Tapan Chatterjee Official

Tapan Chatterjee Official Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tapan Chatterjee Official, Digital creator, Purulia.

আকাশপথে নতুন স্বপ্ন—আলমোরার রবি টামটার HAPIDA SKYNeXপাহাড়ি পথের দুর্গমতা আর দীর্ঘ যাত্রার সময়কে পেছনে ফেলে ভবিষ্যতের প...
08/08/2026

আকাশপথে নতুন স্বপ্ন—আলমোরার রবি টামটার HAPIDA SKYNeX
পাহাড়ি পথের দুর্গমতা আর দীর্ঘ যাত্রার সময়কে পেছনে ফেলে ভবিষ্যতের পরিবহণ ব্যবস্থার এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের আলমোরার তরুণ উদ্ভাবক রবি টামটা।
রবি টামটা তৈরি করেছেন HAPIDA SKYNeX—একটি এক-আসনের বৈদ্যুতিক ব্যক্তিগত উড়ন্ত যান। ড্রোন প্রযুক্তির উন্নত রূপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই প্রোটোটাইপের সফল পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে।
ভাবুন, যে পথ পাড়ি দিতে সড়কপথে প্রায় দেড় ঘণ্টা লাগে, ভবিষ্যতে সেই পথ আকাশপথে অতিক্রম করা যেতে পারে মাত্র কয়েক মিনিটে। বিশেষ করে পাহাড়ি ও দুর্গম অঞ্চলে দ্রুত যোগাযোগের ক্ষেত্রে এমন প্রযুক্তি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
রবি টামটার এই উদ্যোগ শুধু একটি উড়ন্ত যান তৈরির গল্প নয়; এটি ভবিষ্যতের আরও সহজলভ্য, পরিবেশবান্ধব ও দ্রুত Air Mobility-র স্বপ্নকে বাস্তবের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার এক সাহসী পদক্ষেপ।
ছোট শহর, সীমিত সুযোগ—তবু বড় স্বপ্ন।
ভারতের তরুণ উদ্ভাবনের এই গল্প সত্যিই অনুপ্রেরণার

মাত্র ৫ টাকার বিস্কুটে এক রুশ পর্যটকের বিস্ময়!কখনও কখনও খুব ছোট্ট একটি ঘটনা, অচেনা একটি দেশের প্রতি নতুন করে বিস্ময় তৈরি...
08/08/2026

মাত্র ৫ টাকার বিস্কুটে এক রুশ পর্যটকের বিস্ময়!
কখনও কখনও খুব ছোট্ট একটি ঘটনা, অচেনা একটি দেশের প্রতি নতুন করে বিস্ময় তৈরি করে। ভারতে এসে তেমনই এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন এক রুশ পর্যটক।
মাত্র ৫ টাকায় একটি বিস্কুটের প্যাকেট কিনে তিনি রীতিমতো অবাক। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে তাঁর মন্তব্য, রাশিয়ায় এই সামান্য অর্থে একটি চুইংগাম কেনাও সম্ভব নয়। অথচ ভারতে সেই ৫ টাকাতেই পাওয়া যাচ্ছে একটি বিস্কুটের প্যাকেট—যা তাঁর কাছে বেশ আশ্চর্যের বিষয়।
তাঁর এই ছোট্ট অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। অনেকেই ভারতের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামের কথা তুলে ধরেছেন। যদিও দেশভেদে মানুষের আয়, মুদ্রার মূল্য, করব্যবস্থা এবং জীবনযাত্রার খরচে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে, তবুও এই তুলনাটি নিঃসন্দেহে অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
আমরা প্রতিদিন যে জিনিসগুলোকে খুব স্বাভাবিক বলে ধরে নিই, একজন বিদেশি পর্যটকের চোখে সেগুলোই কখনও কখনও হয়ে ওঠে বিস্ময়ের কারণ। একটি ছোট্ট কেনাকাটা তাই শুধু কেনাকাটায় সীমাবদ্ধ থাকে না—তার সঙ্গে জড়িয়ে যায় একটি দেশের জীবনযাত্রাকে নতুন চোখে দেখার অভিজ্ঞতাও।
ভারতের সাধারণ জীবনের এমন ছোট ছোট মুহূর্তই কখনও কখনও বিদেশির চোখে হয়ে ওঠে স্মরণীয়।

