Daybook of Lima

Daybook of Lima Hi, i am Lima who is a bangladeshi women live in Sweden. I am a homemaker and a proud mother of my 2 kids. I will share a glimpse of my life here. stay with me.
(7)

Thank you!🙂

জীবনে কিছু মানুষ আসে যারা বড় বড় কথা বলে না, কিন্তু ছোট ছোট কাজ দিয়ে অদ্ভুত সুন্দরভাবে মন ছুঁয়ে যায়। আমার এক পাকিস্তানি ব...
25/06/2026

জীবনে কিছু মানুষ আসে যারা বড় বড় কথা বলে না, কিন্তু ছোট ছোট কাজ দিয়ে অদ্ভুত সুন্দরভাবে মন ছুঁয়ে যায়। আমার এক পাকিস্তানি বন্ধু আছে, যে কোনো আগাম ঘোষণা ছাড়াই হুটহাট করে ভালোবাসা ভরা এক বক্স বিরিয়ানি পাঠিয়ে দেয়। মনে হয় যেন শুধু খাবার না, এক বাক্স মায়া, যত্ন আর আন্তরিকতা দরজায় এসে কড়া নাড়ে।

আর ওদের রান্নার বিরিয়ানির স্বাদ! সত্যি বলতে, যারা ওদের ঘরের রান্না করা বিরিয়ানি খায়নি, তারা হয়তো কখনো বুঝবেই না এর আসল জাদু কোথায়। সেই সুগন্ধ, সেই মশলার নিখুঁত মেলবন্ধন, আর প্রতিটা লোকমায় ঘরের উষ্ণতা-এগুলো শুধু খাওয়া যায় না, অনুভবও করা যায়।

গত এক বছরে বহুবার ওর হাতের রান্না আমার দরজায় এসে পৌঁছেছে। প্রতিবারই মনে হয়েছে, পৃথিবী এখনো সুন্দর আছে, কারণ মানুষের ভেতর এখনো এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা বেঁচে আছে।

আমি সত্যিই নিজেকে ভীষণ ব্লেসড মনে করি। আর প্রতিবারই অন্তর থেকে একটা দোয়া চলে আসে-আল্লাহ ওর রিজিক আরও বাড়িয়ে দিন, ওর জীবনকে বরকতে ভরিয়ে দিন, আর এমন সুন্দর মনকে সবসময় ভালো রাখুন।

“এখনকার বাচ্চাদের উন্নত শিক্ষা খুব তাড়াতাড়ি শুরু করতে হয় 😌১–২ বছর বয়সেই ক্যারিয়ার প্ল্যানিং জরুরি। বাসায় থেকে মা-বাবার ম...
23/06/2026

“এখনকার বাচ্চাদের উন্নত শিক্ষা খুব তাড়াতাড়ি শুরু করতে হয় 😌
১–২ বছর বয়সেই ক্যারিয়ার প্ল্যানিং জরুরি। বাসায় থেকে মা-বাবার মুখ দেখা, কোলে থাকা, গল্প শোনা-এসব তো পুরোনো সিলেবাস।

দুপুরের ভাত খেয়ে মায়ের বুকের ওমে ঘুমানো, মাঝেমাঝে ঘুমের মধ্যে মা আছে কিনা হাত দিয়ে খুঁজে দেখা এসব তো তেমন গুরুত্বপূর্ণ না। এগুলো দিয়ে আর জীবনে কী হবে!

বেশি জরুরি হলো ছোটবেলা থেকেই লাইফ স্কিল শেখা ,নিজের জুতা নিজে গুছিয়ে রাখা, নিজের খেলনা ঠিক জায়গায় রাখা, রুটিন মেনে চলা। কারণ পৃথিবী অনেক কঠিন, তাই দেড়-দুই বছর বয়স থেকেই ‘প্র্যাকটিক্যাল লাইফ ট্রেনিং’ শুরু হওয়া উচিত 🙂

18/05/2026

“চালক নেই, তবুও পাতালের ভেতর ছুটে চলছে ট্রেন…
প্রযুক্তি সত্যিই ভবিষ্যৎকে আজকের দিনে এনে দিয়েছে।

জোকস অ্যাপার্ট 😄
অনেকে এখন অবাক হলেও, আমি কিন্তু ১০ বছর আগেই সাউথ কোরিয়াতে চালকবিহীন মেট্রোতে চড়েছি! বিষ্মিতও হয়েছিলাম।
তখনই বুঝেছিলাম-ভবিষ্যৎ অনেক আগেই চলে এসেছে।”

অপারেশন থিয়েটারের ভেতরটা বরফ শীতল। সাদা আলো চোখে বিঁধছে। চারপাশে অচেনা যন্ত্রের শব্দ বিপ… বিপ… বিপ…।কেউ দ্রুত হাঁটছে, ক...
13/05/2026

অপারেশন থিয়েটারের ভেতরটা বরফ শীতল। সাদা আলো চোখে বিঁধছে। চারপাশে অচেনা যন্ত্রের শব্দ বিপ… বিপ… বিপ…।
কেউ দ্রুত হাঁটছে, কেউ গ্লাভস পরছে, কেউ ডাকছে-
“ফাস্ট… প্রেসার ড্রপ করছে…”

