ইসলামের-হাদীস

ইসলামের-হাদীস এই পেইজে সব ধরনের বিষয়ের সমাধান রয়েছে। যে কোনো বিষয় ও সম্পর্কে জানতে র্বাতা পাঠান। Best Meme's Of Football For you
(3)

10/15/2016

█▒▒▒ STEVE JOBS ▒▒▒█
বাণিজ্যিক দুনিয়ায় আমি সাফল্যের একেবারে সর্বোচ্চ চুড়োয় আরোহণ করেছি।যা আপনাদের কাছে সাফল্যের এক অনুপম দৃষ্টান্ত।কিন্তু,এ কথা ধ্রুব সত্য কাজের বাইরে আমার সামান্যই আনন্দ ছিলো। সম্পদের প্রলোভনে বিভোর ছিলাম সারা জীবন। আজ মৃত্যুশয্যায় শুয়ে যখন জীবনটাকে দেখি-তখন আমার মনে হয়, আমার সব সম্মান, খ্যাতি আর অর্জিত সম্পদ আসন্ন মৃত্যুর সামনে একেবারেই ম্লান, তুচ্ছ আর অর্থহীন।এ্যাপলের বিশাল সাম্রাজ্য আমার নিয়ন্ত্রনে ছিলো-কিন্তু মৃত্যু আজ আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে।পৃথিবীর অন্যতম ধনী ব্যক্তি কবরের বিছানায় শুয়ে আছে সেটা আদৌ কোনো বড় ব্যাপার না। প্রতি রাতে নিজের বিছানায় শুয়ার আগে আমি কি করলাম -সেটাই আসল ব্যাপার। অন্ধকার রাতে জীবনরক্ষাকারী মেশিনের সবুজ বাতিগুলোর দিকে চেয়ে আমার বুকের গহীনে হাহাকার করে ওঠে। মেশিনের শব্দের ভিতরে আমি নিকটবর্তী মৃত্যু দেবতার নিঃশ্বাস অনুভব করতে পারি। অনুধাবন করতে পারি-শুধু সম্পদ না, সম্পদের সাথে সম্পর্কহীন জিনিসেরও মানুষের অন্বেষণ করা উচিত।

বেকুবের মতো সম্পদ আহরণই সবকিছুই নয়- আরো অনেককিছু মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।আর তা হলো- মানুষের সাথে সুসম্পর্ক তৈরী করা,সৌন্দর্য্য উপলব্ধি করা আর তারুণ্যে একটি সুন্দর স্বপ্ন নিজের হৃদয়ে লালন করা। শুধু সম্পদের পেছনে ছুটলেই মানুষ আমার মতো এক ভ্রান্ত মানুষে পরিণত হতে পারে। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সবার হৃদয়ে ভালবাসা অনুভব করার জ্ঞান দিয়েছেন।কেবলমাত্র এই নশ্বর দুনিয়ায় সম্পদের মোহে জড়িয়ে পড়ার জন্য নয়। এই যে মৃত্যু শয্যায় শুয়ে আছি।কই, সব সম্পদতো এই বিছানায় নিয়ে আসতে পারিনি। শুধু আজ সাথে আছে ভালোবাসা, প্রেম, মায়া, মমতার স্ম্বতিগুলোই । এগুলোই শুধু সাথে থেকে সাহস যোগাবে , আলোর পথ দেখাবে। ভালোবাসা পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে আছে- সম্পদ না খুঁজে ভালোবাসাও খোঁজে নিতে হয়। সম্পদ কভু শান্তি আনেনা।মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ আর ভালোবাসাই শান্তি আনে।পৃথিবীটাকে দেখো। শুধু সম্পদের পেছনে ছুটে হাহাকার করলে জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবে না…

পৃথিবীতে সবচেয়ে দামী বিছানা কি জানেন? তাহলো- হাসপাতালের মৃত্য শয্যা। আপনাকে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য আপনি একজন গাড়ি চালক রাখতে পারেন। আপনার নিযুক্ত কর্মচারীরা আপনার জন্য অনেক টাকাই আয় করে দিবে।কিন্তু এটাই সবচেয়ে বড় সত্য গোটা পৃথিবী চষে, পৃথিবীর সব সম্পদ দিয়ে দিলেও একজন মানুষও পাবেন না যে আপনার রোগ বয়ে বেড়াবে।

বৈষয়িক যে কোনো জিনিস হারালে আপনি পাবেন। কিন্তু একটা জিনিসই হারালে আর পাওয়া যায়না তা হলো মানুষের জীবন। মানুষ যখন অপারেশান থিয়েটারে যায় তখন সে কেবলি অনুধাবন করে- কেন জীবনের মূল্যটা আগে বুঝিনি!! জীবনের যে স্টেজেই আপনি আজ থাকুন না কেন- ,মৃত্যু পর্দা আপনার জীবনের সামনে হাজির হবেই। সাঙ্গ হবে জীবন। তাই, এই নশ্বর জীবনের পরিসমাপ্তির আগে পরিবারের জন্য, আপনজনের জন্য, বন্ধুদের জন্য হৃদয়ে সবসময় ভালোবাসা রাখুন। নিজের জীবনটাকে ভালোবাসুন। ঠিক নিজের মতো করে অন্যকেও ভালোবাসুন।

