The crazy medico

  • Home
  • The crazy medico

The crazy medico cooking, travel, lifestyle, hobby, photography, food personal blog
(1)

Vote এর রাত এর dinner - খিচুড়ি, আলু ভাজা, বেগুন ভাজা, ঢ্যাঁড়স ভাজা, পটল ভাজা, পাঁপড় ভাজা, ডিম ভাজা, গলদা চিংড়ি ভাপা, মৌর...
30/04/2026

Vote এর রাত এর dinner - খিচুড়ি, আলু ভাজা, বেগুন ভাজা, ঢ্যাঁড়স ভাজা, পটল ভাজা, পাঁপড় ভাজা, ডিম ভাজা, গলদা চিংড়ি ভাপা, মৌরলা মাছের চচ্চড়ি

চিতল মাছের মুইট্টা (Chitol Macher Muitha) বাঙালির একদম ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু পদ। একটু সময়সাপেক্ষ হলেও ফলটা দারুণ হয়। নিচ...
26/04/2026

চিতল মাছের মুইট্টা (Chitol Macher Muitha) বাঙালির একদম ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু পদ। একটু সময়সাপেক্ষ হলেও ফলটা দারুণ হয়। নিচে সহজভাবে রেসিপি দিলাম—
🐟 উপকরণ
চিতল মাছের কিমা (পেটির অংশ) – ৫০০ গ্রাম
আলু (সিদ্ধ) – ২টা মাঝারি
পেঁয়াজ বাটা – ২ টেবিল চামচ
আদা-রসুন বাটা – ১ টেবিল চামচ
কাঁচালংকা বাটা – ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
লাল লঙ্কা গুঁড়া – ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
নুন – স্বাদমতো
চিনি – সামান্য
তেল – প্রয়োজনমতো
তেজপাতা – ১–২টা
গোটা জিরা – ১/২ চা চামচ
🍲 প্রস্তুত প্রণালী
১. মুইট্টা তৈরি
মাছের কিমা ভালো করে বেটে নিন (একদম মসৃণ হলে ভালো)।
এতে সিদ্ধ আলু, নুন, কাঁচালংকা বাটা মিশিয়ে নিন।
হাত দিয়ে ছোট ডিম্বাকার বা গোল বলের মতো বানান (এগুলোই মুইট্টা)।
এগুলোকে হালকা তেলে ভেজে নিন বা ফুটন্ত জলে সেদ্ধ করে নিতে পারেন।
২. ঝোল/গ্রেভি তৈরি
কড়াইয়ে তেল গরম করে তেজপাতা ও গোটা জিরা ফোড়ন দিন।
পেঁয়াজ বাটা দিয়ে ভালো করে কষান।
আদা-রসুন বাটা দিয়ে ভাজুন যতক্ষণ কাঁচা গন্ধ না যায়।
হলুদ, লঙ্কা, জিরা গুঁড়া দিয়ে অল্প জল দিয়ে কষান।
তেল ছেড়ে দিলে প্রয়োজনমতো জল দিন।
৩. মুইট্টা রান্না
ঝোলে মুইট্টাগুলো দিয়ে দিন।
৮–১০ মিনিট ঢেকে রান্না করুন যাতে মশলা ভালোভাবে ঢুকে যায়।
শেষে গরম মসলা ও সামান্য চিনি দিয়ে নামিয়ে নিন।
🍽️ পরিবেশন
গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন—স্বাদ হবে অসাধারণ!

আর তার সাথে কিছু senior faculty দের shameless & blatant partiality ( যে তেল মারতে পারবে, মুখ বুজে, ঘাড় গুঁজে যো হুজুর কর...
26/04/2026

আর তার সাথে কিছু senior faculty দের shameless & blatant partiality ( যে তেল মারতে পারবে, মুখ বুজে, ঘাড় গুঁজে যো হুজুর করতে পারবে), চাকর গিরি করতে পারবে ( bag বয়ে দেওয়া, গাড়ির দরজা খুলে দাঁড়িয়ে থাকা, খাবার এনে দেওয়া) আর limitless toxicity amounting to threat culture.

Never forgive. Never forget . One year of this heinous crime .
22/04/2026

Never forgive. Never forget . One year of this heinous crime .

