বন্ধুত্বের বন্ধন

বন্ধুত্বের বন্ধন ভালবাসার বন্ধন
(6)

Operating as usual

08/03/2020

কি আজব কান্ড না দেখলে মিস করবেন

08/23/2019

শিক্ষক :- বলতো বল্টু বৃষ্টির সময় বার বার বিদুৎ চমকায় কেন???
বল্টু :- কারণ বৃষ্টি টর্চ মাইরা দেখে, কোথাও শুকনো আছে কি না
শিক্ষক :-তুই কালকে স্কুল আসিস নি কেন???
বল্টু :-স্যার আমার নানি মারা গেছে।
শিক্ষক :- তোকে মাইরা পিঠের চামড়া তুইল্লা দিব। এই নিয়া তুই ৭-৮ বার নানি মরার অজুহাত দেখাইলি
বল্টু :- কি করমু স্যার বলেন! নানি যতবার মরে নানা ততবারই বিয়ে করে।
শিক্ষক :- তুই খুব পাকা হইছোস। আজকে তোরে একটা ইমোশনাল প্রশ্ন করি। বলতো বিয়ের সময় মেয়েরা এতো কাঁদে কেন?
বল্টু :- কারণ এতগুলো ছেলের সাথে লুতুপুতু করার পর একটা মাত্র জামাই, তা কি সহ্য হয়???
শিক্ষক :- আচ্ছা বলত তোর বাবার বয়স কতো??
বল্টু :- স্যার আমার বয়স যত, আমার বাবারও বয়স তত
শিক্ষক :- হারামজাদা! সেইডা কেমনে সম্ভব???
বল্টু :- কারণ স্যার আমার জন্মের পরেই ত উনি বাবা হইছে
শিক্ষক :- এক পায়ে নুপূর, অন্য পা খালি। এর পরের লাইন কি হবে???
বল্টু :- স্যার একপাশে আমার বউ আর অন্য পাশে শালি
.
# কেউ_হা_হা_রিয়েক্ট_দেয়না_ক্যারে

don't mind just fun

04/17/2019

কবি বলেছেন, নারী তুমি কার.....??
নারী বলিয়াছে, যখন যারে Online পাবো তখন আমি তার ....
#সুতরাং নারী হতে সাবধান

জাস্ট একটু ফান করলাম

04/02/2019

কি গান রে ভাই, না দেখলে চরম মিস করবেন

Address

New York
New York, NY
10001

Telephone

+17034567890

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বন্ধুত্বের বন্ধন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Nearby media companies


