Birbhum Live

Birbhum Live আমরা নির্ভুল ভাবে স্থানীয় সংবাদ এবং তথ্য পরিবেশন করে থাকি।

আকাশে অদ্ভুত উড়ন্ত আলো ঘিরে জোর চর্চা।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি শুক্রবার সন্ধ্যার পর বোলপুরের আকাশেও আচমকাই দেখা গ...
10/05/2026

আকাশে অদ্ভুত উড়ন্ত আলো ঘিরে জোর চর্চা।

রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি শুক্রবার সন্ধ্যার পর বোলপুরের আকাশেও আচমকাই দেখা গেল এক অদ্ভুত আলোর দৃশ্য। মেঘলা আকাশের বুক চিরে দীর্ঘ আলোর রেখা এগিয়ে যেতে দেখেন অনেকে। পরে সেই ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় নানা চর্চা। শুধু বোলপুর নয়, একই সময়ে ওড়িশার উপকূলবর্তী একাধিক এলাকা এবং বাংলাদেশের কিছু অংশ থেকেও এই আলোর দৃশ্য দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স-এর অধিকর্তা সন্দীপ চক্রবর্তী বলেন, "আলোর রেখা দেখে মনে হচ্ছে, শব্দের থেকে বেশি গতিবেগসম্পন্ন (সুপারসনিক) কিছু উড়ে যাচ্ছে।" অনেকেই এর সঙ্গে 'সুপারসনিক' অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্রের যোগসূত্র পেয়েছেন। উল্লেখ্য, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে ওড়িশার এপিজে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্রের একটি আধুনিক সংস্করণের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ হয়েছে।

তবে যখন এই আলো দেখা যায়, তখন থেকেই এর কারণ সম্বন্ধে নানা চর্চা চলতে থাকে। কেউ দেখেছেন সরু সাদা আলোর দাগ, কারও আবার নজরে আসে দ্রুত গতিতে ছুটে চলা উজ্জ্বল আলোকবিন্দু। মুহূর্তের মধ্যে অনেকেই মোবাইলে সেই দৃশ্য বন্দি করেন। কেউ কেউ দাবি করতে থাকেন এই আলো কোনও উচ্চ গতির সামরিক আকাশযান বা ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার অংশ হতে পারে। বায়ুমণ্ডলের বিশেষ ধরনের প্রতিফলনের ফলেও এমন দৃশ্য তৈরি হতে পারে কি না সেই প্রশ্নও তোলেন অনেকে। বোলপুরে বাসিন্দা, মহাকাশচর্চার সঙ্গে যুক্ত নিখিলেশ পাল বলছেন, "এর আগেও একবার ধূমকেতু দেখা যাওয়ার সময় আকাশে এমন আলোর রেখা দেখা গিয়েছিল। তবে এ বারের ঘটনার উৎস কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়।”

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



বাইশ বছর পরেও নিহত জওয়ানকে শ্রদ্ধা বিএসএফের।বাইশ বছর আগে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীতে (বিএসএফ) কর্মরত অবস্থায় নিহত হয়েছিলেন কী...
10/05/2026

বাইশ বছর পরেও নিহত জওয়ানকে শ্রদ্ধা বিএসএফের।

বাইশ বছর আগে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীতে (বিএসএফ) কর্মরত অবস্থায় নিহত হয়েছিলেন কীর্ণাহারের। সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়। তারপর থেকেই প্রতি বছর বিএসএফের পক্ষ থেকে স্টেশনপাড়ায় সঞ্জীবের বাড়িতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে ও পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে আসেন বিএসএফের ১১৬ ব্যাটেলিয়নের প্রতিনিধিরা। এ বারেও তার অন্যথা হল না। শনিবার সঞ্জীবকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পাশাপাশি সঞ্জীবের মা মায়ারানি চট্টোপাধ্যায়কেও সব সময় পাশে থাকার বার্তাও দিলেন তাঁরা।

সঞ্জীবের বাবাও ছিলেন সেনাকর্মী। বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই সীমান্তরক্ষী বাহিনীতে যোগ দেন সঞ্জীব। কর্মজীবনের তিন বছরের মাথায় কাশ্মীরে কর্মরত ছিলেন বছর পঁচিশের সঞ্জীব। জানা গিয়েছে সেখানেই সন্ত্রাসবাদীদের ছোড়া গুলিতে ২০০৪ সালের ৯ মে তিনি নিহত হন। সঞ্জীবের প্রতিবেশী, শিক্ষক দীনেশ ভট্টাচার্য বলেন, “সন্ধ্যা নাগাদ খবর আসে সেদিন বিকেলে গুলিতে নিহত হয়েছেন সঞ্জীব। তাঁর মৃত্যু বড় আঘাত ছিল। তবে গর্ববোধ হচ্ছে, আমাদের দেশ এখনও তাঁকে ভোলেনি।"

