HB Rita

HB Rita কলম ও কবিতা-আমার প্রাণশক্তি! কবি, লেখক, কলামিষ্ট, সাংবাদিক, শিক্ষক

06/07/2026

আমি কর্পোরেট-বিক্রীত কোনো পথ-শিল্পী নই,
যে কেবল তোমাদের ছুঁড়ে দেওয়া খুচরো পয়সার লোভে
স্তুতির দেয়ালচিত্র আঁকে;
আমার ‌অক্ষর উৎসর্গিত সেইসব মানুষের জন্য-
যারা ধুলোমাখা ফুটপাতে বসে ভাঙা পেন্সিলের টুকরো
দিয়ে আসন্ন বিপ্লবের আদি ও অকৃত্রিম জ্যামিতিক নকশা আঁকছে।

দিবাস্বপ্নবিলাসী কবিরা, যারা নিজেদের ধবধবে সাদা
অভিজাত অট্টালিকায় বন্দী-
তোমাদের সেই কৃত্রিম ও উচ্চবিত্তসুলভ বিশেষাধিকার কি কখনো কোনো সাধারণ মানুষের চোখের জলের সেই
গভীর ও নোনা জ্বালা অনুভব করেছে?

তোমরা যখন সখ‍্যের মরিদা পানে বসে বিখ‍্যাত হওয়ার
অনুগ্রহের উচ্ছিষ্ট কুড়োচ্ছ,
আমি তখন ধূসর ও রুক্ষ প্রান্তরের বুকে চিৎকার করে
বলছি একটি নগ্ন সত‍্যের কথা-
সাহিত্য কোনো ব্যক্তিগত সিন্দুকের ভেতর তালাবন্ধ
করে রাখা গয়না নয়;
এ এক উত্তাল মহাসাগর, এক অনিবার্য আকস্মিক বন্যার সতর্কবার্তা-
যা তোমাদের সংকীর্ণ গ্রাম‍্য-রাজনীতির ভঙ্গুর দেয়াল
গুঁড়িয়ে দিয়ে একদিন;
ধুয়ে মুছে ফেলবে তোমাদের স্থবির ও জরাজীর্ণ
অভিজাততন্ত্রের পচাগলা কঙ্কাল।

-এইচ বি রিতা

06/06/2026

ঈশ্বরতন্দ্র ও ক্ষুধার মন্ত্র
এইচ বি রিতা

চারিদিকে ব্রহ্মাণ্ড জুড়ে চড়া সুরে খোল-করতাল বাজে,
ধোঁয়াটে আলোয় ঘোরে গোলকধাঁধার মতো চাকা-
কেউ বলে, ‘তুমি তবে কোন শিবিরের ছায়া?
ডেমোক্রেট, নাকি রিপাবলিকানের খেরোখাতা?'

তন্দ্রার ভেতরে এক অলৌকিক চিৎকার এসে নামে,
সেখানে দলছুট মানুষেরা ভিড় করে আলখাল্লা গায়ে;
প্রশ্ন ছোঁড়ে তারা অবিরাম -
‘তুমি কি আ’লীগ? বিএনপি? জামাত?
নাকি তবে এনসিপি?'
আকাশের তারাগুলো যেন ব্যালট পেপারের মতো খসে
খসে পড়ে।

মায়াজাল! ভারী এক কুয়াশায় ঢেকে যায় চরাচর,
সিংহাসন নড়ে ওঠে, নিভে যায় নক্ষত্রের আলো।
এই ঘোরলাগা ঐশ্বরিক নিস্তব্ধতার চাদর ছিঁড়ে-
কেউ একটিবারও বলে না এসে, হাত ছুঁয়ে মরমী টানে:
"হে মানুষ, তোমার উনুনে কি আজ অন্ন ফুটেছে?
তোমার ঘরের হাঁড়িতে কি আজ চালের ক্রন্দন শেষ হলো?"

