Dof Point

Dof Point FOLLOW MY Page,,

"দুরুদ-ইস্তেগফার করেও ফায়দা হচ্ছে না"_এমন মেসেজ ইনবক্সে অনেক পাই। এই সমস্যার সমাধান কোথায়? সমাধান বিশ্বাসে! নিজের জীবন থ...
05/03/2026

"দুরুদ-ইস্তেগফার করেও ফায়দা হচ্ছে না"_এমন মেসেজ ইনবক্সে অনেক পাই। এই সমস্যার সমাধান কোথায়? সমাধান বিশ্বাসে!

নিজের জীবন থেকে বলি৷ যে দুআটা আমি আল্লাহর উপর দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে করি,সেই দুআ যতই অসম্ভব হোক না কেন,কবুল হয়ই৷ যখন আমার বিশ্বাস নড়বড়ে হয়ে যায়, তখন সাধারণ দুআ করেও খুব একটা ফায়দা আসে না৷

দুইদিন আগে এক বিষয় নিয়ে পেরেশানিতে পড়েছিলাম। যেটার ইন্সট্যান্ট সলভ দরকার ছিলো। কি করবো বুঝতে পারছিলাম না৷ ইস্তেগফার, দুরুদ করছিলাম। কিন্তু মন থেকে জোর দিয়ে করছি না। হঠাৎ সূরা আনফালের অর্থ পড়তে গিয়ে ইস্তেগফার নিয়ে একটা আয়াত পেলাম!

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ওয়াদা করেছেন, বান্দা যতক্ষণ ইস্তেগফারে থাকবে,ততক্ষণ অবধি তাকে কোনো আযাব স্পর্শ করতে পারবে না৷ চিন্তা এলো,এই যে আমি পেরেশানিতে আছি,এটাও তো আল্লাহর পক্ষ থেকে আযাব হতে পারে। আমি যদি সত্যিকার অর্থে দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে ইস্তেগফার করি,আল্লাহ পথ বাতলে দিবেন। হাদিসে আছে, দুরুদ পাঠে দুনিয়া ও আখিরাতের পেরেশানি দূর হয়৷ রাসুলুল্লাহ ﷺ তো কখনোই মিথ্যা বলতে পারেন না৷ শুরু করলাম ইস্তেগফার ও দুরুদ পাঠ।
জবানের চেয়ে মনের দৃঢ়তা ছিলো বেশি। আয়াতটা বারবার মাথায় হিট করছিলো৷ হাদিসের কথা মনে পড়ছিলো।
সুবহানআল্লাহ, ঘন্টাখানেক যেতে না যেতেই ওই পেরেশানি থেকে উত্তরণের পথ বাতলে দিলেন আমার রব্ব৷ অথচ এর আগেও আমি দুরুদ-ইস্তেগফারে ছিলাম। কিন্তু ফল পাচ্ছিলাম না। কেন? দৃঢ় বিশ্বাসের অভাবে!

কখনো আমার এতো বেশি তাড়া থাকে যে খাওয়ার টাইমটুকু হয় না। সেসময় এক গ্লাস পানি খাই বিসমিল্লাহ পড়ে৷ নিজেকে বিশ্বাস করাই,আল্লাহর নাম যেহেতু নিয়েছি,এই পানিতেই আল্লাহ আমার জন্য এনার্জি, বারাকাহ্ দিয়ে দিবেন। দুআও করি। আসলেও তাই হয়! পেটপুরে খেয়ে যে এনার্জি পাই না,এক গ্লাস পানি খেয়েই কয়েক ঘন্টা ভালোই কাটিয়ে দিতে পারি। এতো দৌড়-ঝাঁপেও সমস্যা হয় না। সবই বিশ্বাসের কারণে!

