A Temporary passenger

A Temporary passenger I want to be a bee to gather knowledge.

কারো কলিজা ছেঁড়া সম্পদ নিয়ে আমি ভাগ্যবতী হতে চাইনা! যে পুরুষকে পাওয়ার জন্য কোনো নারী জায়নামাজে চিৎকার দিয়ে কেদেছিল সে পু...
08/06/2026

কারো কলিজা ছেঁড়া সম্পদ নিয়ে আমি ভাগ্যবতী হতে চাইনা! যে পুরুষকে পাওয়ার জন্য কোনো নারী জায়নামাজে চিৎকার দিয়ে কেদেছিল সে পুরুষ আমার জীবন সঙ্গী না হোক!

এমন পুরুষ কখনো চাইনা যার অন্য কোনো মেয়ের কান্নার অ*ভিশা*প স্বরূপ হয়ে আমার জীবনে আসে! কারণ মন ভাঙার মতো কষ্ট আর কিছু নেই!

হে রব!
আমার দ্বারা কেউ যেমন ঠকেনি, প্রতারিত হয়নি, কারো মিথ্যা আশ্বাস এর কারন হইনি, কষ্ট পেয়েছি তবু কাউকে কষ্ট দিইনি! আপনি আমার মতো আমার জীবন সঙ্গী দান করুন আমাকে ! নিশ্চই আপনি উত্তম থেকেও উত্তম পরিকল্পনাকারী.!'🤍🤲
অবিনশ্বর ©️

"প্রতি মাসে স্ত্রীকে কিছু হাত খরচ দিবে এবং পরে ঐ টাকার কোনো হিসাব নিবেনা।জিজ্ঞাসাও করবে না কোথায় খরচ করেছে।আল্লাহ তাআলা ...
06/06/2026

"প্রতি মাসে স্ত্রীকে কিছু হাত খরচ দিবে এবং পরে ঐ টাকার কোনো হিসাব নিবেনা।
জিজ্ঞাসাও করবে না কোথায় খরচ করেছে।
আল্লাহ তাআলা যার যতটুকু সামর্থ্য দিয়েছেন সেই হিসাবে স্ত্রীর জন্য একটা মাসিক পরিমান নির্ধারণ করে নেবে। আর তাকে বলে দিবে তোমার যে কাজে ইচ্ছা খরচ কর।আমি এ ব্যাপারে কোনো হিসাব চাইব না। ”

(কথাগুলো মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহ. কামালাতে আশরাফিয়া কিতাবে লিখেছেন।)

এই মাসিক পকেট খরচ স্ত্রীর হক।
কারন সে ঘরে থাকে,উপার্জন করতে পারেনা।
যখন ভাই বোন আসে তাদেরকে কিছু হাদিয়া দিতে মন চাইতে পারে।
যদি স্ত্রীর নিকট কিছুই না থাকে তবে সে কোথা থেকে দেবে? তারও মন চাইতে পারে মাঝেমাঝে স্বামীকে কিছু দিতে বা গোপনে কিছু পরিমান সাদাকা করতে।

সে আপনার জীবনসঙ্গীনি।
আপনার দরজার বাইরে যেতে পারেনা।
সে জীবন ভরে আপনার সঙ্গ দিচ্ছে,তার সুখ শান্তি আবেগ অনুরাগের খেয়াল রাখা আপনার কর্তব্য।

- মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন

সংগৃহীত.

আমার হৃদয় ক্ষতগুলোকে এত যত্ন সহকারে আগলে রেখেছে যে, মাঝে মাঝে আমার মনে হয়— যদি তাকে কখনো মুহাব্বাতের খুশবু এনে দেওয়া ...
06/06/2026

আমার হৃদয় ক্ষতগুলোকে এত যত্ন সহকারে আগলে রেখেছে যে, মাঝে মাঝে আমার মনে হয়— যদি তাকে কখনো মুহাব্বাতের খুশবু এনে দেওয়া হয়, তাহলে সে কি করবে!

মানুষ তোমার পাশে কেবল ততক্ষণই থাকে, যতক্ষণ না তারা অন্য কারও খোঁজ পায়!

