JakaRia Vai

JakaRia Vai নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা
সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

💥🕌 ধর্ম – Religion (রিলিজিয়ন)💥☪️ ইসলাম ধর্ম – Islam (ইসলাম)💥🧕 মুসলমান – Muslim (মুসলিম)💥☝️ আল্লাহ – Allah (আল্লাহ)💥📖 পব...
27/01/2026

💥🕌 ধর্ম – Religion (রিলিজিয়ন)
💥☪️ ইসলাম ধর্ম – Islam (ইসলাম)
💥🧕 মুসলমান – Muslim (মুসলিম)
💥☝️ আল্লাহ – Allah (আল্লাহ)
💥📖 পবিত্র গ্রন্থ – Qur’an (কুরআন)
💥👤 নবী – Prophet (প্রফেট)
💥📨 রাসূল – Messenger (মেসেঞ্জার)
💥💖 ঈমান – Faith (ফেইথ)
💥🧠 বিশ্বাস – Belief (বিলিফ)
💥🗣️ ঈমানের ঘোষণা – Shahada (শাহাদা)
💥🙏 নামাজ – Salah (সালাহ)
💥🤲 প্রার্থনা – Prayer (প্রেয়ার)
💥🕌 মসজিদ – Mosque (মসজিদ)
💥👳 নামাজের নেতা – Imam (ইমাম)
💥📢 নামাজের ডাক – Azan (আজান)
💥💧 অজু – Wudu (ওজু)
💥🌙 রোজা – Fasting (ফাস্টিং)
💥🌙 রোজা রাখা – Sawm (সাওম)
💥🕌 রোজার মাস – Ramadan (রামাদান)
💥💰 দান – Zakat (যাকাত)
💥🤝 দান – Charity (চ্যারিটি)
💥🕋 হজ – Hajj (হজ)
💥🧳 তীর্থযাত্রা – Pilgrimage (পিলগ্রিমেজ)
💥🕋 কাবাঘর – Kaaba (কাবা)
💥🏙️ পবিত্র নগরী – Mecca (মক্কা)
💥🌇 পবিত্র শহর – Medina (মদিনা)
💥🧭 নামাজের দিক – Qibla (কিবলা)
💥📿 খুতবার স্থান – Minbar (মিম্বর)
💥🎤 জুমার ভাষণ – Khutbah (খুতবা)
💥📜 নবীর বাণী – Hadith (হাদিস)
💥🧭 নবীর আদর্শ – Sunnah (সুন্নাহ)
💥⚖️ ইসলামি আইন – Shariah (শরিয়াহ)
💥📚 ইসলামি বিধান – Fiqh (ফিকহ)
💥🤝 মুসলিম সমাজ – Ummah (উম্মাহ)
💥🤲 প্রার্থনা – Dua (দুয়া)
💥🔁 আল্লাহ স্মরণ – Dhikr (জিকির)
💥📿 জিকিরের দানা – Tasbih (তাসবিহ)
💥☝️ আল্লাহর একত্ব – Tawhid (তাওহীদ)
💥🌌 পরকাল – Akhirah (আখিরাহ)
💥👼 ফেরেশতা – Angel (এঞ্জেল)
💥😈 শয়তান – Devil (ডেভিল)
💥❌ গুনাহ – Sin (সিন)
💥✅ সওয়াব – Reward (রিওয়ার্ড)
💥⚠️ শাস্তি – Punishment (পানিশমেন্ট)
💥🌸 জান্নাত – Heaven (হেভেন)
💥🔥 জাহান্নাম – Hell (হেল)
💥⏳ কেয়ামত – Judgement Day (জাজমেন্ট ডে)
💥❤️ জীবন – Life (লাইফ)
💥⚰️ মৃত্যু – Death (ডেথ)
💥✅ বৈধ – Halal (হালাল)
💥🚫 অবৈধ – Haram (হারাম)
💥🍽️ বৈধ খাদ্য – Halal Food (হালাল ফুড)
💥🧼 পবিত্রতা – Cleanliness (ক্লিনলিনেস)
💥✨ শুদ্ধতা – Purity (পিউরিটি)
💥🧕 শালীনতা – Modesty (মডেস্টি)
💥🧕 পর্দা – Hijab (হিজাব)
💥💍 বিবাহ – Nikah (নিকাহ)
💥💑 বিয়ে – Marriage (ম্যারেজ)
💥👨‍👩‍👧 পরিবার – Family (ফ্যামিলি)
💥👨‍👩 বাবা-মা – Parents (প্যারেন্টস)
💥🙏 সম্মান – Respect (রেসপেক্ট)
💥💞 দয়া – Kindness (কাইন্ডনেস)
💥🕊️ ধৈর্য – Patience (পেশেন্স)
💥🤍 সততা – Honesty (অনেস্টি)
💥✔️ সত্য – Truth (ট্রুথ)
💥⚖️ ন্যায়বিচার – Justice (জাস্টিস)
💥🤝 সমতা – Equality (ইকুয়ালিটি)
💥📚 জ্ঞান – Knowledge (নলেজ)
💥🎓 শিক্ষা – Education (এডুকেশন)
💥📘 কিতাব – Book (বুক)
💥🧭 পথনির্দেশ – Guidance (গাইডেন্স)
💥🤲 দয়া – Mercy (মার্সি)
💥🫂 ক্ষমা – Forgiveness (ফরগিভনেস)
💥🕊️ শান্তি – Peace (পিস)
💥🤝 ভ্রাতৃত্ব – Brotherhood (ব্রাদারহুড)
💥🏘️ সমাজ – Community (কমিউনিটি)
💥🎯 দায়িত্ব – Responsibility (রেসপনসিবিলিটি)
💥🛐 আনুগত্য – Obedience (ওবিডিয়েন্স)
💥🙏 ইবাদত – Worship (ওয়ারশিপ)
💥🌍 স্রষ্টা – Creator (ক্রিয়েটর)
💥🌱 সৃষ্টি – Creation (ক্রিয়েশন)
💥🌍 দুনিয়া – World (ওয়ার্ল্ড)

