Giggle Gang

Giggle Gang Posting group activities like tourism, Family function etc.

পর্ব ৬: সান্দাকফু এর দ্বিতীয় দিন ও ফেরার পালা তারিখ: ১.১০.২০২৫শায়িত বুদ্ধ ও মাউন্ট এভারেস্ট কে দেখার জন্য শেষ প্রচেষ্ট...
05/10/2025

পর্ব ৬: সান্দাকফু এর দ্বিতীয় দিন ও ফেরার পালা
তারিখ: ১.১০.২০২৫

শায়িত বুদ্ধ ও মাউন্ট এভারেস্ট কে দেখার জন্য শেষ প্রচেষ্টা । সারারাত মুষলধারে বৃষ্টির পর সকাল ৫:০০ টায় আকাশ পরিষ্কার হয় । আমাদের ২ দিনের সান্দাকফু এর প্ল্যান করা এই জন্যই যাতে একদিন দেখতে না পেলেও আরেকদিন পাই ।

দ্বিতীয় দিনের ভিউ মন খুশ করে দেয় । কাঞ্চনজঙ্ঘা আর মাউন্ট এভারেস্ট দুটোই দেখতে পাই ।

আমাদের প্রায় ৭ ঘণ্টার যাত্রা করে শিলিগুড়ি পৌঁছাতে হবে তাই বেশি দেরি না করে ৮:০০ টায় বেরিয়ে পড়লাম ।

বিকাল ৪ টের সময় শিলিগুড়ি জাংশান পৌঁছে যাই ।
ট্রেন ছিলো ৭:৩৫ এ কাঞ্চন কন্যা । ট্রেন প্রায় ২:০০ ঘন্টা দেরি করে ।

কামারকুন্ডু স্টেশন পৌঁছলাম সকাল ৮:০০ টায় ।

এবার পরের যাত্রার প্ল্যান করা ।

পর্ব ৫: সান্দাকফু এর প্রথম দিন তারিখ: ৩০.০৯.২০২৫সারারাত বৃষ্টির পর আশা ছিলো ভালো আবহাওয়া পাব । হোটেল থেকে আগেরদিন রাতে ...
05/10/2025

পর্ব ৫: সান্দাকফু এর প্রথম দিন
তারিখ: ৩০.০৯.২০২৫

সারারাত বৃষ্টির পর আশা ছিলো ভালো আবহাওয়া পাব । হোটেল থেকে আগেরদিন রাতে বলে দিয়েছিল ৫:৩০ নাগাদ ভিউ পাওয়া যাবে । সেরকম মতোই সবাই তৈরি হয়ে হোটেলের ছাদে যাই । দুর্ভাগ্য শুধু কাঞ্চন দা দেখা দিল ।

৬:৩০ নাগাদ চা খেয়ে থাকুম ভ্যালি যাওয়ার জন্য তৈরি হওয়া শুরু। ৮:৩০ এ জলখাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম থাকুম ভ্যালি এর দিকে ।

রাস্তায় আহল দেখে আমরা যাই থাকুম ভ্যালি । ফেরার পথে বড় রকম বিপদের হাত থেকে রক্ষা পাই । আমাদের ল্যান্ড রোভার কাদায় পিছলে পাল্টি খাবার পরিস্থিতি হয় । ড্রাইভারের অভিজ্ঞতার জোরে বিপদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া । তখন বুঝলাম কেন ল্যান্ড রোভার কাউন্টার থেকে বলেছিল যে ড্রাইভার খুব অভিজ্ঞ ।

যাইহোক, প্রাণ বাঁচিয়ে হোটেল ঢুকতেই আবার ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি , চললো প্রায় সারারাত । পরের দিন আমাদের ফেরার পালা । তাই শায়িত বুদ্ধ আর মাউন্ট এভারেস্ট কে একবার দেখার শেষ প্রচেষ্টা আগামী দিন করতেই হবে ।

