Motivational Updates

  • Home
  • Motivational Updates

Motivational Updates সংবাদ, বিনোদন ও খেলাধুলার নিয়মিত আপডেট A Bengali News Paper
(329)

সৌদি আরবের আবহা শহরে নিজ বাসার দরজা ভেঙে সোহাগ রানা (৪২) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর ম*রদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় তিন দ...
07/09/2026

সৌদি আরবের আবহা শহরে নিজ বাসার দরজা ভেঙে সোহাগ রানা (৪২) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর ম*রদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় তিন দিন ধরে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আবহা শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করে।

সোহাগ রানা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হাফেজ উল্যাহ মিয়ার বাড়ির বশির উল্যাহর ছেলে। তিনি দুই কন্যাসন্তানের বাবা ছিলেন।

সোহাগের মামাতো ভাই ও সৌদি প্রবাসী সৈয়দ রিগান জানান, গত ৩১ আগস্ট থেকে সোহাগের সঙ্গে পরিবারের ও পরিচিতদের যোগাযোগ ছিল না। টানা তিন দিন তিনি দোকানেও না যাওয়ায় সহকর্মীরা বিষয়টি তার কফিলকে জানান। পরে কফিল বাসায় গিয়ে দেখেন, দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে সোহাগকে মৃ**ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ম*রদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, অতিরিক্ত দু*শ্চিন্তার কারণে স্ট্রো**কে আ**ক্রা***ন্ত হয়ে তার মৃ**ত্যু হয়ে থাকতে পারে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরবে বসবাস করছিলেন। এর আগে তিনি দুবাইয়ে ছিলেন। সৌদিতে গত কয়েক মাস ধরে তার বৈধ আকামা ছিল না। একই সঙ্গে তার পাসপোর্টের মেয়াদও শেষ হয়ে গিয়েছিল। এসব কাগজপত্র নবায়নের জন্য তিনি বেশ কিছুদিন ধরে চেষ্টা করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি মানসিকভাবে হ/তা/শ ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।

সোহাগ রানার মর*দেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতা চেয়েছে তার পরিবার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান।

সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের ই-পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক দিতে এখন থেকে আগে থেকেই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। এ বিষয়...
07/09/2026

সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের ই-পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক দিতে এখন থেকে আগে থেকেই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

দূতাবাসের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সংখ্যক আবেদনকারী একসঙ্গে উপস্থিত হওয়ায় দূতাবাসের আশপাশে ভিড় ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছিল। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বায়োমেট্রিক সেবায় এই নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে।

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া কোনো আবেদনকারীর ই-পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক গ্রহণ করা হবে না।

বায়োমেট্রিকের জন্য আগ্রহীদের দূতাবাসের নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করে আগাম তারিখ ও সময় নির্ধারণ করতে হবে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার জন্য ব্যবহার করতে হবে:
https://passportriyadh.com/appointment

যেসব আবেদনকারীর বায়োমেট্রিকের তারিখ ও সময় আগে থেকেই নির্ধারিত রয়েছে, তারা সেই সময় অনুযায়ী দূতাবাসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।

দূতাবাস জানিয়েছে, সেবাপ্রার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশে পাসপোর্ট সেবা নিশ্চিত করতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাই সবাইকে নির্ধারিত নিয়ম মেনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে দূতাবাসে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে ৩,৩০০টি ক্ষে*প**ণা*স্ত্র ও ড্রোন নি*ক্ষেপ করেছে। এসব হামলার বিপুল অংশই বে...
07/09/2026

কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে ৩,৩০০টি ক্ষে*প**ণা*স্ত্র ও ড্রোন নি*ক্ষেপ করেছে। এসব হামলার বিপুল অংশই বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা ড. আনোয়ার গারগাশ। হিলি ফোরামে এক বিশেষ বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, নি*ক্ষেপ করা অধিকাংশ ক্ষে**পণা**স্ত্র ও ড্রোন আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিহত করেছে।

গারগাশ বলেন, টানা এই হামলা শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতাই তুলে ধরেনি, বরং দেশটির সামগ্রিক জাতীয় সক্ষমতা ও সংকট মোকাবিলার দৃঢ়তাও প্রকাশ করেছে।

তিনি বলেন, আকাশে যখন ক্ষে*পণা**স্ত্র উড়ছিল, তখনও চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে আমিরাতের তেলবহির্ভূত বৈদেশিক বাণিজ্য ১৩ শতাংশ বেড়েছে। এতে স্পষ্ট হয়েছে, দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা থেমে যায়নি এবং ভবিষ্যতের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোও ঠিক পথেই এগোচ্ছে।