10/14/2016

মুসলিম ঘরে জন্ম নিলেই মুসলিম হওয়া যায় না।
মুসলিম ঘরে জন্ম নেওয়া সহজ,,
কিন্তু মুসলিম হওয়া অনেকটাই কঠিন ।

10/12/2016

"আর যখন মানুষ কষ্টের সম্মুখীন হয়, তখন সে শুয়ে, বসে ও দাঁড়িয়ে আমাকে ডাকতে থাকে। তারপর আমি যখন তা থেকে মুক্ত করে দেই, সে কষ্ট যখন চলে যায় তখন মনে হয় কখনো কোন কষ্টেরই সম্মুখীন হয়ে যেন আমাকে ডাকেইনি।"
--[সূরা ইউনুস ১০, আয়াত ১২]

10/03/2016

রাসুল (সাঃ) বলেন,
তোমরা যখন প্রার্থনা করবে
তখন জান্নাতুল ফিরদাউস প্রার্থনা করবে। কেননা,
এটি সর্বোৎকৃষ্ঠ এবং সর্বোচ্চ জান্নাত।
(বুখারি-২৭৯০)

09/30/2016

"দোযখীরা জান্নাতীদেরকে ডেকে বলবেঃ
আমাদের উপর সামান্য পানি নিক্ষেপ কর
অথবা আল্লাহ তোমাদেরকে যে রুযী
দিয়েছেন, তা থেকেই কিছু দাও। তারা
বলবেঃ আল্লাহ এই উভয় বস্তু কাফেরদের
জন্যে নিষিদ্ধ করেছেন,"
----------সূরা আল-আরাফ ০৭:৫০

09/26/2016

রাতে ঘুমানোর পূর্বে দিনের সমস্ত
পাপের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিন ;
কেননা সেই রাত হতে পারে
আপনার জীবনের শেষ রাত।

09/24/2016

যে ব্যক্তি আল্লাহ'র উপর প্রবল বিশ্বাস রাখে,
আল্লাহ তার ইচ্ছা অপূর্ণ রাখেন না।
হযরত ওমর (রাঃ)

09/23/2016

বান্দা আল্লাহর সামনে দু’বার হাজির হয় : প্রথমবার,
যখন সে সালাতে দাঁড়ায়। আর দ্বিতীয়বার, যখন
কিয়ামতে হাশরের ময়দানে দাঁড়াবে। যে ব্যক্তি
প্রথমবার দাঁড়ানোর হক যথাযথভাবে আদায় করতে
পারবে, তার জন্য দ্বিতীয়বার দাঁড়ানো সহজ হবে
। আর যে ব্যক্তি প্রথমবারেরটা সহজ ভেবে
পূর্ণ গুরুত্ব দিবে না, তার জন্য দ্বিতীয়বারের
দাঁড়ানোটা কঠিন হবে।’
— ইমাম ইবনুল কাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ)
[ আল ফাওয়া’ঈদ]

09/22/2016

"যারা আমার নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা বলে,
তারা অন্ধকারের মধ্যে মূক ও বধির।
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং
যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালিত করেন।"
---------সূরা আল-আনআম ০৬:৩৯

09/19/2016

"হে মুমিনগণ! এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএব এগুলো থেকে বেঁচে থাক। যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।"
______সূরা আল মায়েদাহ-৯০
.

09/11/2016

‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নিয়ামাতা লাকা ওয়াল মুল্ক, লা শারিকা লাকা’
- ----- আমি হাজির, হে আল্লাহ! আমি হাজির, আপনার কোনো শরিক নেই, আপনার মহান দরবারে হাজির, নিশ্চয়ই সব প্রশংসা, নিয়ামত এবং সব রাজত্ব আপনারই, আপনার কোনো শরিক নেই—

09/06/2016

এ সত্ত্বেও যদি তারা বিমুখ হয়ে থাকে, তবে বলে দাও,
আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট,
তিনি ব্যতীত আর কারো বন্দেগী নেই।
আমি তাঁরই ভরসা করি এবং
তিনিই মহান আরশের অধিপতি।
فَإِن تَوَلَّوْا۟ فَقُلْ حَسْبِىَ ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ ۖ وَهُوَ رَبُّ ٱلْعَرْشِ ٱلْعَظِيمِ
[ Quran 9 : 129 ]

09/05/2016

"বিশ্বস্ত, সত্যবাদী মুসলিম ব্যবসায়ী কিয়ামতের দিন শহিদদের সঙ্গে থাকবেন।"
__________(ইবন মাজাহ