এই যে স্কিনকেয়ার করি,কখনোই প্রোডাক্টের উপর ভরসা করি না। যখনই করে ফেলি,সেই প্রোডাক্টে তেমন একটা ফল পাই না। হাস্যকর একটা কথা বলি। আমার ড্রাই স্কিন হওয়া সত্ত্বেও আমি অয়েলি স্কিনের প্রোডাক্ট ইউস করেছিলাম একবছর, শুধু নিজের বিশ্বাসে দৃঢ়তা আনতে যে_ প্রোডাক্ট কেবলমাত্র একটা উসিলা। আল্লাহর রহমতে আমার কোনো সমস্যা হয়নি। আপনারা এটা এপ্লাই করতে যাবেন না৷ এমন করা উচিত না। আমি নিজের জন্য করেছিলাম।

জীবনে সবকিছুর মধ্যে বারাকাহ্ চাইলে নিজের নিয়্যাতকে পরিশুদ্ধ করা প্রয়োজন। আর প্রয়োজন আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস। আমরা সুন্নাহ হিসেবে উসিলা গ্রহণ করবো। কিন্তু পরিপূর্ণ ভরসা হবে একমাত্র আল্লাহর উপর।

এই বিশ্বাস একদিনে আসে না। একবার এসে গেলেও আজীবন থেকে যায় না৷ প্রতিটা মূহুর্তে নিজের সাথে নিজেকে যুদ্ধ করতে হয়। নিজেকে বুঝাতে হয়," আমার রব্ব সেই সুমহান সত্তা,যাঁর হাতে সকল ক্ষমতা"।
নিয়মিত কুরআনের ভাবানুবাদ, আত্মশুদ্ধিমূলক বই,উত্তম সোহবত, দুআতে লেগে থেকে আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস অর্জন সহজ হবে,ইনশাআল্লাহ!

সংগৃহীত

টাকাপয়সার অভাবে মানুষের আইকিউ কমে যায়!গবেষণাটি প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের। ২০১৩ সালে Science জার্নালে প্রকাশিত হয় এটি। দু...
04/24/2026

টাকাপয়সার অভাবে মানুষের আইকিউ কমে যায়!

গবেষণাটি প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের। ২০১৩ সালে Science জার্নালে প্রকাশিত হয় এটি। দুটো ভিন্ন পরিবেশে এই পরীক্ষা চালানো হয়। একটি নিউ জার্সির শপিং মলে এবং দ্বিতীয়টি ভারতের আখ চাষীদের ওপর।

শপিং মলে একদল মানুষকে কিছু আর্থিক সমস্যার সমাধান করতে দেওয়া হয়। সহজ অঙ্কগুলো ধনী-দরিদ্র সবাই সমাধান করে ফেলেন। কিন্তু জটিল এবং বড় অঙ্কগুলো সমাধানে নিম্ন আয়ের ব্যক্তিরা তুলনামূলক খারাপ পারফরম্যান্স করেন।

একই ঘটনা ঘটে ভারতেও। আখ চাষীরা বছরে একবার ফসল বিক্রি করে অনেক টাকা আয় করেন। কিন্তু ফসল বোনার আগে চরম অর্থকষ্টে ভোগেন। পরীক্ষায় দেখা যায় যখন অভাব থাকে, তখন তাদের আইকিউ অন্য সময়ের চেয়ে ১৩ পয়েন্ট কম। ফসল বিক্রির পর পুনরায় বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি পায়। এভাবেই চলতে থাকে।

গবেষণা অনুযায়ী, অর্থচিন্তার দরুণ আইকিউ কমার ফলে যে বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষতি হয়, তা এক রাত না ঘুমানোর ফলে হওয়া ক্ষতির সমতূল্য। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।

04/23/2026

Islamic gojol 2026

মার্কিন পারমাণবিক  সাবমেরিন নিখোজ! পারস্য উপসাগরে ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের আমেরিকান সাবমেরিন ধ্বংস। ১৭ এপ্রিল ইরান পারস্...
04/22/2026

মার্কিন পারমাণবিক সাবমেরিন নিখোজ!