08/08/2026

পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মৃত্যুবার্ষিকীতে আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য 🙏💐🙏

“তখন কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি…”আট দশকের দীর্ঘ জীবনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমন কোনো সৃষ্টির আঙিনা রাখেননি, যেখান...
08/08/2026

“তখন কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি…”
আট দশকের দীর্ঘ জীবনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমন কোনো সৃষ্টির আঙিনা রাখেননি, যেখানে তাঁর পদচিহ্ন অঙ্কিত হয়নি। কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, চিত্রকলা কিংবা দর্শন—জীবন ও সাহিত্যের প্রতিটি বাঁকে তিনি বাঙালির সামনে খুলে দিয়েছেন নতুন দিগন্তের দুয়ার।
তাঁর প্রস্থান তাই কোনো অন্তিমের নাম নয়। তিনি চলে গিয়েও থেকে গেছেন তাঁর অক্ষয় সৃষ্টির মধ্যে, আমাদের ভাষায়, আমাদের চেতনায়, আমাদের স্বপ্নে। বাঙালি থেকে বিশ্বমানব—আজও পথ চলার অন্ধকারে তাঁর সৃষ্টির স্ফুলিঙ্গই আমাদের পথ দেখায়।
তাঁর রেখে যাওয়া অসীম, অতল সৃষ্টিসম্ভার আমাদের পরম পাথেয়। সেই সৃষ্টির মহাসমুদ্রে যখনই আমরা মন ও প্রাণ নিয়ে অবগাহন করি, তখনই যেন অন্তর থেকে ভেসে আসে সেই অমোঘ উচ্চারণ—
“কোথাও দুঃখ, কোথাও মৃত্যু, কোথাও বিচ্ছেদ নাই।”
বাইশে শ্রাবণ তাই কেবল শোকের দিন নয়; এ দিন অমর সৃষ্টির কাছে ফিরে যাওয়ার দিন, নিভে যাওয়া প্রদীপে নতুন আলোর সলতে জ্বালানোর দিন, হৃদয়ের গভীরে নতুন প্রাণের আবাহনের দিন।
“তখন কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি…” তিনি নেই—তবু তাঁর গান আছে, তাঁর শব্দ আছে, তাঁর আলো আছে। তাই তিনি আজও আমাদের প্রভাতে, আমাদের পথের পাশে, আমাদের অন্তরের অন্তঃপুরে।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম মহাপ্রয়াণ দিবসে তাঁর অমর সত্তার প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ও শতকোটি প্রণাম।🙏💐🙏

07/08/2026
আজ ৭ আগস্ট—ভারতীয় আধুনিক চিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ, শিল্পাচার্য অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন।১৮৭১ সালের এই দিনে জোড়াসাঁক...
07/08/2026

আজ ৭ আগস্ট—ভারতীয় আধুনিক চিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ, শিল্পাচার্য অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন।
১৮৭১ সালের এই দিনে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে জন্ম তাঁর। চিত্রকলার প্রথম পাঠ ইতালীয় শিল্পী গিলার্ডির কাছে; পরে সি. এল. পামারের কাছে লাইফ স্টাডি ও তেলরঙের শিক্ষা নেন। কিন্তু পাশ্চাত্য শিক্ষার গণ্ডিতে আবদ্ধ না থেকে তিনি ফিরে তাকিয়েছিলেন ভারতীয় শিল্পঐতিহ্যের দিকে। তাঁর শিল্পচিন্তা থেকেই ধীরে ধীরে বিকশিত হয় ‘বেঙ্গল স্কুল’, যা ভারতীয় শিল্পকলায় স্বদেশি চেতনার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।
ভারতীয় রীতিতে তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রথম চিত্রাবলি ‘কৃষ্ণলীলা-সংক্রান্ত’। তাঁর বিখ্যাত ‘ভারতমাতা’ চিত্রটি পরবর্তীকালে স্বদেশি ভাবধারার এক প্রতীক হয়ে ওঠে।
তবে অবনীন্দ্রনাথ শুধু তুলির শিল্পী ছিলেন না, তিনি ছিলেন শিশুমনেরও এক আশ্চর্য জাদুকর। ‘ক্ষীরের পুতুল’, ‘নালক’, ‘বুড়ো আংলা’, ‘রাজকাহিনী’—তাঁর সৃষ্টির পাতায় আজও শৈশব কল্পনার ডানা মেলে।
রবীন্দ্রনাথ তাঁর শিল্পসাধনার যথার্থ মূল্যায়ন করে বলেছিলেন—অবনীন্দ্রনাথ দেশকে “আত্মনিন্দা থেকে, আত্মগ্লানি থেকে” মুক্ত করে তার সম্মানের পদবি উদ্ধার করেছেন।
তাঁর তুলিতে ভারত খুঁজে পেয়েছিল নিজের মুখ, আর তাঁর কলমে শৈশব খুঁজে পেয়েছিল নিজের স্বপ্নের রাজ্য।
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনে জানাই আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য 🙏💐🙏