09/04/2016

প্রশ্ন: কুরবানির মাংস ভাগ করার নিয়ম কি?
--------------
কোরবানির মাংস বন্টন :
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন :—
‘অত:পর তোমরা উহা হতে আহার কর এবং দু:স্থ,
অভাবগ্রস্থকে আহার করাও।’[সূরা হজ্ব-২৮]
রাসূলুল্লাহ স. কোরবানির গোশত সম্পর্কে বলেছেন :

‘তোমরা নিজেরা খাও ও অন্যকে আহার করাও এবং
সংরক্ষণ কর।’
[বোখারি-৫৫৬৯]
‘আহার করাও’ বাক্য দ্বারা অভাবগ্রস্থকে দান করা
ও ধনীদের উপহার হিসেবে দেয়াকে বুঝায়।
অরথাত কোরআনের আয়াত ও হাদিসে ৩টি ভাগের কথা
ইঙ্গিত করা হয়েছে,পরিমান নিরদিস্ট করা হয়নি।
রাসুলুল্লাহ (সা) হতে ১/৩ পরিমান নিরদিস্ট করার
কোন স্পস্ট আমল পাওয়া যায় না ।রাসুলুল্লাহ্ র আমল
ছিল তিনি প্রত্যেক ক্কোরবানির পশু হতে কিছু কিছু
করে নিয়ে রান্না করতেন,বাকীটা পুরোটাই দান ও
বিতরন করে দিতেন।
তবে আব্দুল্লাহ বিন অমর( রাঃ)হতে একটি আছার
(বক্তব্য)পাওয়া যায়-
কোরবানির পশু বা হাদি হতে ১/৩ তোমার
পরিবারের জন্য, ১/৩ তোমার আত্নীয়-প্রতিবেশীর
জন্য, ১/৩ গরিব মিস্কিনের জন্য।তাহলে
সাহাবাদের আমল থেকে পরিমান নিরদিস্ট করার
প্রমান পাওয়া যায়।
-যদি প্রয়োজন হয় ,গরিব- কোরবানি
করেছে,পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি বা তার
চেয়ে অভাবি আশে পাশে আর কেঊ নেই তাহলে যদি
পুরোটাই নিজেরা খায়,সেটাও জায়েজ।তার চেয়ে
সচ্ছলদেরকে বিত্ রন করতে হবে,এটা জরুরি নয়।তবে
এখলাস থাকতে হবে,নিয়ত শুদ্ধ হতে হবে-এই
কোরবানি আল্লাহ র সন্তুস্টির উদ্দেশে হতে হবে।
-অথবা কোন অংশই খেল না পুরোটাই দান করে দিল-
এটাও জায়েজ।
-তাই উলামায়ে কেরাম বলেছেন :এটা আল্লাহ পাক
হতে অনুগ্রহ - কোরবানির মাংশ পূরটা নিজেরা
খাওয়া যাবে, দরিদ্রদের দান করা যাবে বা পূরোটা
উপহার হিসেবে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও
প্রতিবেশীদের বিতরন করা যাবে।
আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝার ও মানার তাওফিক দান
করুন আমিন।

