আবেগি হৃদয়

আবেগি হৃদয় হাজারো আবেগি হৃদয়ের কথা জানতে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন, ধন্যবাদ ।

Operating as usual

#ক্রাশ_যখন_বরপর্ব:০৯......মীম-হ্যালো তিসান,,তুমি কই,মীম কথা বলতে বলতে বাইরে চলে গেলোতনু-কি?আমার লগে কথা কইলে কি হবে আপনা...
08/10/2020

#ক্রাশ_যখন_বর
পর্ব:০৯
..
....
মীম-হ্যালো তিসান,,তুমি কই,
মীম কথা বলতে বলতে বাইরে চলে গেলো
তনু-কি?আমার লগে কথা কইলে কি হবে আপনার, আমি কি ভূত যে আমাকে দেখলেই পালাতে হবে???
তনু দাঁড়িয়ে শিশিরকে কথা শুনিয়েই যাচ্ছে
নাতাশা-বেবি সারপ্রাইজ!!!
নাতাশা এসে তনুকে সরিয়ে শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো
তনু হা করে তাকিয়ে আছে,এটা আবার কে?
নাতাশা-ভাবলাম তোমাকে একটু সারপ্রাইজ দিই
তনু হা করে এবার নাতাশার পোশাক দেখতেসে,,একটা টপস পরা,,আর যে জামা মনে হয় কিছু পরে নাই
তনু-আল্লাহ, তওবা,আস্তাগফেরু
ল্লাহ,নাউযুবিল্লাহ,লা হাওলা
নাতাশা শিশিরকে ছেড়ে তনুর দিকে তাকালো
নাতাশা-কে এই মেয়েটা,এগুলা কি বলতেসে
শিশির-চিনি না
তনু- আমাকে চিনেন না?
শিশির-চলো নাতাশা
শিশির নাতশার হাত ধরে চলে গেলো,,
তনু-রিনা সত্যি বলসিলো এই ছেলেটার জিএফ আছে,,
তনু মন খারাপ করে পিছন ফিরতেই কি মনে পড়ে আবার তাকালো,,শিশিরের হাত আলগা,,নাতাশার কোমড় বরাবর যেয়েও কোমড় স্পর্শ করে নাই,
তনু-জিএফই যদি হয় কোমড় ধরতে কি সমস্যা
তনু-ইয়াহু
রিনা-কিরে একা একা লাফাস কেন কি হইসে,,আর শিশির ছেলেটার সাথে ঐ মেয়েটা কে?
তনু-হতাশা থুক্কু নাতাশা
রিনা- তোরে বলসিলাম না ঐ পোলার গফ আছে,এবার বিশ্বাস হলো তো
তনু মন খারাপ করে হাঁটা ধরলো
রিমন-তনু
তনু-উফ,কি হইসে
রিমন-এটা তোমার
তনু দেখলো গোলাপ,তনু আড় চোখে তাকালো রিমনের দিকে
রিমন-ভার্সিটির বাগান থেকে নিলাম,ভাবলাম তোমার পছন্দ হবে
তনু-না হয়নি,আর শুনো আমাকে এত ডিস্টার্ব করবা না,
তনু হনহনিয়ে ভার্সিটি থেকে চলে গেলো,,
মুড টাই নষ্ট করে দিলো,তাই তো ভাবি আমার মত কিউট মেয়ে দেখেও তার মন গলে না কেন,হতাশার মতন নায়িকা একটা জিএফ থাকলে ছেলেরা অন্য দিকে কেন তাকাবে,,
তনু মন খারাপ করে হোস্টেলে এসে শুয়ে পড়লো
মীম ফোন দিলো,
তনু-হুম বলো
মীম-কিরে তুই আমার সাথে কথা না বলে চলে এলি কেন
তনু-মন ভালো না গো
মীম-কি হইসে??
তনু-এমনিতেই,,তোমার কি খবর তোমার বাবা রাজি হয়েছে?
মীম-এইতো ভাইয়া আর বাবার সাথে কথা বলবো,,বাই
তনু-বাই
রিনা-তোর মন খারাপ দেখতে আমার একটুও ভালো লাগতেসে না,চল না ঘুরে আসি
তনু-কই যাবি
রিনা-আরে সবাই মিলে যাবে,এখানে নাকি নতুন রেস্টুরেন্ট হয়েছে,চল
তনু-ভালো লাগছে না তোরা যা
রিনা-চল না
রিনা তনুকে জোর করে নিয়ে গেলো
নাতাশা-বেবি এখানে একটা নতুন রেস্টুরেন্ট হয়েছে,চলো না আমরা যাই
শিশির-ওকে,
শিশির নাতাশাকে নিয়ে সেই রেস্টুরেন্টে আসলো,,
তনু বসতেই আবার উঠে গেলো
রিনা-কিরে,বস
তনু চোখ বড় করে তাকিয়ে আছে,তনুর বরাবর ১০হাত দূরে শিশির আর নাতাশা বসে আছে,শিশির নাতাশাকে নিয়ে হাসাহাসি করতেসে
তনু দুম করে বসলো,রাগে মাথা ফেটে যাচ্ছে তনুর
কি মজা করতেসে দুজনে
খাবার আসলো তনু খাচ্ছে না,শুধু শিশির আর নাতাশাকে দেখতেসে,,নাতাশা বারবার শিশিরের গায়ে হাত দিতেছে,,
তনুর আর সহ্য হচ্ছে না,উঠে দাঁড়িয়ে গেলো
রিনা-কিরে এমন করস কেন,কি হয়েছে তোর,আর খাইতেছিস না কেন,কিরে বল
তনু হনহনিয়ে এগিয়ে গেলো
নাতাশা-নাও বেবি হা করো
শিশির-হা
তনু নাতাশার হাত থেকে চামচটা কেড়ে নিয়ে নিলো
নাতাশা-what the hell!
শিশির চোখ বড় করে তাকিয়ে আছে,তনু যে এখানে হুট করে এসে পড়বে তা শিশিরের ভাবনার বাইরে ছিল
তনু হাত দিয়ে নুডুলস এক লোকমা নিয়ে শিশিরের গাল খপ করে ধরে টিপে খাইয়ে দিলো
তনু-নে খা,খুব শখ না তোর,খা
তারপর নাতাশার দিকে অগ্নি চোখে তাকালো,,
জোর করে চেপে শিশিরের মুখে নুডুলস ঢুকিয়ে দিয়ে তনু বের হয়ে চলে গেলো
শিশির কাশতে কাশতে পানি দিয়ে নুডুলস গিলে উঠে দাঁড়ালো
নাতাশা-কি বেয়াদব মেয়ে,থাপ্পড় দিতে পারলে না,অসভ্য একটা,,আমি মারতাম,সুযোগ পাইনি
রিনা হা করে তাকিয়ে তনুর কান্ড দেখতেসিলো
নাতাশা-চলো তো, মুডই খারাপ করে দিলো,,
