Jahangir Alam

Jahangir Alam আজকের এই সমাজে শিক্ষিত মানুষের অভাব নেই। কিন্তু শিক্ষিত বিবেকবান মানুষের বড্ড অভাব।
(1)

Permanently closed.
তরুণ শুভেন্দু নীলগিরি পাহাড়ের সবচেয়ে উঁচু চূড়ায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখতো। সে পাহাড়ের প্রতি আকৃষ্ট ছিল ছোটবেলা থেকেই। তার কাছে...
11/08/2026

তরুণ শুভেন্দু নীলগিরি পাহাড়ের সবচেয়ে উঁচু চূড়ায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখতো। সে পাহাড়ের প্রতি আকৃষ্ট ছিল ছোটবেলা থেকেই। তার কাছে মনে হতো উঁচু পাহাড় যেমন আমাদের সাহস আর ধৈর্য শিখিয়ে দেয়, তেমনি মানুষের জীবনে আসা বাধারও একটা শিক্ষা থাকে। শুভেন্দু ঠিক করলো সে একদিন নীলগিরির সেই উঁচু চূড়ায় দাঁড়াবে।
​কয়েকদিনের প্রস্তুতি শেষে শুভেন্দু তার যাত্রা শুরু করলো। শুরুতে সব কিছু খুবই সুন্দর আর সহজ মনে হচ্ছিল। তবে, যেমনটা সে ভেবেছিলো তেমনই সহজে কি আর সব হয়! যাত্রার প্রথম দিকেই একটা খাদের সামনে সে থমকে দাঁড়ালো। শুভেন্দু ভয় পেয়ে গেলো। কিন্তু, সে জানতো পাহাড় যেমন উঁচু হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে তেমনি বাধারও একটা উচ্চতা থাকে, আর সেটাই আমাদের পার করতে হয়। শুভেন্দু সাহস সঞ্চয় করে লাফ দিয়ে খাদটা পার করলো।
​যাত্রার পরের পথে একটা নদী আসলো। নদীটা বিশাল আর ঢেউও বেশ চঞ্চল ছিল। শুভেন্দু আবারও ভয়ে থমকে দাঁড়ালো। তবে সে মনে মনে ভাবলো নদীর বয়ে যাওয়ার গতি যেমন থাকে তেমনি আমাদের জীবনের গতিও থামতে দেয় না কোনো বাধা। সে একটি বিশাল গাছের গুঁড়িতে ধরে নদীটা পার করলো।
​পরের পথে একটা জঙ্গল পড়লো। শুভেন্দু জঙ্গলের মাঝখানে হারিয়ে গেলো। সে পথ খুঁজে পাচ্ছিল না। তবে, সে মনে মনে ভাবলো জঙ্গল যেমন ঘন হয়ে থাকে তেমনি বাধারও একটা ঘনত্ব থাকে, আর সেটাই আমাদের পার করতে হয়। সে আকাশের দিকে তাকিয়ে একটা তারা খুঁজে নিলো আর তারাকেই নিজের দিশা মেনে পথ খুঁজে নিলো।
​অবশেষে শুভেন্দু নীলগিরির চূড়ায় দাঁড়ালো। তার চারদিকে ছিল শুধু বরফের চাদর আর আকাশ। শুভেন্দু আকাশের দিকে তাকিয়ে হাসলো। সে বুঝতে পারলো জীবনের পথে আসা প্রতিটি বাধাই তার সাহসের পরীক্ষা নিয়েছিল। আর সে যে সেই পরীক্ষায় সফল হয়েছে সেটাই তার সবচেয়ে বড় অর্জন। শুভেন্দু নীলগিরির চূড়ায় দাঁড়িয়ে অনুভব করলো পাহাড়ের যেমন উচ্চতা থাকে, তেমনি মানুষের মনেরও একটা উচ্চতা থাকে, আর সেটাই আমাদের বাধারও উঁচুতে তুলে দেয়।
​গল্পের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাওয়া যায়, মানুষের জীবনে বাধা একটা শিক্ষা। প্রতিটি বাধাই আমাদের সাহসী আর ধৈর্যশীল করে তোলে। বাধার সম্মুখীন হয়ে ভয় পাওয়া স্বাভাবিক, তবে সে বাধার ওপর উঠতে পারার সাহসি পদক্ষেপই হলো জীবনের বড় অর্জন। শুভেন্দুর মতো আমাদেরও জীবনের প্রতিটি বাধাকে সাহসী হয়ে মোকাবেলা করতে হবে আর বাধার ওপরে উঠার পথে অবিচল থাকতে হবে। নীলগিরির উচ্চতা যেমন শুভেন্দুর সাহসের প্রতীক ছিল, তেমনি জীবনের প্রতিটি বাধার ওপর ওঠা আমাদের সাহসেরই একটা প্রতীক। শুভেন্দুর নীলগিরির পথে যেমন খাদ, নদী আর জঙ্গল ছিল, তেমনি আমাদের জীবনের পথেও আসবে নানা রকমের বাধা। কিন্তু, প্রতিটি বাধার ওপরে উঠতে পারার পর শুভেন্দুর মতো আমাদেরও মনে হবে আমরা নীলগিরির চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছি আর আমাদের চারদিকে শুধু বরফের চাদর আর আকাশ।"