💥🕋 ইবাদতের স্থান – Place of Worship (প্লেস অব ওয়ারশিপ)
💥📖 আয়াত – Verse (ভার্স)
💥📜 সূরা – Surah (সূরা)
💥🧠 তাফসির – Tafsir (তাফসির)
💥🎧 তিলাওয়াত – Recitation (রেসিটেশন)
💥🧎 রুকু – Ruku (রুকু)
💥🧎‍♂️ সিজদা – Sujood (সিজুদ)
💥🪑 তাশাহুদ – Tashahhud (তাশাহুদ)
💥🙏 দুরুদ – Salawat (সালাওয়াত)
💥🤲 কুনুত – Qunoot (কুনুত)
💥🕰️ ফজর – Fajr (ফজর)
💥☀️ যোহর – Dhuhr (যুহর)
💥🌇 আসর – Asr (আসর)
💥🌆 মাগরিব – Maghrib (মাগরিব)
💥🌌 এশা – Isha (ইশা)
💥🌙 তারাবি – Taraweeh (তারাবি)
💥🕌 ইতিকাফ – Itikaf (ইতিকাফ)
💥📿 তাহাজ্জুদ – Tahajjud (তাহাজ্জুদ)
💥🌄 সাহরি – Suhoor (সুহুর)
💥🍽️ ইফতার – Iftar (ইফতার)
💥🕯️ লাইলাতুল কদর – Night of Decree (নাইট অব ডিক্রি)
💥🤍 তওবা – Repentance (রিপেন্টেন্স)
💥🧭 হিদায়াত – Guidance (গাইডেন্স)
💥⚖️ হক – Right (রাইট)
💥❌ বাতিল – Falsehood (ফলসহুড)
💥✔️ হালাল রিজিক – Lawful Income (লফুল ইনকাম)
💥🚫 সুদ – Interest (Usury) (ইন্টারেস্ট)
💥🤝 আমল – Deed (ডিড)
💥📊 আমলনামা – Record of Deeds (রেকর্ড অব ডিডস)
💥⚰️ কবর – Grave (গ্রেভ)
💥🪦 কবর জীবন – Grave Life (গ্রেভ লাইফ)
💥🌪️ হাশর – Resurrection (রেজারেকশন)
💥⚖️ মিজান – Scale (স্কেল)
💥🌉 সিরাত – Bridge (Sirat) (ব্রিজ)
💥📣 শিঙ্গা – Trumpet (ট্রাম্পেট)
💥👑 খলিফা – Caliph (ক্যালিফ)
💥🏛️ খিলাফত – Caliphate (ক্যালিফেট)
💥🤲 মোনাজাত – Supplication (সাপ্লিকেশন)
💥📚 আলিম – Scholar (স্কলার)
💥🧠 ইলম – Knowledge (নলেজ)
💥🛐 মাদ্রাসা – Madrasa (মাদ্রাসা)
💥📖 হিফজ – Memorization (মেমোরাইজেশন)
💥🧕 মাহরাম – Mahram (মাহরাম)
💥🚫 নন-মাহরাম – Non-Mahram (নন মাহরাম)
💥💍 মোহর – Dower (ডাওয়ার)
💥🧾 তালাক – Divorce (ডিভোর্স)
💥🤝 খোলা – Khula (খুলা)
💥👶 আকিকা – Aqiqah (আকিকা)
💥🪒 খতনা – Circumcision (সারকামসিশন)
💥🍖 কুরবানি – Sacrifice (স্যাক্রিফাইস)
💥🌙 ঈদ – Eid (ঈদ)
💥🎉 ঈদুল ফিতর – Eid al-Fitr (ঈদুল ফিতর)
💥🐄 ঈদুল আজহা – Eid al-Adha (ঈদুল আজহা)
💥🤲 ইস্তিখারা – Istikhara (ইস্তিখারা)
💥🧭 তাকওয়া – Piety (পাইটি)
💥💖 ইখলাস – Sincerity (সিনসিয়ারিটি)
💥🕊️ সবর – Patience (পেশেন্স)
💥🧠 শুকর – Gratitude (গ্রাটিটিউড)
💥🤍 তাওয়াক্কুল – Trust in Allah (ট্রাস্ট ইন আল্লাহ)
💥🧭 কিয়াস – Analogy (অ্যানালজি)
💥📜 ইজমা – Consensus (কনসেনসাস)
💥⚖️ হুদুদ – Prescribed Punishment (প্রিসক্রাইবড পানিশমেন্ট)
💥🧾 ফরজ – Obligation (অব্লিগেশন)
💥👍 ওয়াজিব – Necessary (নেসেসারি)
💥🌿 সুন্নত – Sunnah Act (সুন্নাহ অ্যাক্ট)
💥🙂 মুস্তাহাব – Recommended (রিকমেন্ডেড)
💥😐 মুবাহ – Permissible (পারমিসিবল)
💥🚫 মাকরুহ – Disliked (ডিসলাইকড)
💥❌ হারাম কাজ – Forbidden Act (ফরবিডেন অ্যাক্ট)
💥🌍 দাওয়াহ – Invitation to Islam (ইনভিটেশন টু ইসলাম)
💥🤝 উখুয়াহ – Brotherhood (ব্রাদারহুড)
💥🕊️ সালাম – Peace Greeting (পিস গ্রিটিং)
💥🙏 ইনশাআল্লাহ – God willing (গড উইলিং)
💥🤍 মাশাআল্লাহ – As Allah willed (অ্যাজ আল্লাহ উইল্ড)
💥📿 সুবহানাল্লাহ – Glory be to Allah (গ্লোরি বি টু আল্লাহ)
💥🙏 আলহামদুলিল্লাহ – Praise be to Allah (প্রেইজ বি টু আল্লাহ)

💥🕌 ধর্ম – Religion (রিলিজিয়ন)
💥☪️ ইসলাম ধর্ম – Islam (ইসলাম)
💥🧕 মুসলমান – Muslim (মুসলিম)
💥☝️ আল্লাহ – Allah (আল্লাহ)
💥📖 পবিত্র গ্রন্থ – Qur’an (কুরআন)
💥👤 নবী – Prophet (প্রফেট)
💥📨 রাসূল – Messenger (মেসেঞ্জার)
💥💖 ঈমান – Faith (ফেইথ)
💥🧠 বিশ্বাস – Belief (বিলিফ)
💥🗣️ ঈমানের ঘোষণা – Shahada (শাহাদা)
💥🙏 নামাজ – Salah (সালাহ)
💥🤲 প্রার্থনা – Prayer (প্রেয়ার)
💥🕌 মসজিদ – Mosque (মসজিদ)
💥👳 নামাজের নেতা – Imam (ইমাম)
💥📢 নামাজের ডাক – Azan (আজান)
💥💧 অজু – Wudu (ওজু)
💥🌙 রোজা – Fasting (ফাস্টিং)
💥🌙 রোজা রাখা – Sawm (সাওম)
💥🕌 রোজার মাস – Ramadan (রামাদান)
💥💰 দান – Zakat (যাকাত)
💥🤝 দান – Charity (চ্যারিটি)
💥🕋 হজ – Hajj (হজ)
💥🧳 তীর্থযাত্রা – Pilgrimage (পিলগ্রিমেজ)
💥🕋 কাবাঘর – Kaaba (কাবা)
💥🏙️ পবিত্র নগরী – Mecca (মক্কা)
💥🌇 পবিত্র শহর – Medina (মদিনা)
💥🧭 নামাজের দিক – Qibla (কিবলা)
💥📿 খুতবার স্থান – Minbar (মিম্বর)
💥🎤 জুমার ভাষণ – Khutbah (খুতবা)
💥📜 নবীর বাণী – Hadith (হাদিস)
💥🧭 নবীর আদর্শ – Sunnah (সুন্নাহ)
💥⚖️ ইসলামি আইন – Shariah (শরিয়াহ)
💥📚 ইসলামি বিধান – Fiqh (ফিকহ)
💥🤝 মুসলিম সমাজ – Ummah (উম্মাহ)
💥🤲 প্রার্থনা – Dua (দুয়া)
💥🔁 আল্লাহ স্মরণ – Dhikr (জিকির)
💥📿 জিকিরের দানা – Tasbih (তাসবিহ)
💥☝️ আল্লাহর একত্ব – Tawhid (তাওহীদ)
💥🌌 পরকাল – Akhirah (আখিরাহ)
💥👼 ফেরেশতা – Angel (এঞ্জেল)
💥😈 শয়তান – Devil (ডেভিল)
💥❌ গুনাহ – Sin (সিন)
💥✅ সওয়াব – Reward (রিওয়ার্ড)
💥⚠️ শাস্তি – Punishment (পানিশমেন্ট)
💥🌸 জান্নাত – Heaven (হেভেন)
💥🔥 জাহান্নাম – Hell (হেল)
💥⏳ কেয়ামত – Judgement Day (জাজমেন্ট ডে)
💥❤️ জীবন – Life (লাইফ)
💥⚰️ মৃত্যু – Death (ডেথ)
💥✅ বৈধ – Halal (হালাল)
💥🚫 অবৈধ – Haram (হারাম)
💥🍽️ বৈধ খাদ্য – Halal Food (হালাল ফুড)
💥🧼 পবিত্রতা – Cleanliness (ক্লিনলিনেস)
💥✨ শুদ্ধতা – Purity (পিউরিটি)
💥🧕 শালীনতা – Modesty (মডেস্টি)
💥🧕 পর্দা – Hijab (হিজাব)
💥💍 বিবাহ – Nikah (নিকাহ)
💥💑 বিয়ে – Marriage (ম্যারেজ)
💥👨‍👩‍👧 পরিবার – Family (ফ্যামিলি)
💥👨‍👩 বাবা-মা – Parents (প্যারেন্টস)
💥🙏 সম্মান – Respect (রেসপেক্ট)
💥💞 দয়া – Kindness (কাইন্ডনেস)
💥🕊️ ধৈর্য – Patience (পেশেন্স)
💥🤍 সততা – Honesty (অনেস্টি)
💥✔️ সত্য – Truth (ট্রুথ)
💥⚖️ ন্যায়বিচার – Justice (জাস্টিস)
💥🤝 সমতা – Equality (ইকুয়ালিটি)
💥📚 জ্ঞান – Knowledge (নলেজ)
💥🎓 শিক্ষা – Education (এডুকেশন)
💥📘 কিতাব – Book (বুক)
💥🧭 পথনির্দেশ – Guidance (গাইডেন্স)
💥🤲 দয়া – Mercy (মার্সি)
💥🫂 ক্ষমা – Forgiveness (ফরগিভনেস)
💥🕊️ শান্তি – Peace (পিস)
💥🤝 ভ্রাতৃত্ব – Brotherhood (ব্রাদারহুড)
💥🏘️ সমাজ – Community (কমিউনিটি)
💥🎯 দায়িত্ব – Responsibility (রেসপনসিবিলিটি)
💥🛐 আনুগত্য – Obedience (ওবিডিয়েন্স)
💥🙏 ইবাদত – Worship (ওয়ারশিপ)
💥🌍 স্রষ্টা – Creator (ক্রিয়েটর)
💥🌱 সৃষ্টি – Creation (ক্রিয়েশন)
💥🌍 দুনিয়া –?

