Birbhum Live

Birbhum Live আমরা নির্ভুল ভাবে স্থানীয় সংবাদ এবং তথ্য পরিবেশন করে থাকি।

টুলু মণ্ডলের ল্যাপটপ, হার্ড ড্রাইভ ও পেন ড্রাইভে টাকা লেনদেনের তথ্য,  'পাথর সম্রাটের' সাংকেতিক ভাষার রহস্য ভেদে বিশেষজ্ঞ...
08/08/2026

টুলু মণ্ডলের ল্যাপটপ, হার্ড ড্রাইভ ও পেন ড্রাইভে টাকা লেনদেনের তথ্য, 'পাথর সম্রাটের' সাংকেতিক ভাষার রহস্য ভেদে বিশেষজ্ঞ আইপিএস।

'পাথরসম্রাট' টুলু মণ্ডলের বাজেয়াপ্ত হওয়া ল্যাপটপ, হার্ড ড্রাইভ ও পেনড্রাইভে থাকা বিপুল আর্থিক তথ্য রহস্য-ভেদে দায়িত্বে বিশেষ আইপিএস। যিনি পুলিশে যোগ দেওয়ার আগে ছিলেন পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট।

তদন্তে উঠে এসেছে, বীরভূমের টুলু মণ্ডলের ব্যবসার বিভিন্ন আর্থিক হিসাব সংরক্ষণ করতেন তাঁর হিসাবরক্ষক পিনাকী দেব। এই কাজে তাঁকে সহযোগিতা করতেন পার্থসারথি নামে অপর এক ব্যক্তি। দু'জনকেই হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে দুটি ল্যাপটপ, একাধিক পেন ড্রাইভ এবং হার্ড ড্রাইভ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোটি কোটি টাকার লেনদেনের হিসাব হিসাবরক্ষকদের নিজস্ব সংক্ষিপ্ত ভাষা, সাংকেতিক চিহ্ন এবং বিশেষ হিসাবরক্ষণ পদ্ধতিতে লেখা ছিল। ফলে তথ্য উদ্ধার হলেও তার প্রকৃত অর্থ বোঝা এবং প্রতিটি লেনদেনের উৎস ও গন্তব্য নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করা সহজ হচ্ছিল না। এর পরই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় বোলপুরের এসডিপিও অর্পিত আর পারেখকে। আইপিএস হওয়ার আগে তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। সেই অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগিয়ে বর্তমানে তিনি হিসাবরক্ষকদের ব্যবহৃত সাংকেতিক ভাষা বিশ্লেষণ, কোটি কোটি টাকার হিসাব মিলিয়ে তদন্তের উপযোগী করে সাজানো এবং ট্যালি ও এক্সেল শিটে সম্পূর্ণ আর্থিক লেনদেনের তালিকা প্রস্তুত করার কাজ করছেন। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সাত দিন তিনি সিউড়ি থানায় বসেই এই কাজ করছেন। একই সঙ্গে চলছে হিসাবরক্ষকদের জিজ্ঞাসাবাদ।

পুলিশ সূত্রের দাবি, মিনার মণ্ডলের বাড়িতে প্রথম অভিযানের খবর হিসাবরক্ষকদের কাছেও পৌঁছে গিয়েছিল। ফলে পুলিশের হাতে ল্যাপটপ ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস পৌঁছানোর আগেই সেখান থেকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বা তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে কি না, কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে লুকিয়ে রাখা হয়েছে কি না, সেই আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এই কারণেই তদন্তে যুক্ত হয়েছে সিআইডির বিশেষ প্রযুক্তিগত দল। অত্যাধুনিক ডিজিটাল ফরেনসিক প্রযুক্তির সাহায্যে বাজেয়াপ্ত হওয়া ল্যাপটপ, হার্ড ড্রাইভ ও অন্যান্য স্টোরেজ ডিভাইস পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

সৌজন্যেঃ সংবাদ প্রতিদিন।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



১ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর ইলামবাজার অজয় সেতু টোল প্লাজার সংশোধিত শুল্কহার।---------------------------------------------...
07/08/2026

১ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর ইলামবাজার অজয় সেতু টোল প্লাজার সংশোধিত শুল্কহার।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



‘বিধায়ক হওয়ার পর জেলা পরিষদেই আসেন না’, এ বার কাজলের বিরুদ্ধে অনাস্থা! চিঠি লেখা হল জেলা প্রশাসনকে।এ বার বীরভূম জেলা পরি...
06/08/2026

‘বিধায়ক হওয়ার পর জেলা পরিষদেই আসেন না’, এ বার কাজলের বিরুদ্ধে অনাস্থা! চিঠি লেখা হল জেলা প্রশাসনকে।

