Wong's Diary

Wong's Diary “Peace comes from within. Do not seek it without.”

~~~ Siddhārtha Gautama

Neymar Jr made his Brazil debut at MetLife Stadium in 2010, and scored. Sixteen years later, he scored at the same stadi...
07/07/2026

Neymar Jr made his Brazil debut at MetLife Stadium in 2010, and scored. Sixteen years later, he scored at the same stadium in what he says was his final ever Brazil game 🇧🇷❤️

🗣️ 'I tried. I tried. It started here at MetLife Stadium and I finished here. It is now over'

Full circle 🥹

End of an era💔🇧🇷😭

যু'দ্ধের  আ'গুনে পো'ড়া শৈশব, শরণার্থী শিবিরের চরম কষ্ট, শারীরিক দুর্বলতাকে পেছনে ফেলে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে...
03/07/2026

যু'দ্ধের আ'গুনে পো'ড়া শৈশব, শরণার্থী শিবিরের চরম কষ্ট, শারীরিক দুর্বলতাকে পেছনে ফেলে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা; এই গল্প শুধু সিনেমায়ই পাওয়া যায়। কিন্তু এটা সিনেমা না, পুরোপুরি বাস্তবতা। লুকা মদ্রিচের জীবন যেন তাই এক অবিশ্বাস্য রূপকথা।

১৯৮৫ সালে ক্রোয়েশিয়ার জাদার শহরে জন্ম নেওয়া মদ্রিচের শৈশব খুব বেশিদিন স্বাভাবিক ছিল না। ১৯৯১ সালে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে স্বাধীনতা যু'দ্ধ শুরু হলে মাত্র ছয় বছর বয়সেই তিনি জীবনের সবচেয়ে নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হন। সার্ব বিদ্রো'হীদের হামলায় তার দাদা লুকা মদ্রিচ সিনিয়রকে পরিবারের চোখের সামনেই হ'ত্যা করা হয়। এরপর তাদের বাড়িঘরও পু'ড়িয়ে দেওয়া হয়। সবকিছু হারিয়ে পরিবারটি উদ্বাস্তু হয়ে জাদারের একটি হোটেলে আশ্রয় নেয়, যা তখন শরণার্থী শিবির হিসেবে ব্যবহৃত হতো...

সেই শিবিরের পার্কিং লটেই অন্য শিশুদের সঙ্গে ফুটবল খেলতেন ছোট্ট মদ্রিচ। চারপাশে গো'লাগু'লির শব্দ, মর্টার শেল আর গ্রে'নেড বিস্ফো'রণের আতঙ্ক ছিল প্রতিদিনের বাস্তবতা। পরে তিনি নিজেই বলেছিলেন, যু'দ্ধ তাকে আরও শক্ত, আরও ধৈর্যশীল মানুষ হতে শিখিয়েছিল...

যুদ্ধ শেষ হলেও সংগ্রাম শেষ হয়নি। ফুটবলে ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে তাকে বারবার শুনতে হয়েছে- তিনি নাকি খুব রোগা, খুব দুর্বল, খুব শান্ত স্বভাবের। অনেক কোচই বিশ্বাস করতেন, এত ছোট গড়নের একজন ছেলে কখনোই বড় পর্যায়ের ফুটবলে সফল হতে পারবে না। সেই মদ্রিচ এরপর যা করেছেন, খুব কম ফুটবলার সেটা পেরেছেন...

রিয়াল মাদ্রিদে্র সবচেয়ে সমালোচিত সাইনিংয়ের একটা ছিল টটেনহ্যাম থেকে মদ্রিচকে নিয়ে আসা। কিন্তু সময়ই দেখিয়ে দেয়, রিয়ালের সেই সাইনিং ভুল ছিল না। রিয়ালের হয়ে ছয়টা ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন।

২০১৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়াকে দেশটার ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে তুলেছিলেন, নিজেও জেতেন গোল্ডেন বল। একই বছর ব্যালন ডি’অর জিতে ভাঙেন টানা এক দশক ধরে চলা লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আধিপত্য। পরের বিশ্বকাপে হন তৃতীয়, ২০২৩ সালের নেশন্স লিগের ফাইনালেও স্পেনের কাছে টাইব্রেকারে হেরে আরেকবার স্বপ্নভঙ্গ হয়। ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে স্বপ্নভঙ্গ হলো আরেকবার, এবার রাউন্ড অব থার্টি টু!! আর ক্রোয়েশিয়ার জার্সিতেই মদ্রিচের এটাই শেষ...