🌍 ১️⃣ ঐক্যের অভাব:এক সময় মুসলিম উম্মাহ এক দেহের মতো ছিল। কিন্তু আজ আমরা জাতি, ভাষা, মাযহাব ও রাজনৈতিক বিভাজনে টুকরো টুকর...
27/10/2025

🌍 ১️⃣ ঐক্যের অভাব:
এক সময় মুসলিম উম্মাহ এক দেহের মতো ছিল। কিন্তু আজ আমরা জাতি, ভাষা, মাযহাব ও রাজনৈতিক বিভাজনে টুকরো টুকরো। একতার শক্তিই হারিয়েছি, ফলে নেতৃত্বের অবস্থানও দুর্বল হয়ে গেছে।
📚 ২️⃣ জ্ঞানের ক্ষেত্রে অবনতি:
যেখানে একসময় মুসলিমরা বিজ্ঞান, দর্শন, চিকিৎসা ও প্রযুক্তির অগ্রদূত ছিল, আজ সেখানে অনেক দেশ শিক্ষায় ও গবেষণায় পিছিয়ে। ইসলাম প্রথম ‘ইকরা’ (পড়) দিয়ে শুরু করেছিল—কিন্তু আমরা পড়া ছেড়ে দিয়েছি!
💰 ৩️⃣ দুনিয়াবি মোহ ও বিলাসিতায় ডুবে যাওয়া:
নবী করিম ﷺ বলেছিলেন,
> “তোমাদের প্রতি ভয় করছি দারিদ্র্য নয়, বরং দুনিয়া তোমাদের কাছে প্রসারিত হবে…”
আমরা দীনকে পিছনে রেখে দুনিয়াকে প্রাধান্য দিয়েছি, তাই বরকত কমে গেছে।
⚖️ ৪️⃣ ন্যায়ের পতাকা হারানো:
ইসলাম ন্যায় ও মানবতার ধর্ম। কিন্তু মুসলিম সমাজে এখন অনেক স্থানে দুর্নীতি, অবিচার ও স্বার্থবাদী রাজনীতি বেড়ে গেছে। যখন ন্যায়বিচার হারায়—নেতৃত্বও হারায়।
🕋 ৫️⃣ আত্মসমালোচনার অভাব:
আমরা নিজেদের ভুল স্বীকার করতে চাই না, বরং অন্যদের দোষ দিই। অথচ পরিবর্তন শুরু হয় আত্মসংশোধন থেকে।
> “আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেরা নিজেদের পরিবর্তন করে।”
(সূরা আর-রা’দ: ১১)
💫 সংক্ষেপে:
মুসলিমরা হারিয়েছে ঐক্য, জ্ঞান, ন্যায়, ত্যাগ ও আত্মসংশোধনের চেতনা—এই কারণেই আজ নেতৃত্বের আসন অন্যদের হাতে।

নোয়াখালী বিভাগ প্রসঙ্গে! কুমিল্লা নাকি নোয়াখালী? চট্রগ্রাম বিভাগের পার্শ্ববর্তী জেলা আবার কিভাবে বিভাগ হয়?পাশাপাশি দুইট...
21/10/2025

নোয়াখালী বিভাগ প্রসঙ্গে! কুমিল্লা নাকি নোয়াখালী?
চট্রগ্রাম বিভাগের পার্শ্ববর্তী জেলা আবার কিভাবে বিভাগ হয়?
পাশাপাশি দুইটা বিভাগ কোন যুক্তিতে হবে?

নোয়াখালীর মানুষকে আমি সবসময় বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ বলে মনে করতাম। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাদের কিছু কর্মকাণ্ড দেখে সত্যিই বিস্মিত হচ্ছি — এখন মনে হচ্ছে, অন্ধ আবেগে তারা বাস্তবতা ভুলে গেছে। প্রিয় নোয়াখালীবাসী, অনুরোধ রইলো — মানচিত্রটা একবার ভালো করে দেখুন।

কেন নোয়াখালীর নামে বিভাগ দেওয়া সম্ভব নয়, তার প্রধান কয়েকটি কারণ নিচে তুলে ধরা হলো —

১️⃣ ভৌগোলিক অবস্থান:
কুমিল্লা জেলার সাথে পার্শ্ববর্তী পাঁচটি জেলা সরাসরি সংযুক্ত। মানচিত্রে দেখলে বোঝা যায়, কুমিল্লা আসলে এই অঞ্চলগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত।

২️⃣ দূরত্ব ও সংযোগ:
যদি নোয়াখালী বিভাগ করা হয়, তাহলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বা চাঁদপুরের মানুষ নোয়াখালী যেতে যে সময় লাগবে, তার চেয়ে কম সময়ে তারা ঢাকা বা সিলেট যেতে পারবে। কারণ নোয়াখালী বাংলাদেশের একেবারে দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত — সদর পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার।

৩️⃣ ঐতিহাসিক ও সামরিক গুরুত্ব:
ব্রিটিশ আমল থেকেই কুমিল্লায় দেশের অন্যতম বৃহৎ ক্যান্টনমেন্ট রয়েছে। সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই ক্যান্টনমেন্টের অবস্থান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৪️⃣ প্রশাসনিক ও শিল্প উন্নয়ন:
কুমিল্লা বহু আগেই সিটি কর্পোরেশনের মর্যাদা পেয়েছে, যেখানে নোয়াখালী এখনো পৌরসভা পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া শিল্প ও উৎপাদন ক্ষেত্রেও কুমিল্লা অনেক এগিয়ে।

