Tihinah Khobor

Tihinah Khobor The Voice Of the Adivasi people.
আদিবাসী জনগনের কন্ঠস্বর।
Your report is your news
(1)

আদিম ডেভেলপমেন্ট সোসাইটিশিক্ষা • সংস্কৃতি • ভাষা • উন্নয়নসাঁওতালি ভাষাঅলচিকি লিপিআমাদের পরিচয়আমাদের গর্বকেন্দ্রীয় সচি...
22/08/2026

আদিম ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি
শিক্ষা • সংস্কৃতি • ভাষা • উন্নয়ন

সাঁওতালি ভাষা
অলচিকি লিপি
আমাদের পরিচয়
আমাদের গর্ব

কেন্দ্রীয় সচিব বাবু রাম সোরেন, আদিম ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির গরিমাময় উপস্থিতিতে এবং বিহার প্রদেশের সভাপতি মনোজ মুর্মুর সভাপতিত্বে।

📍 স্থান — বিশ্বেশ্বরাইয়া স্মৃতি ভবন, কটিহার, বিহার

অলচিকি শিক্ষক ইন্টারফেস

অনুষ্ঠান সফল হয়েছে

অনুষ্ঠানের মূল বিষয়গুলি:

অলচিকি লিপির প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধি করা।

সাঁওতালি ভাষার শিক্ষাকে আরও শক্তিশালী করা।

শিক্ষকদের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও মতামত বিনিময়।

অলচিকি লিপির মাধ্যমে সাঁওতালি ভাষার শিক্ষাকে আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা।

ভবিষ্যতেও এই ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে কাজ করার সংকল্প।

এই সফল আয়োজনে উপস্থিত সকল শিক্ষক, অতিথি ও সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক, অতিথি এবং আদিম ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সকলে অলচিকি লিপির মাধ্যমে সাঁওতালি ভাষার শিক্ষাকে আরও কার্যকর করা এবং ভবিষ্যতে এই দিশায় নিরন্তর কাজ করার বিষয়ে নিজেদের মতামত ভাগ করে নেন।

শিক্ষক উপস্থিত • অতিথি উপস্থিত • সদস্য উপস্থিত • আপনাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ

শিক্ষিত সমাজ • সংগঠিত সমাজ • সমৃদ্ধ সমাজ

নিবেদক: আদিম ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, বিহার প্রদেশ
Tihinah Khobor আদিবাসী জনগনের কন্ঠস্বর
#অলচিকি_শিক্ষক_ইন্টারফেস
#অলচিকি_লিপি
#সাঁওতালি_ভাষা
#সাঁওতালি_ভাষার_শিক্ষা
#অলচিকি_শিক্ষা
#অলচিকি_লিপির_প্রচার
#আদিবাসী_শিক্ষা
#আদিবাসী_ভাষা
#আদিবাসী_সংস্কৃতি
#সাঁওতালি_সমাজ
#আদিবাসী_জনগণের_কণ্ঠস্বর













২০২৫–২৬-এর Oasis Scholarship এখনও বকেয়া! দ্রুত টাকা প্রদানের দাবিতে সরব পুরুলিয়ার ছাত্রছাত্রীরাপুরুলিয়া: আজ ২১ আগস্ট ...
21/08/2026

২০২৫–২৬-এর Oasis Scholarship এখনও বকেয়া! দ্রুত টাকা প্রদানের দাবিতে সরব পুরুলিয়ার ছাত্রছাত্রীরা

পুরুলিয়া: আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জেলার BCW দপ্তরে ডেপুটেশন দেওয়া হয় ।২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের Oasis Scholarship-এর টাকা এখনও না পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু ছাত্রছাত্রীর মধ্যে। দীর্ঘদিন ধরে বৃত্তির অর্থ আটকে থাকায় আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ভর্তি ফি, বইপত্র, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খরচ বহন করতে Oasis Scholarship-এর অর্থ তাঁদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো বৃত্তির টাকা না পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হলে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়াই কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতির সহ-সম্পাদক মাননীয় মহিম টুডু মহাশয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের যোগ্য ছাত্রছাত্রীদের বকেয়া Oasis Scholarship-এর অর্থ দ্রুত তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রদান করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ এবং উচ্চশিক্ষার ধারাবাহিকতার কথা বিবেচনা করে বৃত্তির আবেদনগুলির প্রয়োজনীয় যাচাই ও প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে অবিলম্বে বকেয়া অর্থ প্রদান করা হোক—এই দাবিই জোরালো হচ্ছে।

🎓 শিক্ষার্থীদের স্পষ্ট দাবি

“বৃত্তির টাকা আর বিলম্ব নয়—দ্রুত প্রদান করে উচ্চশিক্ষার পথ নিশ্চিত করা হোক।”

