Birbhum Live

Birbhum Live আমরা নির্ভুল ভাবে স্থানীয় সংবাদ এবং তথ্য পরিবেশন করে থাকি।

সাঁইথিয়ার রাস্তা থেকে উদ্ধার ছড়িয়ে থাকা প্রচুর রেশন কার্ড, ক্ষোভ।সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি কীভাবে রাস্তা ও ...
07/06/2026

সাঁইথিয়ার রাস্তা থেকে উদ্ধার ছড়িয়ে থাকা প্রচুর রেশন কার্ড, ক্ষোভ।

সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি কীভাবে রাস্তা ও ড্রেনে এসে পড়ল, তা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সাঁইথিয়ায়। শনিবার সকালে সাঁইথিয়া পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় বস্তা ভর্তি রেশন কার্ড ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস এবং একটি কমিউনিটি হল সংলগ্ন এলাকা থেকে এই বিপুল সংখ্যক রেশন কার্ড উদ্ধার হয়। কিছু কার্ড রাস্তার ধারে পড়ে ছিল, আবার অনেকগুলি ড্রেন পরিষ্কারের সময় উদ্ধার করেন সাফাই কর্মীরা। উদ্ধার হওয়া নথিগুলির মধ্যে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পাশাপাশি ৫ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের রেশন কার্ডও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এদিন সকালে ঘটনাটি প্রথম নজরে আসে স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁদের অভিযোগ, এত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি এভাবে প্রকাশ্যে পড়ে থাকা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বাসিন্দা সজল দাসের প্রশ্ন, "মানুষের পরিচয় ও সরকারি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত নথিপত্র কীভাবে এই অবস্থায় এল এবং এর জন্য দায়ী কারা?"

অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দা বাবু বৈরাগ্য জানান, ড্রেন পরিষ্কারের সময় বহু রেশন কার্ড উদ্ধার হয়েছে। তাঁর দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন এবং যারা এর পিছনে রয়েছে তাঁদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

রেশন কার্ডগুলি সেখানে কীভাবে পৌঁছল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশাসনের তরফে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি। তবে গোটা ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের চিহ্নিত করার দাবি তুলেছেন এলাকার বাসিন্দারা।

সৌজন্যে: সংবাদ প্রতিদিন।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



অনুব্রত মণ্ডলের আশীর্বাদে মাংস বিক্রেতা থেকে বৈভবের চূড়ায়, কোটি কোটি টাকার মালিক নাসিরকে নিয়ে প্রশ্ন বোলপুরে।একসময় সকাল-...
06/06/2026

অনুব্রত মণ্ডলের আশীর্বাদে মাংস বিক্রেতা থেকে বৈভবের চূড়ায়, কোটি কোটি টাকার মালিক নাসিরকে নিয়ে প্রশ্ন বোলপুরে।

একসময় সকাল-সন্ধ্যা খাসির মাংস কেটে কোনোমতে সংসার চালাতেন। আজ তাঁরই কোটি কোটি টাকার বিলাসবহুল সম্পত্তি আর রাজকীয় বৈভব দেখে চোখ কপালে উঠেছে বোলপুরবাসীর। বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডলের 'আশীর্বাদধন্য' মাংস বিক্রেতা নাসির শেখের এই চোখধাঁধানো উত্থান রূপকথার গল্প বা সিনেমার চিত্রনাট্যকেও অনায়াসে হার মানায়। শান্তিনিকেতনের গুরুপল্লি এলাকায় নাসিরের প্রাসাদোপম বাড়ি। তার সামনে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দামি দামি গাড়ি ও ডাম্পারের বহর দেখে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর একের পর এক মেজো-সেজো নেতা এখন শ্রীঘরে। এই পরিস্থিতিতে বাসিন্দাদের একাংশেরই দাবি, নাসিরের সম্পত্তিও আতসকাচের তলায় আনা হোক।

কবিগুরুর আশীর্বাদধন্য এই জেলা শিল্প, সাহিত্য, আর সংস্কৃতির জন্য সমাদৃত। কিন্তু গত দেড় দশকে সেই রাঙামাটির গায়ে সেঁটে গিয়েছে এক সমান্তরাল লুটের সাম্রাজ্যের তকমা। গোরু পাচার, বালি পাচার কিংবা চালকল সিন্ডিকেটের পাশাপাশি জেলায় চলছিল প্রচুর অবৈধ টোলগেট। অভিযোগ, গত দেড় দশকে এই বেআইনি টোল সিন্ডিকেটের হাত ধরে কয়েকশো কোটি টাকার খেলা হয়েছে এই জেলায়।

