Voboghure

Voboghure Travelling around the world and shearing interesting, funny and beautiful moments. U will enjoy. Voboghure means globe-trotter.

Also sharing beautiful weather, tourist sports, human behavior, lifestyles, happiness, sadness, motivational thinks, realistic life, popular songs and music. Traveling, watching, singing and enjoying the free life. Everyday meet new peoples and make friendship also shearing philosophy.

18/11/2025

আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় শিক্ষাকে শুধুই ব্যক্তিগত উন্নতির মাধ্যম হিসেবে দেখা যায় না; এটি একটি দেশের সামগ্রিক অগ্রগতির শক্তিশালী চালিকা শক্তি। তাই শিক্ষার্থীদের পড়া-লেখা থেকে শুরু করে তাদের মৌলিক চাহিদা; থাকা, খাওয়া, স্বাস্থ্যসেবা; সবকিছুর দায়িত্ব রাষ্ট্রের হওয়া উচিত। কারণ শিক্ষা হলো সমাজ পরিবর্তনের মূল হাতিয়ার, আর শিক্ষার্থীরাই সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু।

শিক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের কেন?
প্রথমত, শিক্ষা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। কিন্তু অধিকার তখনই বাস্তবায়িত হয়, যখন রাষ্ট্র সেই অধিকার নিশ্চিত করে। যদি দারিদ্র্য, অসমতা বা সামাজিক বৈষম্যের কারণে কেউ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়, তবে সেই রাষ্ট্র তার নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়। তাই রাষ্ট্রকে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করলেই হবে না; শিক্ষার্থীর শেখার পরিবেশ এবং জীবনযাপনের নিশ্চয়তাও দিতে হবে।

অর্থনৈতিক বৈষম্য কমাতে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব:
বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে শিক্ষার্থীরা অর্থাভাবে পড়াশোনা শেষে কাজ করতে বাধ্য হয় বা ড্রপ-আউট হয়। এমন বাস্তবতায় শিক্ষা বিনামূল্যে না হলে এবং থাকা-খাওয়ার নিশ্চয়তা না থাকলে দরিদ্র পরিবারের সন্তান কখনই সমান সুযোগ পাবে না। ফলে সমাজে ধনী-গরিবের বৈষম্য আরও বেড়ে যাবে।
একই সঙ্গে পড়ালেখার খরচ নিজের ওপর না থাকলে শিক্ষার্থীরা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের শিক্ষা-মান বৃদ্ধি করে।

রাষ্ট্রের বিনিয়োগ ভবিষ্যৎ উন্নয়নে ফেরত আসে:
শিক্ষার ওপর বিনিয়োগ কখনই অপচয় নয়। সু-শিক্ষিত জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রের অর্থনীতি, প্রযুক্তি, প্রশাসন, চিকিৎসা থেকে শুরু করে প্রতিটি সেক্টরে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করে। এই মানবসম্পদই একটি দেশের জিডিপি বাড়ায়, বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উন্নত করে।
অতএব শিক্ষার্থীর মৌলিক চাহিদা পূরণ করা রাষ্ট্রের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি লাভজনক বিনিয়োগ।

সমতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার ভূমিকা:
যে রাষ্ট্র তার শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব নেয়, সে রাষ্ট্র সমতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। সুযোগ-সুবিধা সবার জন্য এক হলে সমাজের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধ বৃদ্ধি পায়। এ ধরনের রাষ্ট্রে নাগরিকেরা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শুধু স্বপ্নই দেখে না-সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের শক্তিও পায়।

উপসংহার
শিক্ষার্থীর পড়া-লেখা, থাকা-খাওয়া; সব দায়িত্ব রাষ্ট্রের নেওয়া শুধু মানবিক বা নৈতিক দাবি নয়; এটি একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা। একটি উন্নত, সমতা-ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য শিক্ষার পূর্ণ দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে।
শিক্ষার্থীর উপর নয়, রাষ্ট্রের কাঁধেই থাকা উচিত শিক্ষার পূর্ণ
ভার-কারণ শিক্ষার শক্তিই গড়ে তোলে দেশের ভবিষ্যৎ।

