Kebi's personal page

Kebi's personal page I'm a digital marketing and data entry expert. Hello friends, I am here with a new video for you, the beauty of which will blow your mind.

The beautiful feeling of the melody will make the mind cool. , video, beautiful, video, music, music, video.

09/07/2026

চৌকিদার
কেবিরোন বিবি

হুর..রে..রে চৌকিদার ,সাবধান... খবর্দার।
মানুষটাকে দেখলে আজও সবাই বলে ঐ দেখ
ঐ যে চৌকিদার আসছে, অনেক দিন পর দেখা।
যারা গল্প করে উনার বিষয়ে তারা আমার বাড়ির
বাবা কাকুরা, নব্বই দশকের পর এই কাজ ছিল না।
কথাটা অনেক পূরাতন শব্দটা এখনও কানে ভাসে।
রাত যখন অনেক গভির শব্দটা লাগতো ভয়ানক।
পাড়ার বাড়িগুলো তখন অন্ধকারে ঢেকে থাকতো।
আর ঐ একটা মানুষের আওয়াজে ঘুম ভাঙলে
জানা যেতো রাত কতোটা গভীর হয়েছে,
ভোরের আলো ফুটে সকাল হতে কতো দেরি।
খাকি পোশাক,একটা বড়ো টর্চ লাইট,আর এক হাতে লাঠি নিয়ে গ্রাম পাহারা দেওয়া ডিউটি ছিল।
কনকনে শীতে চাদর জড়িয়ে কাঁপত লোকটা,
বর্ষায় বর্জ্য মাথায় ছাতা হাতে কাদা পায়ে চলেছে,
মানুষটার জীবনের দাম বিপদের কাছে নগন্য মাত্র।
চারিদিকে মাটির রাস্তা, কোথাও সামান্য মোরাম।
মাঝে মাঝে হয়তো দেখা মিলতো রানারের সঙ্গে।
তা না হলে একাই গান গায় আর মাঝে মাঝে আওয়াজ তোলে হুর..রে ..রে চৌকিদার ,
সাবধান হও খবরদার।
আয় ছিল কম কষ্ট ছিল নিত্যসঙ্গী তবুও এঁরা
অনেক সম্মানের অধিকারী হতে পেরেছিল।
কিন্তু আজ? না থাক আর কথা বাড়ালাম না।

07/07/2026

আমরা সেই ভারতীয় যেখানে বাস তার নিয়ম ভেঙে দেরি করে পৌঁছাতে পারে জনগণকে মেনে নিতে হবে।
ট্রেন স্টেশনে দেরি করে পৌঁছালে জনগনকে অপেক্ষা করতে হবে ততক্ষন পর্যন্ত তার গন্তব্যে পৌঁছাতে হলে।
আমরা সেই ভারতীয় যেখানে পুলিশ দুর্ঘটনার খবর পেয়েও দেরিতে পৌঁছে তদন্ত করবে নিজের মতো।
আইনের দোহাই দিয়ে মুক্তি দেওয়া হয় অপরাধিদের।
আমরা সেই ভারতীয় যেখানে সুধু একজন পরিক্ষার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেরি হয়ে গেলে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়, তখন নিয়ম শৃঙ্খলা এত জটিল কেনো ?
সেখানেও তো পরিক্ষার্থীর জীবনের প্রশ্ন থেকে যায়।
, ,

