Screen Kotha Entertainment

Screen Kotha Entertainment Welcome to the official page of Screen Kotha.
(13)

We bring you the best of Bengali entertainment with honest movie reviews, showbiz updates, viral buzz, short stories and exclusive content for viewers around the world.

ঘটনাটা শুনলে প্রথমে বিশ্বাসই হতে চাইবে না! কিন্তু এই গল্পটা ক্যাটরিনা কাইফ নিজেই একাধিকবার বলেছেন।২০১৬ সালে ‘কফি উইথ করণ...
29/08/2026

ঘটনাটা শুনলে প্রথমে বিশ্বাসই হতে চাইবে না! কিন্তু এই গল্পটা ক্যাটরিনা কাইফ নিজেই একাধিকবার বলেছেন।

২০১৬ সালে ‘কফি উইথ করণ’-এ আনুশকা শর্মার সঙ্গে এসে পুরোনো সেই কাণ্ডের কথা হেসে হেসে বলেছিলেন ক্যাটরিনা। পরে ‘দ্য কপিল শর্মা শো’-তেও অক্ষয় কুমার ও রোহিত শেট্টির সামনে আবার প্রসঙ্গটা ওঠে।

ঘটনাটা ২০১০ সালের। ‘তিস মার খান’-এর জনপ্রিয় গান ‘শীলা কি জাওয়ানি’র শুটিং চলছে। ক্যাটরিনা তখন সেটে ব্লাউজ আর সোনালি চোলি পরে বসে ছিলেন। সেদিন ছিল রাখি বন্ধন। কিন্তু শুটিংয়ের ব্যস্ততায় তাকে রাখি পরানোর মতো কেউ ছিল না।

এর মধ্যেই সেটে হাজির অক্ষয় কুমার। ক্যাটরিনার সঙ্গে অক্ষয়ের বন্ধুত্ব তখন বেশ গভীর। ক্যারিয়ারের শুরুর দিক থেকেই অক্ষয়কে ক্যাটরিনার প্রতি অনেকটা বড় ভাইয়ের মতোই যত্নশীল হিসেবে দেখা যেত।

সেই জায়গা থেকেই হয়তো একেবারে সরল মনে ক্যাটরিনা অক্ষয়কে বলে বসেন, “আমি কি তোমাকে রাখি পরাতে পারি?”

প্রস্তাবটা শুনে অক্ষয় যেন কিছুক্ষণের জন্য বুঝতেই পারেননি কী বলবেন! কারণ পর্দায় দুজনের রোমান্টিক জুটি তখন বেশ জনপ্রিয়। একসঙ্গে একাধিক সিনেমায় প্রেমিক-প্রেমিকার চরিত্রে দেখা গেছে তাদের। তাই ক্যাটরিনার মুখে হঠাৎ ‘রাখি পরাব’ শুনে অক্ষয়ের প্রতিক্রিয়াও ছিল বেশ মজার।

তিনি মজা করে বলে বসেন, “ক্যাটরিনা, তুমি কি থাপ্পড় খেতে চাও?”

ব্যস, সেখানেই ক্যাটরিনা আর এগোলেন না।

কিন্তু গল্পের আসল মজা তখনও বাকি।

অক্ষয়ের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে সেদিন রাতে ক্যাটরিনা এক বন্ধুর বাড়িতে যান। সেখানে ছিলেন অর্জুন কাপুরও। তখনও অর্জুন অভিনেতা হিসেবে বলিউডে পা রাখেননি। ক্যাটরিনার বর্ণনা অনুযায়ী, সেই সময়ের অর্জুন ছিলেন বেশ গোলগাল, কিউট ধরনের।

ক্যাটরিনার মাথায় তখন নতুন বুদ্ধি। অক্ষয় যখন রাখি পরতে রাজি হলেন না, অর্জুনকে দিয়েই কাজটা করানো যাক!

কিন্তু ক্যাটরিনার পরিকল্পনার কথা বুঝতে পেরেই অর্জুনের অবস্থা নাকি এমন হয়েছিল যে তিনি সোজা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ক্যাটরিনা পরে মজা করে বলেছেন, পরদিন তাকে দেখলেও অর্জুন নাকি তাকে দেখামাত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন!