তিনি বলেন, “স্বাভাবিকভাবেই কিছু খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু আমাদের অর্থনীতি থেমে যায়নি। এটি প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতেও সম্প্রসারণ ঘটেছে।”

সংকট বদলে দেবে গোটা অঞ্চল

গারগাশের মতে, ছয় মাস ধরে চলা এই সংকট তার দৃষ্টিতে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-কৌশলগত কাঠামো ও রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।

তিনি বলেন, “আমার দৃষ্টিতে, এই সংকট এমন একটি আঞ্চলিক ভূ-কৌশলগত বাস্তবতা তৈরি করবে, যা আগের অঞ্চলটির তুলনায় আরও জটিল ও অনেক বেশি অনিশ্চিত।”

তিনি আরও বলেন, “তবে আমার সামান্যই সন্দেহ আছে যে আমরা আরও জটিল উপসাগরীয় অঞ্চল এবং আরও চ্যালেঞ্জিং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।”

এই পরিস্থিতিতে কৌশলগত স্বনির্ভরতা কোনো স্লোগান নয়, বরং একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন তিনি। এর মাধ্যমে আমিরাত তার অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়েছে বলে তিনি জানান।

ইরানের সঙ্গে হামলা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত যোগাযোগ বজায় রাখা প্রয়োজন হবে বলেও মন্তব্য করেন গারগাশ। তিনি বলেন, “ভূগোল আমাদের সামনে যোগাযোগ ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প রাখে না।” তবে তিনি প্রয়োজনীয় কার্যকর সম্পর্ক পুনঃস্থাপন এবং পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠনের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন।

ইরানকে আ**ক্রমণ না করা উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হা**মলাকে তিনি “পূর্বপরিকল্পিত পছন্দের যুদ্ধ” এবং “কৌশল ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গভীর ব্যর্থতা” হিসেবে বর্ণনা করেন।

তার ভাষ্য, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরান প্রতিবেশীদের সঙ্গে এমন সব সম্পর্কের সেতু ধ্বং*স করেছে, যেগুলো গড়ে উঠতে কয়েক দশক সময় লেগেছিল।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কার্যকর সম্পর্ক আবারও প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হলেও তেহরানের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর সম্পর্কের পেছনে থাকা পারস্পরিক সদিচ্ছার ভিত্তি ধ্বং*স হয়ে গেছে। সেই আস্থা ফিরিয়ে আনতে বহু বছর, এমনকি কয়েক দশকও লেগে যেতে পারে।

আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া ‘হতাশাজনক’

সংকট মোকাবিলায় আরব, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াকে “অকার্যকর ও হতাশাজনক” বলে মন্তব্য করেন গারগাশ।

তার মতে, যু**দ্ধ ঠেকানো, জ্বালানি ও সামুদ্রিক বাণিজ্য সুরক্ষিত রাখা এবং গাজায় শুরু হওয়া সংঘাতকে আরও বিস্তৃত সংঘ**র্ষে রূপ নেওয়া থেকে ঠেকানোর ক্ষেত্রে সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।

তিনি বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো আলাদাভাবে নিজেদের সক্ষমতা দেখিয়েছে। কিন্তু দেশগুলোর পৃথক প্রতিক্রিয়া সমানভাবে কার্যকর কোনো সম্মিলিত কৌশলে রূপ নেয়নি।

গারগাশ বলেন, “আমি মনে করি না, সম্মিলিতভাবে আমরা হুমকির মাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কৌশলগত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পেরেছি।”

তার মতে, সমস্যা ছিল ইরান থেকে আসা চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বোঝাপড়ার অভাব নয়; বরং অভিন্ন মূল্যায়নকে যথেষ্ট ঐক্যবদ্ধ প্রতিক্রিয়ায় পরিণত করতে না পারা।

কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত নয় হরমুজ প্রণালি

গারগাশ বলেন, হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎই বর্তমান সংঘা**তের অন্যতম কেন্দ্রীয় বিষয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মূলত সামরিক পরাজয়ের” মুখোমুখি হওয়ার পর ইরান কীভাবে ভূ-কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে পারে।

তার ভাষ্য, বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবহন করা মোট তেলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। পাশাপাশি বৈশ্বিক কৃষির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সারেরও উল্লেখযোগ্য অংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এই নৌপথে বিঘ্ন ঘটলে তা শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বিশ্বের জ্বালানি, বাণিজ্য ও খাদ্য নিরাপত্তাকেও হু*মকির মুখে ফেলতে পারে।

