Pure Bangla 24

Pure Bangla 24 The Fastest Growing Bangla News Portal Titled Pure Bangla 24 Offers To Know Latest National And Local Stories.

চলন্ত বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে অসুস্থ যাত্রীর পাশে চিকিৎসক, বাঁচল বিপদের মুহূর্তচলন্ত বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে হঠাৎ গুরুতর অসু...
09/28/2026

চলন্ত বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে অসুস্থ যাত্রীর পাশে চিকিৎসক, বাঁচল বিপদের মুহূর্ত
চলন্ত বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ৭০ বছর বয়সি এক যাত্রী। শৌচাগারের সামনে পড়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। এমন সময় ট্রেনে চিকিৎসকের প্রয়োজন রয়েছে—এমন ঘোষণা শুনে এগিয়ে আসেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের শল্যচিকিৎসক ঐশ্বর্য রায়।
নিউ জলপাইগুড়ি-হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে যাত্রা করছিলেন ঐশ্বর্য। ঘোষণা শুনেই তিনি নিজের কামরা থেকে অসুস্থ যাত্রীর কাছে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, ওই যাত্রী শৌচাগারের সামনে পড়ে রয়েছেন।
চিকিৎসকের কাছে থাকা ব্যাগে ছিল স্টেথোস্কোপ, রক্তচাপ মাপার যন্ত্রসহ কিছু জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধ। দ্রুত রোগীর শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করে তিনি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
জানা যায়, ওই সময় যাত্রীর রক্তচাপ নেমে গিয়েছিল ৯০/৭০-এ। হৃদস্পন্দনের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছিল প্রতি মিনিটে ১১৮। পাশাপাশি ছিল বমি, কাঁপুনি এবং অসংলগ্ন কথাবার্তার মতো উপসর্গ। পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন পরিবারের সদস্যরাও।
ঐশ্বর্যের চিকিৎসা ও সহযোগিতার পর কিছুটা সময়ের মধ্যে ওই যাত্রী ধীরে ধীরে স্থিতিশীল বোধ করতে শুরু করেন। শ্যামনগরের বাসিন্দা অমল কুমার বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর ঐশ্বর্য জানান, তিনি পাশের কামরায় ছিলেন। ট্রেনে চিকিৎসকের প্রয়োজনের ঘোষণা শুনেই তিনি সেখানে ছুটে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর নিজের কামরায় ফিরে গেলেও পুরো ঘটনাটি তাঁর মনে গভীর ছাপ ফেলেছে।
ঐশ্বর্যের কথায়, “কী যে ভালো লাগছে, বলে বোঝাতে পারব না। দিনটা আমার মনে থাকবে।”
একজন চিকিৎসক হিসেবে কর্মস্থলের বাইরে, চলন্ত ট্রেনে জরুরি মুহূর্তে একজন অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো—ঐশ্বর্য রায়ের এই উদ্যোগ মানবিক দায়িত্ববোধের একটি সুন্দর উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন।

৬০ সন্তানের বাবা পাকিস্তানের এক চিকিৎসক, আরও সন্তান নেওয়ার ইচ্ছাপাকিস্তানের কোয়েটার বাসিন্দা সরদার হাজী জান মুহাম্মাদ ...
09/27/2026

৬০ সন্তানের বাবা পাকিস্তানের এক চিকিৎসক, আরও সন্তান নেওয়ার ইচ্ছা
পাকিস্তানের কোয়েটার বাসিন্দা সরদার হাজী জান মুহাম্মাদ খানকে ঘিরে একটি ব্যতিক্রমী দাবি নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি দাবি করেছেন, সম্প্রতি তিনি ৬০তম সন্তানের বাবা হয়েছেন।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তার ৬০ সন্তানের মধ্যে পাঁচজন মারা গেছে। অন্য সন্তানরা জীবিত ও সুস্থ রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
জান মুহাম্মাদ পেশায় একজন চিকিৎসক। নিজের ক্লিনিকের আয় থেকেই এত বড় পরিবারের ব্যয় বহন করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতির কারণে পরিবারের দৈনন্দিন খরচ চালানো আগের তুলনায় কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে একটি গাড়িতেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চলাফেরা করা সম্ভব হতো। এখন পরিবারের আকার আরও বড় হওয়ায় সেটিও আর সম্ভব হচ্ছে না।
এর মধ্যেই তিনি ভবিষ্যতে আরও সন্তানের বাবা হওয়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন। এমনকি চতুর্থ বিয়ের পরিকল্পনার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
এর আগে পাকিস্তানের একই অঞ্চলের আব্দুল মাজিদ মেঙ্গাল ৫৪ সন্তানের বাবা হিসেবে সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় এসেছিলেন।
তবে ৬০ সন্তানের এই তথ্যটি মূলত ওই ব্যক্তির বক্তব্য ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত—তাই এটিকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য হিসেবে না দেখাই ভালো।
তথ্যসূত্র: BBC News, The Guardian, Dawn।