গল্পটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না Dulal Das

11/08/2026

শত ব্যস্ততার মাঝে তিন বন্ধু একসাথে আড্ডা খানা-পিনা।

#প্রবাসীদের #আড্ডা

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা 'আফুউউ তূহিব্বুল 'আফওয়া ফা'ফু 'আন্নি। হে ক্ষমাশীল আল্লাহ, তুমি আমার সকল গোনাহ ক্ষমা করে দাও এবং তোম...
10/08/2026

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা 'আফুউউ তূহিব্বুল 'আফওয়া ফা'ফু 'আন্নি। হে ক্ষমাশীল আল্লাহ, তুমি আমার সকল গোনাহ ক্ষমা করে দাও এবং তোমার দ্বীনের পথে চলার জন্য শক্তি দাও। পৃথিবীর সকল মুসলিম ভাই-বোনকে কাবা শরীফ দেখার সৌভাগ্য দান করো। আমিন।"

#মক্কা #মদিনা #সৌদি #আরাবিয়া

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।​গভীর অনুতাপ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি যে, আমার পরম শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় দুই বন্ধ...
10/08/2026

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
​গভীর অনুতাপ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি যে, আমার পরম শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় দুই বন্ধু আব্দুর রহিম এবং জাহাঙ্গীর আলম-এর পূজনীয় পিতা আজ না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন।
​(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
​চাচার এই আকস্মিক প্রস্থানে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। পরম করুণাময় মহান আল্লাহর দরবারে আকুল প্রার্থনা—তিনি যেন চাচার জীবনের সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মেহমান হিসেবে কবুল করে নেন।
​আল্লাহ তাআলা আমার প্রিয় বন্ধুদের পরিবার ও শোকসন্তপ্ত সকল স্বজনকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার এবং ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করুন।
​আমিন।
​আমার বন্ধু ও তাদের পরিবারের এই কঠিন সময়ে আপনারা সবাই চাচার বিদেহী আত্মার মাগফিরাতের জন্য খাস দিলে দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন উনাকে জান্নাতবাসী করেন।

09/08/2026

পরোটা আর মাংসের দারুণ জুড়ি! 🥐🍖
ফারুক ভাইয়ের নতুন দোকানে চলে এলাম আজকের স্পেশাল নাস্তা জমিয়ে উপভোগ করতে। মাত্র ২ রিয়ালে পরোটা ও ডাল ভাজির এমন চমৎকার কম্বো মিস করা অসম্ভব!
মোতাবির রোড সংলগ্ন (বেলাং কেটের দোকানের সাথে) ফারুক ভাইয়ের নতুন দোকানে আপনারাও চলে আসুন, সবাইকে আমন্ত্রণ! 🙌
বিস্তারিত জানতে কল করুন মোবাইল :
+966557093101

