Mr. A React

Mr. A React নিজের উপর বিশ্বাস রেখো, এত সহজেই হার মেনো না।

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ‘শেষ ৬০ দিনের বই’ এটাতে বলেছিলো, ট্রেনের মধ্যে হাজার হাজার মুসলমানের লা/শে/র ঘটনাটি তার জীবনের অন্...
15/09/2026

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ‘শেষ ৬০ দিনের বই’ এটাতে বলেছিলো, ট্রেনের মধ্যে হাজার হাজার মুসলমানের লা/শে/র ঘটনাটি তার জীবনের অন্যতম প্রধান বেদনাদায়ক দিন! 😢😢💔

১৯৪৭ সালে ভারত ভেঙ্গে “মুসলিম রাষ্ট্র” (পাকিস্তান) প্রতিষ্ঠার পর হাজার হাজার মুসলমান শরণার্থীদের হ*ত্যা করে ট্রেনভর্তি করে পাকিস্তান লাহোর স্টেশনে পাঠিয়েছিলো উ+গ্র-হি #ন্দু #ত্ব #বা #দী ভা'র'ত! 😭

এই উ-গ্র-হি*ন্দু*ত্ব*বা*দী দা‘লা’লরা জিন্নাহকে সহ্য হবে না এটাই স্বাভাবিক।

তবে ভারত থেকে আলাদা হয়ে “মুসলিম রাষ্ট্র” প্রতিষ্ঠায় জিন্নাহ সারাজীবন মুসলমানদের মহান নেতা হিসেবে হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে! 🔥

পোস্টঃ কালেক্টেড।

'শাউ** মার্কা এক নাটক দেখলাম!🤧 নাটকের নাম "আমাদের সংসার।" আফা কবির এবং দুচনা ফারহানের নাটক। গাঞ্জা খেয়ে পাগলের অভিনয় টাই...
12/09/2026

'শাউ** মার্কা এক নাটক দেখলাম!🤧 নাটকের নাম "আমাদের সংসার।" আফা কবির এবং দুচনা ফারহানের নাটক।

গাঞ্জা খেয়ে পাগলের অভিনয় টাইপের নাটকে ফারহানরে ভালো মানায় একদম রিয়েলস্টিক লাগে। যাইহোক কাহিনী হচ্ছে আফা কবিরকে চদনা ফারহান কাজী অফিসে নিয়ে বিয়ে করে। আফা কবিরের বাপ ফোন করে বলে, আজ থেকে বিলাইরে মেয়ে ডাকব তবুও তোরে মেয়ে বলে স্বীকার করব না।

বিয়ে করে চদনা ফারহান বউ নিয়ে বাসায় আসে। এখানেও ফারহানের বাপ মা বিয়ে মানে না, ফারহানের মা তো গালে কামড়ে দিতে চায়। তারপর সমঝোতার ভিত্তিতে মেনে নেয়া হয়৷ প্রথম কয়েকদিন আফা কবিরকে সবাই গুতাগুতি করে। দুইদিন পর চদনা ফারহান আফা কবিরকে রুমের ভিতরে নিয়ে know know দ্বারা হালকা লদকিলদকি করলে সে প্রেগন্যান্ট হয়ে যায়।

এরপর সবাই আফা কবিরকে ভালোবাসতে শুরু করে। এদিকে আফা কবিরের দেবর নিয়মিত বন্ধুদের সাথে কাঁঠাল পাতা খায়। এ নিয়ে চদনা ফারহান ও তার ভাই চিল্লাফাল্লা করে বাল ছিড়ে ফেলে। কিছুদিন পর তেঁতুল খেতে খেতে আফা কবিরের প্রেগ্ন্যাসির ব্যথায় হাসপাতালে গেলে বাচ্চা হয়ে যায়। তারপর সবাই মিলে সেলফি তুলে নাটকের ইয়াক্কা বুলবুল সম্পূর্ণ হয়।

- ইয়ামেতে কুদাসাই

'মীর রাসমিনা' নামের এই মেয়েটি  বলছিলেন তার নি*র্ল*জ্জ যৌ*ন*লো*ভী স্বামী মনজুরকে নিয়ে, তিনি বলেন― আগের দুই বিয়ের কথা লুকি...
31/08/2026

'মীর রাসমিনা' নামের এই মেয়েটি বলছিলেন তার
নি*র্ল*জ্জ যৌ*ন*লো*ভী স্বামী মনজুরকে নিয়ে, তিনি বলেন―