Other News & Media Websites in New York

Show All

Comments

#🖤💜বড়_আপু💜🖤 কলেজ থেকে বাসায় এসে ঢুকতেই মা হাতের ইশারায় বুঝালো যেন কোন শব্দ না করি। আমি চুপিচুপি মার কাছে গিয়ে আস্তে করে বললাম, -- কি হয়েছে মা? বাবা কি রেগে আছে? মা বললো, ~ না, তোর আপুর হোস্টেলে কি যেন ঝামেলা হচ্ছে তাই বাসায় চলে এসেছে। বাসায় আসার পর থেকে না কি খুব মাথা ব্যাথা করছে। এখন ঘুমিয়ে আছে। তুই আর কোন ডিস্টার্ব করিস না... আমি মার কথা শুনে শুধু মুচকি হাসলাম। তারপর কিছু না বলে আমার রুমে চলে এলাম। পা থেকে মোজা গুলো খুললাম। শেষবার কবে মোজা ধুয়েছি আমার নিজের মনে নেই। নিজের মোজার গন্ধে নিজেই থাকতে পারছি না৷ মোজা গুলো নিয়ে চুপিচুপি আপুর রুমে গেলাম। দেখি আপু হা করে ঘুমাচ্ছে। সুন্দর করে আমার মোজা গুলো আপুর মুখের কাছে রেখে বাহির থেকে আপুর রুম লক করে এসে পড়লাম... কতক্ষণ পর আপুর রুম থেকে ধুমধুম শব্দ হতে শুরু হলো। মা তাড়াতাড়ি দরজা খুলতেই আপু চিৎকার করে বলতে লাগলো, - তোমায় বলেছিলাম না তোমার এই কুত্তা ছেলে যেন আমার রুমে না আসে তারপরও এই কুত্তা এসে আমার মুখে নোংরা মোজা গুলো রেখে গেছে। মোজার গন্ধে আমার দম আটকে গিয়েছিলো.. আমি তখন বললাম, -- মোজা গন্ধ করবে কেন? মাত্র ৪০ দিন আগেই তো মোজা ধুয়েছি... এই কথাটা বলে আমি কোন রকম আপুর চোখের সামনে থেকে চলে গেলাম তা না হলে আমার পিঠে কয়েকটা ধুমধাম পড়ে যেত... বিকালে যখন বাসার বাহিরে যাবো তখন আপু ডেকে বললো, -পিয়াস, আমার ফোনে ১০০ টাকা লোড করে দিস তো। আমি আপুর থেকে টাকাটা নিলাম... সন্ধ্যায় যখন বাসায় ফিরি তখন আপু বললো, - কি রে, তকে কখন বললাম টাকা লোড দিতে। এখনো তুই লোড দিস নি? আমি অবাক হয়ে বললাম, -- তুই না নিজের মুখে বললি, এই নে ১০০ টাকা তোর হাত খরচের জন্য দিলাম। আমি তো খরচ করে ফেলেছি.. আপু রাগে লাল হয়ে মা কে ডেকে বললো, - তোমার এই কুত্তা ছেলেকে আমার ফোনে টাকা লোড করতে দিয়েছিলাম। কিন্তু এই বান্দার আমার ফোনে টাকা না দিয়ে নিজে খরচ করে ফেলেছে.. আপুর কথা শুনে মা বললো, ~ তুই তো জানিস এটা এক নাম্বারের চুর আর বাটপার। তারপরও ওকে টাকা দিতে গেলি কেন? রাতে আপুর রুমে এসে দেখি আপু পড়ছে। আমি আপুকে বললাম, -- আপু একটু ভিতরে আসবো? আপু অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললো, -তোর মতলবটা কি? কখনো তো আমার রুমে ঢুকার সময় অনুমতি নিস না। আজ হঠাৎ নিচ্ছিস যে... আমি মাথাটা নিচু করে বললাম, --আপু আজ আমড় রেজাল্ট কার্ড দিয়েছে। আমি ফিজিক্সে ফেল করেছি... আপু হাসতে হাসতে বললো, - খুব ভালো হয়ছে। এখন আমি বাবাকে বলে তকে ইচ্ছে মত মার খাওয়াবো। আমার সাথে এমন বান্দারগিরি করিস। এখন