Agog

Agog Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Agog, Digital creator, KOLKATA.

হিন্দু কর্তৃক মুসলিম মেয়ে ধর্ষণআশা মনির বয়স ১৩। কিন্তু তাকে ধ/র্ষ/ণের ইস্যুতে ব্যাখ্যা আসল আশা মনির সাথে ওই লোকের প্রেম...
18/10/2025

হিন্দু কর্তৃক মুসলিম মেয়ে ধর্ষণ

আশা মনির বয়স ১৩। কিন্তু তাকে ধ/র্ষ/ণের ইস্যুতে ব্যাখ্যা আসল আশা মনির সাথে ওই লোকের প্রেম ছিল। যেনো প্রেম থাকলে এট্টুক একটা নাবালিকা কিশোরীকে তিনজন মিলে ধ/র্ষ/ণ বৈধ। আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম।

আশা মনি শুধু ভিকারুননিসা নুন স্কুলের কোনো শিক্ষার্থী হইতো তাইলে আর ভিকটিম ব্লেমিং এর স্বীকার হতে হতো না। কিংবা আশা মনির গায়ে বোরকা না থাকলে সব মানবাধিকার কর্মীদের দরদ উথলায় আসতো। বড় বড় হেডলাইন হইতো। এখানে আশা মনির ভুল ছিল বোরকা পরা।

তারা শুধুমাত্র গায়ে বোরকা নিকাব দেখে তেরো বছর(!) বয়সী একটা মেয়ের কনসেনচুয়াল সে/ক্সে/র বৈধতা দিতে চায়। অথচ ষোলো বছরের নিচে কোনো শিশুর কনসেন্ট তৈরি করে‌ কোনো ডিসিশানের ভারডিক্ট নিবার কথা না। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে স্পষ্ট বলা আছে, ষোলো বছরের নিচে কোনো শিশুর সাথে কনসেন্ট অর উইদাউট কনসেন্টে সেক্স করলে তা ধ/র্ষ/ণ বলে গণ্য হবে।

অবাক বিষয় হল যারা নিজেদের প্রগতিশীল বলে দাবি করে, বামদের পেইজ মজদুর থেকেও একই বয়ান প্রচার করা হইলো। তারা আশা মনির ঘটনাকে ধর্ষণ বলে গণ্য করতে চায় না। ঠিক এরাই আবার দুইদিন পরপর নারীদের অধিকার মারায়। মশাল মিছিল করে।

~আহনাফ তাহমিদ

ঘটনা-০১: "গাজীপুরে এক মসজিদের ইমাম আট বছর বয়সী হিন্দু  শিশুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। পরবর্তীতে শিশুকে এলাকাবাসী মসজিদের...
02/10/2025

ঘটনা-০১: "গাজীপুরে এক মসজিদের ইমাম আট বছর বয়সী হিন্দু শিশুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। পরবর্তীতে শিশুকে এলাকাবাসী মসজিদের পাশে এক ডোবায় উদ্ধার করে। পুলিশ ইমামকে গ্রেফতার করেছে।"

না ঘটনা এমন কিছু হয়নি। এই চার লাইন পড়ে ঠিক যতজন ধর্ষণ আর মোল্লাদের এক হাত করবে। তেমনি নিচের ঘটনা পড়ে কেউ তেমন রিয়েকশন দিবেনা। মোল্লাদের বিরুদ্ধে দুই লাইন লিখলে যত বেশি প্রগতিশীল এস্থেটিক হওয়া যায়, পুরোহিত নিয়ে লিখলে ততখানি হওয়া যায় না।

ঘটনা-০২: "গাজীপুরে পূজা মন্ডপের সভাপতি ভজেন্দ্র সরকার পাশে খেলতে থাকা আট বছরের মুসলিম শিশুকে কৌশলে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ওই শিশুকে পাশেই মুখ বাঁধা অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে"

উপরের ঘটনা টা গতকালকেই ঘটল। কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ দেখছেন? কোনো প্রতিবাদ?

আমাদের স্থান কাল পাত্র ভেদে ধর্ষণের প্রতিবাদের ইনটেনসিটি কমতে থাকে। আর নিজেদের স্রেফ ভন্ডামি মানুষের সামনে খশে পরে। আর কিছুই না। বাম থেকে শুরু করে নারীবাদী সুশীল সামজ কাউকে এই ঘটনা নিয়ে তেমন কোনো হইচই করতে দেখবেন না।

পলায়নজীবী।
01/10/2025

পলায়নজীবী।

30/09/2025

খাগড়াছড়ির ঘটনায় মেডিকেল পরীক্ষায় মেলেনি ধর্ষণের আলামত; ক্ষতিগ্রস্তদের মামলার প্রস্তুতি

29/09/2025

শুধু শুনেন,
পাহাড়ে যদি আপনি শান্তিতে থাকতে চান তাহলে আপনাকে তথাকথিত 'শান্তিবাহিনী'র সন্ত্রাসীদের কথা মেনে নিতে হবে আর তাদেরকে ট্যাক্স দিতেই হবে।

যদি তাদের বিরুদ্ধাচরণ করেন তাহলে আপনার শান্তি নষ্ট করার দায়িত্ব তারা খুব যত্নের সাথে পালন করবে। বেশী শান্তি চাইলে শান্তির ঘুম পাড়িয়ে দেবে।

আমরা পাহাড়ে ঘুরতে যায়, ঘুরেটুরে ছবি তুলে চলে আসি কিন্তু পাহাড়ের চিত্র আমাদের চোখে পড়েনা।

শত শত গাছ কেটে পাহাড় সাফ করে ফেলার চিত্র আমরা দেখিনা। স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে কথা বলে কখনো তাদের দূঃখ বুঝার চেষ্টা করিনা।