আগের দুই বিয়ের কথা লুকিয়ে আমাকে ঠকিয়েছে এবং ঘরে চার মাসের ক্ষুধার্ত শি*শু রেখে গাইবান্ধার এক বিবাহিত নারীর হাত ধরে নির্ল*জ্জের মতো পালিয়েছে।
আমার স্বামী সঙ্গল ছাড়া কিছু বুঝে নাহ,রাক্ষসটা ২৪ ঘন্টা শুধু সে***ক্স নিয়েই পড়ে থাকে।

এই যৌ**ন-লো*ভী স্বামীর চেয়েও ভয়ং**কর সিরাজগঞ্জে থাকা আমার লোভী শ্বশুর-শাশুড়ি, যারা আমার তিন বছরের নাড়িছেঁড়া ধনকে জোরপূর্বক আটকে রেখে নি**র্লজ্জের মতো ঘোষণা দেয়, "এক ছেলে দিয়ে ২৪টা বউ দেখব!"

ছোটবেলা থেকে আমি বাবার স্নেহবঞ্চিত নারী। আজ গার্মেন্টসে হাড়ভাঙা খাটুনি খেটেও বেহায়া স্বামীর চরম অবহেলা আর সন্তান হারানোর যন্ত্রণায় প্রতিনিয়ত দগ্ধ হয়ে মানুষের দাড় দাড়ে ঘুরছি কেউ সমাধান দিতে পারছে নাহ।

মাতৃত্বের অধিকার ছিনিয়ে আনতে এই জঘ**ন্য পরিবারের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে আইনের আশ্রয় নেওয়া ছাড়া আমার সামনে আজ আর কোনো পথ খোলা নেই।

ছবিতে এই কু-লা-ঙ্গার এর বাচ্চাটা যার তার গায়ে যেভাবে হাত তুলতেছে, আচ্ছা এর জন্য কি কোন আইন নাই? কয়দিন আগে 'শান্তা ফারজান...
15/08/2026

ছবিতে এই কু-লা-ঙ্গার এর বাচ্চাটা যার তার গায়ে যেভাবে হাত তুলতেছে, আচ্ছা এর জন্য কি কোন আইন নাই? কয়দিন আগে 'শান্তা ফারজানা'কে পি-টি-য়েছে! আবার 'শান্তা ফারজানা'কে জেলেও দিছে।

আজকে আবার ধানমন্ডি ৩২ এ রাস্তার উপরে যার-তার ফোন চেক করে গায়ে হাত তুলতেছে। সাংবাদিক নামের কত গুলো জা-উ*ড়া দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আবার সেটা দেখতেছে, প্রশাসনের কথা নাই বা বললাম।😰

এই কু-লা-ঙ্গা-রের বাচ্চার এসব অত্যাচারের দিন খুব তাড়াতাড়িই শেষ হবে, যেসব মূর্খ কিছু না বুঝেই তাদের পক্ষে সাফাই গাইতেছে ওদের কিছু না বললাম।

ভিকারুননেসার ছাত্রী এসএসসির রেজাল্ট পেয়ে পাশ করার আনন্দে বাবা তাকে জড়িয়ে ধরার একটি ভিডিও অনেক ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই এই ছব...
11/08/2026

ভিকারুননেসার ছাত্রী এসএসসির রেজাল্ট পেয়ে পাশ করার আনন্দে বাবা তাকে জড়িয়ে ধরার একটি ভিডিও অনেক ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই এই ছবিটি দেখে বা-জে মন্তব‍্য করছেন। আপনারা একটি বার ভাবুন, বাবা তার মেয়েকে আদর করতেই পারেন। আবেগের বশে এভাবে চুমু খেতেই পারেন। এটা স্বাভাবিক। আপনারা কিভাবে এরমাঝে বাজে কিছু খুঁজে পান? নিজে যখন বাবা হবেন, তখন বুঝতে পারবেন। যারা এসব নিকৃষ্ট মন্তব‍্য করছেন, দয়া করে থামুন।

মলি কোচানের বয়স যখন ৩৩, তখন একজন ডাক্তার প্রথম তার স্ত**নে একটা টি**উ**মার খুঁজে পান এবং তাকে বলেন যে এই নিয়ে চিন্তা ক...
27/07/2026

