Tabiz - তাবিজ

Tabiz - তাবিজ যাদুটোনা থেকে নিরাময়ের উপায়- সূরা কাফিরুন পড়া, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস ৩ বার করে পড়া।

23/08/2025
নরওয়ে পাহাড়ের ঢালে বিশাল আয়না বসিয়েছে, যেগুলো সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে সেই শহরগুলোতে পাঠায় যেখানে শীতকালে কয়েক মাস সরাস...
23/08/2025

নরওয়ে পাহাড়ের ঢালে বিশাল আয়না বসিয়েছে, যেগুলো সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে সেই শহরগুলোতে পাঠায় যেখানে শীতকালে কয়েক মাস সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছায় না। এই উদ্ভাবনী সমাধান বাস্তবায়ন করা হয়েছে রিউকান নামের একটি ছোট শহরে, যা নরওয়ের দক্ষিণের ভেস্টফিয়র্ড উপত্যকার গভীরে অবস্থিত।

চারপাশে খাড়া পাহাড় ঘিরে থাকার কারণে রিউকান শহরটি সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত সরাসরি সূর্যের আলো পায় না। CNET-এর তথ্যানুযায়ী, ২০১৩ সালে শহরটি কাছের এক পাহাড়ের ঢালে তিনটি বিশাল আয়না বসায়, প্রতিটির আয়তন প্রায় ১৮৩ বর্গফুট, যাতে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে শহরের কেন্দ্রস্থলে পৌঁছায়।

এই আয়নাগুলো রিমোট-কন্ট্রোল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, সৌর ও বায়ু শক্তিতে চালিত, এবং প্রোগ্রাম করা হয়েছে আকাশে সূর্যের গতিপথ অনুসরণ করার জন্য। এগুলো শহরের প্রায় ১,৪৭৬ ফুট ওপরে বসানো, এবং দুটি অক্ষ বরাবর ঘুরতে পারে যাতে সূর্যের আলো সরাসরি উপত্যকার ভেতরে পৌঁছে দিতে পারে। এই প্রকল্পের ধারণা প্রথম দেন শহরের প্রতিষ্ঠাতা স্যাম আইডে ১৯১৩ সালে, তবে আধুনিক প্রযুক্তির কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে।

The Hyper Hive-এর মতে, এই আয়নাগুলো রিউকানের মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে—সবচেয়ে অন্ধকার মাসগুলোতেও এখন তারা প্রাকৃতিক আলো উপভোগ করতে পারে। এটি প্রকৌশল ও সৃজনশীলতার এক অনন্য উদাহরণ, যা ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জকেও জয় করতে সক্ষম।

ইরানে গোপন ইভানজেলিকাল সেক্ট ও কালো জাদুর নেটওয়ার্ক: রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার নতুন চ্যালেঞ্জসম্প্রতি ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণ...
17/08/2025

ইরানে গোপন ইভানজেলিকাল সেক্ট ও কালো জাদুর নেটওয়ার্ক: রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার নতুন চ্যালেঞ্জ

সম্প্রতি ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় (VAJA) এক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানের মাধ্যমে এমন এক নেটওয়ার্ক চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করেছে, যারা নিজেদের Evangelical sect (ইভানজেলিকাল সেক্ট) নামে পরিচয় দিচ্ছিল। এখানে ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান বলতে বোঝানো হয় এমন এক গোষ্ঠীকে, যারা বাইবেলের কিছু ভবিষ্যদ্বাণীকে চরমপন্থী ব্যাখ্যায় গ্রহণ করে এবং রাজনৈতিক-সামরিক বাস্তবতায় তার বাস্তবায়ন চায়। এরা বিশ্বাস করে, একটি মহাযুদ্ধ—যা “Battle of Armageddon” নামে পরিচিত—তা-ই বিশ্বপরিসরের চূড়ান্ত লড়াই, যেখানে তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে চায়।

ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, এই গোষ্ঠীর সদস্যরা শুধু ধর্মীয় চরমপন্থায় সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তারা তেহরানে ব্যাপক সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছিল। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের ইভানজেলিকাল নেটওয়ার্কগুলো প্রায়শই নিজেদেরকে Zionist Jews (সায়োনিস্ট ইহুদি)-দের অনুগত হিসেবে দেখে এবং বাস্তবে তাদের কৌশল ও স্বার্থ পূরণেই নিয়োজিত থাকে।

পূর্বের অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট:

২০১৮ সালে ইরানে ১১৪ জন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক সেক্ট (Sect – ছোট ধর্মীয় গোষ্ঠী বা মতবাদী সম্প্রদায়) এবং কাল্ট (Cult – গোপন আচার-অনুষ্ঠাননির্ভর গোষ্ঠী) ধ্বংস করা হয়েছে, যারা বিদেশি অর্থায়ন ও নির্দেশনায় পরিচালিত হচ্ছিল।

এছাড়া, ইরান দাবি করছে যে, ইহুদি মরমীবাদী চর্চা—Kabbalah (কাব্বালা – ইহুদি রহস্যবাদ, যেখানে সংখ্যাতত্ত্ব ও প্রতীকী আচারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়)—এবং অন্যান্য কালো জাদুর অনুশীলনকারীরা নির্জন এলাকায় সক্রিয় ছিল। সাম্প্রতিক ১২ দিনের আক্রমণ চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনী বিভিন্ন শহরে জিন ডাকার তাবিজ, অশুভ প্রতীক, রক্তচিহ্নিত কাগজপত্র ইত্যাদি উদ্ধার করে।

নিয়ন্ত্রণের কৌশল ও মানসিক প্রভাব:

এই ধরনের সেক্ট ও কাল্টগুলো মূলত মনস্তাত্ত্বিক নিয়ন্ত্রণ কৌশল ব্যবহার করে অনুসারী সংগ্রহ করে। ভীতিনির্ভর প্রচার, আচারমূলক গান, সম্মোহনী সমাবেশ—এসবই তাদের নিয়মিত অস্ত্র। অনেক ক্ষেত্রে প্রতীকী বস্তু—যেমন উল্টানো ক্রস, রক্তচিহ্নিত লিখন, অভিশপ্ত তাবিজ—ব্যবহার করে তারা দুর্বল মানসিকতার মানুষকে বশে আনে। এমনকি পশু বলি দিয়ে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করার নজিরও পাওয়া গেছে।

ডিজিটাল পরিসরে ছায়াযুদ্ধ:

আধুনিক যুগে এই নেটওয়ার্কগুলো শুধু সরাসরি সমাবেশে নয়, বরং এনক্রিপ্টেড অনলাইন ফোরাম-এর মাধ্যমেও কার্যক্রম চালায়। সেখানে তারা কালো জাদুর কৌশল শেখায়, গোপন সংকেতের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান করে এবং সন্ত্রাসী পরিকল্পনা সমন্বয় করে। কোডেড ভাষা, প্রতীকী নকশা (sigils), আর সংখ্যাগত সিকোয়েন্সের মাধ্যমে নজরদারি এড়ানোই ছিল তাদের লক্ষ্য।

-----

ইরানে সম্প্রতি উদঘাটিত এই ঘটনা শুধু একটি দেশের নিরাপত্তা সমস্যাই নয়, বরং আন্তর্জাতিক সমাজের জন্যও একটি সতর্ক সংকেত। ধর্মীয় চরমপন্থা, কালো জাদু, এবং ডিজিটাল পরিসরে সংগঠিত গোপন নেটওয়ার্ক—এই তিনের সমন্বয় বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা ব্যবস্থার সামনে এক নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব শুধু গ্রেপ্তারেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি, ভ্রান্ত মতাদর্শের বিরুদ্ধে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাই হতে হবে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। যেখানে কিছু মুসলিম দেশে প্রগতিশীলতার নামে ধর্মকেই ছুড়ে ফেলা হচ্ছে সেখানে শত্রুরা লিটারেরি কালো যাদুতে বিশ্বাস করে এগিয়ে যাচ্ছে। আসলেই এই যুদ্ধটা বিভিন্ন লেয়ারে হচ্ছে একদম আধ্যাত্মিকতা থেকে শুরু করে যুদ্ধের ময়দান পর্যন্ত এই যুদ্ধ বিস্তৃত। আমাদের সবাইকেই এই ব্যপারগুলোতে সাবধান থাকতে হবে কারণ এরা সমাজের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর...