আল বিদা, বন্ধু...

সংগৃহীত পোস্ট

Luka Modrić We will miss you legend ♥️🇭🇷

27/06/2026

Everyday is new day. It’s just beginning...... 😊🍀

Have a good day everyone 🥰🍀


24/06/2026

প্রকৃতি সবসময়ই নিজের সাজে সজ্জিত 🍀🏕️🏜️🏝️🌱🌾


ব্রাজিলে একটা ছেলে রাস্তায় খেলত মোজার ভেতরে কাপড় গুঁজে বানানো বল দিয়ে।আসল ফুটবল কেনার টাকা ছিল না পরিবারের কাছে। বাবা...
20/06/2026

ব্রাজিলে একটা ছেলে রাস্তায় খেলত মোজার ভেতরে কাপড় গুঁজে বানানো বল দিয়ে।

আসল ফুটবল কেনার টাকা ছিল না পরিবারের কাছে। বাবা নিজেও ফুটবলার ছিলেন, কিন্তু সেই খেলে সংসার চলত না। তাই ছেলেটা স্কুলের ফাঁকে চা বিক্রি করত পরিবারকে একটু সাহায্য করার জন্য। এই ছেলেটার নাম এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো।

দুনিয়া তাকে চেনে অন্য নামে। পেলে।

পরে তিনবার বিশ্বকাপ জিতেছেন। ফুটবলের রাজা হয়েছেন। শুরুটা ছিল মোজার ভেতরে কাপড় গোঁজা একটা বল আর খালি পেটে রাস্তায় খেলা।

এইবার আরেকটা ছেলের কথা বলি। ভিন্ন শহর, ভিন্ন সময়, কিন্তু গল্পটা চেনা চেনা লাগবে।

পোর্তো আলেগ্রি শহরের ভিলা নোভা এলাকায় জন্ম এক ছেলের। পরিবারের অবস্থা ভালো না। বাবা ছিলেন শিপইয়ার্ড শ্রমিক আর পার্ট টাইম ফুটবলার। ছেলেটার বয়স যখন আট, তখন তার বাবা সুইমিং পুলে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। পরিবারের একমাত্র ভরসা চলে যায় একদিনে। মা একসাথে কয়েকটা কাজ করতে শুরু করেন সংসার চালাতে।

আর সেই ছেলেটা বাবার শেখানো একটা কৌশল নিয়ে রাস্তায় খেলত। বাবা একবার তাকে মিথ্যা বলেছিলেন যে খালি পায়ে খেললে বল কন্ট্রোল ভালো হয়। আসলে কারণ ছিল জুতা কেনার টাকা ছিল না। কিন্তু সেই মিথ্যাটাই তৈরি করল ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে জাদুকরি পায়ের জোড়া।

এই ছেলের নাম রোনাল্দো দে আসিস মোরেইরা। দুনিয়া তাকে চেনে রোনালদিনহো নামে।

দুই হাজার দুই বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন ব্রাজিলকে। ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় হয়েছেন পরপর দুইবার। তার হাসিমুখ আর জাদুকরি ড্রিবলিং পুরো দুনিয়াকে মুগ্ধ করেছে। অথচ শুরুটা ছিল বাবার মৃত্যুর শোক আর জুতা কেনার টাকা না থাকার বাস্তবতা।

এখন তৃতীয় প্রজন্মের গল্প বলি। আরও কাছের সময়ের।

রিও দে জেনেইরোর পাশের শহর সাও গনসালো। যেই এলাকায় বন্দুকের গুলির শব্দ এতটাই সাধারণ ছিল যে মানুষ ফোনে একটা অ্যাপ ব্যবহার করত যেটা জানাত কোথায় গোলাগুলি হচ্ছে, যাতে সেই রাস্তা এড়িয়ে চলা যায়। দাদির ছোট্ট একটা ঘরে বড় হয়েছে একটা ছেলে। এলাকার মানুষ বলে, এই ছেলে নিজের ঘাম দিয়ে, পরিবারের সাপোর্ট নিয়ে দারিদ্র্য থেকে বের হয়ে এসেছে।