01/07/2026

আমি সেই
কেবিরোন বিবি

আমি সেই যে ভাঙবে তবুও আর
হার শিকার করতে জানে না আগের মতো,
আমি সেই যে দুমড়ে মুচড়ে আর
ঝড়ের গতিতে রাস্তায় পড়ে থাকবে না।
আমি যদি আজও মুচড়ে পড়ে থাকি
তোমার পদতলে তুমি আমাকে আবারও,
আবারও কাটার চেষ্টা করবে কুড়ালাঘাতে।
আবারও তোমার দেওয়া আঘাত আমাকে
সহ্য করতে হবে পুরনো ক্ষতের মতো ।
যেদিন আমার মাথায় বৃষ্টির জল ভারি হয়ে উঠেছিল নত হতে হতে আমি ভেঙে গেলাম।
আমি নিজেই সেদিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি তোমাকে
ঐ দুটোর মধ্যে পার্থক্য কী বোঝাতে হবে।
আজ আমি ভেঙে আলাদা হয়ে গেলাম
তোমার অঙ্গ হতে তবে দুমড়েমুচড়ে নয়।
তুমি কি দেখেছ ভেঙে পড়া আর
ভেঙে যাওয়ার মধ্যে পার্থক্য কী?
তাহলে এবার শোনো..
আমি যদি ভেঙে পড়ে থাকি সেটা হবে
তোমাকে জেতার জন্য আর এক সুযোগ দেওয়া।
আর আমি ভেঙে গিয়ে আজ নিজেকে
পরিবর্তন করার অঙ্গীকারবদ্ধ নিজের কাছে।
তাই তোমার কষ্ট দেখে আজ আর মায়া নেই,
শত আঘাতেও চোখে জল আসছে না।
এতেই এখন নিজের কাছে নিজেই
জেতার আনন্দ পায় আরো আমি,
তুমি আর নিজের স্বার্থ পূরণ করতে
আমাকে ব্যবহার করতে পারবে না ।
আমি আর কারও চাহিদা পূরণের
মেশিন হয়ে থাকবো না কারও পাশে।
তুমি ভালো থেকো আর আমাকে ভালো
রাখতে চাই তারাভরা অন্ধকার আকাশে।

পরিবার 🖊️কেবিরোন বিবি গ্রামের পথ ধরে হাঁটার সময় কেউ আমায় প্রশ্ন করলো এই সমাজে তোমার কাছে মুল্যবান কারা?আমি এক নিঃশ্বাস...
05/06/2026

পরিবার
🖊️কেবিরোন বিবি
গ্রামের পথ ধরে হাঁটার সময় কেউ আমায় প্রশ্ন করলো এই সমাজে তোমার কাছে মুল্যবান কারা?
আমি এক নিঃশ্বাসে জোর গলায় বোললাম .......
, , .

03/06/2026

,

06/02/2026

আমরা দেখছি কী আবার নতুন এক ভারতবর্ষের নতুন এক ভোর? একদিন যে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে হিন্দু মুসলিম জোট হয়ে হিন্দুস্থান থেকে ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটিয়েছিল,যে ঘটনার ইতিহাসের পাতায় নেতাজি,গান্ধিজী, ক্ষুদিরাম , নেহেরু,সিধু, কানু, আম্বেদকরের মতো হিন্দু দলিত শ্রেণির বিভিন্ন বিদ্রোহী নেতা,মীর কাসেম আলী,মৌলানা আবুল কালাম আজাদ, খান আব্দুল গাফফার খান, মৌলানা হসরত মোহানি, হাকিম আজমল খান এবং বেগম হজরত মহল। এছাড়াও ইউসুফ মেহের আলি (যিনি 'ভারত ছাড়ো' স্লোগান দিয়েছিলেন), ডাঃ মুখতার আহমদ আনসারি, আজিজান বাই, ও আবাদি বানো বেগম , হাজেরা বিবি ইসমাইল এর মতো বিভিন্ন মুসলিম নারী পুরুষ সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। সেই ভারতবর্ষে সেদিন হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ জৈন, খ্রীষ্টান সবাই একজোট হয়েছিল স্বাধীনতার জন্য।
আজ সেই স্বাধীন ভারতের নতুন রূপ প্রকাশ পাচ্ছে।যেখানে হিন্দু মুসলিম সম্প্রদায়ের বিভেদের রাজনীতি থেকে শুরু করে,একই রাস্ট্রে বাসকরা ভিন রাজ্যে অবস্থিত পরিযায়ী শ্রমিক, ছাত্র প্রত্যেকে মার খেয়ে জীবন হারাচ্ছে বাংলা বাঙালির প্রধান ভাষা বলার জন্য। কেউবা মুসলিম হওয়ার জন্য।
যে ভারতবর্ষের ইতিহাসে জহরলাল নেহেরু দেশের জন্য আইনস্টাইনের সঙ্গে সময় কাটাতেন। সেই ভারতবর্ষে বর্তমান সরকার এপস্টেইন ফাইল এ নাম রেখেছে। সত্যিই কী আমরা নতুন ভারতবর্ষে বাস করছি?
যে ভারতবর্ষের হিন্দু ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষ দলিতদের ওপর অত্যাচার করতেন, সেই ভারতবর্ষে মুসলিমদের হত্যার সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, হিন্দু বাঙালি ভুলে যাচ্ছে রাজনৈতিক ক্ষমতা দেখাতে গিয়ে হিন্দিতে কথা না বলে বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্য পিটিয়ে মারা হচ্ছে।
রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের জন্য মুসলিম ছেলেমেয়েরা যে স্কুলে পড়তে যায় সেই স্কুলের শিক্ষিকাকে হেনস্থা করা হচ্ছে স্কুল বন্ধ করে পার্টি অফিস করার জন্য।
এই সেই ভারতবর্ষ ?যেখানে পঞ্চাশ টি সিটে বিয়াল্লিশ টি মুসলিম ছেলেমেয়েরা নিট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে হেনস্থা হিসেবে মেডিকেল কলেজ বন্ধের জন্য আন্দোলন করে কোনো এক রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলকারী দল।
এই সেই ভারতবর্ষ যেখানে মুসলিমদের প্রতিটি স্থাপত্যের উপর বুলডোজার চালানোর উদ্দেশ্য করা হয়। পূরাতন মসজিদ গুলোর নিচে দেবদেবীর মূর্তি পাওয়ার নামে তাদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চলে।
এস আই আর এর নামে মুসলিমদের দেশ থেকে বিতাড়নের উদ্দেশ্যে হেয়ারিং এর নাম করে ঘন্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। সংশোধন সুধু তাদের প্রয়োজন,টাইপ করতে গিয়েই তাদের নামের বানান উচ্চারণ করতে গিয়ে যত সমস্যা। কিন্তু একটা হিন্দু বিবাহিত মহিলার দুটি করে টাইটেল লেখা আছে,তা উচ্চারণ করতে কোনো সমস্যায় নয়।
ডিটেনশন ক্যাম্প করার প্রয়োজন শুধু মুসলমানদের। এই ভারতবর্ষে লাখো লাখো আদিবাসী যাযাবর সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছে, যাদের নিজের কোনো পরিচয়পত্র বোলে কিছু নেই। বাচ্চাদের জন্ম সার্টিফিকেট নেই।অথচ তাদের পূর্ব পুরুষদের আমল থেকে জন্মসূত্রে ভারতীয় নাগরিক। তারা আজও একবার রেশন পায়নি সরকার থেকে,কারণ তাদের কাছে সেই রেশন কার্ডটাও নেই। তাহলে আমরা সত্যিই এক নতুন ভারতবর্ষে বাস করছি নয় কী?