৫️⃣ জনসংখ্যার তুলনা:
কুমিল্লার জনসংখ্যা প্রায় ৬৫ লাখ, আর নোয়াখালীর জনসংখ্যা প্রায় ৩৮ লাখ। অর্থাৎ কুমিল্লায় প্রায় ২৭ লাখ বেশি মানুষ বসবাস করে — যা প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে কুমিল্লার অবস্থানকে আরও যৌক্তিক করে তোলে।

৬️⃣ জ্বালানি সম্পদ:
বাংলাদেশের বেশিরভাগ গ্যাসক্ষেত্র কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত। কুমিল্লাকে বাদ দিয়ে নোয়াখালীতে সেই সম্পদ ব্যবস্থাপনা করা বাস্তবিকভাবেই অসম্ভব।

৭️⃣ অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা:
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান ধমনী — ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক — এর প্রায় ১০০ কিলোমিটার অংশ কুমিল্লার ভেতর দিয়ে গেছে। ফলে কুমিল্লা সরাসরি দেশের অর্থনৈতিক মূল সড়ক ব্যবস্থার সাথে যুক্ত।

# কুমিল্লা রেল যোগাযোগ ওনেক উন্নত দৈনিক ১৩ টি চলাচল করে, অপরদিকে নোয়াখালী দৈনিক ১ টি রেল চলাচল করে

সবশেষে বলবো, ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনীতি, শিল্পকারখানা, ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সামরিক নিরাপত্তা এবং জনসংখ্যা—সবদিক বিবেচনা করলে নোয়াখালী বিভাগের দাবি বাস্তবসম্মত নয়।

অন্যদিকে কুমিল্লা অঞ্চলটি ভৌগোলিকভাবে সব জেলার মাঝখানে অবস্থিত!
©

সমকামিতা থেকে মুক্তির উপায় কি? 🕋ইসলাম ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণইসলামে সমকামী আচরণ (homosexual act) হারাম বা নিষিদ্ধ বলে গণ্য ক...
20/10/2025

সমকামিতা থেকে মুক্তির উপায় কি?

🕋ইসলাম ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ
ইসলামে সমকামী আচরণ (homosexual act) হারাম বা নিষিদ্ধ বলে গণ্য করা হয়েছে।
তাই ইসলামিক দৃষ্টিতে করণীয় হলো:
* আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও সাহায্য প্রার্থনা করা।
* নামাজ, রোজা, জিকিরের মাধ্যমে আত্মনিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করা।
* বিপরীত লিঙ্গের প্রতি বৈধ উপায়ে (বিয়ে) মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করা।
* এমন বন্ধুত্ব বা পরিবেশ এড়িয়ে চলা যা পুরোনো প্রবণতাকে জাগিয়ে তোলে।

📖কুরআনে বলা হয়েছে (সূরা আল-আরাফ ৭:৮০–৮১):
> “তোমরা তো এমন লজ্জাজনক কাজ করছ যা তোমাদের পূর্বে কেউ করেনি…”
> এই আয়াতে হজরত লুত (আঃ)-এর সম্প্রদায়ের সমকামী আচরণকে নিন্দা করা হয়েছে।

তবে মনে রেখো —ইসলামে কোনো মানুষকে ঘৃণা নয়, বরং গুনাহ থেকে ফেরার সুযোগই মূল বিষয়।
আল্লাহ বলেন, “আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন” (সূরা বাকারা ২:২২২)।

🧠সামাজিক দৃষ্টিকোণ
* সমাজ ও পরিবারের কাছ থেকে মানসিক সহায়তা নাও।
* এমন বন্ধু বেছে নাও, যারা তোমাকে খারাপ পথে নয়, ইতিবাচক পথে টেনে রাখবে।
* পর্ন দেখা, একা থাকা, অলস সময় — এসব কমিয়ে আনো, কারণ এগুলো মনকে দুর্বল করে।

⚕️স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি
যদি সমকামী সম্পর্ক (বিশেষত পুরুষে পুরুষে যৌন সম্পর্ক) ঘটে থাকে,
তাহলে কিছু গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকতে পারে,যেমন—
* এইচআইভি (HIV/AIDS) সংক্রমণ
* হেপাটাইটিস বি ও সি
* সিফিলিস, গনোরিয়া, অ্যানাল ইনফেকশন
* মানসিক অবসাদ বা হতাশা

তাই যদি কখনো এমন সম্পর্ক ঘটে থাকে, তাহলে **চিকিৎসকের পরামর্শে রক্ত পরীক্ষা** করানো উচিত (HIV, HBsAg, VDRL)।
এতে নিশ্চিত হতে পারবে যে শরীরে কোনো সংক্রমণ আছে কি না।

🌿মুক্তি ও মানসিক প্রশিক্ষণ
1.আত্মসংযম অনুশীলন: নামাজ, মেডিটেশন, আত্মনিয়ন্ত্রণের ডায়েরি রাখা।
2.ব্যস্ত থাকা: কাজ, পড়াশোনা, শারীরিক ব্যায়াম, সামাজিক কার্যকলাপ।
3.বিশ্বাসযোগ্য কাউন্সেলরের সহায়তা নেওয়া: তিনি তোমাকে অপরাধবোধ ছাড়াই পথ দেখাতে পারেন।
4.বিবাহের আগে নিজেকে স্থিতিশীল করা: মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত হওয়া।

Like | Comment | Share

পুরুষের বীর্য থেকে ছেলে সন্তান.!নারীর বীর্য থেকে কন্যা সন্তান।=================================বিজ্ঞান যদিও বহু বছর পর এ...
22/04/2025