দেবতারা ঘুমায় আজ রাজনীতির শীতল পাটিতে,
আর ক্ষুধার ঈশ্বর জেগে থাকে -শূন্য থালার মহাশূন্যে।

জল্লাদের করতালে একটি খাঁটি নামএইচ বি রিতা---ওরা যখন মানচিত্রটাকে টুকরো টুকরো করে ভাগ করছিল-কেউ সবুজ, কেউ লাল, কেউবা কালো...
06/04/2026

জল্লাদের করতালে একটি খাঁটি নাম
এইচ বি রিতা
---
ওরা যখন মানচিত্রটাকে টুকরো টুকরো করে ভাগ
করছিল-
কেউ সবুজ, কেউ লাল, কেউবা কালো কাপড়ে;
তুমি তখন দাঁড়িয়েছিলে শুধু মাটির কসম খেয়ে।
তুমি কোনো দলের দাসত্ব করোনি, হাদি,
তাই কোনো জল্লাদই তোমাকে ক্ষমা করেনি।
দলীয় ইশতেহারের ভিড়ে তুমিই ছিলে একমাত্র
অবাধ্য কবিতা।

তুমি আঙুল তুলেছিলে ক্ষমতার সেই নগ্ন উল্লাসে,
যার কোনো নির্দিষ্ট পতাকা নেই,
অথচ ধারালো নখ আছে।
তুমি বলতে চেয়েছিলে -
অন্যায়ের কোনো জন্মভূমি হয় না,
অন্যায়ের কোনো উপাধি হয় না।

ওরা তোমার কণ্ঠনালী ছিঁড়ে নিয়েছে।
ওরা ভেবেছে বাতাসের সবটুকু শিস বুঝি স্তব্ধ হলো!
কতটা বোকা হলে ওরা অমন করে ভাবে?
লাশ ঘরে ফিরলে পরে প্রতিরোধ বুঝি -এতিম হয়ে যায়?

এখন, তোমার ওই নিথর বুকের ক্ষত থেকে
কোনো নির্দিষ্ট দলের স্লোগান বের হয় না;
সেখান থেকে উছলে পড়ে এক বিস্তীর্ণ দেশের চিৎকার।
জনতার অধিকার।

ঘাতক জানে না, একটি দেহকে মাটির নিচে
লুকিয়েছ কেবল
কিন্তু যে কণ্ঠ অন্যায়ের বিরুদ্ধে বীজ বুনে গেছে-
তাকে উপড়ে ফেলার মতো কোদাল তোমার লোহার হাতকড়াতেও নেই।

সন্ধ্যা নামার পর থেকেই শহরটার চামড়ায় এক ধরনের অস্বস্তি ছিল। ঠিক তখনই, স্তব্ধতা ভেঙে যখন অবোধ দূরভাষ বেজে ওঠে-এক চিলতে না...
06/03/2026

সন্ধ্যা নামার পর থেকেই শহরটার চামড়ায় এক ধরনের অস্বস্তি ছিল। ঠিক তখনই, স্তব্ধতা ভেঙে যখন অবোধ দূরভাষ বেজে ওঠে-এক চিলতে নাগরিক কুয়াশা চিরে এক কবির জরুরি আহ্বান, "জলদি আসুন, বাইরে এখন এক আশ্চর্য দাঁদ উঠেছে!"

মুহূর্তের চমক কেটে যায় আত্মমগ্নতার, সভ্যতার ভাঙা হাতঘড়ি মেনে নিয়ে উত্তর দিই, "এখুনি যাচ্ছি।"

আমি পা বাড়ালাম অনায়াস অভ্যাসের চেনা ফুটপাতে। আকাশ তখন এক আদিম শ্লেষে হাসছে, সেখানে কোনো স্নিগ্ধতা নেই, নেই কোনো চেনা রূপালী আলো। বরং আমাদের এই অবক্ষয়ী মধ্যবিত্ত চেতনা আর আত্মতুষ্টিকে উপহাস করে, এক খণ্ড রুক্ষ, বিবর্ণ চাঁদ ঝুলে আছে মহাকালের কড়িকাঠে-যেন এক ক্ষয়ে যাওয়া জীর্ণ কঙ্কাল।
ল্যাম্পপোস্টের ধোঁয়াটে নিয়ন আলো আর ধুলোবালি মাখা বিপন্ন শহরের বুকে সেই চাঁদকে দেখায় পুঁজিবাদী সভ্যতার এক নিঃসঙ্গ, পণ্য-সর্বস্ব স্মৃতির মতো।