এ বার বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হল। জেলা পরিষদের ১৯ জন সদস্য ওই মর্মে চিঠি পাঠালেন অতিরিক্ত জেলাশাসককে। তাঁদের অভিযোগ, বিধায়ক হওয়ার পর থেকে জেলা পরিষদের সভাধিপতির দায়িত্ব পালন করছেন না কাজল ওরফে ফয়েজুল হক।

তৃণমূলের প্রতীকে হাসন বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী কাজল কালীঘাট তৃণমূলের হাত ছেড়েছেন আগেই। এখন তিনি ঋতব্রত তৃণমূলের অংশ। বিধায়কের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি, জেলা পরিষদের সভাপতি পদেও রয়েছেন তিনি। কিন্তু ৫২ সদস্য বিশিষ্ট বীরভূম জেলা পরিষদের ১৯ সদস্যের অভিযোগ, বিধানসভা ভোটের ফলঘোষণার পর থেকে আর জেলা পরিষদের অফিসে পা-ই দেননি কাজল। বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ আটকে থাকছে। থমকে রয়েছে স্থায়ী সমিতির বৈঠকও। জেলা পরিষদের কাজকর্ম যাতে স্বাভাবিক ভাবে চলে তা নিশ্চিত করতেই এই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে বলে জানাচ্ছেন তাঁরা।

জেলা প্রশাসনকে পাঠানো চিঠিতে জেলা পরিষদের ১৯ জন সদস্যের মধ্যে বিকাশ রায়চৌধুরী-সহ একাধিক কর্মাধ্যক্ষ এবং সাধারণ সদস্যের সই রয়েছে।

অনাস্থা প্রসঙ্গে খয়রাশোলের জেলা পরিষদ সদস্য নবগোপাল বাউড়ি বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন ধরে সভাধিপতি (অফিসে) আসছেন না। মানুষের পরিষেবা পেতে সমস্যা হচ্ছে। টাকা এসে পড়ে আছে। অনেক দিন স্থায়ী সমিতির বৈঠকও হয়নি। তাই মানুষের স্বার্থে আমরা সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছি।’’ তাঁদের দাবি, আগামী দিন পাঁচেকের মধ্যেই এই বিষয়ে পদক্ষেপ করতে পারে প্রশাসন। তবে কাজলের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



বীরভূমে পাথর শিল্পাঞ্চলে প্রদীপের নীচে অন্ধকার, বেপরোয়া ডাম্পারের ভয়! 'মরণফাঁদ' রাস্তায় জুতো হাতেই স্কুলে পড়ুয়ারা।তুমি ...
05/08/2026

বীরভূমে পাথর শিল্পাঞ্চলে প্রদীপের নীচে অন্ধকার, বেপরোয়া ডাম্পারের ভয়! 'মরণফাঁদ' রাস্তায় জুতো হাতেই স্কুলে পড়ুয়ারা।
তুমি গরমেন্ট। পাবলিকের কাম করার তুমি এক্তিয়ার। তা বলে পাবলিক বাঁচল কি মরল-ই খবর লিবে নাই?'- চার দশক আগে সৈকত রক্ষিত তাঁর 'আকরিক' উপন্যাসে প্রান্তিক জীবনের যে করুণ আখ্যান লিখেছিলেন, সেই সত্য আজও বদলায়নি। বীরভূমের পাথর শিল্পাঞ্চলের মাটিতে দাঁড়ালে আজও বঞ্চনার একই ইতিহাস ডুকরে কাঁদে। তৃণমূল জমানায় পাথর লুটের মহোৎসবে মেতে বেতাজ বাদশা হয়েছেন টুলু মণ্ডল। কোটিপতি হয়েছেন আরও অনেকেই। বর্তমান প্রশাসন এখন সমস্ত 'লিকেজ' আটকে মাসে একশো কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের স্বপ্নে মশগুল। কিন্তু, সেই মাটির ভূমিপুত্ররা আজও ঘোর অন্ধকারেই। প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার সম্পদ তাঁদের চোখের সামনে দিয়ে লুট হয়ে যায়। অথচ শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা বেঁচে থাকার ন্যূনতম অধিকারটুকু তাঁদের মেলে না। 'পরিবর্তন' তাঁদের কাছে এখনো অধরা। বাসিন্দাদের আক্ষেপ, 'আমাদের খবর কোনো সরকারই রাখে না।'

