ নতুন নিয়ম নিয়ে আসা হয়েছে। সেবি চেয়ারম্যান তুহিন কান্ত পাণ্ডে (Tuhin Kanta Pandey) জানিয়েছেন, ভারত এখন একটি পরিপক্ক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তাই ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য পূরণ করতে সব ধরনের বিনিয়োগকারীকে উৎসাহিত করা প্রয়োজন। নতুন এই সংস্কারের ফলে আগামী ১ এপ্রিল থেকে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের খরচের কাঠামো পুরোপুরি বদলে যাবে।

নতুন নিয়মে ‘বেস এক্সপেন্স রেশিও’ (BER) নামে একটি সহজ হিসাব চালু করা হচ্ছে। এতদিন বিনিয়োগকারীদের থেকে যে টোটাল এক্সপেন্স রেশিও (TER) নেওয়া হতো, তার মধ্যে ব্রোকারেজ বা সিকিউরিটিজ ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স (STT) সব মিশে থাকত। এখন থেকে সেবি ভাবছে, এই সব বাড়তি কর এবং লেভিগুলো আলাদাভাবে দেখাতে হবে, যাতে বিনিয়োগকারীরা বুঝতে পারেন তাঁদের টাকা ঠিক কোথায় খরচ হচ্ছে। ইক্যুইটি স্কিমগুলোর ক্ষেত্রে তহবিলের আকার অনুযায়ী এই খরচের সীমা ২.১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৯৫ শতাংশ পর্যন্ত নামিয়ে আনা হয়েছে। অনেকে ভাবছেন, এই পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘমেয়াদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের লাভের পরিমাণ অনেকটাই বাড়বে।

শুধু মিউচুয়াল ফান্ড নয়, শেয়ার কেনাবেচার ব্রোকারেজ খরচেও কাঁচি চালিয়েছে সেবি। ক্যাশ মার্কেটে ব্রোকারেজ চার্জ ৮.৫৯ বেসিস পয়েন্ট থেকে কমিয়ে ৬ বেসিস পয়েন্ট এবং ডেরিভেটিভস-এর ক্ষেত্রে ৩.৮৯ থেকে কমিয়ে ২ বেসিস পয়েন্ট করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আইপিও (IPO) বাজারে খুচরো বিনিয়োগকারীদের জন্য তথ্য আরও সহজভাবে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি ঋণের বাজারে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিশেষ ইনসেনটিভ বা উৎসাহ দেওয়ার কথাও ভাবছে সেবি। বড় বড় ঋণ তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলোর থ্রেশহোল্ড ১,০০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫,০০০ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা বাজারের গভীরতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

18/12/2025

ভারতের পণ্য রপ্তানির বাজারে এক অভাবনীয় চমক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চলতি ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে নভেম্বর মাসের মধ্যে চিনের বাজারে ভারতীয় পণ্যের রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩৩ শতাংশ বেড়ে ১২.২২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। গত নভেম্বর মাসেই চিনে ভারতের রপ্তানির পরিমাণ অভাবনীয়ভাবে ৯০ শতাংশ বেড়ে ২.২ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে। অনেকে মনে করছেন যে, আমেরিকান বাজারের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমিয়ে চিনের ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে কাজে লাগানোই ভারতের এই সাফল্যের নেপথ্যে বড় কারণ।

এই রপ্তানি বাড়ার পেছনে সবথেকে বড় ভূমিকা রেখেছে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, যার রপ্তানি গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে ০.৮৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ক্ষেত্রেও প্রায় ১৫৯ শতাংশের এক বিশাল বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। সামুদ্রিক খাবারের চাহিদাও চিনের বাজারে প্রায় ১৯ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া তেলবীজ, কয়লা এবং অভ্রের মতো পণ্যের রপ্তানিও এই বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান রেখেছে। বর্তমানে চিন ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সম্পর্কের দিকে নজর দিলে মনে করা হচ্ছে যে, আমেরিকা ও চিনের মধ্যে চলা বাণিজ্যিক টানাপড়েনের কারণে চিন এখন আমেরিকান বাজারের বিকল্প খুঁজতে শুরু করেছে। ২০১৭ সাল থেকেই চিনের রপ্তানি বাজারে আমেরিকার অংশীদারিত্ব ১৯ শতাংশ থেকে কমে ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। এই বদলে যাওয়া পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ভারত এখন বড় মাপের রপ্তানিকারক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে। এই বাণিজ্যিক গতি আগামী দিনগুলোতে ভারতের অর্থনীতিকে আরও মজবুত করবে বলেই অনেকে ভাবছেন।