যে কবি ডেকেছিলেন, তিনি হয়তো কোনো এক গলির মোড়েই দাঁড়িয়ে আছেন, কিংবা হয়তো হারিয়ে গেছেন নিয়ন আলোর কোনো গোলকধাঁধায়।

এদিকে আমি এই অসাড় জ্যোৎস্নার নিচে দাঁড়িয়ে থাকি, যেখানে বিজ্ঞাপনের আলো আছে কিন্তু মানুষের জন্য কোনো শাশ্বত সান্ত্বনা নেই।

আমরা আসলে সবাই এক একটা ব্যাধিগ্রস্ত জ্যোৎস্নার দিকে হেঁটে চলেছি, যেখানে সুন্দরের সংজ্ঞা বদলে গেছে বহুকাল আগে। ফুটপাতে পড়ে থাকা ছেঁড়া খবরের কাগজ আর ধুলোর আস্তরণ পেরিয়ে ভাবি- এই যে আকাশে পণ্য-সর্বস্ব চাঁদের নিচে এক অবাস্তব আহ্বান, এ কি কেবলই কোনো অবোধ কবির ভুল উচ্চারণ, নাকি আমাদের এই খণ্ডিত সময় ও ব্যাধিগ্রস্ত অস্তিত্বের আসল বিজ্ঞাপন?

আসলে আমরা তো অবক্ষয়ের সেই শেষ সীমানায় এসে দাঁড়িয়েছি, যেখানে প্রকৃতির নিজস্ব কোনো ভাষা অবশিষ্ট নেই; তার রূপালী আলোও আজ বিপন্ন, শোষিত। যদি এই রাত্রে আকাশতলে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে চাঁদকে 'দাঁদ' বলি, তবে হয়তো ভুল হবে না। এই যন্ত্রসভ্যতার জীর্ণ কঙ্কালে সুন্দরের গায়ে যে চর্মরোগ ধরেছে, আমরা তো কেবল তারই এক নিষ্ঠুর ও বাস্তব ইশতেহার ঘোষণা করছি।

একজন হাদিএইচ বি রিতানৈশ গগনে স্তব্ধ এখন ক্রন্দসী হাহাকার,মিশেছে রক্ত পিচঢালা পথে, ঘাতকের উল্লাসে;হাদি, তোমার চিতা যে নিভ...
05/31/2026

একজন হাদি
এইচ বি রিতা

নৈশ গগনে স্তব্ধ এখন ক্রন্দসী হাহাকার,
মিশেছে রক্ত পিচঢালা পথে, ঘাতকের উল্লাসে;
হাদি, তোমার চিতা যে নিভেছে অন্ধকার-
জনতা এখন মত্ত হয়েছে ক্ষণিক ছদ্ম-ত্রাসে।

উন্মত্ত ভিড় রাজপথে নামে, হ্যাসট্যাগের বাণে,
ডিজিটাল ক্ষোভ বুদবুদ সম মিলায় শূন্যে গিয়ে;
বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে, মূঢ় এ ধরণী জানে
স্মৃতিহীন এই মর্ত্যলোক যে বাঁচে কুয়াশা নিয়ে।

যেমন সেদিন এথেন্সের চকে, হেমলক-পাত্র হাতে,
সত্যের লাগি সক্রেটিসও তো নিয়েছিলেন বিদায়;
বিচার মেলেনি, হেমন্তের সেই কুয়াশাচ্ছন্ন রাতে,
ইতিহাস শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলে অন্ধ গোলকধাঁধায়।

তুমি চেয়েছিলে ফ্যাসিবাদের ওই চূর্ণ করিতে রথ,
অথচ আজকে ষড়যন্ত্রের জাল বিছানো চারিপাশে;
ব্রুটাসের মতো সুহৃদেরা আজ চিনেছে নতুন পথ,
সিজারের মতো তুমিও জড়ালে অলীক অপবিন্যাসে।

