22/02/2025
বিডিআর শহীদ পরিবারগুলোকে দেয়া হয়েছে মিথ্যে আশ্বাস | Major Tanvir Haider Noor | পর্ব ৪
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারী পিলখানায় ঘটেছিলো ইতিহাসের জঘন্যতম বিডিআর হত্যাকান্ড। শেখ হাসিনা সরকার দায়িত্ব নেয়ার ৫০ দিনের মাথায় এ হত্যাকান্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা সহ ৭৪ জন মানুষকে হত্যা করা হয়। গত সাড়ে ১৫ বছরে শহীদ পরিবারগুলো এ ঘটনায় মুখ খোলেননি।
নভেম্বর 5, 2013, ঢাকার একটি আদালত 150 জন বিডিআর সদস্য এবং দুইজন বেসামরিক নাগরিককে মৃত্যুদন্ড এবং 160 জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে তাদের ভূমিকা ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য আদেশ দেয়। মোট 256 জনকে, যাদের বেশিরভাগই বিডিআর সৈনিক, জেলে ছিলেন।
ঢাকার বাইরে কোনো ঘটনা না ঘটলেও, ২৬ ফেব্রুয়ারি একটি পূর্বপরিকল্পিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গুজব ছড়ানো হয়েছিল যে, সেনাবাহিনী বিডিআর ইউনিটে হামলা চালাবে।
এতে বিভিন্ন ইউনিটে অবস্থানরত বিডিআর সদস্যদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়, যারা পরবর্তীতে গণদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
৫ আগষ্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর তারা মুখ খুলতে শুরু করেছেন। তাদেরই একজন তাসনুভা মাহা, শহীদ মেজর তানভীর হয়দার নূরের স্ত্রী। তার কথা গুলো ধারাবাহিক ভাবে আমরা প্রচার করবো
27 নভেম্বর, 2017 এ মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর হাইকোর্ট রায় দেন। 139 আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে এবং 185 জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরও 228 জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং 283 জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্টের রায়ের আগে 15 আসামিসহ মোট 54 সন্দেহভাজন মারা গেছে। হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন ২২৬ জনের মতো আসামি।