আমেরিকায় বেড়ে চলা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নিয়ে জনগণের রাগ-ক্ষোভ বাড়ছিল বহুদিন ধরেই। বিশেষ করে খাবারের দাম যেভাবে বাড়...
16/11/2025

আমেরিকায় বেড়ে চলা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নিয়ে জনগণের রাগ-ক্ষোভ বাড়ছিল বহুদিন ধরেই। বিশেষ করে খাবারের দাম যেভাবে বাড়ছিল, তা নিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরাও দুশ্চিন্তায় ছিলেন। অবশেষে, মার্কিন প্রশাসন জানাল—খাদ্যের দাম কমাতে তারা বেশ কিছু আমদানি পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক শিথিল বা সম্পূর্ণ মওকুফ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এই সিদ্ধান্ত শুধু অর্থনীতি নয়, রাজনীতির ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে জিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল– দাম কমানোই তাদের প্রথম লক্ষ্য। সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এবার নীতিগত সিদ্ধান্তে দেখা যাচ্ছে।

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিও জানিয়েছেন—খাদ্য ও অন্যান্য এমন সব জিনিস, যা যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে উৎপাদিত হয় না, সেগুলোর ওপর আরোপিত শুল্ক তুলে নিতে প্রস্তুত হোয়াইট হাউজ। যেমন কফি, কোকো, কিছু ফলমূল, ও অন্য বেশ কিছু কৃষিজ পণ্য। এতে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং সরাসরি প্রভাব পড়বে ভোক্তাদের খরচে।

গত কয়েক বছরে আমদানি শুল্ক বাড়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে খাদ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। প্রশাসনের দাবি—এভাবে দাম নিয়ন্ত্রণে আনা গেলে সাধারণ মানুষের আর্থিক চাপ কমবে এবং বাজার কিছুটা স্বস্তির মুখ দেখবে।

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই পদক্ষেপের রাজনৈতিক গুরুত্বও অনেক। কারণ খাদ্যের দামই বর্তমানে আমেরিকান পরিবারের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষদের ওপর এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি।

এদিকে কৃষিপণ্য আমদানিকারক ব্যবসায়ীরাও সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, শুল্ক মওকুফ হলে আমদানি খরচ কমবে, ফলে বাজারে খাদ্যসামগ্রীর দাম দ্রুত কমে আসবে।

সারসংক্ষেপে, খাদ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের এই উদ্যোগ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি আনতে পারে। একইসঙ্গে এটা প্রমাণ করছে—বাজারের সংকট সমাধানে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ কতটা জরুরি।

ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক (RBI) আজ এমন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, যেখান থেকে তারা দেশের আর্থিক স্থিতি, মুদ্রানীতি আর বিভিন্ন পাব...
16/11/2025

ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক (RBI) আজ এমন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, যেখান থেকে তারা দেশের আর্থিক স্থিতি, মুদ্রানীতি আর বিভিন্ন পাবলিক পলিসি ম্যান্ডেট খুব সহজে বাস্তবায়ন করতে পারবে—এমনটাই জানালেন RBI–র ডেপুটি গভর্নর শ্রীশ চন্দ্র মূর্মু।

তিনি বললেন, বছরের পর বছর ধরে RBI যে হিসাবনীতি আর রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মেনে এসেছে, সেটা এখন দেশের অর্থনীতিকে বড় ধাক্কা সামলাতে দারুণভাবে সাহায্য করছে। বিশেষ করে কোভিডের সময়, বৈশ্বিক অস্থিরতা, আর টাইট মনিটারি পলিসির সময়ও RBI তার ব্যালেন্স শিট শক্ত রেখেছে—এটা দেশের জন্য বড় আশ্বাস।

মূর্মুর কথায়, RBI–র মূল শক্তি এসেছে তাদের বিভিন্ন রিজার্ভ—যেমন কনটিনজেন্সি ফান্ড, অ্যাসেট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড, আর কারেন্সি-গোল্ড রিভ্যালুয়েশন অ্যাকাউন্ট—থেকে। এগুলো মিলে RBI–কে এমন একটা জায়গায় দাঁড় করিয়েছে, যেখান থেকে বাজারের ওঠানামা, বৈদেশিক মুদ্রা রেটের পরিবর্তন, বা বৈশ্বিক ঝুঁকি—সব সামলে নেওয়া অনেক সহজ হয়।

