Afifa’s life style

Afifa’s life style Assalualaikum. Alhamdulillah for everything �My family

--প্রতিটা মানুষের বুকের মধ্যে একটা করে আয়না ঘর আছে। যেখানে নির্মম ভাবে গুম হয়ে যায় কত না বলা কথা, না পাওয়া ভালোবাসা, বিভ...
11/10/2025

--প্রতিটা মানুষের বুকের মধ্যে একটা করে আয়না ঘর আছে। যেখানে নির্মম ভাবে গুম হয়ে যায় কত না বলা কথা, না পাওয়া ভালোবাসা, বিভিন্ন রকম দুঃখ-ব্যাথা আর চোখের পানি। হারিয়ে যাওয়া কতো মানুষের স্মৃতি।

আরও থাকে এক বুক অভিমান, অনুযোগ, খুনশুটি। এতো এতো গুম হয়ে যাওয়া আবেগ আর স্মৃতি নিয়েও মানুষ বেঁচে থাকে। এলোমেলো, ক্লান্ত এক বিধ্বস্ত জীবন কাটায়।

স্বৈরাচারীর পতন হলে লুকানো অনেক কিছুই উন্মুক্ত হয়, গুম হয়ে যাওয়া কত মানুষ আবার নতুন জীবন পায়, সাথে পায় স্বাধীনতা। কিন্তু এই যে বুকের ভেতরের রক্ত বন্যা, হৃদয়ের ক্ষতবিক্ষত হওয়া জখম, ঝর্ণার ন্যায় অবিরত বয়ে চলা অশ্রু ধারা। তারা কখনোই উন্মুক্ত হয় না, পায়না স্বাধীনতা। কেউ কখনো অনুসন্ধানও করেনা, খোঁজও পায়না, আর জনসম্মুখে প্রকাশিতও হয়না এই আয়না ঘর।।

✍️c

একজন বাবার হাসির আড়ালেই লুকিয়ে থাকে হাজারো ত্যাগ।তিনি ভীষণ ক্লান্ত হলেও মুখে হাসি রাখেন, ভিতরে ভেঙে গেলেও বাইরে থাকেন শক...
09/15/2025

একজন বাবার হাসির আড়ালেই লুকিয়ে থাকে হাজারো ত্যাগ।
তিনি ভীষণ ক্লান্ত হলেও মুখে হাসি রাখেন, ভিতরে ভেঙে গেলেও বাইরে থাকেন শক্ত — শুধু তাঁর পরিবার আর সন্তানের একটু নিরাপত্তা গড়ে তোলার জন্য।

বাবার প্রতিটি নীরব ত্যাগই সন্তানের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ।

ভালো থাকুন বাবা-রা

কেন অন্য মহিলাদের নিজেদের স্ত্রীর চেয়ে বেশি সুন্দরী মনে হয়?একজন বিজ্ঞ মনীষী কাছে এক লোক এসে অপরাধীর কন্ঠে বলতে লাগলো,মনী...
08/17/2025

কেন অন্য মহিলাদের নিজেদের স্ত্রীর চেয়ে বেশি সুন্দরী মনে হয়?

একজন বিজ্ঞ মনীষী কাছে এক লোক এসে অপরাধীর কন্ঠে বলতে লাগলো,

মনীষী!

আমার স্ত্রী কে বিয়ে করার আগে সর্বপ্রথম যখন দেখি, তখন আমার মনে হয়েছিল আমার স্ত্রীর মতো করে মহান সৃষ্টিকর্তা পৃথিবীতে আর কাউকে সৃষ্টি করেননি।

যখন আমার স্ত্রীর কাছে আমি বিয়ের প্রস্তাব পাঠালাম এবং সে প্রস্তাব গ্রহন করলো, বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হলো, তখন আমি দেখতে পেলাম আমার স্ত্রীর মতো সুন্দরী অনেক মহিলা পৃথিবীতে আছে।

আর যখন আমার স্ত্রীকে বিয়ে করে ঘরে তুললাম, দেখতে পেলাম অনেক মহিলা আমার স্ত্রীর চেয়েও অতিরিক্ত সুন্দরী।

বিয়ের পর যখন কয়েক বছর কেটে গেলো, আমার মনে হলো, প্রতিটি মহিলা আমার স্ত্রীর চেয়ে অনেক বেশি সুন্দরী।

মনীষী উত্তরে বললেন, আমি কি তোমাকে এর চেয়েও মারাত্মক একটি বিষয় বলবো? লোকটি বললো, হ্যাঁ হ্যাঁ, বলুন।

মনীষী বলতে লাগলেন, তুমি যদি পৃথিবীর সব মহিলাকে বিয়ে করে ফেলো, তখন পৃথিবীর সব মহিলার চেয়ে পথের নেড়িকুত্তা গুলোকে তোমার বেশি সুন্দরী মনে হবে।

লোকটি অধীর আগ্রহে জানতে চাইলো, কিন্তু মনীষী কেন এমনটা মনে হবে?