সৌদি আরবের রিয়াদে সোফার কারখানায় আগুন, লেগে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু!ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাইহি রাজিউন।
09/08/2026

সৌদি আরবের রিয়াদে সোফার কারখানায় আগুন, লেগে
১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু!
ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাইহি রাজিউন।

পৃথিবীতে কেউ ১০০% সৎ বা নিখুঁত নয়। আমরা সবাই ভুল করি। আমি জানি আমি আপনার সবকিছুতে আপনার মতো হতে পারব না, কিন্তু এর মানে...
09/08/2026

পৃথিবীতে কেউ ১০০% সৎ বা নিখুঁত নয়। আমরা সবাই ভুল করি। আমি জানি আমি আপনার সবকিছুতে আপনার মতো হতে পারব না, কিন্তু এর মানে এই নয় যে আমি আপনাকে ভালোবাসি না।
​আপনার যেমন নিজের পছন্দ-অপছন্দের স্বাধীনতা আছে, আমারও তেমনই আছে। হয়তো আমার কোনো কাজ আপনার ভালো লাগেনি, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমি খারাপ।
​আমি জানি আমারও ভুল হতে পারে, অনেক সিদ্ধান্ত ঠিক নাও হতে পারে। যদি আমার কারণে আপনি কষ্ট পান, তাহলে আমাকে মাফ করে দেবেন।
​আপনার কাছে কোনো ভালো উপদেশ থাকলে, আমাকে অবশ্যই জানাবেন। আমি নিজেকে ভালো করতে চাই।
​এই ছোট জীবনে সবাই মিলেমিশে ভালোবাসার সাথে থাকতে চাই।

ইনসাফ ও আমানতদারীর এক অমর উপাখ্যান​একদিন আমিরুল মুমিনীন হযরত ওমর (রাঃ)-এর বিচারসভায় দুই যুবক এক বদুঈনকে টেনে নিয়ে এসে আর...
09/08/2026