গারগাশ বলেন, “কোনো একক রাষ্ট্রের হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত নয়। এটি বৈশ্বিক গুরুত্বসম্পন্ন একটি আন্তর্জাতিক জলপথ, এমন কোনো কৌশলগত সুবিধা নয় যা যে দেশই এটি বন্ধ করার সক্ষমতা রাখে, সে নিজের ইচ্ছামতো ব্যবহার করবে।”

এই জলপথকে চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। বাণিজ্যিক জাহাজে হা**মলার ক্ষেত্রে “পরিণতি ভোগ করতে হবে” বলেও সতর্ক করেন তিনি।

বিকল্প বাণিজ্যপথ শক্তিশালী করছে আমিরাত

গারগাশ বলেন, “সামুদ্রিক নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা সবসময়ই আমাদের অগ্রাধিকারের কেন্দ্রে ছিল। এখন এগুলো আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে সামনে এসেছে।”

তিনি জানান, আমিরাত তার পূর্ব উপকূলে বন্দর সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। পাশাপাশি পূর্ব উপকূলের সঙ্গে সংযোগকারী পাইপলাইন, রেলপথ ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিকল্প পণ্য পরিবহন করিডরও গড়ে তোলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “আমাদের জ্বালানি রপ্তানি জি*ম্মি হতে দেওয়া হবে না, একইভাবে আমাদের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও থেমে থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, এই পরিকল্পনা নতুন করে শুরু করা হয়নি। এর বড় একটি অংশ আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল। বর্তমান সংকট এসব পরিকল্পনার বাস্তবায়ন দ্রুততর করেছে এবং কাজ শেষ করার প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়িয়েছে।

গারগাশ সংকট কমাতে দীর্ঘমেয়াদি উত্তেজনা প্রশমন, হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌ চলাচল, ভবিষ্যতে ইরানের হাম**লা ঠেকাতে বিশ্বাসযোগ্য নিশ্চয়তা এবং সার্বভৌমত্ব ও অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির প্রতি নতুন করে সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, যু**দ্ধ ও শান্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কোনো মি*লিশিয়া গোষ্ঠীর হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে স্পষ্ট শর্ত, কার্যকর যাচাই ব্যবস্থা এবং শর্ত না মানলে পরিণতির ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধক্ষমতা ও জাতীয় সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৌশলগত স্বনির্ভরতার অর্থ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া নয় বলে মন্তব্য করেন গারগাশ। তার মতে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমিরাতের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব দেশটির নিরাপত্তা ও শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

তবে প্রতিরোধক্ষমতার পাশাপাশি নিরাপত্তা, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠনের বিষয়গুলো নিয়ে কার্যকর কূটনীতিও প্রয়োজন বলে তিনি জানান।

গারগাশ বলেন, “সম্পর্ক আস্থার চেয়ে দ্রুত পুনঃস্থাপন করা যায়। আস্থা হলো সেই পাহাড়, যেটি আমাদের পাড়ি দিতে হবে।”

তিনি বলেন, ইরানের আগ্রাসন প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং দেশটিকে আরও বিচ্ছিন্ন করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার পথ হলো সম্পর্কের সেতু পুনর্নির্মাণ, উত্তেজনা কমানো এবং একটি টেকসই রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো।

তিনি আরও বলেন, “কূটনীতি সফল করতে হলে শেষ পর্যন্ত ইরানের উদ্দেশ্যকে তার কথার ভিত্তিতে নয়, বরং তার কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে বিচার করতে হবে।”

সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল নেপালের রাসুয়া এলাকায় তাদের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু করেছে। দেশটিতে...
07/09/2026

সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল নেপালের রাসুয়া এলাকায় তাদের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু করেছে। দেশটিতে আ*ঘা*ত হানা বি*ধ্বং*সী ব*ন্যার পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে নেপালী কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের মানবিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