কয়েক বছর আগে সঞ্জীবের বাবা নন্দদুলাল চট্টোপাধ্যায় প্রয়াত হয়েছেন। বাড়িতে রয়েছেন মা। এ দিন বিএসএফের দু'টি দলের মোট ছ'জন সদস্য বহরমপুর ও মালদহ থেকে কীর্ণাহারে আসেন। নিহত জওয়ানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করার পাশাপাশি মায়ের হাতে তুলে দেন দুটি কাশ্মীরী শাল। এ দিন বিএসএফ জওয়ানেরা শ্রদ্ধা জানাতে এলে কান্নায় ভেঙে পড়েন সঞ্জীবের মা মায়ারানি চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "দেশ ও আমার ছেলের বাহিনী আজও তাকে ভোলেনি। প্রতি বছর ওরা আসে, এ বারেও এসেছে। ওরাও তো আমার ছেলের মতোই। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি ওদের যেন কোনও ক্ষতি নাহয়।"

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



রবীন্দ্রজয়ন্তীতে পঞ্চবটী অঙ্গন উদ্বোধন।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৬৫তম জন্মদিনে বিধুশেখর শাস্ত্রী একটি শ্লোক রচনা করেছিলেন, সেদ...
10/05/2026

রবীন্দ্রজয়ন্তীতে পঞ্চবটী অঙ্গন উদ্বোধন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৬৫তম জন্মদিনে বিধুশেখর শাস্ত্রী একটি শ্লোক রচনা করেছিলেন, সেদিনই তাঁর উদ্যোগে পঞ্চবটী প্রতিষ্ঠাও হয়েছিল। তাঁর সেই শ্লোক শতবর্ষ পরে রবীন্দ্রজয়ন্তীতে এবার ফলক আকারে রবীন্দ্রভবনে স্থান পেল। একই সঙ্গে নতুন আঙ্গিকে বিশ্বভারতীতে উদ্বোধন করা হল পঞ্চবটী অঙ্গন। এবার থেকে পঞ্চবটী ঘুরে দেখার সুযোগ পাবেন পর্যটকেরা।

১৩৩২ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ (ইংরেজি ১৯২৫ সাল) কবিগুরুর ৬৫ বছরের জন্মদিন পালন করা হয়েছিল বিশ্বভারতীতে। সেদিনের। বিশেষত্ব ছিল পঞ্চবটী প্রতিষ্ঠা। ওই দিন বিখ্যাত সংস্কৃত পণ্ডিত, ভাষাতত্ত্ববিদ ও ভারতবিদ্যা-পারদর্শী বিধুশেখর শাস্ত্রীর উদ্যোগে উত্তরায়ণের উত্তর-পশ্চিম অংশে নির্দিষ্ট দূরত্বে অশ্বত্থ, বট, বিল্ব, অশোক এবং আমলকী এই পাঁচটি গাছ নিজের হাতে রোপণ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। কী পদ্ধতিতে গাছগুলি লাগানো হবে তাও কবিকে জানান বিধুশেখর। তাঁর ইচ্ছেয় কবি সেদিন ধুতি পরে গায়ে চাদর জড়িয়ে বৃক্ষরোপণ করেন। এ দিনে বিধুশেখর সংস্কৃতে "পান্থানাং চ পশুনাং চ পক্ষিণাং চ হিতেচ্ছায়া।। এষা পঞ্চবটী যত্নাদ্ রবীন্দ্রেণেহ রোপিতা।।” শ্লোকটি রচনা করেন। বাংলায় যার অর্থ পথিক, পশু এবং পাখিদের মঙ্গলের কামনায় (হিতেচ্ছায়া) রবীন্দ্রনাথ যত্ন সহকারে এখানে (শান্তিনিকেতনের উত্তরায়ণে) এই পঞ্চবটী রোপণ করলেন।