ক্রমশ:…

পর্ব ৪: টুমলিং থেকে সান্দাকফু তারিখ: ২৯.০৯.২০২৫সকালের জলখাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম সান্দাকফু এর উদ্দেশ্যে । টুমলিং এ জলখ...
03/10/2025

পর্ব ৪: টুমলিং থেকে সান্দাকফু
তারিখ: ২৯.০৯.২০২৫

সকালের জলখাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম সান্দাকফু এর উদ্দেশ্যে । টুমলিং এ জলখাবারে একটা নতুন জিনিস খেলাম, তিবেটিয়ান পাউরুটি । অসাধারণ খেতে, হালকা মিষ্টি, ছোলা আর আলুর তরকারি দিয়ে ভালোই লাগল । ভোর ভোর উঠে স্থানীয় জায়গাটা ঘুরে দেখার সুযোগ হাতছাড়া করি নি । দুর্ভাগ্য যে কাঞ্চনজঙ্ঘা সেদিন দেখা দেয় নি ।

সান্দাকফু এর রাস্তা সিঙ্গলীলা ন্যাশনাল পার্ক এর ভেতর দিয়ে, জঙ্গলে সাফারি করার অভিজ্ঞতা হলো প্রায় ৩০ মিনিটের মতন । এসে পৌঁছলাম কালীপখড়ি । সেখানে শেষ ভারত সরকারের চেকিং হলো । নাম নথিভুক্ত করে যেতে হবে নেপালের সান্দাকফু । কালীপখড়িয়ের পবিত্র জলাশয় ও চারপাশের মনোরম আবহাওয়া উপভোগ করলাম বেশ কিছুক্ষন।

নেপালে পা রাখতেই দিতে হলো প্রবেশ মূল্য । কিন্তু সেই মূল্যের বিনিময় অন্তত ভালো রাস্তা পাওয়ার আশাটাও রইল না কিছুদূর এগোতেই । কেন যে সান্দাকফু দুর্গম সেটা বুঝতে শুরু করলাম এবার । শুধু পাথর আর কাদা মাটির গর্ত রাস্তাময় । শেষের ১২-১৩ কিলোমিটার যেতে প্রায় ১:৩০ ঘণ্টা মতো সময় লাগল।

অবশেষে দুর্গম রাস্তা জয় করে পৌঁছলাম সানরাইস হোটেলে । এখানেই আমাদের আগামী ২ রাতের বুকিং রয়েছে । সান্দাকফু পৌঁছে দেখি কারেন্ট নেই, ওয়াইফাই নেই, মোবাইল নেটওয়ার্ক তো অনেক দূরের কথা ।

সেদিন সারাদিন আর কোথাও বেরোই নি । আগামী দিন কাঞ্চনজঙ্ঘা আর এভারেস্ট দেখার পরিকল্পনা করতে করতে রাতের খাবার খেয়ে নি ।

ক্রমশ:….

পর্ব ৩ : মানেভঞ্জন থেকে টুমলিং তারিখ: ২৮.০৯.২০২৫আগেরদিন রাত থেকেই ভেবে রাখা হয়েছিল যে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে টুমলিং এ বেশি ...
03/10/2025

পর্ব ৩ : মানেভঞ্জন থেকে টুমলিং
তারিখ: ২৮.০৯.২০২৫

আগেরদিন রাত থেকেই ভেবে রাখা হয়েছিল যে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে টুমলিং এ বেশি টা সময় কাটাব । যা ভাবা তাই কর্ম । সকাল ৮:৩০ এর মধ্যে জলখাবার খেয়ে সবাই প্রস্তুত তুমলিং যাব বলে । আমি তাড়াতাড়ি গাড়ি ইউনিয়ন এর কাউন্টারে লাইন দিলাম । সামনে আসতেই কাউন্টারের ওপার থেকে প্রশ্ন এলো “কত দিনের প্ল্যান?? কি গাড়ি নেবেন বলেরো নাকি ল্যান্ড রোভার “ । সান্দাকফু ছাড়া অন্য কোথাও ল্যান্ড রোভার চড়তে পাব না তাই দেরি না করে ল্যান্ড রোভার বুক করলাম ৩ দিনের জন্য । ১ দিন তুমলিং আর ২ দিন সান্দাকফু । কাউন্টারের লোকটি আমাদের ভালো পরামর্শ দিল । ফালুৎ এর রাস্তা যেহেতু বন্ধ আমাদের থাকুম ভ্যালি আর আহল এর যাত্রা প্যাকেজ এর মধ্যে জুড়ে দিল কিছু সামান্য অতিরিক্ত পয়সার বিনিময় ।