এই টোল কেলেঙ্কারির মূল ভরকেন্দ্রটি ছিল বোলপুর। এখান থেকে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা যাওয়ার পথে অজয় নদের উপর থাকা টোলগেটটি দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করেছেন রাজ্যের বহু মানুষ। অথচ আশ্চর্যের বিষয় হল, সরকারিভাবে এই টোলগেটের কোনও অনুমোদনই ছিল না কোনোদিন। সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে জেলা পরিষদ কিংবা বোলপুর পুরসভার ভুয়ো রসিদ ছাপিয়ে বছরের পর বছর ট্রাক, ডাম্পার থেকে শুরু করে ছোট গাড়ি থেকেও নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি টাকা তোলা হত। শুধু বোলপুর নয়, দেউচায় পূর্তদপ্তরের রাস্তার উপুর কিংবা ইলামবাজারের বিভিন্ন এলাকায় চলত এই সমান্তরাল। তোলাবাজির সিন্ডিকেট। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২০১১সালে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার আগে বোলপুর বাজারে খাসির মাংস কেটেই, তাঁর সংসার চলত। কিন্তু কেষ্টর 'বিশেষ কৃপা' পেতেই রকেটের গতিতে ভাগ্যবদল হয় নাসিরের। এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, আমরা তো চোখের সামনেই ওর এই রাজকীয় বিত্ত-বৈভব দেখলাম। কয়েক বছরের মধ্যে তার এই কোটিপতি হয়ে ওঠা আর বিলাসবহুল জীবনযাত্রা দেখে অনেকেই চমকে উঠেছিলাম। কিন্তু প্রতিবাদ করার সাহস পেতাম না। গুরুপল্লিতে নাসিরের প্রাসাদোপম বাড়ি। বাড়ির সামনে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কোটি কোটি টাকা দামের গাড়ি।

টোলগেট ছাড়াও একাধিক পার্কিংয়ের টেন্ডার থেকে শুরু করে সরকারি জলাশয়ে মাছ চাষ- নাসিরের একক নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে অভিযোগ। রাজনৈতিক ক্ষমতাবলে বোলপুর ও সংলগ্ন এলাকায় তাঁর দাপট এতটাই ছিল যে, বালিঘাট থেকে অবৈধ বালি তোলার সিন্ডিকেটেও তাঁর নাম বারবার জড়িয়েছে। গোরু পাচার মামলার তদন্তেও কেন্দ্রীয় এজেন্সির ম্যারাথন জেরার মুখে পড়েছেন এই কোটিপতি ব্যবসায়ী। সূত্রের খবর, নাসিরের এই দুর্নীতির জাল শুধু রাজনৈতিক স্তরেই সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রশাসনের অন্দরের বহু 'রাঘববোয়াল' এবং পুলিশকর্তাদের একাংশ বছরের পর বছর মোটা অঙ্কের 'মাসোহারা' খেয়ে এই বেআইনি কারবার টিকিয়ে রেখেছিলেন বলে স্থানীয় স্তরে তীব্র ক্ষোভ রয়েছে।

রাজ্যে পালাবদলের পর বোলপুরের এই বেআইনি টোলগেটগুলি রাতারাতি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নাসিরকেও আর এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। নাসিরকে একাধিকবার ফোন করা হলেও না ধরায় প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফোন তোলেননি অনুব্রত মণ্ডলও।

সৌজন্যে: বর্তমান।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



পড়ুয়াদের রঙিন চুল, কানে দুল, ট্যাটু নিষেধ। রামপুরহাটের জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবনে নোটিস।শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় র...
05/06/2026

পড়ুয়াদের রঙিন চুল, কানে দুল, ট্যাটু নিষেধ। রামপুরহাটের জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবনে নোটিস।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ করল রামপুরহাটের ঐতিহ্যবাহী জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবন। চুল রং করে, গায়ে ট্যাটু এঁকে, কানে দুল পরে ছাত্রদের বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে নোটিস জারি করল। মোবাইল নিয়েও প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। মোবাইল সঙ্গে নিয়ে ক্লাস করতে পারবেন না শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। স্কুল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সাধারণ মানুষ।

১৯৫৫ সালে স্থাপিত রামপুরহাট জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবন। এই স্কুলে সন্তানদের ভর্তি করাতে পারলে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করেন অভিভাবকরা। ২০০৮ সাল থেকে প্রতিবছর স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যের সেরা দশের তালিকায় স্থান পেয়ে আসছে। এবছরও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। কিন্তু এই নামী বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের নৈতিক অবক্ষয় চরম আকার নিয়েছে। চুলে রং করা, কানে দুল পরা, মোবাইল ফোন নিয়ে বাইক চালিয়ে স্কুলে আসা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার এবং ক্লাসরুমে বসে রিলস বা ভিডিও বানানোর প্রবণতা বেড়েছে। যা শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সেই কারণেই কঠোর এবং নজিরবিহীন কিছু পদক্ষেপ করতে বাধ্য হল স্কুল কর্তৃপক্ষ। গরমের ছুটির পর আজ সোমবার থেকে স্কুল খুলছে। তার আগেই স্কুলের সোশ্যাল মিডিয়ার পেজে ও বিদ্যালয়ের দেওয়ালে সাঁটানো হয়েছে নোটিস। তাতে পরিষ্কার জানানো হয়েছে, চুলে রং করে, ট্যাটু এঁকে, কানে দুল পরে ছাত্ররা বিদ্যালয়ে ঢুকতে পারবে না। সেই সঙ্গে মোবাইল, বাইক কিংবা স্কুটি নিয়ে স্কুলে আসা চলবে না। স্কুলের ইউনিফর্ম ছাড়া প্রবেশও নিষিদ্ধ। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা একটি অত্যন্ত কঠোর ডিসিপ্লিনারি ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করতে চাইছে।

প্রধান শিক্ষক কৌস্তব দত্ত বলেন, স্কুল ফ্যাশন শো বা বিনোদনের জায়গা নয়। শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ করলে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়ে এবং পড়াশোনার পরিবেশ উন্নত হয়। শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও ক্লাস চলকালীন ফোন ব্যবহারে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যাতে পঠন পাঠনে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে। অনেক অভিভাবকই বিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা না থাকলে শিক্ষাদানের মূল উদ্দেশ্যটাই হারিয়ে যাবে।