মানুষকে কষ্ট দেওয়া এমনিতেই গুনাহের কাজ, আর যদি এমন কিছুর জন্য কষ্ট দেওয়া হয়, যেটিতে তার কোনো হাত নেই, তবে, সেটি আরও ভয়াব...
05/06/2026

মানুষকে কষ্ট দেওয়া এমনিতেই গুনাহের কাজ, আর যদি এমন কিছুর জন্য কষ্ট দেওয়া হয়, যেটিতে তার কোনো হাত নেই, তবে, সেটি আরও ভয়াবহ।
চেহারার সৌন্দর্য, গায়ের কালার, বডি স্ট্রাকচার এগুলো নিতান্তই আল্লাহপ্রদত্ত। এগুলোতে কারও হাত থাকে না। অথচ আমরা প্রায়ই মানুষের শারীরিক ত্রুটি বা সৌন্দর্য নিয়ে কটাক্ষ করি, সমালোচনা করি। যেমন: কারও মাথার চুল পড়ে গেছে, আমরা তাকে ‘টাকলু’ বলে কটাক্ষ করে মজা নিই। কারও গায়ের রঙ কালো হলে তাকে ‘কাইল্যা’, ‘উগান্ডা’, ‘নাইজেরিয়া’ ইত্যাদি বলি। এগুলো বড় ধরনের জুলুম।
প্রতিটি মানুষের কিছু আবেগের জায়গা থাকে। এগুলোতে আঘাত করে অন্যায়ভাবে তাকে কষ্ট দেওয়ার পরিণতি খুব খারাপ হয়। যে ত্রুটিতে ব্যক্তির কোনো দায় নেই, তাকে সেটার জন্য তিরস্কার করা, কষ্ট দেওয়া বা কটাক্ষ করার মতো অমানুষী আর হতে পারে না। এ ধরনের জুলুম কেউ করবেন না।
মজলুমের বদ-দু‘আ থেকে জালিমের কোনো রেহাই নেই। আজ হোক কাল হোক, সেটা তাকে সাফার করতেই হবে। অনেক জালিম সেটা উপলব্ধি করতে পারে না। 🌸
Eid 3rd Day

পরিচিত এক মেয়ের মোহরানা ছিল ৩ লাখ৷ শুনে অবাকই হয়েছিলাম, কারণ তার স্বামীর ব্যাপারে যতদূর জেনেছিলাম - ছেলেটা নিম্নবিত্ত পর...
05/06/2026

পরিচিত এক মেয়ের মোহরানা ছিল ৩ লাখ৷ শুনে অবাকই হয়েছিলাম, কারণ তার স্বামীর ব্যাপারে যতদূর জেনেছিলাম - ছেলেটা নিম্নবিত্ত পরিবারের, পড়াশোনাও বেশি করেনি। সব মিলিয়ে মাহর আরও কম হলেও কারও কোনো সমস্যা ছিল না, যেহেতু ছেলের স্বভাব-চরিত্র ভালো। কিন্তু সে ছেলে মাহর দিতে একদমই কার্পণ্য করেনি, নিজের সেরাটা দিয়েছে। শুনেছিলাম, ৩ লাখ টাকা সে খুব কষ্ট করে উপার্জন করে জমিয়েছিল এবং তার স্ত্রীও তাতে বেশ খুশি।

এটাই মূলত দেনমোহরের ভিত্তি যে, এমন পরিমাণ মাহর দিতে হবে যাতে মেয়ে সন্তুষ্ট হয়। রেফারেন্স দিচ্ছি, মন দিয়ে শুনুন:

وَآتُوا النِّسَاءَ صَدُقَاتِهِنَّ نِحْلَةً ۚ
"আর তোমরা নারীদেরকে তাদের মাহর সন্তুষ্টচিত্তে (নিহলাতান) দিয়ে দাও।" [সূরা নিসা: ০৪]
এই আয়াত বুঝতে হলে ক্লাসিক্যাল স্কলারগণের ব্যাখ্যা শুনতে হবে। যেমন:

১. এখানে নিহলাতান মানে মেয়ের সন্তুষ্টির ব্যাপারে জোর দেওয়া হয়েছে; মেয়ের সৌন্দর্য, শিক্ষা বা বাবার সম্পদ কিচ্ছু না। এই আয়াত প্রমাণ করে যে, মেয়েকে চাপ দিয়ে বা লজ্জা দিয়ে কম মাহর নিতে বাধ্য করা জায়েজ নয়। মাহর নির্ধারণে মেয়ের ইচ্ছা ও সন্তুষ্টি প্রাধান্য পাবে। [ইমাম জাসসাস (আহকামুল কুরআন)]

২. মাহর নির্ধারণে মেয়ের ইচ্ছা ও সম্মানই প্রধান। বাবার অবস্থা এর মানদণ্ড নয়। [ফাতাওয়া আলমগীরী (হানাফি ফতোয়া সংকলন)]

উম্মে হাবিবা (রা.) এর বাবা কাফির ছিলেন এবং তিনি নিজে ছিলেন বিধবা ও অসহায়। সেই অবস্থাতেই রাসূল (ﷺ) তাঁকে উচ্চ মাহর দিয়েছিলেন। [সিয়ারু আ'লাম আন-নুবালা, তাবাকাত ইবনে সা'দ]

৩. মাহর মেয়ের ব্যক্তিগত হক্ব। এটা নির্ধারণে তার সন্তুষ্টি প্রাধান্য পাবে। এটা কোনো পণ্যের মূল্য নয় যে তার গুণাগুণের ভিত্তিতে হিসাব করা হবে। [রদ্দুল মুহতার (ইবন আবেদীন, হানাফি)]

৪. ইমাম কুরতুবী (রহ.) এর তাফসির অনুযায়ী, নিহলাতান মানে প্রতিদানের আশা ছাড়াই উপহার। অর্থাৎ মাহর এমনভাবে দিতে হবে যেন মেয়ে মনে করে এটা তার প্রাপ্য অধিকার এবং তাকে খুশি করে দেওয়া হয়েছে।

সুতরাং, কোনো পণ্যের যেমন গুণাগুণ বা খুঁত দেখে দাম নির্ধারণ করা হয়, নারীর ক্ষেত্রে বিষয়টি তেমন নয়। নারীর রূপ, গুণ বা বংশমর্যাদাকে পণ্যের মতো পরিমাপ করে মাহরের মূল্য ধরার বিধান ইসলামে নেই। এছাড়া সৌন্দর্য বা ভার্জিনিটির মূল্য হিসেবে মাহর নির্ধারণের ব্যাপারে কোনো দলিল পাওয়া যায়নি। রাসূল (ﷺ) কখনো কোনো মেয়েকে তার মাহরে সন্তুষ্ট না হয়ে বিয়ে করতে বাধ্য করেননি।

কাজেই যারা বলে, পুরুষ যেভাবে সন্তুষ্ট হয় সেভাবে মাহর নিতে হবে, তারা আয়াতের স্পষ্ট অর্থ বিকৃত করছে। মেয়েকে চাপ দিয়ে, লজ্জা দিয়ে, 'বাবা গরীব' বলে বা 'লোভী' বলে কম মাহর নিতে বাধ্য করা সরাসরি সূরা নিসার আয়াতের বিরোধিতা। কারণ ইমাম কুরতুবী (রহ.), ইবন কাসীর (রহ.), ইমাম জাসসাস (রহ.) সকলেই একমত যে, এই শব্দটি পুরুষের উপর দায়িত্ব চাপিয়ে দিচ্ছে, তুমি এমন মাহর দাও যাতে মেয়ে সন্তুষ্ট হয়। এটা পুরুষের সন্তুষ্টির কথা বলছে না, বলছে মেয়ের সন্তুষ্টির কথা। কারণ মাহর হলো মেয়ের হক্ব, পুরুষের দয়া নয়।

