Kadir88

Kadir88 Hard work never goes wrong if you work with knowledge.

নৃশংস অপরাধ ও নিরাপত্তা সংকট: রংপুরের সাবেক শিক্ষক পরিবারকে নৃশংস হত্যা, ঢাকায় কিশোর গ্যাংয়ের হাতে গার্মেন্টস শ্রমিক হত্...
23/08/2026

নৃশংস অপরাধ ও নিরাপত্তা সংকট:
রংপুরের সাবেক শিক্ষক পরিবারকে নৃশংস হত্যা, ঢাকায় কিশোর গ্যাংয়ের হাতে গার্মেন্টস শ্রমিক হত্যা এবং শিশুদের ওপর চরম বর্বরতা স্পষ্ট করে যে নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা আজ মারাত্মক হুমকির মুখে।

​বিচার ব্যবস্থার ধস:
অপরাধীদের দ্রুত জামিনে বের হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়ানো, আদালতে মামলার দীর্ঘসূত্রতা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

​প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয়:
সুস্থ রাজনীতি, আদর্শ ও নিরপেক্ষ আমলাতন্ত্রের অভাব এবং যোগ্যতার বদলে দলদাসত্বকে প্রাধান্য দেওয়ায় পুরো সমাজব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।


​ #ন্যায়বিচার_চাই #বিচারহীনতার_সংস্কৃতি #সুশাসনের_অভাব #আইনশৃঙ্খলা_সংকট #কিশোরগ্যাং_প্রতিরোধ #অপরাধের_বিচার #নিরাপদ_বাংলাদেশ #ক্ষোভ_ও_প্রতিবাদ #সুস্থ_রাজনীতি #সামাজিক_অবক্ষয়

কুরবানি শুধু পশু জবেহ করার আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের অহংকার ও পশুবৃত্তিকে বিসর্জন দেওয়ার এক ...
27/05/2026

কুরবানি শুধু পশু জবেহ করার আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের অহংকার ও পশুবৃত্তিকে বিসর্জন দেওয়ার এক মহান ইবাদত।
​পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন:
​"আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না তাদের (কুরবানির পশুর) গোশত এবং রক্ত, বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া (পরহেজগারি)।" (সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত: ৩৭)
​রাসূলুল্লাহ (সা.) কুরবানির গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে উম্মতকে তাগিদ দিয়ে বলেছেন:
​"সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি কুরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।" (সুনানে ইবনে মাজাহ)
​আসুন, লোকদেখানো মানসিকতা পরিহার করে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি, তাকওয়া অর্জন এবং গরিব-দুঃখীদের মুখে হাসি ফোটানোর পবিত্র নিয়তে আমরা কুরবানি সম্পন্ন করি। আল্লাহ আমাদের কুরবানি কবুল করুন। আমিন।

#কুরবানি #তাকওয়া #ঈদুলআজহা #কুরবানিরতাৎপর্য #ত্যাগওউৎসর্গ #ইসলামিকপোস্ট

27/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ সুশৃঙ্খলভাবে আদায় করলাম। মহান রব্বুল আলামিনের দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া, যিনি আমাদের এই পবিত্র দিনটি দেখার তাওফিক দান করেছেন। আমাদের কোরবানি এবং সমস্ত ইবাদত আল্লাহ কবুল করুন। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা!
​ #ঈদুল_আযহা োবারক

ঈদুল আযহা হলো ত্যাগের উৎসব। আসুন, পশুর পাশাপাশি আমাদের মনের অহংকার ও লোভকেও কোরবানি দিই। 🌙❤️ঈদ মোবারক🌙❤️
26/05/2026

ঈদুল আযহা হলো ত্যাগের উৎসব। আসুন, পশুর পাশাপাশি আমাদের মনের অহংকার ও লোভকেও কোরবানি দিই। 🌙
❤️ঈদ মোবারক🌙❤️

ধিক্কার! তীব্র ধিক্কার এই বর্বর সমাজকে! 😤💔উপরের ছবিতে যে নিষ্পাপ, ফুলের মতো কোমলমতি শিশুদের দেখছেন—এরা কেউ আজ আমাদের মাঝ...
22/05/2026

ধিক্কার! তীব্র ধিক্কার এই বর্বর সমাজকে! 😤💔
উপরের ছবিতে যে নিষ্পাপ, ফুলের মতো কোমলমতি শিশুদের দেখছেন—এরা কেউ আজ আমাদের মাঝে বেঁচে নেই। এই ফুটফুটে ফেরেশতাগুলোকে 'মানুষ' রূপী কিছু নরপশু ও হায়েনারা কেবল পাশবিকভাবে ধর্ষণই করেনি, অত্যন্ত নির্মমভাবে খুন করে তাদের জীবনের আলো নিভিয়ে দিয়েছে। এদের অপরাধ কী ছিল? এরা তো কেবল বাঁচতে চেয়েছিল, হাসতে চেয়েছিল!
শিশুদের সুরক্ষায় যদি আমরা ব্যর্থ হই, তবে আমাদের এই তথাকথিত সভ্য সমাজের মূল্য কোথায়? এই একেকটি শিশুর অকালমৃত্যু কেবল এক একটি পরিবারের ধ্বংস নয়, বরং গোটা মানবতার মুখে এক একটি চপেটাঘাত!
একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে, একজন সচেতন মানুষ হিসেবে, বিবেকের তাড়নায় আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-র কাছে আকুল আবেদন ও তীব্র দাবি জানাচ্ছি:
এই ফুলের মতো শিশুদের ওপর নির্যাতনকারী ও খুনিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার সম্পন্ন করতে হবে।
কোনো রকম দীর্ঘসূত্রিতা ছাড়া, প্রতিটি নরপশুর জন্য দ্রুততম সময়ে "ফাঁসি বা মৃত্যুদণ্ড" নিশ্চিত করতে হবে।
আইনের ফাঁকফোকর গলে যেন একটা হায়েনাও পার পেয়ে না যায়। এদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক, যা দেখে অন্য কোনো অপরাধী ভবিষ্যতে কোনো শিশুর দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহসও না পায়।
আসুন, দল-মত নির্বিশেষে আমরা সবাই এই পৈশাচিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হই। আমাদের সন্তানদের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আওয়াজ তুলুন!
#শিশুধর্ষণওহত্যারবিচারচাই #হায়েনাদেরফাঁসিচাই #নিরাপদবাংলাদেশ

