Sree Sree Radha-Krishna Mandir

Sree Sree Radha-Krishna Mandir Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sree Sree Radha-Krishna Mandir, Digital creator, Sutragarh.

আজ থেকে এক যুগ আগে, বাবা গোপেশ্বর মন্দির প্রতিষ্ঠার দিনের সেই দৃশ্য 🙏 google এর কৃপায় সামনে হাজির হয়ে গেলো ❤️ আজ সোমবা...
16/03/2026

আজ থেকে এক যুগ আগে, বাবা গোপেশ্বর মন্দির প্রতিষ্ঠার দিনের সেই দৃশ্য 🙏 google এর কৃপায় সামনে হাজির হয়ে গেলো ❤️ আজ সোমবার, সেদিন ও ছিল সোমবার 😍
বাবার নাম স্মরণ করে শুভ রাত্রি জানাই 🙏

সহদেব : মহাভারতের ত্রিকালজ্ঞ যিনি নিজের পিতার মৃত দেহ খেয়েছিলেন ,,,মহাভারতের অসংখ্য চরিত্রের ভিড়ে কনিষ্ঠ পাণ্ডব সহদেবের...
11/03/2026

সহদেব : মহাভারতের ত্রিকালজ্ঞ যিনি নিজের পিতার মৃত দেহ খেয়েছিলেন ,,,

মহাভারতের অসংখ্য চরিত্রের ভিড়ে কনিষ্ঠ পাণ্ডব সহদেবের জীবন এক পরম রহস্যে ঘেরা। আমরা অনেকেই জানি না যে, তিনি ছিলেন ত্রিকালজ্ঞ—অর্থাৎ অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ তাঁর নখদর্পণে ছিল। কিন্তু এই অসামান্য ক্ষমতার পেছনে লুকিয়ে আছে এক করুণ, অদ্ভুত এবং রোমাঞ্চকর ইতিহাস, যা মূল মহাভারতের পাশাপাশি বিভিন্ন লোকগাথাতেও বর্ণিত আছে।

পিতার অন্তিম ইচ্ছা এবং এক ভয়ঙ্কর নির্দেশ
পাণ্ডবদের পিতা মহারাজ পাণ্ডু এক ঋষির অভিশাপের কারণে জানতেন যে তিনি সন্তান জন্ম দিতে পারবেন না।

কুন্তী ও মাদ্রী নিয়োগ প্রথার মাধ্যমে পাণ্ডবদের জন্ম দিলেও, পাণ্ডু চেয়েছিলেন তাঁর নিজের সারাজীবনে অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং রাজধর্ম যেন তাঁর পুত্রদের মধ্যে সঞ্চারিত হয়।

মৃত্যুর ঠিক আগে তিনি তাঁর পুত্রদের ডেকে এক অদ্ভুত এবং ভয়ঙ্কর নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, তাঁর মৃত্যুর পর যেন তাঁর শরীরের কিছু অংশ (বিশেষ করে মস্তিষ্কের অংশ) তাঁরা ভক্ষণ করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, তাঁর দেহের অবশিষ্টাংশ ভক্ষণের মাধ্যমেই তাঁর সমস্ত জ্ঞান পরবর্তী প্রজন্মে প্রবাহিত হবে।

সহদেবের সাহস এবং জ্ঞান লাভ

পাণ্ডুর মৃত্যুর পর যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন বা নকুল—জ্যেষ্ঠ ভ্রাতাদের কেউই পিতার এই অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর নির্দেশ পালন করার সাহস পাননি। তাঁরা লোকাচার এবং আবেগের কারণে পিছিয়ে আসেন। কিন্তু কনিষ্ঠ ভ্রাতা সহদেব পিতার নির্দেশ অমান্য করতে পারেননি। পিতার প্রতি ভক্তি এবং জ্ঞান লাভের আকাঙ্ক্ষায় তিনি এই কঠিন কাজটি করেন।

প্রচলিত লোকগাথা অনুযায়ী, সহদেব তাঁর পিতার মস্তিষ্কের তিনটি অংশ খেয়েছিলেন, এবং প্রতিটি অংশ খাওয়ার সাথে সাথে তাঁর মধ্যে অলৌকিক ক্ষমতার উদয় হয়:

* প্রথম গ্রাস: মুখে দেওয়ার সাথে সাথেই তাঁর মনে অতীতের সমস্ত জ্ঞান ভেসে ওঠে। জগতের সৃষ্টির আদি থেকে যা যা ঘটেছে, সব তিনি জেনে যান।

* দ্বিতীয় গ্রাস: খাওয়ার সাথে সাথে তিনি বর্তমান জগতের প্রতিটি কোণায়, প্রতিটি ক্ষণে কী ঘটছে তা দেখতে পান।