Tihinah Khobor আদিবাসী জনগনের কন্ঠস্বর


#আদিবাসীছাত্রছাত্রী #বৃত্তিরটাকাদাও #বৃত্তিরদাবি #পুরুলিয়া #শিক্ষাআমাদেরঅধিকার

WBTDCCL-এ মনোনীত বোর্ড গঠনকে ঘিরে নতুন অধ্যায়১৩০-এর বেশি LAMPS-এর সমর্থনের দাবি, ৭ সদস্যের মনোনীত বোর্ড ঘোষণা — ২০ আগস্...
20/08/2026

WBTDCCL-এ মনোনীত বোর্ড গঠনকে ঘিরে নতুন অধ্যায়

১৩০-এর বেশি LAMPS-এর সমর্থনের দাবি, ৭ সদস্যের মনোনীত বোর্ড ঘোষণা — ২০ আগস্ট হাইকোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতি

নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৯ আগস্ট ২০২৬:
পশ্চিমবঙ্গের আদিবাসী সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত West Bengal Tribal Development Co-operative Corporation Limited (WBTDCCL)-কে ঘিরে বুধবার এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলে দাবি করেছে West Bengal LAMPS Co-ordination Committee। সংগঠনের দাবি, রাজ্যের ১৫৭টি LAMPS-এর মধ্যে ১৩০টিরও বেশি LAMPS-এর সদস্য ও কর্মীদের সমর্থনে WBTDCCL-এর জন্য সাত সদস্যের একটি Nominated Board of Directors গঠন করা হয়েছে।

WBTDCCL পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীন আদিবাসী উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমবায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। রাজ্যের প্রত্যন্ত আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় LAMPS-এর মাধ্যমে কৃষি, আর্থিক সহায়তা, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তি, শিক্ষা ঋণ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগে সহযোগিতা দেওয়ার ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা রয়েছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বোর্ড না থাকা নিয়ে প্রশ্ন

West Bengal LAMPS Co-ordination Committee-এর অভিযোগ, দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে WBTDCCL-এ নির্বাচিত বা মনোনীত বোর্ড কার্যকর নেই। সংগঠনের বক্তব্য অনুযায়ী, LAMPS এবং WBTDCCL-এর বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নির্দিষ্ট আইন ও বিধি অনুসরণ করে নির্বাচন বা মনোনয়নের মাধ্যমে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল।

তাদের আরও দাবি, West Bengal Co-operative Societies Act, 2006-এর বিভিন্ন বিধান ও WBTDCCL-এর নিজস্ব Bye-Law অনুযায়ী বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় আদিবাসী উন্নয়নের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

তবে আমলাতান্ত্রিকভাবে ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন বন্ধ রাখা, আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর বা আধিকারিকদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

সাত সদস্যের মনোনীত বোর্ড

সংগঠনের ঘোষণায় সাতজনকে WBTDCCL-এর মনোনীত বোর্ডের পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন—

1. Manoranjan Murmu — Chairman, Nominated Board of WBTDCCL
2. Adv. Pradip Saren — Vice Chairman, Nominated Board of WBTDCCL
3. Bachchuram Pahan — Ex-BOD & LAMPS Member, Dakshin Dinajpur
4. Ashok Hansda — Ex-BOD & LAMPS Member, Hooghly
5. Kalipada Tudu — Ex-BOD & LAMPS Member, Bankura
6. Prakash Murmu — Ex-BOD & LAMPS Member, Bankura
7. Dilip Mandi — Ex-BOD Staff Representative, WBTDCC

সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, উপস্থিত LAMPS সদস্য ও কর্মীদের সমর্থনের ভিত্তিতে Manoranjan Murmu-কে Chairman এবং Adv. Pradip Saren-কে Vice Chairman হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি

দীর্ঘদিন ধরে বোর্ড গঠন না হওয়া, LAMPS-এর পূর্ণাঙ্গ বোর্ড পুনর্গঠন এবং WBTDCCL-এর সাংবিধানিক ও আইনসম্মত পরিচালন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবিতে আগামী ২০ আগস্ট কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে নবগঠিত মনোনীত বোর্ড।

সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, West Bengal Co-operative Societies Act, 2006-এর Section 29(7), Section 35-এর Sub-section (1A), Section 36-এর Sub-section (2) এবং Section 32-সহ সংশ্লিষ্ট বিধান আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে। একইসঙ্গে বোর্ড গঠন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলিরও আইনি পর্যালোচনা চাওয়া হবে বলে জানা গেছে।

‘আমলাতন্ত্রের অবসান’-এর বার্তা

West Bengal LAMPS Co-ordination Committee-এর বক্তব্য, মনোনীত বোর্ড গঠনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতার অবসান ঘটিয়ে আদিবাসী মানুষের স্বার্থে সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও কার্যকর করার পথ খুলতে চায় তারা। তবে বোর্ডটির আইনগত বৈধতা ও কার্যকর ক্ষমতা শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট আইন, সরকারি কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত এবং আদালতের নির্দেশের ওপর নির্ভর করবে।