উত্তরায়ণের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে এখনও সেই বৃক্ষগুলি রয়েছে। সেখানেই শ্বেতপাথরের ফলকে সেই শ্লোক লেখা থাকবে বলে আগেই পরিকল্পনা করেছিল রবীন্দ্র ভবন। অবশেষে শনিবার কবির জন্মজয়ন্তীতে তা বাস্তব রূপ পেল। একই সঙ্গে পঞ্চবটীকে নতুন রূপে 'পঞ্চবটী অঙ্গন' হিসেবে স্থাপন করা হল। এদিন একটি ছোট অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছিল উত্তরায়ণে। উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীরকুমার ঘোষ, কর্মসচিব বিকাশ মুখোপাধ্যায়, রবীন্দ্রভবনের ডিরেক্টর দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্রভবনের প্রাক্তন ডিরেক্টর অমল পাল-সহ আধিকারিক, অধ্যাপক, কর্মী ও পড়ুয়ারা।

প্রথা মেনে এদিন ভোর থেকেই শুরু হয় রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন। ভোর পাঁচটায় গৌরপ্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় বৈতালিক। এরপর সাড়ে পাঁচটায় রবীন্দ্রভবনে হয় কবিকণ্ঠ। সকাল বিশেষ উপাসনার আয়োজন করা হয়েছিল। তারপর মাধবী বিতানে হয় জন্মোৎসবের মূল অনুষ্ঠান। সেখানে রবীন্দ্রসঙ্গীত, রবীন্দ্রনাথের লেখা থেকে পাঠ, কবিতা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপিত হয়। এরপরই পঞ্চবটী অঙ্গন উদ্বোধন করা হয়। সন্ধ্যায় রবীন্দ্রনাথের নৃত্যনাট্য ' মায়ার খেলা' নাট্যঘরে মঞ্চস্থ হয়। সাতটায় উপাসনাগৃহে উপাচার্য বলেন, "দীর্ঘদিন পঞ্চবটী অবহেলিত হয়ে পড়ে ছিল। সে সময় ঘোষিত ফলকও এতদিন স্থাপিত হয়নি। এতদিনে পঞ্চবটীকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এবার থেকে পর্যটকেরাও এই ঐতিহাসিক স্থানটি দর্শনের সুযোগ পাবেন।"

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



জলের সমস্যায় ক্ষুব্ধ শহরবাসী।গরম পড়তেই পানীয় জলের সমস্যায় ক্ষোভ বাড়ছে রামপুরহাট শহরে। শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের...
10/05/2026

জলের সমস্যায় ক্ষুব্ধ শহরবাসী।

গরম পড়তেই পানীয় জলের সমস্যায় ক্ষোভ বাড়ছে রামপুরহাট শহরে। শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁদের বাড়িতে পুরসভার যে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে সেই সংযোগ থেকে তাঁরা পর্যাপ্ত জল পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও পানীয় জল পৌঁছচ্ছে না বলেও ক্ষোভ। ঝনঝনিয়ার কাছে যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য এই পরিস্থিতি হচ্ছে এবং দ্রুত তা ঠিক হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুরসভা।

পুরসভায় টাকা জমা দিয়ে বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ নিয়েও তাঁদের বাড়িতে কেন পানীয় জল পৌঁছয়নি তা নিয়ে ক্ষোভ অনেকের। বিধানসভা নির্বাচনে ভোট চাইতে গেলে শহরের ওই বাসিন্দারা তাঁদের সমস্যার কথা শাসক এবং বিরোধী দলের কর্মী ও প্রার্থীদের কাছে তুলেও ধরেন। নির্বাচন পর্ব মিটে গেলেও পানীয় জল নিয়ে পুরবাসীর সমস্যা মেটেনি। এই অবস্থায় গরমে শহরে পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের মিলপাড়া, গদাইপাড়া, জটাধারীতলা এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাড়ার ট্যাপকল থেকে সুতোর মতো জল পড়ে। এক জনের এক বালতি জল ভরতে অনেক সময় লেগে যায়। ফলে সকলে জল পান না। যাঁরা পুরসভায় ৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে বাড়ি বাড়ি জলের সংযোগ নিয়েছেন, তাঁদের বাড়িতেও পর্যাপ্ত জল পৌঁছয় না বলে অভিযোগ।