নতুন সূর্য, নতুন গান,নতুন দিনের আভাস—সবার জীবনে বয়ে আনুকআনন্দের বৈশাখ। 🌾
15/04/2026

নতুন সূর্য, নতুন গান,
নতুন দিনের আভাস—
সবার জীবনে বয়ে আনুক
আনন্দের বৈশাখ। 🌾

|| নীলষষ্ঠী ব্রতকথা ||চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন গ্রামবাংলায় সর্বাধিক বেশি পরিচিত নীলষষ্ঠী নামে। অথচ পঞ্জিকা খুললে এ দি...
13/04/2026

|| নীলষষ্ঠী ব্রতকথা ||
চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন গ্রামবাংলায় সর্বাধিক বেশি পরিচিত নীলষষ্ঠী নামে। অথচ পঞ্জিকা খুললে এ দিনটা আদৌ ষষ্ঠী দেখাচ্ছেনা। এমাসে অশোকষষ্ঠী তো কবেই হয়ে গেছে, আবার নীলষষ্ঠী এলোই কি করে?
ধাপে ধাপে বিষয়গুলো জানলে পরিষ্কার হবে। প্রথমেই প্রশ্ন আসবে নীল কি? না, সেই নীল চাষের নীল নয়, মহেশ্বর। তিনি উগ্র বিষ পান করে নীলকণ্ঠ নাম নিয়েছেন। অনেকেই মনে করেন সেই থেকে মহেশ্বর কে এখানে নীল বলা হচ্ছে। আর আজকের দিনে তার বিয়ে হবে, মায়ের সাথে।

মা বলতে এখানে আমরা বলবো তাকে নীলাবতী বা নীলচণ্ডিকা‌। লোকমুখে শুনবেন ইনি হলেন সেই সতী মাতা, যিনি দক্ষযজ্ঞে প্রাণ বিসর্জন দিয়ে পুনরায় নীলধ্বজ রাজার গৃহে জন্মগ্রহণ করেন। লক্ষণীয় এই পার্বতী আর সতীর মাঝে লোককথা ঢুকিয়ে দিল নীলাবতীকে। আর নীল মহেশ্বরের সহিত আবার এনার বিবাহ হবে। এই সম্পূর্ণ বিবাহ অনুষ্ঠান আজকের নীলষষ্ঠীর প্রধান আকর্ষণ।

গ্রামবাংলায় নীল বলতে যদি মূর্তি আকারে প্রকাশ বুঝি, তাহলে দেখবো একটা নিম কাঠে তৈরি বিগ্রহ, লালু শালু জড়িয়ে আজ বিয়ের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে নির্দিষ্ট স্থানে। বিশেষ পুজোও হবে। বরযাত্রী থাকবে। পালাগান থাকবে। তবে হ্যাঁ গতকাল রাতে হয়ে গেছে হাজরা পুজো। এটা কি?
এ হল বিবাহ উপলক্ষে অন্যান্য দেবদেবীদের নিমন্ত্রণ।
এই নীলষষ্ঠীর যে লোককথা তা বলে নীলের সাথে নীলাবতীর অতি ধুমধামে বিবাহ হয়। দুজনের একান্ত সময় যাপনে হঠাৎ নীলাবতী তার প্রিয় স্বামীকে সন্তুষ্ট করতে গান ধরতে চান। এইখানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন আঙ্গিক পাবেন কথায়, যে যেভাবে সাজিয়েছেন। তো হল কি, ঐ গান ধরতে গিয়ে নীলাবতী মাছির রূপ নিলেন। সেই মাছি বাবার কাছে গিয়ে গুনগুন করলে বাবা অত কিছু না ভেবে তাকে সরিয়ে ফেললেন। আর মাছিও অন্য ফুলে বসে পড়ে, পরবর্তীতে ঐ ফুল নদীতে পড়ে যায়, সাথে মাছির সলিল সমাধি ঘটে। আবার বাবার - মায়ের পূর্ণ মিলন সম্ভব হলনা। মেয়ের পরিণতিতে পিতা নীলধ্বজও প্রাণ বিসর্জন দিলেন। এখনো পর্যন্ত যতবার এই অংশটি শুনি, আমার যথাযথ লাগেনা। কিন্তু ভাবতে হবে দিনশেষে এটা লোককথা, তাই এতে বিসদৃশ জিনিসপত্র থাকবেই।