এদিনের কর্মসূচিতে আদিবাসী কর্মী ও সদস্যদের পক্ষ থেকে সিধু-কানহু মূর্তি উৎসর্গ করা হয়েছে বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাদের দাবি, কলকাতার সিধু-কানহু ভবনে দ্রুত সিধু-কানহুর মূর্তি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আদিবাসী সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, সাংবিধানিক অধিকার এবং সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলির স্বচ্ছ পরিচালনার দাবিকে সামনে রেখে আগামী দিনের কর্মসূচিতে সর্বস্তরের আদিবাসী মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে West Bengal LAMPS Co-ordination Committee।

আগামী ২০ আগস্ট হাইকোর্টে এই বিষয়টি নিয়ে কী পদক্ষেপ হয়, তার দিকেই এখন নজর আদিবাসী সমাজ ও সংশ্লিষ্ট LAMPS কর্মী-মহলের।

তথ্যসূত্রঃ: Advocate Pradip Saren Facebook থেকে।

Tihinah Khobor আদিবাসী জনগনের কন্ঠস্বর

#তিহিঞাঃখবর #আদিবাসীজনগণেরকণ্ঠস্বর #আদিবাসীঅধিকার #আদিবাসীউন্নয়ন #সমবায়নিগম #আদিবাসীঐক্য #সিধুকানহু

🌿 রাসায়নিক নয়, প্রকৃতির পথেই কৃষি!সোনাইজুড়ি গ্রামের কৃষক আঘোনি মুর্মুর প্রাকৃতিক চাষে নজর কাড়ছে এলাকাজুড়েপুরুলিয়া |...
20/08/2026

🌿 রাসায়নিক নয়, প্রকৃতির পথেই কৃষি!

সোনাইজুড়ি গ্রামের কৃষক আঘোনি মুর্মুর প্রাকৃতিক চাষে নজর কাড়ছে এলাকাজুড়ে

পুরুলিয়া | কাশীপুর | সোনাইজুড়ি গ্রাম | Tihinah Khobor

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুর ব্লকের সোনাইজুড়ি গ্রামের কৃষক আঘানি মুর্মু প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে এলাকায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি করছেন। রাসায়নিক সার ও ক্ষতিকর কীটনাশকের ব্যবহার এড়িয়ে প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃষিকাজ করাই তাঁর লক্ষ্য।

আঘানি মুর্মুর কৃষিচিন্তার কেন্দ্রে রয়েছে মাটির স্বাভাবিক উর্বরতা, পরিবেশের ভারসাম্য এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন। তাঁর বিশ্বাস, কৃষি শুধু উৎপাদন বাড়ানোর বিষয় নয়; মাটি, জল, পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখাও কৃষকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

নিজের জমিতে তিনি রাসায়নিক সার ও ক্ষতিকর কীটনাশক ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপাদাননির্ভর পদ্ধতিতে চাষ করছেন। ফসলকে রোগ-পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় জৈব উপাদান ও ওষুধও তিনি নিজেই প্রস্তুত করেন। সম্প্রতি তাঁর ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ ও প্রস্তুত প্রণালী তুলে ধরায় এলাকার অন্যান্য কৃষকদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

🌱 মাটিকে বাঁচিয়ে কৃষি—এটাই আঘানি মুর্মুর বার্তা

কৃষিজমির উর্বরতা, অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের প্রভাব এবং পরিবেশের ভারসাম্য নিয়ে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, তখন আঘানি মুর্মুর এই উদ্যোগ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃতির উপাদানকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে পরিবেশবান্ধব কৃষির পথে এগোনো যায়, তাঁর চাষাবাদ সেই সম্ভাবনাই সামনে আনছে।

তাঁর উদ্যোগ শুধু নিজের জমির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নিজের অভিজ্ঞতা ও কৃষিপদ্ধতি অন্য কৃষকদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে তিনি প্রাকৃতিক ও টেকসই কৃষির একটি বিকল্প পথের বার্তা দিচ্ছেন।

🌾 একজন কৃষক, একটি উদ্যোগ—একটি বড় বার্তা

প্রাকৃতিক কৃষির পথ সহজ নয়। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য, নিয়মিত পরিচর্যা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। তবুও আঘানি মুর্মুর নিরন্তর প্রচেষ্টা দেখিয়ে দিচ্ছে—প্রকৃতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে কৃষিকাজ করার ইচ্ছা ও উদ্যোগ থাকলে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যেতে পারে।

সোনাইজুড়ি গ্রামের এই কৃষকের উদ্যোগ তাই শুধু একটি ব্যক্তিগত কৃষিপদ্ধতি নয়; এটি মাটি, প্রকৃতি ও মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার একটি বার্তা।

আঘানি মুর্মুর নিষ্ঠা ও পরিশ্রম আরও কৃষককে অনুপ্রাণিত করুক—ছড়িয়ে পড়ুক নিরাপদ খাদ্য, পরিবেশ সুরক্ষা এবং টেকসই কৃষির বার্তা।

🌿 রাসায়নিকের নির্ভরতা নয়—প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থানেই ভবিষ্যতের কৃষির নতুন সম্ভাবনা।