জনতার মাঠ শূন্য এখন, স্তব্ধ স্লোগান-ধ্বনি,
মস্তিস্কের কোণে জমেছে ধূলির ধূসর আস্তরণ;
বিস্মৃতি হলো পরম সান্ত্বনা, ওগো বিপ্লবী মণি;
ইতিহাস শুধু মনে রাখে জয়, ভুলে যায় মহাজীবন।

মরীচিকা সম ক্ষণিকের ক্ষোভ, কর্পূরের মতো ওড়ে,
তোমার রক্তে রঞ্জিত মাটি আজো করে হাহাকার;
বিচারহীন এই বন্ধ্যা সময়ে, অন্ধকারের ঘোরে
বিস্মরণের মহোৎসবে সমাজ পেতেছে দরবার।

TopFan Zia Haq Rumena Begum Rosy মাহমুদ মেঘ Mohammad Kabir Shahanaz Mizan

পথের ধারে গাছের তলে বসে কত কি ভাবনায় আসে! এই যে ক্ষণস্থায়ী জীবন, এ জীবনের অর্থ খুঁজি না, খুঁজতে গেলে মণীষী বা গৃহহারা হত...
05/29/2026

পথের ধারে গাছের তলে বসে কত কি ভাবনায় আসে! এই যে ক্ষণস্থায়ী জীবন, এ জীবনের অর্থ খুঁজি না, খুঁজতে গেলে মণীষী বা গৃহহারা হতে হবে। বরং খুঁজি-বাকি জীবনটাকে আমি "কে হবো"-তা নিয়ে। না না, কোনো বিখ্যাত কেউ হওয়ার কথা ভাবি না, ভাবি অন্যের কাছে আমি "কে হবো"।

দ্বন্দ্বটা এখানেই। অন্যের কাছে ভালো কেউ হতে পারা কঠিন। নির্ভর করে অন্যে আমাদের আচরণ ও কাজগুলো কীভাবে গ্রহণ করেন। শত হাজার মানুষের দর্শনে ঢুকে নিজেকে শত হাজার জনের কাছে ভালো মানসিকতার কেউ উপস্থাপন করা সম্ভব নয়। হতে গেলে বরং নিজেকে আমরা হারিয়ে ফেলব।

তবে কী করা যায়? উপায় হয়তো একটা আছে। তবে তার জন্য আমাদের দেখার চোখটা একটু বদলাতে হবে। আসলে, শত মানুষের মনের মতো ছাঁচে নিজেকে ঢালতে যাওয়া এক ধরনের আত্মহনন। আজ এর ভালো লাগার জন্য নিজেকে ভাঙলাম, কাল ওর প্রশংসার জন্য নিজেকে গড়লাম-এই করতে করতে একদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখব, সেখানে আর আমরা নেই; অন্যের টুকরো টুকরো প্রত্যাশার একটা জীবন্ত কঙ্কাল মাত্র দাঁড়িয়ে আছে। অন্যের কাছে 'কে হবো' এই ভাবনার চাবিকাঠি যদি আমরা সম্পূর্ণ অন্যের হাতেই ছেড়ে দিই, তবে জীবনের বাকি পথটা শুধুই এক ক্লান্তিকর অভিনয় হয়ে দাঁড়াবে।

তাই সমাধান নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া নয়, বরং নিজেকে গুটিয়ে এনে একটা নির্দিষ্ট বিন্দুতে স্থির করা।
আমরা সবার কাছে ভালো হতে পারব না, এই পরম সত্যটাকে আগে সহজভাবে মেনে নিতে হবে। শত হাজার মানুষের চিন্তার জগৎ আলাদা, তাদের ভালোলাগা-মন্দলাগার পরিমাপ আলাদা। যে আলো একজনের চোখে আরাম দেয়, অন্যজনের চোখে তা-ই হয়তো তীব্র হয়ে বিঁধতে পারে।