এই ছেলের নাম ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আজকে রিয়াল মাদ্রিদের সবচেয়ে বড় তারকাদের একজন। ষোল বছর বয়সে রিয়াল মাদ্রিদ তাকে সাইন করিয়েছিল, যেই মাঠ থেকে তার যাত্রা শুরু সেখানে এখনও বাচ্চারা তার পোস্টারের নিচে অনুশীলন করে আর স্বপ্ন দেখে, একদিন তারাও পারবে।

তিনটা প্রজন্ম। পেলে ১৯৪০ এর দশকে জন্ম, রোনালদিনহো ১৯৮০ তে, ভিনিসিয়ুস ২০০০ সালে। কিন্তু গল্পটা যেন একই খাতা থেকে কপি করা।

দারিদ্র্য। কঠিন এলাকা। সম্পদের অভাব। আর একটা ফুটবল যেটা ছিল গরীবের কাছে স্বপ্ন দেখার একমাত্র জানালা।

এখন প্রশ্নটা হলো, কেন বারবার এই একই গল্প ব্রাজিলে ঘটে?

এর উত্তরটা একটু গভীরে আছে। ব্রাজিলের ইতিহাসে দাসপ্রথা ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী দাসপ্রথাগুলোর একটা। ১৮৮৮ সালে সেই প্রথা আইনত শেষ হয়। কিন্তু আইনে শেষ হওয়া আর বাস্তবে শেষ হওয়া এক জিনিস না। যাদের পূর্বপুরুষ দাস ছিল, তারা মুক্তি পেলেও জমি পায়নি, শিক্ষা পায়নি, সমান সুযোগ পায়নি। তাই তাদের বংশধররা থেকে গেল সমাজের সবচেয়ে নিচের স্তরে, গরিব এলাকায়, ফাভেলায়।

আর ফুটবল হয়ে উঠল সেই দেয়াল ভাঙার একমাত্র রাস্তা।

কারণ মাঠে নামলে কেউ জিজ্ঞেস করে না তোমার পূর্বপুরুষ কে ছিল, তোমার বাবার কত টাকা আছে। মাঠে শুধু একটাই প্রশ্ন থাকে, তুমি বল নিয়ে কী করতে পারো।

পেলে নিজেই একবার বলেছিলেন, মাঠে কেউ ধনী না, কেউ গরিব না। শুধু খেলা।

আর এইজন্যই তিন প্রজন্ম ধরে একই প্যাটার্ন দেখা যায়। গরিব ঘর, কঠিন এলাকা, পারিবারিক ট্র্যাজেডি, আর তার মধ্যেও এক টুকরো বল নিয়ে স্বপ্ন দেখা একটা ছেলে। পেলের কাছে ছিল না আসল বল। রোনালদিনহোর কাছে ছিল না জুতা, ছিল না বাবা। ভিনিসিয়ুসের কাছে ছিল না নিরাপদ রাস্তা।

কিন্তু একটা জিনিস তিনজনের কাছেই ছিল। হাল না ছাড়ার জেদ।

এখন তোমার দিকে তাকাও।

তোমার হয়তো রিসোর্স কম, পরিবারে সাপোর্ট কম, পরিস্থিতি প্রতিকূল। তুমি ভাবছ এই অবস্থা থেকে কিছু হবে না। কিন্তু পেলে মোজার বল দিয়ে শুরু করেছিল। রোনালদিনহো বাবা হারানোর শোক বুকে নিয়ে খালি পায়ে খেলেছে। ভিনিসিয়ুস গুলির শব্দের মধ্যে বড় হয়েছে।

তাদের কাছে যা ছিল না সেটা নিয়ে তারা থামেনি। তাদের কাছে যা ছিল সেটা দিয়েই তারা লড়েছে।

পরিস্থিতি তোমার শুরুর জায়গা ঠিক করে দেয়। কিন্তু তোমার শেষ জায়গা ঠিক করে তোমার পরিশ্রম।

তিন প্রজন্ম, একই দেশ, একই সংগ্রাম, একই ফলাফল। প্রমাণ করে দিয়েছে যে এইটা কোনো একবারের ঘটনা না। এইটা একটা প্যাটার্ন। যে পরিস্থিতির বিরুদ্ধে লড়াই করে, পরিস্থিতি একসময় তার সামনে মাথা নোয়ায়।

তোমার পরিস্থিতি যাই হোক, তুমিও থামবে কেন?