শিশির কার চালাচ্ছে আর ভাবতেসে তনু এমন কেন করলো
নাতাশা-বেবি চলো না দূরে কোথাও ঘুরে আসি
শিশির-কোথায় যাবে বলো
নাতাশা-যেখানে আমি আর তুমি থাকবো শুধু,
শিশির-ঠিক আছে,কাল রেডি থেকো
নাতাশা-আই লাভ ইউ
মীম-কি??না এটা হতে পারে না,,আমি তিসানকে ছাড়া থাকতে পারব না,,মা প্লিস কিছু করো
মা-আমার হাতে কিছু নেই
মীম বাবার পা গিয়ে ধরলো,
মীম-বাবা আমি তিসানকে ছাড়া সুখী হবো না,,বাবা এমন করিও না
বাবা-শিশিরের মা ওকে যেতে বলো
মীম চলে যাওয়ার সময় শুনলো বাবা মাকে বলতেসে অবস্থা ঠিক থাকতে একটা ছেলে দেখে দু একদিনের মধ্যে বিয়ে দিয়ে দিবে
মীম নিজের রুমে আসলো,,তিসানকে সে ভালোবাসে ৪বছর ধরে,,ওদের দুজনের বোঝাপড়াটা এতটায় হয়ে গেসে যে এখন একদিন দুজন দুজনকে না দেখলে যেন জান বের হয়ে আসে,আর সে আমি কিনা অন্য ছেলের বউ হয়ে যাবো,বাবা তো আর রাজি হবে না,,পালাতেও পারব না,,বাবার সম্মান আমার হাতে,,যা করতে হবে তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে,কিন্তু কি করা যায়, মীম কিছু একটা ভেবে তারপর বেরিয়ে গেলো বাসা থেকে
তনু-রাগে আমার মাথা ফেটে যাচ্ছে,
রিনা-নে পানি খা
তনু পানি নিয়ে খেয়ে কাঁপতে লাগলো,রাগ বেশি হলে কাঁপুনি উঠে যায় তনুর,কেমন করে টাচ করতেসিলো ঐ হতাশা মেয়েটা,,ছেলেরা মেয়েদের কান গলা মুখে এমন হাত দেয়,বাট মেয়েরা এমন করে হাত দিতে এই প্রথম দেখলাম
রিনা-শিশির যে সুন্দর সবাই ওরে টাচ করতে চাইবে
তনু-মেরে ফেলব আমি ,না থাক
রিনা-ওমা থাক কেন
তনু-মারলে সেই আমাকেই জেলে যেতে হবে,শিশিরের বউ হবে কে তাহলে
রিনা-এত ভাবস
মীম-তনু?
তনু-আরে মীম ভাবী,,আসো বসো
মীম তনুর কাছে সব খুলে বললো,কাঁদতে লাগলো,,
তনু-টেনসন করিও না,,তোমাকে তিসান ভাইয়ার বউ করার দায়িত্ব আমার,,বিয়ে একটা ভাঙ্গতে পেরেছি,,বাকিগুলাও পারবো,তুমি শুধু আমাকে দাওয়াত দিও যেদিন ওরা দেখতে আসবে
তনু মীমকে বুঝিয়ে বসিয়ে চা বানাতে গেলো,,
রিনা ও তনুকে হেল্প করতে আসলো,,
চা বানিয়ে নিয়ে তনু এসে দেখলো মীম সেন্সলেস হয়ে খাটে শুয়ে আছে,তনু টেনসনে শেষ,কি করবে বুঝে উঠতে পারতেসে না,শেষে তিসানকে ফোন দিলো,,তখন তিসান অফিসে,,
তিসান-শিশির স্যার আমি একটু যেতে পারি?
শিশির-কেন?
তিসান আর চেপে রাখতে পারলো না,
তিসান-মীম সুইসাইড করার চেষ্টা করেছে,ওকে হসপিটালে এডমিট করতে হবে
শিশির-কিহ
শিশির আর তিসান হসপিটালে আসলো যেখানে তনু মীমকে নিয়ে এসেছে রিনার হেল্প নিয়ে
তনু নার্সের সাথে কথা বলে পিছন ফিরতেই শিশিরের সাথে ধাক্কা খেলো
শিশির-তুমি?
তনু-আপনি?
শিশির তনুর সাথে কথা না বলেই কেবিনে ঢুকে গেলো
ডাক্তার-আরে মিঃ শিশির চৌধুরী এসেছেন,
শিশির-মীম কেমন আছে?কিছু হবে না তো?
ডাক্তার-নাহ,ঠিক সময়ে তনু হসপিটালে নিয়ে এনেছে,,
শিশির-তনু?কোথায়?
ডাক্তার হাত বাড়িয়ে দেখালো
শিশির পিছন ফিরতেই দেখলো তনু বাইরে দাঁড়িয়ে গ্লাসে গাল রেখে কান পেতে শুনতেসে শিশির কি বলে
শিশির শার্টের হাতা ঠিক করতে করতে বের হলো,
তিসান-ভাইয়া কেমন আছে মীম?
তনু- তুমি এনাকে চিনো?
তিসান-আরে উনি তো আমার অফিসের বস,
তনু-কিহ
শিশির-এ কে?
তিসান-আমার বোন,সালাম দে
তনু-ওহ তাই বুঝি,
তনু নিচু হয়ে শিশিরের পা শক্ত করে ধরে সালাম করে উঠলো
শিশির-এই এখানেও পাগলামি শুরু করসে,থামো,বেয়াদব মেয়ে কোথাকার,তিসান তোমার বোনকে সামলাও,কয়েকদিন ধরে আমার পিছনে লাগছে,আস্ত বেয়াদব একটা
শিশির ফোন নিয়ে বাবাকে কল করতে করতে চলে গেলো
তিসান-কি বলছে উনি
তনু-হুদা মিচা,কান দিও না তো
তনু দেখলো তিসান জানালা দিয়ে মীমকে দেখছে
তনু পা টিপে টিপে আস্তে আস্তে শিশিরের পাশে গিয়ে দাঁড়ালো
শিশির-ওকে মা জলদি আসো
শিশির ফোন রেখে পাশে তাকাতেই দেখলো তনু ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছে
শিশির-তুমি?যাও এখান থেকে,একদম আমার কাছে আসার চেষ্টা করবা না
তনু-ঐ হতাশার থেকে দূরে থাকবেন নাহলে চুল ছিঁড়ে দিব
শিশির-কার
তনু-আপনার না,হতাশার চুল ছিঁড়ব,,আপনারে তো আদর করব
শিশির-যাও,পাগল মেয়ে কোথাকার
তনু-আসুন না একটু বসি
শিশির-যাও বলতেসি,দূরে থাকো,,
..................................চলবে...............................