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, এত কিছুর পরও অর্জুনের সঙ্গে ক্যাটরিনার সম্পর্কটা অন্য রকম হয়ে যায়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে ক্যাটরিনা তাকে নিজের ‘রাখি ভাই’ কিংবা ‘ধর্মভাই’ বলেই উল্লেখ করেছেন।

অর্থাৎ, যাকে রাখি পরানোর জন্য অর্জুন একদিন বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত তাকেই ক্যাটরিনা বানিয়ে ফেললেন নিজের রাখি ভাই!

চার বছর ধরে একটা সিনেমা বানালো, কিন্তু কনটেন্টের বেলায় একেবারে চুপ। সিনেমা কেমন হয়েছে সেটা নিয়ে বলার মতো কিছু নেই, অথচ ই...
26/08/2026

চার বছর ধরে একটা সিনেমা বানালো, কিন্তু কনটেন্টের বেলায় একেবারে চুপ। সিনেমা কেমন হয়েছে সেটা নিয়ে বলার মতো কিছু নেই, অথচ ইমেজ বাঁচানোর জন্য কালেকশনের ফ্লেক্স করতে ঠিকই হাজির! হিন্দি ভার্সনের কালেকশন নিয়েই যখন এত কথা আর অভিযোগ, তখন সন্দেহটা তো উঠবেই, ভাই এত ফ্লেক্সটা আসলে কিসের?

মজার ব্যাপার হলো, এসব না করলেও হিন্দিতে ডাবিং সিনেমা হিসেবে এমনিতেই মোটামুটি ভালো কালেকশন আসত। কিন্তু যখন সিনেমা দিয়ে প্রভাব দেখানোর মতো কিছু থাকে না, তখন কালেকশনের সংখ্যাই তো ভরসা!

সমস্যা হলো, কালেকশনের সংখ্যা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই দিন বুক ফুলিয়ে ঘোরা যায়, কিন্তু সিনেমা ভালো বানানো না গেলে দর্শকের মুখ বন্ধ করা যায় না। ফার্স্ট শো থেকেই সাউথের দিক থেকে যেসব রিভিউ আসছে, তাতে মনে হচ্ছে চার বছর ধরে অপেক্ষা করিয়ে শেষে দর্শককে আবার ধৈর্যের পরীক্ষা দেওয়া হয়েছে।

এখন হিন্দি দর্শক কী করে সেটা দেখা যাক। ওখান থেকে কিছুটা মুখরক্ষা হয়ে যেতে পারে। হিন্দির জোরে যদি 2.0 বা Saaho টাইপ একটা সম্মানজনক সংখ্যা তুলে ফেলতে পারে, তাহলে অন্তত “পুরো ডুবেনি” বলা যাবে।

কিন্তু হিন্দিতেও যদি ধরা খায়, তখন আর কালেকশনের ফ্লেক্স দেখিয়ে লাভ হবে না। চার বছর পর ফিরে এসে যদি এই দশা হয়, তাহলে স্যান্ডালউডের সবচেয়ে বড় ডিজাস্টারের তালিকায় নাম উঠতে বেশি সময় লাগবে না।

চার বছর অপেক্ষা, এত হাইপ, এত ফ্লেক্স, এত কালেকশনের গল্প, শেষে সিনেমা হলে গিয়ে দর্শকের একটাই প্রশ্ন:

“ভাই, এতদিন ধরে বানাইছিলা কী?”

কালেকশন দিয়ে পোস্টার সাজানো যায়, হাইপ বানানো যায়। কিন্তু সিনেমা খারাপ হলে দর্শক দুই ঘণ্টা বসে সেটা সহ্য করবে না। সেখানেই আসল ফ্লেক্স শেষ।

অভিনেত্রীদের মধ্যে সাদিয়া জাহান প্রভা খুবই স্বাস্থ্য সচেতন একজন মানুষ। নিজের ক্যারিয়ারের শুরু থেকে তিনি ওয়ার্ক আউট, জীম ...
20/08/2026

অভিনেত্রীদের মধ্যে সাদিয়া জাহান প্রভা খুবই স্বাস্থ্য সচেতন একজন মানুষ। নিজের ক্যারিয়ারের শুরু থেকে তিনি ওয়ার্ক আউট, জীম এসব মেনটেইন করে আসছেন। ব্যায়াম ছাড়া প্রভার সবকিছুই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। নিজেকে সবসময় ফিট রাখছেন যেকোনো চরিত্রে ফুটিয়ে তুলতে। খাবারের বেলাতেও তিনি খুব নিয়ম মেনে খাওয়া দাওয়া করেন। জাঙ্ক ফুড ও ফাস্ট ফুড উনি খুব একটা পছন্দ করেন না। যতোটা পারেন তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। যার ফলে তিনি এখনো তার এই সৌন্দর্য ধরে রাখতে পারছেন। তাছাড়া নিয়মিত নামাজও পড়েন তিনি।