পুরুষের বীর্য থেকে ছেলে সন্তান.!
নারীর বীর্য থেকে কন্যা সন্তান।
=================================
বিজ্ঞান যদিও বহু বছর পর এর সমাধান বের করেছে, কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সমাধান দিয়ে গেছেন।
যেমন আল্লাহর বাণীতে বলা হয়েছে
لِّلَّهِ مُلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِۚ يَخْلُقُ مَا يَشَآءُۚ يَهَبُ لِمَن يَشَآءُ إِنَٰثًا وَيَهَبُ لِمَن يَشَآءُ ٱلذُّكُورَ
আসমান ও জমিনের রাজত্ব একমাত্র আল্লাহর। তিনি যা চান তাই সৃষ্টি করেন। যাকে ইচ্ছা কন্যাসন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন।
أَوْ يُزَوِّجُهُمْ ذُكْرَانًا وَإِنَٰثًاۖ وَيَجْعَلُ مَن يَشَآءُ عَقِيمًاۚ إِنَّهُۥ عَلِيمٌ قَدِيرٌ
অথবা তাদেরকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন। আবার যাকে ইচ্ছা নিঃসন্তান রাখেন। নিশ্চয়ই তিনি মহাজ্ঞানী, সর্বশক্তিমান। (আশ-শূরা :৪৯-৫০)
فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ فَمِنْ أَيْنَ يَكُونُ الشَّبَهُ إِنَّ مَاءَ الرَّجُلِ غَلِيظٌ أَبْيَضُ وَمَاءَ الْمَرْأَةِ رَقِيقٌ أَصْفَرُ فَمِنْ أَيِّهِمَا عَلاَ أَوْ سَبَقَ يَكُونُ مِنْهُ الشَّبَهُ ‏"‏ ‏.‏
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ পুরুষের বীর্য সাদা আর মহিলাদের বীর্য হলুদ। যখন উভয়ের বীর্য একত্রিত হয় এবং পুরুষের বীর্য মহিলাদের বীর্যের উপর প্রাধান্য লাভ করে, তখন আল্লাহর হুকুমে পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। আর যখন মহিলাদের বীর্য পুরুষের বীর্যের উপর প্রাধান্য লাভ করে, তখন আল্লাহর হুকুমে কন্যা সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়।(সহীহ মুসলিম ৫৯৭)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، وَعَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ، سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الْمَرْأَةِ تَرَى فِي مَنَامِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إِذَا رَأَتْ ذَلِكَ فَأَنْزَلَتْ فَعَلَيْهَا الْغُسْلُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيَكُونُ هَذَا قَالَ ‏"‏ نَعَمْ مَاءُ الرَّجُلِ غَلِيظٌ أَبْيَضُ وَمَاءُ الْمَرْأَةِ رَقِيقٌ أَصْفَرُ فَأَيُّهُمَا سَبَقَ أَوْ عَلاَ أَشْبَهَهُ الْوَلَدُ ‏"‏ ‏.‏
ইবনে মাজাহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং২/৬০১। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উম্মু সুলাইম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট জিজ্ঞেস করেন, পুরুষের ন্যায় কোন নারীর স্বপ্নদোষ হলে সে কী করবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যদি তার স্বপ্নদোষ হয় এবং তার বীর্যপাত হয়, তবে তাকে গোসল করতে হবে। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, হে আললাহর রাসূল! তাই কি হয়? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ। পুরুষের বীর্য গাঢ় সাদা এবং স্ত্রীলোকের বীর্য পাতলা হলদে রংবিশিষ্ট। সুতরাং এদের মধ্যে যার বীর্য আগে স্খলিত হয়, সন্তান তার সদৃশ হয়।
তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: মুসলিম ৩১০-১১, নাসায়ী ১৯৫, ২০০; আহমাদ ১২৬৪২, ১৩৬৯৮; দারিমী ৭৬৪। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহাহ ১৩৪২
وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ قَالَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ فَهَلْ عَلَى الْمَرْأَةِ من غسل إِذا احْتَلَمت قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «إِذَا رَأَتِ الْمَاءَ» فَغَطَّتْ أُمُّ سَلَمَةَ وَجْهَهَا وَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَوَتَحْتَلِمُ الْمَرْأَةُ قَالَ: «نعم تربت يَمِينك فَبِمَ يشبهها وَلَدهَا؟»
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং৪৩৩-[৪] উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন (আনাস (রাঃ)-এর মা) উম্মু সুলায়ম (রাঃ)বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ তা‘আলা হক কথা বলতে লজ্জাবোধ করেন না। স্ত্রীলোকের স্বপ্নদোষের কারণে তার ওপর কি গোসল ফরয হয়? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উত্তরে বললেনঃ হাঁ, যদি (ঘুম থেকে জেগে উঠে) বীর্য দেখে। এ উত্তর শুনে উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) (লজ্জায়) স্বীয় মুখ ঢেকে ফেললেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রসূল! স্ত্রীলোকেরও আবার স্বপ্নদোষ হয় (পুরুষের ন্যায় বীর্যপাত হয়)। উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ। কি আশ্চর্য! (তা না হলে) তার সন্তান তার সদৃশ হয় কীভাবে? ] সহীহ : বুখারী ১৩০, মুসলিম ৩১৩।
وَزَادَ مُسْلِمٌ بِرِوَايَةِ أُمِّ سُلَيْمٍ: «أَنَّ مَاءَ الرَّجُلِ غَلِيظٌ أَبْيَضُ وَمَاءَ الْمَرْأَةِ رَقِيقٌ أَصْفَرُ فَم أَيِّهِمَا عَلَا أَوْ سَبَقَ يَكُونُ مِنْهُ الشَّبَهُ»
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং৪৩৪-[৫] কিন্তু ইমাম মুসলিম (রহঃ) উম্মু সুলায়ম (রাঃ)-এর বর্ণনায় এ কথাগুলো বেশী বলেছেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ কথাও বলেছেন যে, সাধারণত পুরুষের বীর্য গাঢ় ও সাদা। স্ত্রীলোকের বীর্য পাতলা ও হলদে। উভয়ের বীর্যের মধ্যে যেটিই জয়ী হয়, অর্থাৎ- যে বীর্য আগে গর্ভাশয়ে প্রবেশ করে সন্তান তার সাদৃশ্য হয়।[1][1] সহীহ : মুসলিম ৫৯৭
وَعَن أنس قا ل سَمِعَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ بِمَقْدَمِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ فِي أَرْضٍ يَخْتَرِفُ فَأَتَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنِّي سَائِلُكَ عَنْ ثَلَاثٍ لَا يَعْلَمُهُنَّ إِلَّا نَبِيٌّ: فَمَا أَوَّلُ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ وَمَا أَوَّلُ طَعَامِ أَهْلِ الْجَنَّةِ؟ وَمَا يَنْزِعُ الولدُ إِلَى أبيهِ أَو إِلَى أمه؟ قا ل: «أَخْبرنِي بهنَّ جِبْرِيلُ آنِفًا أَمَّا أَوَّلُ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ فَنَارٌ تَحْشُرُ النَّاسَ مِنَ الْمَشْرِقِ إِلَى الْمَغْرِبِ وَأَمَّا أَوَّلُ طَعَامٍ يَأْكُلُهُ أَهْلُ الْجَنَّةِ فَزِيَادَةُ كَبِدِ الْحُوت وَإِذَا سَبَقَ مَاءُ الرَّجُلِ مَاءَ الْمَرْأَةِ نَزْعَ الْوَلَدَ وَإِذَا سَبَقَ مَاءُ الْمَرْأَةِ نَزَعَتْ» . قَالَ: أشهد أَن لاإله إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّكَ رَسُولُ اللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الْيَهُودَ قَوْمٌ بُهْتٌ وَإِنَّهُمْ إِنْ يعلمُوا بِإِسْلَامِي من قبل أَن تَسْأَلهُمْ يبهتوني فَجَاءَتِ الْيَهُودُ فَقَالَ: «أَيُّ رَجُلٍ عَبْدُ اللَّهِ فِيكُمْ؟» قَالُوا: خَيْرُنَا وَابْنُ خَيْرِنَا وَسَيِّدُنَا وَابْنُ سيدِنا فَقَالَ: «أرأَيتم إِنْ أَسْلَمَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ؟» قَالُوا أَعَاذَهُ اللَّهُ مِنْ ذَلِكَ. فَخَرَجَ عَبْدُ اللَّهِ فَقَالَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَقَالُوا: شَرُّنَا وَابْنُ شَرِّنَا فَانْتَقَصُوهُ قَالَ: هَذَا الَّذِي كُنْتُ أَخَافُ يَا رسولَ الله رَوَاهُ البُخَارِيّ رواہ البخاری (4480) ۔ (صَحِيح)