বুঝলেও সেটুকু বুঝি, যতটুকু শান্তিবাহিনীর প্রধানদের টাকায় ফ্ল্যাট কেনা বুদ্ধিজীবী আর সাংবাদিকরা আমাদেরকে বুঝায়।

আমরা ভাবি যে, আহা! আমরা তাদের উপর কতই না নির্যাতন চালাচ্ছি অথচ পাহাড়ে থাকলে আপনার তাদেরকে ট্যাক্স দিতে হবে।

আপনার বাড়ীর ট্যাক্স দিতে হবে। আপনার যদি জমি থাকে,সেটার ট্যাক্স দিতে হবে।

আবার সেই জমিতে যদি চাষ করেন, তার জন্যও ট্যাক্স দিতে হবে। বছরে দুইবার করে জমির উপর ট্যাক্স দিতে হয় বাঙালীদের।

ট্রান্সপোর্টের ব্যবসা করবেন?
গাড়ী এবং প্রতি চালানের উপর আপনাকে ট্যাক্স দিতে হবে। ঔষধ কোম্পানীগুলোকে পর্যন্ত সেখানে ট্যাক্স দিতে হয়।

সেখানকার উপজাতিরা থানায় বিচার দিতে আসে না। তাহলে 'সেটেলারদের কাছে যাওয়ার অপরাধে' তাদের শাস্তি হবে।

যদি অনুমতি পাওয়া যায় থানায় যাওয়ার, তাহলেই আসতে পারে কেবল।
তাদের চাওয়া মত চাঁদা না দিলেও আপনাকে খুন করা হবে।

পাহাড়ী এই সন্ত্রাসীরা চায় না সেখানে রোড হোক।সেখানে উন্নয়ন হোক, মানুষজন যাক।
ভাবছেন পরিবেশ নষ্ট হবে এজন্য বিরোধিতা করে?

যারা গাছ কাটে, পাহাড় পুড়িয়ে ফেলে তারা পরিবেশের চিন্তা করে? সেরকম কিছুই না।

পাহাড়ে পর্যটন হলে, উন্নয়ন হলে সাধারণ পাহাড়ীদের লাভ কিন্তু এতে সন্ত্রাসীদের প্রভাব, দৌরাত্ম কমে যাবে।

স্বাভাবিকভাবেই সন্ত্রাসীরা এটা চায় না। এজন্য তারা পোস্টার সাঁটিয়ে দেয়, পাহাড়ে পর্যটন বন্ধ করতে হবে।

পাহাড়কে তারা নিজেদের সম্পদ মনে করে সেটা নতুন কিছু নয়। বাঙালীদেরকে তারা বলে সেটেলার। নিজেদেরকে দাবী করে আদিবাসী।

আপনারা খেয়াল করেছেন কিনা জানিনা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরই হঠাৎ করে উপজাতি টার্ম থেকে আদিবাসী টার্ম ব্যবহার শুরু হয়।

অনেকে বুঝে না বুঝে আদিবাসী টার্মটা ব্যবহার করেন।আদিবাসী অর্থ ঐ এলাকার আদিবাসিন্দা।

উপজাতিদের মধ্যে বাংলাদেশের সত্যিকারের আদিবাসী হচ্ছে সাঁওতালরা।

যারা নিজেদেরকে আদিবাসী দাবী করছে এদের পূর্বপুরুষরা মাত্র দেড়-দুইশ বছর আগে মিয়ানমার আর ভারত থেকে পালিয়ে এই দেশে এসে আশ্রয় নিয়েছিল।

মিয়ানমারের বর্মী রাজার হাত থেকে বাঁচতে তারা পালিয়ে এদিকে চলে আসে। এর বহু আগে থেকেই পাহাড়ে বাঙালী থাকতো।

তবে ওদের মত গহীনে থাকতো না তারা গহীনে থাকার পেছনে তখনকার কারণ ছিল দুটি।

এক: যারা বর্মী রাজার হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে এসেছিল।এরা এত গহীন এবং দূর্গম পাহাড়ে চলে গিয়েছিল, যাতে বর্মী রাজা তাদের খুঁজে না পায়।

বার্মিজরা জাতিগতভাবে সহিংস। আমাদের রাখাইনদেরও উপরও তারা গণহত্যা চালিয়েছিল। প্রাণ বাঁচাতে তারা এদেশে চলে এসেছিল।

তেমনি ভাবে অনেক গুলো গোষ্ঠী একেবারে গহীনে চলে যায়। সেখানেই বসবাস শুরু করে।

দুই: দস্যু, আমরা বইপত্রে যাদের মগজলদস্যু বলে পড়েছি। এরা জলে যেমন ডাকাতি করত, স্থলেও ডাকাতি, লুটতরাজ করত।

ডাকাতির জিনিষপত্র নিয়ে তারা একেবারে গহীনে দূর্গম পাহাড়ের ভেতর চলে যেত। লুটের জিনিষপত্র এখানেই লুকিয়ে রাখত।শাসকরা আর খুঁজে পেত না তাদের।

যাই হোক, তারা এখন আদিবাসী হয়ে গেছে সমস্যা নাই। দলে দলে তারা খ্রিস্টান হয়ে যাচ্ছে, তাও সমস্যা নাই। সমস্যা হচ্ছে- মুসলমান হলেই।

পাহাড়ে আপনি যাই হোন, মুসলমান হতে পারবেন না। হয়ে গেলে আপনাকে খুন করা হবে। আপনি শহরের দিকে পালিয়ে গেলে খুঁজে বের করে খুন করা হবে।

