Fans pororo tiktok31

Fans pororo tiktok31 bantu like komen dan klik link ya guys

☘️  কম দামে ছোট বাড়ি! ( গুলিস্তান থেকে ৩০ মিনিটের দূরত্ব) 🍁🍁বর্ণনা: ২ শতক জমির উপর টিন শেড বাড়ি। ৩টি রুম, টিউবওয়েল বসানো...
09/10/2025

☘️ কম দামে ছোট বাড়ি!
( গুলিস্তান থেকে ৩০ মিনিটের দূরত্ব)

🍁🍁বর্ণনা: ২ শতক জমির উপর টিন শেড বাড়ি। ৩টি রুম, টিউবওয়েল বসানো, সামনে বারান্দা। কারেন্ট ও পানির ব্যবস্থা আছে। রুমের ভিতরে প্লাস্টার করা, বাইরে প্লাস্টার নেই।

🌺 সামনে রাস্তা : ৬ ফুট।

💐💐 মোট দাম : ১৪ লাখ টাকা।

🪷🪷লোকেশন : ঢাকার কেরানীগঞ্জের রামেরকান্দা বাস স্ট্যান্ড থেকে ১ কিলোমিটার দূরে, নয়াপাড়া গ্রামে।

🏦কাগজপত্র : ৩ পর্চা, নামজারি খাজনা খারিজ সব কিছু ১০০% অনলাইন ও আপটুডেট।

👉👉 গুগল ম্যাপের লোকেশন লিংক :

🏵️🏵️ গুলিস্তান থেকে, ১০ টাকা বাস ভাড়ায় 🚌 কদমতলী , কদমতলী থেকে 🛺 সিএনজি ভাড়া ৩০ টাকায় রামেরকান্দা বাস স্ট্যান্ড, সেখান থেকে ২০ টাকা অটোভাড়ায় নয়াপারা স্ট্যান্ড। মোট = ৬০ টাকা।

🍀🍀( আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে হটস এপ / ইমো তে নক দিতে পারেন)
যোগাযোগ :

☎️ 01939-582277 ( What's app / imo)

🌺🌺 সুন্নাহ ল্যান্ড থেকে কেন জমি / বাড়ি কিনবেন? :

১: বর্তমান দালালদের ভীড়ে যারা জমি কেনার ব্যাপারে কাউকে বিশ্বাস করতে পারছেন না, সুন্নাহ ল্যান্ড থেকে নির্ভয়ে জমি নিতে পারেন। কারণ, আমরা আল্লাহকে ভয় করি এবং মানুষের সাথে প্রতারণা করি না। আর আমরা চেষ্টা করি মূল মালিকের সাথে ক্রেতার যোগাযোগ স্থাপন করে দেওয়ার। ১০০% সততা, স্বচ্ছতা ও ইমানদারীর সাথে আমরা কাজ করে যাচ্ছি আলহামদুলিল্লাহ। হাদিসে আছে,

" সৎ ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ীগণ কেয়ামতের দিন শহিদদের সাথে থাকবেন! "- সুনানে তিরমিজি।

২: জমি/ বাড়ির এড দেওয়ার আগে ৩টা জিনিস যাচাই করে নেই, ১. ১০০% কাগজপত্র, ২. দখল ৩. স্থানীয় দাম। এই কারণে আমাদের বিক্রয়কৃত জমি/ বাড়ি দ্বারা ক্রেতা কখনোই হয়রানীর শিকার হন না। ইন্সাল্লাহ।

( ঢাকায় ছোট বাজেটে ছোট ছোট জমি/ বাড়ির সন্ধান পেতে আমাদের পেইজ ফলো দিয়ে রাখতে পারেন।)

Ready Flat Sale  Shayamoli,৬০ফিট পশ্চিম আগারগাঁও সাইড, Flat Size- 1525 sft.3bed,3bath,3balcony,living,dinning,kitchen.2 ...
09/10/2025

Ready Flat Sale Shayamoli,
৬০ফিট পশ্চিম আগারগাঁও সাইড,
Flat Size- 1525 sft.
3bed,3bath,3balcony,
living,dinning,kitchen.
2 lift,generator.
Price - 1.20 crore.
বিস্তারিত জানতে কল করুন।
Call-01713-137161.