সংগৃহীত পোস্ট

“নারীর ভেতরের শক্তি অসীম। বাইরে থেকে তাকে যতোই অবলা বলা হোক না কেন, সংকটের মুহূর্তে সেই সবচেয়ে বড় ঢাল হয়ে দাঁড়াতে পারে।”...
20/06/2026

“নারীর ভেতরের শক্তি অসীম। বাইরে থেকে তাকে যতোই অবলা বলা হোক না কেন, সংকটের মুহূর্তে সেই সবচেয়ে বড় ঢাল হয়ে দাঁড়াতে পারে।”
-কবি সুফিয়া কামাল
২০ জুন ১৯১১ - ২০নভেম্বর ১৯৯৯

সূত্র: ‘একাত্তরের ডায়েরী’ থেকে

14/06/2026

প্রকৃতির কাছেই সুখের সন্ধান করি💚🌼🌸

আজকের দিনটা সবার ভালো কাটুক🌸🌼💚🙏🏻


উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ড যাত্রা করছেন আমাদের গর্ব, ভদন্ত নিয়ানিসার ভিক্ষু (তমেন্ট ত্রিপুরা)।প্রিয় তমেন্ট ত্রিপ...
11/06/2026

উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ড যাত্রা করছেন আমাদের গর্ব, ভদন্ত নিয়ানিসার ভিক্ষু (তমেন্ট ত্রিপুরা)।

প্রিয় তমেন্ট ত্রিপুরা (ভদন্ত নিয়ানিসার ভিক্ষু)-কে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ড যাত্রার জন্য জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আপনার এই অসাধারণ অর্জন শুধু আপনার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, এটি আপনার পরিবার, সিন্দুকছড়ি মুখ ত্রিপুরা পাড়া, এবং সমগ্র সমাজের জন্য গর্বের বিষয়।

অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে আপনি আজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ অর্জন করেছেন। থাইল্যান্ডের স্বনামধন্য Mahachulalongkornrajavidyalaya University (MCU)-তে Buddhism in English বিষয়ে অধ্যয়নের জন্য নির্বাচিত হওয়া সত্যিই প্রশংসনীয় এবং অনুকরণীয় সাফল্য।

আপনার এই নতুন শিক্ষাযাত্রা হোক জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ। অর্জিত শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে আপনি যেন দেশ, সমাজ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন, সেই প্রত্যাশা করি। আপনার স্বপ্নগুলো বাস্তবে রূপ লাভ করুক এবং জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ সাফল্যের আলোয় উদ্ভাসিত হোক।

ত্রিরত্নের আশীর্বাদে আপনি সুস্থ, নিরাপদ ও সফল থাকুন। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সুনাম উজ্জ্বল করুন এবং নিজের মেধা ও কর্মের মাধ্যমে নতুন নতুন অর্জনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন।

শুভ যাত্রা, প্রিয় তমেন্ট ত্রিপুরা।

আপনার ভবিষ্যৎ হোক উজ্জ্বল, সফলতা হোক আপনার নিত্যসঙ্গী, আর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় ভরে উঠুক জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও কল্যাণের আলোয়।

🌸 আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা 🌸

10/06/2026

প্রকৃতি কখনো তাড়া দেয় না, কিন্তু তার ছোঁয়ায় সময় যেন থেমে যায়।💛🌼


Address

Rajasthali
Rangamati

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wong's Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share