09/02/2016

কুরবানীর শুদ্ধ হওয়ার শর্তাবলী কি কি?
কুরবানী শুদ্ধ হওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছেঃ-
১। কুরবানীর পশু যেন সেই শ্রেণী বা বয়সের হয় যে
শ্রেণী ও বয়স শরীয়ত নির্ধারিত করেছে। আর
নির্ধারিত শ্রেণীর পশু চারটি; উঁট, গরু, ভেঁড়া ও
ছাগল। অধিকাংশ উলামাদের মতে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট
কুরবানী হল উঁট, অতঃপর গরু, তারপর মেষ (ভেঁড়া),
তারপর ছাগল। আবার নর মেষ মাদা মেষ অপেক্ষা
উত্তম। যেহেতু এ প্রসঙ্গে দলীল বর্ণিত হয়েছে।[1]
একটি উঁট অথবা গরুতে সাত ব্যক্তি কুরবানীর জন্য
শরীক হতে পারে।[2] অন্য এক বর্ণনা মতে উঁট
কুরবানীতেও দশ ব্যক্তি শরীক হতে পারে। ইমাম
শাওকানী (রহ.) বলেন, হাজ্জের কুরবানীতে দশ
এবং সাধারণ কুরবানীতে সাত ব্যক্তি শরীক
হওয়াটাই সঠিক।[3]
কিন্তু মেষ বা ছাগে ভাগাভাগি বৈধ নয়। তবে তার
সওয়াবে একাধিক ব্যক্তিকে শরীক করা যাবে।
সুতরাং একটি পরিবারের তরফ থেকে মাত্র একটি
মেষ বা ছাগ যথেষ্ট হবে। তাতে সেই পরিবারের
লোক-সংখ্যা যতই হোক না কেন।
কিন্তু উঁট বা গরুর এক সপ্তাংশ একটি পরিবারের তরফ
থেকে যথেষ্ট হবে কি? এ নিয়ে উলামাগণের মাঝে
মতান্তর রয়েছে। কেউ বলেন, যথেষ্ট নয়। কারণ,
তাতে ৭ জনের অধিক ব্যক্তির শরীক হওয়া বৈধ নয়।
তা ছাড়া পরিবারের তরফ থেকে একটি পূর্ণ
‘দম’ (জান) যথেষ্ট হবে। আর ৭ ভাগের ১ ভাগ পূর্ণ দম
নয়।[4]
অনেকের মতে একটি মেষ বা ছাগের মতই এক
সপ্তাংশ উঁট বা গরু যথেষ্ট হবে।[5]
বলা বাহুল্য, একটি পরিবারের তরফ থেকে এক বা দুই
ভাগ গরু কুরবানী দেওয়ার চাইতে ১টি ছাগল বা
ভেঁড়া দেওয়াটাই অধিক উত্তম।
কুরবানীর সাথে একটি ভাগ আকীকার উদ্দেশ্যে
দেওয়া যথেষ্ট নয়। যেমন যথেষ্ট নয় একটি পশু
কুরবানী ও আকীকার নিয়তে যবেহ করা। কুরবানী ও
আকীকার জন্য পৃথক পৃথক পশু হতে হবে। অবশ্য যদি
কোন শিশুর আকীকার দিন কুরবানীর দিনেই পরে
এবং আকীকা যবেহ করে, তাহলে আর কুরবানী না
দিলেও চলে। যেমন, দুটি গোসলের কারণ উপস্থিত
হলে একটি গোসল করলেই যথেষ্ট, জুমআর দিনে ঈদের
নামায পড়লে আর জুমআহ না পড়লেও চলে, বিদায়ের
সময় হাজ্জের তওয়াফ করলে আর বিদায়ী তওয়াফ না
করলেও চলে, যোহরের সময় মসজিদে প্রবেশ করে
যোহরের সুন্নাত পড়লে পৃথক করে আর তাহিয়্যাতুল
মাসজিদ পড়তে হয় না এবং তামাত্তু হাজ্জের
কুরবানী দিলে আর পৃথকভাবে কুরবানী না দিলেও
চলে।[6]
বয়সের দিক দিয়ে উঁটের পাঁচ বছর, গরুর দুই বছর এবং
মেষ ও ছাগের এক বছর হওয়া জরুরী। অবশ্য অসুবিধার
ক্ষেত্রে ছয় মাস বয়সী মেষ কুরবানী করা যায়।
প্রিয় নবী (সা.) বলেন, ‘‘দাঁতালো ছাড়া যবেহ
করো না। তবে তা দুর্লভ হলে ছয় মাসের মেষ যবেহ
কর।’’[7]
কিন্তু উলামাগণ এ বিষয়ে একমত যে, ছ’মাস বয়সী
মেষের কুরবানী সিদ্ধ হবে; তা ছাড়া অন্য পশু
পাওয়া যাক অথবা না যাক। অধিকাংশ উলামাগণ ঐ
হাদীসের আদেশকে ‘ইস্তিহবাব’ (উত্তম) বলে গ্রহণ
করেছেন এবং বলেছেন যে, ঐ হাদীসের মর্মার্থ এ
নয় যে, অন্য কুরবানীর পশু না পাওয়া গেলে তবেই
ছ’মাস বয়সের মেষ শাবকের কুরবানী বৈধ। যেহেতু
এমন অন্যান্য দলীলও রয়েছে যার দ্বারা প্রমাণিত
হয় যে, ঐ বয়সী মেষেরও কুরবানী বৈধ; প্রকাশতঃ
যদিও কুরবানীদাতা অন্য দাঁতালো পশু পেয়েও
থাকে। যেমন রসূল (সা.) বলেন, ‘‘ছ’মাস বয়সী
মেষশাবক উত্তম কুরবানী।’’[8]
উক্ববাহ বিন আমের (রা.) বলেন, (একদা) নবী (সা.)
কুরবানীর পশু বিতরণ করলেন। উকবার ভাগে পড়ল এক
ছয় মাসের মেষ। তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল!
আমার ভাগে ছয় মাসের মেষ হল?’ প্রত্যুত্তরে তিনি
বললেন, ‘‘এটা দিয়েই তুমি কুরবানী কর।’’[9]
২। পশু যেন নিম্নোক্ত ত্রুটিসমূহ থেকে মুক্ত হয়;
(ক) এক চোখে স্পষ্ট অন্ধত্ব। (খ) স্পষ্ট ব্যাধি। (গ)
স্পষ্ট খঞ্জতা। (ঘ) অন্তিম বার্ধক্য। এ ব্যাপারে
আল্লাহর রসূল (সা.) বলেন, ‘‘চার রকমের পশু
কুরবানী বৈধ বা সিদ্ধ হবে না; (এক চক্ষে) স্পষ্ট
অন্ধত্বে অন্ধ, স্পষ্ট রোগা, স্পষ্ট খঞ্জতায় খঞ্জ এবং
দুরারোগ্য ভগ্নপদ।’’[10]
অতত্রব এই চারের কোন এক ত্রুটিযুক্ত পশু দ্বারা
কুরবানী সিদ্ধ হয় না। ইবনে কুদামাহ (রহ.) বলেন, ‘এ
বিষয়ে কোন মতভেদ আমরা জানি না।’[11]
ফুটনোটঃ[1] (আযওয়াউল বায়ান ৫/৬৩৪)
[2] (মুসলিম ১৩১৮নং) [3] (নাইলুল আওত্বার ৮/১২৬)
[4] (ফাতাওয়া শায়খ মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম
৬/১৪৯)
[5] (মাজালিসু আশরি যিলহাজ্জাহ, শুমাইমিরী,
২৬পৃঃ আল-মুমতে’ ইবনে উসাইমীন ৭/৪৬২-৪৬৩)
[6] (মানারুস সাবীল ১/২৮০) [7] (মুসলিম ১৯৬৩নং)
[8] (মুসনাদে আহমাদ ২/৪৪৫, তিরমিযী)
[9] (বুখারী ২১৭৮, মুসলিম ১৯৬৫নং)
[10] (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ) [11] (মুগনী
১৩/৩৬৯)