আর্জেন্ট দুইটি নিউ রেডি ফ্ল্যাট বিক্রয়। মাত্র  ৩৮ লক্ষ টাকা করে । ঢাকা উত্তরা সেক্টর 4 সংলগ্ন1150 s.f  whatsapp  0194678...
09/10/2025

আর্জেন্ট দুইটি নিউ রেডি ফ্ল্যাট বিক্রয়। মাত্র ৩৮ লক্ষ টাকা করে । ঢাকা উত্তরা সেক্টর 4 সংলগ্ন
1150 s.f whatsapp
01946789598

৫ আগস্টের পর সারাদেশে প্রথমে বিশেবিদ্যালয়গুলোর শীর্ষপদগুলো দখলে নেয় জামাত-শিবির। এরপর দ্বিতীয়ধাপে তারা ছাত্র সংসদের মাধ্...
09/09/2025

৫ আগস্টের পর সারাদেশে প্রথমে বিশেবিদ্যালয়গুলোর শীর্ষপদগুলো দখলে নেয় জামাত-শিবির। এরপর দ্বিতীয়ধাপে তারা ছাত্র সংসদের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার পরিকল্পনা হাতে রাখে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওইসব শীর্ষপদধারী অথবা প্রশাসনের। যেটা আজ বুঝেছেন ছাত্রদলের সভাপতি।

জামাত শিবির আপনার আমার চেয়ে বহুদূরদর্শী রাজনীতি করে৷ অন্যান্যরা সাধারণ রাজনীতি করে, শিবির রাজনীতি করে মাথা নিয়ন্ত্রণের। তারা এতোদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাথা নিয়ন্ত্রণ করে কিছু ভোট তৈরি করেছে বাকি দায়িত্ব প্রশাসনের। আর তারা বট আইডি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা তৈরি করে, যেন মনে হয় সত্যিই তাদের ভোটার আছে।

আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন কারচুপির অভিযোগ উঠেছে, তখন শিবির তাদের কর্মীদের পাঠিয়েছে যেখানে যেখানে টিভি ক্যামেরা আছে সেখানে। লাইভ চলাকালীন সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাংবাদিকরা যখন প্রশ্ন করতে শুরু করে তখন সেখানে ঢুকে পড়ে৷ সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয়ে বলতে থাকে মোটেও ভোট কারচুপি হয়নি। এমনকি তাদের ছাত্রীসংস্থার মেয়েরাও প্রয়োজনে দাঁড়িয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয়ে কথা বলতে শুরু করে।

শিবির রাজনীতি করে মনস্তাত্ত্বিক ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে। ২০০৮ সাল থেকে নেওয়া পরিকল্পনা আজ তারা বাস্তবায়ন করছে৷

পাকিস্তানি পত্রিকা ভয়াবহ প্রতিবেদন করেছে,মূল নিউজ এর লিংক প্রথম কমেন্টে দিলাম : যারা লিখসে তাদের বইলেন।আর আমারে তো দুইট...
08/19/2025

পাকিস্তানি পত্রিকা ভয়াবহ প্রতিবেদন করেছে,
মূল নিউজ এর লিংক প্রথম কমেন্টে দিলাম : যারা লিখসে তাদের বইলেন।আর আমারে তো দুইটা গালি না দিলে ভালো লাগবে না।দিয়েন দিয়েন