পানীয় জলের সমস্যা নিয়ে ভুগছেন শহরের ৮, ৯, ১৮ নম্বর। ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের লোটাস প্রেস এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাড়িতে পুরসভার পানীয় জলের সংযোগের কলে সামান্য সময়ের জন্য জল সরবরাহ করা হচ্ছে। সেই স্বল্প সময়টুকুর মধ্যেও জল অনেক কম পড়ছে। আবার ৯০ নম্বর ওয়ার্ডের জীবনানন্দ পল্লীর বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাত আট বছর আগে পুরসভায় টাকা জমা-দিয়ে বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ-নেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত অনেকের বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছয়নি।

পুরপ্রধান সৌমেন ভকত জানান, দিন কয়েক আগে ঝনঝনিয়া পাম্প হাউসে যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য জলা সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। এ-ছাড়া ঝনঝনিয়ার কাছে পাইপ ফেটে যাওয়ার জন্যও শহরে জল সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে বলে তিনি জানান। তাঁর আশ্বাস, "আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই আবার জল সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে।" তাঁর দাবি, নতুন জল প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, "শহরে অবৈধ ভাবে যারা পাম্প লাগিয়ে জল তুলছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পুরসভা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে পুরসভা শহরে প্রচার চালাবে।"

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



হাল না ছেড়ে দিশা পেতে সফল দিশা।জন্মের পর থেকেই মাথার বাঁ দিক থেকে বাঁ হাত ও বাঁ পায়ে তেমন জোর নেই। কোনও ক্রমে পড়াশোনা কর...
10/05/2026

হাল না ছেড়ে দিশা পেতে সফল দিশা।

জন্মের পর থেকেই মাথার বাঁ দিক থেকে বাঁ হাত ও বাঁ পায়ে তেমন জোর নেই। কোনও ক্রমে পড়াশোনা করতে পারলেও স্মৃতি তৈমন কাজ করে না। হাঁটাচলা করতে বা উঠতে-বসতেও অন্যের উপরে নির্ভর করতে হয়। চাহিলা সম্পন্ন ১৬ বছর বয়সি বিশেষ চাহিলা স দিশা মণ্ডল যাবতীয় প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে মাধ্যমিকে ৪২৬ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

তারাপীঠ থানার ভাঙাপাড়া গ্রামে বাড়ি দিশার। পরিবার সূত্রে জানা যায়, জন্ম থেকেই ৮০ শতাংশ শারীরিক ও মানসিক বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন সে। জীবনের দিশা খুঁজতে প্রথম বড় পরীক্ষায় বসেছিল দিশা। মেয়ের সাফল্যের তারাপীঠ তারাতীর্ণ বিদ্যামন্দিরের শিক্ষকদের অবদান প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন দিশার মা সর্বাণী মণ্ডল ও বাবা সাধন মণ্ডল। দিশার পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরে, কড়কড়িয়া জয়তারা বিদ্যাপীঠে। মা পরীক্ষার দিনগুলিতে টোটোয় করে মেয়েকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছনো এবং পরীক্ষা শেষে নিয়ে আসার কাজ করেছেন। সর্বানী জানান, হাসপাতালে মেয়ের জন্মের সময় মাথায় আঘাত পেয়েছিল দিশা। তার পর থেকে শরীরে বাঁ দিক এক প্রকার অসাড়। মেয়েকে প্রত্যেক দিন ওষুধ খেতে হয়। মাঝে মধ্যেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে হয়। সর্বাণীর কথায়, "তবু মেয়ে যাতে মাধ্যমিক পাশ করে কিছু একটা কাজ করে সাবলম্বী হতে পারে, তার জন্যই পরীক্ষায় বসেছিল। সেই পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছে, এতে আমরা খুশি। এ বার ওকে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি করাব।"

তারাপীঠ তারাতীর্থ বিদ্যামন্দিরের প্রধান শিক্ষক ও অন্য শিক্ষকদের সহযোগিতা নিয়ে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পরে মাধ্যমিকে দু'জন অনুলেখকের সাহায্যে পরীক্ষা দেয় দিশা। অনুলেখক জোগাড় করা নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ অবশ্য সমস্যায় পড়েছিলেন। পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে কলা ও বিজ্ঞান বিভাগ মিলিয়ে নবম শ্রেণির দুই ছাত্রীকে অনুলেখক করা হয়।

প্রধান শিক্ষক বিশ্বনাথ চক্রবর্তী বলেন, "বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন হলেও দিশার পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ দেখে স্কুলের শিক্ষকেরা ওকে সব দিক থেকে সাহায্য করেছেন। অনুলেখক পাওয়ার জন্য নিয়ম অনুযায়ী অনলাইনে আবেদন না করায় জন্য প্রথম দিকে সমস্যা হয়েছিল। পরে শিক্ষা দফতর বিবেচনা করে দু'জন অনুলেখকের অনুমোদন দেয়।"

