11/05/2025
Namaste Narashimha 🙏🙏
---
নৃসিংহদেবের পূর্ণ কাহিনি সংক্ষিপ্তরুপে :
এক সময়ের কথা, এক অসুর রাজা ছিলেন যার নাম হিরণ্যকশিপু। তিনি ছিলেন অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দেবতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেন। তাঁর ভাই হিরণ্যাক্ষকে বিষ্ণু বরাহ অবতারে বধ করেছিলেন। এই কারণে হিরণ্যকশিপু বিষ্ণুর ওপর অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন।
তিনি ব্রহ্মার তপস্যা করে একটি বর লাভ করেন, যাতে তিনি না মানুষ, না পশু, না দিন, না রাত্রি, না অস্ত্র, না কোনো বস্তু, না মাটি, না আকাশে মারা যান — এমন একটি অবিনশ্বরতা লাভ করেন (একপ্রকার ছলনা করে)।
হিরণ্যকশিপুর পুত্র প্রহ্লাদ ছিলেন বিষ্ণুর একনিষ্ঠ ভক্ত। তাঁর এই ভক্তিতে রাজা খুব ক্ষুব্ধ হন এবং তাঁকে অনেকবার হত্যার চেষ্টা করেন, কিন্তু প্রতিবারই বিষ্ণু তাঁকে রক্ষা করেন।
অবশেষে হিরণ্যকশিপু একদিন প্রশ্ন করে,
> “তোর ঈশ্বর কোথায়?”
প্রহ্লাদ উত্তর দেয়, “সর্বত্র আছেন।”
তখন হিরণ্যকশিপু একটি স্তম্ভ দেখিয়ে বলে, “এই স্তম্ভেও?”
প্রহ্লাদ বলে, “হ্যাঁ।”
রাগে ফেটে পড়ে হিরণ্যকশিপু স্তম্ভ ভেঙে ফেলেন, এবং তখনই সেই স্তম্ভ থেকে আবির্ভূত হন নরসিংহ — অর্ধ-মানব, অর্ধ-সিংহ রূপে।
নরসিংহদেব হিরণ্যকশিপুকে সন্ধ্যা বেলায় (না দিন, না রাত), একদম প্রাসাদের দোয়ারে (না ঘরের ভিতর, না বাইরে), নিজের হাঁটুতে বসিয়ে, নখ দিয়ে ছিন্ন করে হত্যা করেন — ফলে বর লঙ্ঘিত হয় না।
এরপর বিষ্ণু আবার শান্ত হন এবং প্রহ্লাদকে আশীর্বাদ দেন।
---
এভাবেই ভগবান তাঁর ভক্তদের সকল বিপদ থেকে রক্ষা করেন💝..... আর অসুরদের কঠোরভাবে বিনাশ করেন
11 /05 /2025