দলটি সংশ্লিষ্ট নেপালী কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি সমন্বয় করে কাজ করছে এবং রাসুয়া এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে তাদের অনুসন্ধান ও উদ্ধার সক্ষমতা মোতায়েন করছে। দলটি উন্নত সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনুসন্ধান ও মাঠ পর্যায়ের জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়াও, আকাশ থেকে ছবি তোলা ও জরিপ এবং ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরির জন্য ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। এই সক্ষমতাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রবেশ এবং অনুসন্ধানের স্থান চিহ্নিত করার প্রচেষ্টাকে সহায়তা করে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ত্রাণ কার্যক্রমের পরিচালক হামুদ আল আফারি বলেছেন যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দলের এই কার্যক্রম শুরু করা নেপালে ক্ষ*তিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য তাদের সক্ষমতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। একইসাথে, তারা মাঠ পর্যায়ে কর্তৃপক্ষ এবং বিশেষায়িত দলগুলোর সাথে একযোগে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন: “আমরা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রয়েছে এমন এলাকাগুলোতে অনুসন্ধান ও উদ্ধার সক্ষমতা পাঠানোর জন্য নেপালী কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করছি এবং একই সাথে অনুসন্ধান অভিযান ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন ও ত্বরান্বিত করতে দলের কাছে থাকা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করছি।”

মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল বিভিন্ন দুর্যোগ-কবলিত এলাকায় বাধা অতিক্রম করে এবং নিরবচ্ছিন্ন ত্রাণ সহায়তা প্রদানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বন্যা ও ভূমিধসে যেখানে অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামো এবং মৌলিক চাহিদা ধ্বং*স হয়ে গেছে, সেইসব এলাকা ও গ্রামে পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও এই মানবিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এই প্রচেষ্টাগুলো ক্ষ*তি*গ্র*স্তদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের অব্যাহত মানবিক ও ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি পরিচালিত হচ্ছে। এটি একটি সমন্বিত প্রতিক্রিয়ার অংশ, যা সংকট ও দুর্যোগের সময় দেশ ও জনগণকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দীর্ঘস্থায়ী দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে।

'অপারেশন শিভ্যালরাস নাইট ৩' এবং ফি*লিস্তিনি জনগণকে সহায়তা ও তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের চলমান ম...
07/09/2026

'অপারেশন শিভ্যালরাস নাইট ৩' এবং ফি*লিস্তিনি জনগণকে সহায়তা ও তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের চলমান মানবিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, এই সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাঁচটি ত্রাণবহর গা/জা উপত্যকায় প্রবেশ করেছে। এই ত্রাণবহরগুলোতে ৬৬টি ট্রাকে করে ৫৩৩ টন মানবিক সহায়তা আনা হয়েছে।


এই ত্রাণবহরগুলোতে খাদ্যসামগ্রী, খাবারের পার্সেল এবং আশ্রয় সামগ্রী ছিল, যা ফি*লিস্তিনিদের মৌলিক চাহিদা মেটাতে এবং গা*জা উপত্যকার অভ্যন্তরে মানবিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।

'অপারেশন শিভ্যালরাস নাইট ৩' দলটি আল আরিশ শহরে অবস্থিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের মানবিক সহায়তা সরবরাহ কেন্দ্রের মাধ্যমে ত্রাণবহর প্রস্তুত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই কেন্দ্রটি একটি সমন্বিত ব্যবস্থার মাধ্যমে কাজ করে, যার মধ্যে গা*জা উপত্যকায় পরিবহনের আগে ত্রাণ গ্রহণ, বাছাই এবং প্রস্তুত করার কাজ অন্তর্ভুক্ত। এটি মানবিক সহায়তার নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ এবং অভাবী মানুষের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করে।

এই ত্রাণবহরগুলো 'অপারেশন শিভ্যালরাস নাইট'-এর মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের গৃহীত বৃহত্তর মানবিক প্রচেষ্টার অংশ। অপারেশন শিভ্যালরাস নাইট ৩-এর মাধ্যমে ফি*লিস্তিনিদের দু*র্ভো*গ লাঘব করতে এবং তাদের জরুরি মানবিক চাহিদা মেটাতে নিয়মিতভাবে ত্রাণ সরবরাহ করা হচ্ছে।

অপারেশন শিভ্যালরাস নাইট ৩ ফি*লিস্তিনি জনগণকে সমর্থন করার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের চলমান মানবিক ও ত্রাণ প্রচেষ্টাকে তুলে ধরে এবং দেশটির দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি, সেইসাথে সংহতি ও মানবিক দায়িত্ববোধের মূল্যবোধকে প্রতিফলিত করে।

বিদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ করতে আগ্রহী সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিয়োগকর্তাদের জন্য নতুন ডিজিটাল সেবা চালু করেছে মানবসম্পদ ও আমির...
07/09/2026

বিদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ করতে আগ্রহী সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিয়োগকর্তাদের জন্য নতুন ডিজিটাল সেবা চালু করেছে মানবসম্পদ ও আমিরাতিকরণ মন্ত্রণালয় (MoHRE)। এই সেবার মাধ্যমে দেশের বাইরে থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য নতুন ওয়ার্ক পারমিটের আবেদন করা যাবে।

মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলো অনুমোদিত প্রক্রিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রম আইন মেনে এই সেবার আওতায় বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে পারবে।

পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন করার সুযোগ থাকায় নিয়োগকর্তারা মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র জমা দিতে পারবেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতাও অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে।

MoHRE জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাইরে থেকে কর্মী আনার জন্য নির্ধারিত এই ওয়ার্ক পারমিট মূলত মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত এবং বিদেশি কর্মী নিয়োগে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রযোজ্য।

নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও দ্রুত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার থেকে দক্ষ কর্মী খুঁজে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি কার্যকর ডিজিটাল মাধ্যম দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশ থেকে কর্মী আনার ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তাকেই সংশ্লিষ্ট নিয়োগ ব্যয় বহন করতে হবে। এর মধ্যে কর্মীকে নিজ দেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আনার খরচ এবং দেশটির আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য সরকারি নিয়োগ ফি, বীমা, চাঁদা ও গ্যারান্টির খরচও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ডিজিটাল এই সেবাকে সরকারি কার্যক্রম আধুনিকায়নের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ধাপ ও সময় উভয়ই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত পাকিস্তানি নাগরিক শওকত আফতাব ভাগ্যের চমক পেলেন বিগ টিকেট আবুধাবির সেপ্টেম্বরের লাইভ ড্র-তে। ...
06/09/2026

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত পাকিস্তানি নাগরিক শওকত আফতাব ভাগ্যের চমক পেলেন বিগ টিকেট আবুধাবির সেপ্টেম্বরের লাইভ ড্র-তে। তিনি জিতে নিয়েছেন ১৫ মিলিয়ন দিরহামের গ্র্যান্ড প্রাইজ। ১৫ মিলিয়ন দিরহামে বাংলাদেশি মূদ্রায় আসে ৫ কোটি ২ লাখ টাকা। একই ড্র-তে কেরালার এক আমিরাত প্রবাসী পেয়েছেন একটি ল্যান্ড রোভার ডিফেন্ডার, আর বাংলাদেশিসহ আরও পাঁচজন বিজয়ী পেয়েছেন প্রত্যেকে ১ লাখ দিরহাম।

২৪৫৫৫৬ নম্বরের টিকিটটি আফতাবের জন্য এনে দেয় রাতের সবচেয়ে বড় পুরস্কার। জয়ী হওয়ার পর বিগ টিকেটের উপস্থাপক রিচার্ড ও বুশরা পাকিস্তানে ফোন করে তাকে সুখবরটি জানান।

ফোনে আফতাব প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেননি। তিনি বলেন, “আপনারা কী বলছেন, আমি বুঝতে পারছি না।” এরপর উপস্থাপকরা তাকে জানান, গত ৪ আগস্ট তিনি একটি টিকিট কিনেছিলেন এবং সেই টিকিটের মাধ্যমে তিনি ১৫ মিলিয়ন দিরহাম জিতেছেন।

সুখবরটি বুঝতে পারার পর আনন্দে চিৎকার করে ওঠেন আফতাব। পরে তিনি উপস্থাপকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ, ভালোবাসি। আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আমি এখন খুব খুশি। তবে আমি নিশ্চিত নই, এটি সত্যিই বৈধ কল কি না।”

আফতাবের এমন সন্দেহকে স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করেন রিচার্ড। কারণ প্র/তারণামূলক ও স্প্যা/ম ফোনকলের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। তাই তিনি আফতাবকে বিগ টিকেটের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল বা ওয়েবসাইটে গিয়ে বিজয়ের তথ্য যাচাই করতে বলেন।

উল্লেখ্য, এর আগের মাসের লাইভ ড্র-তে ২০ মিলিয়ন দিরহামের গ্র্যান্ড প্রাইজ জিতেছিলেন ফিলিপাইনের নাগরিক রেইনাল্ডো হারবোসো। ১৯৮৮ সাল থেকে দুবাইয়ে বসবাসকারী হারবোসোই বিগ টিকেটের স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত ড্রয়ের সময় কাঁচের বাক্স থেকে আফতাবের বিজয়ী টিকিটটি তুলেছিলেন।