টেলিগ্রাম গ্রুপে এডা*ল্ট কন্টেন্ট বিক্রির দ্বায়ে বসুন্ধরা আবাসিক থেকে, সুমাইয়া সাঈদ নামের এক ইন্সটাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার স...
18/08/2026

টেলিগ্রাম গ্রুপে এডা*ল্ট কন্টেন্ট বিক্রির দ্বায়ে বসুন্ধরা আবাসিক থেকে, সুমাইয়া সাঈদ নামের এক ইন্সটাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি-সাইবার পুলিশ!!

সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হলো, সুমাইয়া সাঈদের আপন পিতা আবু সাঈদ ও এক্স বয়ফ্রেন্ড জড়িত এই অপকর্মে!!
বহুদিন ধরেই, নিজেরা নিজেরা বিভিন্ন অশ্লী*ল ভিডিও বানিয়ে, টেলিগ্রাম গ্রুপ সহ ইন্সটাগ্রামে সেগুলো বিক্রির প্রচারণা করে আসছিলো এই চক্র। প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন নামের বিভিন্ন গ্রুপে ভিডিও বিক্রির পাশাপাশি অন্যান্যদের এসব ভিডিও সরবরাহ করতো এই সাঈদ চক্র!!
ভাবা যায়??

টাকার জন্য, আপন বাবা-মেয়ে পর্নো*গ্রাফিক ব্যবসা করতো!!🙂

© আব্দুল্লাহ আল ইমরান

ইমরান হাশমি পর্যন্ত কামব্যাক করে নতুন প্রজেক্ট নিয়ে হাজির, অথচ হৃতিক রোশনের পরের সিনেমা কী হতে যাচ্ছে সেটাই এখনো জানি না...
15/08/2026

ইমরান হাশমি পর্যন্ত কামব্যাক করে নতুন প্রজেক্ট নিয়ে হাজির, অথচ হৃতিক রোশনের পরের সিনেমা কী হতে যাচ্ছে সেটাই এখনো জানি না!

একজন হৃতিক ফ্যান হিসেবে বিষয়টা সত্যিই বিরক্তিকর। War 2-এর পর ভেবেছিলাম খুব দ্রুতই হৃতিকের নতুন কোনো সিনেমার খবর পাবো। কিন্তু কই? এখনো সেই অপেক্ষাতেই আছি।

অন্যদিকে জুনিয়র এনটিআর War 2 শেষ করেই পরপর দুইটা নতুন সিনেমা নিয়ে এগিয়ে গেলেন। আর আমাদের গ্রীক গড এখনো নেক্সট প্রজেক্ট খুঁজছেন!

War 2 প্রত্যাশামতো চলেনি, এটা সত্যি। কিন্তু সিনেমাটা ভালো না চলার দায় পুরোপুরি হৃতিকের ওপর চাপানোরও কোনো মানে হয় না। কবীর চরিত্রে উনি যা করার দরকার ছিল, করেছেন। বরং সিনেমার রেজাল্ট যাই হোক, হৃতিকের স্ক্রিন প্রেজেন্স নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই।

এখন War 2 নিয়ে আর পড়ে থাকার দরকার নেই। যা হওয়ার হয়ে গেছে। এবার নতুন কিছু দরকার।

সত্যি বলতে, হৃতিকের কাছ থেকে এখন কোনো বক্স অফিস প্রেডিকশন বা বড় বড় কথা চাই না। শুধু একটা ভালো প্রজেক্টের এনাউন্সমেন্ট চাই। এমন একটা খবর, যেটা শুনে আবার সেই পুরোনো হৃতিক হাইপটা ফিরে আসে! 🔥

কি করতেছো! মাটি খাইতেছো! খিদা বেশি লাগছে!  আহারে। মাটি খাইতে কেমন!  হুদা মাটি খাইতেছো নাকি লবন দিছো! জিনের বাদশার চেহারা...
10/08/2026

কি করতেছো! মাটি খাইতেছো! খিদা বেশি লাগছে! আহারে। মাটি খাইতে কেমন! হুদা মাটি খাইতেছো নাকি লবন দিছো!

