৪২০

৪২০ Radio

04/13/2016

কিছু গল্পের শিরোনাম হয় না
কলেজ লাইফের বন্ধু অলিন ও অধরা।
কলেজের
১ম দিনই পরস্পরেরর সাথে পরিচয় হয়
উভয়ের। কলেজের ১ম দিন।অলিন
লাল রঙের
একটা টি শার্ট পড়ে এসেছে।
কাউকেই
চিনে না।সবকিছুর মাঝেই নতুনত্ব।
ক্লাসে ঢুকার পর একটা মেয়ের
উপস্থিতি অলিনের নজর কাটে।
মেয়েটার
নাম অধরা।দেখতে অসম্ভব সুন্দর।
তো,,প্রথম দিন ঠিক বাংলা
সিনেমার মত
অধরাকে দেখতে দেখতে
অলিনের ক্লাস
অতিক্রমণ হয়। কলেজের ২য় দিন...
অলিনের মূল উদ্দেশ্য যে করেই
হোক অধরার
সাথে সে কথা বলবেই।বারবার
অজুহাত
খোঁজছে কিন্তু কোন সুযোগই
কাজে লাগাতে পারছে না।
বেচেরা একটু মন
খারাপ করেই পেছনের বেঞ্চে বসে
ছিল। হঠাৎ তার বোধগম্য হল কেউ
একজন
তাকে ডাকছে।মাথা ঘুরিয়ে
তাকাতেই
সে অবাক হয়ে গেল।এত দেখছি মেঘ
না চাইতেই বৃষ্টি নামার অবস্থা।
সেই
ব্যক্তিটা ছিল অধরা...
-জ্বি,আপনাকে,,শুনছেন?
-ইয়ে মানে,,হুম
-১০০ টাকা হবে?
-হুম,অবশ্যই,,এই নিন
-অদ্ভুত,তো!!
আপনি জানতে চাইলেন না,কেন
আপনার থেকে টাকা নিলাম??
-না,,
ও হ্যা,কেন নিলেন?
-আমরা ফার্স্ট ইয়ারের সবাই
মিলে একটা প্রোগ্রাম করব,এজন্য।
আগামীকাল কেন্টিনের সামনে
চলে আসবেন
মনে করে।
-আচ্ছা ঠিকাছে অধরা বেশি কিছু
না বলে চলে গেল।আর
অলিনের অবস্থা নাই বা বললাম
(চোখ
টিপ্পনীর ইমু)।সে ভাবতেই পারছিল
না অধরা নিজে এসে তার
সাথে কথা বলবে(কারণে/অকারণে
যাই
হোক)কথা তো বলেছে!! অতঃপর
অধরা সঙ্গত অলিনের বচন কার্য
বেশ
ভালভাবেই সম্পাদিত হইল। পরদিন
যথাসময়ে কেন্টিনে চলে গেল
অলিন।
বড়সড় খাবারের আয়োজন করা
হয়েছে।
আসলে কোন কারণ ছাড়াই কলেজের
সবাইকে পরস্পরের সাথে আলাপ
করিয়ে দেওয়ার জন্য এ আইডিয়াটা
অধরারই
ছিল। খাওয়ার পর্ব শেষ।সবাই চলে
যাচ্ছে।
সাথে অধরাও। অলিন বুঝতে
পারছে না অধরার
সাথে আগবাড়িয়ে কথা বলাটা
ঠিক
হবে কিনা।বুকে সাহস সঞ্চার
করে অধরাকে ডাক দিল অলিন।
-অধরা...
(পেছনে ফিরে তাকাল অধরা।
অলিন
তাকে ডাকছে)
-জ্বি,বলুন
-আপনার নাম কি অধরা?
-আজীব তো,আপনি আমার নাম ধরে
ডাকলেন আর এখন বলছেন আমি অধরা
কিনা?
-ও সরি
-মানে?
-না,কিছু না
-ডাকলেন কিজন্য?
-আপনার নাম অধরা কিনা সিউর
হবার জন্য
-আচ্ছা,,হুম আমার নাম অধরা। আর কিছু
বলবেন?
একটু তাড়াতাড়ি বলেন,আমার
তাড়া আছে একটু।
-না,,না,,ঠিকাছে,,আপন-না,,না,,ঠ
িকাছে,,আপনি যান...
অধরা চলে গেল সাথে অলিনের
মনে ২য়
বারের মত ক্রাশের সৃষ্টি করে দিয়ে