08/10/2020
আইক্রিম পাগল/পাগলীদের দেখতে চাই 😍😍
08/10/2020

আইক্রিম পাগল/পাগলীদের দেখতে চাই 😍😍

#ক্রাশ_যখন_বরপর্ব:০৮......তনু হোস্টেলে এসেই ঘুম দিলো,,শিশির-নাতাশা?নাতাশা-বেবি এসেছোশিশির-তোমার না জ্বর,এসব কি পরছো??শিশ...
08/10/2020

#ক্রাশ_যখন_বর
পর্ব:০৮
..
....
তনু হোস্টেলে এসেই ঘুম দিলো,,
শিশির-নাতাশা?
নাতাশা-বেবি এসেছো
শিশির-তোমার না জ্বর,এসব কি পরছো??
শিশির চাদর টেনে দিলো,,নাতাশার গায়ে ছোট টপস পরা ছিল
শিশির গিয়ে নাতাশার পাশে বসলো,,মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো
নাতাশা-এভাবে তো জ্বর যাবে না
শিশির-তাহলে?
নাতাশা-আমাকে তোমার করে নাও,জ্বর সাথে সাথে চলে যাবে
শিশির-জ্বরের ঘোরে কি বলতেসো
নাতাশা শিশিরকে টান দিয়ে কাছে নিয়ে আসলো
শিশির নাতাশার চোখের দিকে তাকিয়ে হেসে উঠে গেলো
নাতাশা-হাসলে কেন
শিশির-যে মোহটা খুঁজলাম পাইনি
নাতাশা-কিসের মোহ?
শিশির-কাউকে ভালোবাসার সময় যে নেশা চোখে কাজ করে সেটা
নাতাশা-আমার সেটার অভাব আছে নাকি
শিশির-নেই,বাট কেন যে আমি সেটা চোখে দেখি না কি জানি
নাতাশা শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো
নাতাশা-এসব বাদ দাও,,প্লিস আজ আমাকে ভালোবাসো
শিশির-তোমাকে ছুঁলেই ভালোবাসা দেওয়া হয়ে যাবে?
নাতাশা-হুম হবে
শিশির-না হবে না,মাঝে মাঝে মনে হয় তুমি ভালোবাসার মানেটায় বুঝো না
নাতাশা-তুমি আমাকে এটা বলতে পারলে?
নাতাশা রুম থেকে বেরিয়ে আরেক রুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলো,এটা ওর ছোটবেলার অভ্যাস
শিশির-নাতাশা,ওকে সরি,আর বলবো না,দরজা খুলো,উল্টা পাল্টা কিছু করবা না,,
নাতাশা-আজ কিস করবা নয়ত দরজা খুলবো না,সামনে যা পাব তাই দিয়ে আঘাত করবো নিজেকে
শিশির চুপ হয়ে দাঁড়ালো,,তারপর বললো ঠিক আছে
নাতাশা দরজা খুলে শিশিরের জ্যাকেটের কলার ধরে টান দিয়ে ভিতরে নিয়ে আসলো,,
নাতাশা-করো
শিশির নাতাশার কপালের উপর চুলে চুমু দিয়ে বেরিয়ে চলে গেলো,
নাতাশা-ধোকা দিলে
শিশির-চুমু দেওয়ার কথা ছিল,দিয়েছি,,
শিশির বাসা থেকে বেরিয়ে কারের সামনে দাঁড়ালো,,আজ কেন জানি ভালো লাগতেসে না,
drive করে সেই রাস্তা দিয়েই যাচ্ছিল শিশির ,হঠাৎ গাড়ীটা থামালো,নামলো,পু
রা রাস্তা ফাঁকা,,আজ শিশিরের চোখ সেই পাগল মেয়েটাকে খুঁজতেসে,,২দিনে এত পাগলামি করেছে যে এখন মাথায় সেই পাগল মেয়েটার পাগলামি ভাসতেসে,
১০মিনিট থেকে শিশির বাসায় ফিরে আসলো,,এসেই শুয়ে পড়লো
তনু সকালে উঠে শাড়ী চেঞ্জ করতে গিয়ে কানের দিকে তাকাতেই দেখলো দুলটা নেই,,একি কোথায় রেখে আসলাম,,মা দিয়েছিল দুলটা আমার এত প্রিয়,কি করবো এখন
তনু ভালো করে সব খুঁজলো পেলো না
রিনা-হয়ত মীমদের বাসায় ফেলে এসেছিস
তনু-তা হতে পারে,,
তনু-আজ আমি মীম ভাবীর বাসায় যাব,দুলটা আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ
তনু একটা লাল জামা পরলো আজ,,
ভার্সিটিতে গিয়ে মীমকে বললো ওর কানের দুল পাচ্ছে না,,
মীম-আমি তো পাইনি ওকে চলো আমার সাথে,,আমি সহ খুঁজে দিব
মীম তনুকে নিয়ে ওদের বাসায় আসলো,,১০টা বাজে শিশির রুমের লাইট অফ করে গভীর ঘুমে আছে,,
মীমের মা, তনু, মীম সবাই মিলে খুঁজতেসে,,
তনু খুঁজতে খুঁজতে একটা রুম পেলো,,রুমের সামনে দরজায় লিখা ''Do not disturb!''
তনু-বাপরে কোনো মহারাজের রুম এটা,,
তনু দরজা টা আলতো করে খুললো,,পুরো রুম অন্ধকারর,,এসি বাড়ানো ফুল
তনু রুমে ঢুকে লাইট জ্বালিয়ে এক চিৎকার দিয়ে দরজার দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে গেলো
চিৎকার শুনে শিশির লাফ দিয়ে উঠে বসলো,,আসলে শিশিরের গায়ে জামা ছিল না,হঠাৎ করে উদাম ছেলে দেখলে চিৎকার দেওয়ারই কথা
শিশির-Who the hell Are you??
শিশিরের ঘুম মাখা ভয়েস তনু চিন্তে পারলো না
তনু-আসলে আমার দুলটা এরুমে আছে কিনা দেখতে এসেছিলাম
শিশির-আমার রুমে আসার আগে বলে আসা যায় না,,