আর আমি?
আমি তখন শুধু এক অসহায় মা।

প্রায় ত্রিশ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে লেবার পেইনের সাথে যুদ্ধ করছি। শরীরের প্রতিটা হাড় যেন ভেঙে গিয়েছে। ব্যথা এতটাই অসহনীয় হয়ে উঠেছিল যে আমি ডাক্তারদের প্রায় চিতকার করে রিতিমত আদেশ করছিলাম-
“দয়া করে… কিছু একটা করুন… এই ব্যথা বন্ধ করুন…”

চোখ ঝাপসা হয়ে আসছিল। মনে হচ্ছিল আমি আর পারব না।
জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একটা ক্লান্ত মানুষ আমি।

ঠিক তখনই, হঠাৎ কেউ আমার হাতটা আলতো করে ধরলো।

সাদা পোশাক, মুখে মাস্ক, চোখে অদ্ভুত শান্তি।
একজন নার্স।

সে ধীরে ধীরে আমার কানের কাছে মুখ এনে বললো-
“আমার হাত চেপে ধরো। খামচি দাও, আঁচড়াও, যা ইচ্ছা করো… কোনো সমস্যা নেই। আমি আছি তোমার পাশে। তুমি একা নও। ভয় পেও না…”

কথাগুলো খুব সাধারণ ছিল।
কিন্তু সেই মুহূর্তে, আমার কাছে মনে হয়েছিল কেউ যেন ডুবে যাওয়া মানুষকে শেষ ভরসার কাঠিটা ধরিয়ে দিয়েছে।

আমি তার হাত শক্ত করে চেপে ধরেছিলাম।
অদ্ভুতভাবে, ব্যথাটা তখনও ছিল… কিন্তু ভয়টা কমতে শুরু করেছিল।
কারণ মানুষ তখন ব্যথার চেয়ে বেশি ভয় পায় একা হয়ে যেতে।

অপারেশন শুরু হলো।
ডাক্তারদের ব্যস্ততা চলছিল, আলো আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল।
কিন্তু সেই নার্স-সে আমার মাথার পাশে দাঁড়িয়েই রইলো। পুরো সময়।

মাঝে মাঝে কপালে হাত রাখছিল।
বলছিল-
“আর একটু… তুমি খুব সাহসী…”

আমি চোখ খুলে বারবার শুধু তার দিকেই তাকাচ্ছিলাম।
মনে হচ্ছিল, এই অচেনা মানুষটাই তখন আমার সবচেয়ে আপন।

তারপর…
হঠাৎ একটা কান্নার শব্দ।

খুব ছোট্ট, খুব নতুন একটা কান্না।
আমার সন্তানের প্রথম কান্না।

সেই শব্দ শুনে আমার চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়েছিল।
মনে হচ্ছিল পৃথিবীর সব ব্যথার শেষে আল্লাহ আমাকে জান্নাতের একটা দরজা খুলে দেখিয়েছেন।

আমি দুর্বল চোখে পাশে দাঁড়ানো নার্সটার নেমপ্লেটের দিকে তাকালাম।
লেখা ছিল-
“হিনা খান।”

সেদিন বুঝেছিলাম, পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে যারা শুধু পেশার জন্য কাজ করে না।
তারা আল্লাহর রহমত হয়ে আসে।
অন্ধকার মুহূর্তে আলো হয়ে আসে।
অচেনা হয়েও আপন হয়ে যায়।

হিনা খান হয়তো জানেই না, সেই রাতের কথা আমি আজও ভুলিনি।
সে হয়তো প্রতিদিন অসংখ্য রোগীর পাশে দাঁড়ায়।
কিন্তু আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মুহূর্তে, সে ছিল আমার সাহস।

আজও যখন ছেলেকে দেখি, মনে পড়ে সেই বরফ শীতল অপারেশন থিয়েটার…
আর মনে পড়ে এক উষ্ণ হাতের স্পর্শ।

জীবনে কিছু স্পর্শ কখনো ভোলা যায় না।
কারণ সেগুলো শুধু হাত ছোঁয় না-
ভাঙতে বসা মনকেও বাঁচিয়ে তোলে।

(ছবিটি আইসিইউ তে থাকা মুমূর্ষু রুগির হাতের সাথে লাগিয়ে রাখার জন্য কৃত্রিম হাত বানাচ্ছে গ্লোভস দিয়ে-এমন এটা ভিডিও থেকে নেয়া স্ক্রিনশট। ভিডিওটা এত বেশি টাচি নিজের লাইফের অনেক কিছু মনে পরে গেলো। আমি আবার এলোমেলো হয়ে যাচ্ছি সেদিনের স্মৃতি মনে করতে করতে!!)

09/05/2026

সুইডেনে রাত দশ টাতেও ঝকঝকা আলো তাই আমিও দশ টার আগে বাড়ি ফিরিনা। মেয়েকেও শাসন করিনা🤩

06/05/2026

Adress

Stockholm

Webbplats

Aviseringar

Var den första att veta och låt oss skicka ett mail när Daybook of Lima postar nyheter och kampanjer. Din e-postadress kommer inte att användas för något annat ändamål, och du kan när som helst avbryta prenumerationen.

Kontakta Affären

Skicka ett meddelande till Daybook of Lima:

Genvägar

Dela