সত্যি বলতে এমন দায়িত্বশীল ছেলেও চারপাশে অনেক, যারা স্ত্রীর মাহর ও ভরণপোষণে কৃপণতা করে না। বরং সামর্থ্য বাড়লে স্ত্রীর প্রতি ব্যয়ও বাড়িয়ে দেয়। সুন্নাহ এটাই। রসূলুল্লহ (ﷺ) দারিদ্র্যতার সময়েও স্ত্রীদের ১২ উকিয়া মাহর দিয়েছেন। দেখবেন, কিছু লোক এমনভাবে '১২ উকিয়া' উল্লেখ করবে যেন সেটা খুব কম মাহর, অথচ সেই সময় বেশ সম্মানজনক পরিমাণ মাহর ছিল এটা এবং বর্তমানেও রূপার হিসেবে এটা প্রায় ৭ লাখের মতো। আবার, সামর্থ্য বাড়লে রাসূল (ﷺ) ৪০০০ দিরহামও দিয়েছেন উম্মে হাবিবা (রা.)কে, যেটার পরিমাণ আজকের হিসেবে কোটি টাকার বেশি। [তাবাকাতে ইবনে সাদ: ৮/৬৯]

আলী (রা.) স্ত্রীর মাহর দেওয়ার জন্য নিজের মূল্যবান সম্পদ বর্ম বিক্রি পর্যন্ত করে দিয়েছেন। [সুনান আন-নাসায়ী: ৩৩৭৭ (কিতাবুন নিক্বাহ)]

অন্যান্য নবী-রাসূলের জীবনীতেও দেখি, মূসা (আ.) দশ বছর শ্বশুর বাড়িতে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেছেন স্ত্রীর মাহর পরিশোধের জন্য। [সূরা ক্বাসাস: ২৫-২৮]

ইয়াকূব (আ.) স্ত্রীর মোহরানা পরিশোধের জন্য সাত বছর শ্বশুর বাড়িতে মেষ চড়িয়েছেন। এমনকি আমাদের সবচেয়ে কঠোর খলিফা উমার (রা.)-এর পুত্রবধুকে ৪০০ দিরহাম মোহরানা দেওয়ার কথা হলে তিনি সেটা মেনে নেন না, এজন্য তা বাড়িয়ে মোট ৬০০ দিরহাম দেয়া হয়। (তাবাকাতে ইবনে সা’দ: ৪/১২৪, সিয়ারু আলামিন নুবালা: ৩/২৩৮)[তাবাকাতে ইবনে সাদ: ৮/৬৯]

খেয়াল করুন, উমার (রা.) এর ছেলের পক্ষ থেকে মাহর কমানোর জন্য বলা হয়নি, বরং মেয়ের সন্তুষ্টিকে গুরুত্ব দিয়ে মাহর বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নবী-রাসূল ও সাহাবায়ে কেরাম এভাবেই মোহরানাকে সম্মান করতেন। এগুলোই পুরুষত্বের চিহ্ন। আর কৃপণতা হলো মেয়েলি স্বভাবের পুরুষের বৈশিষ্ট্য। মাহর নিয়ে যারা মেয়েদের অপমান করে, তারা মূলত আল্লহ্ সুব'হানাহু ওয়া তা'আলার বিধানকেই অপমান করে। তারা চায়, মেয়ে যেন নিজের হক্ব চাওয়াকে পাপ বা লোভ মনে করে চুপ করে যাক। এজন্য আমি সবসময় বলি, পয়সাওয়ালা ছোটলোক ও দুশ্চরিত্র পুরুষের চেয়ে সেই গরীব দিনমজুর উত্তম, যে স্ত্রী-সন্তানের পেছনে হাতখুলে খরচ করতে ভালোবাসে।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার মাথায় রাখবেন, মুসলিম সমাজে দা*জ্জা'লি ফেমিনিস্ট এজেন্ডা সবসময় জিন্স-টিশার্ট পরে কিংবা রকস্টার হয়ে আসে না, অনেক সময় আসে দ্বীনের লেবাসে। মাহর কমানো, ভরণপোষণ ঠিকমতো না দেওয়া আর সবর করো বলে নারীকে তার শরঈ হক থেকে বঞ্চিত করার ন্যারেটিভ তৈরি করা - এগুলোই ওয়েস্টার্ন ফেমিনিজমের সবচেয়ে সূক্ষ্ম ফাঁদ। কারণ মেয়েরা যখন ঘরে নিরাপত্তা ও সম্মান পায় না, তখন বাইরে উপার্জনে বাধ্য হয়, আর ঠিক তখনই সেই ওয়েস্টার্ন এজেন্ডা সফল! মানে বুঝতে পারছেন?