* তৃতীয় গ্রাস: এই শেষ অংশটি খাওয়ার পর তিনি ভবিষ্যতের স্পষ্ট রূপ দেখতে পান। তিনি জেনে যান সামনে এক ভয়াবহ যুদ্ধ আসছে, কে বাঁচবে, কে মরবে এবং তার ফলাফল কী হবে।

এভাবেই সহদেব হয়ে ওঠেন ত্রিকালজ্ঞ।

শ্রীকৃষ্ণের অভিশাপ এবং নীরবতার ভার

সহদেব যখন কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পরিণাম এবং কৌরবদের বিনাশের কথা আগেই জেনে গেলেন, তখন তা সৃষ্টিশৈলীর এবং ধর্মের গ্লানি দূর করার ভগবানের পরিকল্পনার জন্য এক বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াল। যদি সহদেব সবকিছু আগে থেকেই সবাইকে বলে দিতেন, তবে কুরুক্ষেত্রের মহাযুদ্ধের মহিমা ম্লান হয়ে যেত এবং হয়তো অনেকেই যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা করত, যা অধর্মের বিনাশে বাধা সৃষ্টি করত।
তাই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সহদেবকে একটি কঠোর শর্ত বা অভিশাপ দেন। তিনি বলেন— "সহদেব, তুমি যদি কারো কাছে নিজে থেকে ভবিষ্যতের কোনো কথা প্রকাশ করো, তবে সেই মুহূর্তেই তোমার মস্তক দ্বিখণ্ডিত হবে।"
এই অভিশাপের কারণেই সহদেব কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের প্রতিটি মুহূর্ত, আত্মীয়-স্বজনের মৃত্যু এবং ধ্বংসের কথা জেনেও আজীবন নীরব ছিলেন। তিনি জানতেন কর্ণ তাঁর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা, তিনি জানতেন শকুনি কীভাবে পাশা খেলায় কারচুপি করবেন—কিন্তু ধর্মের গ্লানি দূর করতে এবং ভগবানের ইচ্ছা পূরণ করতে তিনি সেই পরম সত্য নিজের মনের গহীনে চেপে রেখেছিলেন। তাঁর এই নীরবতা ছিল এক চরম ত্যাগ।

জ্ঞানের ভার এবং কর্তব্যের পালন

সহদেবের এই কাহিনী আমাদের শেখায় যে, জ্ঞান লাভ করা যতটা কঠিন, সেই জ্ঞানের ভার বহন করা তার চেয়েও কঠিন। সহদেব জানতেন ভবিষ্যৎ কী, কিন্তু তিনি পরিস্থিতির কাছে নত স্বীকার না করে বা আবেগের বশবর্তী না হয়ে ধৈর্যের সাথে নিজের কর্তব্য পালন করে গেছেন।
ঠিক সেই রকম জীবন আমাদের অনেক সত্যের মুখোমুখি করে, কিন্তু সময় ও সুযোগ বুঝে সেই সত্যকে ব্যবহার করাই প্রকৃত বুদ্ধিমত্তা। সহদেব ছিলেন মহাভারতের সেই নীরব সাক্ষী, যার ত্যাগের কথা ইতিহাসে খুব কমই বলা হয়, কিন্তু তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম।

তথ্য সূত্র: এই কাহিনীটি মূল ব্যাসদেব রচিত মহাভারতের কিছু সংস্করণে এবং বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতীয় লোকগাথা ও 'জৈমিনী মহাভারত'-এ বিস্তারিতভাবে পাওয়া যায়। মহাভারতের আদিপর্বে পাণ্ডুর মৃত্যুর বিবরণ এবং শান্তিপর্বে সহদেবের জ্ঞানের উল্লেখ থাকলেও, পিতার দেহাবশেষ ভক্ষণের এই নির্দিষ্ট বিবরণটি লোক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবেই বেশি পরিচিত।

08/03/2026

Happy women's day ❤️

05/03/2026

শ্রী মন্দিরে দোল উৎসবে গোপালের নগর পরিক্রমার পরে ভক্তদের মহা প্রসাদ বিতরণ ❤️🙏❤️

01/03/2026

হোলির অগ্রিম শুভেচ্ছা 😍❤️

23/02/2026

শুভ সোমবার 🙏 জয় শিব শম্ভু 🙏

18/02/2026

জয় শিব শম্ভু 🙏🙏🙏🙏

16/02/2026

শিব চতুর্দশী তিথিতে দ্বিতীয় প্রহরে বাবা গোপেস্বর মন্দিরে আরতি 🙏

11/02/2026

আজ শ্রী মন্দিরে দুপুরের ভোগ আরতি 🙏🙏

Address

Sutragarh
741404

Telephone

7001562293

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sree Sree Radha-Krishna Mandir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company in Sutragarh?

Share