তিনি আরও জানান, RBI–র ফরেন রিজার্ভ ম্যানেজমেন্ট এখন এতটাই শক্তিশালী হয়েছে যে, দেশের প্রয়োজন অনুসারে বাজারে হস্তক্ষেপ করা কিংবা বসে থাকা—দুটোই RBI খুবই সুচারুভাবে করতে পারে। তাদের হিসাবনীতি নিশ্চিত করে যে রিজার্ভ ইকুইটি আর রিভ্যালুয়েশন রিজার্ভ সবসময় সঠিকভাবে ম্যানেজড হচ্ছে।

মূর্মু বলেন, এখনকার গ্লোবাল ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমে নানা চ্যালেঞ্জ বাড়ছে—বিশেষ করে ডিজিটাল কারেন্সি, ক্রিপ্টো, আর দ্রুত পরিবর্তনশীল ব্যাংকিং ট্রেন্ড। এসব সামলাতে RBI–র ধারাবাহিক গবেষণা আর উন্নত ঝুঁকি মূল্যায়ন নীতি ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ হবে।

তিনি এটাও বলেন যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে RBI–কে শুধু দেশের আর্থিক ব্যবস্থা নয়, বরং জনগণের আচরণ, ডিজিটাল ফিন্যান্সের ঝুঁকি, ব্যাঙ্কিংয়ের আন্তর্জাতিক ট্রেন্ড—সবকিছু নজর রেখে নীতি নির্ধারণ করতে হয়। আর সেই সব ক্ষেত্রেই RBI এখন “ফর্মিডেবল”—অর্থাৎ অত্যন্ত শক্তিশালী—অবস্থান তৈরি করে ফেলেছে।

সব মিলিয়ে, ভারতের আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় RBI–র প্রস্তুতি এখন অনেক গভীর, অনেক সুসংহত, আর ভবিষ্যতের জন্যও যথেষ্ট শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে।

ভারতের শেয়ারবাজারে দেশীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা (DII) এখন এক নতুন মাইলস্টোন ছুঁয়েছে। NSE-তালিকাভুক্ত কোম্পানিগু...
07/11/2025

ভারতের শেয়ারবাজারে দেশীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা (DII) এখন এক নতুন মাইলস্টোন ছুঁয়েছে। NSE-তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলিতে DII-দের মালিকানা বেড়ে ১৮.২৭%-এ পৌঁছেছে — যা এই পর্যন্ত রেকর্ড সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (FPI) মালিকানা কমে ১৬.৭১%-এ নেমে এসেছে, যা প্রায় তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে নিচু স্তরে।

এই পরিবর্তনটা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাই ভারতীয় বাজারে প্রভাব বিস্তার করত, কিন্তু এখন দেশীয় ফান্ড, মিউচুয়াল ফান্ড, ইনস্যুরেন্স কোম্পানি, ব্যাংক এবং পেনশন ফান্ডের অংশগ্রহণই শেয়ারবাজারে নতুন দিশা দেখাচ্ছে। Prime Database-এর তথ্য বলছে, মার্চ ২০২৩ থেকে DII-দের মালিকানা FPIs-দের ছাড়িয়ে গেছে এবং এই ব্যবধান ক্রমশ বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, FPIs-রা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারতের বাজার থেকে ₹৭,৬৬৯ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে, যেখানে DII-রা সেই সুযোগে বিপরীতে প্রায় ₹২.৬১ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। অর্থাৎ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপ দেশীয় সংস্থাগুলোর হাত ধরে সামলে নিচ্ছে ভারতীয় বাজার।

এছাড়া, খুচরা বিনিয়োগকারীদের (Retail Investors) অংশও সামান্য কমে ৭.৪৩% হয়েছে, আর উচ্চ নেটমূল্যের বিনিয়োগকারীদের (HNIs) অংশ বেড়ে ২.০৯% হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এটা ভারতের পুঁজিবাজারের জন্য এক ইতিবাচক পরিবর্তন। একসময় বিদেশি মূলধনের ওপর নির্ভরশীল বাজার এখন নিজের ঘরোয়া শক্তিতে স্থিতিশীলতা পাচ্ছে। DII-দের এই শক্তিশালী উপস্থিতি ভবিষ্যতে ভারতের ইকুইটি মার্কেটকে আরও দৃঢ় করে তুলবে, বিশেষত যখন বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও বিদেশি ফান্ডের ওঠানামা চলছে।