তাদের সেই পরিমাণ টাকা এবং রিসোর্স আছে
কিন্তু তারা খ্রিস্টানদের সাথে লাগতে যায় না। এর কারণ হচ্ছে, তাদের আল্টিমেট লক্ষ্য হচ্ছে জুম্মল্যান্ড নামক আলাদা দেশ প্রতিষ্ঠা।

সেক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল যে সাপোর্ট দরকার, খ্রিস্টানদের মারতে গেলে তারা সেটা পাবে না। আর খ্রিস্টানদেরকে তারা খুব একটা সমস্যা বলেও মনে করেনা। তাদের সমস্যা হচ্ছে বাঙালী আর মুসলমান।

পাহাড়ে বেড়ে উঠা একটা বাঙালী শিশুও জানে তাদের কত ক্ষমতা সেখানে৷ এই কারণে চাকমা একটা ছেলে তাকে থাপ্পড় মারলেও সে তার প্রতিবাদ করেনা।

এমনকি কখনো যদি পিতাকে গিয়ে বিচার দেয়, তার পিতা তাকে চুপ থাকতে শিখিয়ে দেন। সেখানে তাদের সামান্য বিরোধিতা করলেও টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে উঠবে।

আপনি মুসলমান হলে হত্যা করা হবে, সমস্যা নাই। খুব একটা প্রতিবাদ হবে না। কিন্তু আপনি মুসলিম হয়েছেন এটা প্রচার করা হলে 'পাহাড়ী সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে' বলে চিৎকার করে উঠবে পুরা ঢাকা। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।

খ্রিস্টান হয়ে গেলে অবশ্য পাহাড়ী সংস্কৃতি সবুজই থাকে।

পাহাড়ী সন্ত্রাসীরা শান্তিবাহিনী নামে আর নেই, তারা এখন নাম বদলেছে। তার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হয়েছে সন্তু লারমার জেএসএস।

তারা একই সঙ্গে ঢাকার ফেভারও পায়, রাষ্ট্রীয় অতিথি হয় আবার পাহাড়ে নির্বিঘ্নে চাঁদাবাজি আর খুন রাহাজানি করে।

১৯৮৪ সালের ৩০ মে এক ভোরে সারারাত নিরস্ত্র বাঙালীদের উপর হত্যাকাণ্ড চালিয়ে ৪০০ এর বেশী মানুষের একটা গ্রামকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলা হয়৷ ধরে ধরে জবাই করা হয়েছিল বাঙালীদের।
গুলি করে মারা হয়েছিল।

২০১৫ সালে সম্ভবত, দুই লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় মাটিরাঙা বাজারে এক ব্যবসায়ীকে দিন দুপুরে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।
তখন আমি সেখানে।

পাহাড়ে সাধারণ পাহাড়ী এবং বাঙালীদের নিরাপত্তার জন্য সেনাবাহিনী নিয়োগ দেয়া হয়েছিল সেখানে। এতে পাহাড় কিছুটা শান্ত ছিল। যদিও সেনা সদস্যদেরও প্রায় হত্যা করা হত।

২০১০ এর পর শান্তিবাহিনীর সাথে শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে বেশীরভাগ সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

হত্যাকাণ্ডের এমন আরো কিছু ঘটনা নীচে উল্লেখ করা হলো। হয়তো পড়বেন না। কিন্তু ডকুমেন্টস হিসেবে উল্লেখ করলাম। পড়লে একটা ভালো ধারণা পাবেন।

ঘটনাক্রম
(১৯৭৭-) : পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি ও সেনা হত্যা

৬ মে ১৯৭৭ : সাঙ্গু নদীতে কর্তব্যরত অবস্থায় আবদুল কাদিরসহ পাঁচ সেনাসদস্যকে হত্যা।

২৫ অক্টোবর ১৯৭৭ : বান্দরবানে নিহত হন নায়েক আবদুল গণি মিয়া, নায়েক আবদুস সাত্তার, নায়েক আরিফ, সিপাহী লুৎফর রহমান, সিপাহী আলী হোসেন এবং সিপাহী আবদুল খালেক মুন্সি।

২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ : সাঙ্গু নদীতে অ্যামবুশ, এক সেনাসদস্যকে হত্যা এবং প্রচুর গোলাবারুদ লুট।

৫ জুলাই ১৯৭৯ : কাপ্তাই নতুন বাজার থেকে ২ জন আনসার সদস্যকে অপহরণ করে হত্যা।

১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯ : দীঘিনালায় নায়েক এসএম রুহুল আমিনকে হত্যা।

১৪ অক্টোবর ১৯৭৯ : খাগড়াছড়িতে পাঁচ সেনাসদস্যকে হত্যা।

১৯ ডিসেম্বর ১৯৭৯, লংগদু : একই রাতে একযোগে কয়েকটি গ্রামে হামলা, ২০ অ-উপজাতীয়কে হত্যা, আহত ৪০, ১০৪টি বাড়ি অগ্নিদগ্ধ।

২৩ জানুয়ারি ১৯৮০ : খাগড়াছড়িতে তিন সেনাসদস্য খুন, আহত ৫।

২১ এপ্রিল ১৯৮০ : ফালাউংপাড়া নামের একটি স্থানে অ্যামবুশ করে ১১ রাইফেল ব্যাটালিয়নের ২০ জন জওয়ানকে হত্যা, প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র লুট।

১ মার্চ ১৯৮০ : ঘন্টিছড়া নামের একটি স্থানে অ্যামবুশ করে হত্যা করা হয় মেজর মহসিন আলমসহ ২২ জন সেনাসদস্যকে।