বীরভূমের পাথর শিল্পাঞ্চলের অন্যতম এপিসেন্টার আদিবাসী অধ্যুষিত দেউচা-পাচামি। জেলা সদর সিউড়ি থেকে রামপুরহাট যাওয়ার পথে ২৫কিলোমিটার দূরে সোঁতশাল মোড়। সেখান থেকে বাঁদিকে গেলেই শুরু ঝাড়খণ্ড সীমান্ত ঘেঁষা বিস্তীর্ণ 'মৃত্যুপুরী'। স্থানীয়দের আদরের 'পাহাড়' আজ যেন এক অভিশপ্ত প্রান্তর। পাথরভাঙা কলের অবিরাম গর্জন, ধুলো আর ব্লাস্টিংয়ের বিষ-ধোঁয়ায় এখানেরআকাশ ধূসর। ডাম্পারের চাকায় পিষ্ট হয়ে পিচরাস্তার কঙ্কালটুকুও কবেই নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। খটখটে রোদে শ্বাসরোধী ধুলো আর বর্ষায় হাঁটুসমান জলকাদা, এই মরণফাঁদ পেরিয়েই চলে এখানকার মানুষের নিত্যদিনের যাতায়াত।

জলকাদা মেখে এই রাস্তা পেরিয়েই প্রতিদিন হাটগাছা, তেঁতুলবাঁধি, শোলগড়িয়া, শালডাঙা, ঢোলকাটা সহ আশপাশের এলাকা থেকে শতাধিক পড়ুয়াকে যেতে হয় স্থানীয় গিরিজোড় সাঁওতাল উচ্চ বিদ্যালয়ে। বর্ষায় জুতোজোড়া হাতে নিয়ে, খালি পায়ে আধ ঘণ্টা হাঁটে তারা। প্রতিমা মুর্মু, নমিতা সোরেন, সুরজমণি হেমব্রমদের সরকার 'সবুজ সাথী'র সাইকেল দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু, তা ঘরের কোণেই ধুলো খায়। কেন? একরাশ অভিমান নিয়ে সুরজমণিরা বলে, 'পাথরবোঝাই বড়ো বড়ো ডাম্পার অনবরত ছোটে। প্যাডেলে পা রাখতেই বুক কেঁপে ওঠে।'

খুন্তিপাড়া প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক সনাতন চুনারি বলেন, স্কুল পর্যন্ত বাইক নিয়ে যাওয়ার উপায় নেই। এক কিলোমিটার দূরে বাইক রেখে কাদাভাঙা মেঠো পথ ধরে হাঁটতে হয়। আমরাই কাদায় আছাড় খাই। তো ছোটোরা কীভাবে আসবে কেউ ভেবেছে?' একই আতঙ্কে দিন কাটান হাবড়াপাহাড়ীর প্রবীণ ধরমদাস পত্রধর। তাঁর কথায়, 'দু'ধারে বিশাল খাদান। মাঝে রাস্তা দিয়ে সকাল-সন্ধ্যা ছুটছে ডাম্পার। বাচ্চাদের একা ছাড়তে ভয় লাগে।' ফলস্বরূপ, আতঙ্কের কাছে রোজ বলি হচ্ছে শৈশব, লাফিয়ে বাড়ছে স্কুলছুটের সংখ্যা।

এই সীমাহীন বঞ্চনার কথা উঠতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন আদিবাসী নেতা জগন্নাথ টুডু, লক্ষ্মীরাম বাসকিরা। তাঁদের সোজা কথা, 'সবার নজর এখান থেকে সম্পদ চুষে নেবার দিকে। মন্ত্রী-নেতারা যদি এই রাস্তায় রোজ যাতায়াত করতেন তবেই বুঝতেন ভোগান্তি কাকে বলে!' প্রশাসনের এক কর্তার আশ্বাস, 'বিষয়টি ভেবে দেখা হবে।'

এতকিছুর পরেও এলাকায় কোনো সংগঠিত প্রতিবাদ নেই। প্রতিবাদী কণ্ঠরোধ করতে গাঁয়ের মোড়লদের হাতে নিয়মিত গুঁজে দেওয়া হয় মাসোহারা। চরম দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে এই সামান্য কিছু টাকার বিনিময়েই রোজ নিঃশব্দে নষ্ট হচ্ছে একটা আস্ত প্রজন্মের ভবিষ্যৎ। ক্রমশ দীর্ঘ হতে থাকে শোষণ ও বঞ্চনার ইতিহাস।

সৌজন্যেঃ বর্তমান।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



টুলুর তুতো ভাই ধৃত! বীরভূমের ‘পাথরসম্রাট’-এর বেনামি ব্যবসার অংশীদার বলে সন্দেহ, পুলিশি হেফাজতে জেরা।বীরভূমের ‘পাথরসম্রাট...
05/08/2026