সমস্যাটা কোথায় হচ্ছে?

মনিষী ব্যাখ্যা করে বলতে লাগলেন,

শোনো, সমস্যাটা তোমার স্ত্রীর মধ্যে নয়। সমস্যাটা হলো মানুষের অন্তর যখন নষ্ট হয়ে যায় এবং চোখগুলো যখন লালসায় ভরে যায়, সৃষ্টি কর্তা ডর-ভয়, লাজ-শরমও যখন মানুষের চলে যায়, তখন তার চোখগুলো কবরের মাটি ছাড়া আর কিছুতেই ভরে না।

আর তোমার সমস্যাটা হচ্ছে,

তুমি পাপ এবং অপবিত্র বস্তুর দিকে দৃষ্টিপাত করা থেকে বিরত থাকো না।

সৃষ্টি কর্তাকে ভয় করতে থাকো।

দেখবে সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে।

সবজি ওজন করার সময় যদি মাপার যন্ত্রে একটি মাছি বসে, তবে ওজনে তেমন কোনো পার্থক্য হয় না। কিন্তু সেই একই মাছি যদি স্বর্ণ ও...
08/07/2025

সবজি ওজন করার সময় যদি মাপার যন্ত্রে একটি মাছি বসে, তবে ওজনে তেমন কোনো পার্থক্য হয় না।
কিন্তু সেই একই মাছি যদি স্বর্ণ ওজন করার সময় বসে, তাহলে ওজনে দশ-বিশ হাজার টাকার পার্থক্য করে দিতে পারে।
এখানে ওজন বড় কথা নয়, আপনি কোন জায়গায় অবস্থান করছেন সেটাই আসল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তাই চেষ্টা করুন ভালো মানুষদের সংস্পর্শে থাকতে। উত্তম পরিবেশে অবস্থান করুন এবং নিজের সম্মান ও মর্যাদা বজায় রাখুন।

মা হয় সে নিজের এক একটা ত্যাগ থেকে, অমুক তমুক এর দেয়া পরামর্শ থেকে না।সন্তান জন্মানোর পর একটা মেয়ের জীবন বদলে যায়—এই কথাট...
07/05/2025

মা হয় সে নিজের এক একটা ত্যাগ থেকে, অমুক তমুক এর দেয়া পরামর্শ থেকে না।

সন্তান জন্মানোর পর একটা মেয়ের জীবন বদলে যায়—এই কথাটা সবাই বলে।
কিন্তু কেউ বলে না, সেই বদলে যাওয়া জীবনে তার নিজের জন্য ঠিক কতটুকু জায়গা বাঁচে?

সে কেন খিটখিটে হয়ে গেছে?
কেন একটুতেই রেগে যাচ্ছে?
কেন আগের মতো হাসছে না, কথা বলছে না?

এই প্রশ্নগুলো আমরা করি ঠিকই,
কিন্তু কখনো কি প্রশ্ন করি—সে কি ভালো আছে?

সে যে নতুন মা হয়েছে, তার একটা নতুন পরিচয় তৈরি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেই নতুন পরিচয়ের পেছনে কতটা ত্যাগ, কতটা কষ্ট, কতটা নিঃস্বতা জমে আছে—তা কেউ খুঁজে দেখে না।

দিনের পর দিন, বছরের পর বছর
সে ঘুমহীন রাত পার করে দেয় শুধু তার সন্তানের এক ফোঁটা হাসির জন্য।
চোখে থাকে হাজার রাতের ঘুমের অভাব,
পেটে খিদে, তবুও সে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকে বাচ্চার পাশে—তাকে খাওয়ানোর জন্য, ঘুম পাড়ানোর জন্য।

বাড়িতে লোকজন থাকুক আর কাজের লোক থাকুক,
তার সন্তানের প্রয়োজন, অপ্রয়োজন—সব কিছু দেখতে হয় তাকেই।
কারণ, “মা” হওয়া মানেই যেন চব্বিশ ঘণ্টার ডিউটি,
কোনো ছুটি নেই, কোনো রেস্ট নেই, কোনো পারিশ্রমিক নেই।

বাচ্চার জন্য আয়া রাখলে, সংসারের কাজে বুয়া রাখলে আমরা সবাই বেতন দিই,
কিন্তু একজন মা? একজন ঘরের বউ? তার সব কাজই যেন “স্বাভাবিক”।

হ্যাঁ, সমাজ বলবে—“এটাই তো তার দায়িত্ব, এটা তো তার কর্তব্য!”
ঠিকই, এটা তার দায়িত্ব।
কিন্তু দায়িত্ব পালন করতে করতে সে যে কতটা ভেঙে পড়ে, সেটা কি আমরা একবারও ভেবেছি?