Tihinah Khobor | আদিবাসী জনগনের কন্ঠস্বর
#আঘোনি_মুর্মু #সোনাইজুড়ি_গ্রাম #কাশীপুর #পুরুলিয়া #প্রাকৃতিক_কৃষি #প্রকৃতির_পথে_কৃষি #রাসায়নিকমুক্ত_কৃষি #জৈব_কৃষি #টেকসই_কৃষি #নিরাপদ_খাদ্য #কৃষকের_উদ্যোগ #আদিবাসী_কৃষক #মাটিকে_বাঁচাই #পরিবেশবান্ধব_কৃষি #কৃষিই_ভবিষ্যৎ

জাতীয় তীরন্দাজিতে দুমকার মেয়ে মেঘা বেসরার সাফল্য, ঝাড়খণ্ড দলে নির্বাচিতদুমকা, ঝাড়খণ্ড: জাতীয় স্তরের তীরন্দাজিতে ফের...
20/08/2026

জাতীয় তীরন্দাজিতে দুমকার মেয়ে মেঘা বেসরার সাফল্য, ঝাড়খণ্ড দলে নির্বাচিত

দুমকা, ঝাড়খণ্ড: জাতীয় স্তরের তীরন্দাজিতে ফের সাফল্যের নজির গড়লেন দুমকার প্রতিভাবান খেলোয়াড় মেঘা বেসরা। আসন্ন NTPC National Ranking Archery Tournament-এ ঝাড়খণ্ড দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। এই নির্বাচনে খুশি দুমকার ক্রীড়ামহল, প্রশিক্ষক এবং স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা।

মেঘা বেসরা বর্তমানে দুমকার একলব্য তীরন্দাজি কেন্দ্র, Center of Excellence, Dumka-র প্রশিক্ষণার্থী। সংবাদসূত্র অনুযায়ী, গত প্রায় চার বছর ধরে তিনি দুমকায় তীরন্দাজির প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণের সময় ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করে নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন তিনি।

এর আগেও জাতীয় ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তীরন্দাজি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পদক জয়ের নজির রয়েছে মেঘার। ২০২৪ সালের 1st NTPC National Ranking Archery Tournament-এর সিনিয়র কম্পাউন্ড মহিলা বিভাগেও তাঁর নাম ঝাড়খণ্ডের খেলোয়াড় হিসেবে সরকারি প্রতিযোগিতা নথিতে রয়েছে।

২০২৫ সালে জামশেদপুরে অনুষ্ঠিত Khelo India Open Archery Tournament-এর কম্পাউন্ড মহিলা বিভাগে মেঘা বেসরা রৌপ্যপদকও জিতেছিলেন। একই বছর পূর্বাঞ্চলীয় তীরন্দাজি প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত ঝাড়খণ্ড দলের খেলোয়াড়দের তালিকাতেও তাঁর নাম ছিল।

ঝাড়খণ্ড দলে মেঘার জায়গা

মেঘার সাম্প্রতিক সাফল্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ঝাড়খণ্ডের কম্পাউন্ড মহিলা দল-এ তাঁর অন্তর্ভুক্তি। ২০২৬ সালের Khelo India Tribal Games-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফলেও মেঘা বেসরা, পূজা হেমব্রম এবং সাবিতাকুমারীকে নিয়ে ঝাড়খণ্ডের কম্পাউন্ড মহিলা দল প্রথম স্থান অর্জন করেছিল।

এছাড়া ২০২৬ সালের Khelo India Tribal Games-এর সরকারি অংশগ্রহণ নথিতেও মেঘা বেসরার নাম ঝাড়খণ্ডের খেলোয়াড় হিসেবে রয়েছে—উইমেনস কম্পাউন্ড টিম, উইমেনস কম্পাউন্ড ইন্ডিভিজুয়াল এবং কম্পাউন্ড মিক্সড টিম ইভেন্টে।

জাতীয় মঞ্চে আরও বড় স্বপ্ন

দুমকার এই তরুণ তীরন্দাজের ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করছে যে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে এসে জাতীয় মঞ্চে নিজের পরিচয় তৈরি করতে পারেন। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, পরিকাঠামো ও সুযোগ পেলে মেঘার মতো খেলোয়াড়রা ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জন করতে পারবেন বলে আশা করছেন ক্রীড়ামহল।

১৯ থেকে ২৬ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত বোকারোতে অনুষ্ঠিতব্য NTPC National Ranking Archery Tournament-এ ঝাড়খণ্ড দলের হয়ে মেঘা বেসরার অংশগ্রহণ তাই তাঁর ক্রীড়াজীবনের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দুমকার এই প্রতিভাবান তীরন্দাজের দিকে এখন তাকিয়ে ক্রীড়াপ্রেমীরা—জাতীয় মঞ্চে তাঁর নিশানা আরও কত দূর পৌঁছায়, সেটাই দেখার।

দুমকার মাটি থেকে জাতীয় তীরন্দাজির মঞ্চে মেঘা বেসরার এই অগ্রযাত্রা নিঃসন্দেহে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য অনুপ্রেরণার বার্তা।