২৫ মার্চ ১৯৮০, কাউখালী : বাঙালি বসতিতে হামলা, দুই পক্ষে নিহত ২৯, আহত ১১ জন।

১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮০, কাউখালী, বেতছড়ি ও কচুখালী : আকস্মিক আক্রমণে ৬ বাঙালি খুন, আহত ২৫ জন।

২৯ এপ্রিল ১৯৮৪ : খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গায় বাঙালি বসতিতে গণহত্যা। হতাহতের প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায়নি।

৩১ মে ১৯৮৪, বরকল : দিবাগত রাতে বাঙালি বসতিতে হামলা, ৮৮ জনকে গুলি করে হত্যা, আহত ৩৩ এবং ১৮ জন অপহৃত। আগুনে পুড়ে ছাই ২৬৪টি বাড়ি।

১৯ জুলাই ১৯৮৬ : খাগড়াছড়িতে এক সেনাসদস্য নিহত, আহত ৭।

২২ জুলাই ১৯৮৬, দীঘিনালা : সশস্ত্র হামলায় ২৪ বাঙালি খুন, ৩২ জনকে অপহরণ।

৭ আগস্ট ১৯৮৬ : ২ জন আনসার সদস্যকে অপহরণ করে হত্যা।

২১ জুন ১৯৮৭ : নাড়াইছড়ির অদূরে অ্যামবুশ, সেনাসদস্য আবদুর রাজ্জাক, ইসমাঈল হোসেন ও মোহনলালকে হত্যা।

২৪ নভেম্বর ১৯৮৭ : শিলছড়িতে দুই সেনাসদস্যকে গুলি করে হত্যা।

১৮ এপ্রিল ১৯৮৯, বাশখালী : পাহাড়ি-বাঙালি সংঘর্ষে ১৫ জনের মৃত্যু।

২৭ জানুয়ারি ১৯৮৯ : বন কর্মকর্তা আবুল হোসেন, বজল আহমদ ও মাহবুবুল আলমকে অপহরণ করে হত্যা।

৪ মে ১৯৮৯, লংগদু : আকস্মিক আক্রমণে ১৫ বাঙালির মৃত্যু।

১৬ এপ্রিল ১৯৯০, নাইক্ষ্যংছড়ি ও বলিপাড়া : ১৯ বাঙালিকে গুলি করে হত্যা। এ বছরই থানচিতে ১১ জন সেনা জওয়ানকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়।

১০ জানুয়ারি ১৯৯২, খিরাম : খিরাম বন কার্যালয়ে আক্রমণ, ৬ কর্মচারীকে হত্যা।

২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২, লংগদু : চলন্ত লঞ্চে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ১৭ বাঙালিকে হত্যা।

২৯ জুন ১৯৯২ : মহালছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে পাহারা চৌকির ওপর হামলা, দুজন সেনা সদস্য নিহত।

১৪ জুন ১৯৯৫ : শান্তিবাহিনীর ২০ সদস্যের একটি গ্রুপের হাতে ব্যাংক লুট। গার্ডকে হত্যা এবং দুই ব্যাংক কর্মচারীকে অপহরণ।

৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬, পাকুয়াখালী (রাঙামাটি) : নৃশংস হামলা চালিয়ে ৩৫ জন বাঙালী কাঠুরিয়াকে হত্যা।

আমাদের সেনাবাহিনীকে তারা বলে জলপাই সন্ত্রাসী। বাঙালীদের বলে সেটেলার।
এমনকি কোনো উপজাতি ইসলাম গ্রহণ করলে তাকেও সেটেলার বলে গালি দেয়।

সর্বশেষ দুই দিন আগে ইসলাম গ্রহণের অপরাধে বান্দরবনের রোয়াংছড়িতে ওমর ফারুক ত্রিপুরাকে গুলি করে হত্যা করে সন্তু লারমার জন সংহতি সমিতি - জেএসএস।
ইসলাম ত্যাগ করার জন্য তাকে অনেকদিন ধরেই তারা আল্টিমেটাম দিয়ে রেখেছিল।

পাহাড়ে নিরীহ মানুষরা মারা যায়, রাষ্ট্রদোহী সন্ত্রাসীরা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়।
আমরা না বুঝে শুধু তাদের পারপাসই সার্ভ করি।

পাহাড়ে শুধু ঘুরতে যাবেন না, সুশীলরা যা বলে তাতে বিশ্বাস করবেন না। পাহাড় সম্পর্কে খোঁজ খবর রাখেন। না হয় একসময় পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়ার জন্যও ভিসা লাগবে।

পাহাড়ীরা সমতলে জায়গা কিনতে পারলেও, সমতলের বাঙালীরা পাহাড়ে জায়গা কিনতে পারেনা।

প্রতিবেদন Chattogram 24, লেখা (Tahmidul Islam)

এরা হল জাতীয় শত্রু, এদের প্রতিহত করুন।
29/09/2025

এরা হল জাতীয় শত্রু, এদের প্রতিহত করুন।

নিশ্চিত টাকার বিনিময়ে শুভেচ্ছা জানাইছে, এ তো টাকা ছাড়া এক ইঞ্চিও নড়ে না।
29/09/2025

নিশ্চিত টাকার বিনিময়ে শুভেচ্ছা জানাইছে, এ তো টাকা ছাড়া এক ইঞ্চিও নড়ে না।

Shuvo jonmodin apa

29/09/2025

কেন মিলিটারি থাকাতে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে অসুবিধা হচ্ছে? ধরে ধরে বাটাম দেয়া উচিত এদের। মনে করছে এনজিও সরকার থাকাতে এই সুযোগ আলাদা হয়ে যাওয়ার। যেহেতু এনজিওরা সারাজীবন তাদের পক্ষেই থেকেছে। কোন পলিটিক্যাল গভর্মেন্ট এর সময় তো এই সুবিধা পাবে না।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে দুই কলম লেখার আগে আমার সাথে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটা পড়ে নিবেন। পাহাড়িদের সকলকে নিরিহ ভাবার কোন কারণ ...
29/09/2025