টুলুর তুতো ভাই ধৃত! বীরভূমের ‘পাথরসম্রাট’-এর বেনামি ব্যবসার অংশীদার বলে সন্দেহ, পুলিশি হেফাজতে জেরা।

বীরভূমের ‘পাথরসম্রাট’ টুলু মণ্ডলের মামলায় মঙ্গলবার আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের নাম নইমুদ্দিন মণ্ডল। তিনি মহম্মদবাজার থানা এলাকার সোঁৎশালের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।

মঙ্গলবারই ধৃত নইমকে আদালতে পেশ করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে সাত দিনের জন্য হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু বিচারক নইমকে ৬ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, সম্পর্কে টুলুর তুতো ভাই নইম। টুলুর সঙ্গে সরাসরি ব্যবসায়িক সম্পর্ক না থাকলেও তাঁর বেনামি ব্যবসার অংশীদার হিসাবে তদন্তে নাম উঠে এসেছে নইমের।

পুলিশ সূত্রে খবর, এই মামলায় ধৃত টুলুর আত্মীয় মিনার মণ্ডল এবং আরও এক অভিযুক্ত সীতেশ প্রামাণিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে নইমের হদিস পান তদন্তকারীরা। ধৃতের কাছ থেকে টুলু সংক্রান্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে আশাবাদী তাঁরা। তাঁকে জেরা করার জন্য নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। অন্য দিকে, টুলুর শ্যালক মিন্টু শেখ ওরফে মহম্মদ সামসুল আলমের বাড়িতেও বুধবার তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। তাঁর আর এক শ্যালক নুরুল ইসলামের বাড়িতেও যায় পুলিশ। টুলুর সাম্রাজ্যের বিস্তার কত দূর, কে কে তাঁর এই সাম্রাজ্যের সঙ্গে জড়িত, সব কিছু খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় চার জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বীরভূমের পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বুন্দেশ জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত টুলুর ২২০ কোটি টাকার সম্পত্তি ‘ফ্রিজ়’ করা হয়েছে। তার মধ্যে মিনারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া সাড়ে ২৮ কোটি নগদ এবং ১৫ কেজি সোনাও রয়েছে। ঘটনাচক্রে, টুলুর মামলায় এক এক করে গ্রেফতার হলেও টুলুর হদিস মিলছিল না। টুলু কোথায়, এটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আর এই প্রশ্ন যখন ঘুরপাক খাচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে নিরাপত্তা এবং রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ‘পাথরসম্রাট’। মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



টুলুর শ্বশুরবাড়িতে খোঁড়াখুঁড়ি পুলিশের, যন্ত্রপাতি নিয়ে হাজির বম্ব স্কোয়াড! আটক শ্যালকের ম্যানেজার, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।ব...
05/08/2026

টুলুর শ্বশুরবাড়িতে খোঁড়াখুঁড়ি পুলিশের, যন্ত্রপাতি নিয়ে হাজির বম্ব স্কোয়াড! আটক শ্যালকের ম্যানেজার, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।

বীরভূমের পাড়ুই থেকে এ বার টুলু মণ্ডলের শ্যালকের ম্যানেজারকে আটক করল পুলিশ। মঙ্গলবার বীরভূমের ওই পাথর ব্যবসায়ীর শ্বশুরবাড়িতে হানা দিয়েছিল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। এমনকি, বম্ব স্কোয়াডের কর্মীরাও দোতলা ওই বাড়িতে ঢোকেন। চলে বাড়িময় তল্লাশি অভিযান। শৌচাগারের কাছে খোঁড়াখুঁড়ি করা হয় বলে দাবি টুলুর শ্বশুর নুরুল হক।

টুলুর শ্যালক মিন্টু শেখের ঘনিষ্ঠ বিকি শেখ তাঁর (মিন্টু) পাথর ব্যবসার তদারকি করতেন। ছিলেন ম্যানেজারের দায়িত্বে। পুলিশের একটি সূত্রে খবর, কিছু দিন ধরেই বিকির কর্মকাণ্ডের উপরে নজর ছিল তাদের। মিন্টুর আর্থিক লেনদেন, বিভিন্ন ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এবং ‘প্রভাবশালীদের’ সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ কেমন ছিল জানার জন্য বিকিকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চান তদন্তকারীরা। এ-ও জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছর ধরে মিন্টুর নামে এবং বেনামে কত সম্পত্তি হয়েছে, তা হিসাব করে দেখছে পুলিশ।

বিকির কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া কিছু ডিজিটাল ডিভাইস থেকে তথ্য উদ্ধার হয়েছে। সেগুলো থেকে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। এই চক্রের শিকড় কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত এবং তার নেপথ্যে আরও কারা মদত জুগিয়েছেন, সেই রহস্যের জট খোলা এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