ইনসাফ ও আমানতদারীর এক অমর উপাখ্যান
​একদিন আমিরুল মুমিনীন হযরত ওমর (রাঃ)-এর বিচারসভায় দুই যুবক এক বদুঈনকে টেনে নিয়ে এসে আরজ করলো—
​"হে আমিরুল মুমিনীন! এই ব্যক্তি আমাদের পিতাকে হত্যা করেছে। আমরা এর ন্যায়বিচার চাই, প্রাণের বদলে প্রাণ চাই।"
​খলিফা ওমর (রাঃ) আসামী বদুঈন যুবকের দিকে তাকালেন। যুবকটি বিনয়ের সাথে স্বীকার করে বললো—
​"জনাব, অভিযোগ সত্য। তবে আমি তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মারিনি। আমার প্রিয় উটটি তাদের বাগানের গাছের পাতা খেয়ে ফেলায় বৃদ্ধ লোকটি পাথর মেরে উটটিকে হত্যা করেন। চোখের সামনে প্রিয় পশুর মৃত্যু দেখে আমি রাগে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি। ক্ষোভের মাথায় আমিও একটি পাথর ছুড়ে মারি, যা দুর্ভাগ্যবশত বৃদ্ধের মাথায় লাগে এবং তিনি মারা যান। আমি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে হত্যা করতে চাইনি।"
​হযরত ওমর (রাঃ) অত্যন্ত গম্ভীর কণ্ঠে বললেন—
​"তুমি ইচ্ছে করে মারো বা না মারো, অপরাধ তো সংঘটিত হয়েছে। ইসলামের বিধান (কিসাস) অনুযায়ী তোমাকে মৃত্যুদণ্ড গ্রহণ করতেই হবে।"
​ইসলামের বিধান শুনে যুবকটি মাথা নত করে মেনে নিল, কিন্তু একটি বিশেষ আরজি পেশ করলো—
​"হে আমিরুল মুমিনীন, ইসলামী বিধান অনুযায়ী প্রাপ্ত এই শাস্তি আমি মাথা পেতে নিচ্ছি। তবে আমাকে মাত্র তিন দিনের সময় দিন। এক এতিম শিশুর কিছু আমানত আমার কাছে গচ্ছিত আছে। আমি গ্রামে গিয়ে সেই আমানতটি বুঝিয়ে দিয়ে আসতে চাই। তা না হলে হাশরের ময়দানে আমাকে আমানত খেয়ানতের দায়ে অপরাধী হতে হবে। দয়া করে আমাকে এইটুকু সুযোগ দিন।"
​হযরত ওমর (রাঃ) বললেন—
​"তোমাকে সময় দেওয়া যেতে পারে, তবে শর্ত হলো দরবারের কাউকে তোমার জামিনদার হতে হবে। তুমি যদি তিন দিনের মধ্যে ফিরে না আসো, তবে তোমার বদলে সেই জামিনদারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।"
​উপস্থিত সবাই নিস্তব্ধ। সম্পূর্ণ অচেনা এক গ্রাম্য যুবকের প্রাণের বিনিময়ে কে নিজের জীবন বাজি রাখবে? ঠিক তখন দরবারের প্রবীণ ও মহান সাহাবী হযরত আবু জর গিফারী (রাঃ) সামনে এগিয়ে এলেন এবং দৃঢ় কণ্ঠে বললেন—
​"হে আমিরুল মুমিনীন! আমি এই যুবকের জামিনদার হবো। ও যদি ফিরে না আসে, তবে আপনি ওর বদলে আমাকেই শাস্তি দেবেন।"
​সবাই স্তম্ভিত হয়ে গেল! হযরত আবু জর গিফারী (রাঃ)-এর মতো সম্মানিত সাহাবী একজন অচেনা যুবকের জন্য নিজের জীবন বিপন্ন করে ফেললেন।
​অপেক্ষা ও সত্যবাদিতার চূড়ান্ত পরীক্ষা
​নির্ধারিত তিন দিন শেষ হতে চললো। তৃতীয় দিন আসরের নামাজের পর পুরো দরবারে থমথমে পরিবেশ। যুবকটি এখনও ফেরেনি। চুক্তি অনুযায়ী হযরত আবু জর গিফারী (রাঃ)-কে জল্লাদের মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। উপস্থিত সকলেই পরম শ্রদ্ধেয় সাহাবীর জন্য আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করছেন।
​ঠিক এমন সময় ধূলিঝড় উড়িয়ে দূর থেকে এক অবয়বকে ছুটে আসতে দেখা গেল। ক্লান্ত, শ্রান্ত ও রক্তাক্ত অবস্থায় দরবারে এসে আছড়ে পড়লো সেই বদুঈন যুবক!
​সবাই বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গেল। হযরত ওমর (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন—
​"তুমি তো পালিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচাতে পারতে! কেন ফিরে এলে?"
​যুবকটি হাঁপাতে হাঁপাতে উত্তর দিল—
​"আমি ফিরে এসেছি যেন পৃথিবীর মানুষ কখনো বলতে না পারে—‘মুসলিম সমাজ থেকে ওয়াদা রক্ষার মূল্য হারিয়ে গেছে!’"
​খলিফা ওমর (রাঃ) এবার হযরত আবু জর গিফারী (রাঃ)-এর দিকে ফিরে জিজ্ঞেস করলেন—
​"হে আবু জর! তুমি এই অচেনা লোকটির জামিনদার কেন হয়েছিলে?"
​আবু জর (রাঃ) মুচকি হেসে বললেন—
​"আমি জামিনদার হয়েছিলাম যেন কেউ কোনোদিন বলতে না পারে—‘মুসলিম সমাজ থেকে মানুষের প্রতি মানুষের সহানুভূতি ও ভরসা উঠে গেছে!’"
​এই দৃশ্য দেখে নিহত বৃদ্ধের দুই ছেলে কেঁদে ফেললো। তারা সামনে এগিয়ে এসে আবেগপ্লুত কণ্ঠে বললো—
​"হে আমিরুল মুমিনীন! আমরা এই যুবককে মাফ করে দিলাম। আমরা আমাদের কিসাসের দাবি তুলে নিচ্ছি। আমরা চাই না দুনিয়ার মানুষ বলুক—‘মুসলিমদের মধ্য থেকে ক্ষমা করার মহানুভবতা হারিয়ে গেছে!’"
​এই ঘটনা থেকে আমাদের শিক্ষা:
​আমানতদারী: মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও এতিমের আমানত ফেরত দেওয়ার দায়িত্ববোধ।
​ওয়াদা রক্ষা: জীবনের চেয়েও অঙ্গীকার পূরণকে প্রাধান্য দেওয়া।
​মানবতা ও ভরসা: অচেনা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ও তার ওপর আস্থা রাখার সাহসিকতা।
​ক্ষমা ও মহানুভবতা: প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ভাইয়ের প্রতি ক্ষমার হাত বাড়িয়ে দেওয়া।