পারস্য উপসাগরে ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের আমেরিকান সাবমেরিন ধ্বংস। ১৭ এপ্রিল ইরান পারস্য উপসাগরে সফলভাবে একটি আমেরিকান পারমাণবিক সাবমেরিন ডুবিয়ে দিয়েছে। চব্বিশ ঘণ্টা আগে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি ভার্জিনিয়া—শ্রেণির সাবমেরিন সমুদ্রে হারিয়ে যায়। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটার সময় আনুমানিক ১৪০ জন আমেরিকান নাবিক সাবমেরিনটিতে ছিল। পুরো একটি দিন ধরে পেন্টাগন নীরব। কোনো সংবাদ সম্মেলন করেনি।

কোনো বিবৃতি দেয়নি। কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। শুধু চাপা নীরবতা। ১৪০ জন আমেরিকান নাবিকের ভাগ্য এখনো অজানা। অত্যাধুনিক ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের সাবমেরিনটি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং এখন তার বিপজ্জনক পারমাণবিক চুল্লিসহ পারস্য উপসাগরের তলদেশে পড়ে আছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) অবিলম্বে একটি জরুরি দল পাঠিয়েছে। এদিকে, মার্কিন নৌবাহিনী দ্রুত পারস্য উপসাগর থেকে তাদের সমস্ত সাবমেরিন প্রত্যাহার করে নিয়েছে, যা এই হুমকির ভয়াবহতার একটি ইঙ্গিত বহন করছে। এই সাবমেরিন ধ্বংস করতে ইরান উন্নত রুশ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে।

04/22/2026

🟥 মেগা আপডেট 🟥

ইরান থেকে সবাইকে অবিলম্বে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব ও কুয়েত ছাড়ার আহ্বান

ইরানি আলোচনা দলের সাবেক সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মারান্দি সবাইকে অবিলম্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, সৌদি আরব ও কুয়েত ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

পারস্য উপসাগরের সব জাহাজের নাবিকদেরও নিজেদের জাহাজ পরিত্যাগের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

"এটি বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর কাছে থাকা জাহাজগুলোর জন্য জরুরি, কারণ এই জাহাজগুলো প্রথমেই ধ্বংস হবে। সময় ফুরিয়ে আসছে।"
#ইরান

দেশের মাটির নিচে পড়ে আছে বিশ্বমানের কয়লার ভান্ডার, আর সিন্ডিকেটের পকেটে যাচ্ছে হাজার কোটি টাকা! 🛑⛏️🇧🇩 জানলে অবাক হবেন, ব...
04/20/2026

দেশের মাটির নিচে পড়ে আছে বিশ্বমানের কয়লার ভান্ডার, আর সিন্ডিকেটের পকেটে যাচ্ছে হাজার কোটি টাকা! 🛑⛏️🇧🇩

জানলে অবাক হবেন, বাংলাদেশের বড়পুকুরিয়ার কয়লা ভারত, অস্ট্রেলিয়া বা ইন্দোনেশিয়ার কয়লার চেয়েও উন্নত। অথচ আমরা সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে বিদেশ থেকে নিম্নমানের কয়লা আমদানি করছি আর ডলার সংকটে ভুগছি!