বুঝাবো মজা.. এমন সময় বাবা রুমে এসে আমাকে বললো, ~ কি রে, তোর না আজ রেজাল্ট কার্ড দেওয়ার কথা ছিলো? আমি বলার আগেই আপু বললো, - না বাবা এখনো দেয় নি। আর রেজাল্ট কার্ড দেখে লাভ কি? আজকাল কলেজগুলোতে অনেক কঠিন প্রশ্ন করে। আমি পিয়াসের ফিজিক্স আর কেমিস্ট্রি প্রশ্নটা দেখেছিলাম। আমি শিওর কলেজের সবাই এই দুই বিষয়ে ফেল করবে। এতই কঠিন প্রশ্ন হয়ছে । বাবা আপুর কথা শুনে আস্তে আস্তে বললো, ~ একটু তো প্রশ্ন কঠিন করেই। এই কথা বলে বাবা রুম থেকে চলে গেলো। আমি আপুর দিকে তাকিয়ে বললাম, -- তোর মত একটা বোন থাকলে এইদেশে ঘরে ঘরে বিজ্ঞানী তৈরি হতো। কারণ সব বিজ্ঞানীরাই কোন না কোন বিষয় ফেল করেছে। আমার কথা শুনে আপু আমার পিঠে কষে থাপ্পড় মেরে বললো, -ফিজিক্সে ফেল করে আবার বিজ্ঞানী হবে। এইবারের মত বাঁচিয়ে দিলাম নেক্সট টাইম আর বাঁচাবো না। এখন যা সামনে থেকে... ২০ মিনিট ধরে আপুর ব্যাগ জিনিসপত্র বহন করে আপুকে গাড়িতে তুলে দিলাম। বাস যখন ছেড়ে যাবে তখন আপুকে বললাম, --আপু এত কষ্ট করে তোর ব্যাগ গুলো নিয়ে এসেছি কিছু টাকা তো দে.. আপু মুচকি হেসে বললো, - তুই কুলি না কি যে টাকা চাইছিস? আপুর কথা শুনে মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো। রাগে চলে আসলাম অবশ্য আপু পিছন থেকে ডেকেছিলো কিন্তু আমি শুনি নি... সকালে হঠাৎ আমার ফোনে একটা মেসেজ দেখে চমকে উঠলাম। কে যেন আমার বিকাশে ১০ হাজার টাকা পাঠিয়েছে। তার কিছুক্ষণ পর আপু ফোন দিয়ে বললো, - কি রে, টাকা পেয়েছিস? আমি অবাক হয়ে বললাম, -- এত টাকা পাঠিয়েছিস কেন? আপু হেসে বললো, - তুই না নতুন ফোন কিনতে চেয়েছিলো তাই টিউশনির টাকা পেয়ে তকে দিয়ে দিলাম। আর ৫ হাজার টাকা কয়েকদিন পর দিচ্ছি। তখন ১৫ হাজার টাকা দিয়ে একটা নতুন ফোন কিনে নিস... আমি খুশিতে চিৎকার করে আপুকে বললাম, -- আপু, প্লিজ আর কিছু টাকা বাড়িয়ে দিস। ১৮ হাজার টাকা দিয়ে নতুন মডেলের একটা ফোন কিনবো... কিন্তু আপু আমার কোন কথায় শুনে নি। শুধু হ্যালো হ্যালো করতে লাগলো। এমন সময় শুনি কেউ একজন আপুকে বলছে, কি রে আর কত এই নষ্ট টেপ মারা ফোনটা ব্যবহার করবি। এইবার তো নতুন একটা ফোন কিন... আপুর ফোনের হয়তো স্পিকার নষ্ট হয়ে গেছে। তাই আমার কথা শুনতে পারছে না। কিন্তু আমি ঠিকিই আপুর কথা গুলো শুনছি... মুহূর্তের জন্য নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে স্বার্থপর ভাই মনে হলো। বোনের থেকে সবসময় কিছু না কিছু আবদার করি আর আমার বোন যে একটা নষ্ট ফোন ব্যবহার করে সেটা কখনো খেয়ালই করি নি... আপুর ১০ হাজার টাকা আর আমার পুরাতন ফোন বিক্রি করে ৬ হাজার টাকা আর ২ হাজার টাকা বাবার পকেট থেকে চুরি করে ১৮ হাজার টাকা দিয়ে একটা স্যামসাং নতুন মডেলের একটা ফোন কিনলাম... আমি এখন দাঁড়িয়ে আছি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ছাত্রী হোস্টেলের সামনে। আপুকে ফোন দিয়ে বলেছি নিচে আসতে। আপু নিচে এসে আমাকে দেখে অবাক হয়ে বললো, - তকে কতবার বলেছি একটু ভালো করে পড়াশোনা কর কিন্তু তা তো করিস না। এখন নিশ্চয়ই বাবা তকে মেরেছে তাই না? আমি কিছু না বলে আপুর দিকে ফোনটা বাড়িয়ে দিলাম। আপু ফোনটা দেখে অবাক হয়ে বললো, - তুই নতুন ফোন কিনেছিস? কিন্তু বাকি টাকা কোথায় পেলি? আমি বললাম, -- পুরাতন ফোনটা বিক্রি করে দিয়েছি আর বাবার পকেট থেকে কিছু টাকা চুরি করেছি... আপু রেগে গিয়ে বললো, - কুত্তা তুই চুরি করতে গেলি কেন? আমি তো কয়দিন পর টাকা এমনিতেই পাঠাতাম.. আমি আপুকে বললাম, -- ফোনটা তোর জন্য কিনেছি। কয়দিন পর আমার পরীক্ষা। এখন ফোন থাকলে পড়া হবে না। ডাক্তার বোনের ভাই পরীক্ষায় ফেল করলে মান ইজ্জত যাবে... আপু কান্না করছে। আমি আপুকে বললাম, -- কাঁদছিস কেন? আপু কাঁদতে কাঁদতে বললো, - কুত্তা ভাই বড় হয়ে গেছে তো সেই কষ্টে কান্না করছি... আপু এখনো বসে আছে আমি চলে যাচ্ছি। হঠাৎ পিছন ফিরে আপুকে বললাম, -- আর যদি কখনো টেপ মারা মোবাইল ব্যবহার করিস তোর খবর আছে। মনে রাখিস তোর একটা ভাই আছে... আমার কথা শুনে আপু হেসে দিলো। চোখে জল আর মুখে মিষ্টি হাসি। খুব অদ্ভুত রকম সুন্দর লাগছে আপুকে.. #Apuuu_I'm Sorry😭😭😭 মাফ করে দিস আমাকে🙏🙏🙏 অনেক ভালবাসি তোকে কিন্তু বুঝাতে পারি না💕💕💕😭😭 বিঃদ্র- গল্পটা কেমন লাগল ছোট একটা কমেন্ট করে জানাবেন। Md Mofejul mis.Ayesha
-:প্রকৃতি:- রঞ্জন চক্রবর্তী কলেজ পাড়া আকাশেতে আমরা দেখি, তারাদের ঝিকিমিকি, সন্ধ্যে বেলায় সূর্যিমামা, পশ্চিমে দিয়ে ডিগবাজি, তিমির বরণ রূপের ছটা, ছেয়ে যায় ভূমন্ডলি। চাঁদমামা পূব আকাশে, দিয়ে উঁকিঝুঁকি, সূর্যের আলোক রশ্মিতে আলোকিত করি। আঁকাবাকা সব নদ নদী, এঁকেবেকে গেছে চলি, আপন মনে চলছে ঢলি, দুই পাশে তার পার ধরি। শ্যামলা বরণে গাঁ ঢাঁকি, সারি সারি দলে ভারী, রং বেরঙ্গের সাজে সাজি, ফুল আর ফলে জুড়ি, সুন্দর ও সাবলীল ভাবে, পরিবেশকে রক্ষা করি। সাঁঝ আকাশে ভেসে ওঠে, সন্ধাতারার দৃশ্য, ভোরের বেলায় ঈশান কোনে, ধ্রুবতারা স্পষ্ট। আলোর ছটায় চিনতে তাকে, হয়না কোন কষ্ট। সাগরের ঢেউ ভেসে ওঠে, নিজস্ব ভঙ্গিতে, আছরে পরে নিজ মহিমায়, সাগরের তীরে, মৃদু শীতল মলয় ভাসে, সমূদ্র শৈকতে। গ্রীষ্মকালে সূর্যিমামা দাবদাহের নাই অন্ত, অধিকমাত্রা পেরলেই সকলেই হয় ক্লান্ত, বর্ষনের মেঘ দেখলে, সবাই হয় শান্ত। নক্ষত্রদের আলোর ছটা, লক্ষ মাইল তার দূরত্ব। বর্ষনের মুখ চাহি কৃষকেরা রোয়াগারি, ধান, পাট