৬৪ বছর বয়সী আফতাব পাকিস্তানের একজন ব্যবসায়ী। প্রায় ১৫ বছর আগে তিনি প্রথম বিগ টিকেটের বিষয়ে জানতে পারেন। এরপর থেকে নিয়মিত টিকিট কিনে আসছেন তিনি। কখনও একসঙ্গে দুটি টিকিটও কিনেছেন। অতীতে বন্ধুদের সঙ্গে মিলে টিকিট কিনলেও এবার বিজয়ী টিকিটটি তিনি একাই সংগ্রহ করেছিলেন।

স্বপ্নের গাড়ি পেলেন কেরালার প্রবাসী

একই ড্র-তে ল্যান্ড রোভার ডিফেন্ডার জিতেছেন কেরালার ৫৫ বছর বয়সী হিসাবরক্ষক রবীন্দ্রনাথন ভিনেশ। প্রায় তিন দশক ধরে শারজায় বসবাস করা ভিনেশ নিয়মিতভাবে প্রতি মাসে বিগ টিকেটের টিকিট কিনে আসছেন। কখনও একা, আবার কখনও বন্ধুদের সঙ্গে মিলে তিনি টিকিট কিনতেন।

বর্তমানে তার স্ত্রী মেয়ের সঙ্গে ভারতে অবস্থান করছেন। মেয়ে সেখানে পড়াশোনা শেষ করছেন। অন্যদিকে তার ছেলেও সম্প্রতি পড়াশোনা শেষ করে ভারতে ফিরে গেছেন। ফলে এই পুরস্কার পুরো পরিবারের জন্যই বিশেষ আনন্দের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।

বিজয়ের ফোন পাওয়ার অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে ভিনেশ জানান, প্রথমে তিনি কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন। কারণ আগে অনেক সময় চাকরির পদোন্নতি সংক্রান্ত ফোনে ‘বিগ টিকেট’ শব্দটি উল্লেখ থাকত। কিন্তু এবার ফোনটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে।

ফোন পাওয়ার পর তার ছেলে বিষয়টি নিশ্চিত করতে ইউটিউবে বিগ টিকেটের লাইভ ড্র দেখেন। সেখানেই তারা জানতে পারেন, ভিনেশই বিজয়ী। ফলে ফোনে পাওয়া খবরটি পরিবারের কাছে আরও বড় চমকে পরিণত হয়।

নিজের এই সৌভাগ্যের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভিনেশ বলেন, “আমি গত ৩০ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করছি। এই দেশ আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে। বিগ টিকেটে অংশ নেওয়ার সুযোগ এবং এই উপহারও এই দেশই আমাকে দিয়েছে।”

আরও যারা পুরস্কার পেয়েছেন

এ ড্র-তে চারজন ভারতীয় ও একজন বাংলাদেশি নাগরিক প্রত্যেকে ১ লাখ দিরহাম করে পেয়েছেন। বিজয়ীরা হলেন—

শিবলিন সরফরাজ — ভারত
সুরেশ কুমার — ভারত
মোল্লাপুল্লি প্রবীণ বাবু — ভারত
সন্দীপকুমার নানেরা — ভারত
মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আহমেদ মেহ তালুকদার — বাংলাদেশ

এদিকে আগামী অক্টোবরের লাইভ ড্র-র জন্য বিগ টিকেট ২০ মিলিয়ন দিরহামের গ্র্যান্ড প্রাইজ ঘোষণা করেছে। এর সঙ্গে থাকছে আরও বিভিন্ন নগদ পুরস্কার। আগামী ৩ অক্টোবরের লাইভ ড্র-তে অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকছে বড় অঙ্কের পুরস্কার জেতার সুযোগ।

শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সপ্তাহব্যাপী ধারাবাহিক যৌথ অভিযানে সৌদি নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ বসবাসের অনুমতি, সীম...
06/09/2026

শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সপ্তাহব্যাপী ধারাবাহিক যৌথ অভিযানে সৌদি নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ বসবাসের অনুমতি, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১৪,১৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

২৭ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সাথে পরিচালিত এই অভিযানে বসবাসের অনুমতি আইন লঙ্ঘনকারী ৭,১২১ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারী ৩,৬৩৬ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনকারী ৩,৪০৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১২,৩৬৩ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে, ১৮,৯৩৭ জনকে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য তাদের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে এবং আরও ৩,২৪০ জনকে ভ্রমণের রিজার্ভেশন সম্পন্ন করার জন্য পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অবৈধভাবে রাজ্যে প্রবেশের চেষ্টাকালে ১,৩১৫ জনকে ধরা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৮ শতাংশ ইথিওপিয়ান নাগরিক, ৪১ শতাংশ ইয়েমেনি এবং এক শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক।