গত ১৬ই আগস্ট পাকিস্তানের এক পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার দিনটিকে স্মরণ করে বলা হয়েছে—
“এই দিনে গাদ্দার মুজিবকে সরিয়ে দিতে আমরা সফল হয়েছিলাম। পাকিস্তানকে দুই টুকরো করে দেওয়া সেই গাদ্দারকে শেষ করা ছিল ইতিহাসের ন্যায়বিচার।”
প্রতিবেদনে আরও লেখা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস ছিল—তাদেরকে “দেশপ্রেমিক বীর” বলা হয়েছে। তারা দাবি করেছে, গত ৫৪ বছর ধরে “সত্যিকারের পাকিস্তানপ্রেমী” লোকজন দুই পাকিস্তানকে এক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর নেতৃত্বে ছিল গোলাম আযম, আর এখন সেই মিশন চালিয়ে যাচ্ছে তার ছেলে আমান আজমি।
তাদের ভাষায়, শেখ হাসিনা অসংখ্য “দেশভক্ত পাকিস্তানি সন্তানদের” হত্যা করেছে—যাদের একমাত্র অপরাধ ছিল পাকিস্তানকে ভালোবাসা।
---
একীভূত পাকিস্তানের স্বপ্ন
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—
এখন যেহেতু “গাদ্দার মুজিব” নেই, তার মেয়ে হাসিনাও নেই, তাই বাংলাদেশের (পূর্ব পাকিস্তান) উচিত দ্রুত পাকিস্তানের সাথে একীভূত হওয়া।
আমান আজমিকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অথবা সেনাপ্রধান করা হোক।
তার নেতৃত্বে একটি “ইসলামিক রিভোলিউশনারি ফোর্স” তৈরি করতে হবে, যারা পাকিস্তান ভেঙে দেওয়ার সাথে জড়িত সব মানুষকে শাস্তি দেবে।
প্রেসিডেন্ট জিয়া, খন্দকার মুশতাকসহ বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জড়িতদের প্রশংসা করে বলা হয়েছে—এটি ছিল তাদের পূর্বপরিকল্পিত প্ল্যান।
তারা জিয়াকে “সত্যিকারের দেশপ্রেমিক” হিসেবে উল্লেখ করেছে, যে কখনোই পাকিস্তান ভাঙার ষড়যন্ত্রে যুক্ত হয়নি এবং কাশ্মীরে গিয়ে যুদ্ধ করেছে।
---
বর্তমান সরকারের প্রতি আবেদন
প্রতিবেদনে সরাসরি বর্তমান ইউনু সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে—
“বাংলাদেশ দ্রুত পাকিস্তানের একটি রাজ্য হিসেবে একীভূত হোক।”
তারা দাবি করেছে, বাংলাদেশে তাদের বিশাল সাংগঠনিক তৎপরতা রয়েছে এবং তারা সক্রিয়ভাবে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছে।
---
উদ্বেগজনক নীরবতা
এমন ভয়াবহ, রাষ্ট্রবিরোধী, স্বাধীনতাবিরোধী একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও—
বাংলাদেশের সরকার এখনও কোনো প্রতিবাদ জানায়নি।
জামাত-ই-ইসলামী, যারা নিজেদেরকে “দেশপ্রেমিক বাংলাদেশি” বলে দাবি করে, তারাও নীরব রয়েছে।
এখন দেখার বিষয়, তারা প্রতিবাদ করে কি না।
কিন্তু যদি তারা চুপ থাকে—তাহলে উত্তরটা স্পষ্ট।
নোট:
এজন্যই দেখবেন হঠাৎ করে কিছু উত্থিত বুদ্ধিজীবী তৈরি হয়েছে যারা একাত্তরের যুদ্ধকে গণ ভাবে দেখতে শুরু করেছে, তারা কখনো মুক্তিযুদ্ধের শহীদের সংখ্যা নিয়ে কথা বলে, বিভিন্নভাবে বিদর্কিত করার চেষ্টা করে। এবং আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবসকে ভারতের চক্রান্ত হিসেবে উপস্থাপন করে। এবং বিভিন্নভাবে মুজিবকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এগুলো সব উদ্দেশ্যপ্রণিত ভাবে। এটা ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