ফলনে নবান্নের আয়োজনে, উদযাপন পালন হবে, সবে সাথে মিলি। শরতের আগমনে, কাশবনে দোলা দিয়ে, আগমনির বার্তা লয়ে দেবি দুর্গার আবির্ভাবে, ষষ্টি হতে দশমী মেতে ওঠে মণ্ডপে মণ্ডপে, নূতন বস্র পরিধাণে সবে মিলি উৎসবে, জাতি ধর্ম নির্বিশেষে পালন করি মহোৎসবে। শীতের প্রকোপে ঠান্ডা বাতাস, ভূমন্ডল কাঁপাকাপি, হীমের পরশ লেপের ধারণে গরমের অনুভূতি, কুয়াশাচ্ছন্ন পথ বিভ্রাটে কাটে, নেই কোন সহানুভূতি। লক্ষ লক্ষ তারা মন্ডলি ভাসে, নীল আকাশের সীমান্তে, গ্রহ নক্ষত্রেরা আছে বলেই আজ আকাশের সীমা অনন্ত, ব্রহ্মাণ্ডের অসীম পরিসীমায়, বিশ্ব কল্পনা করেই ক্ষান্ত। ধরনীর বুকে প্রাকৃতিক শোভায়, দিন যাপনে ব্যস্ত, সৃষ্টির রহস্য উৎঘাটনে আজ, বিজ্ঞানীরা স্বনামধন্য।
ti
১/কোন জিনিষটি আপনি করেন কিন্তু স্পর্শ করতে পারেন না? সঠিক উত্তর চাই?
একজন ২২ বছরের ছেলের সাথে একজন ১৮/১৯ বছরের মেয়ের বিয়ে হলে, একজন ২৩বছরের মেয়ের সাথে ১৮/১৯বছরের ছেরের বিয়ে কেন হয় না আমাদের সমাজে??? কেন এই দুমুখো নীতি আমাদের সমাজের মানুষের?? কারণটা কি?? অথবা , নাকি ২৩বছরের মেয়ের সাথে ১৮/১৯বছরের ছেলের বিয়ে দেওয়া যাবেনা সেজন্য ক্বোরআন ও হাদিসে এর সঠিক কোনো প্রমাণ আছে??
Ami tumar bondhu hote cai
অবাক করা গান। সায়েদ ভাই, হবিগঞ্জ, বাহুবল, মিরপুর
Need a frnd🙂
চরম হাসির জোকস না পড়লে মিস... . . বাসে উঠে বসতে না বসতেই পাশের সীটের একটা সুন্দরী মেয়ে বলে উঠলো "ও মাই গড! আপনি এতো সুন্দর কেন? আমার গায়ে হাত দিয়ে বলল আপনার বডি এতো সুন্দর কেন! নিশ্চই জিম করেন? জীবনে আব্বা-আম্মা আমাকে কালাচাঁদ ছাড়া ডাকে নাই। গার্লফ্রেন্ড আদর করে কালু ডাকে। কিন্তু আজ এই বাসে এই মেয়ে আমার মধ্যে এমন কি দেখে সুন্দর বলল বুঝতে পারলাম না। মনে মনে লজ্জা পাচ্ছিলাম। একটুপর মেয়েটা আমার পাশে বসা ছেলেটাকে বলল "এই যে ভাই আপনি উঠুন, আমি এই ভাইয়ের পাশে বসতে চাই।আপনি আমার সীটে বসুন"। দেখলাম ছেলেটা সুড়সুড় করে পাশের সারির মেয়েটার সীটে গিয়ে বসল। মেয়েটা বসল আমার পাশে। খেয়াল করে দেখলাম মেয়েটা বেশ সুন্দর। কয়েকদিন আগে টিভির বিজ্ঞাপন দেখে একটা ফেসওয়াশ কিনেছিলাম। বিজ্ঞাপনে বলা ছিল এই ফেসওয়াশ চার সপ্তাহ মাখলে ত্বক হবে উজ্জ্বল ও চকচকে। কিন্তু দুই সপ্তাহেই যে কাজে দিবে এটা ভাবিনি। মেয়েটা এবার বলল " আপনার গার্লফ্রেন্ড আছে"? লোকাল বাসে সুন্দরী মেয়ে পাশে বসলে সব ছেলেরাই সিঙ্গেল হয়ে যায়। তাহলে আমি কি দোষ করছি? তাই মেয়েটাকে বললাম " জ্বী না আমি সিঙ্গেল"। মেয়েটা এবার সরাসরি বলল " প্রেম করবেন আমার সাথে"? মেয়েটার কথা শুনেই মনের মধ্যে জেমস ভাইয়ের " ঝাকানাকা দেহ দোলানা" গানটা বেজে