Tapan Chatterjee Official

Tapan Chatterjee Official Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tapan Chatterjee Official, Digital creator, Purulia.

প্রয়াত ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রভাবশালী অভিনেতা নানা পাটেকর।আসল নাম বিশ্বনাথ পাটেকর, ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম প্রথাব...
08/10/2026

প্রয়াত ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রভাবশালী অভিনেতা নানা পাটেকর।
আসল নাম বিশ্বনাথ পাটেকর, ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম প্রথাবিরোধী ও প্রভাবশালী অভিনেতা, পরিচালক এবং সমাজসেবক। দীর্ঘ সাড়ে চার দশকের অভিনয়জীবনে তিনি হিন্দি ও মারাঠি সিনেমায় এক অসামান্য প্রভাব বিস্তার করেছেন।
​তাঁর অভিনয়শৈলী ছিল সম্পূর্ণ নিজস্ব ও স্বকীয়। তীব্র চাহনি, সংলাপে অনন্য নাটকীয়তা এবং চরিত্রের ভেতরে পুরোপুরি মিশে যাওয়ার অদ্ভুত ক্ষমতার জন্য তিনি আলাদা পরিচিতি পান। খলনায়ক, নায়ক, গম্ভীর চরিত্র কিংবা কৌতুক দৃশ্য—সবক্ষেত্রেই তিনি সমানে পারদর্শী। 'ক্রান্তিবীর' সিনেমায় তাঁর কালজয়ী পারফর্ম্যান্স আজও রূপালী পর্দার সম্পদ, যার জন্য তিনি সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া 'পরিন্দা' ও 'অঙ্গার' ছবিতে খলনায়ক রূপ, 'প্রহার' ছবিতে পরিচালনা ও সেনাকর্তার কড়া ভূমিকা, 'নাটসম্রাট' ছবিতে তাঁর আবেগঘন পারফর্ম্যান্স এবং 'ওয়েলকাম' সিনেমার জনপ্রিয় কৌতুক চরিত্র 'উদয় শেট্টি'—প্রতিটি ভূমিকাতেই তিনি দর্শকমনে গভীর দাগ কেটেছেন।
​অনবদ্য অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন একাধিক জাতীয় পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড এবং ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান 'পদ্মশ্রী'।
​তবে শুধু একজন অভিনেতা হিসেবেই নয়, একজন অত্যন্ত মানবিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তিনি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন। অভিনেতা মকরন্দ অনাসপুরের সাথে যৌথভাবে তিনি গড়ে তোলেন 'নাম ফাউন্ডেশন', যা মহারাষ্ট্রের খরা-পীড়িত কৃষক পরিবার ও আত্মহত্যাকারী কৃষকদের স্বজনদের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা জোগায়। ব্যক্তিগত জীবনে সবসময়ই অনাড়ম্বর ও প্রচারবিমুখ জীবনযাপন পছন্দ করা এই মানুষটি ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর অনন্য কাজ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমে সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

মেঘনাদ সাহা, ভারতীয় বাঙালি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তিনি গণিত নিয়ে পড়াশোনা করলেও পদার্থবিজ্ঞান ও ...
06/10/2026

মেঘনাদ সাহা, ভারতীয় বাঙালি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তিনি গণিত নিয়ে পড়াশোনা করলেও পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়েও গবেষণা করেছেন। তিনি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে তাপীয় আয়নীকরণ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর আবিষ্কৃত সাহা আয়নীভবন সমীকরণ নক্ষত্রের রাসায়নিক ও ভৌত ধর্মগুলো ব্যাখ্যা করতে অপরিহার্য। তিনি ভারতে নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞানে আধুনিক গবেষণার জন্য ১৯৫০ সালে পশ্চিমবঙ্গে সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স প্রতিষ্ঠা করেন। পদার্থবিজ্ঞানে তাঁর অবদানের জন্য ১৯২৭ সালে লন্ডনের রয়াল সোসাইটি তাঁকে এফআরএস নির্বাচিত করে।
আজ এই বিশ্বনন্দিত বিজ্ঞানীর শুভ জন্মদিবস। আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য 🙏💐🙏

প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়। সমাজ ও মানবসভ্যতার বিকাশে শিক্ষকদের অপরিসীম অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মর...
05/10/2026