কালকের বাজার আপডেট (Thu, 06 Nov 2025) — এই ভিউ নেকেড অপসন বায়ারদের জন্য নয়।কালকের NIFTY 25,509 এ ক্লোজ করেছে (-0.3%) আর ...
07/11/2025

কালকের বাজার আপডেট (Thu, 06 Nov 2025) — এই ভিউ নেকেড অপসন বায়ারদের জন্য নয়।

কালকের NIFTY 25,509 এ ক্লোজ করেছে (-0.3%) আর SENSEXও কিছুটা নিচে। INDIA VIX 12.4-এ নেমে এসেছে, মানে ভয়/ভোলাটিলিটি কম—বাজার এখন রেঞ্জেই খেলতে চাইছে।

ফান্ড ফ্লো দেখলে—FII কেশ মার্কেটে প্রায় ₹3,263 কোটি সেল করেছে, কিন্তু DII শক্ত করে প্রায় ₹5,284 কোটি বাই দিয়েছে; তাই ডিপে লিকুইডিটি সাপোর্ট আছে।
FII Index Futures-এ শর্ট অ্যাড হয়েছে এবং Index Options-এ বড় প্রিমিয়াম সেল দেখা গেছে—এটা সাধারণত রেঞ্জ/ডাউনসাইডের ইঙ্গিত দেয়। পার্টিসিপ্যান্ট ডেটাতেও ক্লায়েন্ট/ডিআইআই দিক থেকে লং বাড়লেও FII দিক থেকে শর্টস আগায়েছে।
অপশনস ছবিটা কী বলছে? আজ সারাদিনে মোটামুটি প্রিমিয়াম রাইটিং-টাই ডমিন্যান্ট—বিশেষ করে কল-সাইডে। সাপ্তাহিক চেইনে (11 Nov এক্সপায়ারি) ওপরে 25,800–26,000 CE-তে ভারি OI আর নিচে 25,200–25,400 PE-তে ভালো সাপোর্ট গড়া—PCR ~0.9 এর আশেপাশে; এটাকে “নিউট্রাল-টু-মাইল্ড বিয়ারিশ” ধরা যায়। VIX কম থাকায় ভোল সেলাররাই কমান্ডে।

আজকের সম্ভাব্য দিক 👇
• বেস কেস: সাইডওয়ে-টু-মাইল্ড ডাউন। 25,350–25,800 এর মধ্যে দোলাচল হওয়ার চান্স বেশি।
• ব্রেকডাউন হলে 25,350 ভাঙলে 25,200/25,120 দেখতে পারি।
• ব্রেকআউট হলে 25,800 ধরে রাখতে পারলে 25,950/26,050 পর্যন্ত র্যালি সম্ভব।
ট্রেডিং ভাবনা (শুধু শিক্ষামূলক)
• Sell-on-rise: 25,750–25,800 এর ঘরে কল-সাইড রাইটিং/বেয়ার-কল-স্প্রেড ভাবা যায়; স্টপ লস 25,880-এর ওপরে।
• Buy-on-dip: 25,350–25,400 কাছে কনফার্মেশন থাকলে ছোট SL-এ দ্রুত স্ক্যাল্প।
• রেঞ্জ খেললে 25,400–26,000 এর “আইরন কনডর” কাজ দিতে পারে; VIX কম তাই ক্রেডিট স্ট্র্যাটেজি সুবিধাজনক।
খেয়াল রাখুন
ডাটা বলছে FII এখনও ডিরিভেটিভে ডিফেন্সিভ/শর্ট-বায়াসড, কিন্তু DII কেশ বাই বাজারকে বারবার বাঁচাচ্ছে। তাই “গ্যাপ-আপে প্রফিট বুক” আর “ডিপে সিলেক্টিভ বাই”—দুই-ই লাগতে পারে। ডিসিপ্লিন ছাড়া ট্রেড নেবেন না।