"একদিন যে হাত ধরে হাঁটতে শিখিয়েছিল, শেষযাত্রায় সেই হাত ধরার মানুষও রইল না..."একটি ভাইরাল হওয়া হৃদয়বিদারক ভিডিওর ঘটনা...
06/08/2026

"একদিন যে হাত ধরে হাঁটতে শিখিয়েছিল, শেষযাত্রায় সেই হাত ধরার মানুষও রইল না..."
একটি ভাইরাল হওয়া হৃদয়বিদারক ভিডিওর ঘটনাটি ঘটে গত ৪ঠা অগাষ্ট। এই ঘটনাটি শুধু একটি সংবাদ নয়, আমাদের সময়ের নির্মম বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।
হরিয়ানার সোনিপতের একটি বৃদ্ধাশ্রমে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন এক বৃদ্ধ পিতা। একসময় তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। নিজের স্বপ্ন, সুখ আর স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে তিন কন্যার ভবিষ্যৎ গড়ে তুলেছিলেন। তিন জনের দুজন শিক্ষিকা এবং একজন বিদেশে প্রতিষ্ঠিত! কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! জীবনের শেষ আশ্রয় হলো একটি বৃদ্ধাশ্রম, আর শেষ বিদায়টুকুও মিলল মোবাইলের পর্দার ওপার থেকে।
বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়ে কন্যারা অনলাইনে ৫০০১ টাকা শেষকৃত্যের খরচ পাঠালেন। তারপর ভিডিওকলে যুক্ত হয়ে বাবার শেষযাত্রা দেখলেন। তারপর আগুন জ্বলে উঠল চিতায়। শেষ হয়ে গেল একজন পিতার সমগ্র জীবনসংগ্রামের শেষ অধ্যায়।
প্রযুক্তি মানুষের দূরত্ব কমানোর জন্য এসেছিল। অথচ আজ সেই প্রযুক্তিই যেন অনেক ক্ষেত্রে সম্পর্কের উষ্ণতার বিকল্প হয়ে উঠছে। যোগাযোগ বাড়ছে, কিন্তু হৃদয়ের টান কি কমে যাচ্ছে? কর্তব্য পালন হচ্ছে, অথচ ভালোবাসার স্পর্শ কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে।
সন্তানদের ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বা অজানা বাস্তবতা সম্পর্কে আমরা সব জানি না; তাই কাউকে তড়িঘড়ি বিচার করা উচিত নয়। কিন্তু এই ঘটনাটি আমাদের প্রত্যেককে নিজের বিবেকের সামনে দাঁড় করিয়ে একটি প্রশ্ন করতেই বাধ্য করে— আমরা কি এমন এক সমাজের দিকে এগিয়ে চলেছি, যেখানে বাবা-মায়ের শেষ বিদায়ও একদিন শুধুই একটি ভিডিওকলের পর্দায় সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন—
"মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ।"
এই বিশ্বাস যেন আমাদের নিজেদের ঘর থেকেই হারিয়ে না যায়। কারণ পৃথিবীর সব সাফল্য, সব ব্যস্ততা, সব অর্জনের ঊর্ধ্বে একজন বাবা-মায়ের স্নেহ, আশীর্বাদ এবং তাঁদের পাশে থাকার দায়িত্ব।
মনে রাখবেন, অর্থ দিয়ে কর্তব্যের হিসাব মেটানো যায়, কিন্তু ভালোবাসার ঋণ কখনও শোধ করা যায় না। বাবা-মা বেঁচে থাকতে তাঁদের পাশে দাঁড়ান, তাঁদের সময় দিন, তাঁদের হাতটা শক্ত করে ধরুন। কারণ একদিন হয়তো সময় থাকবে, কিন্তু তখন আর সেই মানুষ দুটি অপেক্ষা করবেন না।
সম্পর্ককে প্রযুক্তির নয়, হৃদয়ের স্পর্শে বাঁচিয়ে রাখুন। কারণ জীবনের কিছু মুহূর্ত আছে, যা কোনো ভিডিওকল, কোনো ডিজিটাল পর্দা, কোনো প্রযুক্তিই কখনও পূরণ করতে পারে না।