প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়। সমাজ ও মানবসভ্যতার বিকাশে শিক্ষকদের অপরিসীম অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার দিন এটি।
শিক্ষক শুধু পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান প্রদান করেন না; একজন প্রকৃত শিক্ষক শিক্ষার্থীর চিন্তাশক্তি, সৃজনশীলতা, নৈতিক মূল্যবোধ ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলেন। তাঁদের প্রজ্ঞা, ধৈর্য, নিষ্ঠা ও আন্তরিক দিকনির্দেশনা একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
একজন আদর্শ শিক্ষক শিক্ষার্থীর সুপ্ত প্রতিভাকে চিনতে সাহায্য করেন, জ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি করেন এবং প্রতিকূলতার মধ্যেও অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে চলার প্রেরণা দেন। শ্রেণিকক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে তাঁদের শিক্ষা ও আদর্শ একজন শিক্ষার্থীর চরিত্র, ব্যক্তিত্ব এবং ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত নির্মাণ করে।
বিশ্ব শিক্ষক দিবস শুধু শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিন নয়; এটি তাঁদের মর্যাদা, পেশাগত স্বাধীনতা, দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার গুরুত্বও স্মরণ করিয়ে দেয়।
একটি দেশের জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কারণ, একজন শিক্ষকের হাত ধরেই গড়ে ওঠে আগামী দিনের নাগরিক ও নেতৃত্ব।
সমস্ত শিক্ষককে জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা।

05/10/2026

আজ ৫ অক্টোবর। ১৮১৩ সালের এই দিনে কলকাতায় জন্মেছিলেন রাধানাথ শিকদার—এক অসাধারণ বাঙালি গণিতবিদ, জরিপবিদ ও বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ, যাঁর নাম জড়িয়ে আছে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা নির্ণয়ের ইতিহাসের সঙ্গে।
ছাত্রজীবন থেকেই গণিতে তাঁর অসাধারণ প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায়। হিন্দু কলেজে পড়ার সময় তিনি নিউটনের Principia, ইউক্লিডের জ্যামিতি ও উচ্চতর গণিত অধ্যয়ন করেন। মাত্র কুড়ি বছর বয়সের আগেই জ্যামিতির একটি সমস্যার নিজস্ব সমাধান তৈরি করে তা প্রকাশিত হয়েছিল বিজ্ঞানবিষয়ক পত্রিকায়।
১৮৩১ সালে তিনি যোগ দেন Great Trigonometrical Survey of India-তে। তিনিই ছিলেন এই জরিপ দপ্তরের প্রথম দিকের ভারতীয় ‘Computer’ বা গণনাবিদদের একজন। তাঁর অসাধারণ গাণিতিক দক্ষতার জন্য জর্জ এভারেস্ট ও পরবর্তীকালে অ্যান্ড্রু স্কট ওয়াফ তাঁর উপর আস্থা রাখতেন। ১৮৫১ সালে তিনি Chief Computer পদে উন্নীত হন।
১৮৫২ সালে রাধানাথ শিকদার ত্রিকোণমিতিক গণনার মাধ্যমে তৎকালীন Peak XV-এর উচ্চতা নির্ণয় করেন। তাঁর হিসাবেই বোঝা যায়, শৃঙ্গটি তখনকার ধারণার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার থেকেও উঁচু। পরে ১৮৫৫ সালে ভারতীয় জরিপ বিভাগ Peak XV-কে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিসেবে ঘোষণা করে। ১৮৫৬ সালে শৃঙ্গটির নাম রাখা হয় Mount Everest।
তবে রাধানাথের কৃতিত্ব শুধু এভারেস্টের উচ্চতা নির্ণয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। কলকাতার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। ১৮৫২ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতার Surveyor General’s Observatory-এর দায়িত্বে ছিলেন এবং নিয়মিত ও পদ্ধতিগত আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
দুঃখের বিষয়, তাঁর অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি সবসময় ইতিহাসে প্রতিফলিত হয়নি। এমনকি তাঁর মৃত্যুর পর Manual of Surveying for India-এর তৃতীয় সংস্করণে তাঁর নাম বাদ দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল, যা সে সময়ের সংবাদপত্রে সমালোচিত হয়েছিল।
রাধানাথ শিকদার ১৭ মে ১৮৭০ সালে প্রয়াত হন। তিনি কোনোদিন এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখেননি। কিন্তু তাঁর গণিত, যুক্তি ও মেধার সাহায্যে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গকে পরিমাপ করেছিলেন।
পর্বতটি আজও এভারেস্ট নামে পরিচিত, কিন্তু তার উচ্চতা নির্ণয়ের ইতিহাসে রাধানাথ শিকদারের নাম চিরস্মরণীয়।
তাঁর জন্মদিনে এই বিস্মৃতপ্রায় বাঙালি বিজ্ঞানমনস্ক প্রতিভাকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

04/10/2026
বিশ্ব প্রাণী দিবস, সাইনোলজিস্ট হেনরিখ জিমারম্যান দ্বারা উদ্ভূত হয়েছিল । তিনি জার্মানির বার্লিনে স্পোর্ট প্যালেসে ১৯২৫ স...
04/10/2026

