Critique

Critique CRITIQUE
A media initiative representing all ethnic communities broadcast from New York State, USA.

08/20/2026

আলবানিতে বাফা’র অসাধারণ অভিযান।




08/18/2026

The Hudson River and the Statue of Liberty: A Story of the Waterway

হাডসন নদী আর স্ট‍্যাচু অব লিবার্টি, পানি পথের গল্প॥

#হাডসননদী #স্ট্যাচুঅবলিবার্টি #নিউইয়র্ক #নদীপথেরগল্প

08/17/2026

Capital Thingyan 2026 Celebrated in Albany, Myanmar Community Receives Special Recognition

ALBANY, N.Y. — The Myanmar community in Albany celebrated Capital Thingyan 2026 on August 15, highlighting Myanmar’s rich cultural heritage, traditions and ethnic diversity.

Organized by the Myanmar Multiethnic Community and the Myanmar Multiethnic Sociocultural Association (MMSA), the celebration featured the traditional Thingyan Water Splash, cultural performances, live music, traditional Myanmar food, an ethnic marketplace and other activities showcasing the country’s people and culture.

Dr. Hnin Wai Lwin Myo, a Myanmar community organizer in Albany, said the community also received several official recognitions honoring its contributions to the city. These included a Mayoral Proclamation from the City of Albany, a Resolution from the Albany Common Council, and a Citation from a New York State Assembly member.

Dr. Myo described the recognitions as an important step forward for Albany’s growing Myanmar community.

The celebration also provided an opportunity to bring people from different backgrounds together and promote cultural understanding, unity and stronger connections among Albany’s diverse communities.

Hnin Wai Lwin Myo

ভবিষ্যৎ মাতৃত্বের পরিকল্পনায় ডিম্বাণু সংরক্ষণ করছেন এওসিক্রিটিক ॥ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট কংগ্রে...
08/10/2026

ভবিষ্যৎ মাতৃত্বের পরিকল্পনায় ডিম্বাণু সংরক্ষণ করছেন এওসি

ক্রিটিক ॥ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কোর্তেস ভবিষ্যতে মা হওয়ার সম্ভাবনা ধরে রাখতে নিজের ডিম্বাণু সংরক্ষণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। ৩৬ বছর বয়সী এই আইনপ্রণেতা শনিবার, ৮ আগস্ট ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত কয়েকটি ভিডিওতে ব্যক্তিগত এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই সঙ্গে চিকিৎসাপ্রক্রিয়ার কিছু অভিজ্ঞতাও অনুসারীদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

ওকাসিও-কোর্তেস জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডিম্বাণু সংরক্ষণের বিষয়টি বিবেচনা করেছেন এবং এর ব্যয় নির্বাহের জন্য অর্থও সঞ্চয় করেছেন। কংগ্রেসের আগস্টকালীন অবকাশকে চিকিৎসাপ্রক্রিয়া শুরু করার উপযুক্ত সময় হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি।

এওসি বলেন, “এটি এমন একটি সিদ্ধান্ত, যার মাধ্যমে আমি নিজের জীবনের ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ অনুভব করছি।” সিদ্ধান্তটি নেওয়ার পর নিজেকে ক্ষমতাবান ও আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ইনস্টাগ্রামের ভিডিওতে ওকাসিও-কোর্তেসকে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী হরমোনের ইনজেকশন নিতে দেখা যায়। এবিসি নিউজের ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আগেও নির্ধারিত সময়ে তাঁকে ইনজেকশন নিতে হবে বলে জানান তিনি। ব্যক্তিগত চিকিৎসা ও গুরুত্বপূর্ণ পেশাগত দায়িত্ব একই সঙ্গে সামলানোর প্রসঙ্গেই তিনি বিষয়টিকে “ব্যাডঅ্যাস” বা সাহসী ও শক্তিশালী কাজ হিসেবে বর্ণনা করেন। অর্থাৎ, সাধারণ চিকিৎসাপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়ার জন্য নিজেকে অন্য নারীদের চেয়ে ব্যতিক্রম দাবি করেননি—মূল বক্তব্য ছিল কর্মজীবী নারীদের বহুমুখী দায়িত্ব সামলানোর সক্ষমতা নিয়ে।

এবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এওসি বলেন, নারীর প্রজননস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা স্বাভাবিক করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, নারীদের শরীর, প্রজননক্ষমতা, গর্ভধারণ এবং মেনোপজসহ জীবনের বিভিন্ন পর্যায় সম্পর্কে পর্যাপ্ত শিক্ষা ও তথ্য দেওয়া হয় না। নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করলে অন্য কর্মজীবী নারীরাও তাঁদের সামনে থাকা বিকল্পগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন বলে তিনি আশা করছেন।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশও বিষয়টি প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে বলে জানান এওসি। তাঁর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে গর্ভপাতের অধিকার থেকে শুরু করে নিরাপদ গর্ভধারণ পর্যন্ত নারীর প্রজননস্বাস্থ্যসেবা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সে কারণে রাজনৈতিক নেতাদেরও এসব ব্যক্তিগত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যবিষয়ক আলোচনা সামনে আনা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

ডিম্বাণু সংরক্ষণ বা ওসাইট ক্রায়োপ্রিজারভেশন হলো একটি চিকিৎসাপদ্ধতি, যাতে ডিম্বাণু সংগ্রহ করে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন হলে আইভিএফ পদ্ধতিতে সেগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এটি ভবিষ্যতে সন্তান জন্মদানের নিশ্চয়তা দেয় না; সাফল্যের সম্ভাবনা ডিম্বাণু সংরক্ষণের সময় বয়স ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত অবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে।

ওকাসিও-কোর্তেস ২০১৯ সাল থেকে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে নিউইয়র্কের ১৪তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্টের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি ২০২২ সাল থেকে দীর্ঘদিনের সঙ্গী রাইলি রবার্টসের সঙ্গে বাগ্‌দত্তা।

08/08/2026

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে আনন্দবাজার এর ভিডিও কন্টেন্ট

08/03/2026

তসলিমা নাসরিনের ভারত প্রত‍্যাবর্তন সভার বক্তব্যের অংশবিশেষ

উনিশ বছর পর কলকাতায় ফিরে তসলিমা নাসরিনের কণ্ঠে স্বাধীন চিন্তা, মানবাধিকার ও সংস্কারের আহ্বানক্রিটিক, আগস্ট ০৩, ২০২৬॥ “আ...
08/03/2026

উনিশ বছর পর কলকাতায় ফিরে তসলিমা নাসরিনের কণ্ঠে স্বাধীন চিন্তা, মানবাধিকার ও সংস্কারের আহ্বান

ক্রিটিক, আগস্ট ০৩, ২০২৬॥

“আজ আমি আবার কলকাতায় ফিরে এসেছি” এই একটি বাক্য উচ্চারণ করতেই যেন কেটে গেছে প্রায় উনিশ বছর। দীর্ঘ নির্বাসন, হারিয়ে যাওয়া ঠিকানা, দেশছাড়া জীবনের অসংখ্য ক্ষত আর ভাষার প্রতি অবিচল ভালোবাসা, সব মিলিয়ে কলকাতায় ফিরে নিজের বক্তব্য শুরু করেন নির্বাসিত বাঙালি লেখক তসলিমা নাসরিন।

তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তিগত জয় বা রাজনৈতিক অহংকারের জন্য তিনি কথা বলতে আসেননি। তাঁর কণ্ঠ বরাবরই সমানাধিকারের পক্ষে, মানবাধিকারের পক্ষে, ধর্মীয় সমতার পক্ষে, মুক্তবুদ্ধির পক্ষে এবং মানুষের নির্ভয়ে কথা বলার অধিকারের পক্ষে।

বক্তৃতার শুরুতেই তসলিমা নাসরিন স্মরণ করেন তাঁর জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা আগস্ট মাসকে। এই মাসেই তাঁর মায়ের জন্মদিন, এই মাসেই তাঁর স্বাধীনতার স্মৃতি, আবার এই মাসেই ১৯৯৪ সালের ৮ আগস্ট তাঁকে বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। সেই নির্বাসনের ৩২ বছর পূর্ণ হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি, এই কথাটি বলতে গিয়েও তাঁর কণ্ঠে ধরা পড়ে দীর্ঘ বেদনার ইতিহাস।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র একজন মানুষকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে, কিন্তু তার হৃদয় থেকে জন্মভূমিকে মুছে দিতে পারে না। বহু বছর পর কলকাতায় আশ্রয় পেলেও ২০০৭ সালের ২২ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গ সরকারও তাঁকে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করে। তাঁর ভাষায়, তিনি কোনো অপরাধ করেননি, কোনো আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেনি। তবু ধর্মীয় মৌলবাদের চাপে তাঁকে নিজের ঘর, শহর, ভাষার পরিবেশ এবং স্বাভাবিক জীবন হারাতে হয়েছে।

ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে তসলিমার বক্তব্য ছিল আবেগময়। ইউরোপ তাঁকে নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও আশ্রয় দিয়েছে, এ জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। কিন্তু নাগরিকত্ব আর নিজের ঘর এক জিনিস নয়। একটি ঘর গড়ে ওঠে ভাষা, সংস্কৃতি, স্মৃতি এবং মানুষের ভালোবাসায়। তাঁর কাছে বাংলা ভাষাই সেই চিরস্থায়ী ঠিকানা।

নিজের সাহিত্যজীবনের শুরুর কথাও স্মরণ করেন তসলিমা নাসরিন। ময়মনসিংহে বসে কৈশোরে কলকাতার কবিতা পড়েছেন, গান শুনেছেন, নাটক শুনেছেন। পশ্চিমবঙ্গের ছোট কাগজে লেখালেখিও শুরু করেছিলেন। তাঁর বিশ্বাস, রাজনৈতিক সীমান্ত বাংলা ভাষাকে বিভক্ত করতে পারেনি; সাহিত্য দুই বাংলার মানুষের মধ্যে একটি অদৃশ্য সেতু তৈরি করেছে।

বক্তৃতার বড় একটি অংশজুড়ে ছিল মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্ন। তাঁর মতে, একজন লেখকের জীবন রক্ষা মানে শুধু একজন মানুষকে রক্ষা করা নয়; রক্ষা করা তার কথা বলার অধিকার, লেখার অধিকার এবং স্বাধীনভাবে চিন্তা করার অধিকার। কোনো সভ্য রাষ্ট্রে বইয়ের উত্তর বই দিয়েই দিতে হয়, যুক্তির উত্তর যুক্তি দিয়েই দিতে হয়, হুমকি, সহিংসতা কিংবা নির্বাসনের মাধ্যমে নয়।

তসলিমা প্রশ্ন তোলেন, তিন দশকেরও বেশি আগে তাঁর অপরাধ কী ছিল? তিনি তো শুধু নারী-পুরুষের সমান অধিকার, সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার এবং এমন সব সামাজিক ও ধর্মীয় কাঠামোর পরিবর্তনের কথা লিখেছিলেন, যেগুলো মানুষের স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেয়। অথচ সেই লেখাকেই রাষ্ট্র ও মৌলবাদীরা অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

ধর্মীয় মৌলবাদের সমালোচনা করতে গিয়ে তসলিমা নাসরিন বিশেষভাবে ইসলামি মৌলবাদের প্রসঙ্গ তোলেন। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, মৌলবাদের সমালোচনা কখনোই মুসলমান বা ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নয়। তাঁর লড়াই কোনো ধর্মবিশ্বাসী মানুষের বিরুদ্ধে নয়; বরং এমন সব চরমপন্থী চিন্তার বিরুদ্ধে, যা নারীর অধিকার, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, মুক্তচিন্তা এবং মানবাধিকারের ওপর আঘাত হানে।

তিনি বলেন, মানবাধিকার কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা সম্প্রদায়ের জন্য নয়; এটি মানুষের অধিকার। মুসলিম সমাজের ভেতরেও মুক্তচিন্তা, নারীর অধিকার এবং আধুনিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যারা নিজের জীবনে আধুনিকতা চান, কিন্তু মুসলিম সমাজের জন্য মধ্যযুগীয় ব্যবস্থা বজায় রাখতে চান, তাঁর মতে তারাই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করছেন।

ইতিহাসের দিকে ফিরে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের বহু ধর্মই একসময় মতপ্রকাশ দমনের যুগ অতিক্রম করেছে। কিন্তু এখনও বহু মুসলিম দেশে ধর্মদ্রোহ বা ভিন্নমত প্রকাশের জন্য মানুষ নিপীড়নের শিকার হন। এই বাস্তবতা বদলাতে হলে সহিংসতা নয়, প্রয়োজন মুক্তচিন্তা, যুক্তিবাদ, মানবাধিকার এবং সামাজিক সংস্কার।

বক্তৃতার শেষ অংশে তিনি আবারও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন কলকাতার মানুষ এবং আয়োজকদের প্রতি। তবে সেই কৃতজ্ঞতার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতাও উচ্চারণ করেন, কৃতজ্ঞতা কখনো স্বাধীন চিন্তার বিনিময়ে হতে পারে না। তিনি তাঁর মুক্তবুদ্ধি, প্রশ্ন করার অধিকার এবং সত্য বলার দায়িত্ব কোনো অবস্থাতেই ত্যাগ করবেন না।