খানকা শরীফকে ঘিরে অভিযোগ, নবীনগরে এক ব্যক্তি আটকব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় একটি খানকা শরীফকে কেন্দ্র করে ওঠা অভিয...
09/27/2026

খানকা শরীফকে ঘিরে অভিযোগ, নবীনগরে এক ব্যক্তি আটক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় একটি খানকা শরীফকে কেন্দ্র করে ওঠা অভিযোগকে ঘিরে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এক প্রবাসীর স্ত্রী তার ছেলের জন্য তাবিজ নিতে নিয়মিত ওই খানকা শরীফে যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে খানকার তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে ওই নারীর সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি সামনে এলে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়।
এ ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে মাওলানা সিরাজুল ইসলাম (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আটক করেছে পুলিশ। তিনি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বড়গাঁ গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুর রশিদ জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের বিষয়ে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে বলে তিনি জানান। ঘটনাটি নিয়ে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন হওয়ায় আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।
তথ্যসূত্র: পুলিশ সূত্র, নবীনগর থানা।

৩ ফুট উচ্চতার সেই শিশুই আজ চিকিৎসক—বাবার একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিয়েছিল তাঁর জীবন“সার্কাসের লোকেরা আমার বাবাকে বলেছিল, ‘ওক...
09/27/2026

৩ ফুট উচ্চতার সেই শিশুই আজ চিকিৎসক—বাবার একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিয়েছিল তাঁর জীবন
“সার্কাসের লোকেরা আমার বাবাকে বলেছিল, ‘ওকে আমাদের দিয়ে দিন।’ কিন্তু বাবা রাজি হননি। তিনি চেয়েছিলেন, আমি পড়াশোনা করি।”
বাবার সেই বিশ্বাসই যেন বদলে দিয়েছিল গণেশ বারাইয়ার জীবন।
গুজরাটের ভাবনগরের বাসিন্দা গণেশ জন্ম থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বেড়ে উঠেছেন। তাঁর উচ্চতা প্রায় ৩ ফুট। ছোটবেলায় তাঁর শারীরিক গঠন দেখে একটি সার্কাস দল তাঁকে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর বাবাকে অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কিন্তু সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সেই প্রস্তাবে রাজি হননি তাঁর বাবা। বরং তিনি চেয়েছিলেন, ছেলে পড়াশোনা করে নিজের পরিচয় তৈরি করুক।
বাবার সেই বিশ্বাসকে শক্তি করে গণেশও এগিয়ে যেতে থাকেন। ২০১৮ সালে NEET পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর MBBS-এ ভর্তি হতে গিয়ে তাঁর শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে ঘিরে বাধার মুখে পড়তে হয়। তাঁকে চিকিৎসাশাস্ত্র পড়ার উপযুক্ত নন বলেও জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
তবে সেখানেই থেমে যাননি গণেশ। নিজের পড়াশোনার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শুরু করেন আইনি লড়াই। বিষয়টি গুজরাট হাইকোর্ট পেরিয়ে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্তের পর তাঁর MBBS পড়ার পথ খুলে যায়।
এরপর ভাবনগর মেডিক্যাল কলেজ থেকে MBBS সম্পন্ন করেন গণেশ। ইন্টার্নশিপও শেষ করেন তিনি।
সম্প্রতি তাঁর সংগ্রামের গল্প উঠে এসেছে ‘কৌন বানেগা ক্রোড়পতি ১৮’-এর মঞ্চেও। অমিতাভ বচ্চনের সামনে নিজের জীবনের নানা কঠিন অধ্যায়ের কথা তুলে ধরেন তিনি।
গণেশের জীবনযাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়—
মানুষের শারীরিক উচ্চতা দিয়ে তার স্বপ্নের উচ্চতা মাপা যায় না।
একজন বাবার বিশ্বাস, একজন সন্তানের অধ্যবসায় এবং নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার সাহস—এই তিনটি শক্তি একসঙ্গে থাকলে কঠিন পথও ধীরে ধীরে সহজ হয়ে উঠতে পারে।
গণেশ বারাইয়ার গল্প তাই শুধু একজন চিকিৎসক হয়ে ওঠার কাহিনি নয়; এটি সুযোগ পাওয়া, নিজের সক্ষমতার ওপর বিশ্বাস রাখা এবং বাধার সামনে হাল না ছাড়ার গল্প।
তথ্যসূত্র: The Indian Express, The Times of India, Hindustan Times, Kaun Banega Crorepati 18 / Sony Entertainment Television।