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে দুই কলম লেখার আগে আমার সাথে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটা পড়ে নিবেন।

পাহাড়িদের সকলকে নিরিহ ভাবার কোন কারণ নাই, একটা সময় পর্যন্ত আমিও ভাবতাম। এরপর নিজের সাথে ঘটে যাওয়া এক ঘটনায় আমার চিন্তার পরিবর্তন হয়েছে, এই ঘটনা শুনলে আপনারও পরিবর্তন হবে।

২০১৫/২০১৬ সাল। আমি তখন আমেরিকায় থাকি। খাগড়াছড়ি অঞ্চলে এক বড় ধরনের ঝামেলা হয়। আমি পাহাড়ীদের অধিকারের পক্ষে বেশ কয়েকটা পোস্ট লিখি। একটা পোস্ট বেশ ভাইরাল হয়। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে। ঐ এলাকার বেশ কিছু ফলোয়ার আসে লিস্টে। তাদের মধ্যে একটি মেয়ে ছিল বেশ সুন্দরী।

বয়সে ২৪/২৬ হবে। আমার পোস্টে কমেন্ট করে, পাশাপাশি অন‍্যদের কমেন্টের জবাব দিতে থাকে।

এরপর বন্ধু লিস্টে ঢুকে, অন‍্য সাধারণ পোস্টেও কমেন্ট করতে থাকে।

২দিন পরে ইনবক্সে নক করে প্রশংসা করতে থাকে। বলতে থাকে, আপনি অনেক ভালো, আমাদের পক্ষে কথা বলছেন, ঢাকার মানুষ তো এসব করে না, তারা আমাদের ঘৃণা করে, ইতা‍্যদী ইত্যাদি।

আমি বললাম, আমি শুধু আপনাদের অধিকারের পক্ষে না পৃথিবীর সকল স্থানের নির্যাতিত মানুষের পক্ষে থাকার চেষ্টা করি, ইত‍্যাদি ইত‍্যাদি।

এরপর নিয়মিত চ‍্যাট হতে থাকে। তবে যেহেতু মেয়ে আইডি সেহেতু আমি ফেক আইডি মনে করে দুরত্ব বজায় রেখেই কথা বলি। সে বুঝতে পেরে একদিন ভিডিও কল দেয়।

তখন দেখলাম যে, না ফেইক না। আইডিতে যেই ছবি মেয়েটিও সেই, আসল আইডি।

কয়েকদিন কথা বলার পর একদিন তার মায়ের সাথে কথা বলিয়ে দিলো। তার মা আমাকে তাদের বাড়িতে দাওয়াত দিলো। তারা বেশ প্রভাবশালী লোক, টাকা পয়সা, বাড়ি গাড়ি, বেশ কয়েকটি বাগান ইত‍্যাদি আছে।

তারা আমাকে পুরো পাহাড় ঘুরিয়ে দেখাবে ইত‍্যাদি নানা আলাপ হলো, মেয়েটিও মাঝে মধ‍্যে ফোন দিয়েও জিজ্ঞেস করতো কবে আসতেছেন?

এরপর আসে ঘটনার ক্লাইম‍্যাক্স।

একদিন মেয়েটি আমাকে তার এক স‍্যারের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো। কনফারেন্স কল করে স‍্যার আমার সাথে অনেক কথা বললো। কি করি? কবে থেকে লেখালেখি করি? কি বিষয়ে লিখি ইত‍্যাদি।

কথা শেষের ঘন্টা খানেক পর আমাকে তাদের একটি হোয়াটসআপ গ্রুপে এড করা হলো।

গ্রুপে ঢুকে আমার মাথা আউলায়ে গেল। বিশাল গ্রুপের সবাই পাহাড়ি অঞ্চলের। গ্রুপে সারাদিন নানা ধরনের পোস্ট আসতে থাকে। যে কোন কাটা-ছেড়া, ভাঙা-ভাঙি, আ/গু/ন, ম/রা মানুষের ছবি এসব আসতেই থাকে। এবং, এই সব ঘটনার সবকিছুর দায় সাধারন বাঙালিদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। অর্থাৎ, এই গ্রুপে সবাই ছবি ভিডিও দিয়ে কাহিনি বানায়, এবং সেই বানানো কাহিনি সবাই নিজেদের ফেসবুক, স্থানীয় পত্রিকায় ছড়িয়ে দেয়।

আমি তো সেখানে অতিথির মত, তাই জিজ্ঞেস করার চেষ্টা করিনি যে, এসব ঘটনার সত‍্যতা কোথায়? জিজ্ঞেস করলে হয়তো সাথে সাথে গ্রুপ থেকে বের করে দিতো।

এবং, ঐ যে স‍্যার আমার সাথে কথা বলেছিল, সে মাঝে মধ‍্যে ছেলে মেয়েদের মোটিভেট করে ভিডিও দিতো। সেই ভিডিও সবাই শেয়ার দিতো।

বেশ কয়েকদিন গ্রুপে থাকার পর বুঝলাম যে, এই স‍্যারেরও বড় স‍্যার আছে। সে গ্রুপে নাই তবে মাঝে মধ্যে তার বাণী গ্রুপে ছাড়া হয়। সেখানে লাভের হিরিক পরে যায়।

এবং তাদের সকলের কথার নির্যাস হচ্ছে, পাহাড় বাংলাদেশের আন্ডারে থাকা উচিত না। এর দুইটা মুল কারনঃ
1. সমতলের মানুষদের অধিকাংশের ধর্ম মুসলমান
2. বাংলাদেশ দুর্বল রাষ্ট্র