এই নীল-নীলাবতীর বিবাহে কিন্তু আজকে দুঃখের সেই অর্থে জায়গা নেই। গাজন - চড়ক সময়ে এ এক উৎসব। ভূতেদের উদ্দেশ্যে শোল মাছ পোড়া, সন্ন্যাসীদের নিরামিষ ভোগ সবকিছুর ব্যবস্থা থাকে বিভিন্ন জায়গায়।
এই পর্যন্ত যতটা দেখলাম, এটার সাথে সাধারণ মানুষের প্রত্যক্ষ যোগ নেই। তবে অবশ্যই প্রত্যক্ষ যোগ আছে, সেই যোগসূত্র স্থাপন করছেন মা ষষ্ঠী স্বয়ং। শুক্লা ষষ্ঠী বিনাই তিনি প্রচার করেন এই মাহাত্ম্য।

এখন ক্যাপশনে দিয়েছি নীলষষ্ঠী ব্রতকথা, তো ব্রতকথা থাকবেই। এতটুকুতে মন যদি অধৈর্য্য না হয়, আসুন তাহলে শুনেই ফেলি।

যেরকম হয়, এক গ্রামে এক ব্রাহ্মণ দম্পতি আছেন। তারা সন্তানধারণ করতে চাইছেন। কিন্তু তা সফল হয়না। অথচ তারা ছিল ধর্মপ্রাণ। বহু ব্রত পালন করেও তাদের কোলে সন্তান আসেনা।

এখন দুজনেই সরযূ নদীর ধারে প্রাণ বিসর্জনে উদ্যত হলে, এক বৃদ্ধা তাদের আটকায়‌ । সবটা শোনে।
তখন ঐ বৃদ্ধা তাদের বলে যে তাদের আচারে ত্রুটি না থাকলেও ঐ ব্রাহ্মণী অন্য শিশুদের কান্না ও অন্যান্য ক্রিয়াকলাপ দেখে সহ্য করতে পারতেন না। এর ফলে মা ষষ্ঠীর কৃপা তাদের লাভ হয়না।

এতক্ষণে তারা বুঝে গেল এই বৃদ্ধা সাধারণ বৃদ্ধা নয়, ইনি মা ষষ্ঠী। তখন মা আবির্ভূত হয়ে নীলষষ্ঠী ব্রতপালন করতে বলেন‌ । এই ব্রত পালনে আবার তাদের সংসারে সন্তান আসে। সুস্থ সবল।
আর এভাবেই ছড়িয়ে যায় নীলমাহাত্ম। ছড়িয়ে দেন স্বয়ং মা ষষ্ঠী।

প্রধানত সাধারণ মানুষের জন্য এই ব্রত বলতে শিব আরাধনা, বাড়িতে শিবের আরাধনায় লাগবে বেলপাতা (মাস্ট) , এবার ধুতরো ফুল, আকন্দ মালা, নীলকণ্ঠ ফুল ইত্যাদিও ব্যবহার করা যায়‌ সাথে থাকবে ফল। ব্রত পালনকালে বাবাকে ও মা ষষ্ঠীকে স্মরণ করে পালন করতে হয়। খুবই সহজ। আসলে বাবার আরাধনা জটিল নয়, তবে আগ্রহ আর ধৈর্য থাকা দরকার।

গ্রামবাংলায় আজকেও সন্তানের মঙ্গল কামনায় মায়েরা এই ব্রত করেন।উপোস থেকেও পালন করেন। ব্রত শেষ হয় সন্ধ্যায় নীলের কাছে বাতি দিয়ে।

এবার বাতি বলতে এখানে প্রদীপ। ঘিয়ের। তবে মোমবাতি ব্যবহার না করাই শ্রেয়‌।

দুটো জিনিস মনে রাখা দরকার - এই পুজো সন্তানের মঙ্গল কামনায় মায়েরা করেন- মেয়ে সন্তান ছেলে সন্তান ভাগ নেই।
আর দ্বিতীয় হল উপাচার সর্বস্ব আরাধনার পরিবর্তে নিজের বাড়িতে স্বল্প আয়োজনেও এই ব্রত পালন সম্ভব। আর পুরুষরাও নিজের মত বাবার আরাধনা করতে পারেন। তাই শুধুই মায়েদের একচেটিয়া আরাধনা নয় এটি।

সন্তানের মঙ্গল কামনা হোক, বা নিজেদের কোনো কামনা, যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে হয়, আর আপনার ভক্তির যদি জোর থাকে, তাহলে বাবা তাকে ফেরাবেন না। অসাধ্য সাধন করতে পারেন মহেশ্বর এ বিষয়ে সন্দেহ নেই, আশা করি আপনাদের অনেকেরও নেই।