জিনের বাদশার চেহারা অলম্বুষ, বড় বড় চোখ , যখন কথা কয় সিসের মতো শব্দ হয় , দাঁত নাই জিব্রা কালা। জিনের বাদশার মেজাজ ভালো থাকলে হাসি তামাশাও করে।

হুমায়ূন আহমেদের অন্যতম সেরা ধারাবাহিক নাটক 'উড়ে যায় বকপক্ষী' এর দোতরা চাচার কথা নিশ্চয়ই আমাদের মনে আছে। জ্বিনে ধরা পাগল প্রায় জল চিকিৎসা নেয়া এই মানুষটি মজার মজার সংলাপ বলে দর্শকদের যেমন আনন্দ চিত্তে হাসিয়েছেন তেমন একেবারে শেষ দৃশ্যে যখন বলেন 'পুষ্প,মাগো ওস্তাদ জালাল খাঁ সাহেব মারা গেছেন' তখন অজান্তেই চোখে জল চলে আসে। এই দ্যোতরা চাচার চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন প্রথিতযশা অভিনেতা 'চ্যালেঞ্জার'।

আসল নাম এ এস এম তোফাজ্জল হোসেন,হুমায়ূন আহমেদের সাথে পরিচয় হবার পর নাম দেন 'চ্যালেঞ্জার'। এই নামেই তিনি আমাদের কাছে পরিচিত। প্রথম নাটক হুমায়ূন আহমেদের 'হাবলঙ্গের বাজারে',নাপিত রামেশ্বরের চরিত্রে স্বল্প সময়ের জন্য অভিনয় করেছিলেন। মধ্য বয়সে অভিনয় জগতে এসেছিলেন। এরপর উড়ে যায় বকপক্ষী,চোর,খোয়াব নামা,যমুনার জল দেখতে কালো,বৃক্ষমানব সহ তখনকার হুমায়ূন আহমেদের প্রায় সব নাটকেই তিনি অভিনয় করেছিলেন,বিশেষ করে বলতে হয় 'পিশাচ মকবুল' নাটকের কথা।

প্রথম ছবি 'শ্যামল ছায়া',মুক্তিযুদ্ধের এই ছবিতে সন্তানহারা এক বয়স্ক বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। রাশভারি কিন্তু মমতায় ভরা চরিত্রে নিজের সেরাটা দিয়েছিলেন। এছাড়া অভিনয় করেছেন কাল সকালে,লাল সবুজ,নয় নম্বর মহা বিপদ সংকেত সিনেমায়। বিশেষ করে বলতে হয় 'দারুচিনি দ্বীপ' এর কথা। অসাড় দেহ নিয়ে বিছানায় পড়ে থাকা দারিদ্র‍্যের কপাঘাতে পড়ে থাকা জরীর বাবার চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছিলেন। প্রথমদিকে শুধু হুমায়ূন আহমেদের নাটকে অভিনয় করলেও পরবর্তীতে সবার নাটকেই অভিনয় করতে থাকেন যেমন সালাউদ্দিন লাভলু,মাহফুজ আহমেদ বা ছবিয়ালের নাটকে। তার মধ্যে অন্যতম খেলা,চোরফাঁদ,বউ,এইম ইন লাইফ অন্যতম।

প্রথিতযশা এই অভিনেতা বড্ড অকালেই চলে গিয়েছিলেন। ২০১০ সালে মাত্র ৫১ বছর বয়সে মারা গিয়েছিলেন। অভিনয় করেছেন মাত্র আট বছর,এই স্বল্প সময়েই নিজের অভিনয় গুনে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে বাবা চরিত্রের যে ভালো অভিনেতার আকাল চলছে,তিনি বেছে থাকলে সেটা অনেকটাই পূরণ হতো। বাবার চরিত্রে তিনি দারুণ ভাবে মিশে যেতেন। অভিনেত্রী মনিরা মিঠু সম্পর্কে আপন বোন হন।

১৯৫৯ সালের আজকের এইদিনে জন্মগ্রহণ করা এই অভিনেতা আজ বেঁচে থাকলে ৬৭ বছর পূর্ণ হতো। বালাইষাট পুরাবার আগেই তিনি পরপারে চলে গেলেন। উনার আত্মার শান্তি কামনা করি।