সে তো মানুষ, সে কি ক্লান্ত হতে পারে না?
সে কি বিরক্ত হতে পারে না?
তার কি কষ্ট হয় না?

তাকে আমরা বেতন দেবো না—সেটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু তার কষ্টগুলোকে, তার আবেগগুলোকে, তার নিঃস্ব হয়ে যাওয়া অনুভবগুলোকে তো অন্তত একটু সম্মান করতে পারি না?

একটা মা যখন নিজের ঘুম, নিজের শরীর, নিজের পছন্দ, নিজের স্বাধীনতাকে বিসর্জন দিয়ে সন্তানের প্রতিটা হাসি, প্রতিটা আরামের জন্য লড়ে যায়—
তখন কি সে শুধুই দায়িত্ব পালন করে?

না, সে ভালোবাসে।
সে নিঃস্ব হয়েও হাসে।
সে ভাঙা শরীরে, ভাঙা মনে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে সন্তানকে আগলে রাখে।

তবুও দিন শেষে সেই মাকেই শুনতে হয়—
“তুমি তো সারাদিন ঘরেই থাকো, তোমার এত ক্লান্তি কিসের?”
“সবকিছু তো ডিজিটাল, কাজের লোক আছে, বাচ্চাকে দেখার লোকও আছে—তোমার এত খিটখিটে মেজাজ কেন?”

এই কথাগুলো যখন তার কানে আসে, তখন সে ভেতরে ভেঙে পড়ে।

সে নিজের ভালোবাসা দিয়ে একটা জীবন গড়ে তোলে,
আর আমরা তার সেই পরিশ্রম, সেই আত্মত্যাগকে কেবল “দায়িত্ব” বলে পাশ কাটিয়ে যাই।

একজন মা—সে বেতন চায় না,
সে চায় একটু বোঝা, একটু সহানুভূতি, একটু প্রশ্রয়।
সে চায় কেউ একজন বলুক—“তুমি অনেক কষ্ট করো, আমি বুঝি।”

আমাদের সমাজ যদি এতটুকু করতে পারে—তাহলেই হয়তো একজন মা আর কাঁদবে না।
হয়তো সে আবার একটু নিজের জন্য হাসবে।



এই লেখা শুধু একটি মায়ের নয়, হাজারো মায়ের কথা—যারা প্রতিদিন ঘরে বসেই একটা পৃথিবী তৈরি করছে, অথচ পৃথিবী তাদের মূল্য দিতে ভুলে যাচ্ছে।

Collected 🙏

🕋 ঈদ মানে শুধু আনন্দ নয়,  ঈদুল আজহা মানে ত্যাগ, ঈমান, আত্মনিয়োগ 💔ইব্রাহিম (আঃ) যেভাবে নিজের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে বিল...
06/06/2025

🕋 ঈদ মানে শুধু আনন্দ নয়,
ঈদুল আজহা মানে ত্যাগ, ঈমান, আত্মনিয়োগ 💔

ইব্রাহিম (আঃ) যেভাবে নিজের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে বিলিয়ে দিয়েছিলেন—
আমরাও কি পারি ত্যাগ করতে অহংকার, হিংসা, কু-চিন্তা?

এই কোরবানির ঈদে শুধু পশু নয়,
ত্যাগ হোক মনের ভেতরকার সকল গর্বের! 🐐🌙

🌟 কোরবানির এই মহান শিক্ষাকে ছড়িয়ে দিই সবার মাঝে।
ঈদ মোবারক! 🤲❤️

োবারক

কাউকে ডেডিকেট করে বলা হয়নি তবে যেই লিখেছে জাস্ট ওয়াও *আমার কোন আচরণে যদি অস্বাভাবিকতা দেখেন, তাহলে বুঝে নিবেন সমস্যার শু...
05/29/2025