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা মারার নালিশ।দুবরাজপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি স্বপন মণ্ডলের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করার অভি...
10/05/2026

তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা মারার নালিশ।

দুবরাজপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি স্বপন মণ্ডলের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠল কিছু দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে সদাইপুর থানা এলাকার হাজরাপুর গ্রামে। শনিবার সকালে পুলিশ পৌঁছে ওই তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে ফেটে না যাওয়া একটি তাজা বোমা উদ্ধার করে।

স্বপন জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে সপরিবার ঘুমোচ্ছিলেন তাঁরা। রাত সওয়া একটা নাগাদ বাড়ির পিছনের দিকে গুলি চালানোর আওয়াজ পান। ঘুম ভেঙে যায় সকলের। তার পরেই বেশ কয়েকটি বোমা ফাটার আওয়াজ পাওয়া যায়। সকালে স্বপন দেখেন, বাড়ির পিছন দিকে টিনের দরজা বোমার আঘাতে ফুটো হয়ে গেছে, সীমানা প্রাচীরে ও বোমা ফাটার দাগ, সুতলি ছড়িয়ে। বাড়ির পিছনে উঠোনে একটি তাজা বোমা পড়ে আছে।

বাড়ির চারদিকে সিসি ক্যামেরা লাগানো থাকলেও, অন্ধকারে কে বা কারা এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে বোঝা যায়নি। তবে বোমা ফাটার ঝলকানি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। এ দিন সকালে সদাইপুর থানায় খবর দেন স্বপন। পরে লিখিত অভিযোগ করেন। তবে সরাসরি রাজনৈতিক কারণ নয়, ঘটনার নেপথ্যে ব্যক্তিগত আক্রোশ রয়েছে বলেই মনে করছেন দুবরাজপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



অহিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ, ব্যানার ফুল্লরাতলাতেও।কঙ্কালীতলার পরে ফুল্লরা মন্দির। ফের বীরভূমের সতীপীঠে 'অহিন্দু'-দের প্রবেশ...
10/05/2026

অহিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ, ব্যানার ফুল্লরাতলাতেও।

কঙ্কালীতলার পরে ফুল্লরা মন্দির। ফের বীরভূমের সতীপীঠে 'অহিন্দু'-দের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জানিয়ে ব্যানার টাঙানো হল। ঘটনায় বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

গত ৪ মে বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরে কঙ্কালীতলায় 'বিধর্মীদের' প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার ব্যানার টাঙানো হয়েছিল। এ বার ব্যানার টাঙানো হল লাভপুরের ফুল্লরাতলায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার কিছু যুবক এই ব্যানার টাঙিয়েছেন শুক্রবার সন্ধ্যায়। তাঁরা কোনও সংগঠনের সদস্য নন। তবে, তাঁদের দাবি, মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না।

শনিবার মন্দির প্রবেশের তিনটি রাস্তাতেই দেখা গেল ওই ব্যানার। মন্দিরের এক পুরোহিত মৃণাল রায় বলেন, "স্থানীয় কিছু যুবক এই ব্যানার টাঙিয়েছে। আমি বলব নাস কোনও বিশেষ ধর্মকে নিশানা করে এই নিষেধাজ্ঞা হোক। তবে, কোনও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সুযোগের অপব্যবহার করে মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট করতে আমরা দেব না।" স্থানীয় বাসিন্দা চণ্ডী দাস, যষ্ঠী থান্দার, অপর্ণা দলুই, শোভারানি বৈরাগ্যদের মতে, মন্দির থাকুক মন্দিরের মতোই। আপাতত এই সিদ্ধান্তে তাঁদের আপত্তি নেই।

লাভপুরের বিজেপি বিধায়ক দেবাশিস ওঝা বলেন, "প্রথম থেকেই মন্দির ও সংলগ্ন ভবনে অহিন্দুদের প্রবেশাধিকার ছিল না। তৃণমূল ক্ষমতায় এসে ওখানে কোনও নিয়ম মানেনি। এ বার থেকে পুরনো নিয়ম মেনে মন্দির পরিচালিত হবে।" লাভপুরের সদ্য প্রাক্তন বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য অভিজিৎ সিংহ এ বিষয়ে রাজনৈতিক মন্তব্য করবেন না জানিয়ে বলেছেন, "ধর্মীয় স্থানে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনেই চলা উচিত বলে আমি মনে করি।"