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং৫৮৭০-[৩] আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু সালাম রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম.) -এর মদীনায় আগমনের সংবাদ শুনতে পেলেন। এ সময় তিনি নিজের এক বাগানে খেজুর পাড়ছিলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এসে বললেন, আমি আপনাকে এমন তিনটি প্রশ্ন করব, যা নবী ছাড়া আর কেউই জানে না।
১. কিয়ামতের সর্বপ্রথম আলামত কি?
২. জান্নাতবাসীদের সর্বপ্রথম খাদ্য কি?
৩. কিসের কারণে সন্তান (আকৃতিতে) কখনো তার পিতার মতো হয়, আবার কখনো তার মায়ের মতো হয়?
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম.) বললেন, এ বিষয়গুলো সম্পর্কে জিবরীল আলায়হিস সালাম এইমাত্র আমাকে অবহিত করে গেলেন। কিয়ামতের সর্বপ্রথম আলামাত হলো একটি আগুন, যা লোকেদেরকে পূর্ব দিকে হতে পশ্চিম দিকে সমবেত করে নিয়ে যাবে। আর জান্নাতবাসীগণ সর্বপ্রথম যে খাদ্য খাবে, তা হলো মাছের কলিজার অতিরিক্ত টুকরা আর (সন্তানাদির বিষয়টি) যদি নারীর বীর্যের উপর পুরুষের বীর্যের প্রাধান্য ঘটে, তবে সন্তান বাপের মতো হয়। আর যদি নারীর বীর্যের প্রাধান্য ঘটে, তবে সন্তান মায়ের রূপ ধারণ করে। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম বলে উঠলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ তা'আলা ছাড়া ইবাদাত পাওয়ার যোগ্য কেউ নেই এবং নিশ্চয় আপনি আল্লাহর রাসূল।
(অতঃপর তিনি বললেন) হে আল্লাহর রাসূল! ইয়াহূদীরা এমন একটি জাতি, যারা অপবাদ আনবে। অতঃপর ইয়াহুদীগণ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে আসলে তিনি তাদেরকে প্রশ্ন করলেন, তোমাদের মাঝে আবদুল্লাহ কে? তার উত্তরে বলেন, আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম লোক এবং সর্বোত্তম ব্যক্তির সন্তান। তিনি আমাদের নেতা এবং আমাদের নেতার সন্তান। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম.) বললেন, আচ্ছা বল তো, আবদুল্লাহ ইবনু সালাম যদি ইসালাম গ্রহণ করে, তখন তারা বলে উঠল, আল্লাহ তা'আলা তাকে তা হতে রক্ষা করুন। এমন সময় ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (আড়াল হতে) বের হয়ে এসে কালিমাহ্ উচ্চারণ করে বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোন উপাসনার যোগ্য কেউ নেই এবং নিশ্চয় মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম.) আল্লাহর রাসূল। তখন তারা (ইয়াহূদীরা) বলতে লাগল, (এ লোকটি) আমাদের মধ্যে সর্বনিকৃষ্ট ব্যক্তির সন্তান। অতঃপর তারা তাকে খুব তাচ্ছিল্যভাবে তুচ্ছ প্রতিপন্ন করল। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! (এদের ব্যাপারে) আমি এটাই আশঙ্কা করেছিলাম।)
সহীহ: বুখারী ৪৪৮০, মুসনাদে আহমাদ ১২৯৯৩, মুসনাদে আবদ ইবনু হুমায়দ ১৩৮৯, আবূ ইয়া'লা ৩৪১৪, সহীহ ইবনু হিব্বান ৭৪২৩, আস্ সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ৯০৭৪।
عَن عبد الله بن مَسْعُود قَالَ: حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ الصَّادِق المصدوق: «إِن أحدكُم يجمع خلقه فِي بطن أمه أَرْبَعِينَ يَوْمًا ثمَّ يكون فِي ذَلِك علقَة مثل ذَلِك ثمَّ يكون فِي ذَلِك مُضْغَة مثل ذَلِك ثمَّ يُرْسل الْملك فينفخ فِيهِ الرّوح وَيُؤمر بِأَرْبَع كَلِمَات بكتب رزقه وأجله وَعَمله وشقي أَو سعيد فوالذي لَا إِلَه غَيره إِن أحدكُم لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ حَتَّى مَا يَكُونُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا إِلَّا ذِرَاعٌ فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ فَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ فَيَدْخُلُهَا وَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ حَتَّى مَا يَكُونُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا إِلَّا ذِرَاعٌ فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ فَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَيَدْخُلُهَا»
মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং৮২-[৪] ইবনু মাস্‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সত্যবাদী ও সত্যবাদী বলে স্বীকৃত আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যেকেরই জন্ম হয় এভাবে যে, তার মায়ের পেটে (প্রথমে তার মূল উপাদান) শুক্ররূপে চল্লিশ দিন পর্যন্ত থাকে। অতঃপর তা চল্লিশ দিন পর্যন্ত লাল জমাট রক্তপিন্ডরূপ ধারণ করে। তারপর পরবর্তী চল্লিশ দিনে মাংসপিন্ডর রূপ ধারণ করে। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা একজন মালাককে চারটি বিষয় লিখে দেয়ার জন্য পাঠন। সে মালাক লিখেন তার- (১) ‘আমল [সে কি কি ‘আমল করবে], (২) তার মৃত্যু, (৩) তার রিয্‌ক্ব (রিজিক/রিযিক) ও (৪) তার নেককার বা দুর্ভাগা হওয়ার বিষয় আল্লাহর হুকুমে তার তাক্বদীরে লিখে দেন, তারপর তন্মধ্যে রূহ্ প্রবেশ করান। অতঃপর সে সত্তার কসম, যিনি ব্যতীত প্রকৃত আর কোন ইলাহ নেই! তোমাদের মধ্যে কেউ জান্নাতবাসীদের ‘আমল করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মধ্যে মাত্র এক হাত দূরত্ব থাকে, এমন সময় তার প্রতি তাক্বদীরের লিখা তার সামনে আসে। আর তখন সে জাহান্নামীদের কাজ করতে থাকে এবং জাহান্নামে প্রবেশ করে। তোমাদের কোন ব্যক্তি জাহান্নামীদের মতো ‘আমল করতে শুরু করে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মধ্যে এক হাত দূরত্ব অবশিষ্ট থাকে। এমন সময় তার প্রতি সে লেখা (তাক্বদীর) সামনে আসে, তখন সে জান্নাতীদের কাজ করতে শুরু করে, ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে। (
[1] সহীহ : বুখারী ৩২০৮, মুসলিম ২৬৪৩, আবূ দাঊদ ৪৭০৮, ইবনু মাজাহ ৭৬, তিরমিযী ২১৩৭, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬১৭৪, আহমাদ ৩৯৩৪।
سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ وَكَّلَ اللهُ بِالرَّحِمِ مَلَكًا فَيَقُولُ أَيْ رَبِّ نُطْفَةٌ أَيْ رَبِّ عَلَقَةٌ أَيْ رَبِّ مُضْغَةٌ فَإِذَا أَرَادَ اللهُ أَنْ يَقْضِيَ خَلْقَهَا قَالَ أَيْ رَبِّ أَذَكَرٌ أَمْ أُنْثَى أَشَقِيٌّ أَمْ سَعِيدٌ فَمَا الرِّزْقُ فَمَا الأَجَلُ فَيُكْتَبُ كَذَلِكَ فِي بَطْنِ أُمِّهِ
বুখারী শরীফ খন্ড নং পৃষ্ঠা নং হাদিস নং৬৫৯৫. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহ্ রেহেমে (মাতৃগর্ভে) একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, হে প্রতিপালক! এটি বীর্য। হে প্রতিপালক! এটি রক্তপিন্ড। হে প্রতিপালক! এটি গোশতপিন্ড। আল্লাহ্ যখন তার সৃষ্টি পূর্ণ করতে চান, তখন ফেরেশতা বলে, হে প্রতিপালক! এটি নর হবে, না নারী? এটি দুর্ভাগা হবে, না ভাগ্যবান? তার রিযক্ কী পরিমাণ হবে? তার জীবনকাল কী হবে? তখন (আল্লাহর নির্দেশমত) তার মায়ের পেটে থাকাকালে ঐ রকমই লিখে দেয়া হয়। [৩১৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৩)
