10/11/2022
জিওর সস্তা ইন্টারনেট আসবার পর আর এই কোভিডে নেটফ্লিক্স চষে বাঙালি খানিক আন্তর্জাতিক হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাঙালির আন্তর্জাতিক হবার একটা সেট প্যাটার্ন ছিল তার আগে।
চার বছরে একবার বাঙালি সত্যিই আন্তর্জাতিক হতো। তখন বিশ্বের অন্য প্রান্তের কোনো ছলাকলাময় ড্রিবলার, বা ঘাম-রক্ত-ঝরানো লড়ুয়ে মিডফিল্ডার হঠাৎই হয়ে উঠত বাঙালির নিজস্ব। বাঙালির স্বপ্নের নানান অদ্ভুত নক্সা বোনা শুরু হতো ৩-৪টে ফুটবল ম্যাচ জুড়ে দুনিয়াকে চমকে দেওয়া কয়েকটা চরিত্রে। ঝিরঝিরে টিভিতে দেখা যেত তাদের অস্পষ্ট মুখ, অনভ্যস্ত জিভে এলোমেলো নামোচ্চারণে তারা মিশে যেতেন বাংলা ভাষার দৈনন্দিকতায়। অপরিচিতির আঁধার থেকে জ্বলে উঠে নায়ক হয়ে থেকে যেতেন তাঁরা। লাগতো ওই কয়েকটা ম্যাচ, আসলে লাগতো দুটো-তিনটে মুহূর্ত।
ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসকে আম বাঙালি কিভাবে দেখে, কাদের মধ্যে দিয়ে দেখে, সেটা নিয়ে একটা খোলামেলা আড্ডায় আমি বসবো খেলাপাগল, গানপাগল প্রাক্তন সাংবাদিক ও শিক্ষক পার্থ দাশগুপ্তের সঙ্গে। আড্ডায় দেখা হচ্ছে আপনাদের সঙ্গে, ফেসবুক লাইভের পর্দায়। আপনাদের উপস্থিতি ছাড়া সে আড্ডা একটু বেরঙ হয়ে পড়বে। থাকবেন, কমেন্ট করবেন। আলোচনায় অংশ নেবেন, পরশু অর্থাৎ শনিবার সন্ধ্যে ছটায়।
দেখা হচ্ছে তাহলে পরশু অর্থাৎ ১২ই নভেম্বর শনিবার, ভারতীয় সময়ে ঠিক সন্ধ্যে ছটায় বা বাংলাদেশের স্ট্যান্ডার্ড টাইম অনুসারে ৬:৩০টায়।