09/11/2025

“শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড; আর সেই মেরুদণ্ড আজ নত হয়ে আছে!”
প্রতিটি শিশুর হাতে বই তুলে দেওয়ার অঙ্গীকার আমরা অনেক আগেই করেছি, কিন্তু সেই অঙ্গীকারকে বাস্তব রূপ দিতে হলে কথার ফুলঝুরি নয়, প্রয়োজন কার্যকর বাজেট বরাদ্দ। আমরা উন্নয়নের গল্প শুনি, কিন্তু শিক্ষার গল্প নিঃশব্দ।
এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়— এটা নীতিনির্ধারণের ব্যর্থতা, অবহেলার ফল!

আমরা বলছি, জিডিপির ন্যূনতম ১০ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দিতে হবে; এটা দয়া নয়, এটা জনগণের অধিকার।
কারণ শিক্ষা কেবল জ্ঞান নয়, এটা কর্মসংস্থান, এটি ন্যায়বিচার, এটি সমতার ভিত্তি।

আজও আমাদের শিক্ষকরা ন্যায্য সম্মান পান না, বিদ্যালয়ে বই আছে কিন্তু প্রযুক্তি নেই, শিক্ষার্থী আছে কিন্তু সুযোগ নেই।
এভাবে কোনো জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না।

আমরা এমন ব্যবস্থা চাই
যেখানে শিক্ষায় বিনিয়োগকে ব্যয় নয়, সবচেয়ে লাভজনক বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হবে।
যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিশ্বকে পথ দেখাবে,
যেখানে গ্রামের স্কুলেও শিশুরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে শেখার সুযোগ পাবে,
যেখানে শিক্ষা মানে হবে মুক্তি; অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা।

✊ আহ্বান

তাই আমরা ডি-ক্লাস ঘোষণা দিচ্ছি :

“শিক্ষায় বিনিয়োগ মানেই ভবিষ্যতে বিনিয়োগ!”
“শিক্ষাখাতে জিডিপির ন্যূনতম ১০ শতাংশ বরাদ্দ দিতেই হবে; এখনই, অবিলম্বে!”

হোক প্রতিবাদ
08/11/2025

হোক প্রতিবাদ

সংগীত, শিল্প আর সংস্কৃতি কোনো বিলাসিতা নয়, এটি মানুষের স্বাধীন সৃজনশীলতার প্রকাশ।

যারা এই সুর বন্ধ করতে চায়, তারা আসলে স্বাধীনতার কণ্ঠ রোধ করতে চায়।

আমরা, যারা নিজেদের ডি-ক্লাস মনে করি, আমরা গান গাইব; সুরে বা বেসুরে,
কারণ শিল্পই আমাদের প্রতিবাদের ভাষা।

শিল্পের স্বাধীনতার পক্ষে, শিল্পচর্চার পক্ষে; হোক প্রতিবাদ।

29/10/2025

ন্যায় কোনো জনরায়ের বিষয় নয়; তা সংখ্যাগরিষ্ঠের চিৎকারে নির্ধারিত হয় না, আবার জনরোষের উন্মাদনায় নষ্টও হয় না।
ন্যায় এক ধরনের নৈতিক বোধ, যা রাষ্ট্র ও সমাজের বিবেকের গভীরতা থেকে উদ্ভাসিত হয়।

কিছু গোষ্ঠী ফ্যাসিস্ট কায়দায় “ন্যায়” নামের মুখোশ পরে জুলুম শুরু করেছে। তারা কিছু মানুষের ক্ষণস্থায়ী রোষকে ন্যায়ের ভাষা বানিয়ে অন্যায়ের বৈধতা দিচ্ছে। কিন্তু ন্যায় কখনো আবেগপ্রবণ বা প্রতিহিংসাপরায়ণ নয়; ন্যায় সর্বদা ধৈর্যশীল, বিশ্লেষণাত্মক ও মানবিক।