বিয়ের পরও থামেনি স্বপ্ন, মা হওয়ার পর UPSC দিয়ে IAS হলেন মিনু জোশীবিয়ে, সংসার, মাতৃত্ব ও চাকরির দায়িত্ব সামলানোর পাশ...
09/27/2026

বিয়ের পরও থামেনি স্বপ্ন, মা হওয়ার পর UPSC দিয়ে IAS হলেন মিনু জোশী
বিয়ে, সংসার, মাতৃত্ব ও চাকরির দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি নিজের স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সহজ নয়। তবে কেরালার পাঠানমথিত্তার মিনু জোশীর গল্প মনে করিয়ে দেয়, জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের লক্ষ্যের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।
মাত্র ২১ বছর বয়সে বিয়ে করেন মিনু। ২৩ বছর বয়সে মা হন। এরপর সংসার ও সন্তানের দায়িত্ব সামলাতে সামলাতেই ২৬ বছর বয়সে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন—ভারতের প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেওয়ার।
মিনুর বাবা পুলিশ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তিনি যখন দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ছিলেন, তখন বাবাকে হারান। পরে বাবার চাকরির সুবাদে পুলিশ বিভাগে ক্লার্ক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি।
তবে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বড় স্বপ্ন ছিল মিনুর। তাই সংসার, সন্তান ও চাকরির দায়িত্বের পাশাপাশি UPSC পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন।
একবার-দুবার নয়, মোট ছয়বার পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। দিনের কাজ শেষ করে গভীর রাত পর্যন্ত পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। একাধিক প্রচেষ্টায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না এলেও প্রস্তুতি থামাননি।
অবশেষে ২০২১ সালের UPSC পরীক্ষায় সর্বভারতীয় ১৫০তম স্থান অর্জন করেন মিনু জোশী। তাঁর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের পথে খুলে যায় নতুন দরজা।
মিনুর গল্প শুধু একজন নারীর প্রশাসনিক কর্মকর্তা হয়ে ওঠার কাহিনি নয়। এটি মনে করিয়ে দেয়, জীবনের দায়িত্ব যতই বাড়ুক, নিজের স্বপ্নকে গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগও থাকে।
বিয়ে বা মাতৃত্ব কোনও নারীর স্বপ্নের শেষ অধ্যায় হতে বাধ্য নয়। পরিবারের ভালোবাসা, নিজের ইচ্ছা ও নিয়মিত পরিশ্রম একসঙ্গে থাকলে জীবনের নতুন পর্যায়েও নতুন লক্ষ্য তৈরি করা সম্ভব।
জীবনের কোনও পর্যায়েই নতুন করে শুরু করার সময় শেষ হয়ে যায় না।
মিনু জোশীর যাত্রা তাই মনে করিয়ে দেয়—স্বপ্ন পূরণের পথে বয়স নয়, বরং নিজের লক্ষ্যের প্রতি বিশ্বাস ও চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতাই গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্যসূত্র: The Better India, Times of India, Union Public Service Commission (UPSC)।

৩৪ বছর বয়সে ৩৪ মেয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন প্রীতি জিন্টানিজের ৩৪তম জন্মদিনে নিজের জন্য নয়, ৩৪ জন শিশুর ভবিষ্যতের কথা ভে...
09/27/2026