তথ্যসূত্র: প্রভাত খবর-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন ও ভারতীয় তীরন্দাজি সংক্রান্ত প্রতিযোগিতার নথি।
Tihinah Khobor আদিবাসী জনগনের কন্ঠস্বর
#মেঘা_বেসরা
#দুমকার_মেয়ে
#দুমকার_গর্ব
#ঝাড়খণ্ডের_গর্ব
#জাতীয়_তীরন্দাজি
#তীরন্দাজি
















#আদিবাসী_জনগণের_কণ্ঠস্বর

বনগাঁ ও খাতড়া SDO অফিসে ডেপুটেশন, ST সংরক্ষণ ও আদিবাসী অধিকার রক্ষার দাবিতে সরব পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতিবনগাঁ ও ...
19/08/2026

বনগাঁ ও খাতড়া SDO অফিসে ডেপুটেশন, ST সংরক্ষণ ও আদিবাসী অধিকার রক্ষার দাবিতে সরব পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি

বনগাঁ ও খাতড়া, ১৯ আগস্ট ২০২৬: আদিবাসী সমাজের সাংবিধানিক অধিকার ও তফসিলি উপজাতি (ST) সংরক্ষণ রক্ষার দাবিতে বুধবার পশ্চিমবঙ্গের দুই প্রান্তে ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করল পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি (West Bengal Scheduled Tribe Welfare Association)-র জেলা শাখাগুলি।

এদিন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা শাখার পক্ষ থেকে বনগাঁ মহকুমা শাসকের (SDO) দফতরে প্রতিনিধিদল গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের প্রতিনিধিরা ব্যানার হাতে ST সংরক্ষণ রক্ষার দাবিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। তাঁদের ব্যানারে স্পষ্টভাবে “FIGHT FOR ST RESERVATION” স্লোগানও দেখা যায়।

অন্যদিকে একই দিনে বাঁকুড়া জেলা শাখার পক্ষ থেকেও খাতড়া SDO অফিসে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। সংগঠনের সদস্যরা দলবদ্ধভাবে খাতড়া মহকুমা শাসকের দফতরে উপস্থিত হয়ে লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করেন। তাঁদের হাতে সংগঠনের পতাকা ছিল এবং প্রশাসনের কাছে আদিবাসী সমাজের বিভিন্ন দাবি ও অধিকার-সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরা হয়।

দুই জেলাতেই একই বার্তা

বনগাঁ ও খাতড়ার কর্মসূচির মাধ্যমে সংগঠনের পক্ষ থেকে মূলত ST সংরক্ষণ ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি সামনে আনা হয়। সংগঠনের বক্তব্য, আদিবাসী সমাজের ন্যায্য অধিকার ও সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখতে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।

ডেপুটেশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা জানান, আদিবাসী সমাজের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি প্রশাসনের নজরে আনা এবং দাবিগুলির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপের জন্যই এই কর্মসূচি।

সংগঠনের সক্রিয় ভূমিকা

পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতির উত্তর ২৪ পরগনা ও বাঁকুড়া জেলা শাখার পৃথক ডেপুটেশন একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সংগঠনের জেলা-ভিত্তিক সাংগঠনিক সক্রিয়তার বিষয়টিও সামনে এসেছে।

বনগাঁ ও খাতড়া—দুই জায়গাতেই প্রতিনিধিরা প্রশাসনের কাছে তাঁদের লিখিত দাবি পেশ করেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

১৯ আগস্ট ২০২৬-এর এই দুই ডেপুটেশন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ST সংরক্ষণ ও আদিবাসী অধিকার রক্ষার দাবিতে পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতির আওতাধীন জেলা শাখাগুলির সক্রিয়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত তৈরি হল।

Tihinah Khobor আদিবাসী জনগনের কন্ঠস্বর

#তিহিঞাঃখবর #আদিবাসীজনগনেরকন্ঠস্বর ংরক্ষণ #আদিবাসীঅধিকার #আদিবাসীকল্যাণ #আদিবাসীসমাজ #ডেপুটেশন #খাতড়া #বাঁকুড়া #বনগাঁ #উত্তর২৪পরগনা #সংরক্ষণ #আদিবাসীর_কণ্ঠস্বর #আদিবাসী_একতা #ন্যায়ের_দাবি #সংবিধানিক_অধিকার

এসডিও অফিসে ডেপুটেশন, ST সংরক্ষণসহ আদিবাসী স্বার্থে একাধিক দাবিতে সরব পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতিবনগাঁ, ১৯ আগস্ট ২০২...
19/08/2026

এসডিও অফিসে ডেপুটেশন, ST সংরক্ষণসহ আদিবাসী স্বার্থে একাধিক দাবিতে সরব পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি

বনগাঁ, ১৯ আগস্ট ২০২৬: আদিবাসী সমাজের বিভিন্ন দাবি ও অধিকারকে সামনে রেখে বুধবার বনগাঁ মহকুমা শাসকের (SDO) দফতরে ডেপুটেশন দিল পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি (West Bengal Scheduled Tribe Welfare Association)-এর উত্তর ২৪ পরগনা জেলা ইউনিট।