07/11/2025

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে নতুন এক রিপোর্টে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য। PRS Legislative Research-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, ২০২৪ অর্থবছরে রাজ্যগুলির মোট রাজস্ব আয়ের প্রায় ৬২% অংশ ব্যয় হচ্ছে নির্ধারিত বা কমিটেড খরচে — অর্থাৎ বেতন, পেনশন, সুদ ও ভর্তুকি বাবদ খরচে। এই নির্দিষ্ট ব্যয়ের বৃদ্ধি রাজ্যগুলির উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দের সক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে হিমাচল প্রদেশ, যেখানে রাজ্যের ৮৩% রাজস্ব ব্যয় হচ্ছে এই ধরনের কমিটেড খাতে। এরপরই রয়েছে পাঞ্জাব (৭৪%), কেরালা (৬৯%) ও নাগাল্যান্ড (৬৮%)। তুলনামূলকভাবে হরিয়ানা ও কর্ণাটকের মতো রাজ্যগুলিরও এই ব্যয় ৫৭% থেকে ৫৮% এর মধ্যে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজ্যগুলির রাজস্ব আয়ের একটি বড় অংশ নির্দিষ্ট খাতে চলে যাওয়ায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো বা কর্মসংস্থানমুখী উন্নয়ন প্রকল্পে তহবিল বরাদ্দের সুযোগ সীমিত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণও সম্প্রতি বলেছেন, “রাজ্যগুলির আর্থিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য তাদের আয় এবং ব্যয়ের মধ্যে স্থিতিশীল সমন্বয় আনা এখন অত্যন্ত প্রয়োজন।”
এছাড়াও, ১৫তম অর্থ কমিশনের অনুদান কমে যাওয়া এবং কর ভাগাভাগির কাঠামো পরিবর্তন হওয়ার কারণে রাজ্যগুলির আর্থিক চাপ আরও বেড়েছে। উচ্চ আয়ের রাজ্যগুলি তুলনামূলকভাবে বেশি রাজস্ব পায়, কিন্তু কম আয়ের রাজ্যগুলি এখন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে পিছিয়ে পড়ছে।
সব মিলিয়ে, রিপোর্টে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, যদি রাজ্যগুলির এই ব্যয়ের ধারা কমানো না যায়, তবে আগামী কয়েক বছরে তাদের আর্থিক স্বাধীনতা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

06/11/2025

অক্টোবরে দেশের মিউচুয়াল ফান্ড সংস্থাগুলির ইক্যুইটি মার্কেটে বিনিয়োগ ছয় মাসের মধ্যে সবচেয়ে নিচে নেমে এসেছে। অক্টোবর মাসে মিউচুয়াল ফান্ডগুলির নেট ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্ট দাঁড়িয়েছে মাত্র ₹১৭,৭৭৮ কোটি টাকায়, যেখানে সেপ্টেম্বর মাসে এই অঙ্ক ছিল ₹৪৬,৪৪২ কোটি এবং আগস্টে প্রায় ₹৭০,৫৩৪ কোটি। এই তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতের বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা SEBI।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের পেছনে মূল কারণ হলো বিনিয়োগকারীদের প্রফিট বুকিং এবং বাজারে বাড়তি ভ্যালুয়েশনের চাপ। অনেক ফান্ড ম্যানেজার এখন অপেক্ষার মুডে রয়েছেন, কারণ কোম্পানিগুলির আর্নিংস সিজন চলছে এবং তারা নতুন বিনিয়োগের আগে ফলাফলগুলো বিচার করতে চাইছেন।
ইক্যুইটি মার্কেটে দাম বেশ কিছুদিন ধরেই উচ্চস্তরে, ফলে বিনিয়োগকারীরা লাভ তুলছেন এবং নতুনভাবে বড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করতে সতর্কতা অবলম্বন করছেন। অনেক ফান্ড বর্তমানে তাদের ক্যাশ পজিশন ধরে রাখছে এবং হাইব্রিড স্কিমগুলির ইক্যুইটি এক্সপোজারও কিছুটা কমিয়েছে।
ইকোনমিক্স রিসার্চের প্রধান জি. চোক্কালিঙ্গম জানিয়েছেন, “বর্তমানে মিউচুয়াল ফান্ডের নতুন বিনিয়োগ কমার কারণ হলো উচ্চ ভ্যালুয়েশন আর প্রফিট বুকিংয়ের ধারা। বিনিয়োগকারীরা ভবিষ্যতের জন্য ফান্ড জমিয়ে রাখছেন।”
সব মিলিয়ে, অক্টোবর মাসে ইক্যুইটি ফান্ডের ক্রয় কমলেও, এটি স্বাভাবিক বাজার চক্রেরই অংশ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বছরের শেষে কোম্পানির আর্নিং রিপোর্ট ও বাজারে নতুন ট্রিগার আসার পর আবার বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়তে পারে বলেও আশা করা হচ্ছে।

Today weakly expiry 😊
06/11/2025

Today weakly expiry 😊

19/01/2025

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gaming Titan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share