৩৪ বছর বয়সে ৩৪ মেয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন প্রীতি জিন্টা

নিজের ৩৪তম জন্মদিনে নিজের জন্য নয়, ৩৪ জন শিশুর ভবিষ্যতের কথা ভেবেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা।

২০০৯ সালে ৩৪ বছর বয়সে নিজের জন্মদিন উপলক্ষে ঋষিকেশের Mother Miracle orphanage-এর ৩৪ জন মেয়ের দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন প্রীতি। সে সময় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, তাঁদের শিক্ষা, খাবার, পোশাকসহ বেড়ে ওঠার প্রয়োজনীয় খরচ বহনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি।

প্রীতি জানিয়েছিলেন, ওই মেয়েদের তিনি নিজের সন্তানের মতোই দেখেন এবং তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি বছরে অন্তত দুবার দেখা করার পরিকল্পনা করেছিলেন।

শিশুদের প্রতি বৈষম্য, কন্যাশিশুর প্রতি অবহেলা, কন্যাভ্রূণ হত্যা ও শিশু নির্যাতনের মতো বিষয়গুলো তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল বলেও সে সময় জানান প্রীতি। তাঁর কাছে ৩৪ জন মেয়ের পাশে দাঁড়ানো ছিল একটি বৃহত্তর সামাজিক উদ্যোগের শুরু।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি—বিভিন্ন প্রতিবেদনে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। কোথাও ‘adopt’ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও সমসাময়িক India Today-এর প্রতিবেদনে মূলত ৩৪ জন মেয়ের বেড়ে ওঠার প্রয়োজনীয় খরচ বহনের দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাই এটিকে আইনগত অর্থে ৩৪ শিশুকে দত্তক নেওয়া হিসেবে নিশ্চিতভাবে উপস্থাপন না করাই যুক্তিযুক্ত।

নিজের জন্মদিনে দামি উপহার বা উদযাপনের বদলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ভবিষ্যতের পাশে দাঁড়ানোর এই সিদ্ধান্ত অবশ্যই প্রীতির জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য মানবিক অধ্যায়।

৩৪ বছর বয়সে ৩৪ মেয়ের দায়িত্ব নেওয়ার সেই উদ্যোগ আজও মনে করিয়ে দেয়—কখনো কখনো নিজের জন্য করা একটি আনন্দের চেয়েও অন্য কারও ভবিষ্যৎ সুন্দর করার চেষ্টা অনেক বেশি মূল্যবান হতে পারে।

তথ্যসূত্র: India Today, Hindustan Times, The Times of India, Mumbai Mirror, The Daily Star

২৫ বছর বয়সী অরুণ তার চোখে অনেক স্বপ্ন নিয়ে লন্ডনে পা রেখেছিল। মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবার থেকে আসা অরুণ, তার পরিবারের সব স...
09/27/2026

২৫ বছর বয়সী অরুণ তার চোখে অনেক স্বপ্ন নিয়ে লন্ডনে পা রেখেছিল। মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবার থেকে আসা অরুণ, তার পরিবারের সব সঞ্চয় দিয়ে বিদেশে আসে উচ্চশিক্ষা আর একটি ভালো চাকরির সন্ধানে।

প্রথম দিকে লন্ডনের জীবন বেশ কঠিন ছিল। পড়াশোনার খরচ, পার্ট-টাইম কাজ আর ভাড়ার চাপ—সব মিলিয়ে দম ফেলার ফুরসত ছিল না। কিন্তু স্বপ্ন পূরণের তাড়না তাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। এভাবেই তার সাথে পরিচয় হয় লরা-র, যার বয়স প্রায় চল্লিশ ছুঁই ছুঁই।

লন্ডনের একটি ছোট কফিশপে অরুণ পার্ট-টাইম কাজ করত। লরা ছিলেন সেই কফিশপের একজন নিয়মিত গ্রাহক। এক রোদ ঝলমলে বিকেলে, লরা যখন তার ল্যাপটপে কাজ করছিলেন, অরুণ ভুল করে তার কফির কাপে বেশি চিনি দিয়ে ফেলে। এই সামান্য ভুল থেকেই তাদের প্রথম কথোপকথন শুরু হয়। লরা হাসিমুখে ভুলটা ধরিয়ে দেন এবং অরুণকে তার নতুন জীবনের জন্য উৎসাহিত করেন।