সৌজন্যে: বর্তমান।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



কম দামে ট্রাক্টরপ্রতি মিলছে বালি, স্বস্তিতে আবাসের উপভোক্তারা।এবার কম দামে পাথর দেওয়ার দাবি নলহাটিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ ...
05/06/2026

কম দামে ট্রাক্টরপ্রতি মিলছে বালি, স্বস্তিতে আবাসের উপভোক্তারা।
এবার কম দামে পাথর দেওয়ার দাবি নলহাটিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ বাসিন্দারা।

রাজ্যে প্রশাসনিক পালাবদলের পর সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে, বিশেষ করে সরকারি আবাস যোজনার উপভোক্তাদের জন্য বালির দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো স্বস্তি পেয়েছিল। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী হল না। বালি সস্তা হলেও, হঠাৎ করে পাথরের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন আবাস যোজনার উপভোক্তারা। প্রতিবাদে সোমবার নলহাটি ১ ব্লক অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখনোর পাশাপাশি বিডিওকে স্মারকলিপি জমা দিল।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, আবাস যোজনার ঘর তৈরির জন্য উপভোক্তারা নির্দিষ্ট কিস্তিতে টাকা পান। বালির দাম নিয়ন্ত্রণে থাকায় প্রাথমিক কাজ শুরু করা গেলেও, লিন্টেল বা ছাদ ঢালাইয়ের সময় প্রচুর পাথরের প্রয়োজন হয়। বর্তমান বাজারে চড়া দামে পাথর কিনতে গিয়ে বহু উপভোক্তার সরকারি অনুদানের টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে বহু জায়গায় বাড়ি মাঝপথেই আটকে রয়েছে। তাই বালির মতো পাথর সরবরাহের ক্ষেত্রেও সরকারের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করা উচিত বলে মনে করছেন উপভোক্তরা। এই দাবিতে এদিন কয়েকশো উপভোক্তা ব্লক অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে বিডিওর সঙ্গে দেখা করে গণসাক্ষরিত স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, আবাস যোজনার উপভোক্তাদের জন্য একটা নির্দিষ্ট কোটায় সস্তায় বা ন্যায্য মূল্যে পাথর পাওয়ার ব্যবস্থা না করলে বহু গরিব মানুষের পাকা বাড়ির স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে।

কিন্তু পাথরের এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ কী? স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল আমলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাথর শিল্পাঞ্চলের রাস্তায় বসানো হয়েছিল রয়‍্যালটি আদায়ের গেট। যদিও বকলমে সেই রয়‍্যালটি আদায় করত তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতারা। তবে নলহাটিতে রয়‍্যালটি আদায়ের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হতো স্থানীয় ট্রাক্টরগুলিকে। অভিযোগ, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েছিলেন স্থানীয় চালকরা। লেড কারখানায় ট্রাক্টরের ডালাগুলির দৈর্ঘ্য, প্রস্ত ও উচ্চতা বাড়িয়ে ১৭-১৮ টন পাথর বহন করে চলাচল করছিল। অনেকে ক্র্যাশার থেকে ট্রাক্টরে ওভারলোড পাথর বোঝাই করে এনে অন্যত্র মজুত করে পরবর্তী সময়ে লরিতে করে পাচার করে এসেছে বলে অভিযোগ। পুলিস প্রশাসনের একাংশের মদতে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এই কারবার চলেছে বলে অভিযোগ। যদিও রাজ্যে পালাবদলের পর ডিসিআর কেটে পাথর বোঝাই স্থানীয় ট্রাক্টর থেকে লরি, ডাম্পার থেকে রয়‍্যালটি আদায় করছেন প্রশাসনের লোকজন। তাতে রাজস্ব আদায় কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু গৃহনির্মাণের ক্ষেত্রে চরম সমস্যায় পড়েছেন আবাস যোজনার উপভোক্তরা। বর্তমানে ডিসিআর কেটে পাথর সংগ্রহ করা তাঁদের কাছে অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে পাথর না পাওয়ায় তাদের অনেকের কাজ মাঝপথে আটকে রয়েছে রয়েছে বলে অভিযোগ।

আলমগির শেখ, সাইদুল ইসলামরা বলেন, আমরা পাথর শিল্পাঞ্চলের আশেপাশের বাসিন্দা। এতদিন আমরা অনেক কম দামে এক ট্রাক্টর পাথর পেয়েছি। কিন্তু বর্তমানে ট্রাক্টরে ১৫০ সিএফটি পাথরের জন্য ১৯৮০ টাকা রাজস্ব দিতে হচ্ছে। আবাসে সরকারি সীমিত বরাদ্দ অর্থে পাথর কেনা আমাদের মতো দুঃস্থ পরিবারের কাছে দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। তাই ট্রাক্টর পিছু বালির দাম যেমন ১২০০ টাকায় বেঁধে দেওয়া হয়েছে, তেমনি রাজস্ব ছাড়াই যাতে আমরা পাথর পেয়ে গৃহনির্মাণ করতে পারি সেই ব্যবস্থা করুক প্রশাসন।

যদিও বিডিও সৌরভ মেহেতা এই নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে কিছু বলতে চাননি। তবে ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, উপভোক্তাদের দাবিপত্র উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সৌজন্যে: বর্তমান।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