09/01/2016

নামাজ বেহেস্তের চাবি ....আল হাদিস

08/31/2016

দরিদ্রতা আসে সাত জিনিসের কারণে
-------------------------------------------
১. তাড়াতাড়ি নামায পড়ার কারণে।
২. দাঁড়িয়ে পেশাব করার কারণে।
৩. পেশাবের জায়গায় অজু করার কারণে।
৪. দাঁড়িয়ে পানি পান করার কারণে।
৫. ফুঁ দিয়ে বাতি নিভানোর কারণে।
৬. দাঁত দিয়ে নখ কাটার কারণে।
৭. পরিধেয় বস্ত্র দ্বারা মুখ সাফ করার কারণে।
--
সচ্ছলতা আসে সাত জিনিসের কারণে

08/30/2016

রাসুল (সাঃ) বলেছেন, "কোনো বৃদ্ধকে যদি কোনো যুবক বার্ধক্যের কারণে শ্রদ্ধা করে, তাহলে আল্লাহ ঐ যুবকের জন্য বৃদ্ধ অবস্থায় এমন ব্যক্তিকে নিযুক্ত করবেন যে তাকে শ্রদ্ধা করবে।"
___________(তিরমিযী)

08/29/2016

"৭ বছরের ছেলেকে মা মাদ্রাসায় ভর্তি করালেন"
--------------------------------------------------------------
বাবা বিদেশ থেকে এসে মাকে বকা দিল।
মাদ্রাসায় কেন পড়তে দিলে? মাদ্রাসায়
পড়ে কি হবে?
আজ কাল মাদ্রাসার কি দরকার? ইত্যাদি।
*
একদিন হুজুর ছাত্রদেরকে ক্লাসে বললেন:
কখনো যদি খাবার জিনিস মাটিতে পড়ে
যায় তা মাটি হতে তুলে খাওয়া নবীর সুন্নাত।
:
কিছুদিন পর স্বামী, স্ত্রী ও ছেলে তিনজন মিলে
বেড়াতে বের হয়েছে ৷ পথিমধ্যে ছেলেটির হাত
থেকে একটা চকলেট মাটিতে পড়ে যায়
চকলেটটি মাটি থেকে তুলতে গেলেই বাবা
চিৎকার দিয়ে ছেলেকে বলে মাটি থেকে যেন
চকলেট না উঠায়।
*
ছেলে তার বাবাকে বলল-
.
- ছেলেঃ কেন চকলেট উঠাবো না আব্বু?
- বাবাঃ মাটি থেকে কোন কিছু তুলতে নেই।
দরকার হলে একটার জায়গায় ১০টা কিনে
দিব৷
:
কিছুক্ষণ পর অনেকদূর হাটার পর ছেলেটির
মা পা পিছলিয়ে পড়ে যায়. তখন তার বাবা
মাকে তুলতে গেলে ছেলে বললঃ-
:
- ছেলেঃ মাকে তুলবে না প্লিজ বাবা।
- বাবাঃ কেন?
:
- ছেলেঃ তুমিই তো বলছো মাটিতে কোন
কিছু পড়লে তুলতে নেই।
*
- বাবাঃ বলো কি! তোমার মাকে যদি তোমার
নানার বাড়িতে ভালভাবে নিতে না পারি
তাহলে আমার পিঠে বেতের বাড়ি পড়বে ৷
:
- ছেলেঃ থাক বাবা তোমাকে আমি ১০ টা বউ
এনে দিব তারপরেও মাটি থেকে তুলবে না প্লিজ ৷
*
- বাবাঃ এইগুলো তুমি কি বলছ?
:
- ছেলেঃ কেন বাবা তুমি যদি নানার বাড়ির
মারের কথা সহ্য করতে না পারো তাহলে
কিয়ামতের দিন যদি আল্লাহ প্রশ্ন করে
তুমি খাবার জিনিস চকলেট মাটি থেকে
না উঠিয়ে যে অপচয় করেছো তার হিসাব
দাও তখন কি বলবো?
:
বাবা চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে ছেলেকে
বুকে জড়িয়ে নিল ৷
*
এই ধরনের শিক্ষা মাদ্রাসায় দেওয়া হয।
মানুষকে দুনিয়া থেকে আখিরাতমুখী করা।
হিকমত শিক্ষা দেয়া যা কোন স্কুল বা কলেজে দেওয়া হয় না। আমরা সরকারি চাকরি না
পেলে কি হবে? জান্নাতের পথ তো পাব।
*
আল্লাহ আমাদের প্রত্যেকের ঘরে এমন জ্ঞানী
ও প্রতিবাদী সন্তান দান করুন। আমিন।