ফ্রান্সের সংসদ একটি ঐতিহাসিক বিল পাস করেছে, যার মাধ্যমে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ ...
06/08/2026

ফ্রান্সের সংসদ একটি ঐতিহাসিক বিল পাস করেছে, যার মাধ্যমে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গতকাল ফ্রান্সের সংসদের উভয় কক্ষের আইনপ্রণেতারা এই আইনের পক্ষে ভোট দেন। একই সঙ্গে, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এই আইন কার্যকর হলে, ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সামগ্রিক নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম দেশ হবে ফ্রান্স। বিশ্বজুড়ে শিশুদের ওপর ডিজিটাল কনটেন্টের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে অনলাইন বিশ্বকোষ, শিক্ষামূলক ও বৈজ্ঞানিক তথ্যভান্ডার বা নির্দেশিকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

🚦 ইতিহাসের এই দিনে: পথচলা শুরু করেছিল পৃথিবীর প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাফিক লাইট! 🚦আজ ৫ আগস্ট। ১৯১৪ সালের আজকের এই দিনে আমেরিক...
05/08/2026

🚦 ইতিহাসের এই দিনে: পথচলা শুরু করেছিল পৃথিবীর প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাফিক লাইট! 🚦
আজ ৫ আগস্ট। ১৯১৪ সালের আজকের এই দিনে আমেরিকার ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ক্লিভল্যান্ড শহরের ইউক্লিড অ্যাভিনিউ এবং পূর্ব ১০৫ নম্বর রাস্তার সংযোগস্থলে প্রথম বসানো হয়েছিল বৈদ্যুতিক ট্রাফিক লাইট। জেমস হগের নকশা করা এই আবিষ্কারটি সড়ক নিরাপত্তার ইতিহাসে এক বিশাল মাইলফলক।
💡 প্রথম ট্রাফিক লাইট সম্পর্কে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য:
ছিল না কোনো হলুদ আলো: আজকের যুগের মতো তখন লাল, হলুদ ও সবুজ—এই তিন রঙ ছিল না। প্রথম ট্রাফিক লাইটে ছিল কেবল লাল এবং সবুজ আলো।
শব্দ সংকেত: আলো যখন লাল থেকে সবুজ বা সবুজ থেকে লাল হতো, তখন চালকদের সতর্ক করার জন্য একটি তীব্র বুজার (Buzzer) শব্দ বাজানো হতো।
ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণ: এটি আজকের মতো স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেটিক ছিল না। রাস্তার পাশে একটি বুথ বা ঘরে বসে ট্রাফিক পুলিশ ম্যানুয়ালি সুইচ চেপে এই লাইট নিয়ন্ত্রণ করতেন।
জরুরি সুবিধা: পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসার সময় ট্রাফিক লাইটের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তন করে দ্রুত রাস্তা ফাঁকা করার ব্যবস্থাও এতে ছিল।
যানবাহন ও সড়ক ব্যবস্থাপনায় এই একটি আবিষ্কার পুরো পৃথিবীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বদলে দিয়েছিল। আজকের ব্যস্ত শহরের ট্রাফিক লাইটের দিকে তাকালে ১১২ বছর আগের এই সাধারণ কিন্তু বৈপ্লবিক শুরুটার কথাই মনে পড়ে যায়।
সবাই নিরাপদে গাড়ি চালান, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলুন। 🛣️

Address

Purulia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tapan Chatterjee Official posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share