04/02/2026

কবিতার নাম "আমি এক যাযাবর"।
.

আমি এক যাযাবর

আমি এক যাযাবর,
সংসার নিয়ে পথে প্রান্তরে ঘুরি।
দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ায়,
কেউ দেয় ভাত,তো কেউ দেয় কিছু মুড়ি।
কখনো যায় পাড়ায় শিকার করতে,
বৌ, বাচ্চা পথে ভিক্ষা চায়,
কেউ কিছু দেয়,কেউ তাদের ভয় দেখায়।
বাড়ি বলতে খোলা মাঠ,আর বিছানা?
পথের ধুলো বললে ভুল কিছু হবে না।
আমাদের শীত, বর্ষা নেই,গরম নেই,
নেই ভালো বিছানা আর ভালো পোশাক।
নেই পরিচয় পত্র,জন্ম সার্টিফিকেট,
নেই এদেশের উত্তরাধিকার সূত্রে কোনো
সম্পত্তির অধিকার,যাকে বলে ভিটেবাড়ি।
এতদিন কোনো ভয় নেই, নেই যে টাকাকড়ি।
পেটে ছিল ক্ষুধা আর রাতে চোখের ঘুম।
চারিদিকে আলো থাকলেও আমাদের
চারিদিকে নেমে আসে অন্ধকার নিঝুম।
চলা শিশু ভিক্ষা করে খালি পায়ে,
রুক্ষ তাদের চুল, গায়ে নেই জামা।
কোলের শিশু মায়ের কাঁধে বাধা,
দুর্ঘটনার ভয়ে নামাতেই রয়েছে মানা ।
কেউ দুপা হাঁটে যদিও,কেউবা টানে হামা।
মোদিজী পেয়েছে সরকারের গোদি,
সিংহাসনে বসে করছে আরাম।
এ দেশের জনগণ হয়েও প্রমাণের অভাবে
আজ আমাদের ঘুম হয়েছে হারাম।
জন্ম সূত্রে ভারতীয়,বাপ ঠাকুরদা এসে।
জন্মভূমি হারাতে চাইনা আর,
এস আই আর এর জালে ফেঁসে।
কাজের অভাবে জোটেনি টাকা,
পেটের খিদায় দিন কাটে হতাশায়।
ভিটেমাটি দিয়ে সাহায্য করবে যারা,
আমরা এমন সরকারই চায়।
✍️কেবিরোন বিবি