অন্য দিকে, তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরে টুলুর শ্বশুরের দাবি, কিছুই পায়নি পুলিশ। শুধু-শুধু তাঁর বাড়ির যাবতীয় জিনিসপত্র লন্ডভন্ড করে তল্লাশি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘বাথরুমের কাছে কাজ হচ্ছিল। সেখানেও খুঁড়েছে। বলল, নির্ভরযোগ্য সূত্রে নাকি খবর পেয়েছে, এখানে অনেক মাল আছে! তার পর বিছানা-তোশক, সব উল্টেপাল্টে একাকার করেছে।’’

টুলুর দুই শ্যালক। এক জনের নাম নুর আলম ওরফে মিন্টু। আর এক জনের নাম শামসুল আলম। তিনি ডাকনাম মিঠু-তেই বেশি পরিচিত এলাকায়। দু’জনেই ব্যবসায়ী। পাড়ুইয়ে দু’জনের বাড়িতেই তল্লাশি চালিয়েছে এসটিএফ। টুলুর শ্বশুরের দাবি, তাঁদের ৪০ বছরের পুরনো ব্যবসা। আগে ধানের কারবার করতেন তিনি। ২০১০ সালে ছেলেদের হাতে ব্যবসার ভার দিয়ে হজ করতে যান। এখন ছেলেরা পাথরের ব্যবসাও করেন। কিন্তু তিনি আর ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে মাথা ঘামান না। আবার মেয়ে-জামাই সম্পর্কেও তিনি ‘উদাসীন’। বৃদ্ধের কথায়, ‘‘তারা কোথায় জানি না। আমার সঙ্গে যোগাযোগ নেই।’’ জামাই বা মেয়ে কাউকে ফোনও করতেন না? টুলুর শ্বশুরের জবাব, ‘‘আমার মেয়ের নাম ফিরোজা বিবি ওরফে মিনা। সে সন্তানের পড়াশোনার জন্য কলকাতায় থাকে। আমার সঙ্গে ফোনেও কথা হয় না। কারও সঙ্গেই আমার যোগাযোগ নেই।’’

টুলুর মামলায় মঙ্গলবার আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। ধৃতের নাম নইমুদ্দিন মণ্ডল। তিনি মহম্মদবাজার থানা এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে খবর, সম্পর্কে টুলুর তুতো ভাই ওই নইমুদ্দিন। টুলুর সঙ্গে সরাসরি ব্যবসায়িক সম্পর্ক না থাকলেও তাঁর বেনামি ব্যবসার অংশীদার হিসাবে তাঁর নাম পাওয়া গিয়েছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত চার জন গ্রেফতার হয়েছেন। টুলুর ২২০ কোটি টাকার সম্পত্তি ‘ফ্রিজ়’ করেছে পুলিশ। তাঁর ঘনিষ্ঠ মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ২৮ কোটি টাকা এবং ১৫ কেজি সোনা। কিন্তু এত সবের পরেও টুলুর হদিস মেলেনি। কিন্তু আইনজীবী মারফত নিরাপত্তা এবং রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বীরভূমের ‘পাথরসম্রাট’। মামলা দায়েরের অনুমতিও দিয়েছেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



টুলু মণ্ডলের শ্বশুরবাড়িতে হানা এসটিএফের! বীরভূমে সকাল থেকে তল্লাশি অভিযান, জিজ্ঞাসাবাদও, কিসের খোঁজে?।রাজ্য পুলিশের আতশ...
05/08/2026

টুলু মণ্ডলের শ্বশুরবাড়িতে হানা এসটিএফের! বীরভূমে সকাল থেকে তল্লাশি অভিযান, জিজ্ঞাসাবাদও, কিসের খোঁজে?।

রাজ্য পুলিশের আতশকাচের নীচে বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডল। তাঁর তুতো ভগ্নিপতি মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা নগদ, সোনা উদ্ধারের পর টুলুর অন্য আত্মীয়দের গতিবিধির উপর নজর রেখেছেন তদন্তকারীরা। এ বার তাঁর শ্বশুরবাড়িতে হানা দিল রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (এসটিএফ)।