উনিশ বছর পর কলকাতায় ফিরে তসলিমা নাসরিনের বক্তব্য কেবল ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তনের গল্প নয়; এটি ভাষার প্রতি আনুগত্য, নির্বাসনের বেদনা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ধর্মীয় সহনশীলতা এবং মানবাধিকারের পক্ষে এক দীর্ঘ, দৃঢ় ও আপসহীন অঙ্গীকার।

08/03/2026
ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ দাবানল: শত শত স্থাপনা ধ্বংস, হাজারো পরিবার ঘরছাড়াক্রিটিক রিপোর্ট ॥ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্...
08/02/2026

ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ দাবানল: শত শত স্থাপনা ধ্বংস, হাজারো পরিবার ঘরছাড়া

ক্রিটিক রিপোর্ট ॥
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের স্পোকেন (Spokane) কাউন্টিতে ভয়াবহ দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এক নজিরবিহীন মানবিক সংকটের সৃষ্টি করেছে। অন্তত ৬০০টি বাড়িঘর ও স্থাপনা আগুনে ধ্বংস হয়ে গেছে এবং হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে।

দমকল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন এত দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে যে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনও পাওয়া যায়নি। স্পোকেন কাউন্টির ফায়ার চিফ জানিয়েছেন, কেউ নিহত, আহত বা নিখোঁজ হয়েছেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রাণহানির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

দাবানলের ভয়ে অনেক পরিবার ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে হাতে যা ছিল শুধু তা নিয়েই। কেউ আশ্রয়কেন্দ্রে উদ্বেগের মধ্যে অপেক্ষা করছেন, আবার কেউ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ধ্বংসস্তূপে ফিরে গিয়ে পোড়া ঘরের ছাইয়ের ভেতর থেকে স্মৃতি ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় ওয়াশিংটনের গভর্নর বব ফার্গুসন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয়েছে উদ্ধার, নিরাপত্তা এবং আগুন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য। কর্মকর্তাদের মতে, স্পোকেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জ্বলতে থাকা Autumn Lane Fire বর্তমানে অঙ্গরাজ্যের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দাবানল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রশান্ত মহাসাগরীয় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল (Pacific Northwest) গত তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল মৌসুমের মুখোমুখি হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ, খরা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বনাঞ্চল আরও শুষ্ক ও দাহ্য হয়ে উঠেছে, ফলে ছোট আগুনও অল্প সময়ের মধ্যে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের সতর্কতা মেনে চলার এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন, তবে আবহাওয়ার অনুকূল পরিবর্তন না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

মানুষই শক্তি, মানুষই সাহসক্রিটিক ॥ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসওম্যান আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কোর্তেস (এওসি) তাঁর সমর্থকদের উদ...
08/01/2026

মানুষই শক্তি, মানুষই সাহস

ক্রিটিক ॥ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসওম্যান আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কোর্তেস (এওসি) তাঁর সমর্থকদের উদ্দেশে এক বার্তায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক ও সামাজিক নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি তিনি পান সাধারণ মানুষের কাছ থেকেই।

বার্তায় এওসি বলেন, অনেকেই তাঁকে জিজ্ঞেস করেন কীভাবে তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস খুঁজে পান। এর উত্তরে তিনি বলেন, সেই শক্তির উৎস কোনো ব্যক্তি নন; বরং তাঁর সমর্থক, সহযোদ্ধা এবং বৃহত্তর কমিউনিটি।

বর্তমান সময়কে ‘খুবই কঠিন’ উল্লেখ করে কংগ্রেসওম্যান বলেন, ঘৃণা ও বিভেদের কণ্ঠস্বর অনেক সময় সংহতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার চেয়ে বেশি উচ্চকিত মনে হতে পারে। তবে তা এই অর্থ বহন করে না যে ঘৃণার পক্ষে মানুষের সংখ্যাই বেশি।

তিনি আরও বলেন, এই সময়ে মানুষের উচিত একে অপরের আরও কাছে আসা, সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো, পারস্পরিক সহমর্মিতা ও যত্নের সম্পর্ককে শক্তিশালী করা এবং ছোট-বড় সব পরিসরে কমিউনিটিকে আরও ঐক্যবদ্ধ করে তোলা।

বার্তার শেষাংশে এওসি বলেন, তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা এবং প্রগতিশীল আন্দোলন সবসময় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সমর্থনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এই আন্দোলনের সঙ্গে থাকার জন্য তিনি তাঁর সমর্থকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

Address

315 Central Avenue, 2nd Floor, Albany
New York, NY
12206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Critique posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

l="false"> Add listing
  • Login
  • Subscribe

    We will notify you when anything happens in New York.