আজ সঙ্গ ছেড়ে নয়া তৃণমূলে বীরভূমের জয়ী ৫ বিধায়কই।একসময় অভিষেক ছিলেন সেনাপতি ও মমতা মা।রাজনীতির মঞ্চে' কদিন আগেও যাঁদের কা...
05/06/2026

আজ সঙ্গ ছেড়ে নয়া তৃণমূলে বীরভূমের জয়ী ৫ বিধায়কই।একসময় অভিষেক ছিলেন সেনাপতি ও মমতা মা।

রাজনীতির মঞ্চে' কদিন আগেও যাঁদের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন 'মা' আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন 'সেনাপতি'। ক্ষমতার পালাবদলে সেই আনুগত্যের খোলস এক লহমায় খসে পড়ল। মমতা, অভিষেকের শিবির ছেড়ে তৃণমূলেরই বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে গিয়ে 'আত্মসমর্পণ' করলেন বীরভূমের পাঁচ হেভিওয়েট বিধায়ক। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মেনে নিয়ে স্পিকারের ঘরে ৫৮ জন বিধায়কের যে সই সংবলিত চিঠি জমা পড়েছে, তারমধ্যে বীরভূমের জয়ী প্রত্যেক বিধায়কেরই নাম রয়েছে বলে সূত্রের খবর। এনিয়ে জেলা রাজনীতিতে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। এনিয়ে বামেদের অবশ্য দাবি, রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষা আর অতলান্ত দুর্নীতি ঢাকার জন্যই 'মা'-এর কোল ছেড়ে ঋতব্রতর দলে ভিড়েছেন জেলার বিধায়করা।

সইকাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে ফাটল চওড়া হচ্ছিল। বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে দল বহিষ্কার করার পর সেই ভাঙন আরও তীব্র রূপ নেয়। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ভিতরে ভিতরে যে বারুদ জমছিল, তা বুধবার স্পিকারের ঘরে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটেছে। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা দাবি করে ৫৮ জন বিধায়কের স্বাক্ষর সংবলিত চিঠি জমা পড়েছে স্পিকারের কাছে। তাতে বীরভূমের পাঁচ জয়ী বিধায়কের নাম-নলহাটির রাজেন্দ্রপ্রসাদ সিং, মুরারইয়ের মোশারফ হোসেন, হাসনের কাজল শেখ, বোলপুরের চন্দ্রনাথ সিংহ এবং নানুরের বিধানচন্দ্র মাঝির নাম রয়েছে।

সবচেয়ে নজর কেড়েছে চন্দ্রনাথ কিংবা কাজলের অবস্থান। কয়েকদিন আগেও যাঁরা প্রতিটি সভা-সমাবেশ শুরু করার আগে দলনেত্রীকে 'বাংলার বাঘিনী, বাংলার মা, বাংলার উন্নয়নের কাণ্ডরী' বলে সম্বোধন না করে জলস্পর্শ করতেন না, আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখতেন 'যুবরাজ' হিসেবে, সেই 'পরম অনুগত' নেতার এমন আকস্মিক ভোলবদল দেখে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। প্রতিক্রিয়া জানতে কাজলকে ফোন করা হলেও তোলেননি তিনি। মমতার দীর্ঘদিনের সঙ্গী বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিংহ অবশ্য স্পষ্ট বলেন, 'বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রতকেই আমরা মেনে নিয়েছি।' নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝি দায় এড়িয়ে বলেন, এটা পরিষদীয় দলের সিদ্ধান্ত।

বীরভূমের পাঁচজন ছিলাম। এব্যাপারে আমি আলাদা করে কোনো মন্তব্য করব না। এনিয়ে মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মীদের একটা বড় অংশের দাবি, কয়েকদিন আগেও যাঁরা মমতার দয়ায় ভোট বৈতরণী পার হয়েছিলেন, আজ নিজের পিঠ বাঁচাতে তাঁরাই দলনেত্রীর পিঠে ছুরি মারতে দ্বিধা করলেন না।

তৃণমূলের এই নাটকীয় পতন এবং বীরভূমের পাঁচ বিধায়কের অবস্থান নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন সিপিএমের বীরভূম জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ। তিনি বলেন, 'আসলে এই নয়া তৃণমূল হচ্ছে বিজেপি পরিচালিত তৃণমূল। যাঁরা এখানে নাম লিখিয়েছেন, তাঁদের পুরনো রেকর্ড ঘাঁটলে দেখা যাবে প্রত্যেকে আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। বিজেপির পরোক্ষ সমর্থন ছাড়া এঁদের জেলের বাইরে থাকা এখন অসম্ভব। চন্দ্রনাথ তো নিজেকে দিদির লোক, আর কাজল নিজেকে অভিষেকের সবথেকে কাছের লোক বলে প্রচার করতেন। তাঁরা কেন আজ সঙ্গ ছাড়লেন? একটাই কারণ-নিজেদের পিঠ বাঁচানো। বিজেপি সরাসরি এই বিধায়কদের দলে না নিলেও ঘুরপথে এই নয়া দলটিকে পরিচালনা করবে, যাতে সরাসরি কট্টর বিজেপি বিরোধী বামশক্তির মুখোমুখি হতে না হয়।

সৌজন্যে: বর্তমান।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



বোলপুরে খাঁ খাঁ করছে অনুব্রত মণ্ডলের পার্টি অফিস জেলা পরিষদে দেখা নেই কাজল শেখের।বৃহস্পতিবারের বিকাল। বোলপুরে তৃণমূলের প...
05/06/2026