অবৈধভাবে সৌদি আরব ত্যাগ করার চেষ্টাকালে আরও ৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় প্রদান বা নিয়োগের অভিযোগে আরও ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২৭,৮৪৫ জন পুরুষ এবং ১,৯২৮ জন নারীসহ মোট ২৯,৭৭৩ জন প্রবাসী বর্তমানে অভিবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হচ্ছেন।

সৌদি কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে যে, যারা রাজ্যে অবৈধ প্রবেশে সহায়তা করবে, আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন করবে, আশ্রয় দেবে বা অন্য কোনো ধরনের সহায়তা প্রদান করবে, তাদের ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ লক্ষ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত যানবাহন এবং আশ্রয় প্রদানের জন্য ব্যবহৃত সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।

মন্ত্রণালয় জনসাধারণকে মক্কা, রিয়াদ এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ৯১১ নম্বরে, অথবা রাজ্যের অন্যত্র ৯৯৯ এবং ৯৯৬ নম্বরে ফোন করে আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে জানানোর জন্য অনুরোধ করেছে।

দুবাইয়ে ব্যবসা শুরু করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের খরচের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো ব্যবসার লাইসেন্স ফি। তবে ...
06/09/2026

দুবাইয়ে ব্যবসা শুরু করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের খরচের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো ব্যবসার লাইসেন্স ফি। তবে ব্যবসার ধরন, কার্যক্রম এবং আইনি কাঠামোর ওপর নির্ভর করে এই ফি কমবেশি হতে পারে।

ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনা করছেন এমন উদ্যোক্তারা আগে থেকেই সম্ভাব্য লাইসেন্স খরচ সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন। এ জন্য দুবাই সরকারের Invest in Dubai প্ল্যাটফর্মে রয়েছে একটি বিনামূল্যের Business Cost Calculator। এতে ব্যবসার প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সম্ভাব্য লাইসেন্স ফি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

কীভাবে হিসাব করবেন

প্রথমে Invest in Dubai প্ল্যাটফর্মে গিয়ে ‘Cost Calculator’ অপশন নির্বাচন করতে হবে।

এরপর যে ধরনের ব্যবসা শুরু করতে চান, সেই ব্যবসায়িক কার্যক্রম নির্বাচন করতে হবে। নির্দিষ্ট কার্যক্রমের ভিত্তিতে প্রযোজ্য ব্যবসার লাইসেন্সের ধরনগুলো দেখাবে সিস্টেমটি।

পরবর্তী ধাপে ব্যবসার অংশীদারের সংখ্যা এবং তাদের জাতীয়তা নির্বাচন করতে হবে। এখানে ইউএই নাগরিক, জিসিসি দেশের নাগরিক অথবা প্রবাসী—এই ধরনের অপশন রয়েছে।

এরপর কোম্পানির আইনি কাঠামো নির্বাচন করতে হবে। ব্যবসার ধরন অনুযায়ী লিমিটেড লায়াবিলিটি কোম্পানি (এলএলসি), পাবলিক জয়েন্ট স্টক কোম্পানি (পিজেএসসি) বা অন্য কাঠামো বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।

সব তথ্য দেওয়ার পর ‘Calculate Fees’ অপশনে ক্লিক করলে নির্বাচিত ব্যবসার ধরন ও কাঠামোর ভিত্তিতে সম্ভাব্য লাইসেন্স ফি দেখাবে ক্যালকুলেটরটি।

দুবাইয়ে লাইসেন্সের খরচের একটি উদাহরণ

যদি ব্যবসার জন্য একটি বাস্তব অফিস প্রয়োজন হয়, তাহলে লাইসেন্সের সম্ভাব্য খরচ হিসাব করার সময় বার্ষিক অফিস ভাড়ার তথ্যও দিতে হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অফিস ভাড়ার ৫ শতাংশ লাইসেন্স ফি হিসাবের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়।

উদাহরণ হিসেবে, কোনো প্রবাসী উদ্যোক্তা দুবাইয়ের মেইনল্যান্ডে Advertisement Designing and Producing ব্যবসা শুরু করতে চান এবং ব্যবসার কাঠামো হিসেবে Sole Establishment বেছে নেন। তিনি যদি বিজনেস বে এলাকায় বছরে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার দিরহামে একটি অফিস ভাড়া নেন, তাহলে ব্যবসার কার্যক্রম ও আইনি কাঠামোর ভিত্তিতে আনুমানিক লাইসেন্স খরচ প্রায় ১৫ হাজার দিরহাম হতে পারে।

তবে এটি কেবল একটি আনুমানিক হিসাব। ব্যবসার ধরন, কার্যক্রম, আইনি কাঠামো এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয়তার ওপর প্রকৃত খরচ ভিন্ন হতে পারে।

লাইসেন্স কতদিন বৈধ থাকে?