মলি কোচানের বয়স যখন ৩৩, তখন একজন ডাক্তার প্রথম তার স্ত**নে একটা টি**উ**মার খুঁজে পান এবং তাকে বলেন যে এই নিয়ে চিন্তা করার জন্য তিনি অনেক কম বয়সী। ছয় বছর পর, ২০১১ সালে, সেই টি**উ**মারটি স্ত**ন ক্যা**ন**সার বলে নিশ্চিত হয়। ২০১৫ সাল নাগাদ, এটি মরণাপন্ন পর্যায়ে পৌঁছে যায়।

তিনি ১৫ বছর ধরে এমন এক বিবাহিত জীবনে ছিলেন, যাকে তিনি পরবর্তীতে "ভালোবাসাহীন" বলে বর্ণনা করেছিলেন। কোনো নিরাময় নেই এমন একটা রোগ নির্ণয়ের মুখোমুখি হয়ে, তিনি এমন একটা সিদ্ধান্ত নেন, যা বেশিরভাগ মানুষ সচেতনভাবে নেওয়ার সুযোগই কখনো পায় না। তিনি বিবাহ বিচ্ছেদ করেন এবং সিদ্ধান্ত নেন, তার হাতে যতটুকু সময়ই থাকুক না কেন, তা তিনি ঠিক কীভাবে কাটাতে চান।

তিনি বলেছিলেন, "যৌ***নতা আমাকে জীবিত অনুভব করায়, আর এটা অসুস্থতা থেকে মনোযোগ সরানোর একটা দারুণ উপায়।" তিনি মৃ**ত্যুর আগে প্রায় ২০০ জন পুরু**ষের সাথে শারী**রিক সম্পর্কে জড়ান, এবং তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু নিকি বয়ারের সাথে মিলে "ডাইং ফর সে***ক্স" নামের একটা পডকাস্টে সেই পুরো যাত্রার ডকুমেন্টেশন করেন, যা পরবর্তীতে মিশেল উইলিয়ামস অভিনীত একটা এফএক্স সিরিজে রূপান্তরিত হয়।

তিনি খোলাখুলিভাবে বলতেন, কেন তিনি এমন এক অনুপ্রেরণাদায়ক বিদায়পত্র লিখতে অস্বীকার করেছিলেন, যা মানুষ সাধারণত ক্যা**ন**সারে মৃ**ত্যু-বরণকারী কারো কাছ থেকে প্রত্যাশা করে। তিনি লিখেছিলেন, "যারা মা**রা যান, বিশেষত ক্যা**ন**সারে, তাদের অনেকেই জীবনকে আলিঙ্গন করা নিয়ে ভাইরাল চিঠি লেখেন। আমার কাছে সেরকম কোনো জীবনের শিক্ষা শেয়ার করার নেই। আমি জানি জীবনের শেষ প্রান্তে আমি কী করেছিলাম। আমি জানি কী আমাকে আনন্দ দিয়েছিল।"

মলি কোচান ২০১৯ সালের ৮ মার্চ, ৪৫ বছর বয়সে মা**রা যান। তার শেষ ব্লগ পোস্টের শিরোনাম ছিল শুধু এতটুকুই, "আমি মা**রা গেছি।"

তিনি কখনো দাবি করেননি যে তার কাছে সব উত্তর ছিল। তিনি শুধু তার শেষ কয়েকটা বছর এমন কারো ভান করে কাটাতে অস্বীকার করেছিলেন, যিনি তিনি ছিলেন না।

দুই বাচ্চা আর স্ত্রীকে নিয়ে থাইল্যান্ড গেছিলাম বেড়াতে। এক ট্যাক্সি ড্রাইভারের কাছে স্ক্যামের স্বীকার হলাম। ৩০০ বাথ ভাড়া ...
21/07/2026