08/29/2016

Jan 5 - ভূমিকম্প,
ফজর নামাজের ওয়াক্তে ।
_
April 7 - ভূমিকম্প,
জোহর নামাজের ওয়াক্তে ।
_
April 13 - ভুমিকম্প,
এশার নামাজের ওয়াক্তে।
_
August 24 - ভূমিকম্প,
আসর নামাজের ওয়াক্তে ।
_
আমরা কি একটা কথা মনে রাখছি যে, ভূমিকম্প
হয়নি এমন একটা
ওয়াক্ত ই বাকি আছে সেটা হলো মাগরীব এর
ওয়াক্ত । আর
সেই সময় টা কোরআনে দিয়েছে কেয়ামতের সময়
সীমা ।
যেভাবে চারদিকে পাপ বাড়ছে কেয়ামত খুব আসন্ন
এবং আমরা
সেই সঙ্কেত পাচ্ছি । আল্লাহ আমাদের সবাইকে
সঠিক পথে
চলার তৌফিক দান করুন আর হেফাজত করুন। আমিন,

08/27/2016

নবী কারীম (সা:) বলেন, তোমরা
কুরআন পড়,
কেননা কেয়ামতের দিন সে তার
সাথীদের জন্য
সুপারিশকারী হবে।
.
________(মুসলিম-১৯১০)

08/27/2016

হযরত আবু হোরায়রা (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত আছে
যে,রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করিয়াছেন,আপন
ঈমনকে তাজা করিতে থাক।কেহ আরজ করিলেন,
ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা আপন ঈমানকে কিভাবে
তাজা করিব? তিনি বলিলেন, লা ইলাহা
ইল্লাল্লাহকে বেশী বেশী বলিতে থাক।

08/26/2016

"তুমি যদি এত অধিক পরিমাণ পাপ কাজ করে থাক যে তা আকাশ সমান উঁচু হয়, এরপর অনুতাপের সাথে তওবা করো, তবুও তোমার তওবা কবুল হবে। প্রত্যাখাত হবে না।"
________[তিরমিযী-৩৫৪০]

08/26/2016

রাসুল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ পড়ল যে আল্লাহর জামানত লাভ করল। অতএব হে আদম সন্তান! লক্ষ্য রাখ, আল্লাহ যেন তোমাদের কাছে কোনোভাবেই তার জামানতের কিছু দাবী না করেন।"
_[মুসলিম-৬৫৭, তিরমিযী-২২২]

08/24/2016

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া
সাল্লাম বলেছেন,
♦ ♦ ♦ ♦ ♦ ♦ ♦ ♦
যে ব্যক্তি আমার প্রতি সকালে
দশবার এবং বিকেলে দশবার দুরুদ পাঠ করবে সে
ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত পাবে।
সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব-১/২৭৩]

08/20/2016

ক্ষমা র্প্রাথণার দোআ-
**************************
আস্তাগফিরুল্লহা রব্বি মিংকুল্লি জাম্বিও ওয়া আতূবু ইলাইহি লা
হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হিল
'আলিয়্যিল 'আজিম।

08/18/2016

"যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য
পরকালে কোন অংশ নেই। যার বিনিময়ে
তারা আত্নবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি
তারা জানত। "
------সূরা আল-বাকারা ০২:১০২
#posted by ধর্ম এবং জীবন