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



পুকুরে বিজেপি কর্মীর দেহ, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা।রাজ্যে বিজেপির সরকারের শপথগ্রহণের দিন দুপুরে পুকুর থেকে উদ্ধার হল এক বিজেপি ...
10/05/2026

পুকুরে বিজেপি কর্মীর দেহ, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা।

রাজ্যে বিজেপির সরকারের শপথগ্রহণের দিন দুপুরে পুকুর থেকে উদ্ধার হল এক বিজেপি কর্মীর দেহ। বোলপুর থানার রায়পুর সুপুর পঞ্চায়েতের অভিরামপুরের ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম নরেশ রাউত (৫০)। কী ভাবে নরেশের মৃত্যু হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নরেশ পেশায় ইটভাটার কর্মী। বাড়িতে আছেন স্ত্রী ও এক মেয়ে। পরিবারের দাবি, তৃণমূলের কিছু কর্মী-সমর্থকের সঙ্গে শুক্রবার সন্ধ্যায় নরেশের বচসা হয়। দু'পক্ষে। ধস্তাধস্তিও হয়। এর পর রাত ১১টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান নরেশ। শনিবার দুপুরে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে পুকুরে তাঁর দেহ দেখতে পান স্থানীয়েরা। বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে জানান।

বচসার জেরেই এই মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ পরিবারের। মৃতের ভাইপো বিনয় রাউত বলেন, "নিখোঁজ হওয়ার আগে সন্ধ্যায় তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কাকার বচসা হয়েছিল। তাঁকে দেখে নেওয়ারও হুমকি দেওয়ার হয়েছিল। তাই পরিকল্পিত খুন বলে মনে হচ্ছে আমাদের। আমরা চাই পুলিশ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা করুক।" বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, “আমি বাইরে আছি। এখনও পর্যন্ত সঠিক কী ঘটেছে, আমার জানা নেই। তবে, আমাদের অনুমান, যেহেতু বচসা হয়েছিল, তাই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই তাঁকে খুন করছে।"

বোলপুরের তৃণমূল বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিংহ বলেন, "রায়পুর সুপুর এলাকায় আমাদেরই ১০-১২ জন নেতাকর্মী ঘরছাড়া রয়েছেন। হিংসার কারণে তাঁরা ফিরতে পারছেন না। তাই তৃণমূল কী ভাবে এই কাজ করতে পারে! বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলেই এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।" পুলিশ জানিয়েছে, "পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়না তদন্তের প্রকৃত রিপোর্ট আসার পরই জানা যাবে কিভাবে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হল। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পরিবারের তরফে লিখিত অভিযোগ হয়নি।

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



প্রস্তাবিত খনি এলাকায় কিছু সাফল্য তৃণমূলের।রাজ্য জুড়ে গেরুয়া ঝড়ের প্রভাব পড়েছে বীরভূমেও। তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি বীরভূমের লা...
10/05/2026

প্রস্তাবিত খনি এলাকায় কিছু সাফল্য তৃণমূলের।

রাজ্য জুড়ে গেরুয়া ঝড়ের প্রভাব পড়েছে বীরভূমেও। তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি বীরভূমের লালমাটিতেও ফুটেছে পদ্ম। তবে জেলার ডেউচা-পাঁচামির প্রস্তাবিত খনি এলাকায় কিছু জায়গায় আবার এগিয়ে থেকেছে তৃণমূল। খনি প্রকল্পের জন্য জমির বিনিময়ে চাকরি, আরও বিপুল কর্মসংস্থানের আশ্বাসেই কিছু এলাকায় তৃণমূল ভোট পেয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীরা।

ডেউচা-পাঁচামির প্রস্তাবিত খনি এলাকা রামপুরহাট বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। সেই আসনে বিজেপি প্রার্থী ধ্রুব সাহা দীর্ঘদিনের তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে বিপুল ভোটে জিতেছেন। তবে প্রকল্প এলাকায় সব জায়গায় এগিয়ে থাকতে পারেনি বিজেপি। কিছু কিছু এলাকায় তৃণমূল এগিয়ে থেকেছে।