সূত্রের খবর, বুধবার সকালে টুলুর শ্যালক মিন্টু শেখ ওরফে মহম্মদ সামসুল আলমের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যান এসটিএফের সদস্যেরা। শুধু তাঁর বাড়ি নয়, আরও এক শ্যালক নুরুল ইসলামের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সূত্রে খবর, এসটিএফ যখন পৌঁছোয় তখন বাড়িতে ছিলেন না মিন্টু। অনেক ক্ষণ অপেক্ষার পরেও তাঁর খোঁজ মেলেনি। তাঁর অনুপস্থিতিতেই তল্লাশি অভিযান চালায় এসটিএফ। পরিবারের অন্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। পরে নুরুল জানান, এসটিএফ কোনও কিছুই বাজেয়াপ্ত করেনি। তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের বাড়িতে তো কিছুই নেই। পাবে কোথা থেকে।’’

অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী টুলুর আত্মীয় মিনারের বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধারের ঘটনার তদন্তে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, সরকারের টাকা ফাঁকি দিয়ে টুলু তাঁর সম্পত্তি করেছেন। সবটাই সাধারণ মানুষের টাকা। সিউড়ির সুভাষপল্লিতে টুলুর বাড়িতেও তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, টুলু কোথায় কোথায় টাকা লুকিয়ে রেখেছেন, তা জানার চেষ্টা চলছে। আর সেই কারণেই তাঁর ঘনিষ্ঠ বা আত্মীয়দের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এই মামলায় এখনও পর্যন্ত চার জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বীরভূমের পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বুন্দেশ জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত টুলুর ২২০ কোটি টাকার সম্পত্তি ‘ফ্রিজ়’ করা হয়েছে। তার মধ্যে মিনারের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা ৫০ কোটি টাকার সোনা এবং নগদও রয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত টুলুর কোনও খোঁজ মেলেনি।

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে আর্জি টুলু মণ্ডলের! আত্মীয়ের বাড়ি থেকে বিপুল টাকা উদ্ধারের পর থেকেই বেপাত্তা ‘পাথর সম্রাট’।নিরাপত্...
05/08/2026

রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে আর্জি টুলু মণ্ডলের! আত্মীয়ের বাড়ি থেকে বিপুল টাকা উদ্ধারের পর থেকেই বেপাত্তা ‘পাথর সম্রাট’।

নিরাপত্তা এবং রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন বীরভূমের ‘পাথর সম্রাট’ টুলু মণ্ডল। বুধবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তাঁর আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য। মামলা দায়েরের অনুমতি দেন বিচারপতি। চলতি সপ্তাহে মামলাটির শুনানি হতে পারে।

সম্প্রতি বীরভূমের মহম্মদবাজার থানার ডেউচা গ্রামে টুলুর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে নগদ সাড়ে ২৮ কোটি টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। ১৫ কেজি সোনাও উদ্ধার করা হয়। টুলু যদিও বেপাত্তা। মনে করা হচ্ছে, তিনি অন্য দেশে গা-ঢাকা দিয়েছেন। মিনারের বাড়ি থেকে নগদ এবং সোনা উদ্ধারের পর স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছিল বীরভূম জেলা পুলিশ। ওই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসাবে টুলুর নাম ছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, তা ছাড়াও টুলুর বিরুদ্ধে একটি খুনের মামলা-সহ একাধিক মামলা রয়েছে। তব‌ে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, নগদ এবং সোনা উদ্ধারের পর তাঁর যে মামলাটি হয়েছে, সেটির জন্যই রক্ষাকবচ চেয়েছেন টুলু।

কোটি কোটি টাকা এবং বিপুল সোনা উদ্ধারের পরেও টুলুর খোঁজ মেলেনি। সূত্রের খবর, তিনি বীরভূমের নেতা অনুব্রত মণ্ডলের বিশেষ ঘনিষ্ঠ। তবে গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই তিনি বেপাত্তা। যাঁর বাড়ি থেকে টাকা, সোনা উদ্ধার হয়, সেই মিনার পুলিশি জেরার মুখে দাবি করেছেন, টুলু তাঁকে তাঁর সম্পত্তি দেখভালের দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছেন। তবে কোথায় গিয়েছেন, কেউ জানে না।

এই বিপুল টাকা এবং সোনার উৎস কী, এখনও স্পষ্ট নয়। টুলুর পাথর ব্যবসায় কোনও অনিয়ম ছিল কি না,সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এই বিপুল সম্পত্তি করা হয়েছে কি না, ভয় দেখিয়ে টাকা তোলা বা জোর করে জমি আত্মসাতের মতো ঘটনা এর নেপথ্যে রয়েছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই টুলুর ম্যানেজার সীতেশ প্রামাণিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ বার গ্রেফতারির আশঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলেন টুলু নিজেই।

সৌজন্যেঃ আনন্দবাজার পত্রিকা।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



টুলু কাণ্ডের তদন্তে সূত্র এবার ডায়েরি, পাথর ব্যবসার বখরা কাকে কত? মিলল নিখুঁত হিসেব।বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডল ওর...
04/08/2026

