i never share this one 0.01

i never share this one 0.01 B E D I F F E R E N T. B E 0 . 0 1

জামাত নিয়ে সবার এতো মাথা ঘামানো কেন ভাই, কোন দল ক্ষমতায় এসে কি করে সেটা তো জনগন দেখেই।
26/08/2026

জামাত নিয়ে সবার এতো মাথা ঘামানো কেন ভাই, কোন দল ক্ষমতায় এসে কি করে সেটা তো জনগন দেখেই।

26/08/2026

নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০ শতাংশ ঔষধ উৎপাদন বন্ধ, দাম বাড়লে দেখবেন আবার উৎপাদন চালু! এই সিন্ডিকেট থেকে বের হওয়া সম্ভব না

🤫
25/08/2026

🤫

24/08/2026

শিরীন শারমিনের মতো আম্লিক রে জামিনে মুক্তি দিয়ে বিদেশ পাঠাইছেন কি আপা দেশে ফেরার বৈঠক করার জন্য.!?👇

স্পেন বিশ্বকাপ জেতার পর উদযাপনের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প দলের সদস্যদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়েছিলেন। পরে ফিফা সেই ছবি প্রকাশ কর...
23/08/2026

স্পেন বিশ্বকাপ জেতার পর উদযাপনের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প দলের সদস্যদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়েছিলেন।

পরে ফিফা সেই ছবি প্রকাশ করার সময় ট্রাম্পকে ক্রপ করে বাদ দিয়েছিল।

একই কাজ এবার বাংলাদেশ এয়ার ফোর্সও করে দেখাল। খোকার পোলাকে সরাসরি কিছু বলতে পারে না, তাই ছবির ভেতর থেকেই ইশরাককে ক্রপ করে দিল!

রাজনীতিতে অনেক সময় মুখে কিছু বলতে হয় না, একটা ছবি, একটা ক্রপই যথেষ্ট। কে সামনে থাকবেন, আর কে ছবির বাইরে চলে যাবেন, সেটাও কখনো কখনো ছবি দিয়েই বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

তবে পার্থক্য একটাই, ফিফা ট্রাম্পকে ক্রপ করেছিল, আর বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স ইশাকে!

ইতিহাসের পাতায় এমন ‘ক্রপিং কূটনীতি’র উদাহরণও হয়তো একদিন জায়গা করে নেবে।

সেম কাজটা বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স করল যেতে বলতে পারেনা তাই তারা ইশাকে ক্রোপ করে দিল।

Asif Adnan দ্য লায়ন ম্যান 🔥আজকের আলোচনা সরাসরি War on Terror এর ওপর ছিল | মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই হলের দুইটা কারেন্টের ল...
23/08/2026

Asif Adnan দ্য লায়ন ম্যান 🔥
আজকের আলোচনা সরাসরি War on Terror এর ওপর ছিল | মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই হলের দুইটা কারেন্টের লাইন কেউ কেটে দিয়েছে | একজন মানুষের কণ্ঠ কতটা শক্তিশালী হলে এমনটা করতে পারে..

22/08/2026

৭১ সালে জামায়াত যে ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জত নিয়েছে, ঐ দুই লক্ষ মা বোনের কোনো সন্তান থাকলে এই পোস্টে কমেন্ট করুন🙂

22/08/2026

স্ত্রী'র বেনেটি ব্যাগ ৬ লাখে বিক্রি করে হজ্জ্বে গেলেন, Asif Mahmud ভাই। 🤣

কোলকাতার একটা হোটেলে আগুনে পুড়ে কয়েকজন বাংলাদেশি মা'রা গেছেন। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত।কারো মা, কারো বাপ, কারো স্বামী, ...
21/08/2026

কোলকাতার একটা হোটেলে আগুনে পুড়ে কয়েকজন বাংলাদেশি মা'রা গেছেন। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত।

কারো মা, কারো বাপ, কারো স্বামী, কারো সন্তান, কারো স্বজন। ভাড়া কম বলে ছোট একটা হোটেলে উঠসিলেন। যাওয়ার আগে হয়তো জমি বন্ধক দিয়া গেছেন, কেউ গহনা বেচসেন, কেউ সমিতি থেকে টাকা তুলসেন। বাঁচার লাইগ্যা গেছিলেন। ফিরসেন কফিনে।

আমি তাদের আত্মার শান্তি কামনা করি। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

এই মানুষগুলা কোলকাতা গেলো ক্যান?

ডাক্তার সাহেবরা, প্রশ্নটা আপনাদের।

আপনারা বলবেন ওইখানে টেস্ট সস্তা, ওইখানে ইনভেস্টিগেশন ভালো। রোগীকে জিজ্ঞাসা করেন তো একবার। রোগী মেশিনের কথা বলবে না। রোগী বলবে, "উনি আমার পুরা কথাটা শুনসেন।" রোগী বলবে, "উনি আমার চোখের দিকে তাকায়া কথা কইসেন।" রোগী বলবে, "উনি বলসেন, চিন্তা কইরেন না, ও সুস্থ হইয়া বাড়ি ফিরবে।"

এইটুকু। এই এতটুকুর লাইগ্যা একটা পরিবার পাসপোর্ট বানায়, ভিসার লাইনে দাঁড়ায়, ট্রেনে চড়ে, অচেনা শহরের সস্তা হোটেলে গিয়া ওঠে। আর কফিনবন্দি হইয়া দেশে ফিরে।

আর দেশে আমাদের রোগীর অভিজ্ঞতাটা কী?