লরা ছিলেন একটি আর্ট গ্যালারির কিউরেটর। তার জীবন, অভিজ্ঞতা এবং দেখার ভঙ্গি অরুণের চেয়ে অনেকটাই আলাদা ছিল। প্রথমদিকে তাদের সম্পর্কটা ছিল শুধুই 'গ্রাহক আর কফি পরিবেশনকারী'-র। কিন্তু প্রতিদিনের টুকরো টুকরো আলাপে তাদের মধ্যে একটা সুন্দর বন্ধুত্ব তৈরি হয়। অরুণ লরার কাছ থেকে লন্ডনের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং জীবনে চলার পথের অনেক ব্যবহারিক শিক্ষা পেত। লরা অরুণের স্বপ্ন, তার পরিবার এবং তার সরলতা দেখে মুগ্ধ হন।

বয়সের এতটা ফারাক এবং ভিন্ন সংস্কৃতি হওয়া সত্ত্বেও, তাদের দুজনের মানসিকতা ও ভাবনা-চিন্তার মধ্যে অদ্ভুত মিল ছিল। অরুণ দেখল, লরা শুধু একজন অভিজ্ঞ মানুষ নন, বরং তিনি তার জীবনে একাকীত্বে ভুগছেন। আর লরার চোখে, অরুণ শুধু একজন তরুণ নয়, বরং তার মধ্যে জীবনের প্রতি এক গভীর আবেগ ও সাহস আছে।

একদিন, অরুণ যখন খুব মানসিক চাপে ছিল কারণ সে ভালো কোনো চাকরি পাচ্ছিল না, তখন লরা তাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসেন। তিনি শুধু অরুণকে সাহস দেননি, বরং তার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তাকে একটি ছোট ফার্মে ইন্টারভিউয়ের সুযোগ করে দেন। সেই দিন রাতে টেমস নদীর পাড়ে হাঁটতে হাঁটতে অরুণ বুঝতে পারে, লরা শুধু তার ভালো বন্ধু নয়, তার জীবনের এক অপরিহার্য অংশ।

এক বর্ষণমুখর সন্ধ্যায়, অরুণ নিজের বাঙালি লাজুকতা ভুলে লরাকে তার হৃদয়ের কথা জানায়। অরুণ বলে, "আমার কাছে বয়স বা দেশের সীমারেখা অর্থহীন। আমি শুধু তোমার সঙ্গে থাকতে চাই, লরা।" লরা প্রথমে কিছুটা ইতস্তত করেন, কারণ সমাজের চোখে এই সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল না। কিন্তু অরুণের চোখে তিনি যে ভালোবাসা দেখতে পেলেন, তাতে সব দ্বিধা কেটে গেল। লরা হাসলেন, "তুমি কি জানো, আমার মনে হচ্ছিল তুমি কখনোই বলবে না?"

তাদের সম্পর্ক ছিল পুরনো ওয়াইনের মতো—যত দিন গড়িয়েছে, তত গভীর হয়েছে। অরুণ তার লেখাপড়া শেষ করে এখন একটি ভালো চাকরি পেয়েছে। আর লরা এবং অরুণের সেই ভিন্ন সংস্কৃতির বন্ধন লন্ডনের বুকে এক নতুন ভালোবাসার গল্প তৈরি করেছে। অরুণ বুঝেছে, শিক্ষার খোঁজে বিদেশ এলেও, সে আসলে ভালোবাসার এক নতুন পৃথিবী খুঁজে পেয়েছে।
© Be-Deshi Khobor

সর্ষে ক্ষেত থেকে বিশ্বমঞ্চে—নন্দিনী গুপ্তার স্বপ্নপূরণের গল্পরাজস্থানের কোটা জেলার কাইথুনের এক কৃষক পরিবারে বেড়ে ওঠা নন...
09/27/2026