শিশির উঠে ওর টেবিলের উপর থেকে দুলটা নিয়ে হাত বাড়িয়ে ধরলো তনু চোখে হাত দিয়ে দুলটা নিয়ে এক দৌড়ে পালালো
শিশির-এক মিনিট,ভয়েস টা চেনা লাগলো,কার যেন,,মনে করত পারতেসি না
শিশির গিয়ে আবার শুয়ে পড়লো
তনু বের হয়ে দুলটা পরলো,,তারপর কোমড়ে হাত দিয়ে দরজার দিকে তাকালো,,আচ্ছা আমাকে বকা দেওয়া,,রুমে ঢুকতে পারমিশন লাগবে,,আমাকে ধমক দেওয়া??এত বড় সাহস,,দাঁড়াও দেখাই মজা,,কোন হাদারাম কে জানে,চেহারা তো দেখলাম না
তনু দেখলো পাশের একটা রুম,,বাচ্চাদের রুমের মতন পুরা,তনু সেখান থেকে কাগজ কলম এনে সাইনবোর্ড বানিয়ে শিশিরের দরজা থেকে আগের সাইনবোর্ড সরিয়ে ওর লিখা সাইনবোর্ডটা লাগিয়ে দিয়ে মীমের মাকে সালাম করে পালালো
মা নিজের রুমে চলে গেলেন আর মীম তনুর সাথে গেলো
শিহাব স্কুল থেকে এসে ওর রুমে যাওয়ার সময় শিশিরের দরজার দিকে তাকালো,,তারপর হাসতে হাসতে দরজা খুলে ভিতরে ঢুকলো
শিশির তখন fresh হয়ে সবে টিভি দেখতেসে
শিশির-কি এত হাসার কি আছে?
শিহাবের হাসি থামতেছেই না
শিহাব শিশিরের হাত ধরে রুমের বাইরে এনে সাইনবোর্ডটা দেখালো,লিখা আছে
"এই রুমের ছেলেটাকে যে যত পারেন বিরক্ত করেন"
"সকাল ১১টা পর্যন্ত গন্ডারের মত ঘুমায়"
শিশির চোখ কপালে তুললো,
শিহাব-
শিশির-থামো,যাও পড়তে যাও
শিশির কাগজটা নিয়ে মার কাছে গেলো
শিশির- মা এসব কি??এটা কে লিখছে??আমার দরজায় লাগিয়েও দিয়েছে
মা-ওমা আমাদের কাজ না এটা
শিশির-তাহলে কে করসে
মা-ঠিক বলতে পারি না
শিশির-কে এসেছিল??
মা-তনু এসেছিল ওর দুল নেওয়ার জন্য
শিশির- তনু, মীমের বান্ধুবী? তার কাজ,,ছাড়মু না আমি,stupid!! সব পাগলের সাথে আমার দেখা হয়
তনু ভার্সিটিতে এসে চারিদিক শুধু শিশিরকে খুঁজতে লাগলো
শিশির fresh হয়ে বাবার রুমে গেলো
শিশির-বাবা মীমকে নিয়ে কিছু কথা ছিল
বাবা-বলো
শিশির-মীম আমার অফিসের তিসানকে বিয়ে করতে চায়
বাবা-তিসান চৌধুরী??
শিশির-হুম
বাবা-ওর মাথা ঠিক আছে??
শিশির-বাবা আমার মনে হয় একবার আমরা তিসানকে নিয়ে ভেবে দেখতে পারি,,আমার মতে ও ভালো ছেলে
বাবা-মীমের সাথে সাথে কি তুমিও পাগল হইছো??ওরকম গরীব ছেলের সাথে আমি আমার মেয়েকে বিয়ে দিব???কখনও না,মীমকে বলো এসব ভুলে যেতে
শিশির -মীমকে কলে বললে উল্টা পাল্টা কিছু করে ফেলতে পারে,,ভার্সিটিত
ে গিয়ে বলতে হবে
শিশির রেডি হয়ে ভার্সিটিতে গেলো,
তনু-কাব ও দিন আয়েগি যাব হাম বি মেহেন্দি লাগবায়েনগে
না জানে কাব আয়েনগে অর ডলি মে লে জায়েনগে,বারি না আয়ে হামারি বারাতে দেখি সারি
রিনা-থামবি,,,উড়ে উড়ে গান গাওয়া অফ দে,তোর এসব পাগলামি দেখে একজন impress হয়ে যাচ্ছে
তনু-কে? শিশির ?
রিনা-জি না,,ঐদিকে তাকান
তনু পাশে তাকিয়ে দেখলো রিমন মুগ্ধ হয়ে তনুর দিকে চেয়ে আছে
তনু-উফ,
রিমন-দোস্ত আমার একটা হেল্প করবি
রকি-কি বল
রিমন-তনু এখন সেকেন্ড ফ্লোরে আসবে,,ক্লাস ভরে গেসে ফ্লোর খালি,,তুই এই মিনি প্যাক শ্যাম্পুটা সিড়ির উপর লাগিয়ে দে না
রকি-তনু তো পড়ে যাবে,তুই না ওরে লাইক করস
রিমন-ও পড়ে যেতে নিলে আমি ধরে ফেলবো
রকি-পারবি তো??তনু কিন্তু গোলুমলু
রিমন-পারব
রিমন-সেকেন্ড ফ্লোরে পাশে দাঁড়িয়ে ওয়েট করতেসে তনু আসার
তনু আসতেসে রকি ইশারা করলো
শিশির 2nd floor থেকে নামতেছিল
রিমন-এটা আসতেসে কোথা থেকে,উফ
তনু সিড়ি অর্ধেক উঠে শ্যাম্পুতে পা রাখতেই পা পিছলিয়ে পড়ে যেতে নিলো,,
শিশির দেখলো তনু পড়ে যাচ্ছে,,কে পড়ে যাচ্ছে তার দিকে খেয়াল নাই,,তনু হাত টা বাড়িয়ে দিলো শিশিরের দিকে,শিশির নিজের অজান্তেই হাতটা শক্ত করে ধরে ফেললো,,
এক টান দিয়ে কাছে নিয়ে আসলো
মীম দৌড়ে এসে তনুকে ধরলো,,
তনু-মাগো মা আর একটুর জন্য মরতাম,,
তনু হাঁপিয়ে শিশিরের দিকে তাকালো,শিশির না দেখার ভান করে চলে যাচ্ছে,,
তনু-আরে এটা তো শিশির,এই দাঁড়ান,এই এই
তনু গিয়ে সামনে দাঁড়ালো
......................................চলবে...................................