আঞ্চলিক ভাষায় লেখা কবিতার নাম "বিচার"
02/02/2026

আঞ্চলিক ভাষায় লেখা কবিতার নাম "বিচার"

10/01/2026

চেন্নাই শহরের প্রখ্যাত শিল্পপতি সুধীর চৌধুরী আজ হাসপাতালের বেডে মৃ'ত্যুর মুখে শুয়ে আছেন। তাঁর হার্টে এমন জটিল ব্লকেজ ধরা পড়েছে, যা আর কোনো অপারেশনেই সারানো সম্ভব নয়। দেশের নামজাদা হার্ট স্পেশালিস্টরা মিলে বোর্ড মিটিংয়ে বসে শেষ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন— “রোগীকে বাঁচানো আর সম্ভব নয়।”

মিটিং চলাকালীন একজন তরুণ ডাক্তার হঠাৎ বললেন, “লন্ডনে এক বাঙালি সার্জন আছেন— ডা. মৌমিতা রায়। তিনি এমন অনেক অসম্ভব কেস সফলভাবে করেছেন। যদি ওনার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়, হয়তো একটা উপায় বেরোবে।”
বোর্ডের প্রধান ডাক্তার স'ঙ্গে স'ঙ্গে বললেন, “তাহলে এখনই ওনার স'ঙ্গে কথা বলুন।”

লন্ডনের ঝলমলে শহরে, এক নিরিবিলি অফিসরুমে বসে ল্যাপটপে রিপোর্ট লিখছিলেন ডা. মৌমিতা রায়। এমন সময় মেইল এল— ভারতে এক রোগীর রিপোর্ট। মেইল খুলে দেখে চোখ কপালে— হার্টে একেবারে শেষ স্তরের ব্লকেজ। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি লিখে ফেললেন, “এই কেস অপারেশনের বাইরে। রোগীকে বাঁচানো সম্ভব নয়।”
কিন্তু সেন্ড বাটনে চাপতে গিয়ে চোখ পড়ল রোগীর নামের দিকে— “সুধীর চৌধুরী।”

কয়েক মুহূর্ত চুপ করে বসে রইলেন তিনি। তারপর সব লেখা মুছে দিয়ে নতুন করে টাইপ করলেন, “রোগীর পারিবারিক তথ্য ও সাম্প্রতিক ছবি পাঠানোর অনুরোধ রইল।”

অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই চেন্নাই থেকে ছবিসহ রিপোর্ট চলে এল। ছবিটা খুলে দেখা মাত্রই তাঁর চোখ ভিজে উঠল।
এরপর তিনি উত্তর দিলেন, “আমি নিজে এই অপারেশন করব। আগামীকালই ভারতে রওনা দিচ্ছি।”

নিজের হাসপাতালকে ইমেল পাঠিয়ে জরুরি ছুটির আবেদন করলেন। রাতেই ফ্লাইটের টিকিট বুক করে নিলেন, আর ব্যাগে কিছু চিকিৎসা সম্পর্কিত বই রেখে একমনে পড়তে শুরু করলেন।

কলকাতার উপকণ্ঠে ছোট্ট এক বাড়িতে একা থাকেন মৌমিতার মা, সরোজিনী দেবী। বহুবার মেয়ে বলেছে— “মা, আমার সঙ্গে লন্ডনে চলবে?” কিন্তু মা একরোখা স্বভাবের— “না মা, আমার দেশ ছেড়ে আমি কোথাও যাব না।”
সারাদিন বাগানের গাছপালা আর ফুল নিয়েই সময় কাটান তিনি। একদিন বাগানের চেয়ারে বসে ছিলেন, এমন সময় হঠাৎ পিছন থেকে কেউ এসে চোখ দুটো ঢেকে দিল।
সরোজিনী দেবী হাসতে হাসতে বললেন, “কে রে? মৌমিতা না কি?”
মেয়ে হেসে জড়িয়ে ধরল, “তোমাকে সারপ্রাইজ দিতে হঠাৎ চলে এলাম মা, কিন্তু আবার একটু পরে বেরোতে হবে।”
মা মৃদু গলায় বললেন, “তুইই তো আমার সেরা উপহার রে মা, আর কিছুই লাগে না আমার।”
মৌমিতা তখন চোখ মুছে বলল, “আমাকে আশীর্বাদ করো মা, যেন আমি আজ যা করতে যাচ্ছি তাতে তোমার মুখ উজ্জ্বল হয়।”