শুভ জন্মদিন..... চ্যালেঞ্জার

তাহুরার পাহাড় দর্শন
09/08/2026

তাহুরার পাহাড় দর্শন

সিনেমার নাম: "October”কাস্ট: বরুণ ধাওয়ান, বানিতা সান্ধু, গীতাঞ্জলি রাও।পরিচালকঃ সুজিত সরকারলেখকঃ জুহি চুতরবেদিকিছু কিছু ...
08/08/2026

সিনেমার নাম: "October”
কাস্ট: বরুণ ধাওয়ান, বানিতা সান্ধু, গীতাঞ্জলি রাও।
পরিচালকঃ সুজিত সরকার
লেখকঃ জুহি চুতরবেদি

কিছু কিছু লিখা লিখতে গেলে মনের অজান্তেই আবেগপ্রবন হয়ে পরি, আজ এই লিখাটা তার ই সামিল ।

নিঃশব্দে ও ভালোবাসা থাকে। সেটা শব্দের চেয়ে ও কোন অংশে কম নয়। কিছু না বলে ও অনেক কিছু বলা হয়ে যায়। ভালোবাসা আসলে কখন কোথা থেকে শুরু হবে সেটা স্রষ্টা ছাড়া কেউ ই আসলে জানে না। এই ভালোবাসা খুবই পবিত্র একটি জিনিস।
ভালোবাসার মানে কি?
ভালোবাসার পরিধি কতটা?
এটা কি একজন কবির চোখের কাশফুলে ঘেরা দিগন্ত নাকি কোনো শিশুর অদ্ভুত ভাবে চেয়ে থাকা আকাশের মতো ?

ড্যান আর শিউলি দু'জনেই একটা ফাইভ স্টার হোটেলে কাজ করে। যদিও তারা কেও বেস্ট ফ্রেন্ডও না, আবার তাদের মধ্যে কোনো ভালোবাসার সম্পর্কও নেই। কিন্তু তবুও হঠাৎ এক দূর্ঘটনার পর থেকে ড্যানের শিউলির প্রতি ভালো লাগা কাজ করে। নিজের ক্যারিয়ার, ভবিষ্যৎ সব ফেলে সে শিউলিকে নিয়ে ভাবতে শুরু করে। আর শিউলি ফুলের গন্ধে বিভোর হয়ে যাওয়া শিউলি চায় ড্যানকে নিজের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে। আর শত বাধার পরেও চলতে থাকে ড্যানের শিউলিকে খুশি রাখার, ভালো রাখার আপ্রাণ চেষ্টা।

October সিনেমাটি জীবনের "অনিশ্চয়তা"কে খুবই সুন্দরভাবে হাইলাইট করে। এক সেকেন্ডে যে মানুষটি পার্টিতে উল্লাস করছে, ঠিক আর পরের সেকেন্ডেই মানুষটি বিল্ডিং থেকে নিচে পড়ে একেবারে কোমায় চলে যেতে পারে। কিছু মানুষ যেখানে বিয়ের আয়োজনে নাচানাচি করতে পারে, সেখানে কোন মানুষ তার প্রিয় মানুষটির জন্য ওষুধ কেনার জন্য সংগ্রাম করছে।


শিউলি চরিত্রটা খুব বেশি ন্যাচারাল লেগেছে। বানিতা সান্ধু অসাধারণ করেছে। বরুণকে ও এইভাবে দেখে দর্শকরা অভ্যস্ত নয় সে ও অনেক বেশি ভালো করেছে। বরুণ ধাওয়ানকে সবাই মজার চরিত্রে, হাসাহাসি চরিত্রে দেখতে অভ্যস্ত কিন্তু Badlapur এর পর এই October ছবিতে ওর শান্ত একটা চরিত্র সত্যিই লক্ষনীয়। বরুন ধাওয়ানের সত্যিকারের অভিনয় এই মুভিতেই পরিপূর্ণতা পেয়েছে । সে একবারে নিজেকে ভেঙ্গে নতুন রূপে উপস্থাপন করেছে October মুভিতে। 💕