শুভ সকাল ☕আবেগি_হৃদয়বাসী 🏩আজ সোমবার 🌸১০ আগস্ট ২০২০ ইং ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ২০ জিলহজ্জ ১৪৪১ হিজরীঋতু: এখন বর্ষাকাল ☔সব...
08/10/2020

শুভ সকাল ☕
আবেগি_হৃদয়বাসী 🏩

আজ সোমবার 🌸
১০ আগস্ট ২০২০ ইং
২৬ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
২০ জিলহজ্জ ১৪৪১ হিজরী
ঋতু: এখন বর্ষাকাল ☔

সবাই সুস্থ থাকুন,ভালো থাকুন এবং সতর্ক থাকুন সব সময় ৷ দিনটা সবার ভালো কাটুক ৷ মঙ্গলময় হোক আপনার দিনের প্রতিটা মুহূর্ত 🍂

শুভেচ্ছান্তে: আবেগি_হৃদয় পরিচালনা টিম 🏩💗
Updated by: __บทℓบςкγ 📝

#ক্রাশ_যখন_বরপর্ব:০৭......ছেলের মা- মীম এই মেয়েটা এসব কি বলে?এগুলা কি সত্যি?তনু-আরে কি বলেন মীম জীবনে সত্যি কথা বলসে নাক...
08/09/2020