01/08/2025

আর তারা অনুসরণ করেছে, যা শয়তানরা সুলাইমানের রাজত্বে পাঠ করত। আর সুলাইমান কুফরী করেনি; বরং শয়তানরা কুফরী করেছে। তারা মানুষকে যাদু শেখাত এবং (তারা অনুসরণ করেছে) যা নাযিল করা হয়েছিল বাবেলের দুই ফেরেশতা হারূত ও মারূতের উপর। আর তারা কাউকে শেখাত না যে পর্যন্ত না বলত যে, ‘আমরা তো পরীক্ষা, সুতরাং তোমরা কুফরী করো না। এরপরও তারা এদের কাছ থেকে শিখত, যার মাধ্যমে তারা পুরুষ ও তার স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাত। অথচ তারা তার মাধ্যমে কারো কোন ক্ষতি করতে পারত না আল্লাহর অনুমতি ছাড়া। আর তারা শিখত যা তাদের ক্ষতি করত, তাদের উপকার করত না এবং তারা অবশ্যই জানত যে, যে ব্যক্তি তা ক্রয় করবে, আখিরাতে তার কোন অংশ থাকবে না। আর তা নিশ্চিতরূপে কতই-না মন্দ, যার বিনিময়ে তারা নিজদেরকে বিক্রয় করেছে। যদি তারা জানত।

01/08/2025

প্রশ্ন-৪৩: কুফর অর্থ কি এবং তা কত প্রকার?
উত্তর: কুফর দু’প্রকার

ক- এমন কুফর যা ইসলাম থেকে বের করে দেয়, ইহা পাঁচ প্রকার:

১: মিথ্যারোপের কুফরি, আল্লাহ বলেন:

﴿ وَمَنۡ أَظۡلَمُ مِمَّنِ ٱفۡتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا أَوۡ كَذَّبَ بِٱلۡحَقِّ لَمَّا جَآءَهُۥٓۚ أَلَيۡسَ فِي جَهَنَّمَ مَثۡوٗى لِّلۡكَٰفِرِينَ ٦٨ ﴾ [العنكبوت: ٦٨]

অর্থাৎ: যে ব্যক্তি আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে অথবা তাঁর নিকট হতে আগত সত্যকে অস্বীকার করে তার চেয়ে অধিক যালিম আর কে হতে পারে? জাহান্নামই কি কাফেরদের আবাস নয়? [সূরা আনকাবূত ৬৮]

২: সত্য বলে জানার পরও অহংকার করার কুফরি, আল্লাহ বলেন:

﴿ وَإِذۡ قُلۡنَا لِلۡمَلَٰٓئِكَةِ ٱسۡجُدُواْ لِأٓدَمَ فَسَجَدُوٓاْ إِلَّآ إِبۡلِيسَ أَبَىٰ وَٱسۡتَكۡبَرَ وَكَانَ مِنَ ٱلۡكَٰفِرِينَ ٣٤ ﴾ [البقرة: ٣٤]

অর্থাৎ: এবং যখন আমি ফেরেশ্তাগণকে বলেছিলাম যে, তোমরা আদমকে সিজদা কর তখন ইবলিস ব্যতীত সকলেই সিজদা করেছিল; সে অগ্রাহ্য করল ও অহঙ্কার করল এবং কাফেরদের অন্তর্ভুক্ত হল। [সূরা বাকারা ৩৪]