দুই বাচ্চা আর স্ত্রীকে নিয়ে থাইল্যান্ড গেছিলাম বেড়াতে। এক ট্যাক্সি ড্রাইভারের কাছে স্ক্যামের স্বীকার হলাম। ৩০০ বাথ ভাড়া দিতে গিয়ে আমার স্ত্রী তাকে ১০০০ বাথের নোট দেয়, সে কৌশলে ঐ টাকা রিপ্লেস করে ১০০ টাকা দেখিয়ে বলে আরো ৩০০ বাথ। আমার স্ত্রীকে আমি বল্লাম ১০০ বাথ নিয়ে ১০০০ বাথ দাও আমার স্ত্রী কনফিউসড হয়ে আবার ১০০০ বাথ দেয় , ড্রাইভার আবার সেইম কাজ করে। প্রথম বার আমি খেয়াল করি নাই বাট এবার আমি খেয়াল করেছিলাম বলে প্রটেস্ট করায় সে আমাকে আবার ১০০ বাথ দেখিয়ে বলে তাকে ১০০ বাথের নোট দেয়া হয়েছে। আমি ভাবলাম এসব সভ্য দেশেতো কেউ চিটিং করার কথা না তাই আবার ১০০০ বাথ দিয়ে দিলাম।।হোটেল রুমে এসে আমরা দুজনেই ব্যাপারটা মেলাতে পারছিলাম না। তিন বার আমরা এক ই ভুল কিভাবে করলাম। ব্যাগের টাকা গুনে হিসেব করে বুঝলাম আমরা প্রতারিত হয়েছি।
ভেবেছিলাম প্রতারক শুধু বাংলাদেশ, পাকিস্তান আর ভারতেই আছে।এসব দেশে এরকম প্রতারণা হবে চিন্তাও করি নাই।

আর কে কে এরকম প্রতারণার স্বীকার হয়েছেন?

- Zahidul Haque

ক্ষমতার এসি রুমে বসে থাকা শু**য়োরগুলো কি জানে, বুক সমান পচা পানিতে দাঁড়িয়ে পরীক্ষা দেওয়ার যন্ত্রণা কেমন? তোদের ভুলে যখন ...
14/07/2026

ক্ষমতার এসি রুমে বসে থাকা শু**য়োরগুলো কি জানে, বুক সমান পচা পানিতে দাঁড়িয়ে পরীক্ষা দেওয়ার যন্ত্রণা কেমন? তোদের ভুলে যখন একটা ছেলের বুয়েটে পড়ার স্বপ্ন মাঝরাস্তায় মরে যায়, তখন সেটা স্রেফ ভুল থাকে না, হয়ে যায় প্রকাশ্য খুন! আজকে যেই মেয়েটা ভিজে চুপসে গিয়ে পরীক্ষা দিল, সে আর কোনোদিন এই হারামখোর সিস্টেমটাকে নিজের বলে মানবে না। তোদের এই অথর্ব শিক্ষামন্ত্রী আর চামচাদের খামখেয়ালিতে আজ ২৬ ব্যাচের যে রক্তক্ষরণ হলো, তার হিসেব কড়ায় গন্ডায় তোলা হবে।

কাঁচের ঘরে বসে তোদের মনে হচ্ছে তোদের বালটাও কেউ ছিঁড়তে পারবে না, ঠিক যেমনটা স্বৈরাচারী হাসিনাও ভেবেছিল। ২০১৭ সালের কোটা আন্দোলন, ২০১৮ এর নিরাপদ সড়ক আর আবরার ফাহাদের রক্তের ওপর পাড়া দিয়ে ওরা ভেবেছিল সব ভুলে গেছি আমরা। কিন্তু জুলাইয়ের রাস্তায় বুক পেতে দেওয়া ওই পোলাপানগুলোই ছিল ২০১৮ সালে ছাত্রলীগের কুত্তাদের হাতে মার খাওয়া সেই জেনারেশন। তোরা হয়তো ভুলে যাস, কিন্তু যাদের পিঠে লাঠির দাগ আর বুকে স্বপ্নের লাশ থাকে, তারা শালা কোনোদিন কিচ্ছু ভোলে না!

আজকের এই পরীক্ষার নামে যেই সরকারি বালছাল নির্যাতন তোরা করলি, এই বঞ্চনার ইতিহাস ঠিকই পাথরে খোদাই করা রইলো। কোটি মানুষের ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসে আজ তোরা মানুষকেই লাথি মেরে আমলাদের পা চাটছিস। লিখে রাখিস, মানুষের বুকে লাথি মেরে যেই কাঁচের ঘর তোরা বানাচ্ছিস, সেই ঘর ভাঙার কারিগর এই নির্যাতিত তরুণরাই হবে। মহাকাল সাক্ষী, জনতার ক্ষোভের আগুনে তোদের এই অহংকারের তখতে তাউস ছাই হতে বেশি দিন লাগবে না!