#ক্রাশ_যখন_বর
পর্ব:০৭
..
....
ছেলের মা- মীম এই মেয়েটা এসব কি বলে?এগুলা কি সত্যি?
তনু-আরে কি বলেন মীম জীবনে সত্যি কথা বলসে নাকি,ওরে জিগান কেন ,,জানেন ও তো জজ কোর্টে জজের সামনে খুন করে বলবে না আমি খুন করি নাই ,করলে জজে করসে,তাহলে ভাবেন কত বড় মিথ্যাবাদী
,,ওরে তো কয়েকদিন পর মিথ্যাবাদীর award দেওয়া হবে ভার্সিটিতে
ছেলের মা-মিথ্যা বলার আবার award????
তনু-হুম,প্রযোজনায় তনু চৌধুরী,,পরিচালনায় ও তনু চৌধুরী ,,,রাত ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে,আসবেন কিন্তু
ছেলের মা-রাত ১২টায় কেন
তনু-ওমা,বললাম না মীম পার্লার থেকে সেজে ১০টায় আসবে ,,তারপর চাইনিজ খাবার খাবে ১১টা পর্যন্ত,,তারপর হেলিকপ্টার আসবে সেটাতে করে ভার্সিটি যেতে যেতে ১২টা বাজবে,,
ছেলের মা-হেলিকপ্টার??!!!
তনু- কারে করে গেলে জ্যামে পড়তে হবে তো তাই,মীম আবার পলিউশন সহ্য করতে পারে না,আহারে মেয়েটা,থুক্কু আমার বান্ধুবীটা
ছেলের মা উঠে দাঁড়িয়ে গেলো,তার সাথে তার ছেলে এসেছিল ভ্যাবলার মত চেয়েছিল এতক্ষন
মহিলা তার ছেলেকে নিয়ে হনহনিয়ে চলে গেলো
মীমের মা-একিরে উনারা চলে গেলেন কেন,এখনও তো মীমের বাবাও আসলো না,কথা বললো না
মীম-(খোদা এবার মা বাবাকে কে বুঝাবে)
তনু-( মুরগি মশলা দিয়ে মাখানো শেষ এবার ভাজার পালা)
তনু- আসলে ওরা মীমের রোগের কথা ask করতেসিলো, আমিও জিগাইলাম উনার ছেলের কোনো রোগ আছে কিনা
মা-তারপর?
তনু-তারপর কি বললো জানেন
মা-কি বললো?
তনু-ছেলের মৃগী রোগ আছে,,গু আলা জুতার গন্ধ শুকানো অবধি হুস আসে না
মা-হায়হায়
তনু-আরও রোগ আছে,রাতের বেলা নাকি ঘুমের ঘোরে হাঁটতে হাঁটতে এক্সের বাসায় চলে যায়
মা- ওওমা,,
তনু-তাহলে ভাবেন রাতের বেলায় ঘুমের ঘোরে হেঁটে হেঁটে মানুষ নিচ তলা থেকে উপর তলা যায়,কিন্তু জীবনে শুনছেন একেবারে হেঁটে হেঁটে এক্সের বাসায় যায়??
মা-হুম এমন তো শুনি নাই
তনু-তাহলে বুঝেন মিথ্যা বলেছে,,ছেলের এক্সের সাথে ইটিসপিটিস আছে এখনও,,ভাগ্যিস আমি মীমকে বাঁচিয়ে ফেলেছি,ভুলিয়ে ভালিয়ে মহিলার মুখ থেকে সত্যি কথা বের করিয়েছি তা নাহলে কি হতো
মা-খুব ভালো করসো,,দাঁড়াও আমি মীমের বাবার সাথে কথা বলে আসতেসি
মা যেতেই মীম তনুর কান টেনে ধরলো
তনু-আরে লাগতেসে,,এজন্য মানুষের ভালো করতে নেই,,কত বড় উপকার করলাম তোমার
মীম-তাই না??? এটা উপকার??আমারে বলি দিয়ে আমার পূজা করলা
তনু- হুহ,তো বিয়া ভাঙ্গছে তো,এর চাইতে খুশির খবর কি হতে পারে
মীম-হুম তা ঠিক,যেমন করেই হোক বিয়ে তো ভাঙছে
thank you sooooo much তনু
তনু- বুঝতে হবে
মীমের বাবা মীমের মায়ের থেকে সব শুনে ছেলের মাকে কল দিলো
ছেলের মা-হ্যালো,শুনুন একটা কথা
মীমের বাবা-আগে আমি বলি,আমরা এই বিয়েতে রাজি না
ছেলের মা-আমরাও রাজি না,,জেনেশুনে আপদ ঘরে আনতে চাই না
মীমের বাবা-ঠিক করে কথা বলেন,কেমন বিহেভ এটা,রোগা ছেলেকে আমাদের ধরিয়ে দেওয়ার ধান্দা
বাবা লাইন কেটে দিলো
মীম আর তনু উঁকি দিয়ে শুনতেসিলো
মীম-ইয়াহু
তনু ডিনার করলো মীমের সাথে,,
মা-তনু আবার ও এসো,তুমি খুব মিষ্টি মেয়ে,,
তনু- আন্টি আপনি খাবেন না??
মা-মীমের ভাই আসুক,,ওর সাথে খাই আমি
মা-হ্যালো,,কিরে তুই এখনও এলি না??
শিশির-মা জ্যামে পড়সি,আসতেসি
মা-তনুকে হোস্টেলে কে দিয়ে আসবে,মেয়েটা আমাদের জন্য আসলো,এত রাতে একাও তো ছাড়তে পারি না,,
তনু-আন্টি আমি যেতে পারবো,,
মা-গিয়ে একটা ফোন দিও,আমরা চিন্তায় থাকবো,এক কাজ করো driver কে বলতেসি ও তোমাকে দিয়ে আসবে
তনু মীমকে টাটা দিয়ে বের হলো
রহিম চাচা-মা তুমি দাঁড়াও আমি গাড়ি নিয়ে আসতেসি
তনু বাসা থেকে বেরিয়ে রোডে গিয়ে দাঁড়ালো
হাঁটতে লাগলো আস্তে আস্তে