৩: সন্দেহের কুফরি, আর এটি হচ্ছে খারাপ ধারণা করা। আল্লাহ বলেন:

﴿ وَدَخَلَ جَنَّتَهُۥ وَهُوَ ظَالِمٞ لِّنَفۡسِهِۦ قَالَ مَآ أَظُنُّ أَن تَبِيدَ هَٰذِهِۦٓ أَبَدٗا ٣٥ وَمَآ أَظُنُّ ٱلسَّاعَةَ قَآئِمَةٗ وَلَئِن رُّدِدتُّ إِلَىٰ رَبِّي لَأَجِدَنَّ خَيۡرٗا مِّنۡهَا مُنقَلَبٗا ٣٦ قَالَ لَهُۥ صَاحِبُهُۥ وَهُوَ يُحَاوِرُهُۥٓ أَكَفَرۡتَ بِٱلَّذِي خَلَقَكَ مِن تُرَابٖ ثُمَّ مِن نُّطۡفَةٖ ثُمَّ سَوَّىٰكَ رَجُلٗا ٣٧ ﴾ [الكهف: ٣٥، ٣٧]

অর্থাৎ: এ ভাবে নিজের প্রতি যুলুম করে সে তার উদ্যানে প্রবেশ করল। সে বলল: আমি মনে করি না যে এটা কখনো ধ্বংস হয়ে যাবে। এবং এটাও মনে করি না যে, কিয়ামত হবে, আর আমি যদি আমার প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবৃত্ত হই তবে অবশ্যই আমি ইহা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট স্থান পাব। তদুত্তরে তার বন্ধু তাকে বলল: তুমি কি তাকে অস্বীকার করছ? যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মৃত্তিকা ও পরে শুক্র হতে এবং তারপর পূর্ণাঙ্গ করেছেন মানুষ্য আকৃতিতে? [সূরা কাহফ ৩৫-৩৭]

৪: প্রত্যাখ্যান করার কুফরি, এর দলীল হিসেবে আল্লাহ বলেন:

﴿ وَٱلَّذِينَ كَفَرُواْ عَمَّآ أُنذِرُواْ مُعۡرِضُونَ ٣ ﴾ [الاحقاف: ٣]

অর্থাৎ: আর যারা কাফের তাদেরকে যা থেকে সতর্ক করা হয়েছে তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। [সূরা আহকাফ ৩]

৫: নেফাকী কুফরি, এর দলীল হিসেবে আল্লাহ বলেন:

﴿ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمۡ ءَامَنُواْ ثُمَّ كَفَرُواْ فَطُبِعَ عَلَىٰ قُلُوبِهِمۡ فَهُمۡ لَا يَفۡقَهُونَ ٣ ﴾ [المنافقون: ٣]

অর্থাৎ: এটা এ জন্যে যে, তারা ঈমান আনার পর কুফরি করেছে ফলে তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেওয়া হয়েছে, পরিণামে তারা বোধশক্তি হারিয়ে ফেলেছে। [সূরা মুনাফিকূন ৩]

খ- ছোট কুফরি, এর দ্বারা ইসলাম থেকে বের হবে না। আর এটি হচ্ছে নেয়ামতের অস্বীকার বা কুফরি।

এর দলীল হিসেবে আল্লাহ বলেন:

﴿ وَضَرَبَ ٱللَّهُ مَثَلٗا قَرۡيَةٗ كَانَتۡ ءَامِنَةٗ مُّطۡمَئِنَّةٗ يَأۡتِيهَا رِزۡقُهَا رَغَدٗا مِّن كُلِّ مَكَانٖ فَكَفَرَتۡ بِأَنۡعُمِ ٱللَّهِ فَأَذَٰقَهَا ٱللَّهُ لِبَاسَ ٱلۡجُوعِ وَٱلۡخَوۡفِ بِمَا كَانُواْ يَصۡنَعُونَ ١١٢ ﴾ [النحل: ١١٢]