গেল। দিন যাচ্ছে তো যাচ্ছেই।
অলিন কিছুতেই
অধরার সাথে ভাব জমিয়ে উঠতে
পারছিল না।
কিন্তু অধরা ততদিনে বুঝে গেছে
অলিন
যে তাকে পছন্দ করে। (শত
হোক,মেয়ে মানুষের মন বলে কথা।
তাদের
মন ২,০০০০ ভোল্টের বাতির মত
পাওয়ারফুল।কে তার উপর কিভাবে
নজর
দিচ্ছে এ ক্ষমতা মহান সৃষ্টিকর্তাই
তাদের
দিয়ে দিয়েছেন) অধরার সাথে
ততটা ফ্রি না হলেও
মোটামুটি খারাপ ছিল না।তাই
অলিন ভাবল
যে করেই হোক অধরাকে কথাটা
বলতেই হবে। একদিন একটা চিরকুট
অধরার কাছে তার এক
ফ্রেন্ডের মাধ্যমে পৌঁছাল।অধরা
ভেবেই
নিয়েছিল এটাতে লিখা আছে "I
LOVE U
অধরা" কিন্তু না,,এটাতে লিখা
ছিল..."তোমার
নাম কি আসলেই অধরা??" খানিকটা
রাগান্বিত হয়েই অলিনের
কাছে যায় অধরা।
-এটা কি?(রাগের ইমু)
-চিরকুট
-সেটা জানি,,,কি লেখা আছে
এতে??
-তোমার নাম অধরা কিনা??
-কয়বার জিজ্ঞেস করলি কথাটা??
(রেগে যাওয়ায় সর্বনামের পরিবর্তন
হয়েছে) এখন কি বলবে বুঝে উঠতে
পারছিল না অলিন।
সিচুয়েশান প্রতিকূলে।মারাত্মক ভয়
পাচ্ছিল।
-ঠিক মনে হচ্ছে না
-এখন সরাসরি বল কি বলবি
-কি বলব?
-বলবি,আমাকে ভালবাসিস
-কেন বলব?
(অলিন কিছুই বোঝতে পারছিল না
তখন
কি করবে,,হতবিম্ব হয়ে গেছিল)
-কেন বলব মানে?? বলতে তোকে
হবেই
-হুম,,"ভালবাসি" কথাটা বলার
সাথে সাথেই অলিনের
গালে একটা কসিয়ে চড় মাড়ল অধরা
-মাড়লে কেন?
তুমি বলাতেই তো বলছি
-এখন শালা আরেকটা দিব
-কেন,কি করছি,আমি?
-আগে বললি না কেন?
-ভয়ে
-আমি বাঘ না ভাল্লুক যে ভয় পেতে
হবে??
-কোন অংশে কম দেখছি না
-তবে রে.... দৌড় মানে,,কথাটা
বলে আর জায়গায় ছিল
না অলিন,,সে জানে আজ সে শেষ
বোধহয়। শেষ পর্যন্ত দৌড়ে ধরেই
ফেলল
অধরা অলিনকে..
-দাড়া,বলছি...
-পারলে দৌড়ে ধর আমাকে
-আর পারছি না দৌড়াতে
-কিছু করতে পারবে না কাছে
আসলে
-না,,করব
-তাহলে আসছি না
-তুই আসবি? (রাগের ইমু) অলিন
অধরার কাছে এসে বসল।আর অধরা
তখন
নিজের ওষ্ঠের সামান্য ছোঁয়া
অলিনের
সাথে শেয়ার করল...তারপর??
আর বলতে পারব না,পাবলিক প্লেস
তো....
(ভেংচির ইমু)
এভাবেই শুরু হল আরেকটি ভালবাসা।
পহেলা বৈশাখ তথা বিভিন্ন
অনুষ্ঠানে ডি সি হিল প্রমুখ জায়গায়
যোগ হল আরেকটি কাপল্ এর নাম।

Address

28 Bond St
New York, NY
10012

Telephone

7480034836

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ৪২০ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Nearby media companies