ডেউচা পাঁচামি প্রস্তাবিত কয়লা প্রকল্পকে ঘিরে রয়েছে ভাঁড়কাটা, হিংলো, ডেউচা ও সেকেড্ডা পঞ্চায়েত এলাকার জমির মালিকরা। ডেউচা পঞ্চায়েতে ৮টি বুথের মধ্যে ৫টিতে বিজেপি ও ৩টিতে তৃণমূল জিতেছে। সব মিলিয়ে ওই পঞ্চায়েতে প্রায় ১ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছে বিজেপি। হিংলো পঞ্চায়েতে ৮টি বুথের মধ্যে ৭টিতে বিজেপি ও ১টিতে তৃণমূল জিতেছে। সব মিলিয়ে হিংলো পঞ্চায়েতে ১০৮৮ ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি।

সেকেড্ডা পঞ্চায়েতে আবার এগিয়ে তৃণমূল। সেখানে ২২টি বুথের মধ্যে ২টিতে বিজেপি ও ২০টিতে তৃণমূল জিতেছে। সব মিলিয়ে সেকেড্ডায় ৮ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। প্রকল্প এলাকা অর্থাৎ ভাঁড়কাটা পঞ্চায়েতের ১৭টি বুথের মধ্যে ৯টিতে বিজেপি ও ৮টিতে তৃণমূল জিতেছে। কিন্তু ভোটের সংখ্যায় তৃণমূল বিজেপির থেকে প্রায় ১ হাজার ভোটে এগিয়ে আছে। প্রকল্প এলাকায় মানুষকে চাকরির আশ্বাস দেওয়া, জমিদাতাদের চাকরি ও বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির কারণেই বিজেপি কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে বলে দাবি করেন দলের নেতৃত্বের।

বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য তথা স্থানীয় বিজেপির অন্যতম কার্যকর্তা পিনাকী মণ্ডল বলেন, "তৃণমূল সরকার ডেউচা পাঁচামি প্রকল্প এলাকার মানুষকে এক লক্ষ চাকরি-সহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বপ্ন দেখিয়েছিল। তাই কিছু ভোট পেয়েছে। তবে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে পূরণ হয়নি। কিছু মানুষকে চাকরি দিলেও এখনও বহু জমিদাতারা চাকরির আশায় বসে আছেন। আশা করি আগামী দিনে সমস্ত মানুষ বিজেপিতে শামিল হবেন।" মহম্মদবাজার ১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি কালীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "ভোট মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। মানুষ যাকে ভাল মনে করেছেন তাঁকেই ভোট দিয়েছেন।"

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



শপথগ্রহণের দিন জেলায় উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মীদের।রাজ্যে বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণকে ঘিরে শনিবার জেলার বিভিন্ন প্রান্তে উচ্ছ্...
10/05/2026

শপথগ্রহণের দিন জেলায় উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মীদের।

রাজ্যে বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণকে ঘিরে শনিবার জেলার বিভিন্ন প্রান্তে উচ্ছ্বাসে মাতলেন দলের কর্মী-সমর্থকেরা। অনেকে দিনভর দলীয় কার্যালয়ে টিভির পর্দায় চোখ রাখলেন, কোথাও আবির খেলা হল, কোথাও বা আনন্দ ভাগ করে নিতে লাড্ডু বিলি করে।

এদিন সকাল থেকেই বোলপুর শহরের ভুবনডাঙা, কালীমোহনপল্লি, বাঁধগোড়া, ত্রিশূলাপট্টি-সহ বিভিন্ন এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা লাড্ডু বিলি করেন। মহিলাদের হাতে পদ্মফুল তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। বিজেপি কর্মীদের দাবি, বাংলার মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। সেই আনন্দেই কয়েক হাজার লাড্ডু বিলি করা হয়। পাশাপাশি শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা দিতেই মহিলাদের হাতে পদ্মফুল তুলে দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে, শুভেন্দু অধিকারী নতুন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার খুশিতে রাজ্যবাসীর শান্তি কামনা করে কঙ্কালীতলায় পুজো দেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা।

ইলামবাজার ব্লকের জয়দেব কেঁদুলির রাধাবিনোদ মন্দিরে বিজেপি কর্মীরা পুজো দেন। মন্দিরে পুজো দেওয়ার পরে আট হাজার লাড্ডু বিলি । করেন তাঁরা। নরেন্দ্র মোদীর মুখোশ পরে আনন্দ উচ্ছেসে শামিল হতেও দেখা যায় অনেক কর্মী সমর্থককে। বিজেপি কর্মী সুমন সূত্রধর বলেন, "আমাদের সরকার পথ চলা শুরু করছে বাংলায়। আগামী দিন যাতে সুন্দর হয়, সেই প্রার্থনাই করলাম।"