সংগঠনের প্রতিনিধিরা এদিন বনগাঁ SDO দফতরে উপস্থিত হয়ে তাঁদের দাবিসমূহ সম্বলিত লিখিত স্মারকলিপি প্রশাসনের কাছে জমা দেন। ডেপুটেশনের মাধ্যমে আদিবাসী সমাজের সাংবিধানিক অধিকার, বিশেষ করে তফসিলি উপজাতি (ST) সংরক্ষণ ও তার সুরক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়গুলিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

সংগঠনের হাতে থাকা ব্যানারে স্পষ্টভাবে “FIGHT FOR ST RESERVATION” এবং “পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি”-র নাম উল্লেখ রয়েছে। এদিনের কর্মসূচিতে সংগঠনের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা ইউনিটের সদস্যদের পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

ডেপুটেশন কর্মসূচির মাধ্যমে সংগঠনের পক্ষ থেকে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকরভাবে সুরক্ষিত করার দাবি তুলে ধরা হয়। প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।

ছবিতে দেখা যায়, সংগঠনের প্রতিনিধিরা বনগাঁ মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে ব্যানার নিয়ে অবস্থান করছেন এবং পরে দফতরের ভিতরেও স্মারকলিপি তুলে দিচ্ছেন।

১৯ আগস্ট ২০২৬-এর এই ডেপুটেশন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উত্তর ২৪ পরগনায় ST সংরক্ষণ ও আদিবাসী অধিকার রক্ষার দাবিতে সংগঠনের সক্রিয় ভূমিকারই প্রকাশ ঘটল।
Tihinah Khobor আদিবাসী জনগনের কন্ঠস্বর

#তিহিঞাঃখবর #আদিবাসীজনগনেরকন্ঠস্বর ংরক্ষণ #আদিবাসীঅধিকার #আদিবাসীকল্যাণ #ডেপুটেশন #খাতড়া #বনগাঁ #বাঁকুড়া #উত্তর২৪পরগনা #সংরক্ষণ #আদিবাসীসমাজ

২০১১-এর পর ইস্যু হওয়া SC, ST ও OBC জাতিগত শংসাপত্র পুনঃযাচাইয়ে কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশকলকাতা, ১৯ আগস্ট ২০২৬: পশ্চিম...
19/08/2026

২০১১-এর পর ইস্যু হওয়া SC, ST ও OBC জাতিগত শংসাপত্র পুনঃযাচাইয়ে কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ

কলকাতা, ১৯ আগস্ট ২০২৬: পশ্চিমবঙ্গে ২০১১ সালের পর ইস্যু হওয়া তফসিলি জাতি (SC), তফসিলি উপজাতি (ST) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (OBC)-র জাতিগত শংসাপত্র ব্যাপকভাবে পুনঃযাচাই করার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ১৮ আগস্ট ২০২৬-এর এই অন্তর্বর্তী নির্দেশের ফলে রাজ্য সরকারের শুরু করা blanket re-verification প্রক্রিয়া আপাতত থমকে গেল।

কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার?

২০২৬ সালের ১৪ মে রাজ্য সরকার ২০১১ সাল থেকে ইস্যু হওয়া বিপুল সংখ্যক SC, ST ও OBC জাতিগত শংসাপত্রের পুনঃযাচাইয়ের নির্দেশ দেয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে সরকারি উদ্যোগের আওতায় প্রায় ১.৬৯ কোটি শংসাপত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল শংসাপত্রগুলির সত্যতা ও বৈধতা যাচাই করা এবং ভুয়ো বা অনিয়মের মাধ্যমে পাওয়া শংসাপত্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।

হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ

এই ব্যাপক পুনঃযাচাইয়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়। শুনানির পর আদালত আপাতত রুটিন বা গণহারে পুনঃযাচাইয়ের প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে কোনও নির্দিষ্ট জাতিগত শংসাপত্র নিয়ে অভিযোগ উঠলে প্রশাসন তদন্ত করতে পারবে না। নির্দিষ্ট অভিযোগ বা সন্দেহের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকছে।

কারা আপাতত স্বস্তি পেলেন?

এই নির্দেশের ফলে ২০১১ সালের পর বৈধভাবে SC, ST ও OBC শংসাপত্র পাওয়া বহু মানুষ আপাতত গণহারে পুনঃযাচাইয়ের চাপ থেকে স্বস্তি পেলেন। বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্র, সরকারি চাকরি, সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে জাতিগত শংসাপত্র গুরুত্বপূর্ণ নথি হওয়ায় এই মামলার প্রভাব যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

তবে স্থগিতাদেশকে শংসাপত্রের চূড়ান্ত বৈধতার ঘোষণা হিসেবে দেখা যাবে না। কোনও নির্দিষ্ট শংসাপত্র জাল, ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি বা আইনবহির্ভূতভাবে ইস্যু হয়েছে—এমন অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নিতে পারে।