মুক্তিযুদ্ধে আপনি হয়তো পরিবারের কোন সদস্যকেই হারাননি। আর তাই মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা ৩ হাজার নাকি ৩০ লাখ তা নিয়ে তর্...
08/18/2025

মুক্তিযুদ্ধে আপনি হয়তো পরিবারের কোন সদস্যকেই হারাননি। আর তাই মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা ৩ হাজার নাকি ৩০ লাখ তা নিয়ে তর্ক করতে আসেন।
কিন্তু ছবির এই মানুষটা কিন্তু সেই তর্কে যাননা। কারন মুক্তিযুদ্ধে তিনি একাই হারিয়েছেন ২৭ জন স্বজনকে। তাও আবার একরাতেই। যার মধ্যে রয়েছেন তাঁর বাবা, মা, পাঁচ ভাই বোন, নানী, দুই মামা, মামী, খালা এবং ফুফা।
.
ফেনীর ফুলগাজীর জামুড়া গ্রামে গেলে আজো দেখা পাবেন শহীদ স্বজন এই করিমুল হকের।
মুক্তিযুদ্ধের এক বছর পর পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির একটি সামরিক হাসপাতালে এক তরুণ পাকিস্তানি অফিসারকে আনা হয়েছিলো মানসিক চিকিৎসার জন্য।
সেই তরুণ অফিসার যুদ্ধ শেষে পাকিস্তান ফিরে যাওয়ার পর গুরুতর মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। যুদ্ধের কথা মনে হলেই তার পুরো শরীরে খিঁচুনি দিয়ে জ্বর উঠত। ঘুমাতে গেলেই দুঃস্বপ্নে ভেঙে যেত ঘুম। কেউ যেন তাকে বলত, ফিরে যেতে হবে বাংলাদেশে। সেখানে থাকা হিন্দুদের মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে। নয়তো তার মুক্তি নেই।’
মূলত দিনের পর দিন ওই অফিসারের নির্দেশে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তানি সেনারা। পুরো মুক্তিযুদ্ধে তিনি কতো মানুষকে হত্যা করেছিলেন জানেন? একশো কিংবা পাঁচশো নয়।
এই লোকটি একাই হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন ১৪ হাজারের বেশী নিরীহ মানুষকে। পরে তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন।
পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী গওহর আইয়ুবের লেখা 'গ্লিমপসেস ইনটু দ্য করিডর অফ পাওয়ার' বইয়ে এই বর্ণনাটি রয়েছে। গওহর আইয়ুব তার বাবা পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের ব্যক্তিগত ডায়েরি থেকে এই তথ্যটি সংগ্রহ করেছিলেন। চাইলে চেক করে নিতে পারেন।
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীতে এমন অনেক কিলিং স্কোয়াড ছিলো। যাদের একমাত্র কাজই ছিলো মানুষ হত্যা করা।
মুক্তিযুদ্ধের ২০মে মাত্র এক প্লাটুন পাকিস্তানি সেনা ৪ ঘণ্টায় ব্রাশফায়ার করে হত্যা করেছিল অন্তত ১২ হাজার নিরীহ মানুষকে। ঘটনাটি ঘটেছিলো খুলনার ডুমুরিয়ার চুকনগরে।
আসলে এই গণহত্যায় এরচেয়েও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন। চুকনগরের পাশে ভদ্রা নদীর পানিতে লাশ ভাসিয়ে দেওয়ায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা পাওয়া যায়নি। স্থানীয়ভাবেও সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি। কারণ ওই গণহত্যায় শহীদদের বেশিরভাগ চুকনগর, ডুমুরিয়া বা খুলনার বাসিন্দা ছিলেন না।
মুক্তিযুদ্ধে আপনার শহরে হয়তো কোন বধ্যভূমি ছিলোনা। কিন্তু এক চট্টগ্রাম শহরেই বধ্যভূমির সংখ্যা ছিল ১১৬টি।
যার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহতম বধ্যভূমি ছিল দামপাড়া বধ্যভূমি। বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরীর গরিবুল্লাহ শাহর মাজার যেখানে, সেখানেই ছিল দামপাড়া বধ্যভূমি। প্রতিদিন রাতে বেশ কয়েকটি ট্রাক ভর্তি করে মানুষ ধরে আনা হতো সেখানে। এরপর তাদের দিয়ে গর্ত খনন করিয়ে তাদেরকেই গুলি করে হত্যা করে মাটিচাপা দিতো পাকিস্তানি বাহিনী।
