02/04/2026
গতকাল ঢাকা ওয়াসার এমডি স্যারকে ফোন দিয়েছিলাম। তাঁকে জানালাম, ঢাকা ওয়াসার পানিতে PFAS (polyfluoroalkyl substances) এবং কীটনাশক ও ফার্মাসিউটিক্যালস পাওয়া গেছে। তারমানে আমরা খাবার পানির সাথে বিষ খাচ্ছি প্রতিদিন। দুইটাই ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কেমিক্যাল কন্টামিনেশন।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদল সুইডেনের Umea University এর যৌথ সহযোগিতায় সুইডিশ ল্যাবে ঢাকা ওয়াসার বিভিন্ন স্থানের কয়েকটি পানির নমুনা পরীক্ষা করে পিফাস এবং কীটনাশক ও ফার্মাসিউটিক্যালস পেয়েছে। আমরা গড়ে প্রতিদিন দুই লিটার পানি খেলে কী পরিমাণ মারাত্মক কেমিক্যাল কন্টামিনেশন যাচ্ছে আমাদের শরীরে, সেটার ভয়াবহতা তুলে ধরলাম তাঁর কাছে। তাহলে বাচ্চাদের অবস্থা কী হতে পারে, সেটাও জানালাম।
তাঁকে বললাম, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি রসায়ন বিভাগের ড. আরিফ এবং ড. কাইউম সাহেব এই গবেষণায় ছিলেন। তাঁদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানালাম। আরও বললাম, গবেষণা পত্র প্রকাশের দিন ঢাকা ওয়াসার ল্যাবের চারজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাদেরকে ডেকে নিয়ে তিনি যেন সব বিষয়ে জেনে নেন এবং ওয়াসার সার্ফেস এবং গ্রাউন্ড ওয়াটার আলাদাভাবে পরীক্ষা করে রুট কজ এবং রিস্ক ফ্যাক্টর এনালাইসিস করেন। কোন ল্যাবে করা যাবে সেটাও বলে দিলাম।
এটা করা আমার দায় বা দায়িত্ব, কোনটাই ছিল না। নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর কোনো প্রয়োজন দেখি না। কে মরে মরুক। এসব তথ্য তো আমাকে কেউ ডেকে বলেনি। নিজেই যোগাড় করেছি।
তিনি সব শুনে আমাকে আগামী সপ্তাহে তাঁর অফিসে যেতে বললেন।
কিন্তু আমি যাব না। কারণ চেহারা দেখাবার কিছু নেই আর আমি চা নাস্তাও খাই না। এনাফ ইজ এনাফ।আপনারা যারা বলেছিলেন, নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনে থাকবেন, রাস্তায় নামবেন, এবার তারা গিয়ে ওয়াসার এমডি মহোদয়ের সাথে দেখা করে এইসব ভয়াবহ অবস্থার কথা বলুন। খাবার পানির সাথে পিফাস আর কীটনাশক এবং ফার্মাসিউটিক্যালস খাওয়ার রেকর্ড জগতের কোথাও নেই।
পুরো জাতি ধ্বংস হবে খাদ্য ভেজালের কারণে। ম*রুক সবাই।
** পারলে শেয়ার এবং কপি পেস্ট করবেন। যদি কষ্ট নাহয়।