তাহলে সমাধান কি?
পার্শ্ববর্তী দেশ অনেক শক্তিশালী, তাদের সাথে থাকলে আমরাও শক্তিশালী হবো, পাশাপশি তারা হিন্দু যা পাহাড়ীদের কালচারের কাছাকাছি কালচার।

তাই, তাদের সকলের মিশন ও ভিশন একটাই, সেটা হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম পুরোটাই ভারতের আন্ডারে নিয়ে যাওয়া।

এবং, এজন‍্য যা যা করা দরকার তারা সব করতে প্রস্তুত আছে।

তারই পদক্ষেপ হিসেবে ঐ অঞ্চলে সবসময় অরাজকতা বজায় রাখা।

একদিন, পাহাড়ে কয়েকজন সেনাবাহিনীর সদস‍্যের সাথে গ্রামের কয়েকজন মহিলার মারামারির ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। গ্রামের একেবারে নিম্ন শ্রেণীর এক নারী বিলাপ করে দাবী করছে যে, সেনা সদস‍্যরা তাকে ধ/র্ষ/ণ করছে।

মেয়েটি সেই ভিডিয়ো আমাকে পাঠিয়ে বলে যে, এইটা শেয়ার দেন। আমি বললাম, ঠিক আছে দেবো, কিন্তু ঘটনা আরেকটু স্টাডি করে নেই। সৎ‍্য মিথ্যা যাচাই করে নেই। কিন্তু মেয়েটির ধৈর্য্য থাকল না। বার বার অনুরোধ করতে লাগলো।

তখন আমি কল দিলাম, বললাম তাদের গ্রুপের বিষয়ে।

বললাম, আমার কাছে তো বিষয়টা নরমাল মনে হচ্ছে না। তোমরা আসলে কি চাচ্ছো বলো।

তখন মেয়েটি অনেকটা স্পষ্ট করেই বলে দিলো, আমার বাপ-দাদারা অনেক আগে থেকেই চেয়ে আসছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভারতের সাথে যুক্ত হয়ে যাক। সেই চেষ্টা করে সবাই।

জিজ্ঞেস করলাম, কিন্তু কেন? এমনটা কেন চাও?

তখন ঐ উপরের দুই পয়েন্ট বললো।

আমি বললাম, যদি এত সমস‍্যা মনে করো বাংলাদেশের সাথে থাকা, তাহলে স্বাধীন অঞ্চলের জন‍্য কথা বলো, সেই অনুযায়ী কাজ করো। আরেক দেশের সাথে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করা তো খারাপ। এটাকে তো কোন দেশ মেনে নিবে না। আমিও বা আমাদের মত যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে তারা কেউই মেনে নিবে না।

তোমরা ইয়াং জেনারেশন, তোমাদেরও উচিত না এসব পথে পা বাড়ানো। বরং, তোমরা যদি সত্যিই মনে করো তোমাদের উপর কোন অন‍্যায় করা হচ্ছে, তাহলে ঢাকার সাথে আর্গুমেন্ট করো। সেটা নিয়ে আন্দোলন করো, দেখবা আমরা সহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী তোমাদের পক্ষে থাকবে। সারা বিশ্ব তোমাদের পক্ষে থাকবে।

আর এসব না করে যদি পিছনের দরজা দিয়ে নিজ দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করো তাহলে কোনদিন সফল হতে পারবে না, শুধুশুধু তোমাদের জেনারেশনটাকে নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করবা। এবং, দেশে একটা গন্ডগোল বাঁধিয়ে রাখবা, যার বলি হবে কিছু নিরিহ পাহাড়ি।

এই ধরনের অনেক কথা বলার পর মনে হচ্ছিল মেয়েটা বুঝতে পেরেছে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে দেখলাম আমাকে সব জায়গা থেকে ব্লক করে দিছে।

সেখান থেকে বুঝেছিলাম যে, পাহাড়িদের মধ্যে বিশাল একটা অংশ আছে যারা প্রকাশ‍্যে এই মিশনের অংশ হয়ে কাজ করে, এবং তারাই পাহাড়ে আ/গু/ন লাগায়, হ/ত‍্যা করে। তারা পাহাড়কে অশান্ত রাখে।

পাহাড়কে শান্ত রাখতে পাহাড়ি-বাঙালি মিলে এই গ্রুপটাকে প্রতিহত করতে হবে, এর বিকল্প আর কোন পথ নাই।

#বাংলাদেশ

লিখেছেন মাহমুদুল হাসান

19/09/2025

চলুন দেখি গতকাল সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল পয়েন্টস:

১) একের উপর আক্রমণ দুটোর উপর আক্রমণ (ন্যাটো-সদৃশ অনুচ্ছেদ ৫ প্রয়োগ)।

২) নির্দিষ্ট হুমকি অনুসারে উভয় দেশ সব ধরনের প্রতিরক্ষামূলক ও সামরিক উপায় ব্যবহার করবে।

৩) সংকটকালে যৌথ কমান্ড কাঠামো গঠিত হবে।

৪) বার্ষিক উচ্চপর্যায়ের প্রতিরক্ষা সংলাপ চলবে।

৫) আঞ্চলিক আক্রমণকারীদের (ইরান/ইসরায়েল প্রক্সির বিরুদ্ধে) প্রতিরোধে ফোকাস।

৬) যৌথ উদ্যোগে $১০ বিলিয়ন (যেমন মিসাইল উৎপাদন); পাকিস্তানের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় $৫ বিলিয়ন সাহায্য; প্রযুক্তি স্থানান্তরে আরও $৫ বিলিয়ন। মোট $২০ বিলিয়ন চুক্তি।

