21/12/2025
🌿 আরাবল্লী পর্বত বাঁচাও আন্দোলন: গোটা ঘটনার বিবরণ 🌿
আরাবল্লী পর্বতমালা পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন পর্বতশ্রেণি।
রাজস্থান, হরিয়ানা, দিল্লি ও গুজরাট জুড়ে বিস্তৃত এই পাহাড় শুধু প্রকৃতি নয়—এটা কোটি মানুষের জল, জলবায়ু ও জীবনের রক্ষাকবচ।
কিন্তু বহু বছর ধরেই আরাবল্লী অঞ্চল অবৈধ খনন, পাথর ভাঙা, বন উজাড় ও বাণিজ্যিক নির্মাণের চাপে ধ্বংসের পথে।
এই প্রেক্ষাপটে বিষয়টি একাধিকবার সুপ্রিম কোর্টে যায়।
⚖️ সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা কী ছিল?
🔹 অতীতে সুপ্রিম কোর্ট আরাবল্লী অঞ্চলে
✔️ অবৈধ খনন বন্ধের নির্দেশ দেয়
✔️ পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয়
✔️ পাহাড় ও বনাঞ্চল ধ্বংসে কড়া মন্তব্য করে
🔹 কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আদালত সরকার নির্ধারিত “আরাবল্লীর নতুন সংজ্ঞা” মেনে নিয়েছে।
➡️ এই নতুন সংজ্ঞা অনুযায়ী,
শুধু নির্দিষ্ট উচ্চতার (উঁচু) পাহাড়কেই আরাবল্লী হিসেবে গণ্য করা হবে।
এর ফলে বহু ছোট পাহাড়, টিলা ও প্রাকৃতিক উঁচু ভূমি আইনি সুরক্ষার বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
⚠️ এতেই কেন শুরু হলো আন্দোলন?
পরিবেশবিদ ও নাগরিক সংগঠনগুলোর বক্তব্য—
❌ প্রকৃতি শুধু উচ্চতা দিয়ে বিচার করা যায় না
❌ ছোট পাহাড়ও জল ধরে রাখে, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে
❌ এই সংজ্ঞা মানলে বহু এলাকা খনন ও নির্মাণের জন্য খুলে যাবে
ফলে আশঙ্কা—
মরুকরণ আরও বাড়বে
ভূগর্ভস্থ জল আরও নেমে যাবে
দিল্লি-এনসিআর ও রাজস্থানে তাপপ্রবাহ বাড়বে
জীববৈচিত্র্য চিরতরে নষ্ট হবে
এই আশঙ্কা থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয়
✊ “আরাবল্লী বাঁচাও আন্দোলন”।
📣 আন্দোলনের মূল দাবি কী?
✔️ আরাবল্লীর পুরনো পরিবেশগত সংজ্ঞা বজায় রাখা
✔️ সব ধরনের অবৈধ খনন বন্ধ
✔️ পাহাড় ও বনাঞ্চলকে পূর্ণ আইনি সুরক্ষা
✔️ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা
এই আন্দোলন কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়—
এটা প্রকৃতির পক্ষে দাঁড়ানোর লড়াই।