প্রতিটি গর্ত যখন পূর্ণ হয়ে যেত, তখন খুলি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হতো। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে এই বধ্যভূমিতে প্রায় ৪০ হাজারের মতো মানুষকে হত্যা করেছিলো পাকিস্তানি সেনারা।
মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামের অন্যতম বড় বধ্যভূমি ছিলো পাহাড়তলী বধ্যভূমি। এই বধ্যভূমিতে পাওয়া যায় প্রায় ১০০ গর্ত। এরমধ্যে একটি গর্তেই পাওয়া যায় ১ হাজার ৮২টি খুলি। বাকি গর্তগুলোর হিসেব আপনিই করুন।
মুক্তিযুদ্ধে ৩০ মার্চ আর পরবর্তী কয়েকদিনে চট্টগ্রামের লালখান বাজারে পাকিস্তানি বাহিনী ও বিহারীরা একত্রিত হয়ে হত্যা করে প্রায় আড়াই হাজার বাঙালিকে। ৩০ মার্চ পানি সরবরাহের আশ্বাসে ওয়াসার মোড়ে গণহত্যা চালানো হয়।
২৫ মার্চ রাতের এক সপ্তাহ পরেই ঢাকার জিঞ্জিরায় পাকিস্তানি গণহত্যায় শহীদ হয়েছিলেন ২ হাজারেরও বেশি নিরীহ মানুষ।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মিরপুর যেন জলজ্যান্ত এক কসাইখানা ছিল। এক মিরপুরেই বধ্যভূমি ছিল ২৩টি। এরমধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল শিয়ালবাড়ি বধ্যভূমি। একাত্তরে এই জায়গার একপাশে ছিল জঙ্গল। এই জঙ্গলে হাজার হাজার মানুষকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। বর্তমানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ভবন থেকে কমার্স কলেজ যেতে যে কালভার্টটি পড়ে, সেখানে স্বাধীনতার পরে পাওয়া গিয়েছিল ৬০ বস্তা মাথার খুলি।
মিরপুরের বধ্যভূমিগুলোর মধ্যে অন্যতম শিরনিরটেক। মুক্তিযুদ্ধের সময় সেখানে ৩ হাজার মানুষকে হত্যা করেছিল রাজাকার ও পাকিস্তানি সেনারা।
মুক্তিযুদ্ধের ২৪ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে ২৫ এপ্রিল দুপুর ১টা পর্যন্ত মিরপুরের আলোকদী গ্রামে পাকিস্তানিরা যে গণহত্যা চালিয়েছিল সেই গণহত্যায় শহীদ হয়েছিলেন প্রায় ৩ হাজার মানুষ। এই গ্রামের মোট ৮টি কুয়া ভরে গিয়েছিলো মানুষের লাশে।
১৯৭২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ অবজারভার পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দিনাজপুর টিঅ্যান্ডটি অফিসের একটি টর্চার সেলের বিবরণ পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে লেখা ছিল, 'দিনাজপুরে টিঅ্যান্ডটি অফিসে একটি টর্চার সেলে প্রায় ১০ হাজার বাঙালিকে নির্যাতন করেছিল পাকিস্তানি সেনারা। সেলের মেঝেতে ৩ ইঞ্চি পুরু রক্ত জমাট বাঁধা ছিল।'
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে সারাদেশে কতো বধ্যভূমি ছিল তার প্রকৃত সংখ্যা জানা নেই কারো। তবে মুক্তিযুদ্ধের গণহত্যা নিয়ে গবেষণা করা ‘১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর এখন পর্যন্ত দেশের ৪০টি জেলায় গণহত্যার যে চিত্র তুলে এনেছে তাতে দেখা গেছে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে এই ৪০টি জেলায় ১৭৪৫৪টি গণহত্যা সংগঠিত হয়েছ।
৪০টি জেলায় যদি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ১৭৪৫৪টি গণহত্যা সংঘটিত হয় তবে ৬৪ জেলায় কতো গণহত্যা হয়েছে তা একটাবার হিসেব করে নিবেন। আর নিশ্চয়ই জানেন তো একটি গণহত্যা মানে কেবল ওখানে একজন হত্যার শিকার হয়েছেন এমন নয়।
আর হ্যাঁ এই ৪০টি জেলায় মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানিদের টর্চার সেলের সংখ্যা ছিল ১১১৮টি।
মুক্তিযুদ্ধের গণহত্যা ছিলো পৃথিবীর ইতিহাসে বিরলতম এক উদাহরণ যেখানে সমগ্র দেশে নয়টি মাসই ফুল স্কেলে গণহত্যা চালিয়েছিলো পাকিস্তানী হায়েনা ও তাদের এদেশীয় দোসরেরা।