৭) ৪৮ ঘণ্টার নোটিসে পাকিস্তান ১০,০০০ সেনা/কর্মী সৌদিতে মোতায়েন করবে।

৮) রিয়াদ ও ইসলামাবাদে জয়েন্ট কমান্ড পোস্ট গঠিত হবে।

৯) ৫০০ যৌথ বিশেষ বাহিনী প্রশিক্ষক নিয়োগ।

১০) পাকিস্তানের পরমাণু প্রতিরোধের ইঙ্গিত আছে, যদিও অফিসিয়ালি অস্বীকার। পাকিস্তান $২ বিলিয়ন মূল্যের শাহিন-৩ মিসাইল, বাবুর ক্রুজ মিসাইল ও বুরাক সিরিজ ড্রোন সোয়ার্ম স্থানান্তর করবে; সৌদি লেজার-গাইডেড গোলাবারুদ শেয়ার করবে।

১১) ১০ বছরের চুক্তি, পরে নবায়নযোগ্য।

১২) চুক্তির ফলে পাকিস্তানে প্রায় ৫০,০০০ কর্মীর কর্মসংস্থান হবে।

এই চুক্তির মূল কারণ রিসেন্ট ইজরায়েলও বোমা হামলা অন কাতার । আর তারপর নতনীয়াহুর বলা যে বিশ্বের যেখানে তার হুমকি দেখবে সেখানেই তার বোমা হামলা করবে, কাউকে ছাড় দিবে না। কাতারে ইসরায়েলি হামলার পর আরব দেশগুলো আমেরিকার উপর নির্ভরতার সীমাবদ্ধতা বুঝেছে—ট্রাম্পকে $৫০০ মিলিয়ন দিলেও আমেরিকা ইসরায়েলকে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে, যা কাতার-সৌদির হজম হয়নি। টাকা দিয়েও তারা আমেরিকার সাপোর্ট কিনতে সক্ষম হয়নি।

সৌদি তার প্রতিরক্ষা দুর্বলতা জানে, যদিও গত দুই দশকে মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিরক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছে সৌদি আরব। কিন্তু রিয়াদকে ইসরায়েল থেকে রক্ষা করার মিসাইল বা পরমাণু ওয়ারহেডের অভাব আছে তাদের । ওদিকে পাকিস্তানের ১৭০টি পরমাণু ওয়ারহেড (২০২৫ অনুমান) এবং উন্নত মিসাইল সক্ষমতা আছে। ১৯৫০ সাল থেকেই পাকিস্তান সৌদির প্রতিরক্ষায় সাহায্য করছে।

সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাত (২০২৫) পাকিস্তানের এয়ার পাওয়ার প্রমাণ করেছে: ভারতের চেয়ে কম সক্ষমতা সত্ত্বেও একটি জেট না হারিয়ে ৫টি ভারতীয় জেট ভূপতিত করেছে, যা বিশ্বে তার মর্যাদা বাড়িয়েছে।

এই চুক্তি দিয়ে পাকিস্তান-সৌদি ইস্পাত-কঠিন জোট গঠন করেছে। পাকিস্তানের একদিকে চীন (প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি), অন্যদিকে সৌদি (অর্থ)। সৌদি পাকিস্তানের আইএমএফ-ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক লোন পরিশোধে বহুবার সাহায্য করেছে। আমাদের তেমন যেন কখনও করো সাহায্য প্রয়োজন না হয় সেদিকে খুব খেয়াল রাখতে হবে, কারণ আমাদের জন্য কেউ নাই। পাকিস্তান চীনের সাথে যৌথভাবে ফাইটার জেট (জেএফ-১৭) ও ট্যাঙ্ক তৈরি; ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে চিন লজিস্টিক সাহায্য দিচ্ছে। আমদের লজিস্টিক সাহায্যের জন্য দেশটাকে কারো কাছে হয়তো বিক্রি করে দিতে হবে, কারণ সেই সম্পর্ক আমরা কারও সাথে গড়ে তুলিনি।

১৯৭১-এর যুদ্ধে জয়ের পর আমরা চেতনা নিয়ে পরে রইলাম: কপালে টিপ, রবীন্দ্রসংগীত, স্কুলে নাচ-গান। প্রতিরক্ষা শিল্প গড়িনি, মিসাইল-জেট-ট্যাঙ্ক বানাইনি। ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিরক্ষা সেক্টর পঙ্গু করে রেখেছি। টুকটাক ব্যবসা-বাণিজ্য দিয়ে প্রতীরক্ষা বাহিনীকে তৃপ্ত করে রেখেছি।

সৌদি-পাকিস্তান চুক্তি কেবল দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত জোট নয়, বরং আঞ্চলিক ভারসাম্যের একটি শক্তিশালী সংকেত—যেখানে অর্থ, প্রযুক্তি ও সামরিক শক্তির সমন্বয়ে দুর্বলতা রূপান্তরিত হচ্ছে শক্তিতে। পাকিস্তানের এই অগ্রগতি আমাদের মতো দেশগুলোর জন্য একটি জাগরণের ডাক: ১৯৭১-এর জয়কে শুধু স্মৃতিতে সীমাবদ্ধ না রেখে, প্রতিরক্ষা শিল্পকে স্বনির্ভর করে তোলার সময় এসেছে। যদি আমরা এখনই পদক্ষেপ না নিই, তাহলে আঞ্চলিক ঝড়ে আমাদের স্বাধীনতা কেবল কাগজের উপর থেকেই থেকে যাবে। শক্তিশালী প্রতিরক্ষাই হলো সত্যিকারের শান্তির চাবিকাঠি।