SC, ST শংসাপত্রের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া

পশ্চিমবঙ্গে SC ও ST জাতিগত শংসাপত্র ইস্যুর জন্য West Bengal Scheduled Castes and Scheduled Tribes (Identification) Act, 1994 এবং সংশ্লিষ্ট Rules, 1995-এর বিধান কার্যকর রয়েছে। রাজ্য সরকারের Backward Classes Welfare Department ২০১০ সালে SC/ST শংসাপত্র ইস্যু ও যাচাইয়ের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকাও প্রকাশ করেছিল।

সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

এই মুহূর্তে বৈধ SC, ST বা OBC শংসাপত্রধারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। আদালতের অন্তর্বর্তী নির্দেশের পর শুধুমাত্র ২০১১ সালের পর ইস্যু হয়েছে—এই কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনও শংসাপত্র বাতিল হচ্ছে না। একইসঙ্গে, কোনও নির্দিষ্ট শংসাপত্র নিয়ে অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনসম্মত তদন্তের পথ খোলা রয়েছে।

সুতরাং, কলকাতা হাইকোর্টের এই নির্দেশের মূল তাৎপর্য হল—গণহারে বা রুটিনমাফিক জাতিগত শংসাপত্র পুনঃযাচাই আপাতত স্থগিত; কিন্তু নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ তদন্তের সুযোগ বজায় রয়েছে।

তথ্যসূত্র: Indian Express, Times of India, LiveLaw এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের Backward Classes Welfare Department-এর প্রকাশিত তথ্য।

Tihinah Khobor আদিবাসী জনগনের কন্ঠস্বর


#তিহিঞাঃখবর #আদিবাসীজনগনেরকন্ঠস্বর #আদিবাসীখবর #পশ্চিমবঙ্গ #জাতিশংসাপত্র #হাইকোর্ট #স্থগিতাদেশ

বেসরকারি স্কুলেও এবার সাঁওতালি ভাষার পাঠ! ডিপিএস রাঁচি থেকে ঐতিহাসিক সূচনারাঁচি: ঝাড়খণ্ডের বেসরকারি স্কুলগুলিতে সাঁওতাল...
19/08/2026

বেসরকারি স্কুলেও এবার সাঁওতালি ভাষার পাঠ! ডিপিএস রাঁচি থেকে ঐতিহাসিক সূচনা

রাঁচি: ঝাড়খণ্ডের বেসরকারি স্কুলগুলিতে সাঁওতালি ভাষার পঠন-পাঠন চালুর উদ্যোগ শুরু হয়েছে। ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে সাঁওতালি ভাষাকে আর-১, আর-২ এবং আর-৩-এর আওতায় পড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের প্রাথমিক পর্যায়ে রাঁচির ডিপিএস (Delhi Public School), Ranchi-তে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে সাঁওতালি ভাষার পড়াশোনা শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিবিএসই-র রাঁচি আঞ্চলিক কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বেসরকারি স্কুলগুলির কাছ থেকে সাঁওতালি ভাষা পড়ানোর বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় ডিপিএস রাঁচিতে এই কোর্স চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি স্কুলে সাঁওতালি ভাষার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রসারে এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে সাঁওতালি ভাষার পাঠ

ডিপিএস রাঁচিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে সাঁওতালি ভাষা পড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের কাছ থেকে আগ্রহ ও সম্মতির তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় তথ্য নেওয়া হবে।

সংগৃহীত তথ্য নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সিবিএসই-র কাছে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সিবিএসই-র সিটি কো-অর্ডিনেটর ড. জয়া চৌহান জানিয়েছেন, স্কুলে সাঁওতালি ভাষার পড়াশোনা চালুর জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির অন্যতম কাজ হল সাঁওতালি ভাষার উপযোগী পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক প্রস্তুত করা।

বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তৈরি হচ্ছে পাঠ্যপুস্তক

ডিপিএস রাঁচি প্রাঙ্গণে সাঁওতালি ভাষার পাঠ্যপুস্তক প্রস্তুতের কাজও এগিয়ে চলছে। এর জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সাঁওতালি ভাষার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষাবিদরা রয়েছেন।

প্রতিবেদনে উল্লিখিত সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ঠাকুর প্রসাদ মুর্মু, ড. সুশীল টুডু, ড. জয়া চৌহান, ড. শর্মিলা সরেন, সন্তোষ মুর্মু, অমুল অগাস্টিন হেমব্রম, উলিসন মুর্মু, সিলভেস্টার সরেন এবং প্রাপী দীক্ষিত।

সাঁওতালি ভাষার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা

সাঁওতালি ভাষার পঠন-পাঠন চালুর পাশাপাশি স্কুলগুলিতে সাঁওতালি ভাষার শিক্ষক নিয়োগেরও পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগ ও প্রয়োজনীয় শিক্ষাসামগ্রী তৈরির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু পরীক্ষায় একটি নতুন বিষয় যুক্ত করা নয়; বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বহুভাষিক দক্ষতা, সাঁওতালি ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগ এবং সামগ্রিক বিকাশ ঘটানো।