চেষ্টা করুন নিজের পুজো নিজের ঘরে করতে, এতে আপনার মনোযোগ নষ্ট হয়না, ভক্তিতে বাধা আসেনা। ব্রত শেষ করতে হয় সন্ধ্যায় বিশেষ মুহূর্তে দেবতার কাছে দীপদানের মাধ্যমে। এবারের ভালো যোগ সম্ভবত বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭:১৭

এই দীপ আসলে আমাদের জীবনের প্রতীক, সদা প্রজ্বলিত থাক। মায়ের সন্তানেরা ভালো থাক। সকলের কল্যাণ হোক বাবার কাছে এই প্রার্থনা। হর হর মহাদেব।

Attended a CME at AIIMS Kalyani on Healthcare associated infections and investigation of outbreaks.
10/04/2026

Attended a CME at AIIMS Kalyani on Healthcare associated infections and investigation of outbreaks.

World Health Day is observed every year on 7 April to mark the founding of the World Health Organization in 1948. The da...
07/04/2026

World Health Day is observed every year on 7 April to mark the founding of the World Health Organization in 1948. The day aims to raise global awareness about major public health issues and to encourage individuals, communities, and governments to take action for better health.

World Health Day 2026 is celebrated on 7 April 2026 with the theme “Together for Health: Stand with Science.” This theme highlights the importance of scientific research, evidence-based medicine, and international collaboration in protecting the health of people, animals, plants, and the environment.

The campaign emphasizes the “One Health” approach, which recognizes that human health is closely connected to the health of animals and the environment. Scientific discoveries, vaccination programs, disease surveillance, and global partnerships play a crucial role in preventing diseases and improving health systems worldwide.

World Health Organization

World Health Day reminds people that good health is not only the responsibility of doctors or hospitals but also of individuals and communities. Maintaining a balanced diet, regular exercise, mental well-being, and preventive healthcare are essential for a healthy society. Governments and organizations also use this day to organize awareness campaigns, seminars, and health programs to promote public health.
In conclusion, World Health Day 2026 calls upon the world to trust science, strengthen cooperation, and work together to build a healthier and safer future for everyone.

ডা. তনভি, মহন্ত ইন্দিরেশ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির এমএস (অফথালমোলজি) পিজি রেসিডেন্ট, গত ২৪ মার্চ সকালে নিজের গাড়ির ভিতরে ...
30/03/2026

ডা. তনভি, মহন্ত ইন্দিরেশ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির এমএস (অফথালমোলজি) পিজি রেসিডেন্ট, গত ২৪ মার্চ সকালে নিজের গাড়ির ভিতরে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হন। তার হাতে তখনও একটি ক্যানুলা লাগানো ছিল।

আম্বালা থেকে দেরাদুনে এসেছিলেন এক তরুণী চিকিৎসক,স্বপ্ন ছিল একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হওয়ার। সেই স্বপ্নই শেষ পর্যন্ত অপূর্ণ রয়ে গেল; চিরতরে নিভে গেল তার জীবনপ্রদীপ।

পরিবারের অভিযোগ, থিসিস জমা দেওয়া নিয়ে বিভাগের প্রধান ডা. প্রিয়াঙ্কা গুপ্তার পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে তিনি মানসিক চাপ ও হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন। এই সংক্রান্ত কিছু কথোপকথনের রেকর্ড ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়,একই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত এমন ঘটনা এর আগেও ঘটেছে।

আমি কলেজে পড়ার সময় অদ্ভুত একটা প্যাটার্ন দেখতাম,কিছু কিছু শিক্ষিকা? এবং তাঁদের দ্বারা influenced কিছু শিক্ষক এমনতর বিষাক্ত অসভ্য হিংস্র ও মমতাহীন হতেন তাদের দেখে অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকারাও ভয় পেয়ে যেতেন।অদ্ভুত প্রতিহিংসা ও ঔদ্ধত্য থাকে এনাদের,নিজেদের sadistic মানসিকতাকে চরিতার্থ করতে যেকোনো পর্যায়ে নেমে যেত এবং যায় এরা।

এখন প্রশ্নটা শুধুমাত্র একটি মৃত্যুকে ঘিরে নয়; বরং এমন এক ব্যবস্থাকে নিয়ে, যেখানে নীরবতা, চাপ আর ভয়ের কাছে সত্য ক্রমশ হার মানছে।আর সব মজা তামাশা দেখছে।...✍️মেহেদি