বোলপুরে খাঁ খাঁ করছে অনুব্রত মণ্ডলের পার্টি অফিস জেলা পরিষদে দেখা নেই কাজল শেখের।

বৃহস্পতিবারের বিকাল। বোলপুরে তৃণমূলের পার্টি অফিস খাঁ খাঁ করছে। বাইরে ঝিমোচ্ছেন জনা দু'য়েক কর্মী। ভিতরে নেই লোকজন। অথচ মাসখানেক আগেও গমগম করত এই অফিস অনুগামীদের ভিড়ে। তৃণমূলের জামানা শেষ হতেই কপূরের মতো উবে গিয়েছে অনুব্রতর সেই চেনা দাপট। ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে এখন শুধুই শূন্যতা। অথচ এই নেতার দাপটেই একসময় বাঘে-গোরুতে এক ঘাটে জল খেত। 'চড়াম চড়াম' ঢাক বাজানোর নিদান দিতেন। একই পরিণতি জেলা পরিষদের, সভাধিপতি কাজল শেখেরও। তিনি নির্বাচনে জিতে বিধায়ক হয়েছেন। কিন্তু দল ক্ষমতায় না থাকায় তাঁর সেই প্রভাব-প্রতিপত্তি অনেকটা কমেছে।

পার্টি, অফিসে 'কেষ্ট'র যাতায়াতও এখন অনিয়মিত। এলেও। আসেন বিকাল সাড়ে ৪টের পর। ঘণ্টা দু'য়েক টিভিতে খবর দেখেন। তারপর আবার বাড়ি ফিরে যান। অথচ একটা সময় এই মানুষটার সুরক্ষায় দিনরাত মোতায়েন থাকত উর্দিধারীরা। ছায়াসঙ্গীর মতো লেগে থাকত শয়েশয়ে কর্মী। ভোটের ফল বেরতেই সব উধাও। মঙ্গলবার নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। আজ অনুব্রত কার্যত একা। ফল ঘোষণার পর থেকে পার্টি অফিসের চৌকাঠ মাড়াননি কোর কমিটির কোনো সদস্য। অনেকেই এখন পাঁচিলের উপর বসে আছেন। সুযোগ পেলেই ওপারে লাফ মারবেন, এই আশায়।

কেষ্ট কি তবে সত্যিই হতাশ? ফোন করা হলে চেনা গলার সেই হুঙ্কার আর নেই। এক অনুগামী ফোন ধরে নিচু গলায় বলেন, 'দাদা এখন ব্যস্ত আছেন।' কিন্তু কিসের এত ব্যস্ততা? তা কেউ জানে না। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে তিনি কার্যত অন্তর্ধানে। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনে মুখ খোলেননি একবারও। দলের পর্যালোচনা বৈঠকে দেখা মেলেনি। অথচ ভোটের আগে কেষ্ট হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, 'বিজেপি ২০০ আসন পেলে একদিক কামিয়ে বোলপুর শহর ঘুরব।' পাশা উলটে দিয়ে বিজেপি ২০০ পার করেছে। এআই দিয়ে তৈরি তাঁর ব্যাঙ্গাত্মক ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। এই বিপদের সময় দলেরই একাধিক পরাজিত প্রার্থী প্রকাশ্যেই ক্ষোভউগরে দিয়ে বলেছেন, বীরভূমে দলের ভরাডুবির দায় কেষ্টদার।

তৃণমূলের সাম্রাজ্যের পতনের আঁচ এসে লেগেছে বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের গায়েও। ভোটের ফল বেরনোর পর থেকে জেলা পরিষদের চত্বরে কাজল বা তাঁর অনুগত কর্মাধ্যক্ষদের পা পড়েনি। এরইমাঝে জেলা পরিষদে কাজলের অফিসে - রাতারাতি ভারতমাতা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছবি জায়গা করে নিয়েছে। এই ঘটনায় কাজল ঘনিষ্ঠমহলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁরও নিরাপত্তারক্ষীও তুলে নেওয়া হয়েছে। কাজল অবশ্য বলেন, 'নিরাপত্তারক্ষী একেবারে তুলে নেয়নি, দু'জন আছেন। প্রয়োজন পড়লে রাজ্য প্রশাসনের কাছে আবার আবেদন করব।' জেলা পরিষদে কেন আসছেন না? এই প্রশ্নের উত্তরে কাজল বলেন, 'আগে যেসব টেন্ডার হয়েছিল এখন তারই কাজ চলছে। নতুন কোনো কাজ নেই। কাজ শুরু হলেই যাব।' বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, পাপ বাপকেও ছাড়ে না। কর্মফল ভোগ করতেই হবে।

সৌজন্যে: বর্তমান।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



রামপুরহাট পুরসভায় পরিষেবা সচল রাখতে প্রশাসক বসাল রাজ্য সরকাররাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক পুরসভায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।...
05/06/2026