ডি-ক্লাস এই জায়গায় ভিন্ন; তারা ন্যায়ের পাশে দাঁড়ায়, মবের পাশে নয়। তারা জানে, সত্যিকারের ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয় যখন প্রতিটি মানুষ তার মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে বাঁচতে পারে; জনমতের ভয় বা শাসকের ইচ্ছার বাইরে।

ন্যায়কে জনরায়ের হাতিয়ার নয়, বিবেকের আলোকবিন্দু হিসেবে দেখতে হবে।
ডি-ক্লাসের দায়িত্ব; এই আলোকবিন্দু যেন নিভে না যায়।

মব-সু নিপাত যাক।
27/10/2025

মব-সু নিপাত যাক।

ইতিহাস সাক্ষী।
যুগে যুগে, কালে কালে,
স্বাধীনতার পথ তৈরি করেছে সমাজের প্রান্তিক মানুষ!

যাদের বলা হয়েছে অযোগ্য,
যাদের তুচ্ছ করা হয়েছে অশিক্ষিত,
যাদের নাম দেওয়া হয়েছে ‘হকার ও টোকাই'
তারাই আসলে ইতিহাসের শ্রেণি তৈরি করেছে!

রাজপথে, কারাগারে, কৃষিক্ষেতে, কারখানায়
তাদের ঘাম, তাদের রক্ত, তাদের ত্যাগেই
জন্ম নিয়েছে স্বাধীনতার সূর্য!

মনে রাখবেন,
স্বাধীনতা কখনো ক্ষমতার চূড়া থেকে নেমে আসে না,
স্বাধীনতা উঠে আসে নিচ থেকে,
উঠে আসে মাটির মানুষদের বুকের ভেতর থেকে!

তাই আজও আমাদের দায়িত্ব,
সেই অবহেলিত মানুষদের সম্মান দেওয়া,
তাদের কণ্ঠকে শক্তি দেওয়া,
কারণ তারাই আগামী দিনের ইতিহাস লিখবে!

যারা ডি-ক্লাস, তারা সম্মানিত মানুষদের সম্মান দিতে যানে, যারা তথাকথিত শিক্ষিত, লূটপাটকারি ও সহযোগী তাদের ঘুম হারাম করে দিতে জানে।

সময় উপযোগী বাস্তবসম্মত দাবি। সংহতি জানাচ্ছি ❤️
22/10/2025

সময় উপযোগী বাস্তবসম্মত দাবি। সংহতি জানাচ্ছি ❤️

মাসিক বেতন ন্যূনতম বিশ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে এবং বাজারদরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাসাভাড়া প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

কারা কারা আমার মতো ডি-ক্লাস হাত তুলেন।
21/10/2025

কারা কারা আমার মতো ডি-ক্লাস হাত তুলেন।

আমরা, যারা নিজেদের ডি-ক্লাস বলে পরিচয় দিই, বিশ্বাস করি — সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার।
একজন সাধারণ নাগরিকেরও রাষ্ট্রপ্রধানের মতো মানসম্মত চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
যদি রাষ্ট্রপ্রধান উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেন,
তবে সাধারণ নাগরিকদেরও বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ রাষ্ট্রকেই নিশ্চিত করতে হবে।

সবার জন্য সমান স্বাস্থ্যসেবা — এটিই আমাদের অধিকার,
এটিই আমাদের দাবি।

আমি ডি-ক্লাস। আপনি?
21/10/2025

আমি ডি-ক্লাস। আপনি?

"অধিকার সবার সমান, বৈষম্য কারো সাথে নয়", এই কথায় যারা বিশ্বাস করেন এবং মেনে চলেন তাঁরাই ডি-ক্লাস।

শুভকামনা ❤️
26/09/2025

শুভকামনা ❤️

শুভ উদ্ভোধন ❤️ মহামায়া বাজার শোরুম ❤️

❤️ মির্জা সুইটস এন্ড বেকারি ❤️
মহামায়া বাজার, চাঁদপুর।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (রোজ শনিবার) ।
সবাইকে নিমন্ত্রণ ❤️

fans

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voboghure posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share