কাউকে ডেডিকেট করে বলা হয়নি তবে যেই লিখেছে জাস্ট ওয়াও

*আমার কোন আচরণে যদি অস্বাভাবিকতা দেখেন, তাহলে বুঝে নিবেন সমস্যার শুরুটা হয়েছে আপনাদের কাছ থেকেই।

*যদি আমি আপনার সাথে পূর্বের তুলনায় কম কথা বলি, তাহলে বুঝে নিবেন আপনাদের কোন কথা বা কাজ আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে।

*যদি আমার মায়া-টান আপনাদের ওপর থেকে কমে যায়, তাহলে বুঝে নিবেন আপনাদের স্বার্থপরতা আমাকে বহুবার ক্ষত করেছে।

*যদি আমার কোনো কথাকে খোঁচা দেয়া মনে হয়, তাহলে বুঝতেই পারছেন এমন খোঁচামার্কা কথা আপনারাও বহুবার বলেছেন। তাই নিজেও ফেরত পাচ্ছেন।

*যদি আমি আগের মত আপনাদের সাথে মিশতে না পারি তাহলে বুঝে নিবেন আপনাদের দেয়া কোন আঘাত আমি আজও ভুলতে পারিনি।

*যদি দেখেন আপনাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে আমার বাঁধছে না তাহলে বুঝে নিবেন আপনাদের চরম খারাপ ব্যবহারের কারনেই আমার ভদ্রতা লোপ পেয়েছে।

দুনিয়ায় সব সম্পর্কের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। তা অতিক্রম হলেই মানুষের মধ্যে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায়।🖤

সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী, নাম মারিয়া আব্রামোভিচ, ১৯৭৪ সালে এক ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল পৃথিবীকে, একটি এক্স...
05/20/2025

সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী, নাম মারিয়া আব্রামোভিচ, ১৯৭৪ সালে এক ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল পৃথিবীকে, একটি এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে। ওই এক্সপেরিমেন্টের নাম ছিল রিদম জিরো। লোকজনে ভর্তি একটি রুমের ভেতর মারিয়া স্ট্যাচুর মতোন দাঁড়িয়ে ছিল। সামনে টেবিলে রাখা অপ্রাসঙ্গিক, অগুরুত্বপূর্ণ, একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কহীন বাহাত্তরটি জিনিস। লিপস্টিক, কেক, ছুরি, কাঁচি, গোলাপ, পিস্তল সহ আরো অনেক কিছু। বলা হয়েছিল, রাত আটটা থেকে দুইটা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা মানুষ যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে মারিয়ার সঙ্গে। অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর ছিল মারিয়ার। প্রথম আড়াই ঘণ্টা মারিয়াকে ফুল দিয়েছিল মানুষ। চুল আঁচড়ে দিয়েছিল, ভালোবেসেছিল।

সময় যতই গড়াল, লোকজন ততই হিংস্র হয়ে উঠল। শেষ দুই ঘণ্টায় মারিয়াকে থাপ্পড় মারা হয়, পরনের জামাকাপড় ছিঁড়ে নগ্ন করে ফেলা হয়, ছুরি দিয়ে শরীরে আঘাত করা হয়, এমনকি শেষদিকে একজন পিস্তল নিয়ে মারিয়ার গলা চেপে ধরে ট্রিগার টানতে যাচ্ছিল প্রায়!

মারিয়া কি ওদের কোনো ক্ষতি করেছিল? ওদের কারোর জায়গা জমি নিজের বলে দাবি করেছিল? ওদের কাউকে মারধর করেছিল? কারো সাথে প্রতারণা করেছিল? সে তো কাউকে চিনতও না। কিন্তু ওরা মারিয়াকে থাপ্পড় মেরেছিল, গায়ে থুথু ছিটিয়েছিল, পরনের পোশাক ছিঁড়ে ফেলেছিল, একের পর এক আঘাতে করেছিল ক্ষতবিক্ষত! এক্সপেরিমেন্ট শেষে মারিয়া যখন হেঁটে চলে যাচ্ছিল, তখন তাকে অপমান করা একটি লোকও চোখের দিকে তাকাতে পারছিল না তার, লজ্জায়।

♦️
১৯৯৮ সালে জার্মানিতে চৌদ্দজন লোককে স্বেচ্ছায় টাকার বিনিময়ে একটি সাইকোলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয় যার নাম ছিল দাস এক্সপেরিমেন্ট। এরপর ওই লোকগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ওদের কাছে সময় পনের দিন। এই পনের দিন ওদের একভাগ কারাগারের কয়েদি হিসেবে অভিনয় করবে, বাকিরা থাকবে কারাগারের গার্ড। সবার অজান্তে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পরিস্থিতি মনিটর করা হবে। শর্ত ছিল, কোনো গার্ড কোনো কয়েদিকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে পারবে না। অর্থাৎ কোনরকম ভায়োলেন্স অ্যালাউড না।