অর্থাৎ: আল্লাহ দৃষ্টান্ত দিয়েছেন এক জনপদের; যা ছিল নিরাপদ ও নিশ্চিত, যেখানে সর্বদিক থেকে প্রচুর জীবনোপকরণ আসতো; অতঃপর তারা আল্লাহর অনুগ্রহ অস্বীকার করল ফলে তারা যা করত তজ্জন্যে তাদেরকে আল্লাহ ক্ষুধা ও ভীতির আচ্ছাদনের স্বাদ গ্রহন করালেন। [সূরা নাহল ১১২]

তিনি আরও বলেন:

﴿إِنَّ ٱلۡإِنسَٰنَ لَظَلُومٞ كَفَّارٞ ٣٤ ﴾ [ابراهيم: ٣٤]

অর্থাৎ: নিশ্চয়ই মানুষ অতি মাত্রায় যালিম অকৃতজ্ঞ। [সূরা ইব্রাহীম ৩৪]

01/08/2025

কুফরি হলো ইসলাম ধর্মের পরিভাষায় আল্লাহ এবং তার রাসূলের প্রতি অবিশ্বাস বা অস্বীকৃতি। সহজভাবে বললে, কুফরি মানে হলো ইসলামে যা কিছু অবশ্য পালনীয়, তার প্রতি অবিশ্বাসী হওয়া বা তা অস্বীকার করা। আরবি শব্দ "কুফর" এর অর্থ হলো ঢেকে রাখা বা অস্বীকার করা। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায়, কুফরি হলো ঈমানের বিপরীত। যারা কুফরি করে তাদের কাফির বলা হয়।

ইন্না-লিল্লাহ!প্রাণীজাতীয় খেলনা কেউ ঘরে রাখবেন না। জ্বীনেরা সহজে আক্রমণ করতে পারে!কিছুদিন আগে অনলাইন থেকে ২টা পুতুল আমি...
14/07/2025

ইন্না-লিল্লাহ!
প্রাণীজাতীয় খেলনা কেউ ঘরে রাখবেন না। জ্বীনেরা সহজে আক্রমণ করতে পারে!

কিছুদিন আগে অনলাইন থেকে ২টা পুতুল আমি নেই, পুতুলগুলো দেখতে অনেক সুন্দর-তাই ভাবলাম ২ মেয়ের জন্য ২টা নেই।

যাই হোক এবার বলি আসল কথা-যেহেতু বাচ্চারা নতুন খেলনা পেলে সেটা কিছুদিন অনেক যত্নে রাখে, আমার ফাইজা-ও এই পুতুলটা নিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতো। কিন্তু যেদিন সে পুতুলটা নিয়ে ঘুমাল, সেদিন রাতেই ও ঘুমের মধ্যে হঠাৎ কান্না শুরু করে দিয়ে পুতুলটাকে ফেলে দেয়।
আর প্রচণ্ড কান্না করে আমাকে বলে-“আম্মু, পুতুলটা ফেলে দাও, পুতুল আমাকে মা-রে…”

আমি তো ভেবেছি, ছোট মানুষ-হয়তো মনের ভুল বা স্বপ্নে কিছু দেখে ভয় পেয়েছে।

কিন্তু কাল রাতের ঘটনা আর আজকে যা দেখেছি- তাতে আমি রীতিমতো অবাক!

কাল রাতেও ও ঘুম ভেঙে কাঁদছিল আর বলছিল- “মা, তুমি আর পুতুল আনিও না, আমি আর পুতুল নিবো না, পুতুলটা আমাকে খামছি দেয়…”

আজ গোসল করানোর সময় আমি ফাইজার পিঠে সেই রকম খামছির দাগ দেখি!

অরে জিজ্ঞেস করলে ও বলে-“মা, আমি তো তোমাকে বলছিলাম-পুতুল আমাকে খামছি দেয়…”
তাহলে কি আমার মেয়ে সত্যিই বলেছিল এতদিন!