রামপুরহাট পুরসভায় পরিষেবা সচল রাখতে প্রশাসক বসাল রাজ্য সরকার

রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক পুরসভায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের শহর রামপুরহাট। আশিসবাবুও তৃণমূলের জেলা কোর কমিটি ও জেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এই পুরবোর্ড সরাসরি না ভাঙলেও অধিকাংশ কাউন্সিলার পুরসভামুখী হচ্ছেন না। এই অবস্থায় কাউন্সিলারদের প্রতি ভরসা না রেখে পুর পরিষেবা সচল রাখতে প্রশাসক বসাল রাজ্য সরকার। আগামী শুক্রবার রামপুরহাট মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট অ্যান্ড ডেপুটি ক্যালেক্টর ত্রিভুবন নাথ এই পুরসভার দায়িত্ব নেবেন। তার আগে বুধবার এলাকার বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা এবং হবু প্রশাসক পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান ও স্থায়ী কর্মচারীদের নিয়ে বৈঠক করেন।

এদিকে এদিন গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে ও পদ্ম ফুলের তোড়া দিয়ে বিধায়ককে সংবর্ধনা জানান তৃণমূল পরিচালিত পুর চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত। যা শহরে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০২২ সালে অধিকাংশ ওয়ার্ডেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল জিতেছিল। সেই সময় রাজনৈতিক একাধিপত্যকে হাতিয়ার করে বিরোধীদের ভয় দেখানো ও প্রার্থীপদ প্রত্যাহারে বাধ্য করার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন শাসকদলের বিরুদ্ধে। সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএম প্রার্থী সঞ্জীব মল্লিক ছাপ্পা ভোট রুখে দিয়ে জয়ী হয়ে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত তৈরি করেছিলেন। গত চার বছরে পুরসভার বিরুদ্ধে 'হাউজিং ফর অল' (সবার জন্য বাড়ি) প্রকল্প সহ একাধিক আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিজেপি ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে এসেছে। অবশেষে বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়েছে। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গেসঙ্গেই সেই পুরানো ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

গত ৪ মে ফলপ্রকাশের পরের দিনই পুরসভায় ঢুকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি তালা ঝুলিয়ে দেয় বিজেপির নেতা, কর্মীরা। যে কাউন্সিলাররা একসময় একতরফা ক্ষমতায় ছিলেন, তাঁরা এখন রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ায় পুরসভামুখী হতে ভয় পাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে পুর পরিষেবা সচল রাখতে আগামী শুক্রবার রামপুরহাটের মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট এবং ডেপুটি কালেক্টর ত্রিভুবন নাথ পুরসভার দায়িত্বভার নেবেন। দায়িত্ব নেওয়ার আগে বুধবার এলাকার বিধায়ক ধ্রুব সাহা ও হবু প্রশাসক ত্রিভুবন নাথ পুরসভায় এসে কতজন স্থায়ী, অস্থায়ী, স্যানিটারি কর্মী রয়েছেন সেসব খোঁজখবর নিয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে নতুন প্রশাসন দ্রুত পুর পরিষেবা নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে।

এদিকে, তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার চেয়ারম্যান যেভাবে বর্তমান শাসকদলের বিধায়ককে পদ্মফুল ও গেরুয়া উত্তরীয় দিয়ে স্বাগত জানিয়েছেন, তাতে তীব্র জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, চেয়ারম্যান কি নিজেই এবার বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন, নাকি পদ টিকিয়ে রাখার এটি একটি কৌশল? যদিও, চেয়ারম্যানের দাবি, তিনি বিধায়ককে নিয়মমাফিক কেবল 'সংবর্ধনা' দিয়েছেন। অন্যদিকে, বিধায়ক বলেন, ডিএমডিসি পুরসভার দায়িত্বভার নেবেন। সেজন্যই পুরসভায় আসা।

এদিন পুরসভার স্থায়ী কর্মীদের নিয়েও একটি বৈঠক করেন বিধায়ক ও চেয়ারম্যানকে দেখা যায়নি। বৈঠক শেষে বিধায়ক সরাসরি তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর মতে, তৃণমূল 'অগণতান্ত্রিকভাবে' এই পুরবোর্ডের ক্ষমতায় এসেছিল। তাই কর্মচারীদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো পক্ষপাতিত্ব বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।

সৌজন্যে: বর্তমান।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



ভোটের রেজাল্টের পর আর দেখা মেলেনি, সাংসদ শতাব্দী রায়ও কি বেসুরো? চলছে জল্পনা।নির্বাচনের কয়েকদিন আগে মুরারইয়ের জনসভায় দাঁ...
05/06/2026

ভোটের রেজাল্টের পর আর দেখা মেলেনি, সাংসদ শতাব্দী রায়ও কি বেসুরো? চলছে জল্পনা।

নির্বাচনের কয়েকদিন আগে মুরারইয়ের জনসভায় দাঁড়িয়ে বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেছিলেন, 'যাঁরা দলে থেকে বিরোধিতা করছেন, তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। এমন শাস্তি, যাতে তাঁদের ছেলেমেয়েও আর বিরোধিতা করতে না পারে।' দল বিরোধীদের' কঠোর শাস্তির দাবি তোলা সেই শতাব্দী রায়ই কি এবার বেসুরো বাজছেন এই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বীরভূমের রা রাজনৈতিক মহলে। কারণ, ভোটের পর থেকে জেলা তো বটেই, কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বা কর্মসূচিগুলোতেও শতাব্দীকে দেখা যাচ্ছে না, যা এই প্রশ্নকে আরও জোরালো করেছে।

২০০৯ সাল থেকে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে টানা চারবার জয়ী হয়ে এলেও শতাব্দী রায় আদতে এই জেলার ভোটার নন। তাঁর স্থায়ী আস্তানা কলকাতায়। সচরাচর মাসে দু'-একবার তাঁকে জেলায় দেখা গেলেও, সাম্প্রতিক বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকে বীরভূমের মাটিতে তাঁর পা পড়েনি। তৃণমূলের এই চরম বিপদের দিনেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা যায়নি তাঁকে। দলের এই দুর্দিনে কেন তাঁর দেখা মিলছে না, তা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে প্রশ্ন- দল ক্ষমতাচ্যুত হওয়াতেই কি তিনি শীর্ষ নেতৃত্বের থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন?