বেসরকারি স্কুলে সাঁওতালি ভাষার শিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ঝাড়খণ্ডে সাঁওতালি ভাষা শিক্ষার প্রসারে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।

---

বেসরকারি স্কুলেও এবার সাঁওতালি ভাষার পাঠ! ডিপিএস রাঁচি থেকে ঐতিহাসিক সূচনা

Tihinah Khobor আদিবাসী জনগনের কন্ঠস্বর
#আদিবাসী_শিক্ষা #সাঁওতালি_ভাষা #অলচিকি #আদিবাসী_ভাষা #মাতৃভাষার_শিক্ষা

আজ পুরুলিয়া জেলার রঘুনাথপুর সংলগ্ন দুরমুট এলাকায় অমিত মেটালিক্স এর একটি স্পঞ্জ আয়রণ কারখানার শিলান‍্যাস নিয়ে “রঘুনাথপুর ...
17/08/2026

আজ পুরুলিয়া জেলার রঘুনাথপুর সংলগ্ন দুরমুট এলাকায় অমিত মেটালিক্স এর একটি স্পঞ্জ আয়রণ কারখানার শিলান‍্যাস নিয়ে “রঘুনাথপুর মহকুমা দূষণ বিরোধী ও প্রাণপ্রকৃতি রক্ষা মঞ্চের আহ্বায়কবৃন্দ স্বদেশ প্রিয় মাহাত, রাজেন টুডু, শ্রীলোক মাজি জানান…….

আজ পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ‍্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় রঘুনাথপুর শহর সংলগ্ন দুরমুট এলাকায় অমিত ম‍্যাটালিক্স এর একটি স্পঞ্জ আয়রণ কারখানা শিলান‍্যাস করবেন। আর এই শিলান্যাস কে ঘিরে যেন চারিদিকে সাজো সাজো রব। কেউ বলছেন শিল্পায়নের খরা কাটল, কেউ বলছেন উন্নয়নের মুকুটে যুক্ত হল আরেকটি পালক।

আসলে এই কথাগুলো মুষ্টিমেয় সুবিধাবাদী মানুষের। কিন্তু আপামর মানুষ স্পঞ্জ আয়রণ কারখানা নিয়ে কোন উৎসাহ উদ্দীপনার নেই। চোখে মুখে রয়েছে দূষণের আতঙ্ক, ভয়াবহতার ছাপ। পুরুলিয়া জেলায় যতগুলো স্পঞ্জ কারখানা রয়েছে সেগুলোর দূষণে এলাকাবাসীর জীবন বিপর্যস্ত। রঘুনাথপুরের AQI মাঝে মাঝে 200 ছাড়িয়ে যায়। এই কারখানা গুলো প্রতিশ্রুতি যা দেয় তার ছিটেফোটাও বাস্তবায়িত হয় না। দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ছড়ায় ভয়াবহ দূষণ। এক্ষেত্রেও তাই হবে বলে আমরা মনে করি।

ইতিমধ্যে জনশুনানী তে এলাকার মানুষ কে ঢুকতে না দেওয়া, ভূয়ো EIA রিপোর্ট পাশ করানো, জনবসতি এলাকা থেকে কারখানার দূরত্ব না মানা সহ বিভিন্ন নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শিলান‍্যাস করতে চলেছে। যা এলাকাবাসীর প্রতি আবার একবার প্রতারণা ছাড়া কিছুই নয়।

একথা ঠিক কর্মসংস্থানের জন্য শিল্প প্রয়োজন। যে কারনেই এলাকার মানুষ প্রিয় সম্পদ চাষের জমি সরকার কে দিয়েছে। কিন্তু স্পঞ্জ আয়রণ কারখানা ছাড়া কি অন‍্য কিছু করা সম্ভব ছিল না? ইতিমধ্যে এই মহকুমায় দূষনে মৃত্যু শুরু হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামীদিনে মৃত্যু মিছিল শুরু হবে। সরকার যেভাবে এইধরনের কারখানা স্থাপনে প্রমোট করছে তাতে আমরা আরও আশ্চর্য হয়েছি। এমনকি আগামীদিনে আরও তিনটি এইধরনের কারখানা গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তাহলে কি এটাই পুরুলিয়ার উন্নয়ন!

তাই এখনই এলাকাবাসী কে এই দূষণ দানবের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। একথা মনে করার কোন কারণ নে যে, শিলান‍্যাস মানেই কারখানা স্থাপন হয়েগেল। এর আগেও এই জমিতে দুবার শিলান‍্যাস হয়েছে। কিন্তু দূষণ সৃষ্টিকারী কারখানা গড়তে দেয়নি এলাকার মানুষ। তাই এলাকাবাসী সহ রঘুনাথপুর মহকুমার আপনার জনসাধারণের কাছে আমাদের আবেদন আপনারা এই ভয়াবহ দূষণ দানবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। আন্দোলন গড়ে তুলুন।

Address

Purulia

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tihinah Khobor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share