সাবিনা আহমেদ

জগন্নাথ হলে ভিপি পদে বিএনপির আবিদ হায়েস্ট ভোট পেয়েছে। কিন্তু জিএস পদে হায়েস্ট ভোট পেয়েছে বামের মেঘমল্লার বসু। ভিপি পদে য...
10/09/2025

জগন্নাথ হলে ভিপি পদে বিএনপির আবিদ হায়েস্ট ভোট পেয়েছে। কিন্তু জিএস পদে হায়েস্ট ভোট পেয়েছে বামের মেঘমল্লার বসু। ভিপি পদে যদি কোন হিন্দু দাড়াইত, তাহলে সেই সবচেয়ে বেশি ভোট পেত জগন্নাথ হলে। যেটা জিএস পদে হয়েছে। বিএনপির হামিমের চেয়ে যেটা বেশি পেয়েছে মেঘমল্লার। আওয়ামীলীগ থাকলে জগন্নাথ হলের হিন্দুরা আওয়ামীলীগকেই ভোট দিত। যেহেতু আওয়ামীলীগ নেই, যদি ওরা ভোট না দিত, তাহলে সহজেই বোঝা যেত যে ওরা সব আওয়ামীলীগার। সেটাতো দেখানো যাবে না। তাই মন্দের ভালো হিসেবে ভিপি পদে যেহেতু কোন হিন্দু নেই, তাই আবিদকে দিয়েছে। আর জিএস পদে তো মেঘমল্লার আছেই। তাই যতই বিএনপি থাকুক, ওরা ওদের স্বজাতিকেই দিয়েছে। আর ডাকসুতে যেহেতু হলভিত্তিক আলাদাভাবে ভোট হয়েছে, খুব সহজেই সত্যটা বোঝা গেছে । কিন্তু জাতীয় নির্বাচনে এটা বোঝা যাবে না, কেননা হিন্দুভিত্তিক আলাদা কোন সেন্টার হবে না। ওরা ওদের স্বজাতীকে ভোট দিয়ে বলবে বিএনপিকে, জামাতকে ভোট দিয়েছি। অর্থাৎ বিএনপি জামাত যতই হিন্দু তোষণ করুক, ওরা ওদের ধর্মের বাহিরে কাউকে ভোট দিবে না। বরঞ্চ পারলে ওরা বামগুলাকে ভোট দিবে। এইটা বিএনপি, জামাত যত দ্রুত বুঝবে, তত ভালো। ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি হিন্দু হয়েও জগন্নাথ হলের হিন্দুদের ভোট ছাত্রদলে নিতে পারেনি। ওরা বাহিরে মুখোশধারী, কিন্তু ভিতরে সব এক। ওরাই সবচেয়ে বড় সাম্প্রদায়িক। তাই বিএনপি, জামাত উভয় দলকে হিন্দু তোষণ নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

08/09/2025

হাসিনা ঘোষনা দিসে, ২৪ এর আন্দোলনকারীদের সাফা করে দিতে হবে।

আলাদা কোন নির্দেশের দরকার নাই।

হাজার হাজার ছাত্রলীগ কর্মী ট্রেইনিং নিচ্ছে।

ফান্ড এসেছে প্রচুর।

এই ফান্ডগুলো কাদের হাতে আসছে?

আওয়ামী লীগের তৃণমূল কর্মীদের হাতে?

না।

এসব কাজ করতেছে শহীদ খানদের মত লোকজনেরা।

এরা এখনও আওয়ামী লীগকে ইলেকশনে চায়।

এই শহীদুল কয়দিন আগেও ঘোষনা দিয়েছিল, আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন করা সম্ভব হবে না।

এরা আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে চায়।

আর আওয়ামী লীগ আমাদের সাফা করতে চায়।

সরকার আজ এই শহীদুলকে গ্রেফতার করেছে।

এমনি এমনি করেনি, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই করেছে।

কারন, এই লোকটা আওয়ামী লীগের শেষ দুইটা মিছিলের ফান্ডিং এর সাথে জড়িত ছিল।

এ কোন বুদ্ধিজীবী না। এ হচ্ছে সাবেক সচিব। আওয়ামী লীগের আমলে হাজার হাজার কোটি টাকা মারার অভিযোগ আছে এর নামে।

এখন এসব দিয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করতেছে।

তো এরে গ্রেফতারের পর শুরু হইসে সুশীল মারানিদের কান্নাকাটি।

অথচ আওয়ামী লীগ মিছিল করলে তখন এরা প্রশ্ন করে, কেন মিছিল করলো, সরকার কী করে?

আজ সেই মিছিলের কুশীলবকে গ্রেফতার করে আবার শুনতে হচ্ছে, কেন গ্রেফতার করল? সব শেষ হয়ে গেল রে, গনতন্ত্র গেল রে!!

আওয়ামী লীগ আমাদের সাফা করার জন্য প্ল্যান করতে পারবে, অথচ ওদের নাকি গ্রেফতার করা যাবে না!!

অথচ এই শহীদুলদের টাকাতে দুই দিন পর বোম ফাটলে তখন এই সুশীলরাই বলবে যে ইউসুফের পতন চায়।

সন্ত্রাসের দায় সরকারের উপর দিয়ে, সেই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করলে আবার গনতন্ত্র গেল বলে কান্নাকাটি করা কোন লেভেলের সোদনামি রে ভাই?

বাংলাদেশের সুশীলগুলা এত সোদনা কেন?

এত বড় একটা গনহত্যার পরেও যে আওয়ামী লীগের ঘুম আমরা হারাম করতে পারলাম না, এর পেছনে এই সুশীলদের শতভাগ অবদান আছে।

সাদিকুর রহমান খান

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Agog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share