01/12/2025
বাবা–মার ৫টি ভুল অভ্যাস,যা ধীরে ধীরে শিশুকে বিগড়িয়ে দেয়।✅💔
আপনিও এই ভুল করছেন না তো?..একটু পড়ে দেখুন।
🚫 সব চাওয়া–পাওয়া সঙ্গে সঙ্গে পূরণ করা-
অনেক বাবা–মা মনে করেন, সন্তান কিছু চাইলে তা না দিলে সে কষ্ট পাবে। তাই সঙ্গে সঙ্গে সব কিছু দিয়ে দেন। কিন্তু এতে শিশু বুঝে নেয়— “আমি শুধু চাইবো, আর পেয়ে যাবো।” ফলে তার ভেতরে ধৈর্য হারিয়ে যায়, ‘অপেক্ষা’ বা ‘না’ শুনে সামলানোর ক্ষমতা তৈরি হয় না। জীবনে ছোট্ট কোন বাধাতেও সে রাগ, কান্না বা প্রতিক্রিয়া দিয়ে ফেলে। এর ফলে চাহিদা বেড়ে একসয় রা*ক্ষস সমান হয়, আর সেই চাহিদা আপনার সন্তানের ১২ টা বাঝায়।
🚫 ভুল করলেও বারবার এড়িয়ে যাওয়া
শিশু ভুল করতেই পারে—এটা স্বাভাবিক। কিন্তু যখন বারবার কোনো ভুলকে গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া হয়, তখন সে বুঝতে পারে না যে কাজের পরিণতি আছে। বরং তার মনে হয়— “আমি যা-ই করি, ঠিকই আছে।” এতে সঠিক–ভুলের বোধ দুর্বল হয়ে যায়, এবং আচরণে দায়িত্ববোধ তৈরি হয় না। আস্তে আস্তে ছোট ভুল গুলোই, বর বেয়াদবি তে পরিনত হয়ে যায়।
🚫 অতিরিক্ত আদর দিয়ে নিয়ম ভাঙতে দেওয়া
ভালোবাসা দরকার, কিন্তু সীমাহীন ছাড় দিলে তা আদর না হয়ে ক্ষ*তি হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় বাবা–মা বলেন, “ও ছোট, ওকে একটু ছাড় দেই।” কিন্তু বাচ্চা ছোট বলেই নিয়ম শেখানো সবচেয়ে জরুরি। যখন সে নিয়ম মানতে শেখে না, তখন বড় হয়ে সামাজিক নিয়ম, শোনার ক্ষমতা বা সীমা–বোধ তৈরি হয় না। যার ফলে তৈরি হয় ধৈর্য্যহীন বেয়ারা এক মানুষে।
🚫বাচ্চার সামনে ঝগড়া–চিৎকার করা
শিশুর মস্তিষ্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল। বাবা–মায়ের ঝগড়া, উচ্চস্বরে কথা বলা বা নেতিবাচক পরিবেশ তার ভেতরে ভয়, অনিরাপত্তা ও অস্থিরতা তৈরি করে। বাইরে থেকে শিশু চুপচাপ থাকলেও, ভেতরে সে অস্থির হয়ে ওঠে। এই অস্থিরতাই পরবর্তীতে আচরণে রাগ, জেদ বা অকারণে কান্না হিসেবে প্রকাশ পায়। ব্রোকেন পরিবারের সন্তানদের খুব কম দেখা গেছে ভালো হতে। maximum ডিপ্রেশনে ভোগে। বাবা-মার ভুল আজীবন তারা বয়ে বেরায়।
🚫 মোবাইল/স্ক্রিন দিয়ে শান্ত রাখা
বাচ্চা যখন বিরক্ত হয় বা কাঁদে, তখন অনেক সময় দ্রুত শান্ত করতে স্ক্রিন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এটি সাময়িকভাবে সমস্যার সমাধান করলেও, দীর্ঘমেয়াদে শিশুর self-control নষ্ট করে। সে নিজের অনুভূতি নিজে ম্যানেজ করতে শেখে না। সামান্য বিরক্তি, অপেক্ষা বা না–পাওয়া হলেই রেগে যাওয়া—এগুলো স্ক্রিন-ডিপেন্ডেন্ট শিশুদের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এই এক যন্ত্র শিশু থেকে শুরু করে, তার টিনএজ ও এডাল্টহুডেও বিশাল পরিবর্তন আনে। এককথায়। ধ্বং*স করে দেবার জন্য যথেষ্ট। ইমোশন ম্যানেজমেন্টযে কতটা জরুরি তা বলে বোঝাবার না।
দয়া করে বাচ্চাকে স্ক্রীন ফ্রী রাখুন ।💐