বিজয় উৎসব পালিত হয়েছে কীর্ণাহারের আলিগ্রামেও। ঢাক, ঢোল-সহ বিভিন্ন বাজনা সহযোগে শোভাযাত্রার পাশাপাশি গেরুয়া আবির উড়িয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। দুপুরে নানুরের রক্ষাকালী মন্দিরেও পুজো দেন দলের নেতা-কর্মীরা। নানুর ব্লকের দায়িত্বে থাকা বিজেপি নেতা শঙ্খচুড় ঘোষ বলেন, "রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনায় পুজো দিলাম আমরা।" মল্লারপুর থানার কুসুমি গ্রামে বিজেপি কর্মীরা গেরুয়া আবির মেখে বিজয় উৎসব পালন করেন।

মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পরে পরেই সিউড়ির বেনেপুকুরপাড়ায় আবির খেলায় মেতে উঠেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। পথচলতি মানুষকে ঝালমুড়িও খাওয়ানো হয়। সিউড়ির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি নেতা অভিজিৎ বসু বলেন, "পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলরাজের অবসান হল। আমরা চাই, এখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হোক। জয়ের আনন্দ ভাগ করে নিতেই দিনটিকে উদ্যাপন করা হয়।"

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



পুরসভায় নথি সংগ্রহ অস্থায়ী কর্মীদের।রাজ্যে পালাবদলের পরেই অস্থায়ী কর্মীদের তালিকায় স্বচ্ছতা আনতে নাম সংগ্রহের কাজ শুরু হ...
10/05/2026

পুরসভায় নথি সংগ্রহ অস্থায়ী কর্মীদের।

রাজ্যে পালাবদলের পরেই অস্থায়ী কর্মীদের তালিকায় স্বচ্ছতা আনতে নাম সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে বোলপুর পুরসভায়। আজ, শনিবার মন্ত্রিসভার শপথ। ঠিক তার আগে, শুক্রবার বোলপুর পুরসভায় অস্থায়ী কর্মীদের ভিড় দেখা গেল। এ দিন অস্থায়ী কর্মীদের নাম, ফোন নম্বর, তাঁরা পুরসভার কোন বিভাগে কত দিন ধরে কাজ করছেন-এমন নানা তথ্য নিয়ে নথি সংগ্রহ করা হয় বলে পুরসভা সূত্রের খবর। কিন্তু, ঠিক কী কারণে হঠাৎ অস্থায়ী পুর-কর্মীদের তালিকা তৈরির প্রয়োজন পড়ল, তা স্পষ্ট হয়নি।

২০২২ সালের পুরসভা নির্বাচননে বোলপুরের ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটিতেও প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি। ১০টি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয় তৃণমূল। সব ক'টি আসনেই জমানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল বিরোধীদের। পুরপ্রধান হন পর্ণা ঘোষ। তাঁর কার্যকালে শহরে যানজট কমানোর লক্ষ্যে ফুটপাতের দখলদারি উচ্ছেদ থেকে শুরু করে নতুন জল প্রকল্প তৈরি-সহ একাধিক কাজ করেছে পুরসভা। সে সময় পুরসভার বেশ কিছু অস্থায়ী পদে নিয়োগও হয়।

অভিযোগ ছিল, অনেক অস্থায়ী কর্মীই দিনের পর দিন পুরসভায় না গিয়ে, কাজ না করে বেতন তোলেন। সূত্রের খবর, পুরসভার ব, পুরসভার স্যানিটারি বিভাগের কর্মী, আধিকারিকেরা তালিকা করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অস্থায়ী কর্মীদের একাংশ বলেন, "নতুন সরকার গঠিত হচ্ছে। তাই কোনও ধরনের গাফিলতি যাতে না থাকে পুরসভায়, তার জন্যই এই নথি সংগ্রহ বলে আমাদের মনে হচ্ছে।"

পুরপ্রধান অবশ্য এ নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। তাঁর কথায়, "কিসের জন্য নথি সংগ্রহ করা হচ্ছে, এখনও আমার জানা নেই। সোমবার অফিসে গেলে বিষয়টি জেনে বলতে পারব।"

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



Address

State Highway 6
Suri
731101

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Birbhum Live posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share