Al-Hajj 22:5
يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ إِن كُنتُمْ فِى رَيْبٍ مِّنَ ٱلْبَعْثِ فَإِنَّا خَلَقْنَٰكُم مِّن تُرَابٍ ثُمَّ مِن نُّطْفَةٍ ثُمَّ مِنْ عَلَقَةٍ ثُمَّ مِن مُّضْغَةٍ مُّخَلَّقَةٍ وَغَيْرِ مُخَلَّقَةٍ لِّنُبَيِّنَ لَكُمْۚ وَنُقِرُّ فِى ٱلْأَرْحَامِ مَا نَشَآءُ إِلَىٰٓ أَجَلٍ مُّسَمًّى ثُمَّ نُخْرِجُكُمْ طِفْلًا ثُمَّ لِتَبْلُغُوٓا۟ أَشُدَّكُمْۖ وَمِنكُم مَّن يُتَوَفَّىٰ وَمِنكُم مَّن يُرَدُّ إِلَىٰٓ أَرْذَلِ ٱلْعُمُرِ لِكَيْلَا يَعْلَمَ مِنۢ بَعْدِ عِلْمٍ شَيْـًٔاۚ وَتَرَى ٱلْأَرْضَ هَامِدَةً فَإِذَآ أَنزَلْنَا عَلَيْهَا ٱلْمَآءَ ٱهْتَزَّتْ وَرَبَتْ وَأَنۢبَتَتْ مِن كُلِّ زَوْجٍۭ بَهِيجٍ
হে মানুষ! পুনরুত্থান সম্বন্ধে তোমাদের যদি কোন সন্দেহ থাকে তাহলে (ভেবে দেখ,) আমিই তো তোমাদেরকে (প্রথম মানুষ আদমকে) মাটি থেকে, তারপর (অন্যান্যদেরকে) বীর্য থেকে, তারপর জমাট রক্তপিণ্ড থেকে, তারপর সুগঠিত ও সুগঠিত নয় এমন মাংসখণ্ড থেকে সৃষ্টি করেছি; তোমাদের কাছে (আমার ক্ষমতা) প্রকাশ করার জন্য। আমি যা (সৃষ্টি করতে) চাই তা একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত মাতৃগর্ভে রেখে দেই; তারপর তোমাদেরকে শিশু অবস্থায় বের করে আনি; পরে যাতে তোমরা পূর্ণ শক্তির বয়সে উপনীত হও। তোমাদের মধ্যে কতক (অল্প বয়সে) মারা যায়, আবার তোমাদের মধ্যে কতককে নিকৃষ্টতম বয়সে (জরাজীর্ণ বার্ধক্যে) উপনীত করা হয়, যাতে তারা জানার পরে আবার কিছুই না জানে (সবকিছু ভুলে যায়)। আর তুমি জমিনকে দেখতে পাও মৃত, তারপর আমি যখন তাতে পানি (বৃষ্টি) বর্ষণ করি তখন তা নড়ে (জীবিত হয়ে) ওঠে, বেড়ে ওঠে আর সবরকম সুন্দর উদ্ভিদ উদ্‌গত করে।
ثُمَّ خَلَقْنَا ٱلنُّطْفَةَ عَلَقَةً فَخَلَقْنَا ٱلْعَلَقَةَ مُضْغَةً فَخَلَقْنَا ٱلْمُضْغَةَ عِظَٰمًا فَكَسَوْنَا ٱلْعِظَٰمَ لَحْمًا ثُمَّ أَنشَأْنَٰهُ خَلْقًا ءَاخَرَۚ فَتَبَارَكَ ٱللَّهُ أَحْسَنُ ٱلْخَٰلِقِينَ
তারপর শুক্রবিন্দুকে জমাটবদ্ধ রক্তে এবং জমাটবদ্ধ রক্তকে মাংসপিণ্ডে পরিণত করেছি। তারপর মাংসপিণ্ড থেকে হাড় সৃষ্টি করেছি এবং হাড়গুলোকে আবার মাংস দ্বারা আচ্ছাদিত করেছি। অবশেষে তাকে অন্য এক সৃষ্টিরূপে তৈরী করেছি। অতএব, সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কত মহান! (সূরা মু'মিনুন :১৪)
وَٱللَّهُ خَلَقَكُم مِّن تُرَابٍ ثُمَّ مِن نُّطْفَةٍ ثُمَّ جَعَلَكُمْ أَزْوَٰجًاۚ وَمَا تَحْمِلُ مِنْ أُنثَىٰ وَلَا تَضَعُ إِلَّا بِعِلْمِهِۦۚ وَمَا يُعَمَّرُ مِن مُّعَمَّرٍ وَلَا يُنقَصُ مِنْ عُمُرِهِۦٓ إِلَّا فِى كِتَٰبٍۚ إِنَّ ذَٰلِكَ عَلَى ٱللَّهِ يَسِيرٌ
আল্লাহ তোমাদেরকে মাটি ও বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছেন (প্রথম মানুষকে মাটি থেকে ও তার বংশধরদেরকে বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছেন), তারপর তোমাদেরকে (নারী-পুরুষের) জোড়া বানিয়েছেন। নারী যে গর্ভধারণ করে ও সন্তান প্রসব করে তা আল্লাহর জ্ঞাতসারেই হয়। বয়স্ক ব্যক্তি যে অধিক বয়স পায় কিংবা তার বয়স থেকে যা হ্রাস করা হয় তাও কিতাবে (লাওহে মাহ্‌ফূযে) লিখিত আছে। নিশ্চয়ই এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ। ( সূরা ফাতির : ১১)
أَوَلَمْ يَرَ ٱلْإِنسَٰنُ أَنَّا خَلَقْنَٰهُ مِن نُّطْفَةٍ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٌ مُّبِينٌ
মানুষ কি দেখে না যে, আমি তাকে (নাপাক) বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছি? আর সে কিনা হয়ে যায় প্রকাশ্য ঝগড়াটে। (সূরা ইয়াছিন: ৭৭)
ٱللَّهُ ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ قَرَارًا وَٱلسَّمَآءَ بِنَآءً وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْ وَرَزَقَكُم مِّنَ ٱلطَّيِّبَٰتِۚ ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمْۖ فَتَبَارَكَ ٱللَّهُ رَبُّ ٱلْعَٰلَمِينَ
আল্লাহ তো সেই মহান সত্তা, যিনি পৃথিবীকে তোমাদের বাসস্থান করেছেন, আকাশকে ছাদ বানিয়েছেন, তোমাদের আকার গড়েছেন, তোমাদের আকারকে সুন্দর করেছেন এবং তোমাদেরকে উৎকৃষ্ট জীবিকা দান করেছেন। ইনিই আল্লাহ, তোমাদের প্রভু। বিশ্বজগতের প্রভু এই আল্লাহ কত মহান! ( সূরা গাফির :৬৪)
خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ بِٱلْحَقِّ وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْۖ وَإِلَيْهِ ٱلْمَصِيرُ
তিনি যথাযথভাবে আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন এবং তোমাদের আকৃতি সুন্দর করেছেন। তাঁর কাছেই (সবার) প্রত্যাবর্তন। (সূরা তাগাবুন : ৩)
هُوَ ٱلَّذِى خَلَقَكُم مِّن تُرَابٍ ثُمَّ مِن نُّطْفَةٍ ثُمَّ مِنْ عَلَقَةٍ ثُمَّ يُخْرِجُكُمْ طِفْلًا ثُمَّ لِتَبْلُغُوٓا۟ أَشُدَّكُمْ ثُمَّ لِتَكُونُوا۟ شُيُوخًاۚ وَمِنكُم مَّن يُتَوَفَّىٰ مِن قَبْلُۖ وَلِتَبْلُغُوٓا۟ أَجَلًا مُّسَمًّى وَلَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
তিনিই তোমাদেরকে (আদমকে) মাটি দ্বারা, তারপর (আদমের সন্তানদেরকে) শুক্রবিন্দু দ্বারা ও তারপর জমাট রক্ত দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তোমাদেরকে (মায়ের পেট থেকে) শিশুরূপে বের করেন। তারপর (বড় করে তোলেন) যাতে পূর্ণ শক্তির বয়সে (যৌবনে) উপনীত হও, তারপর বৃদ্ধ হও— যদিও তোমাদের কেউ কেউ তার আগেই মারা যায়— আর যাতে একটি নির্ধারিত সময়কালে পৌঁছাতে পার, এবং যাতে তোমরা (সবকিছু ভালভাবে) বুঝতে পার। ( সূরা গাফির : ৬৭)
خَلَقَ ٱلْإِنسَٰنَ مِن نُّطْفَةٍ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٌ مُّبِينٌ
তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন এক ফোঁটা শুক্র থেকে। অথচ এই মানুষই প্রকাশ্য বিরোধী হয়ে যায়। (সূরা নাহল : ৪)
Al-Insan 76:2
إِنَّا خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ مِن نُّطْفَةٍ أَمْشَاجٍ نَّبْتَلِيهِ فَجَعَلْنَٰهُ سَمِيعًۢا بَصِيرًا
আমি তো মিশ্র বীর্যের একটি ফোঁটা থেকে মানুষ সৃষ্টি করেছি, তাকে পরীক্ষা করব বলে; তাই তাকে শ্রবণশক্তিসম্পন্ন ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন করেছি। (সূরা ইনসান : ২
خَلَقَ ٱلْإِنسَٰنَ مِنْ عَلَقٍ
তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন জমাটবদ্ধ রক্ত থেকে। (সূরা আলাক্ব : ২)
ٱلَّذِىٓ أَحْسَنَ كُلَّ شَىْءٍ خَلَقَهُۥۖ وَبَدَأَ خَلْقَ ٱلْإِنسَٰنِ مِن طِينٍ
যিনি প্রত্যেকটি জিনিস সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন এবং মাটি থেকে মানুষ সৃষ্টি শুরু করেছেন (প্রথম মানুষ আদমকে সৃষ্টি করেছেন)। (সূরা আস-সাজদাহ : ৭)
لَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ فِىٓ أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ
অবশ্যই আমি মানুষকে সবচেয়ে সুন্দর গঠনে সৃষ্টি করেছি।
(📚সূরা ত্বীন : ৪)
শেয়ার করতে পারেন। (সংগৃহীত)