অভিনেত্রী থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠার শুরুতে শতাব্দী রায়ের রাজনৈতিক 'পরিপক্কতা' নিয়ে কম চর্চা হয়নি। বিশেষ করে তাঁর সেই বহুল আলোচিত মন্তব্য জনমানসে আজও টাটকা- 'আমাকে সিনেমায় দেখতে গেলে টাকা দিতে হয়। কিন্তু বিনা পয়সায় দেখতে গেলে ভোট দিতে হবে।' তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলার রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেন শতাব্দী। বিভিন্ন ব্লকে দলের ভেতরেই তিনি নিজস্ব একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন, যাঁদের বিরুদ্ধে এলাকায় বিস্তর ক্ষোভ ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের দাবি- সেই বিতর্কিত লোকেদেরই বিভিন্ন সাংগঠনিক পদে বসাতে বড় অবদান থাকত সাংসদের। দলের একটা অংশের দাবি, দুবরাজপুরের অঞ্চল থেকে ব্লকের কোর কমিটি গঠন হোক কিংবা রামপুরহাটের শহর সভাপতি নির্বাচন- সবই নাকি নিয়ন্ত্রিত হতো তাঁর অঙ্গুলি হেলনেই। বিশেষ করে 'খয়রাশোল' এবং দুবরাজপুর ব্লকের সংগঠন ও প্রশাসনকে তিনি নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন। বিক্ষুব্ধ শিবিরের একাংশের দাবি, এই দুই ব্লকের ক্ষমতার রাশ কুক্ষিগত করার নেপথ্যে ছিল সেখানকার বিপুল আর্থিক সমীকরণ। দুবরাজপুরের বিজেপি বিধায়ক অনুপ সাহার অভিযোগ, দুবরাজপুরের বালিঘাট কিংবা খয়রাশোলের কয়লা খনি থেকে যে বিপুল পরিমাণ কাঁচা টাকার লেনদেন হতো, তার সবটাই নিজের ঘনিষ্ঠদের দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতেন সাংসদ।

বর্তমানে তৃণমূল ভেঙে দুই টুকরো হয়ে গিয়েছে। বিধানসভার পর এবার 'অপারেশন লোকসভা' নিয়ে গুঞ্জন তুঙ্গে। কিন্তু এই সময় রহস্যজনক ভাবে নিরব সাংসদ। সূত্রের খবর, তৃণমূলের সাংসদদের একটি বড় অংশই এবার শিবির বদলের জন্য পা বাড়িয়ে রেখেছেন। সেই তালিকায় বীরভূমের এই দাপুটে সাংসদও রয়েছেন কি না, তা নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে। এই বিষয়ে সত্যতা যাচাই করতে সাংসদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর মোবাইল বন্ধ পাওয়া গিয়েছে। এমনকী মেসেজ পাঠানো হলেও তাঁর থেকে কোনো উত্তর মেলেনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বীরভূমের এই সাংসদের আড়ালে থাকাই এখন জেলার রাজনীতির সবথেকে বড় রহস্য।

সৌজন্যে: বর্তমান।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



'অরাজনৈতিক' মুখ এনেই সংগঠনিক বিস্তার চাইছে বিজেপি।রাজ্যে সরকার গঠনের পর এবার সাংগঠনিক ভিত আরও শক্ত করতে মাঠে নেমেছে বিজে...
05/06/2026

'অরাজনৈতিক' মুখ এনেই সংগঠনিক বিস্তার চাইছে বিজেপি।

রাজ্যে সরকার গঠনের পর এবার সাংগঠনিক ভিত আরও শক্ত করতে মাঠে নেমেছে বিজেপি। শাসকদল বীরভূম সাংগঠনিক জেলায় বুথস্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর কাজে হাত দিয়েছে। দলের অন্দরের খবর, জেলার প্রায় ২৫০ বুথে এখনও পূর্ণাঙ্গ সংগঠন গড়ে ওঠেনি। কোথাও বুথ সভাপতি নেই, কোথাও আবার সক্রিয় কর্মীর অভাব রয়েছে। সেই কারণেই আগামী দিনে রাজনৈতিক লড়াইকে আরও সুসংগঠিত করতে এখন বুথভিত্তিক শক্তি বৃদ্ধি করাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে জেলা নেতৃত্ব। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূম সাংগঠনিক জেলার অধীনে মোট ১,৯৪৮টি বুথ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫০টি বুথে সংগঠন এখনও প্রত্যাশিত স্তরে পৌঁছতে পারেনি। বিশেষ করে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা এবং কয়েকটি গ্রামীণ অঞ্চলে দলের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে দুর্বল। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকাগুলিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির প্রভাব থাকায় সেখানে সাংগঠনিক বিস্তার বিজেপির কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে বলে মনে করছে গেরুয়া শিবির।

