14/08/2026
বাউল শিল্পী পেহলির স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ/ভাস্কর্য নিয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। মৃত ব্যক্তির প্রতি সম্মান দেখানোর অর্থ এই নয় যে তার স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য ভাস্কর্য নির্মাণ করতে হবে।একজন মুসলিমের জন্য মৃত ব্যক্তির উপকারে আসে দোয়া, ইস্তিগফার, সদকায়ে জারিয়া ও নেক আমল। পাশাপাশি কোনো অন্যায় বা হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকলে তার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানানোই দায়িত্বশীল অবস্থান।
ভাস্কর্য নির্মাণ কোনোভাবেই শোক প্রকাশের অপরিহার্য মাধ্যম নয়। বিশেষ করে মুসলিম সমাজে এ ধরনের সংস্কৃতিকে স্বাভাবিক বা গ্রহণযোগ্য করে তোলা উচিত নয়। আজ একজনকে কেন্দ্র করে ভাস্কর্য, আগামীতে সেটিই সামাজিক রীতিতে পরিণত হতে পারে—তাই শুরু থেকেই এ বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন।
এটা নিয়েও দেখলাম কিছু কাপড়ি কনটেন্ট ক্রিয়েটর—“ভাস্কর্য বানানো হোক”, “এটা করা হোক, সেটা করা হোক”—বলে পোস্ট করে যাচ্ছে।
ভাই, আপনাদের কি ভিউ-ব্যবসার এতই অভাব পড়ে গেছে যে একজন মৃত মানুষকেও কনটেন্ট বানিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হলো? একজন মানুষের মৃত্যু এবং তার পরিবারকে ঘিরে শোকের বিষয়টাকেও যদি শুধু রিচ, কমেন্ট আর ভিউ বাড়ানোর উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করেন, তাহলে এটা কনটেন্ট ক্রিয়েশন নয়—এটা মানবিকতার অবক্ষয়।
পেহলির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভাস্কর্য নিয়ে আবেগী পোস্ট না করে বরং তার পরিবারের পাশে দাঁড়ান, ন্যায়বিচারের দাবি জানান। মৃত মানুষকে নিয়ে ব্যবসা নয়—মানবিকতা দেখান।