ক্যালকুলেটরে দেখানো লাইসেন্স ফি সাধারণত এক বছরের জন্য হিসাব করা হয়। পরবর্তী বছর লাইসেন্স নবায়নের সময়ও প্রযোজ্য ফি ও শর্ত অনুযায়ী নবায়ন খরচ দিতে হবে।

শুধু লাইসেন্স ফিই ব্যবসা শুরুর মোট খরচ নয়

ব্যবসার লাইসেন্সের জন্য ক্যালকুলেটরে যে অর্থ দেখানো হয়, সেটিকে দুবাইয়ে কোম্পানি প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার মোট খরচ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

ব্যবসার ধরন ও পরিস্থিতি অনুযায়ী এর বাইরে ভিসা ফি, অফিস ভাড়া, ইউটিলিটি বিল এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয় থাকতে পারে।

তাই দুবাইয়ে ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের জন্য Business Cost Calculator মূলত প্রাথমিক বাজেট তৈরির একটি উপায়। প্রকৃত ব্যবসায়িক ব্যয় নির্ধারণের ক্ষেত্রে অন্যান্য সব খরচও আলাদাভাবে বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

সরকারি Invest in Dubai প্ল্যাটফর্মে বর্তমানে ব্যবসা সেটআপের খরচের পাশাপাশি মেইনল্যান্ড ও ফ্রি-জোন কোম্পানির বিভিন্ন সেটআপ অপশনও দেখার সুযোগ রয়েছে।

গাজায় ইসরাইলের আগ্রাসনের পাশাপাশি কাতারেও হা*ম*লা চালানোর কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন ...
06/09/2026

গাজায় ইসরাইলের আগ্রাসনের পাশাপাশি কাতারেও হা*ম*লা চালানোর কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে কাতারকে ‘শ*ত্রু রাষ্ট্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

ইসরাইলি সম্প্রচারমাধ্যম i24NEWS-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, কাতার একটি ‘শ*ত্রু রাষ্ট্র’। তিনি দাবি করেন, যুদ্ধের সময় ইসরাইল কাতারের ভূখণ্ডে হা*ম*লা ও বো*মাব*র্ষণ করেছে।

নেতানিয়াহুর এই বক্তব্যের সঙ্গে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর দোহায় চালানো ইসরাইলি বিমান হা*ম*লার বিষয়টি সামনে এসেছে। ওই হা*ম*লায় হামাসের পাঁচ সদস্য এবং কাতারের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা নি*হ*ত হন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলাকালে হামাসের প্রতিনিধিদের লক্ষ্য করে হা*ম*লাটি চালানো হয়েছিল।

দোহায় ইসরাইলের ওই হা*ম*লার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিল কাতার। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও ঘটনাটিকে কাতারের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। পরে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে নেতানিয়াহু ক্ষমা চান।

সাক্ষাৎকারে গাজায় কাতারের অর্থ সহায়তা নিয়েও কথা বলেন নেতানিয়াহু। ইসরাইলের বিরোধীদের অভিযোগ, তাঁর সরকারের অনুমোদনেই কাতার থেকে গাজায় অর্থ পাঠানো হয়েছিল এবং ওই অর্থ হামাস ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হা*ম*লার প্রস্তুতিতে ব্যবহার করেছিল।

তবে নেতানিয়াহু এ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, গাজায় মানবিক সহায়তার অর্থ পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছিল ইসরাইলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কাতারের পাঠানো অর্থ গাজায় প্রবেশ করা মোট সহায়তার মাত্র ২ শতাংশ।

কাতার অবশ্য শুরু থেকেই হামাসকে অর্থায়নের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। দেশটির বক্তব্য, গাজায় পাঠানো সব সহায়তা সাধারণ ফিলিস্তিনিদের জন্য ছিল এবং তা স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।

এদিকে আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে নেতানিয়াহুর সর্বশেষ মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা নতুন করে জোরালো হয়েছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমালোচক ও বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করছেন, নির্বাচনের আগে জাতীয়তাবাদী সমর্থন জোরদার করতেই তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ বিষয়গুলো সামনে আনছেন।

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Motivational Updates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share