টুলু কাণ্ডের তদন্তে সূত্র এবার ডায়েরি, পাথর ব্যবসার বখরা কাকে কত? মিলল নিখুঁত হিসেব।

বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডল ওরফে নাজিবউদ্দিনের বিশাল বেআইনি সাম্রাজ্যের কিনারায় এবার তদন্তকারীদের হাতে এল গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। তা হল টুলুর একটি ডায়েরি। সোমবার তাঁর ম্যানেজার সীতেশ প্রামাণিককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। তাঁর কাছ থেকেই ওই ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে। ডায়েরি সম্পর্কে পুলিশ ‘স্পিকটি নট’ হলেও সোমবার আদালতে সওয়াল-জবাবের সময় এ বিষয়ে বিশদে তথ্য পেশ করেছেন সরকারি আইনজীবী। সেখান থেকে জানা যাচ্ছে, ওই ডায়েরিতে হিসেবনিকেশ রাখতেন ম্যানেজার সীতেশই। তাতে উল্লেখ, টুলুর ব্যবসার বখরা পেতেন প্রশাসনিক আধিকারিকরাও! ডায়েরির এসব সূত্র তদন্তে মোড় ঘোরাতে পারে বলে অনুমান পুলিশের।

টুলু মণ্ডলের মহম্মদবাজার থানার অন্তর্গত পাঁচামির একটি পাথর ক্রাশারে হিসাবরক্ষকের কাজ করতেন মুর্শিদাবাদের সালারের বাসিন্দা সীতেশ প্রামাণিক। গত ৩১ জুলাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ সময় সীতেশের কাছ থেকেই টুলুর বেআইনি ব্যবসার অন্যতম আঁতুড়ঘরের সন্ধান পায় পুলিশ। এরপর সোমবার তাঁকে গ্রেপ্তারের পর আরও গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য হাতে এসেছে। জেলা পুলিশ সুপার বিদিত রাজ ভুন্দেশ জানান, মহম্মদবাজারে টুলু মণ্ডলের একটি পার্কিং গ্রাউন্ডের ভিতরে লুকিয়ে রাখা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘অফিস-কাম-গোডাউন’। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ উদ্ধার করে একটি বিশেষ ছাপার যন্ত্র, যা দিয়ে নকল ডিসিআর (ডুপ্লিকেট চালান রিসিপ্ট) ছাপানো হত বলে পুলিশ জানতে হবে।

শুধু ছাপাখানার সন্ধানই নয়, সীতেশকে জেরা করে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ডায়েরির হদিশ পেয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, সেই ডায়েরির প্রতিটি পাতায় বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে টুলু মণ্ডলের কথিত বেআইনি আর্থিক লেনদেনের বিস্তারিত হিসাব লেখা রয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, হাতে লেখা ওই ডায়েরিতে সীতেশ নিজেই সমস্ত হিসাব লিখে রাখতেন। এই মামলায় আদালতে জমা দেওয়া কেস ডায়েরির সঙ্গে ওই ডায়েরির একাধিক পাতার জেরক্স কপিও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, সেই নথিতে জেলার বর্তমান ও প্রাক্তন বহু ছোট-বড় প্রশাসনিক আধিকারিকের নাম রয়েছে। যদিও সেই নামগুলির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ হবে কি না, তা এখনও তদন্তের বিষয় বলেই জানিয়েছে পুলিশ।

এই মামলায় জেলা পুলিশের বিশেষ অনুরোধে কলকাতা হাই কোর্টের আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায়কে বিশেষ সরকারি আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। আদালত চত্বরে তিনি বলেন, “ধৃত মিনার মণ্ডল এবং সদ্য ধৃত সীতেশ প্রামাণিককে জেরা করেই ছাপাখানা ও ডায়েরির সন্ধান মিলেছে। তদন্ত যত এগোবে, তত নতুন নতুন নাম সামনে আসতে পারে।” তবে ডায়েরিতে যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তের পরবর্তী ধাপ কী হবে, সেই বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি তিনি।

সৌজন্যেঃ সংবাদ প্রতিদিন।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



শাসক-বিরোধী থেকে প্রশাসন, সর্বত্র পৌঁছে যেত টুলুর 'প্রসাদ'। আটক পাথর সম্রাটের 'ম্যানেজ মাস্টার'।সামান্য পাথর সরবরাহের কা...
03/08/2026

শাসক-বিরোধী থেকে প্রশাসন, সর্বত্র পৌঁছে যেত টুলুর 'প্রসাদ'। আটক পাথর সম্রাটের 'ম্যানেজ মাস্টার'।