শহীদি সালাম ও বিনম্র শ্রদ্ধা​ইসলামি বিপ্লবের পথপ্রদর্শক এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাতে আমি গভী...
01/03/2026

শহীদি সালাম ও বিনম্র শ্রদ্ধা
​ইসলামি বিপ্লবের পথপ্রদর্শক এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাতে আমি গভীরভাবে শোকাহত এবং একই সাথে তার দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
​তিনি সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থেকে আজ আমাদের ছেড়ে মহান রবের কাছে ফিরে গেছেন। মহান আল্লাহ্ তার এই শাহাদাত কবুল করুন এবং তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। 🤲🌹
​তার আদর্শ ও সাহসিকতা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবে। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

09/02/2026

১. আদর্শিক ও ধর্মীয় প্রতিশ্রুত
জামায়াতে ইসলামীর মূল ভিত্তি হলো ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। অনেক ধর্মপ্রাণ ভোটার মনে করেন, দেশের প্রচলিত ব্যবস্থার চেয়ে কুরআন-সুন্নাহর ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হলে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। এই ধর্মীয় আবেগের কারণে একটি বড় অংশ তাদের সমর্থন করে।

২. শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল সংগঠন
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জামায়াত তাদের অত্যন্ত সুশৃঙ্খল কাঠামোর জন্য পরিচিত। তাদের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে। এই শৃঙ্খলা অনেক ভোটারকে আকৃষ্ট করে, যারা বিশৃঙ্খলা বা অগোছালো রাজনীতি পছন্দ করেন না।

৩. দুর্নীতিমুক্ত ভাবমূর্তি
জামায়াতের অনেক নেতা যখন অতীতে মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত দুর্নীতির অভিযোগ অন্যান্য বড় দলের তুলনায় অনেক কম ছিল। তাদের কর্মীদের সততা এবং দুর্নীতির প্রতি শূন্য সহনশীলতার প্রতিশ্রুতি সাধারণ মানুষের কাছে একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে কাজ করে।

৪. সামাজিক ও চ্যারিটি মূলক কাজ
জামায়াত ও তাদের অঙ্গসংগঠনগুলো সারাদেশে প্রচুর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা সংকটের সময় তাদের কর্মীদের মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি অনেক মানুষের মনে আস্থার জায়গা তৈরি করে।

৫. দক্ষ জনশক্তি তৈরি
তারা তাদের ছাত্র সংগঠন (ছাত্রশিবির) এবং নিজস্ব প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে দক্ষ ও শিক্ষিত ক্যাডার বা কর্মী তৈরি করে। অনেক অভিভাবক মনে করেন, এই দলের সাথে যুক্ত থাকলে তাদের সন্তানরা নৈতিকভাবে ভালো থাকবে এবং শৃঙ্খলিত জীবন যাপন করবে।
​জামায়াতে ইসলামীর মূল ভিত্তি হলো ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। অনেক ধর্মপ্রাণ ভোটার মনে করেন, দেশের প্রচলিত ব্যবস্থার চেয়ে কুরআন-সুন্নাহর ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হলে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। এই ধর্মীয় আবেগের কারণে একটি বড় অংশ তাদের সমর্থন করে।

09/02/2026

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের অর্থ হলো সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এমনকি কোনো মোজো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজমও এলাউড না। এটা স্পষ্টত হঠকারী সিদ্ধান্ত। ইঞ্জিনিয়ারিং বা জালিয়াতি করার ইচ্ছে থাকলেই কেবল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে না যাওয়ার কোনো লজিক নেই। এমনটা আগে কখনো দেখিনি। এটার মানে কোনো বিপদ হইলেও কল করে কাউকে জানানো যাবে না। অনেকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য মোবাইল নিতে না পারলে ভোট দিতেও যাবে না।

সিসি ক্যামেরা থাকলেও তাৎক্ষণিক কোনো কাজে দিবে না। মোবাইলের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারবে, অনিয়ম জালিয়াতির চিত্র দেখাতে পারবে তা ক্যামেরা পারবে না। কেন্দ্র দখল-ভোট চুরি ঠেকাতে ব্যক্তিগত ফোন কার্যকর হবে। সাথে সাথেই ভিডিও রেকর্ড হয়ে যাবে। হয়ত এসব জালিয়াতির ভিডিও কেউ করতে না পারে সে জন্য ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এটা সুস্পষ্টভাবে ভোট চু/রির সুযোগ করে দেয়া।

অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত।

Address

Apartment Sri Ara Block F-G/3 Ara Damansara
Petaling Jaya
40150

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kadir88 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share