গাড়ি ড্রাইভার একটু বয়স্ক কিন্তু এরকম দুর্গম রাস্তায় মানুষের অভিজ্ঞতা বেশি কাজে দেয় । কাউন্টার থেকেও পরামর্শ দিল ড্রাইভার খুব ভালো আর রাস্তায় কোনও বিপদে পড়বেন না কারণ এনার অভিজ্ঞতা অনেক । ৩ দিনের জল , অল্প চিপস, বিস্কুট, কোল্ড ড্রিংকস নিয়ে ৯:৪৫ এ আমরা রওনা দিলাম তুমলিং এর দিকে ।

প্রথমে মানেভঞ্জন এ পুলিশ চেকিং তারপর ফরেস্ট গেটে নাম নথিভুক্ত করে এগিয়ে চললাম খারাই রাস্তা ধরে তুমলিং এর দিকে । কিছুদূর এগোতেই পেলাম চীত্রে মনেস্ট্রি । ওখানে কিছুটা সময় কাটাই ছবি তুলে আর মনেস্ট্রি ঘুরে ।

বেলা ১১:৩০ টার মধ্যে তুমলিং পৌঁছে যাই । আমরা উঠেছিলাম green hill হোটেলে । রুম খুব বড়, সামনে একটা দোলনা দেওয়া বাগান। কিন্তু মোবাইলে কোনও নেটওয়ার্ক নেই, নেপাল বলে । মাথায় ঘুড়ছে ভারত পাকিস্তান ফাইনাল দেখার কথা । হোটেলে ও কারেন্ট নেই, ওয়াইফাই ও স্বাভাবিকভাবেই বন্ধ । সন্ধ্যে ৬ টার মধ্যে কারেন্ট চলে আসবে আশ্বাস দিল হোটেলের মালিক । কিছুটা নিশ্চিন্ত হয়ে চলে গেলাম দুপুরের ভাত খেতে ।

এখানে দুপুরের মেনুতে ছিলো ভাত, ঘি, ডাল, আলু ভাজা, ডিম, স্যালাড, ২ রকমের আচার । খাওয়া সেরে ঠিক শুতে যাব, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামল। পারদ আরও কমল, এতক্ষণে পাহাড়ে আসার মজা উপভোগ করা শুরু করলাম ।

বিকাল বেলা কাটল সামনের ছোট এক দোকানে চা খেতে খেতে আর কিছু সারমেয় বন্ধুদের সাথে । এখানে প্রত্যেক বাড়িতে সুন্দর ফুলের বাগান । পরের দিনের সূর্যদয় দেখার জায়গাটা দেখে রাখলাম । আমাদের হোটেল থেকে একটা শর্টকার্ট আছে । সূর্য অস্ত যেতেই পাহাড়ের ধারে দার্জিলিং শহরে আলো জ্বলে উঠল, এদিকে দেখি টুমলিং এও আলো এসে গেছে ।

সন্ধ্যে বেলায় চা, বাধাকপির বরা আর ক্রিকেট । একটা বাঙালির এর থেকে বেশি আর কি চাই । খেলা অনেকক্ষণ চলবে বলে হোটেলের মালিককে হাত করে রাতের খাবার রুমে আনিয়ে নি ।

খেলা শেষে, রাতের খাবার রুটি আর চিকেন দিয়ে সারি । পরের দিন সান্দাকফু যাওয়া, তাই বেশি দেরি না করে শুয়ে পড়লাম শীতের আমেজ নিতে নিতে ।

ক্রমশ:…..