সামান্য পাথর সরবরাহের কারবার থেকে জীবন শুরু। সেখান থেকেই ধাপে ধাপে কয়েক হাজার কোটির বেআইনি সাম্রাজ্যের অধীশ্বর। পাথর মাফিয়া নিজামুদ্দিন মণ্ডল ওরফে টুলুর এই রূপকথার উত্থানের নেপথ্য মন্ত্র ছিল একটাই, 'যে যাতে তুষ্ট, তাকে সেই ভেটই দিতে হবে'। পাথর লুটের কাঁচা টাকা নিয়ম করে পৌঁছে যেত নিয়ন্ত্রকদের কাছে। টুলুর 'কৃপাদৃষ্টি' থেকে বাদ যায়নি শাসক-বিরোধী, কেউই।

তবে, এই কাজটা করত 'ম্যানেজ মাস্টার' কওসর মোল্লা। তাকে পুলিশ আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। বৃহস্পতিবার দিনভর মহম্মদবাজারের রাউতাড়ায় তাঁর বিলাসবহুল বাড়িতে চলে ম্যারাথন তল্লাশি। বাড়ি তো নয়, চোখ ধাঁধানো প্রাসাদ। কওসরই ছিলেন টুলুর প্রধান হিসাবরক্ষক। পুলিশ জানতে পেরেছে, কোথায়, কীভাবে, কত টাকা 'মাসোহারা' পৌঁছে দিতে হবে, তা নাকি কওসরই ঠিক করতেন। রাজনৈতিক নেতা থেকে পুলিশ-প্রশাসনের সর্বত্র ছিল তাঁর অবাধ গতি।

পুলিশ সূত্রের খবর, কাজ হাসিল করতে রীতিমতো দপ্তর ভাগ করা ছিল। কেউ সামলাত পুলিশ, কেউ প্রশাসন। 'মাসোহারা' পৌঁছানোর দায়িত্বে থাকা এক চাঁইকে আগেই পাঁচ কোটি টাকা সহ ধরেছিল কলকাতা এসটিএফ।

টুলুর এই 'কৃপাদৃষ্টি' কারা কারা পেয়েছেন, তা কার্যত স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। টুলুর ৩০০ বিঘা জমি, অজস্র গাড়ি সহ বিশাল সম্পত্তির খতিয়ান তুলে ধরে তিনি বলেন, 'এতে রেজিস্ট্রি অফিস, মোটর ভেহিকেলস, লোকাল পুলিশ, লোকাল পঞ্চায়েত, মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, ল্যান্ড ডিপার্টমেন্ট সব ইনভলভ্ আছে।' দুর্নীতিগ্রস্তদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, 'ল্যান্ড ডিপার্টমেন্ট, পুলিশ, কারও বিরুদ্ধে কিছু থাকলে তাদের বিরুদ্ধে যা অ্যাকশন নেওয়ার তা নেওয়া হবে।'

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, এই প্রশাসনের একটা বড় অংশ একসময় টুলুকে সরকারের রাজস্ব আদায়ের ভার দিয়েছিল। তা ছিল কার্যত 'বিড়ালকে মাছ পাহারা' দেওয়ার শামিল। পাথর থেকে দৈনিক কয়েক কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হলেও সরকারি কোষাগারে জমা পড়ত নামমাত্র। বাকি বিপুল অঙ্কের টাকা ভাগাভাগি হত। ভাগ অনুযায়ী টাকা চলে যেত নানা মহলে। জানা গিয়েছে, স্থানীয় থানা-পুলিশকে বিশেষ পাত্তাই দিতেন না টুলু। কারণ, রাজস্বের 'লিকেজ' আটকানোর দায়িত্ব যাঁদের উপর ছিল তাঁদের অনেককেই পকেটে পুরে রেখেছিলেন এই পাথর সম্রাট।

অতীতে গোরু ও কয়লা পাচার মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। তল্লাশি চলেছিল তাঁর পাথর খাদানের অফিস ও বাড়িতে। কিন্তু, অজ্ঞাতকারণে সেই তদন্ত মাঝপথেই থমকে যায়। তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। বর্তমান সরকার প্রথমেই ডিসিআর-এর দায়িত্ব থেকে টুলুকে সরিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল। তারপর তাঁর ডেরা থেকে বালির পাহাড় বাজেয়াপ্ত করে। দায়ের হয় এফআইআর। আর এবার একেবারে 'অ্যাকশন মোড'-এ প্রশাসন।

সৌজন্যেঃ বর্তমান।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live



Address

State Highway 6
Suri
731101

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Birbhum Live posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share