তাহলে উপায়? উপায় হলো-অন্যের কাছে 'ভালো' সাজার চেষ্টা না করে, অন্যের কাছে 'সহজ' হওয়া। বাকি জীবনটায় আমরা বরং অন্যের কাছে এমন একজন মানুষ হতে পারি- যার উপস্থিতিতে অন্য কেউ অন্তত অনিরাপদ বোধ করবে না।
যার মুখের দুটো কথায় কোনো ক্ষত তৈরি হবে না, বরং একটু হলেও স্বস্তি মিলবে। যে কাউকে বিচার করতে বসার আগে তার জুতোয় পা গলিয়ে একটু হাঁটার চেষ্টা করবে।

কাজেই, অন্যের মনের গভীরে ঢুকে তাদের মতো করে নিজেকে সাজানোর প্রয়োজন নেই। আমরা যদি কেবল নিজেদের চারপাশের বৃত্তটুকুর প্রতি সৎ থাকি, নিজেদের ভেতর একটা সুস্থ মন আর একটুখানি মায়া টিকিয়ে রাখতে পারি, সেটাই যথেষ্ট। সবাই আমাদের বুঝবে না, সবাই আমাদের ভালোবাসবে না—তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। জগতের শত হাজার মানুষের ভিড়ে যদি চার-পাঁচজন মানুষের কাছেও আমরা এক টুকরো শীতল ছায়া হতে পারি, তবেই তো এই 'কে হবো'র উত্তর মিলে যায়।

উৎসবের ওপারে একলা মানুষের গানএইচ বি রিতাআকাশে কি বাঁকা চাঁদ? নাকি কোনো শাণিত খঞ্জর?কোলাহলে মুখরিত উচ্চ আর মধ্যবিত্তের চা...
05/27/2026

উৎসবের ওপারে একলা মানুষের গান
এইচ বি রিতা

আকাশে কি বাঁকা চাঁদ? নাকি কোনো শাণিত খঞ্জর?
কোলাহলে মুখরিত উচ্চ আর মধ্যবিত্তের চাতুর্য-নগর,
ভক্তির নামে কসাই-জবাই;বোবা প্রাণের মাংসের উল্লাস
অথচ বাতাস জুড়ে আজো ভাসে চেনা এক মানুষের ত্রাস,
শহীদের রক্তের গন্ধ মিশে যায় আজিকার উৎসবের ঘ্রাণে;
কারো ঘরে মাংসের স্তূপ, কারো বুক পুড়ে অকাল-শশ্মানে।

"কুরবানি সবার জন্য নয়....."
এ কোনো শাস্ত্রীয় ফতোয়া নয়, এ এক অমোঘ বাস্তব,
যেখানে উৎসবের আলো শুধু ধনীর বিলাস-বৈভব।

দরিদ্রের উনুন আজো হিম, স্তব্ধ, পড়ে আছে অবহেলে,
শহরের অলিতে-গলিতে যারা ঘুরে মরে হাত দু’টি মেলে,
তাদের কী দায় বলো এই মহা-মাংসের সমারোহে?
তারা খতিয়ান রাখে শুধু বেঁচে থাকার নিদারুণ দ্রোহে।

খালি পকেটের কাছে উৎসবের মানে একরাশ লজ্জা,
ধনীকের দাক্ষিণ্য মেটাতে পারে কি ক্ষুধার অস্থিমজ্জা?

আর ওই যে মা-বাবা, যার বুক খালি করে চলে গেছে প্রাণ,
অকালের ঝড়ে কিংবা ঘাতকের বুলেটে যে হারাল সন্তান—
তাদের ভাঙা ঘরে কিসের উৎসব? কিসের ত্যাগের মহিমা?
তাদের শোকের কাছে ম্লান হয়ে যায় আকাশের নীলিমা।

যে পিতা হারিয়েছে পুত্রকে, যে মাতা হারিয়েছে তার কোল,
উৎসবের আওয়াজ তাদের কাছে যন্ত্রণার এক মহা-রোল।

05/27/2026
05/23/2026

একজন ধর্ষকের পক্ষে দাঁড়ানো আইনজীবীকে আপনি কিভাবে দেখেন?

Address

New York, NY

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HB Rita posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to HB Rita:

Share