ইনি একজন স্কুলের প্রধান শিক্ষক।  নাম কাবেরী করিম। ওই স্কুলেরই  তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বিসমাহ জান্নাত ঐশ্বর্য স্কুলের অ্যাস...
09/07/2026

ইনি একজন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। নাম কাবেরী করিম।

ওই স্কুলেরই তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বিসমাহ জান্নাত ঐশ্বর্য স্কুলের অ্যাসেম্বলি চলাকালে সে এক সহপাঠীর সঙ্গে কথা বলছিলো। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রধান শিক্ষিকা কাবেরী করিম তাকে শাসন করেন এবং গালে একটি চ/ ড় মারেন।

​মেয়ের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন বাবা সামসউর রহমান শুভ। তিনি স্কুলে গিয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ শুরু করেন।

একপর্যায়ে তিনি প্রধান শিক্ষকের অফিসকক্ষে ঢুকে চেয়ারে বসা অবস্থায় কাবেরী করিমকে আচমকা চ/ ড়-থা/ প্প/ ড় মারতে থাকেন।
এ সময় উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মচারী তাকে নিবৃত্ত করে কক্ষের বাইরে নিয়ে যান।

ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষিকা কাবেরী করিম বলেন,
আমি একজন শিক্ষক। আদরের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের শাসনও করতে হয়। সে কারণেই একটি চ/ ড় মেরেছিলাম। কিন্তু একজন অভিভাবক আমার অফিসকক্ষে ঢুকে আমার গা/ য়ে হা/ ত তুলবেন, তা কখনো কল্পনাও করিনি। এই ঘটনার পর আমি বিদ্যালয়ে যেতে নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছি এবং আবারও হা/ ম/ লার আশঙ্কা করছি।

ভাই! শিক্ষকের শাসনের পদ্ধতি নিয়ে যদি কোনো অভিভাবকের দ্বিমত বা অভিযোগ থাকে, তবে তা সমাধানের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি পথ উন্মুক্ত ছিলো।

কিন্তু প্রকাশ্য দিবালোকে একজন প্রধান শিক্ষিকাকে কর্মক্ষেত্রে ঢুকে লাঞ্ছিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই উগ্র আচরণ শুধু একজন শিক্ষককে অপমান করেনি, বরং বিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ এবং অন্য শিক্ষার্থীদের মনেও এক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।😰

-diaryofshe

রোগী এসে চেয়ারে বসতেই আমি জানতে চাইলাম - কি সমস্যা বলেন তো ?তিনি বললেন - সমস্যা দেহনের লাইগাই তো আল্ট্রা করবার আইলাম ।তা...
05/07/2026

রোগী এসে চেয়ারে বসতেই আমি জানতে চাইলাম - কি সমস্যা বলেন তো ?
তিনি বললেন - সমস্যা দেহনের লাইগাই তো আল্ট্রা করবার আইলাম ।
তার এহেন উত্তরে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম ।

নিজেকে সামলে নিয়ে আবারো জানতে চাইলাম - আল্ট্রা তো পরে , আগে সমস্যা কি হচ্ছে সেইটা বলেন ।

তিনি ঈষৎ বিরক্ত হয়ে বললেন - আল্ট্রা করলেই সমস্যা ধরা পড়বো ।

কি বিপদ ! রোগী দেখি আল্ট্রার বাইরে কোন কথাই বলে না !

ঠান্ডা মাথায় তাকে আবারো বললাম - আচ্ছা ঠিক আছে বুঝলাম । আল্ট্রা তো অবশ্যই করবেন । আল্ট্রা যেহেতু করতেই আসছেন যে কোন একটা কারণেই তো আসছেন । সেই কারণ টা কি ?
পেটে ব্যথা ?
পিরিয়ডের কোন সমস্যা ?

কিউট রোগী উত্তরে বললেন - কারণ বুঝবার জন্যিই তো আল্ট্রা করবার আইছি ।

এমনিতেই রাত জেগে খেলা দেখা আর গরমের জন‍্য মাথাটা ভারী হয়ে আছে । রোগীর এমন কথা বার্তায় মাথাটা আরো আউলাইয়া গেল । কি বলা উচিত ভেবে ভেবে আমি দিশেহারা ।

এবার একটু উঁচু গলায়ই বললাম - কোন সমস্যার কথা না বললে আল্ট্রা করে লাভ কি ? সমস্যা না শুনে আল্ট্রা লাগবে কি না কিভাবে বলব ?

রোগী আমার চেয়েও উঁচু গলায় উত্তর দিল - সব সমস্যা যদি মুখেই কইয়া দেই তাইলে আল্ট্রা করাইয়া লাভ কি ?

ফিলিং - আমার বলার কিছু ছিলো না .. না গো ..🙊

-ফাহমিদা মাহবুবা

Address

Singapore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mr. A React posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share