কেন এই সিন্ডিকেট দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু?
✅ আকাশ-পাতাল মান: আমাদের বড়পুকুরিয়ার কয়লায় ছাই (Ash) থাকে মাত্র ১২.১%। আর আমরা ইন্দোনেশিয়া থেকে যে নিম্নমানের কয়লা আনি, তাতে ছাইয়ের পরিমাণ ৩৮-৪২%! অর্থাৎ, কয়লার দামে বিদেশ থেকে 'ছাই' কিনছি।
✅ দামের অস্বাভাবিকতা: আমদানির পথ খোলা রাখতে বড়পুকুরিয়ার কয়লার দাম ইচ্ছে করে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে বেশি (১৭৬ ডলার/টন) নির্ধারণ করে রাখা হয়েছিল!
✅ কমিশন ও অর্থপাচার: নিজস্ব খনি থেকে কয়লা তুললে দেশের লাভ, কিন্তু আমদানি করলে প্রতি টনে মেলে নির্দিষ্ট কমিশন। ওভার-ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে এই খাত দিয়ে পাচার হয় বিপুল ডলার।
✅ জিম্মি দশা: কৃষিজমি নষ্ট হওয়ার ঠুনকো অজুহাত দেখিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে খনি উত্তোলনের ফাইলগুলো বছরের পর বছর আটকে রাখে এরা। ফলে দেশ পুরোপুরি আমদানিনির্ভর হয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ ভোগে লোডশেডিংয়ে।

নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করলে দেশ স্বাবলম্বী হবে, খরচ কমবে এবং আমরা সস্তায় বিদ্যুৎ পাবো। কিন্তু সিন্ডিকেট চায় না দেশ বাঁচুক, তারা চায় নিজেদের পকেট ভারী হোক।

এই সিন্ডিকেটের হাত থেকে জ্বালানি খাতকে মুক্ত করতে হলে প্রথম কোন পদক্ষেপটি নেওয়া জরুরি— খনি উত্তোলনে স্বচ্ছ টেন্ডার, নাকি আমদানি নীতিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ?

Summary:
Bangladesh's Barapukuria has world-class Bituminous coal with only 12% ash. Yet, a powerful syndicate forces the country to import low-quality coal (40% ash) from Indonesia for heavy commissions and money laundering. They artificially inflated local coal prices and block new mining projects. It's time to break this syndicate and utilize our own resources to solve the dollar crisis and reduce electricity costs.

#নিউজ

ইসলাম শান্তির ধর্মজাপানের ফুজিসাওয়া (Fujisawa) শহরের অধিবাসীরা মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নেমে ...
04/17/2026

ইসলাম শান্তির ধর্ম
জাপানের ফুজিসাওয়া (Fujisawa) শহরের অধিবাসীরা মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছেন। বিক্ষোভকারীদের প্লাকার্ডে "জাপান শুধু জাপানিদের জন্য" এবং "আমরা কোনো মসজিদ বা মুসলিম কবরস্থান চাই না"—এ জাতীয় স্লোগান দেখা গেছে। তারা জাপানের আদি শিন্তো ও বৌদ্ধ ঐতিহ্যের সাথে ইসলামের পার্থক্যের কথা উল্লেখ করে, নিজেদের ঐতিহ্য রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।

​ফুজিসাওয়ার এই মসজিদটির বিশাল অবকাঠামো নিকটস্থ ঐতিহ্যবাহী শিন্তো মন্দিরের (Shinto Shrine) চেয়ে অনেক বড়। স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, লাউডস্পিকারে আজানের উচ্চশব্দ তাদের দৈনন্দিন প্রশান্তি নষ্ট করছে এবং অতিরিক্ত মানুষের যাতায়াতের ফলে যানজট সৃষ্টির আশঙ্কায় তারা উদ্বিগ্ন।

​ফুজিসাওয়ায় মসজিদ নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে প্রতিবাদী স্থানীয়দের সাথে মুজলিম কর্মীদের ধস্তাধস্তি এবং পুলিশের হস্তক্ষেপের দৃশ্য দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

​এই ভিডিওগুলোর প্রতিক্রিয়ায় অনেক জায়গায় ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলো মুসলিমদের "জাপান ছাড়ার" স্লোগান দিয়ে মিছিল করছে। ফুকুওকা এবং ফুজিসাওয়ায় এ ধরনের উত্তেজনাকর পরিস্থিতির ভিডিওগুলো সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