তনু-বাহ তনু বাহ, ইউ আর গ্রেট ইয়াহু,আরে আমি আমার কত বিয়া ভাঙ্গছি এটা তো পানির মত ছিল,,তনু খুশিতে এক লাফ দিয়ে শিশিরের সাথে জোরে সোরে ধাক্কা খেলো,,শিশির গাড়ী বাইরে রেখে সবে ভিতরে ঢুকতে গেসিলো,,
শিশির দুম করে নিচে পড়ে গেলো তনু ও দুম করে আরেক পাশে পড়ে গেলো
শিশির-আউচচচ,কে রে
তনু হাত ঘষতে ঘষতে মুখ তুলে তাকিয়ে শিশিরকে দেখে থ হয়ে বসে রইলো
শিশির তনুকে দেখে মনে হলো যেন ভূত দেখেছে
শিশির-তুমি!!
তনু-আপনি যাক আবারও দেখা হলো
শিশির-সবসময় আমাকে ধাক্কা দেওয়ার জন্য রেডি থাকো সব জায়গায়,stupid মেয়ে
তনু-
শিশির উঠে বাসায় ঢুকতে যাবে ওর মনে হলো এখন যদি এই মেয়েটার সামনে দিয়ে বাসায় যাই তাহলে তো বাসা চিনে ফেলবে,যে পাগল মেয়ে ডেইলি জ্বালাবে না আমি বরং বাইরে থেকে ঘুরে আসি
তনু-এই দাঁড়ান না,একটু কথা বলবো
শিশির কানে হেডফোন দিয়ে হাঁটা শুরু করলো
তনু পাশে পাশে হাঁটতেছে,,
শিশির-যাও,ডিস্টার্ব করবা না,সরো
তনু-এমন করেন কেন, একটু কথা বলবো প্লিস,
শিশির-go to hell
তনু -আপনার বাসা কি এখানে??
শিশির থেমে গিয়ে তনুর দিকে তাকালো,না কে বললো,আমি এখানে একটা কাজে এসেছি
তনু- ওহ,তাহলে আপনার বাসা কই
শিশির-দূরে,তুমি যেতে পারবে না
শিশির-ঐ দেখো বিমান যাচ্ছে
তনু পিছনে তাকালো,কই কই,,দেখি না তো
তনু আবার পিছনে ফিরে দেখলো শিশির উধাও,,ওমা আমারে বোকা বানিয়ে পালালো পরেরবার ছাড়মু না
শিশির-বাপরে বাঁচলাম,,
শিশির ওদের বাসার পিছন সাইডে এসেছিল
রহিম-তনু মা আসো গাড়ী রেডি
তনু গিয়ে কারে বসলো,,উফ একটু কথা বললে কি হতো,,হাতের কাছে পেয়েও ছাড় দিয়ে দিলাম
শিশির লুকায় লুকায় চারপাশ দেখলো, নাহ নাই,, তারপর বাসায় ফিরে আসলো,
মা-কিছুক্ষন আগেই তনু চলে গেলো
শিশির-তনু কে?
মা-আরে মীমের বান্ধুবী,আজকে মীমকে সাজিয়েছে আর আমাদের সাথেই ছিল পুরাটা সময়,এত মিষ্টি মেয়ে কি বলবো,,
শিশির-মীমকে যারা দেখতে এসেছিল উনারা কই??
মা-আর বলিস না এত রোগা ছেলে,,সব দোষ, আমরা তাই রিজেক্ট করে দিসি
শিশির-ওহ
শিশির নিজের রুমে যাওয়ার জন্য হাঁটতে যেতেই ওর মনে হলো পায়ে কিছু লেগেছে,,নিচে বসে দেখলো একটা কানের দুল
(মীম তনুর কান টেনে ধরতেই দুলটা পড়ে গেসিলো)
শিশির সেটা হাতে নিয়ে ভাবলো হয়ত মীমের,,
এনে টেবিলের উপরে রেখে fresh হতে চলে গেলো
মীম তখন থেকে শিশিরের রুমে এসে বসে আছে,ভয়ে গলা শুকিয়ে গেসে,,ভাইয়ার সাথে আজ কথা বলতেই হবে যে করেই হোক
শিশির তোয়ালে দিয়ে মাথা মুছতে মুছতে বের হলো,,
শিশির-কি হইসে?কিছু বলবি?
মীম-ভাইয়া আসলে আমার তোমাকে কিছু বলার আছে
শিশির-কি?
মীম-ভাইয়া আমি একজনকে ভালোবাসি
শিশির-এত ভয়ের কি আছে,আগে বললেই পারতি,নাম কি, কি করে
শিশির কথা বলতে বলতে রকিং চেয়ারে বসলো,,
মীম-ভাইয়া ওকে তুমি চিনো
শিশির-আমার frd circle এর কেউ??
মীম-তিসান
নামটা শুনে শিশির উঠে দাঁড়িয়ে গেলো,
কিহ,তিসান??তুই পাগল হয়েছিস?আমার অফিসের একজন কর্মচারীকে ভালোবাসোস???জানস তোর এক মাসের খরচ ওর বেতনের চাইতেও ১৪গুন বেশি
মীম-ভাইয়া আমি মানিয়ে নিতে পারবো,আমি ওরে অনেক ভালোবাসি,ও আমাকে ভালোবাসে,প্লিস ভাইয়া
মীম শিশিরের পায়ে ধরলো
শিশির-মীম এসব বাদ দাও,এটা সম্ভব না,,আমি রাজি হলেও বাবা জীবনেও রাজি হবে না
মীম-ভাইয়া তোমরা চাইলেই তো ওকে ভালো পদের চাকরি নিয়ে দিতে পারো আর ওর পড়ালেখাও খারাপ না,ও ভালো ছেলে ভাইয়া,তুমি তো ওরে ৫বছর ধরে চিনো,ভাইয়া প্লিস
শিশির রুম থেকে বেরিয়ে চলে গেলো সোজা বাবার রুমে,বাবা ঔষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে গেসে
শিশির-কাল সকালেই কথা বলবো,,
শিশির জ্যাকেট নিয়ে পরতেসে
মা-কোথায় যাস
শিশির-তুমি বলসো ডিনার করতে,ডিনার করা শেষ,আমি নাতাশার কাছে যাচ্ছি,ওর শরীর ভালো না,,ওর আমাকে প্রয়োজন
শিশির বেরিয়ে চলে গেলো
..............................চলবে..............................