⚠️ সতর্ক হোন সবাই!
যারা বাচ্চাদের পুতুলওয়ালা গেঞ্জি পরান, বা বিভিন্ন ধরনের ডল/পুতুল কিনে দেন-বারবার আপনাদের সতর্ক করছি-দয়া করে সাবধান হোন। এই লেখাটি পোস্ট শেয়ার করে অন্যদেরও সতর্ক থাকতে বলুন।

আল্লাহ আমাদের সন্তানদের হেফাজত করুন। আমিন।

-- ঈশতমার্জিত

মাত্র ৭ সপ্তাহ আগে যে জীবনের শুরু, সে এখন প্রায় ১৪ মিলিমিটার (০.৫৫ ইঞ্চি) লম্বা - একটা কফি বিনের সমান! ☕️ কিন্তু এই ক্ষু...
13/07/2025

মাত্র ৭ সপ্তাহ আগে যে জীবনের শুরু, সে এখন প্রায় ১৪ মিলিমিটার (০.৫৫ ইঞ্চি) লম্বা - একটা কফি বিনের সমান! ☕️ কিন্তু এই ক্ষুদ্র আকৃতির মধ্যেই লুকিয়ে আছে এক বিশাল পরিবর্তনের গল্প।

এই সময়ে মানব ভ্রূণ এক অবিশ্বাস্য গতিতে বেড়ে ওঠে আর এমন সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তৈরি হতে থাকে যা আমাদের অবাক করে দেয়।

সেগুলি হইলো:
১. এই সময়ে মস্তিষ্ক এতটাই দ্রুত বিকশিত হয় যে প্রতি মিনিটে প্রায় ২,৫০,০০০ নতুন কোষ তৈরি হয়! মাথার ত্বকের নিচে রক্তনালীগুলো স্পষ্ট দেখা যেতে শুরু করে, যা এই দ্রুত বর্ধনশীল মস্তিষ্কে পুষ্টি আর অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। এ যেন সৃষ্টিকর্তার এক আশ্চর্য প্রকৌশল!

২. ছোট্ট মুখমণ্ডলে দুটি নীল বিন্দুর মতো চোখ তৈরি হতে শুরু করেছে। যদিও তারা এখনো দেখার জন্য প্রস্তুত নয়, কিন্তু লেন্স, রেটিনাসহ চোখের মূল অংশগুলো ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।

৩. বাহু আর পায়ের কুঁড়িগুলো আরও লম্বা হতে শুরু করে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, হাতের শেষ প্রান্তে আঙুলগুলোও আলাদা হতে শুরু করেছে। এই ছোট্ট হাতগুলোই একদিন আপনাকে আঁকড়ে ধরবে।

৪. নাক, ঠোঁট আর কানের প্রাথমিক গঠন তৈরি হতে শুরু হওয়ায় মুখমণ্ডলে একটা আদল ফুটে উঠছে। প্রতিটি দিন তাকে একটু একটু করে একজন সম্পূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছে।

৫. পুষ্টির উৎস - ভিটেলিন স্যাক: এই পর্যায়ে ভ্রূণের পুষ্টির জন্য একটি অস্থায়ী কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কাজ করে, যার নাম ভিটেলিন স্যাক (yolk sac)। প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল পুরোপুরি তৈরি হওয়ার আগ পর্যন্ত এই থলিটিই ভ্রূণকে বাঁচিয়ে রাখার এবং বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত পুষ্টি সরবরাহ করে। মায়ের শরীরের সাথে তার প্রথম সংযোগ!

শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন মানব জীবনের এই বিস্ময়কর যাত্রার কথা! 🧬

সোর্স:
BabyCenter, March of Dimes, Cleveland Clinic, Mount Sinai Health System, Radiopaedia org

Address

Makka
Mecca

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tabiz - তাবিজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share