07/10/2026
৩১ সপ্তাহে টুইন বাবুর মা হলাম।
ডেট ছিলো ২৭ নভেম্বর বুকে পেলাম ২৫ সেপ্টেম্বর
বুকে পেয়েই কি লাভ হলো একটাকে হারিয়ে ফেললাম,😭
৭ মাস ৫ দিনের প্রেগন্যান্সি ছিলো আমার
২৪ তারিখ রাত থেকে আমার জীবনের উপর ঝর ওঠে
৩ দিন ধরে আমার আমাশয় ছিলো ১ সপ্তাহ আগেই ডাক্তারর দেখিয়ে আসছি তাই ভয়ে আমি আর কাউকে সেটা জানায়নি সেটাই ছিলো সবচেয়ে বড় ভুল। বার বার বাথরুমে যাওয়ার কারনে পেটে চাপ পরে। ২৪ তারিখ রাত ১১:৩০ ঘুমের মধ্যে হঠাৎ পানি ভেঙে যায় অনেক পানি এক সাথে যাচ্ছিলো। আমার পড়নের সমস্ত কাপর ভিজে যায়। ওই মুহুর্তে মেডিকেলে জরুরী বিভাগে আমাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে আমাকে সেলাইন দেওয়া হয় আর অক্সিজেন দেওয়া হয়। তারা বলে সকালে আলট্রা করে আমরা আগে দেখবো কি অবস্থা। তারপর রাত ২ টার পর আমার ব্যাথা ওঠে ডেলিভারির ব্যাথা। ডাক্তার বলে আপনারা চাইলে আমরা এখনি ডেলিভারি করিয়ে দিতে পারবো কিন্তু বাচ্চার রিস্ক নিতে পারবো না কারণ এখানে nicu নাই যেটা আছে সেটা হলো scanu এখানে nicu এর মতো ভালো ট্রিটমেন্ট নাই। তারা বলে আমাকে জরুরি ভাবে রাজশাহী অথবা রংপুর মেডিকেলে নিয়ে যেতে কারন সেখানে nicu আছে। আর তখন আমার এতো পরিমাণ ব্যাথা হচ্ছিলো যা সহ্য করার মতো না ওইখানেই বাচ্চা হয়ে যাবে এমন। তখন আমি বলি আমি আগে প্রাইভেট হসপিটাল থেকে আলট্রা করে দেখতে চাই আমার পেটের বাচ্চা ভালো আছে নাকি। তখন আমাকে পপুলারে নিয়ে যাওয়া হয় সকাল ১০ টাই। গিয়ে ডাক্তার হাত দিয়ে দাখে জরায়ুর মুখ ১০ সেমি খুলে গেছে তখন আমাকে আলট্রা দায় আলট্রা করে দাখে দুই বাচ্চাই সুস্থ আছে। ডাক্তার বলে বাচ্চা একেবারে চলে আসছে রংপুর রাজশাহী মেডিকেলে যাওয়া পর্যন্ত থাকবে না। এখনি মেডিকেলে যান নরমালেই বাচ্চা হয়ে যাবে আর nicu এই জেলাই মাত্র একটি হসপিটালে আছে আর সেটাতেও মাত্র ৫ টা বেড ওইটাও ফাকা পাওয়া সম্ভব না। মেডিকেলেই scanu তে রাখেন আল্লাহ হায়াত রাখলে ওখানেই বাঁচবে।
তারপর মেডিকেলে রেফার করে সেখানে গিয়ে ১:১৫ মিনিটে ছেলে বাচ্চা ডেলিভারি হয় তারপর আর ব্যাথা উঠে না অনেক চেষ্টার পর ৫:৩০ আবার মেয়ে বাচ্চা হয়। হওয়ার সাথে সাথে আমার দুই বাচ্চাই কান্না করে আর তারা পুরোপুরি সুস্থ ও ছিলো। ছেলের ওজন ছিলো ১৪০০ গ্রাম আর মেয়ের ওজন ছিলো ১২০০ গ্রাম। তারপর তাদের স্কানুতে রাখা হয় সেখানে ছিলো অনেক অবহেলা 😭
বাকি অংশ কমেন্টে...