​যদিও জাপানে দুই হাজারেরও বেশি মসজিদ রয়েছে এবং দেশটিতে আড়াই লাখের অধিক মুজলিম বসবাস করেন। টোকিও ও ওসাকা মহানগরীতে ঈদের দিনে বিপুলসংখ্যক মানুষের রাস্তায় নামাজ পড়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, এভাবে রাস্তা দখল করা জাপানের নাগরিক শৃঙ্খলার (Civic discipline) পরিপন্থী। জাপানের রাস্তায় ইসলামি দাওয়াতের বার্তা নিয়ে মুজলিমদের মিছিলের ভিডিও দেখে স্থানীয়রা একে "ব্যক্তিগত পর্যায়ে ধর্ম পালনের জাপানি নীতি" বা সামাজিক রীতির লঙ্ঘন বলে মনে করছেন।

​জাপানে মৃতদেহ দাহ (Cremation) করার নিয়ম থাকলেও ইসলামে কবর দেওয়ার প্রথা রয়েছে। জাপানিদের মতে, এই প্রথা তাদের সীমিত জমির ব্যবহার এবং ভূগর্ভস্থ জলের বিশুদ্ধতা নষ্ট করতে পারে। এক সভায় একজন জাপানি রাজনীতিবিদ স্পষ্ট করে বলেন, "যদি আপনারা নিজেদের প্রথা অনুযায়ী কবর দিতে চান, তবে নিজেদের দেশে ফিরে যান।"

​জাপানের নাগরিকরা সংবাদমাধ্যমের সামনে আরও বলেছেন যে, লন্ডন ও ইউরোপের অন্যান্য বড় শহর এবং ভারতের মতো দেশে মুসলিমদের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা ও নারী নিরাপত্তার অবনতি- নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। জাপানের পরিস্থিতি এমন হোক—তা জাপানি নাগরিকরা চান না। এ কারণে তারা মুসলিমদের ব্যাপারে অভিবাসন নীতি আরও কঠোর করার দাবি জানাচ্ছেন।
কালেকটেড
#জাপান #বাংলাদেশ

04/16/2026

আয়াত গুলো কত'টা ভয়ংকর'!!
Surah: Al-Waqi'a | ٱلْوَاقِعَة
Yaseer Al-dosari.

বাংলা সনের শূন্য বছর শুরু হয়... ইংরেজি ৫৯৩ বা ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে। মানে আপনি যদি ২০২৬ থেকে ৫৯৩ বিয়োগ করেন, পাবেন ১৪৩৩, যে...
04/14/2026

বাংলা সনের শূন্য বছর শুরু হয়...

ইংরেজি ৫৯৩ বা ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে। মানে আপনি যদি ২০২৬ থেকে ৫৯৩ বিয়োগ করেন, পাবেন ১৪৩৩, যেটা exactly এই বছরের বাংলা সন।

এইটা শিখে রাখতে পারেন, রাস্তায় স্ট্রিট ইন্টারভিউয়ারদের খপ্পরে পড়ে গেলে কাজে দেবে যদি আপনার ম্যথ ভাল থাকে । তবে এইটার একটা লিমিটেশন আছে, সেটা হলো পহেলা বৈশাখের আগে হিসাব করলে ৫৯৪ বিয়োগ করতে হবে। আর পরে করলে করলে ৫৯৩।

এর কারন হলো, এপ্রিলের আগে ত বাংলা সাল চেঞ্জ হয় না, মানে ইংরেজি একই বছরে বাংলা দুইটা সাল থাকে। মানে জানুয়ারি থেকে এপ্রিল ১৪৩২ আবার এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর ১৪৩৩।

তবে ইন্টারভিউয়ারদের কথা বলছি, ওরা পহেলা বৈশাখের দিন-ই আসবে, তাই ৫৯৩ ই ফিক্সড রুল ধরে রাখেন।

শুভ নববর্ষ, ১৪৩৩
#নববর্ষ #পহেলা #ভাইরাল

04/13/2026

হে যুবক কেন নামাজ পড়ছো না? #নামাজ #মুসলমান

Address

Washington D.C., DC

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dof Point posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category