প্রথম প্রথম সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ২ দিন পার হওয়ার আগেই গার্ডরা কয়েদিদের ওপর ক্ষমতা প্রয়োগ করা শুরু করে। শেষদিকে তো পুরো এক্সপেরিমেন্টেরই বারোটা বেজে যায়।

লক্ষ্য করুন, ওরা জানে ওরা কেউই আসল গার্ড নয়। যারা কারাগারে বন্দি, তারাও সত্যিকারের কয়েদি নয়। ওদের শুধু অভিনয় করতে বলা হয়েছে কয়েকটা দিনের জন্য। অথচ বাহাত্তর ঘন্টা পার হওয়ার আগেই শুধুমাত্র বন্দিদের ওপর নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার জন্য ওরা কারাগারের লাইট অফ করে, গ্যাস ছেড়ে, কয়েদিদের জামাকাপড় খুলে উলঙ্গ করে শোয়ার একমাত্র বিছানাটাও বের করে নেয় যাতে কেউ ঘুমাতে না পারে। শুধু তাই নয়, সময় গড়ানোর সাথে সাথে গার্ডের দল কয়েদিদের হাত পা বেঁধে নির্যাতন করে, তাদের মুখের ওপর প্রস্রাব করে, এক নারী কয়েদিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং এমনকি একজনকে মেরে ফেলেছিল প্রায়!

♦️
মানুষের মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করলে আপনি জানতে পারবেন, মানুষ অন্যকে ঘৃণা করে, অপছন্দ করে, হত্যা করে নানা কারণে। ওর বুদ্ধি বেশি, আমার কম কেন? ওর টাকা বেশি, আমার কম কেন? ওর সম্মান বেশি, আমার কম কেন?

রিদম জিরো এবং দাস এক্সপেরিমেন্ট আপনাকে শেখাবে, একটা মানুষের কাউকে ঘৃণা, অপছন্দ বা অত্যাচার করতে আসলে কোনো কারণ লাগে না। একজন মানুষ কোনোরকম কারণ ছাড়াই আরেকজনকে হিংসা করে, ক্ষতি করে, তার বদনাম রটায়, কেননা মানুষের স্বভাবই অমন। মানুষ কোনোদিনই শান্তিকামী ছিল না, নয় এবং থাকবেও না। সে সবসময়ই হিংস্র, লোভী, বর্বর এবং ভণ্ড। তাহলে প্রশ্ন জাগে, এই দুনিয়ায় কি ভালো মানুষ বলে কেউ নেই? হ্যাঁ, আছে হাতেগোনা দুচারজন। বাকিরা সুযোগের অভাবে ভালো।

ছবি,লেখা সংগৃহীত।

05/02/2025

Sojib Mollah

শোক সংবাদ😭বুকভরা অভিমান আর কষ্ট নিয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করতে করতে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনে নিষ্ঠুর এই পৃথিবীর মায়া ত্...
03/07/2025

শোক সংবাদ😭
বুকভরা অভিমান আর কষ্ট নিয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করতে করতে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনে নিষ্ঠুর এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলো মাগুরার ছোট বাচ্চা মেয়েটি😭😭

বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল বাচ্চা মেয়েটা। ফিরতে রাত হয়ে যাবে বিধায় বড় বোন বলেছিল এর পরদিন বাড়িতে যেতে। বড় বোন কিছুক্ষণের জন্যে বাইরে গিয়েছিল।
মেয়েটা বোনের রুমে গুটিসুটি হয়ে শুয়ে ছিল এককোনায়। দুলাভাইও ছিল রুমে। বড়বোন ভেবেছিল তার হাসবেন্ড যেহেতু আছে তাহলে আর কোন সমস্যা হবে না।

তারপর দুপুরের দিকে বড় বোন বাসায় এসে দেখে রুমে লাইট নিভানো, ঘুটঘুটে অন্ধকার। তড়িঘরি করে লাইট জ্বালিয়ে দেখে তার আদরের ছোট বোনটা এলোমেলোভাবে পড়ে আছে, চেহারাটা ফ্যাকাশে।