একাত্তরের এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন নিউজ উইক প্রকাশ করেছিল পূর্ব [পাকিস্তানে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের ১ অক্টোবর লন্ডন থেকে প্রকাশিত 'দ্য হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড হাইগেট এক্সপ্রেস; প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয় পূর্ব বাংলার যুদ্ধে মৃতের সংখ্যা আনুমানিক ২০ লাখ।
মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যায় কতো শহীদ হয়েছেন তা কখনোই নির্ণয় করা সম্ভব হবেনা। গণহত্যায় কতো সংখ্যক শহীদ হয় তা কখনো নির্ণয় করা সম্ভব ও না। যা করা যায় তা হলো গবেষণার মাধ্যমে অনুমান। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা কম বলে স্বর্গসুখ লাভ করতে চান, তাদের জন্য মুক্তিযুদ্ধের গণহত্যার জন্য এটি কেবল একটিমাত্র পরিসংখ্যান।

Courtesy : আহমাদ ইশতিয়াক।

হোক প্রতিবাদ
08/11/2025

হোক প্রতিবাদ

আবু সাঈদ হ/ত্যার ভিডিও এআই দিয়ে বানানো : হাসিনার আইনজীবী
08/06/2025

আবু সাঈদ হ/ত্যার ভিডিও এআই দিয়ে বানানো : হাসিনার আইনজীবী

কারা মনে করেন এরা রাজাকার ছিল? কারা মনে করেন এরা রাজাকার না? কমেন্টে এক্ষুনি জানান
08/05/2025

কারা মনে করেন এরা রাজাকার ছিল? কারা মনে করেন এরা রাজাকার না?

কমেন্টে এক্ষুনি জানান

স্টকহোম ইউনিভার্সিটিতে যেদিন মাস্টার্সের থিসিস প্রেজেন্ট করলাম, এই ছবিটা সেদিনের। থিসিসের প্রেজেন্টেশনের পরপরই আমার সুপ...
08/05/2025

স্টকহোম ইউনিভার্সিটিতে যেদিন মাস্টার্সের থিসিস প্রেজেন্ট করলাম, এই ছবিটা সেদিনের। থিসিসের প্রেজেন্টেশনের পরপরই আমার সুপাইভাইজর তার ক‍্যামেরা দিয়ে তুলে দিয়েছিলেন।

প্রেজেন্টেশন শেষে লাঞ্চ হলো। সবাই একসাথে খেলাম। ফিরে আসার পর, আমার সুপারভাইজর আমাকে তার অফিসে ডাকলেন।

আমি একটু নার্ভাস। তার অফিসে যেতে লাগে মাত্র ৪০-৫০ সেকেন্ড। এই সময়ে আমার মনে কতোকিছুর উদয় হলো। ভাবলাম, হয়তো আমার ডিফেন্স/প্রেজেন্টেশন খুব ভালো হয়নি, তাই পার্সোনালি কিছু কথা বলবে।

তার অফিসে গেলাম। ঢুকার সাথে সাথে তার প্রথম প্রশ্ন—তুমি মার্স্টাসের থিসিসে কতো নম্বর চাও?