08/13/2016

আবু সায়িদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে
বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে
শুনেছি, "ইবলিস তার রবকে বলেছে: আপনার
ইজ্জত ও বড়ত্বের কসম, আমি বনি আদমকে ভ্রষ্ট
করতেই থাকব যতক্ষণ তাদের মধ্যে রূহ থাকে।
আল্লাহ বলেন: আমার ইজ্জত ও বড়ত্বের কসম, আমি
তাদের ক্ষমা করতে থাকব যতক্ষণ তারা আমার
নিকট ইস্তেগফার করে।"
--[আহমদ, হাদিসে কুদসী ৩২]

08/08/2016

কাজে কর্মে যেমন মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি পায় তেমনি দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে প্রার্থনার মাধ্যমেও মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। কিছু বিশেষ দোয়া রয়েছে যার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা বান্দার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন।

নবী করীম হযরত মুহাম্মদ (স.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি বাজারে যেয়ে এ দোয়া পড়বে আল্লাহ তায়ালা তাকে দশ লাখ নেকি দান করবেন; দশ লাখ গোনাহ মুছে দিবেন। তার মর্যাদা দশ লাখ ধাপ বৃদ্ধি করে দিবেন।

দোয়াটি হলো, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ইয়ুহয়ি ওয়া ইয়ুমিতু, ওয়া হুয়া হাইয়ুন লা ইয়ামুতু। বিয়াদিহিল খাইরু। ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।( তিরমিজি : ৩৪২৮)

অর্থ : আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই। কোনো শরিক নেই। তিনি সকল সার্বভৌমত্বের মালিক। সকল প্রশংসা তার জন্য। তিনি জীবিত করেন। তিনি মৃত্যু দান করেন। তিনি চিরঞ্জীব।

08/05/2016

হযরত আবু হুরাইরাহ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
রাসূল সা. বলেছেন,
তোমরা সাতটি ধ্বংসকারী জিনিস থেকে বিরত থাক।
জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ), সে গুলো
কি কি?
তিনি বললেন,
►আল্লাহর সাথে শরীক করা,
►যাদু টোনা করা,
►আল্লাহ নিষিদ্ধ করেছেন এমন প্রাণীকে অকারণে
হত্যা করা,
►এতীমের মাল আত্মসাত করা,
►সুদ খাওয়া,
►জিহাদের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়া এবং
►সতী সাধ্বী নিষ্কলুষ মুমিন মহিলার উপর
ব্যভিচারের মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা।
(মুসলিম, কিতাবুল ইমানঃ ১৭০)

08/05/2016

"তোমরা আঙ্গুলে তাসবীহ গনণা কর, কেননা
কিয়ামতের দিন আঙ্গুলগুলো জিজ্ঞাসিত হবে এবং
তারা কথা বলবে।"
_______[তিরমিযী-৩৪৮৬]

08/02/2016

" অধিকাংশ মানুষ
আল্লাহর প্রতি
বিশ্বাস স্থাপন
করে, কিন্তু সাথে
সাথে শিরকও করে।
"
- সূরা ইউসুফঃ ১০৬

07/31/2016

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
হাদিস নম্বরঃ ২৭

২৭। কুতায়বা (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
এক ব্যাক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করল, ‘ইসলামের কোন্ কাজ সবচাইতে উত্তম?’
তিনি বললেনঃ তুমি লোকদের আহার করাবে এবং পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দিবে।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

[ আল-মদিনা ইসলামি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ]

07/29/2016

হাদিস নম্বরঃ ২৫
২৫। আহমদ ইবনু ইউনুস ও মূসা ইবনু ইসমা’ঈল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন,
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘কোন্ আমলটি উত্তম?’
তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আনা। ’
প্রশ্ন করা হল, ‘তারপর কোনটি?’
তিনি বললেনঃ ‘আল্লাহ রাস্তায় জিহাদ করা। ’
প্রশ্ন করা হল, ‘তারপর কোনটি। ’
তিনি বললেনঃ ‘মকবূল হাজ্জ (হজ্জ)। ’
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
[পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ]

