08/11/2025
রক্তের গন্ধে জন্ম নেওয়া এক দেশ,
যখন দিক হারিয়ে ঘুরছিলো ধূলিময় পথে—
সেই ভাঙা মানচিত্রের কোণে দাঁড়িয়ে
একজন সৈনিক বলেছিলেন,
“চলবে বাংলাদেশ।”
তিনি ছিলেন না কবি, তবু তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ
ছিলো কবিতার মতো নির্ভুল ছন্দে গাঁথা—
যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্তে ছিলো যুক্তির শুদ্ধতা,
আর প্রতিটি নীরবতায় ছিলো রাষ্ট্রের পুনর্জন্মের শব্দ।
ধ্বংসস্তূপের উপর দাঁড়িয়ে তিনি বানিয়েছিলেন কাঠামো,
বিক্ষুব্ধ সময়ের বুক চিরে তুলেছিলেন শৃঙ্খলার মন্দির।
তিনি জানতেন
দেশ গড়া যায় না বক্তৃতায়,
দেশ গড়া যায় ঘামের গন্ধে, শ্রমের শব্দে।
তিনি সৈনিক ছিলেন
কিন্তু তাঁর যুদ্ধ ছিল অস্ত্রের না, অব্যবস্থার বিরুদ্ধে।
তিনি রাজনীতিবিদ ছিলেন না,
কিন্তু রাজনীতির সংজ্ঞা বদলে দিয়েছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের মাটিতে তাঁর কণ্ঠে প্রথম বাজে
স্বাধীনতার ঘোষণা
সেই কণ্ঠ আজও ভেসে আসে কৃতজ্ঞতার বাতাসে।
তিনি শুধু স্বাধীনতার বার্তাবাহক নন,
তিনি ছিলেন সেই architect of order,
যিনি বিশৃঙ্খলার মাঝেও গড়েছিলেন রাষ্ট্রের অস্থি।
আজ যখন শব্দে শব্দে রাজনীতি ভেসে যায়,
তখন তাঁর নীরবতাই শেখায়—
“কাজই আসল বক্তৃতা।”
যেখানে অন্যরা ইতিহাস লেখে ভাষণে,
তিনি ইতিহাস লিখেছিলেন কর্মে।
জিয়াউর রহমান
তুমি কোনো দলের নও,
তুমি এক রাষ্ট্রের নীরব নাড়ির স্পন্দন।
যে মানুষ জানতো,
দেশ মানে শুধু মানচিত্র নয়—
দেশ মানে মানুষের আত্মসম্মান।
তোমার নাম আজো উচ্চারিত হয়
রুক্ষ মাঠের কৃষকের মুখে,
নদীর পাড়ে দাঁড়ানো মৎস্যজীবীর প্রার্থনায়,
আর প্রতিটি তরুণের স্বপ্নে—
যে স্বপ্নে আছে কর্ম, বিশ্বাস আর বাংলাদেশ।
“তুমি ছিলেন এক সৈনিক,
যিনি নীরবতার ভাষায় বলেছিলেন—
চলবে বাংলাদেশ।” 🇧🇩
#জিয়াউররহমান #৭ইনভেম্বর