02/10/2025
পর্ব ২ : নিউ জলপাইগুড়ি থেকে মানেভঞ্জন তারিখ: ২৭.০৯.২০২৫ঘড়িতে তখন ৭:৪০, আমরা ৫ জন তড়িঘড়ি করে নিজেদের মাল পত্র নিয়ে ট...
02/10/2025

পর্ব ২ : নিউ জলপাইগুড়ি থেকে মানেভঞ্জন
তারিখ: ২৭.০৯.২০২৫

ঘড়িতে তখন ৭:৪০, আমরা ৫ জন তড়িঘড়ি করে নিজেদের মাল পত্র নিয়ে ট্রেনের গেট এর সামনে এসে দাড়ালাম । দার্জিলিং মেইল বলে কথা, নির্ধারিত সময়ের আগেই পৌঁছে দেবে আর ঠিক তাই ।

ইতিমধ্যে গাড়ির ড্রাইভারের ২ বার ফোন এসে গেছে ।
“দাদা আমি নিউ পার্কিং লটের যাত্রী সাথী কাউন্টারে আপনার অপেক্ষা করছি “
শীতের অনেক জামাকাপড় নেওয়াতে সুটকেস খুব ভারি । একজন কুলি ভাই কে ডেকে নিউ পার্কিং অবধি ছেড়ে দিতে বলি । আশা করিনি যে অ্যাডোরেবেল ভ্যাকেশন এত সুন্দর আয়োজন করবে । Innova গাড়িতে মালপত্র উঠিয়ে যাত্রা শুরু হয় মানেভঞ্জন এর উদ্দেশ্যে । পেতে খিদে, কিছু দূর যাবার পর ড্রাইভার কে বলি জলখাবারের জন্য কোথাও দাঁড়াতে ।

পাহাড়ে এলেই আমাদের মন ছোটে মোমো এর দিকে । হোটেলে ঢুকেই আগে খোঁজ নি মোমো আছে কিনা । মোমো, চাওমিন, পাউরুটি, ডিমের অমলেট সব মিলেমিশে একাকার । হোটেল থেকে বেরোবার আগে চা খেতে ছাড়িনি । তারপর আবার যাত্রা শুরু করি গন্তব্যের দিকে । ড্রাইভার বলল ৩ ঘণ্টা লাগবে পৌঁছাতে ।

মিরিক লেক দেখার ইচ্ছা থাকলেও হয়ে ওঠে নি কিন্তু পশুপতি মার্কেট আর সীমানা তে সুযোগ হাত ছাড়া করিনি ।

সীমানা তে পৌঁছলাম তখন ১১:৩০ হবে । আর মাত্র ২০ মিনিটের পথ বাকি । এই সুযোগে ৩০-৪০ মিনিট সময় কাটানোই যাবে । সীমানা আর পশুপতি আগেই ঘোরা আমাদের ৪ জনের । সেই পুরানো স্মৃতি চারণ করতে করতে সময় কেটে গেল । আমার শাশুড়ী ও সুযোগের সৎ ব্যবহার করলেন কেনাকাটি করে ।

শেষের ২০ মিনিট আগামী দিনের প্ল্যান করতে করতে কেটে গেল । পৌঁছে গেলাম মানেভঞ্জন, সান্দাকফু যাত্রার প্রথম ধাপে । আমাদের হোটেল ও ছিল একদম ল্যান্ড রোভার কাউন্টার এর পাশে ।

হোটেলে ঢুকে ফ্রেশ হতে হতেই মনে ইচ্ছা জাগলো দার্জিলিং ম্যাল এ যাবার । ঘন্টা খানেকের এর মধ্যে সবাই রেডি । হোটেলে ৩ বেলার খাবার ধরাই ছিলো বুকিং এর সময় তাই সময় নষ্ট না করে খাওয়া দাওয়া সেরে নিলাম ভাত, ডাল, আলু ভাজা আর ডিম্ দিয়ে । দুপুর ২:৩০ তে তাই শেয়ারিং ক্যাব আর পাওয়া যাবে না, তাই পার্সোনাল ক্যাব বুক করা হলো । মানেভঞ্জন থেকে ১ ঘণ্টার দূরত্ব । দুপুরের ভাত ঘুম টা সবে এসেছে, দেখি দার্জিলিং ম্যাল এ গাড়ি পার্কিং করছে ড্রাইভার বাবু । প্রায় ঘণ্টা ৩ ছিলাম ম্যাল এ ।