বড় বোন বুঝতে পারেনা কি হয়েছে তার আদরের বোনটার সাথে। অনেকক্ষণ পর যখন বুঝতে পারে তখন অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে।

বড় বোন শাশুড়িকে হাতজোড় করে তার বোনটাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্যে। কিন্তু শাশুড়ি নিষেধ করছিল ঘটনাটা যাতে জানাজানি না হয়,হলে না-কি মানসম্মানে কমতি পড়বে তাদের।

তারপর বহু কষ্টে শাশুড়িকে রাজি করিয়ে বড় বোন তার ছোট বোনটাকে নিয়ে আসে মাগুড়া হাসপাতালে। কোনরকম দায়সারা ভাবে হাসপাতালে দিয়েই শাশুড়ি পালিয়ে যায় সেখান থেকে।

হাসপাতালে আনার পর বাচ্চা মেয়েটার অবস্থা আরও বেশি গুরুতর হয়ে পড়ে। ব্যথায় কাতরাচ্ছিল শুধু। বাচ্চা মেয়ে বয়স আর কত হবে? সাত কিংবা আট।

যৌনতার কিছুই বুঝে না, পুতুল নিয়ে খেলার বয়স তার।

মেয়ের মা এবং বোনের সন্দেহ দুলাভাই সজীব এবং শ্বশুর হিটুর প্রতি। জোরালো সন্দেহ দুলাভাই সজীবের প্রতি যেহেতু তার রুমেই ছিল বাচ্চা মেয়েটা।

তৌহিদী জনতা এখন এই বাচ্চা মেয়েটার কি দোষ দিবে? তার তো ওড়না পড়ার বয়সও হয়নি।
ওড়না পড়ার বয়স হলে নাহয় ওড়নার দোহাই দিয়ে দায়সারা যেত।

তারা কি এবারেও ধ* র্ষ কের পক্ষ নিয়ে ফুলের মালা দিয়ে বরন করে আনবে?

মেয়ের মা এবং বোন মিলেই এখনও অসহায়ের মত পড়ে আছে হাসপাতালে। তাদেরকে সাহায্য করতে কোন তৌহিদী জনতা আসেনি, আসেনি কোন নারীবাদী সংগঠন।

বাচ্চা মেয়েটার মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো। ব্যথায় একটু পর পর ককিয়ে উঠতেছে শুধু। বড় বোন একপাশে হাতে ধরে দাড়িয়ে আছে।

মেয়েটার মা মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে আর আশ্বাস দিচ্ছে - সব ঠিক হয়ে যাবে মা, কিন্তু কিছুই ঠিক হয়নি। মৃত্যুর সাথে লড়াই করতে করতে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনে নিলো বাচ্চাটি। এই নিষ্ঠুর পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলো আর প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে গেলো তার এই নির্মম মৃত্যুর কি কোন বিচার নেই❓

তোমার স্ত্রীকে মূল্য দাও এবং মনে রেখো, তিনি তোমার প্রথম অগ্রাধিকার...তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি শেষ পর্যন্ত তোমার সঙ্গে থ...
03/06/2025

তোমার স্ত্রীকে মূল্য দাও এবং মনে রেখো, তিনি তোমার প্রথম অগ্রাধিকার...
তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি শেষ পর্যন্ত তোমার সঙ্গে থাকবেন। যিনি তোমার সঙ্গে জীবন ভাগ করে নিচ্ছেন।
তিনিও তোমার মতোই নিজের বাবা-মার কাছ থেকে দূরে এসে তোমার সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন...
পরাজয়, বিজয়, দুঃখ, সুখ, কষ্ট—সবকিছু একসঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার মানুষ তিনি।
মনে রেখো, তোমার জীবনে যার আনন্দ নিশ্চিত করা সবচেয়ে বেশি জরুরি, তিনি তোমার স্ত্রী।কেননা সে তোমাকে ভরসা করে তোমার হাতটি ধরেছে তার মা-বাবা আপনজন ছেড়ে তোমার সাথে বাকি জীবন পথ চলার।বাবার বাড়িতে কোন কাজ না করা মেয়েটা তোমার সংসারে এসে যাবতীয় কাজ করে।
বিশ্বাস করো, তোমার ভালোবাসা তোমার জন্যই লাভজনক হবে।
কারণ তিনি তোমার সুখ-দুঃখের সঙ্গী এবং জীবনের সবকিছুর সহযোগী। তাকে সুখী করো। তাহলে তুমিও সুখী থাকবে।❤️

Address

Alexandria, VA
22312

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Afifa’s life style posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share