সর্ষে ক্ষেত থেকে বিশ্বমঞ্চে—নন্দিনী গুপ্তার স্বপ্নপূরণের গল্প
রাজস্থানের কোটা জেলার কাইথুনের এক কৃষক পরিবারে বেড়ে ওঠা নন্দিনী গুপ্তা ছোটবেলা থেকেই বড় স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্নের পথ ধরেই একসময় তিনি পৌঁছে যান ভারতের অন্যতম বড় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চে।
২০২৩ সালে Femina Miss India World-এর মুকুট জিতে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান নন্দিনী। এরপর ২০২৫ সালের Miss World প্রতিযোগিতায় ভারতের হয়ে অংশ নেন তিনি।
আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় ১০৮ জন প্রতিযোগীর মধ্যে Top 20-এ জায়গা করে নেন নন্দিনী। এর আগে Top Model Challenge-এ Asia & Oceania অঞ্চলের বিজয়ী হয়ে তিনি প্রতিযোগিতার পরবর্তী ধাপেও সরাসরি জায়গা করে নিয়েছিলেন।
তবে নন্দিনীর পরিচয় শুধু একজন সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার বিজয়ী হিসেবে নয়। মুম্বাইয়ের Lala Lajpat Rai College থেকে তিনি ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় পড়াশোনা করেছেন। Miss World-এর অফিসিয়াল প্রোফাইল অনুযায়ী, তিনি Finance বিষয়ে স্নাতক এবং বর্তমানে মডেলিং ও অভিনয়ের সঙ্গেও যুক্ত।
একটি কৃষক পরিবার ও ছোট শহরের পরিবেশ থেকে উঠে এসে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের পরিচয় তৈরি করা—নন্দিনীর পথচলা তাই শুধু সৌন্দর্যের গল্প নয়।
এটি স্বপ্ন দেখার, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখার এবং সুযোগ পেলে সেই স্বপ্নকে বড় মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার গল্প।
কাইথুনের সর্ষে ক্ষেত থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চ—নন্দিনী গুপ্তার এই যাত্রা হয়তো অনেক তরুণ-তরুণীকে মনে করিয়ে দেবে, শুরুটা কোথা থেকে হলো সেটি নয়, স্বপ্নকে কতটা দূর নিয়ে যেতে পারলে সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্যসূত্র: Miss World — Official Website, The Times of India, Associated Press (AP), Navbharat Times

প্রতিকূল আবহাওয়াকে হারিয়ে এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন জ্যোতি ইয়ারাজিদক্ষিণ কোরিয়ার গুমিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যা...
09/27/2026

প্রতিকূল আবহাওয়াকে হারিয়ে এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন জ্যোতি ইয়ারাজি
দক্ষিণ কোরিয়ার গুমিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে প্রতিকূল আবহাওয়া যেন প্রতিটি ক্রীড়াবিদের জন্য আলাদা পরীক্ষা নিয়েছিল। বৃষ্টির কারণে ফাইনাল শুরু হতে প্রায় দুই ঘণ্টা দেরি, অ্যারেনার কাছে স্টোরেজ রুমে ওয়ার্ম-আপ, কনকনে ঠান্ডা এবং বিপরীত দিক থেকে বয়ে আসা বাতাস—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ছিল কঠিন।
কিন্তু এসব প্রতিকূলতা একটুও দমাতে পারেনি ভারতের তারকা হার্ডলার জ্যোতি ইয়ারাজিকে।
১০০ মিটার হার্ডলসের ফাইনালের আগে জ্যোতি শারীরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি মানসিকভাবেও নিজেকে তৈরি করেছিলেন। প্রতিটি বাধা পেরিয়ে যাওয়ার দৃশ্য বারবার নিজের মনে কল্পনা করেছিলেন তিনি।
দৌড়ের শুরুতে জাপান ও চীনের প্রতিযোগীরা কিছুটা এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু অষ্টম হার্ডলের পর গতি বাড়িয়ে দেন জ্যোতি। এরপর আর তাঁকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
শেষ পর্যন্ত ১২.৯৬ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে স্বর্ণপদক জিতে নেন ভারতের এই অ্যাথলেট। একই সঙ্গে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নের খেতাব পুনরুদ্ধার করার পাশাপাশি গড়েন চ্যাম্পিয়নশিপ রেকর্ড।
জয়ের পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জ্যোতি জানান, ফিনিশিং লাইন পার হওয়ার পর তিনি প্রথমবার আনন্দে জোরে চিৎকার করেছিলেন। অতীতে পরাজয়ের হতাশায় চিৎকার করলেও এবারের অনুভূতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।
এটি ছিল চলতি মৌসুমে জ্যোতির প্রথম ১৩ সেকেন্ডের নিচে দৌড়। এবার তাঁর লক্ষ্য বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে জায়গা করে নেওয়া।
তাঁর কোচের বিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারলে জ্যোতি ১২.৬০ সেকেন্ডের কাছাকাছি সময়ও করতে পারেন।
প্রতিকূল আবহাওয়া, কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা কিংবা শুরুর পিছিয়ে পড়া—কোনোটিই শেষ পর্যন্ত থামাতে পারেনি তাঁকে।
কারণ চ্যাম্পিয়নরা শুধু দৌড়ের প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারায় না, তারা প্রতিকূলতাকেও হারাতে শেখে।
তথ্যসূত্র:
World Athletics
Asian Athletics Association
Athletics Federation of India
Asian Athletics Championships 2025
Jyothi Yarraji-র প্রতিযোগিতা-পরবর্তী বক্তব্য