বিকাল থাইকা সিরিয়ালে বসা। রাত এগারোটায় নাম ডাকে। ঘরে ঢুকতে না ঢুকতে প্রেসক্রিপশন লেখা শুরু হইয়া গেছে। রোগী তখনো তার কষ্টের কথাটা শেষ করতে পারে নাই। তিন মিনিট। কোনো কোনো দিন দুই মিনিট। একটা প্রশ্ন করলে বিরক্তির শব্দ। কখনো ধমক। ধমক শুনেই দ্বিতীয় প্রশ্ন করার সাহস আর হয় না। বাইর হওয়ার সময় হাতে থাকে টেস্টের লম্বা লিস্ট, আর বুকের ভিতরে থাকে সেই একই ভয়, যেই ভয়টা নিয়া সে ঢুকসিলো।

মানুষ ডিগ্রি দেইখা দেশ ছাড়ে না। মানুষ দেশ ছাড়ে অপমান নিয়া।

এইবার একটা অপ্রিয় কথা বলি। কিছু মনে কইরেন না।

আমার রাজশাহী মেডিক্যালের কয়েকজন সহপাঠী কোলকাতায় আর পশ্চিমবঙ্গের নানা শহরে কাজ করে, খুব ভালো পজিশনে। বিভাগীয় প্রধান পর্যন্ত। আমি তাদের চেম্বারে গেছি, রোগী দেখা দেখসি। তাদের বাসায় গেছি, লাইফস্টাইল দেখসি। আমার দুই সহপাঠী নেপালে, দুইজনেই প্রফেসর হইয়া রিটায়ার করসে। তাদের বাসায়ও গেছি।

দুইটা বিস্ময়কর জিনিস দেখসি।

এক নম্বর, তারা সময় নেয়। কোনো কোনো রোগীর পিছনে আধা ঘন্টা। আমার মেডিক্যাল কলেজের এক সহপাঠী বন্ধু কোলকাতার খুব বিখ্যাত একটা ক্যান্সার হাসপাতালের বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বিভাগের প্রধান। যেই জিনিসটা সে জানে না বা পারে না, অকপটে রোগীকে বইলা দেয়। আমি তার মুখ দেখসি রোগী দেখার সময়। অখণ্ড মনোযোগ। রোগীর কথার উপরে আর কিছু নাই। আর ডাক্তার হিসাবে যেইটা বলে, খুব কনফিডেন্টলি বলে, রোগী ভরসা পায়। বলে, উনাকে সুস্থ কইরা বাড়ি পাঠানো আমার দায়িত্ব, আপনি ভাইবেন না।

একটা ভয় পাওয়া পরিবারের কাছে এই একটা বাক্য কী জিনিস, ভাবা যায় না। যে কোনোদিন হাসপাতালের করিডোরে সারারাত দাঁড়ায়া থাকসে, খালি সে বুঝবে।

দুই নম্বর, সে দিনে দশজনের বেশি রোগী দেখতেই পারে না। আর তার জীবনযাপন খুব সাধারণ। আমি প্যারিসে অনেক ডাক্তারের বাসায় গেছি, আমার সহকর্মীরাই আছে। তাদেরও লাইফস্টাইল মডেস্ট। ফ্যাবুলাস না। বাংলাদেশের ডাক্তারদের মতো না।

এইখানেই আসল কথাটা।

ব্যাংকক সিঙ্গাপুরে যাইতেসে, একটা কথা ছিলো। কিন্তু ইন্ডিয়ার অর্থনৈতিকভাবে সবচাইতে দুর্বল রাজ্যগুলার একটা, সেই পশ্চিমবঙ্গ আপনার রোগী টাইনা নিয়া যাইতেসে। কী দিয়া নিতেসে? টাকা দিয়া না। মেশিন দিয়া না। সময় দিয়া, মনোযোগ দিয়া, আর ভরসা দিয়া।

আপনারা কি নিজেদের কোলকাতার ডাক্তারদের চাইতে ইনফিরিওর মনে করেন? আপনাদের হাত খারাপ না, মাথা খারাপ না, ডিগ্রিও কম না। আপনারা যেইটা রোগীকে দেন না, সেইটা কিনতে টাকা লাগে না।

তাহলে আপনাদের গ্লানিটা হয় না ক্যান?

প্রচুর উপার্জন করতে হবে, প্রচুর রোগী দেখতে হবে। এই ট্রাপ থেকে বাইর হইতে না পারলে আমরা আমাদের রোগীকে তৃপ্ত করতে পারবো না। সার্ভিসের কম্পিটিশনে আমরা কোলকাতার কাছে হারতেই থাকবো।

আর যারা হারতেসে, তারা আমরা না। তারা ওই মানুষগুলা, যারা জমি বেইচা ভিসার লাইনে দাঁড়ায়।

ওই হোটেলটায় যারা পুড়সেন, তাদের একজনকে যদি দেশের একটা চেম্বারে একজন ডাক্তার আধা ঘন্টা সময় দিতেন, চোখের দিকে তাকায়া বলতেন, "চিন্তা কইরেন না, আমি আছি," তাহলে হয়তো ওই রাতে তারা নিজের বিছানায় ঘুমাইতেন।

আ'গু'নে পো'ড়া লা'শ ভরা কফিনটার দায় আ'গু'নে'র একার না, আপনারো।

Adres

Zeddam
28388

Website

Meldingen

Wees de eerste die het weet en laat ons u een e-mail sturen wanneer i never share this one 0.01 nieuws en promoties plaatst. Uw e-mailadres wordt niet voor andere doeleinden gebruikt en u kunt zich op elk gewenst moment afmelden.

Snelkoppelingen

Delen