07/22/2016

Facebook is free of charge
facebook
কোরআন ও হাদিসের বাণী Md Nur Mamun
জুম’আর দিনের ফযীলত সমূহ
=========================
১) সূর্য উদিত হয় এমন দিনগুলোর মধ্যে জুম’আর দিন হল সর্বোত্তম দিন। এ দিনে যা কিছু ঘটেছিল তা হলঃ
(ক) এই দিনে আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল,
(খ) এই দিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছিল,
(গ) একই দিনে তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল [মুসলিমঃ৮৫৪],
(ঘ) একই দিনে তাঁকে দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছিল,
(ঙ) এই দিনেই তাঁর তওবা কবুল করা হয়েছিল,
(চ) এই দিনেই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছিল [আবু দাউদঃ১০৪৬],
(ছ) এই দিনে শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে,
(জ) এই দিনেই কিয়ামত হবে,
(ঝ) এই দিনেই সকলেই বেহুঁশ হয়ে যাবে [আবু দাউদঃ১০৪৭],
(ঞ) প্রত্যেক নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতা, আকাশ, পৃথিবী, বাতাস, পর্বত ও সমুদ্র এই দিনটিকে ভয় করে। [ইবনে মাজাহঃ১০৮৪, ১০৮৫; মুয়াত্তাঃ৩৬৪]।
.
২) উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য এটি একটি মহান দিন। এ জুম’আর দিনটিকে সম্মান করার জন্য ইহুদী-নাসারাদের উপর ফরজ করা হয়েছিল; কিন্তু তারা মতবিরোধ করে এই দিনটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। অতঃপর ইহুদীরা শনিবারকে আর খ্রিষ্টানরা রবিবারকে তাদের ইবাদতের দিন বানিয়েছিল। অবশেষে আল্লাহ তায়ালা এ উম্মতের জন্য শুক্রবারকে মহান দিবস ও ফযীলতের দিন হিসেবে দান করেছেন। আর উম্মতে মুহাম্মদী তা গ্রহন করে নিল। [বুখারী ৮৭৬, ইফা ৮৩২, আধুনিক ৮২৫; মুসলিমঃ ৮৫৫]
.
৩) জুম’আর দিন হল সাপ্তাহিক ঈদের দিন। [ইবনে মাজাহঃ ১০৯৮]
.
৪) জুম’আর দিনটি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনের চেয়েও শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনটি আল্লাহর কাছে অতি মর্যাদা সম্পন্ন। (মুসনাদে আহমদঃ৩/৪৩০; ইবনে মাজাহঃ১০৮৪)
.
৫) জুম’আর দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায়, তা-ই তাকে দেওয়া হয়। আর এ সময়টি হল জুম’আর দিন আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত। [বুখারীঃ৯৩৫, ইফা ৮৮৮, আধুনিক ৮৮২; মুসলিমঃ৮৫২]
.
৬) জুম’আর রাতে বা দিনে যে ব্যক্তি মারা যায় আল্লাহ তায়ালা তাকে কবরের ফিতনা থেকে রক্ষা করবেন। [তিরমিযীঃ১০৭৮]
.
৭) জান্নাতে প্রতি জুম’আর দিনে জান্নাতীদের হাট বসবে। জান্নাতী লোকেরা সেখানে প্রতি সপ্তাহে একত্রিত হবেন। তখন সেখানে এমন মনমুগ্ধকর হাওয়া বইবে, যে হাওয়ায় জান্নাতীদের সৌন্দর্য অনেক গুণে বেড়ে যাবে এবং তাদের স্ত্রীরা তা দেখে অভিভূত হবে। অনুরূপ সৌন্দর্য বৃদ্ধি স্ত্রীদের বেলায়ও হবে। [মুসলিমঃ২৮৩৩, ৭১/৭৫৩]
.
৮) যে ব্যক্তি জুম’আর দিনে সুরা কাহফ পড়বে, আল্লাহ তায়ালা তার জন্য দুই জুম’আর মধ্যবর্তী সময়কে আলোকিত করে দেবেন। [জামেউস সাগীরঃ৬৪৭০]
.
৯) যে ব্যক্তি জুম’আর দিনে সুরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াত পড়বে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপত্তা লাভ করবে। [মুসলিম]
.
১০) প্রত্যেক সপ্তাহে জুম’আর দিন আল্লাহ তায়ালা বেহেশতী বান্দাদের দর্শন দেবেন। [সহীহুত তারগীব]
.
১১) এই দিনে দান খয়রাত করার সওয়াব অন্য দিনের চেয়ে বেশী হয়। ইবনুল কায়্যিম বলেছেন, অন্য মাসের তুলনায় রমজান মাসের দানের সওয়াব যেমন বেশী তেমনি শুক্রবারের দান খয়রাত অন্য দিনের তুলনায় বেশী। [যাদুল মা’আদ]
.
১২) ইবনুল কায়্যিম আরও বলেছেন যে, অন্য মাসের তুলনায় রমজান মাসের মর্যাদা যেমন, সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুম’আ বারের মর্যাদা ঠিক তেমন। তাছাড়া রমজানের কদরের রাতে যেমন ভাবে দোয়া কবুল হয়, ঠিক তেমনি শুক্রবারের সূর্যাস্তের পূর্বক্ষণেও দোয়া কবুল হয়। [যাদুল মা’আদঃ১/৩৯৮]

Address

United States
New York, NY
03704

world

General information

আমাদের মাদ্রাসার নাম:-নূরে মদিনা ইসলামিক একাডেমি। যোগাযোগ:-চন্দ্রগন্জ,আফজল রোড।

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামের-হাদীস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ইসলামের-হাদীস: