অনুভূতির ছোঁয়া

  • Home
  • অনুভূতির ছোঁয়া

অনুভূতির ছোঁয়া সকল প্রসংশার মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালা।

একধারে টানা তিনঘন্টা ধ'র্ষ'নের পর, যখন ওরা চারজন বুঝতে পারলো ওদের চাহিদা শেষ! ঠিক তখনই ওরা চিন্তায় পড়ে গেলো, "এই মেয়েটা...
08/08/2025

একধারে টানা তিনঘন্টা ধ'র্ষ'নের পর, যখন ওরা চারজন বুঝতে পারলো ওদের চাহিদা শেষ! ঠিক তখনই ওরা চিন্তায় পড়ে গেলো, "এই মেয়েটাকে এখন কী করা যেতে পারে?"
সর্বপ্রথম আবিদ ই মুখ খুললঃ
---- দোস্ত, রাগের মাথায় তো এসব করে ফেললাম! এখন এর কি করবো?

রকিঃ এখানেই ফেলে চলে যাই।

রাফসানঃ রকি ঠিক বলেছে। একে দেখেই মনে হচ্ছে, ওর আর ওঠার শক্তি নেই। এখানেই মরে যাবে!

জনিঃ কিন্তু যদি কোনো মানুষ এখানে আসে অথবা যদি ওই কোনোমতে বেঁচে যায়, তবে আমাদের কী হবে "একবার ভেবে দেখেছিস?

রকিঃ তাহলে কী করবো, তাড়াতাড়ি ঠিক কর?

জনিঃ এখানেই মাটিচাপা দিয়ে দেই। তোরা কী বলিস?

রাফসানঃ তাই কর, ওকে মেরে ফেল। কিন্তু কে মা'রবি ওকে?

ওদের মধ্যে সবচেয়ে সাহসী ও সাইকো হলো জনি। ওর আবার কথায় কথায় মা*রা*মা*রি, খু'ন'খা'রাপি করার অ'ভ্যাস! সব সময় দাঙ্গা ফ্যাসাদের আগে ওই থাকে, এবারও ব্যতিক্রম হল না! শেষে জনি ই বললঃ
---- আমি যাচ্ছি।..
একথা বলেই, জনি চলে গেল তুলির কাছে! ততক্ষণ তুলির একটু জ্ঞান ফিরেছে। অবশ্য এতক্ষণ তুলির চোখ বন্ধ থাকলেও, ওদের সমস্ত কথায় ওর ব্রেন পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছিল!
অতপর তুলি চোখ মেলে তাকিয়ে দেখে, জনি ওর দিকেই এগিয়ে আসছে! তখন তুলি কোনোরকম বিড়বিড় করে বললঃ
--- প্লিজ আমাকে মারবেন না। আমি কথা দিচ্ছি, আপনাদের কারো বিরুদ্ধে আমি কিছুই করবো না। আমাকে যেতে দিন, প্লিজ প্লিজ....

তুলি কথা বলতে বলতে বসার চেষ্টা করে এবং সমস্ত শক্তি দিয়ে দাঁড়াবার চেষ্টাও করে, কিন্তু না! ও পারে না, কারণ ততক্ষণে জনি ওর কাছে এসে কাঁধের উপর এক পা দিয়ে দাঁড়িয়ে যায়! আর খুব তীক্ষ্ণ ও হিং'স্র কণ্ঠে বলেঃ
--- তুই যে আমাদের জন্য বড় বি'পদ!

তুলিঃ আমি কথা দিচ্ছি, আমার দ্বারা আপনাদের কোনো বিপদ হবে না। আমি কাউকে কিছু বলবও না, এ নিয়ে আর কোনো কিছু হবেনা। প্লিজ আমাকে ছেড়ে দিন।
জনিঃ তোর কথায় আমাদের কোনো বিশ্বাস নেই!তোকে তো ম*রতেই হবে!

তুলির সাথে জনি কথা বলতেছিল আর চোখের ইশারায় রকিকে দিয়ে একটা বড় পাথর চেয়ে নিল। তুলি দেখতে পাচ্ছিল, সেই বড় পাথরের চাঁইটি ওর মাথা বড় বড় ছুটে আসছে! তাই সে চোখ বন্ধ করে বাঁচার চেষ্টাতে আকুতির সুরে বলে উঠলোঃ
----- প্লি.....
কিন্তু না, আর কিছু বলতে পারলো না। ততক্ষণে জনি ওর মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করেছে। তুলির মাথা ফেটে চৌচির হয়ে গেছে! সম্ভবত কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ম*রেও গেলো।
ওরা চারজন মিলে, তুলিকে ওখানেই মাটিচাপা দিয়ে দিলো! আশেপাশের সমস্ত চিহ্নগুলো মুছে দিল। এমনকি মাটিচাপা দেওয়ার পর, তার উপরও লতা পাতা ছিটিয়ে আগের মত করে দিল!

অবশেষে ওরা চলে আসলো আর এমনভাবে দৈনন্দিন কার্যক্রম করতে লাগলো, যেন কিছুই হয়নি বা এসবের কিছু ওরা জানেও না!.....
এবার_আসুন_flashback_দেখিঃ

জনি, রকি, রাফসান ও আবিদ; ওরা চারজন খুব ক্লোজ ফ্রেন্ড। ওরা একই এলাকায় থাকে আর ছোটোবেলা থেকেই সব কিছুতে ভাগাভাগি ও টানাটানি করার অভ্যাস। এমন কোন টপিক নাই, যেটা নিয়ে ওরা শেয়ার না করে!

তুলি এই এলাকায় নতুন এসেছে। রকি যে ফ্ল্যাটে থাকে, ওখানেই তুলি আর ওর পরিবারের সবাই উঠেছে। রকিদের সঙ্গে ওদের পরিবারের ভালোই সম্পর্ক রয়েছে।..
এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন যে, কেন তাহলে তুলির সঙ্গে এমন হলো? তুলিকে রকির অনেক ভালো লাগতো। রকি চেয়েছিলো তুলিকে বিয়ে করবে। কিন্তু তুলি রাজ নামের এক ছেলেকে পছন্দ করতো। তুলিকে রকি অনেক বুঝিয়েছে, কিন্তু কাজ হয়নি। আর সেদিন রকি একটু জোর করতেই, তুলি ওকে থা*প্পড় মা*রে।

তখন রকি আর ওর বন্ধুরা মিলে এই প্ল্যান করে, তুলিকে যে করেই হোক কিডন্যাপ করতে হবে এবং থা*প্পর দেয়ার শা*স্তি, ওকে পেতেই হবে!
তুলি প্রতিদিন কোচিং শেষে সন্ধ্যায়, একাকী ই হেঁটে বাসায় ফিরে। আজও তার ব্যতিক্রম হলো না, শুধু যোগ হলো আরো ৪জন! মানে রকি ও তাঁর বন্ধুরা ওকে ফলো করতে করতে আসছিলো।

তুলি যেই একটা গলির ভেতর এসেছে, তখনই ওরা আচমকা ওকে ক্লোরোফর্ম দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। তারপর তিনজনে ধরাধরি করে, ওদের পিছনে আসা গাড়িটিতে তুলে নেয়। যা এতক্ষণ রাফসান ড্রাইভ করছিল। অতঃপর ওই জঙ্গলে নিয়ে যায়।

তুলির জ্ঞান ফেরার পর, রকিদের কাছে অনেক মিনতি করে কিন্তু ওরা ওর কোন কথায় শোনে না। তারপর চলে উপর্যপরি গ্যাং রেপ ও অমানুষিক নির্যাতন! যা আপনারা ইতিমধ্যে জেনে গেছেন! তো এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন এই অঘটন টি। ...
ধর্ষণ_ও_হত্যাকাণ্ডের_পরঃ
বেশ কয়েকদিন হয়ে গেছে তুলির খোঁজ নেই। সবাই অনেক খোঁজাখুঁজি করলো। এমনকি পুলিশও কোনো হদিস মিলাতে পারলো না। অবশেষে কেইস ক্লোজ হয়ে গেল এবং থানাতে আরেকটা ব্লাইন্ড ফাইল এর সংখ্যা বাড়লো!
এই সবকিছুতে তুলির পরিবার দুঃখ-কষ্ট ও বুকে যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকলেও, অপরদিকে জনিরা হাঁফ ছেরে বাঁচলো! পুনরায় মজা মাস্তিতে মেতে রইল!...
2_years_later__

এখন তো সবাই ভূলেই গেছে তুলির কথা। কারো মনে আর সেদিনের কথা নেই। ওরা চার বন্ধু এখন যে যার কাজ নিয়ে ব্যাস্ত। রকি আর জনি এখন বিবাহিত। আর ওরা নিজেদের স্ত্রী নিয়ে, পরিবার থেকে আলাদা জায়গায় থাকে।

সেদিন রকি সকালে জীম করতে গেছে। ফেরার পথে ওর চোখ স্থির হয়ে গেলো। ওর সামনে দিয়ে একটা বাস যাচ্ছিলো। বাসের পেছনের দিকে তুলির মতো একটা মেয়ে! ..
চলবে.......

গল্পঃ "অশরীরীর মায়া"
পর্বঃ ০১

✅ ফলো করে পাশে থাকুন পরবর্তী পর্বগুলো পাবার জন্য

04/06/2024
02/06/2024

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অনুভূতির ছোঁয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অনুভূতির ছোঁয়া:

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share