দলীয় নেতৃত্বের দাবি, এখন বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। কিন্তু সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের দলে টানার পথে হাঁটতে চাইছে না তারা। বরং সমাজের এমন অংশকে সামনে আনার চেষ্টা চলছে, যাঁরা এতদিন কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না কিন্তু এলাকায় সামাজিক, শিক্ষামূলক কিংবা জনকল্যাণমূলক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। জেলা বিজেপির একাংশের মতে, শুধুমাত্র রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে সংগঠন তৈরি করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাই বুথস্তরে এমন নেতৃত্ব গড়ে তোলার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যাঁদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে এবং যাঁরা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। সেই লক্ষ্যেই মণ্ডল সভাপতিদের বুথভিত্তিক পর্যালোচনা শুরু করতে বলা হয়েছে। কোথায় নেতৃত্বের অভাব রয়েছে, কোথায় নতুন মুখ তুলে আনা যেতে পারে, তা নিয়েও চলছে আলোচনা। বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উদয় শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যে সমস্ত বুথে সংগঠন দুর্বল রয়েছে, সেখানে দ্রুত সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে অন্য রাজনৈতিক দলের কর্মী বা নেতাদের দলে নেওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই। আমরা এমন মানুষদের আহ্বান জানাচ্ছি, যাঁরা রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন কিন্তু কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁদের নিয়েই বুথস্তরের সংগঠন গড়ে তোলা হবে।” অন্যদিকে, এই উদ্যোগকে রাজনৈতিক দলগুলির স্বাভাবিক সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বলেই ব্যাখ্যা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের মতে, ক্ষমতায় আসার পর বিজেপির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন নির্বাচনী সাফল্যকে সাংগঠনিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা। আর সেই লক্ষ্যেই বীরভূমে বুথভিত্তিক পুনর্গঠনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সৌজন্যে: সংবাদ প্রতিদিন।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



হাসপাতালের উন্নয়নে আশ্বাস বিধায়কের।রামপুরহাটের নতুন বিধায়ক ধ্রুব সাহার কাছে ব্লাড স্টোরেজ ইউনিট, সাফাই কর্মী ও নিরাপত্তা...
04/06/2026

হাসপাতালের উন্নয়নে আশ্বাস বিধায়কের।

রামপুরহাটের নতুন বিধায়ক ধ্রুব সাহার কাছে ব্লাড স্টোরেজ ইউনিট, সাফাই কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষী দাবি করলেন মুরারই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বুধবার বিধায়ক এই হাসপাতালে পরিদর্শনে আসেন। স্বাস্থ্য দফতরের অধিকারিকদের নিয়ে করেন বৈঠক করেন। সেখানে একাধিক সমস্যা ও দাবির কথা উঠে আসে। দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন বিধায়ক।

এ দিন বিকেলে মুরারই হাসপাতাল এসে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন ধ্রুব। তাঁদের নানা অভিযোগ শোনেন। ঘুরে দেখেন সমগ্র হাসপাতাল চত্বর। মুরারই হাসপাতালকে স্টেট জেনারেল হাসপাতালে উন্নীত করার জন্য পরিকাঠামো তৈরির কাজ চলেছে। সেখানেও ঘুরে দেখেন বিধায়ক। ভাল মানের ইমারতি দ্রব্য ব্যবহার করতে স্বাস্থ্য অধিকারিকদের নির্দেশ দেন।

হাসপাতাল পরিদর্শনের পরে একটি বৈঠক করেন বিধায়ক। উপস্থিত ছিলেন মহকুমা শাসক অশ্বিনবাবু সিং রাঠোর, মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (রামপুরহাট) শোভন দে, মুরারই ১ স্বাস্থ্য আধিকারিক অভিজিৎ মণ্ডল, বিডিও (মুরারই ১) এইচ এম রিয়াজুল হক, মুরারই থানার ওসি সাকিব সাহাব প্রমুখ। বৈঠকে, হাসপাতালে স্থায়ী সাফাই কর্মী, নিরাপত্তাকর্মী বা পুলিশ নিরাপত্তা ও লাগোয়া ঝাড়খণ্ড রাজ্য থেকেও অনেকে চিকিৎসা করাতে আসেন বলে শয্যা বাড়ানোর দাবিও করা হয়।

বৈঠকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, দীর্ঘ কয়েক বছর থেকে হাসপাতালে কোনও ব্লাড স্টোরেজ ইউনিট নেই। ফলে, রোগীদের রামপুরহাটে রেফার করা হয়। তাই দ্রুত ব্লাড স্টোরেজ ইউনিট তৈরির দাবিও বৈঠকে উঠে আসে। মুরারই ১ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, "হাসপাতালের উন্নয়নের জন্য আমরা বিভিন্ন দাবি জানিয়েছি। উনি দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।"

ধ্রুব সাহা বলেন, "মুরারই হাসপাতাল থেকে রামপুরহাট মেডিক্যালে রোগী রেফার করা হচ্ছে। তাই এখানেই ভাল চিকিৎসা ব্যবস্থা হওয়া উচিত। তাই এখানে কোথায় কী কী সমস্যা হচ্ছে সে বিষয়ে আলোচনা করলাম। সঙ্গে স্টেট জেনারেল হাসপাতালে তৈরিতে মালপত্রের গুণমানও যেন ভাল থাকে, সেটাও আলোচনা হয়েছে। যে সমস্যাগুলি সামনে এসেছে সেগুলির দ্রুত বিহিত করা হবে।"

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



Address

State Highway 6
Suri
731101

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Birbhum Live posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share