বিশ্ব প্রাণী দিবস, সাইনোলজিস্ট হেনরিখ জিমারম্যান দ্বারা উদ্ভূত হয়েছিল । তিনি জার্মানির বার্লিনে স্পোর্ট প্যালেসে ১৯২৫ সালের ২৪শে মার্চ প্রথম বিশ্ব প্রাণী দিবসের আয়োজন করেন । এই প্রথম অনুষ্ঠানে পাঁচ হাজার জনেরও বেশি লোক অংশগ্রহণ করেছিল। দিবসটি ৪ঠা অক্টোবরের জন্য নির্ধারিত হয়েছিল, অ্যাসিসির সেন্ট ফ্রান্সিস , বাস্তুশাস্ত্রের পৃষ্ঠপোষক সাধকের ভোজ দিবসের সাথে সারিবদ্ধ করার জন্য। তবে ওই দিন ভেন্যু পাওয়া যায়নি। ১৯২৯ সালে প্রথমবারের মতো ৪ঠা অক্টোবর হয়। প্রতি বছর, জিমারম্যান বিশ্ব প্রাণী দিবসের প্রচারে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। অবশেষে, মে ১৯৩১ সালে ইতালির ফ্লোরেন্সে আন্তর্জাতিক প্রাণী সুরক্ষা কংগ্রেসে ৪ঠা অক্টোবরকে বিশ্ব প্রাণী দিবস হিসাবে সর্বজনীন করার প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।

04/10/2026

আজ তিনি পরপারে হয়তো চম্পা, চামেলি, গোলাপের বাগে, তবুও তাঁর গানের ঈন্দ্রধনু স্বপ্ন ছড়ায় প্রতিটি সঙ্গীতপ্রেমী মানুষের হৃদয়ে।
আজ গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের শুভ জন্মদিবস। আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য 🙏💐🙏

04/10/2026

দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ২০২৬ এশিয়ান গেমস অভিযান শেষ করল ভারত। মোট ৮৫টি পদক জিতে সামগ্রিক পদক তালিকায় চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে দেশ। ভারতের ঝুলিতে রয়েছে ২১টি সোনা, ২৯টি রুপো এবং ৩৫টি ব্রোঞ্জ।
শনিবার পুরুষদের হকি ফাইনালে মালয়েশিয়াকে ৫–১ গোলে হারিয়ে ভারত শেষ সোনার পদকটি জয় করে নেয়। দুর্দান্ত এই জয়েই গর্বের সঙ্গে শেষ হয় ভারতের এশিয়ান গেমস অভিযান।
তীরন্দাজি, অ্যাথলেটিক্স, শুটিং, কাবাডি, ক্রিকেটসহ একাধিক খেলায় ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের অসাধারণ পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে। তাঁদের আত্মবিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম এবং লড়াকু মানসিকতা বারবার প্রমাণ করেছে—বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে ভারত এখন আর শুধু অংশগ্রহণকারী নয়, বরং অন্যতম শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী।
৮৫টি পদক—একটি সংখ্যা নয়, এটি অসংখ্য ক্রীড়াবিদের পরিশ্রম, স্বপ্ন ও আত্মত্যাগের প্রতিচ্ছবি।
চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার পর এশিয়ার অন্যতম প্রধান মাল্টি-স্পোর্ট শক্তি হিসেবে আরও একবার নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করল ভারত।
🇮🇳 গর্বিত ভারত। গর্বিত ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা

🏆 ইতিহাস সৃষ্টি, শিরোপা রক্ষা! 🇮🇳এশিয়ান গেমসে আবারও সোনার পদক জিতল ভারতীয় পুরুষ হকি দল!হাংঝৌ ২০২৩-এর পর ২০২৬ আইচি-নাগো...
03/10/2026

🏆 ইতিহাস সৃষ্টি, শিরোপা রক্ষা! 🇮🇳
এশিয়ান গেমসে আবারও সোনার পদক জিতল ভারতীয় পুরুষ হকি দল!
হাংঝৌ ২০২৩-এর পর ২০২৬ আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসেও সোনা জিতে এশিয়ান গেমসে নিজেদের শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখল ভারত।
এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভারতীয় পুরুষ হকি দল পরপর দুটি আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়ে শিরোপা ধরে রাখার কৃতিত্ব অর্জন করল।
দুর্দান্ত লড়াই, অসাধারণ দলগত সংহতি এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জয়ের জন্য অদম্য মানসিকতা—সব মিলিয়ে আরও একবার এশিয়ার হকির মঞ্চে ভারতের শ্রেষ্ঠত্বের সাক্ষর।
ভারতীয় হকি দলের এই ঐতিহাসিক সাফল্য গোটা দেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত। অভিনন্দন টিম ইন্ডিয়া।
তেরঙ্গা আরও একবার গর্বের সঙ্গে উড়ল! 🇮🇳

Address

Purulia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tapan Chatterjee Official posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share