অর্থাৎ যারা ইসলামের নামে মেয়েদের হক্ব কমাচ্ছে, সাহাবায়ে কেরামের দেওয়া সম্মানজনক মাহর কিংবা ভরণপোষণের দলিল গোপন করছে, তারা আসলে ইসলামের শ'ত্রুদের সেবা করছে, সেই ওয়েস্টার্ন এজেন্ডার সেবা করছে, যারা একজন পুরুষের স্যালারি দিয়ে তিনজন নারীকে শ্রমবাজারে নামিয়ে মুনাফা তুলতে চায়। তাদের জন্যই মুসলিম নারীর ঘরে অনিরাপত্তা থাকা জরুরি।

সুতরাং ইসলাম মেয়েদের আর্থিক সুরক্ষা দিয়েছে স্বামী, বাবা বা ভাইয়ের মাধ্যমে, এই জিনিস যারা মানতে নারাজ এবং যারা মেয়েদের শরঈ হক্বের কথা শুনলেই অসন্তোষ নিয়ে তেড়ে আসে, তাদের অবশ্যই সন্দেহের তালিকায় রাখুন। দ্বীনের লেবাস থাকলেও এরা মূলত দ্বীনের শত্রু।

০২. ০৬. ২০২৬

কলমে- Sheikh Zannat Mim

Are we living purposeful life.? What is the meaning of life.?  Why Allah SWT sent us to this universe?  Have we aksed th...
02/06/2026

Are we living purposeful life.?
What is the meaning of life.?
Why Allah SWT sent us to this universe?
Have we aksed these questions?

We need to find out the answer of these questions.

Live a purposeful life. Help others. Perform salah five times a day and be ready for afterlife.

01/06/2026

- মেয়েরা কাঁদে!কখনো নিজের জন্য! কখনো মা বাবার জন্য! কখনো ভাই বোনের জন্য!কারণে অকারণে কাঁদে! কখনো ছেড়ে যাওয়া প্রিয় মানুষে...
01/06/2026

- মেয়েরা কাঁদে!
কখনো নিজের জন্য! কখনো মা বাবার জন্য! কখনো ভাই বোনের জন্য!কারণে অকারণে কাঁদে! কখনো ছেড়ে যাওয়া প্রিয় মানুষের জন্য!🌸🖤

কখনো নিজের বাড়ির জন্য! কখনো ছেড়ে আসা প্রিয় মানুষের জন্য! কখনো নিজের সাঁজানো চার দেয়ালের ছোট্ট রুমটার জন্য! কখনো নিজের আত্মসম্মান রক্ষার জন্য। 😔

মেয়েদের জীবনটা ভাসমান নৌকার মতো...কোথাও স্থায়ী ভাবে থাকে না। কখনো বা বাবার বাড়িতে... কখনো শশুর বাড়িতে... কখনো বৃদ্ধ বয়সে সন্তানের বাড়িতে... জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে শেষ অবধি জায়গা হয় অন্ধকার ঘরে।🖤

মেয়েদের সারাজীবন উৎসর্গ করে যেতে হয়।মেয়েদের জীবনে কোনো কিছুই ফিক্সড হয়না। তারপরও মেয়েদের কখনো জানা হয়না কোন বাড়িটা তাদের জন্য নির্দিষ্ট! কোন বাড়ি টা তার নিজের!কোন পরিবারের নির্দিষ্ট মেম্বার সে!🌺

তারপরও মেয়েরা চারিপাশ সামলিয়ে বেঁচে থাকে। কখনো মূল্য পেয়ে আবার কখনো মূল্যহীন হয়ে। । নিজের জন্য; নিজের প্রিয় মানুষগুলোর ভালোর জন্য! মেয়েরা ভালো থাকতে চায়! শান্তিতে বাঁচতে চায়।💞
©️

01/06/2026

💔🙂

01/06/2026

একমাত্র বোন বলে কথা...

Address

Makkah

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A Temporary passenger posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share