উঠলো। সারাজীবন গার্লস স্কুলের পাশে দাঁড়িয়ে থেকে মেয়ে পটাতে পারিনি। যে মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছি সেই মেয়ে বলেছে আয়নায় নিজের চেহারা দেখতে। এক মেয়ে তো বলেই দিয়েছে কয়লা আর আমার চেহারার মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই, দুইটাই কালা। ইসস যদি পাশে বসা সুন্দরী মেয়েটার কথাটা ভিডিও করে ওদের দেখাতে পারতাম। মেয়েটাকে উত্তর দিতে যাবো এর মধ্যে আরেকটা মেয়ে পাশে এসে দাঁড়ালো। দাঁড়িয়ে আমার পাশে বসা মেয়েটিকে বলল " বাসে বসা সুন্দর ছেলেদের দেখলেই প্রেম করতে ইচ্ছে করে, না? এই ছেলেকে আমার পছন্দ হয়েছে। তুই অন্য কাউকে দেখ"। দেখলাম আমার পাশে বসা মেয়েটা উঠে চলে গেলো। এবার যে মেয়েটা এলো সে আরো সুন্দরী দেখতে। আমি তাড়াতাড়ি ফোন বের করে সামনের ক্যামেরায় নিজের চেহারা দেখে নিলাম। সত্যি এটা আমি নাকি অন্য কেউ। নিজেকে রেস থ্রির সালমান খান মনে হচ্ছিল,শুধু চশমাটাই নাই। বাসায় ভুলে সানগ্লাস ফেলে এসেছি বলে নিজের উপর রাগ হচ্ছিল। নতুন মেয়াটা এবার বলল " ওয়াও, আপনি আমার দেখা সেরা পুরুষ । প্রেম করবেন আমার সাথে"? মেয়েটার কথা শুনে বুকের মধ্যে ধপাস ধপাস শুরু হয়ে গেলো। গর্বে বুক ফুলে উঠলো। মনে মনে সেই ফেসওয়াশ কোম্পানি কে অনেক ধন্যবাদ দিলাম। মেয়েটাকে উত্তর দিতে যাবো এমন সময় দেখি আরো তিনটা মেয়ে এসে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ওরা তিনজন একসাথে বলে উঠলো " এই ছেলে প্রেম করবে আমার সাথে?"। এবার আমার পাশের বসা মেয়েটা উঠে ওদের সাথে মারামারি শুরু করলো। চারজন মেয়ে আমার চার হাত পা ধরে বাসের মধ্যে টানাটানি শুরু করলো। একজন বলে এই ছেলে আমার, আরেকজন বলে না না এই ছেলে আমার। ওদের টানাটানি তে আমার গুলিস্তান থেকে কেনা নতুন শার্ট ছিঁড়ে গেছে। প্যান্ট ছিঁড়া ছিঁড়া অবস্থা। নিজেকে সালমান খান ভাবা ছেড়ে টম ক্রুজ ভাবতে শুরু করলাম। আহা! সুন্দরী মেয়েরা আমাকে পাবার জন্য আজ মারামারি করে। এই দিন যে আসবে কল্পনাও করিনি।এর মধ্যে বাসের হেলপার এক লাঠি নিয়ে দৌড়ে এসে বলল " ঐ তোরা সবাই বস, নাহলে কারেন্ট শখ দিবো " সাথে সাথে চারটা মেয়ে আমাকে ছেড়ে দিলে আমি গাড়ির মধ্যে ধপাস করে পড়ে গেলাম। হেলপার কাছে এসে বলল " ঐ মিয়া আপনি কখন উঠলেন বাসে? ও বুঝছি, সিগারেট কিনতে নামছিলাম তখনি উঠছেন তাইনা? তাড়াতাড়ি নামেন ভাই, এই বাস পাবনা যাবে। বাসের মধ্যে যারা আছে তারা সবাই পাগল। ওদের সবাইকে পাবনার মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি। হেলপারের কথা শুনে অজ্ঞান হয়ে গেলাম। জ্ঞান ফিরলে দেখি আমি পাবনার মানসিক হাসপাতালে।.. #হাহাহাহাহা । ,😭😭 copy