19/02/2025

🌹কাউকে মিথ্যা বলে             হাসানোর চেয়ে সত্য বলে কাদানো অনেক ভালো         কারণ তার প্রতি মন ভাংবে       কখনো বিশ্বাস...
16/01/2025

🌹কাউকে মিথ্যা বলে
হাসানোর চেয়ে
সত্য বলে কাদানো অনেক ভালো
কারণ
তার প্রতি মন ভাংবে
কখনো বিশ্বাস ভাংবে না ।❤️

অ*শ্লীল গল্প, ভিডিও এসব দেখার আগে দয়া করে এই পোস্টটি পড়ুন।যদিও ছেলের কথাটি উল্লেখ করা আছে, ছেলে মেয়ে দুজনের জন্যই এই পো...
14/01/2025

অ*শ্লীল গল্প, ভিডিও এসব দেখার আগে দয়া করে এই পোস্টটি পড়ুন।

যদিও ছেলের কথাটি উল্লেখ করা আছে, ছেলে মেয়ে দুজনের জন্যই এই পোস্টটি।

চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে ছেলেটি মোবাইলে কি যেনো একটা দেখছে! অন্ধকার গাঢ় আবছা, কানে ইয়ারফোন।

দেখছে যিনার দৃশ্য। স্বাদ নিচ্ছে তার চোখ। বড় বড় করে তাকিয়ে আছে ছেলেটি দেখছে গোপনে নিকৃষ্ট দৃশ্যগুলি।

নিস্তব্ধ রাত ১১ টা বেজে ২০ মিনিট। অশ্লী*ল ভিডিও দেখছে, বা অবৈধ কোনো নারীর সাথে যিনার আলাপ করছে নিভৃতে। কত স্বাদ গুনাহ করতে!

হঠাৎ - আচমকা শরীরটা ঝাকুনি দিয়ে উঠলো! ছেলেটির মনে হলো কে যেনো ঢুকেছে রুমে কিন্তু, রুমের দরজা তো আটকানো। কি ব্যাপার, কে ঢুকলো রুমে অন্ধকারে?
হঠাৎ - শরীরটা শিউরে উঠলো। অজানা কেমন একটা শব্দ কানে বাজলো। অনুভব করতে পারলো, কেনো জানি শরীরটা অবস হয়ে যাচ্ছে!

- হঠাৎ বা দিকে দেখলো এটা কি?
- হায় আল্লাহ কে এটা? বিশাল বড় কে? আমার পাশে দাড়িয়ে আছে। কিভাবে ঢুকলো রুমে, হায় মাবুদ এ কেমন ভয়ানক মূর্তি দাড়িয়ে আছে আমার সামনে। থর থর করে কাপছে শরীর, হাত থেকে বুকের উপর পড়লো মোবাইলটা।

মোবাইলটা বুকের উপর থেকে পিছলে ছেলেটির গায়ের পাশে গিয়ে পড়লো, কিন্তু চলছে উ*লঙ্গ নারী - পুরুষের যিনার ভিডিও।

হয়তো মৃ*ত্যুর ডাক পড়ে গেলো তার।
- সে দেখছে মালাকুল মউতকে দাড়িয়ে আছে মৃ*ত্যু দূত।

একটু আগেও দেহটা ছিলো অনেক গরম, কিন্তু মুহূর্তেই ঝিম মেরে ঠান্ডা হয়ে গেছে। মৃ*ত্যু আজ তার সামনে, মনে মনে ভাবছে হায় আপসোস! একটু যদি তওবা করতে পারতাম! কিন্তু সময় যে আর নেই।

ছেলেটি পাপ ছাড়তে পারেনি এর আগেই ডাক পড়ে গেছে মৃ*ত্যুর। সময় ও পাইনি তওবা করতে। মোবাইলে ছিলো অগনিত উ*লঙ্গ ভিডিও ছিলো কত রঙ, বেরঙের সুরেলা গান। ডিলিট ও করতে পারেনি তার আগেই মৃ*ত্যু হাজির।

- মৃ*ত্যু ডাকছে তাকে, আসো হে নাপাক আত্মা!
- আসো হে নাপাক জা*লিম! নফসের উপর অত্যাচারী রুহু।

ভয়ে রুহু দৌড়াদৌড়ি শুরু করলো দেহের আনাচে কানাচে। পা দুটি হিম ঠান্ডা হতে শুরু করলো। কেউ নেই পাশে চোখ উল্টিয়ে ভয়ে, গলাটাও শুকিয়ে গেছে। পাশেই পড়ে আছে অশ্লী*লতা ভরপুর মোবাইলটা।

হঠাৎ লাফ দিয়ে উঠে বসে হুম! কেউতো নেই, মৃ*ত্যু দূত চলে গেছে আমাকে সুযোগ দিয়ে।

- তাই সময় থাকতেই
মোবাইলটা হাতে নিয়ে যা অশ্লী*ল কিছু আছে সব ডিলিট করুন। যতো অবৈধ কিছু আছে সব মুছে ফেলুন, তওবা করুন। রবের পথে ফিরে আসুন। নিজেকে সংশোধন করুন।

আমাদের রব পরম দয়ালু, তাই নিরাশ হবেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল। আল্লাহ সবাইকে মাফ করুক, সহীহ্ বুঝ দান করুন। আমিন।
লেখা- সংগৃহীত

Address

Riyadh

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JakaRia Vai posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share