Address

United Stated
Bronx, NY
10456

Telephone

+8801750184207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আবেগি হৃদয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আবেগি হৃদয়:

Videos

Our Story

Abegi Hridoy (আবেগি হৃদয়) is the leading lifestyle magazine and digital brand in the country. Our submission platform helps artists and creators turn their stories into must-read viral content.


Other Bronx media companies

Show All

Comments

পাঁচ টাকার সিগারেটে আগুন ধরিয়ে সবাই ধোঁয়া উড়ায় না, কেউ কেউ বুকের মধ্যে জমে থাকা কষ্টটাও উড়ায়...।।💔💔💔
হাই বন্ধু কেমব আছেন,,,,
💞💞💞💞💞 ভালোবাসা ভালোবাসি বলা খুব ই সহজ কিন্তু কাউকে ভালোবেসে আগলে রাখা খুবই কঠিন কাউকে ভালোবাসি বলার আগে তাকে নিজের থেকেও বেশী বিশ্বাস করতে হবে ।।।।।।।।। তার পরে ভালোবাসি কথাটা বলতে হবে ।।।।।।। ভালোবাসা মানে এই না সারা খন সন্দেহ করা ।।। ভালোবাসা মানে এই না কাউকে বেস্ততা দেখিয়ে তার পিছনে অন্য কাউকে সময় দেওয়া ভালোবাসা এমন হওয়া উচিত নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে তাকে আগলে রাখা যাকে ভালোবাসা যায় তার কাছে গোপন বলতে কিছু থাকবে না ।। বাঁচলেও সে আর মরলেও সে কিন্তু কিছু মানুষের কাছে ভালোবাসা মানে টাইম পাস কাউকে একটু ভালো লাগছে হুট করে তাকে বলে দেওয়া আমার সাথে লাভ করবে সে যদি বার্ন করে দেয় আর ভুল করেও তার সাথে কথা বলেনা ।।।।।।।এই সব করে আমরা বুঝিয়ে দি আমরা নিজেদের স্বার্থে খুব নিচে নেমে জেতে পারি ।।।।। খুব ছোট জীবন আমাদের মৃত্যু খুব কাছে তাই আমি মনে করি না যে আমাদের এই ছোট জীবনে ফেইক বলে কিছু থাকা টা বোধ হয় না দরকার আছে ।।।।।।। কিন্তু আমাদের সমাজে অনেক মানুষ এমন আছে যে মানুষ হয়ে আর একটা মানুষের রক্ত মাংস খেয়ে বেঁচে থাকতে পছন্দ করে ।।।।।।। কারো চোখের পানি কারো মুখে অফুরন্ত হাঁসি ।।।।।।।।।।।।।। আমার ভুলে যাই আমরা মানুষ ।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।JR.JOWEL
💞💞💞💞💞 ভালোবাসা ভালোবাসি বলা খুব ই সহজ কিন্তু কাউকে ভালোবেসে আগলে রাখা খুবই কঠিন কাউকে ভালোবাসি বলার আগে তাকে নিজের থেকেও বেশী বিশ্বাস করতে হবে ।।।।।।।।। তার পরে ভালোবাসি কথাটা বলতে হবে ।।।।।।। ভালোবাসা মানে এই না সারা খন সন্দেহ করা ।।। ভালোবাসা মানে এই না কাউকে বেস্ততা দেখিয়ে তার পিছনে অন্য কাউকে সময় দেওয়া ভালোবাসা এমন হওয়া উচিত নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে তাকে আগলে রাখা যাকে ভালোবাসা যায় তার কাছে গোপন বলতে কিছু থাকবে না ।। বাঁচলেও সে আর মরলেও সে কিন্তু কিছু মানুষের কাছে ভালোবাসা মানে টাইম পাস কাউকে একটু ভালো লাগছে হুট করে তাকে বলে দেওয়া আমার সাথে লাভ করবে সে যদি বার্ন করে দেয় আর ভুল করেও তার সাথে কথা বলেনা ।।।।।।।এই সব করে আমরা বুঝিয়ে দি আমরা নিজেদের স্বার্থে খুব নিচে নেমে জেতে পারি ।।।।। খুব ছোট জীবন আমাদের মৃত্যু খুব কাছে তাই আমি মনে করি না যে আমাদের এই ছোট জীবনে ফেইক বলে কিছু থাকা টা বোধ হয় না দরকার আছে ।।।।।।। কিন্তু আমাদের সমাজে অনেক মানুষ এমন আছে যে মানুষ হয়ে আর একটা মানুষের রক্ত মাংস খেয়ে বেঁচে থাকতে পছন্দ করে ।।।।।।। কারো চোখের পানি কারো মুখে অফুরন্ত হাঁসি ।।।।।।।।।।।।।। আমার ভুলে যাই আমরা মানুষ ।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।😢😢JR JOWEL
হ্যাঁ আমি ধর্ষিতা কিন্তু আমার ধর্ষিতা হওয়ার পেছনে আমার কোনো হাত নেই তাহলে আমি কেনো বঞ্চিত সমাজ থেকে আমি নাকি নষ্ট মেয়ে মানুষ আচ্ছা ওই কুকুর গুলো যারা আমাকে নষ্ট করলো তারা কেনো নষ্ট পুরুষ নয় বলতে পারো, বলতে পারো তোমরা তারা কেনো সমাজ থেকে বঞ্চিত নয় ওরা ওরা তো দিব্যি আছে। তালে কেনো নির্দোষ হয়েও আমি শাস্তি পাচ্ছি। শাস্তি, শাস্তি তো ওদের দরকার সত্যি কি নির্বোধ পৃথিবী। হ্যা আমি ধর্ষিতা কিন্তু আমার সাথে ওই রাতে আরো যে জানোয়ার গুলো ছিল। তারাও তো ধর্ষক আমি নাকি সমাজের জঞ্জাল আমার মুখ দেখা পাপ কারণ আমি নষ্ট মেয়েছেলে ওরা ও তো আমার সাথে বিছানায় ছিল ওরাই তো আমাকে জোর করে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাকে তুলে নিয়ে রেপ করলো তালে ওরাই তো ধর্ষক। হ্যাঁ আমি ধর্ষিতা আর তার কারণে আমার কোনোদিনও আর বিয়ে হবে না। আমি আমার ভার্জিন টি মানে সতীত্ব নষ্ট করে ফেলেছি। কিন্তু ওরা না পুরুষ দের আবার ভার্জিন বলে কোনো ব্যাপার নাকি। কথায় আছে না সোনার আংটি বাকা হলেও ভালো। হ্যা আমি ধর্ষিতা তার কারণে পরিবারের সবাই কেমন যেন আচরণ করে আমার সাথে। যেটা আগে কোনো দিনও করত না। আমার ছোটো বোন তাও ঠিক করে কথা বলে না। কারণ আমার মত সে হতে চাই না। আমার বড়ো দিদির সামনে বিয়ে পাছে আমার কারণে তার বিয়ে ভেঙ্গে যায় তার কারণে আজ আমি গৃহবন্দী। এমন কি যেখানে থাকি সেখানেও শুরু হয়ে যায় আমাকে নিয়ে ফিসফাস কলেজে ঢুকি ফিসফাস টিউশন গেলে ফিসফাস পাড়ার রাস্তায় ফিসফাস সবার মুখে মুখে একটাই কথা আমার নাকি লজ্জা নেই নিলজ্জ মেয়ে মানুষ একটা পাড়ার কাকিমাদের মুখে _ আরে ওই মেয়েটা না যে ওইদিন রেপট হলো হ্যাঁ কি রকম বাবা মা ভাবাযায় কোনো শিক্ষা নেই, আদিখ্যেতা। মেয়েকে রাস্তায় বার করে দিয়েছে। আর মেয়েরেও বলিহারি লজ্জা সরম এর মাথা খেয়েছে, মরণ ও হয় না। এই জন্য বলে মেয়ে দের বেশি বাড়াতে নেই অত লেখাপড়া শিখে আজ রাস্তায় বেরিয়ে এই অবস্থা। এসব শুনে আজ আমি অভ্যস্ত কারণ আমি ধর্ষিতা। ভেঙ্গে পড়লে চলবে না । জীবনে প্রব্লেম আসবে যাবে রোগের মত আজ আমাদের জীবনে প্রব্লেম পুরো রোগের মত প্রব্লেম আসবে যাবে। রোগের যেমন চিকিৎসা আছে মেডিসিন আছে সেরকম প্রব্লেম এর ও আছে। যতদিন না অপরাধী রা শাস্তি পাছে ততদিন লড়াই করতে হবে। হ্যাঁ ততদিন ঠিক ততদিন প্রতিবাদী হতে শিখুন আপনাকে দেখে আরো মেয়েরা এগোবে যারা আজ মৃত্যুপথযাত্রী আজ মরার সাথে লড়াই করছে। বি দ্রঃ _ বদলাবে সমাজ বদলান মানুষিকতা লেখায় _ রাখী আচার্য্য
আমাদের সপখ পারায় 7 বছর কিনতু ছোটো খাটো ভুল বোঝ বুঝি নিয়ে আমাদের কথা বাতা বনধো যায় কিকরলে আমাদে সমাধান হবে
আকাশের বুক চিরে জদি ঝরে জল বুজে নিবো অভিমানে তুমি কেঁদে ছল 💙💙
👉কত কত রাত কেটে যাচ্ছে একা রাতগুলো ঘুমিয়ে, না ঘুমিয়ে, একা স্বপ্নে, না স্বপ্নে, একা,,,,,,,,!!!! রাতগুলো ফুরিয়ে যাচ্ছে দিন দিন, রাতগুলো নিভে যাচ্ছে তাকে হয়ত পাবো একদিন শুধু রাতগুলোকেই পাবো না ফিরে ।🤓🙈🙊
আমি যদি তোরে বেশি বিরক্ত করি তাহলে বুঝে নিবি তুই আমার কাছে সবচেয়ে বেশি স্পেশাল 💙💝💙
বেস্ট ফ্রেন্ড মানি নিজের অস্তিত্ব আরেক জনের মাঝে খুঁজে পাওয়া 💙🌹💙
লাইক,কমেন্ট, শেয়ার দিয়ে পাশে থাকুন।আশা করি অতি তাড়াতাড়ি আপনাদের জন্য নুতন ভালো এবং মানসমতো ডিজাইনের থ্রিপিস,1পিস,ইত্যাদি সমগ্র নিয়ে আসবো। https://www.facebook.com/100424665061724/posts/100426138394910/?substory_index=0&app=fbl