27/06/2025
প্রায় তিরিশ বছর আগে বানানো এই B-2 প্লেন গুলো পৃথিবীর সব চাইতে দামী ফাইটার জেট।
মাত্র ২১ টা বানানো হয়েছে, একেকটা বানাতে খরচ ২ বিলিয়ন ডলার।
এগুলো আমেরিকার মাটি বা টেরিটোরি থেকে উড়ে সারা পৃথিবীর যেকোন খানে হামলা করে ফিরে আসতে পারে।
দুই জন পাইলট থাকে একেকটার ভেতর।
একেকটা বোম্বিং ফ্লাইট ৪৭ ঘণ্টা লম্বাও হতে পারে এক টানা।
এই প্লেনে কোন বাথরুম নেই।
ছোট ছোট ব্যাগে পেশাপ করে জমিয়ে রাখে পাইলট দুজন। মেপে মেপে পানি খায়।
ছোট ছোট প্যাকেটে খাবার থাকে। সেগুলো খায়।
হাগু করার সময় একজন সিট থেকে উঠে গিয়ে ছোট্ট একটা কেমিকেল পটিতে হাগু করে সিটে এসে বসে। কাজের সময় কোন ওয়াল বা প্রাইভেসি থাকে না।
দুই পাইলটের সিটের পেছনে ছোট্ট একটা বেড আছে, যেখানে একজন ঘুমায় অন্যজন প্লেন চালায়।
হাঁটার জায়গা নেই, জাস্ট দাঁড়ানো যায়।
এই প্লেনে পাইলটরা জাস্ট উঠে রওনা দেয়, জানেই না কোথায় যাচ্ছে বা কোথায় যেতে হবে অনেক সময়।
ওদেরকে ওষুধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয় মিশনের কিছু দিন আগে থেকে, মিশনের দিন সকালে প্লেনে উঠিয়ে দিয়ে বলা হয় আকাশে উঠে কোন এক দিকে চলে যাও।
মিশনের ঠিক আগে দিয়ে জানানো হয় ঠিক কোথায়, কি কাজটা করতে হবে।
এইবার ইরানের আক্রমণের সময় দুই দল প্লেন দুই দিকে উড়ানো হয়।
যেই দলটা ইরানে আক্রমণ করে সেখানে অন্তত একজন নারী পাইলট ছিল এই মিশনে।
সে কিভাবে কি করলো উপরের বর্ণনার আলোকে এটা ভেবে কিছুটা অস্থির হয়ে যেতে পারে কোন কোন পাঠক অন্তত খানিক ক্ষণ।