মানেভঞ্জন ফিরে রাতের খাবার খেয়ে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়লাম, পরের দিন টুমলিং বেরোনোর ছিলো ।

পর্ব ১: কোলকাতা থেকে নিউজলপাইগুড়িতারিখ: ২৬.০৯.২০২৫আবার চললাম পাহাড়ের দেশে । এবারের গন্তব্য সান্দাকফু । গত ৩ মাস ধরে যা...
02/10/2025

পর্ব ১: কোলকাতা থেকে নিউজলপাইগুড়ি
তারিখ: ২৬.০৯.২০২৫

আবার চললাম পাহাড়ের দেশে । এবারের গন্তব্য সান্দাকফু । গত ৩ মাস ধরে যাওয়ার তোড়জোড় চলছে । প্যাকেজ বুকিং, রেল টিকিট বুকিং , ওয়েটিং লিস্ট থেকে কনফার্ম করানোর জন্য যথাসাধ্য লোকেদের সাথে কথা বলা । অবশেষে যাত্রার দিন দুপুর ২:১৫ তে টিকিট এর কনফার্মেশন পাই ।

আমাদের এই Giggle Gang এর ৪ জন স্থায়ী সদস্য । আমি সোমক, আমার স্ত্রী Chandrima Dey, তার বন্ধু পূর্বা হালদার এবং তার স্বামী রাজীব লাল । গত ১০ বছর ধরে আমরা অনেক জায়গায় একসাথে ঘুরতে যাওয়া, সপ্তাহান্তে একসাথে খাওয়া মজা করা সব করি । মনে হল আপনাদের সাথে একটু ভাগ করে নি তাই এই পেজ এর সৃষ্টি ।

২৬ এ সেপ্টেম্বর আমরা ৪ জন ও আমার শাশুড়ী সান্দাকফু এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করি । কপাল জোরে দার্জিলিং মেল এ টিকিট শেষ মুহূর্তে কনফার্ম হয় ।

আমরা বাড়ি থেকে সন্ধ্যা ৬:৩০ টায় বেরোবো ঠিক করি কিন্তু রাজীব এর অফিস থেকে ফিরতে দেরি হওয়া তে বেরোতে ৭:৩০ টা বেজে যায় । লাগেজ অনেক বেশি থাকায় আমরা গাড়ি করে শিয়ালদহ স্টেশন যাই । পুজোর জন্য রাস্তায় খুব জ্যাম ছিলো তাই পৌঁছাতে ৯:৩০ বেজে যায় । সেদিন আমরা সবাই কোনও খাবার বানিয়ে নিয়ে যাই নি । ভেবেছিলাম শিয়ালদহ স্টেশন এর KFC থেকে কিছু খেয়ে নেব । যা ভিড় দেখলাম, তাতে ট্রেন মিশ হয়ে যেত তাই MIO Amore থেকে চিকেন ইন্টারনেট, চিকেন ৬৫, চিকেন পিজ্জা নিয়ে উঠে পড়া হয় । ঠিক ১০:১৫, ট্রেন যাত্রা শুরু করল নিউ জলপাইগুড়ির উদ্দেশ্যে ।

মনে একরাশ উচ্ছাস নিয়ে চললাম আবার পাহাড়ের উদ্দেশ্যে । সান্দাকফু আমরা আসছি!!!

আমাদের প্যাকেজ বুকিং এজেন্ট: অ্যাডোরেবেল ভ্যাকেশন এল এল পি
ট্রেন টিকিট: নিজেরা করেছি ।

Address

55/A Nabinpally
Rishra
712250

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Giggle Gang posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share