আমি থতমত! কি বলবো জানি না। ভাবছি ফান করছে।

পরে সে বললো, আমার হার্ড ওয়ার্ক, থিসিস, প্রেজেন্টেশন এবং প্রেজেন্টেশন শেষে যেভাবে আমি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি—সবকিছু মিলে পারফেক্ট!

আমি যতো নম্বর চাই সে ততো নম্বরই আমাকে দিবে।

আমার পুরো শিক্ষা জীবনে এইটা ছিলো সবচেয়ে বড়ো কম্প্লিমেন্ট। ৪৫ ক্রেডিটের থিসিসে, আমি যতো নম্বর চাই ততো নম্বর দিবে! তাও এই কথা শুনছি এতো নামকরা একটা বিশ্ববিদ‍্যালয়ের একজন প্রফেসররের মুখে!

নিজেকে সামলে বলেছিলাম, আমি যা ডিজার্ভ করি, তুমি তাই দিবে।

আমার সুপারভাইজর আমাকে সর্বোচ্চ গ্রেড দিয়েছিলেন। সর্বোচ্চ গ্রেড হলো A (৯০-১০০%)। কিন্তু নম্বর কতো দিয়েছিলো সেটা জানি না। জানতেও চাইনি। কারণ ট্রান্সক্রিপ্টে শুধু গ্রেড উল্লেখ থাকে। নম্বরটা থাকে না।

প্রায় এক বছর পর, সেই মাস্টার্সের থিসিসের কাজই জগৎখ‍্যাত জার্নাল Journal of the American Chemical Society (JACS)-তে পাবলিশ হয়। এবং আমি ছিলাম ফার্স্ট অথর। আমার সুপারভাইজর খুবই খুশি হয়েছিলেন। সেদিন খুশির আবেগে তিনিই আমাকে বলে দিয়েছিলেন, তোমার থিসিসে আমি তোমাকে ১০০ পয়েন্ট দিয়েছিলাম (ওরা বলে পয়েন্ট)।

মানুষের জীবনে কিছু সোনালী মুহূর্ত থাকে। এইটা ছিলো তেমনটি একটা। স্টকহোম ইউনিভার্সিটির এই সোনালী অতীতগুলো নিয়ে ভাবছি বইটা প্রকাশ করবো। অনেক বছর ধরেই পরিকল্পনা করছি।

পিএইচডি’র সময়, আমি চারটা এক্সচেইঞ্জ স্টুডেন্টের আন্ডাগ্রেজুয়েট রিসার্চের দায়িত্বে ছিলাম। তাদের প্রত‍্যেককে এই গল্পটা বলতাম। তারা যেনো সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে কাজ করে, সেই শক্তিটা দিতাম।

(তোমাদের কোন একটা সোনালী মুহূর্তের কথা কমেন্টে জানাও)
…………………….
RAUFUL ALAM

অবশেষে বুবলীরই জয় হলো, হেরে গেল অপু বিশ্বাস। নিউ ইয়র্কে একসঙ্গে বুবলী আর শাকিব। হ্যাপি ফ্যামিলি
08/03/2025

অবশেষে বুবলীরই জয় হলো, হেরে গেল অপু বিশ্বাস। নিউ ইয়র্কে একসঙ্গে বুবলী আর শাকিব।

হ্যাপি ফ্যামিলি

Address

New York, NY

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fans pororo tiktok31 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share