Annapurna — মা অন্নপূর্ণা হিন্দুধর্মের এক অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও পূজনীয় দেবী, যিনি অন্ন, পুষ্টি ও জীবনের ধারক হিসেবে বিবেচ...
27/03/2026

Annapurna — মা অন্নপূর্ণা হিন্দুধর্মের এক অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও পূজনীয় দেবী, যিনি অন্ন, পুষ্টি ও জীবনের ধারক হিসেবে বিবেচিত। “অন্নপূর্ণা” শব্দের অর্থই হল—যিনি অন্নে পরিপূর্ণ বা যিনি সকল জীবকে খাদ্যে পরিপূর্ণ করেন। মানবজীবনের মৌলিক চাহিদা খাদ্য, আর সেই খাদ্যের দেবী রূপেই মা অন্নপূর্ণার পূজা করা হয়।
হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, মা অন্নপূর্ণা হলেন দেবী Parvati-এর এক রূপ। তিনি বিশেষভাবে পূজিত হন Varanasi নগরীতে, যেখানে তাঁর বিখ্যাত মন্দির অবস্থিত। বিশ্বাস করা হয়, এই পবিত্র স্থান থেকেই তিনি সমগ্র বিশ্বে অন্ন বিতরণ করেন এবং জীবজগতের জীবনধারণের ভার বহন করেন।
মা অন্নপূর্ণাকে নিয়ে একটি প্রসিদ্ধ কাহিনি রয়েছে। একবার Shiva বলেছিলেন যে এই জগতে সবকিছুই মায়া, এমনকি অন্নও। এই কথা শুনে দেবী অন্নপূর্ণা অসন্তুষ্ট হন এবং পৃথিবী থেকে অন্ন লোপ করেন। ফলস্বরূপ সর্বত্র দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়, জীবজগৎ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। তখন শিব নিজেই উপলব্ধি করেন যে অন্ন ছাড়া জীবন অসম্ভব। তিনি কাশীতে এসে দেবীর কাছে ভিক্ষা চান। দেবী অন্নপূর্ণা তখন তাঁকে অন্ন প্রদান করেন এবং এই ঘটনার মাধ্যমে অন্নের অপরিসীম গুরুত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। এই কাহিনি আমাদের শেখায় যে খাদ্য শুধু শরীরের পুষ্টি নয়, এটি জীবনের মূল ভিত্তি।
মা অন্নপূর্ণার প্রতিমূর্তিতে সাধারণত দেখা যায়, তাঁর এক হাতে অন্নপূর্ণ ভাণ্ডার বা ভিক্ষাপাত্র এবং অন্য হাতে চামচ বা দণ্ড, যার মাধ্যমে তিনি সকলকে অন্ন বিতরণ করছেন। তাঁর এই রূপ দান, করুণা ও লালনের প্রতীক। তিনি কেবল দেবী নন, তিনি মাতৃস্নেহের প্রতীক—যিনি সন্তানের মতো সকল জীবকে আহার দিয়ে বাঁচিয়ে রাখেন।
ভারতের বিভিন্ন স্থানে মা অন্নপূর্ণার পূজা অনুষ্ঠিত হয়, বিশেষ করে দীপাবলির পরবর্তী সময়ে। বাংলাতেও অনেক পরিবারে ও মন্দিরে তাঁর আরাধনা করা হয়। অন্নদান, অর্থাৎ দরিদ্র ও অভাবগ্রস্তদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ, এই পূজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা ও মানবতার বোধ জাগ্রত হয়।
সারসংক্ষেপে বলা যায়, মা অন্নপূর্ণা কেবল একটি ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতীক নন, তিনি জীবনের এক চিরন্তন সত্যের প্রতিফলন—অন্নই জীবন। তাঁর আরাধনার মাধ্যমে মানুষ খাদ্যের মূল্য উপলব্ধি করে এবং ভাগ করে নেওয়ার শিক্ষা পায়। তাই মা অন্নপূর্ণা শুধু দেবী নন, তিনি আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, যাঁর কৃপায় পৃথিবী আজও জীবন্ত ও সমৃদ্ধ। 🌾

Address

32/D Roy M C Lahiri Street

712204

Telephone

+918420032257

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The crazy medico posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The crazy medico:

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share