তারপরই গাড়ি ছুটল চেন্নাইয়ের পথে। হাসপাতালে পৌঁছে অন্যান্য ডাক্তারদের সঙ্গে বোর্ড মিটিংয়ে বসে তিনি জানালেন— “অপারেশন আমি করব।”
সবাই জানে, এটা প্রায় অসম্ভব কেস। তবুও তিনি রাজি হলেন।
সুধীরবাবুর পরিবার চোখে জল নিয়ে বন্ডপেপারে সই করল— “শেষ চেষ্টা করুন, দয়া করে।”

পরদিন সকাল। ঘড়িতে বাজে ঠিক দশটা সাত। অপারেশন শুরু। টানা পাঁচবার চেষ্টার পরও কোনো সাড়া নেই। ক্লান্ত হয়ে মৌমিতা হঠাৎ মাথা ধরে কেঁদে উঠলেন— “মা গো!”
পুরো অপারেশন থিয়েটার নিস্তব্ধ।
কিন্তু মুহূর্ত খানেক পর মনিটরে হালকা আলো জ্বলে উঠল— হার্ট আবার স্পন্দন শুরু করেছে!
সবাই একসঙ্গে চিৎকার করে উঠল, “অপারেশন সফল!”

সুধীরবাবু জ্ঞান ফিরে ধীরে ধীরে চোখ মেললেন। এক ডাক্তার মৃদু হেসে বললেন, “ধন্যবাদটা আমাদের নয়, যিনি বিদেশ থেকে এসেছেন তাঁকেই দিন।”
চোখ তুলে সুধীরবাবু দেখলেন, সামনে দাঁড়িয়ে ডা. মৌমিতা রায়।

সুধীরবাবু আবেগে কাঁপা গলায় বললেন, “আপনি মানুষ নন, আপনি ঈশ্বরের দূত। আপনি আমাকে দ্বিতীয় জীবন দিলেন। আপনার বাবা-মা কত গর্বিত নিশ্চয়ই।”

মৌমিতা শান্ত গলায় বললেন, “যদি বলি সেই গর্ব করার মানুষ আপনিই?”

সুধীরবাবু হতভম্ব হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “মানে?”

মৌমিতা কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন, তারপর বললেন, “স্মৃতি নামের এক মেয়েকে চিনতেন তো আপনি? যাকে একসময় ভালোবাসার নামে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তারপর একদিন একা ফেলে দিয়েছিলেন যখন সে আপনার সন্তানের মা হতে চলেছিল।”

সুধীরবাবুর মুখ ফ্যাকাশে।
মৌমিতা স্থির গলায় বললেন, “আপনি তখন আমার মাকে বলেছিলেন সন্তানকে শেষ করে দিতে। কিন্তু মা পারেননি। কারণ সেই সন্তান আমি। আজ আমি আপনাকে জীবন দিলাম, যেদিন আপনি আমাকে মরতে দিয়েছিলেন।”

চোখে জল নিয়ে মৌমিতা আরও বললেন, “আমি আপনার মেয়ে— কিন্তু শুধু সেই সম্পর্কেই আসিনি। আমি এসেছি আমার মায়ের ভালোবাসাকে জীবন্ত রাখতে। আজ মা এখনো আপনার নামের সিঁদুর পরে। আমি চাই না সেই সিঁদুর কোনোদিন মুছে যাক। এই জীবন বাঁচানোই হলো আমার মায়ের প্রতি দেওয়া— ‘সবচেয়ে বড় উপহার।’”
(সংগৃহীত লেখা)
এই লেখা থেকে একটি শিক্ষনীয় বিষয় হলো মেয়ে বোলে অবজ্ঞা না করে জন্ম দেওয়াটা সৌভাগ্যবান মনে করুন

Address

Mallickchak
Tamluk
721652

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kebi's personal page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share