কৃষকের ছেলে থেকে এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন—১০ হাজার মিটারে সোনা জিতলেন গুলভীর সিংউত্তরপ্রদেশের আলিগড় জেলার ছোট্ট গ্রাম সিরসা।...
09/27/2026

কৃষকের ছেলে থেকে এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন—১০ হাজার মিটারে সোনা জিতলেন গুলভীর সিং
উত্তরপ্রদেশের আলিগড় জেলার ছোট্ট গ্রাম সিরসা। কৃষক পরিবারে জন্ম নেওয়া সেই গ্রামের ছেলে গুলভীর সিং আজ ভারতের অন্যতম সফল দূরপাল্লার দৌড়বিদ। ২০২৫ সালের এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে পুরুষদের ১০ হাজার মিটারে সোনা জিতে তিনি আরও একবার নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার গুমিতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় গুলভীর ২৮ মিনিট ৩৮.৬৩ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে প্রথম হন। শেষ ল্যাপে দুর্দান্ত গতি বাড়িয়ে তিনি জাপানের মেবুকি সুজুকি ও বাহরাইনের অ্যালবার্ট কিবিচি রোপকে পেছনে ফেলেন। সুজুকি রৌপ্য এবং রোপ ব্রোঞ্জ জেতেন। আরেক ভারতীয় সাওয়ান বারওয়াল চতুর্থ হন।
এটি ছিল এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে গুলভীরের প্রথম সোনা। ২৬ বছর বয়সী এই অ্যাথলেট এর আগেই ২০২৩ সালের হাংঝৌ এশিয়ান গেমসে ১০ হাজার মিটারে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন।
গুলভীরের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও ছিল দুর্দান্ত। ২০২৫ সালের মার্চে ক্যালিফোর্নিয়ায় ১০ হাজার মিটারে ২৭ মিনিট ০০.২২ সেকেন্ড সময় করে জাতীয় রেকর্ড গড়েন তিনি। একই বছর ৫ হাজার মিটারেও ১২ মিনিট ৫৯.৭৭ সেকেন্ডের জাতীয় রেকর্ড গড়েন।
তাঁর পথচলাও ছিল সহজ নয়। আলিগড়ের কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা গুলভীর ছোটবেলা থেকেই দৌড়ের প্রতি আগ্রহী ছিলেন। পরে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং সেখান থেকেই তাঁর অ্যাথলেটিক্স ক্যারিয়ার আরও এগিয়ে যায়।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একের পর এক সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের কঠোর অনুশীলন। যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ এবং বিদেশি কোচের অধীনে প্রস্তুতিও তাঁর পারফরম্যান্স উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
একটি কৃষক পরিবারের সাধারণ ছেলে থেকে এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন হয়ে ওঠার গুলভীর সিংয়ের গল্প তাই শুধু একটি স্বর্ণপদকের গল্প নয়। এটি দীর্ঘ অনুশীলন, আত্মবিশ্বাস এবং নিজের লক্ষ্যকে অনুসরণ করে এগিয়ে যাওয়ার গল্প।
তথ্যসূত্র: Athletics Federation of India, India Today, NDTV, The New Indian Express, Hindustan Times

Address

Baridhara
Fort Morgan, CO
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pure Bangla 24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share