ছবির মেকিংটা সুন্দর। শান্তনু , অভিষেক আর অনুপমের মিউজিক কম্বেনেশন অন্যরকম ভালো লাগার সৃষ্টি করবে।
October মাসটা আসলেই স্পেশাল। কারণ এই মাসেই যে শিউলি ফুল ফোটে। আর শিউলি ফুল ভালোবাসে না এমন মানুষ পাওয়া বিরল। সাদা সাদা শিউলি ফুল দেখতে যেমন শুভ্র সুন্দর তেমনি ঘ্রানেও অতুলনীয়। তবে দুঃখের বিষয় যেটা এই ফুলের আয়ুষ্কাল খুবই স্বল্প। রাতে ঝড়ে ঝড়ে পড়ে যায়। কিছু মানুষ ও ঠিক তেমনি শিউলি ফুলের মতোই স্নিগ্ধ সুন্দর কিন্তু ক্ষনজন্মা। October মুভি তে সেরকম কিছুই হয়তো দেখতে পাবেন। ভালোবাসা আসলে একটা জার্নি , একটা অভিজ্ঞতা। সময়ের সাথে সাথে তা আরো বেশি গভীরতা পায়। তখন হয়তো কখনো খুশির জোয়ারে ভেসে যাওয়া যায়, কখনো স্মৃতি বয়ে নিয়ে বেড়াতে হয়। October মুভি তে সেরকম কিছুই হয়তো রয়েছে ।

কেউ কেউ অপ্রাপ্তির অসমাপ্ত গল্পগুলো অপছন্দ করেন, তবে আমি বলবো অপ্রাপ্তির গল্পগুলোও দেখুন। কারন আপনি সেখানে নিজেকে দাঁড় করানোর একাটা সুযোগ পেতে পারেন। ছবিটি দেখার পর বুঝতে পারবেন ভালোবাসার অনেক কারনই আসলে অকারণ।
আমরা তবুও ভালোবাসি কারন ভালোবাসা সুন্দর, যদিও সেখানে প্রচুর অপ্রাপ্তি প্রকাশিত হয় তবুও ভালোবাসি, কারন একমাত্র ভালোবাসাই আপনাকে উপলব্ধি করাতে পারে ভালোবাসার মানে।

শেষ একটা কথাই বলব ভালো সিনেমা গল্প বলে, এর চেয়ে আরেকটু ভালো সিনেমা চিন্তা করায়। আর সবচেয়ে ভালো সিনেমাগুলো অনুভূতি তৈরি করে। অক্টোবর অনুভূতির সিনেমা, এটাকে অনুভূব করতে হয়।

“October”
THIS IS NOT A LOVE STORY,
THIS IS A STORY ABOUT LOVE ❤💙
হ্যাপি ওয়াচিং

আমার প্রস্টি*টিউট মানেই রাস্তা ঘাটে দাড়াইয়া থাকে ওরা না। আমার প্রস্টি*টিউট মানে বি এম ডাব্লিউ, মারসিডিজ, রেন্জ রোভার চাল...
06/08/2026

আমার প্রস্টি*টিউট মানেই রাস্তা ঘাটে দাড়াইয়া থাকে ওরা না। আমার প্রস্টি*টিউট মানে বি এম ডাব্লিউ, মারসিডিজ, রেন্জ রোভার চালায় এরা।

নিজের গুলাশনোর চামেলি সিনেমা নিয়ে এভাবেই বলছিলেন এমডি ইকবাল।

সিনেমায় তিনি অনবোর্ড করেছেন , আশিষ খন্দকার মিশা সওদাগর , রোজিনা, বাধন ও আমিন খান এর মত শিল্পি ।

কেমন হবে বলে মনে করছেন গুলশানের চামেলি সিনেমাটা ? পাখি ড্রেস এর মত গুলাশানের চামেলি ও কি জনপ্রিয় হতে পারবে ? যারা পাখি ড্রেস এর জন্য একসময় পাগল ছিলেন তারা কি হলে গিয়ে চামেলিকে চামেলির পোষাকে দেখতে যাবেন ? নাকি এর পরে বাংলাদেশে আসবে চামেলি ড্রেস ?

তাদের আয়োজন ও চেষ্টা দেখে মনে হচ্ছে ভাল কিছু করতে চলেছে । কি বলেন ?

🙂
06/08/2026

🙂

Dirección

Tijuana

Página web

Notificaciones

Sé el primero en enterarse y déjanos enviarle un correo electrónico cuando Screen Kotha Entertainment publique noticias y promociones. Su dirección de correo electrónico no se utilizará para ningún otro fin, y puede darse de baja en cualquier momento.

Atajos

Compartir