জীবনের আসল শিক্ষা হলো-সবসময় লড়াই করে জিততে হয় না, মায়ার কিছু কিছু জায়গা ছেড়েও আসতে জানতে হয়।যেখানে বারবার নিজের সম্মান হ...
01/07/2026

জীবনের আসল শিক্ষা হলো-সবসময় লড়াই করে জিততে হয় না, মায়ার কিছু কিছু জায়গা ছেড়েও আসতে জানতে হয়।
যেখানে বারবার নিজের সম্মান হারাতে হয়, সেখানে থেকে যাওয়াটা-ভালোবাসা নয়, আত্মবিনাশ। আর যেখানে নিজের শান্তি হারিয়ে যায়, সেখান থেকে নীরবে সরে আসাটাই সবচেয়ে বড় প্রজ্ঞা।
সবকিছু ধরে রাখার নাম শক্তি নয়, সময়মতো ছেড়ে দেওয়ার নামও।

ছোটবেলায় জীবনটা কত সহজ ছিল।সুর করে অ, আ, ক, খ আর ABCD পড়তাম। মা দূর থেকে বলত, জোরে জোরে পড় বাবা, আমি যেন শুনতে পাই। তখন ...
29/06/2026

ছোটবেলায় জীবনটা কত সহজ ছিল।

সুর করে অ, আ, ক, খ আর ABCD পড়তাম। মা দূর থেকে বলত, জোরে জোরে পড় বাবা, আমি যেন শুনতে পাই। তখন না ছিল কোনো দুশ্চিন্তা, না ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়, না ছিল মন খারাপের জটিল হিসাব।

স্কুল থেকে ফিরে তাড়াহুড়ো করে ভাত খেয়ে মাঠে ছুটে যেতাম। সন্ধ্যা হলেই মায়ের ডাক হাত মুখ ধুয়ে পড়তে বস। আর রাত নামলেই চোখে ঘুম নেমে আসত। অনেক দিন আব্বু বাড়ি ফেরার আগেই ঘুমিয়ে পড়তাম। সকালে ঘুম ভেঙে যখন দেখতাম আব্বু আমার পছন্দের কিছু নিয়ে এসেছে, তখন মনে হতো পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ আমি। শুক্রবার মানেই বন্ধুদের সাথে সারাদিনের হৈ-হুল্লোড়, আর শনিবার স্কুলে না যাওয়ার জন্য হাজারটা অজুহাত।

তখন বুঝিনি, সেই সাধারণ দিনগুলোই ছিল জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়। আজ বড় হয়ে সবকিছু আছে, শুধু সেই নিশ্চিন্ত দিনগুলো নেই এখন মাঝেমধ্যে স্মৃতির পাতাগুলো উল্টে দেখি, আর বুকের ভেতর থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে শৈশবটা ফিরে পাওয়ার কোনো উপায় নেই, কিন্তু তার স্মৃতিগুলো আজও হৃদয়ের সবচেয়ে নরম জায়গাটা দখল করে আছে।

Address

Riyadh
3900

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jahangir Alam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jahangir Alam:

Shortcuts

Share